18/07/2022
কামরাঙ্গীরচরের এলাকা ভিত্তিক সম্ভাব্য লোড শেডিং শিডিউল।
মজার ব্যাপার হচ্ছে কিছু কিছু এলাকায় ২ বার শিডিউল দেওয়া হলেও কোন কোন এলাকায় একবার ও দেওয়া হয়নি।
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Wazuddin High School, High School, Tekerhati, Kamrangir Char.
18/07/2022
কামরাঙ্গীরচরের এলাকা ভিত্তিক সম্ভাব্য লোড শেডিং শিডিউল।
মজার ব্যাপার হচ্ছে কিছু কিছু এলাকায় ২ বার শিডিউল দেওয়া হলেও কোন কোন এলাকায় একবার ও দেওয়া হয়নি।
29/07/2021
একটু সময় থাকলে পইড়েন পুরাটা।
একটা অতীব জরুরি, ফার্স্ট হ্যান্ড অভিজ্ঞতার বয়ান এবং এইসব বিষয়ক সম্ভবত শেষ পোস্ট।
২৫ জুলাই বিকালে ৫ টা ৪২ মিনিটে আব্বা ইন্তেকাল করেন।
২৫ জুলাই বিকালে এমন একটা সময় আসছে, যখন আমি একবার দৌড়ায়ে গিয়ে পা কাঁপতে থাকা, কাঁদতে থাকা আমার মেঝো ভাইকে ধরে কোন একটা জায়গায় বসানো যায় কিনা দেখতেছি – সাথে সাথেই আবার দৌড়ায়ে যাইতেছি চোখ লাল হয়ে পানি গড়াইতে থাকা চাচাকে সামলাইতে। এর মাঝে আমার মাথায় চিন্তা ঘুরতেছে আমি বাসায় আম্মাকে এই খবর কিভাবে দিবো, লন্ডনে থাকা বড় ভাইকে এই খবর কিভাবে দিবো। এর মাঝে হসপিটালের ক্লিয়ারেন্স নেওয়া লাগবে, ডেথ সার্টিফিকেটের কাজ আছে – গোছল করানো, ফ্রিজারের লোকদের সাথে কথা বলা – অনেক অনেক কাজ - অনেক চিন্তা।
_______________________________________
আব্বাকে হসপিটালে নেওয়ার আগের চার পাঁচদিন উনাকে মুখে তুলে খাওয়ায়ে দিতে হইতো। উনাকে একটা ইঞ্জেকশন দেওয়া হইতেছিল, সেইটার সাইড ইফেক্টে উনার বমি আসতো। আমি আব্বাকে মুখে তুলে খাওয়াইতাম , ধরে ধরে বাথরুমে নিয়ে যাইতাম, তাকে জড়ায়ে লিটারেলি পাজাকোলা করে উপুড় করে শোয়াইতাম অক্সিজেন ফ্লো এর জন্যে। উনার মাঝে মাঝে ঠিক মত সেন্স কাজ করতো না, উনি মাস্ক ছাড়াই আমার চোখে মুখে কাশি দিতেন। আব্বার বমি আসলে মুখে টিস্যু ধরতাম যাতে ঘরে ছড়ায়ে না পড়ে। মেডিসিন আনার জন্যে সময়ে অসময়ে বাইরে যাইতে হইতো। ভাইয়ার কিছু অসুস্থতায় ভাইয়া তখন অলমোস্ট শয্যাশায়ী। এই জন্যে আমিই আব্বা আম্মার যাবতীয় ব্লাড টেস্টের জন্যে হসপিটালে যাইতাম , সিরিয়াল দিতাম, স্যাম্পল কালেকশনের ব্যবস্থা করতাম। আমার হাত নীলচে হয়ে গেছিল হেক্সাসলের কারণে, আমার সারা শরীর দিয়ে স্যানিটাইজারের গন্ধ তখন।
আব্বা আম্মার করোনা পজিটিভ ধরা পড়ার পর থেকেই মেইনলি আমাদের দিনরাত এক হয়ে গেছিল। এই সিচুয়েশন আরো ভয়ংকর আকার ধারণ করে আব্বাকে হসপিটালে নেওয়ার পরে।
২২ তারিখ রাতে অবস্থা বেশি কমপ্লিকেটেড হয়ে যাওয়ায় আব্বাকে নিয়ে একটা এম্বুলেন্সে আমি একলা হসপিটালে গেছিলাম – আমার ভাইয়ের তখন সাথে যাওয়ার মত কন্ডিশন নাই। করোনা রোগী এইটা শুনে, নেগেটিভ হওয়ার পরেও ইভেন এম্বুলেন্সের লোকজনও আগায় নাই। আব্বাকে একলা ধরে এম্বুলেন্সে উঠানো, ঐখানে নিয়ে নামানো – ইমার্জেন্সিতে মেডিকাল ফাইল করানো, কেবিন বুকিং দেওয়া, সিস্টারদের সাথে কথা বলা – সব কিছু এক হাতে করে গেছি এদিক ওদিক না তাকায়ে। এইদিকে আম্মা কিন্তু তখনো বাসায়, পোস্ট কভিড উইকনেসে অলমোস্ট বিছানায় – এই চিন্তাও মাথায় ঘুরতেছে।
২৩ তারিখ সকালে হসপিটাল থেকে কল আসলো, রোগীর অবস্থা ভালো না – ইমার্জেন্সি যাইতে হবে, ডক্টর কথা বলবে। রাস্তায় নেমে দেখি একটা দুইটা রিকশা ছাড়া কিছু নাই। শান্তিনগর থেকে গ্রিনরোড একটা রিকশা ওয়ালা আমার কাছে চারশ টাকা রিকশা ভাড়া চাইছে সেইদিন। পকেটে ১০০০ টাকার নোট ছিল, ভাংতি দিতে পারবে না এই জন্যে রিকশায় উঠায় নাই। আমি শান্তিনগর থেকে ধানমণ্ডি দৌড়ায়ে গেছি তখন।
২৩ তারিখ সারাদিন হসপিটালের এটা সেটা করে যখন রাতে বাসায় আসছি, ভাবছি যে এখন একটু স্ট্যাবল অবস্থা, আইসিউতে হাইফ্লো অক্সিজেন পাচ্ছে – একটু রেস্ট নিবো – রাতে ১২ টার দিকে হসপিটাল থেকে আবার ফোন, রোগীর অবস্থা ভালো না। ইমার্জেন্সি যাইতে হবে। আমার সাথে তখন ভাইও গেছে পেইন কিলার খেয়ে। যাওয়ার পরে কর্তব্যরত ডাক্তার বললেন, আইসিউতে হাই ফ্লোতেও উনি অক্সিজেন পাচ্ছেন না ভালো। উনাকে লাইফ সাপোর্টে দেওয়া ছাড়া উপায় নাই – আমরা সেইটা চাই কিনা এবং সেইটা এফোর্ড করার মত ফিন্যান্সিয়াল এবং বাসার সার্বিক সিচুয়েশনে সাপোর্ট করে কিনা সেইটা জানতে চাচ্ছেন উনি; যেহেতু উনি জানেন যে বাসায় একাধিক করোনা রোগী এবং হাই রিস্ক রোগীও আছে। আমি আর ভাইয়া ডিসিশন নিলাম, আমরা শেষ পর্যন্ত ট্রাই করবো। লন্ডনে বড় ভাইকে জানানো হইলো, চাচা-মামাদের জানানো হইলো।
আইসিউ থেকে বলা হইলো যে কোন সময় যে কোন আর্জেন্ট মেডিসিন লাগতে পারে, ব্লাডও লাগতে পারে। রোগীর লোক একজন থাকা লাগবে ওখানে। আমি ঠেলেঠুলে আমার ভাইরে পাঠায় দিলাম বাসায়। কারণ বাসায় আম্মার হঠাত অবস্থা খারাপ হইলে ভাবী একলা সামাল দিতে হিমসিম খাবে। যদি অক্সিজেন সাপোর্ট লাগে, সেইটা ম্যানেজ করার জন্যেও একজন দরকার বাসায়। তারচেয়েও বড় কথা, আমার ভাইয়েরও তখন অবস্থা বেশি ভালো না। ব্যথা, টেনশনে, স্ট্রেসে অবস্থা খারাপ তার। তারে ঠেলেঠুলে পাঠায় দিয়ে সারারাত হাসপাতালে থেকে গেলাম, অনলাইনে সেমন্তী কথায় কথায় সারারাত সাপোর্ট দিলো আর আমার সাথে থেকে গেলো দিব্য। সকালে ৫ টার দিকে বাসায় আসলাম।
২৪ তারিখ সকালে ডাক্তার জানাইলেন একটা ইঞ্জেকশন কোভিড পেশেন্টদের দেওয়া হয় – কিন্তু একটু এক্সপেন্সিভ। লাখ টাকার কাছাকাছি দাম। এইটা রেজাল্ট দিতেও পারে, নাও পারে। আমরা দিতে চাই কিনা। আমরা দ্রুত ডিসিশন নিলাম যে দিবো আমরা। অনেক চেষ্টা চরিত করে সেই ইঞ্জেকশন খুজে পাওয়া গেল, দেওয়া হইলো সেইটা। বিকালের দিকে জানানো হইলো, মেডিসিনে রোগীর লাংস ফাংশনে ইম্প্রুভমেন্ট দেখা যাচ্ছে – অবস্থা উন্নতির দিকে। নিজের চোখে স্ক্রিনিং মনিটরে দেখে আসলাম, আগের চেয়ে ভালো অবস্থা।
২৫ তারিখ সকালে আবার হসপিটালে গেলাম, নার্স একটা ইঞ্জেকশনের নাম দিয়ে বললো ইমার্জেন্সি দেওয়া লাগবে এইটা। রোগীর প্রেসার ফল করতেছে, আরো কিছু মেডিক্যাল প্রসিডিউর এর জন্যে এই ইঞ্জেকশন ইমার্জেন্সি দরকার। সেই ইঞ্জেকশনের জন্যে আমি ধানমণ্ডি গ্রিনরোডের এ মাথা থেকে মোহাম্মদপুরের মাথা পর্যন্ত চষে বেড়াইছি, কোথাও পাই নাই। শেষে এক দোকান থেকে আমাকে ডেকে বললো স্টকে নাই কিন্তু ম্যানেজ করে দিতে পারবে। কিন্তু দাম বেশি পড়বে। আমি প্রায় ডাবল দাম দিয়ে সেই ইঞ্জেকশন কিনলাম। আমার তখন চারটা মাস্কের নিচে দম হাসফাস অবস্থা, কলাবাগান মোড়ে এসে দাঁড়ায়ে একটা সি এন জি পাইলাম-রিকশা নাই কোথাও। কলাবাগান মোড় থেকে গ্রিনরোড ২০০ টাকা সিএনজি ভাড়া দিয়ে এসে দেখলাম লিফট নাই। আমি তখন ঘড়ির কাটার সাথে দৌড়াইতেছি। লিফটের ভরসা বাদ দিয়ে সিড়ি দিয়ে দৌড়ায়ে উঠলাম। নার্সের হাতে ইঞ্জেকশন বুঝায়ে দিয়ে হাঁফ ছাড়লাম। নার্স আমার অবস্থা দেখে মায়া করেই আমাকে নন-ভিজিটিং আওয়ারে আইসিউতে যাওয়ার পার্মিশন দিলো। ভিতরে গিয়ে দেখলাম আব্বার অবস্থা স্ট্যাবল, উন্নতি বা অবনতি নাই।
২৫ তারিখ বিকালে আমাকে যখন হসপিটাল থেকে কল দেয়, তখন ৫ টা ৩৫ এর মত বাজে। ফোন দিয়ে একটা কথাই শুধু বলছে, “আপনাদের পেশেন্টের অবস্থা ভালো না – তাড়াতাড়ি আসেন।” আমি এক কাপড়ে দৌড়ায়ে মানিব্যাগ নিয়ে নেমে গেছি, নিচে নেমে একটা বাইক পাইছি, দরদাম না করে বলছি ভাই আমাকে একটু তাড়াতাড়ি পৌঁছায় দেন। আমি যখন গিয়ে হসপিটালে পৌছাইছি, ততক্ষণে আব্বা কার্ডীয়াক এরেস্টে চলে গেছেন। সিপিআর , এইডি সবই ততক্ষণে চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু মেশিনে একটা দুইটা স্পাইক দিয়ে লাইনটা ফ্ল্যাট হয়ে যাচ্ছিল – একজন নার্স আমাকে বাইরে বসতে বললেন। আমি গ্লাসরুমে বসে আছি। একটু পরে একজন ডাক্তার এসে ভাবলেশহীন মুখে বলে গেলেন, তাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে কিন্তু পেশেন্ট রেসপন্স করে নাই।
আমার তখন বুক ফেটে কান্না আসলেও মাথায় চিন্তা ছিল, দুর্বল হার্টের আম্মাকে মিনিমাম শকে কিভাবে এই খবরটা দেওয়া যায় – যাতে তার হার্টে বা ব্রেইনে খুব বেশি স্ট্রেস না পড়ে। আমার মেঝো ভাই আর এক চাচাকে কল দিয়ে বললাম মিথ্যা কথা, একটা বন্ডে সাইন করা লাগবে তাই যাতে দ্রুত হাসপাতালে আসে। তারা আসার পরে দ্রুত হাতে আইসিউ এর নির্ধারিত গাউন পড়ায়ে রেডি করে ভিতরে নিয়ে যাওয়ার সময় আস্তে আস্তে বললাম আব্বার একটা হার্ট এটাক হইছিল, এর পরে থেকে রেস্পন্স করতেছে না। ডাক্তাররা চেষ্টা করতেছে। আইসিউতে ঢোকার সময়ে বললাম, আব্বা রেস্পন্স করে নাই। ঐ মুহূর্তে আমার ভাইয়ের টালমাটাল পায়ের কাপুনি আমি টের পাইছি, আমার চাচার এক মুহূর্তের জন্যে থমকায়ে যাওয়া – চোখ মূহূর্তে লাল হয়ে যাওয়া আমি দেখতে পাইছি।
ততক্ষণে সারাফ চলে আসছে হসপিটালে, সেমন্তী আর দিব্যও। আমি চোখ মুখ স্বাভাবিক রেখে কাজ করে গেছি, ন্যাশনাল আইডি ফটোকপি করা, ডেথ সার্টিফিকেট এর ফর্ম ফিলাপ করা ইত্যাদি। চাচাদের কিছু কাজ বুঝায়ে দিয়ে আমি আর সারাফ বাসার দিকে রওনা দিলাম। বাসায় এসে আম্মাকে আস্তে আস্তে উঠায়ে বসায়ে বললাম যে আব্বার একটা হার্ট এটাক হইছে, খারাপ কিছু হইতে পারে। আম্মা কনফিডেন্স এর সাথে বললেন, “ইনশা আল্লাহ কিছু হবে না।” আমি এক মুহূর্তের জন্যে বুঝি নাই কি বলবো আম্মাকে তখন। আম্মাকে শক্ত করে ধরে বললাম যে ডাক্তাররা সব চেষ্টাই করছে কিন্তু রেস্পন্স করে নাই আব্বার হার্ট আর। আম্মা একদম ভেঙ্গেচুরে কান্না শুরু করলো, মেঝো ভাবি আর সারাফ তখন আম্মাকে সামলাইতেছে। আমি ভিতরের রুমে এসে লন্ডনে থাকা ভাইয়ার এক অনেক পুরানো আর ক্লোজ বন্ধুকে আগে কল দিয়ে বললাম ভাইয়ার আশেপাশে থাকলে ভাইয়াকে একটু দেখতে। এর পরে বড় ভাইকে কল দিয়ে একটু একটু করে গ্রাজুয়ালি খুলে বললাম ব্যাপারটা। ফোনের ভিতরে ভাইয়ার অবিশ্বাসের, কষ্টের ফোপায়ে কান্না একদম কলিজা ছিড়ে ফেলতেছিল আমার।
এর পরে আবার হসপিটালে যাওয়া, লাশ ধোয়ানোর এরেঞ্জমেন্ট আর ফ্রিজারের ব্যাপারে চাচারা কথা শেষ করছে ততক্ষনে। আমি হসপিটাল থেকে ক্লিয়ারেন্স নিলাম। চাচারা বের হইলো হাসপাতাল থেকে, আমিও বের হইলাম। আমার তখন হাউমাউ করে চিৎকার করে কাঁদতে ইচ্ছা করলেও অনেক অনেক কাজ বাকি। কান্নার সময় নাই।
পরের দিন ভোরে উঠে আমি, তিন চাচা আর সৌরভ ভাই সহ আরো এক দুইজন রওনা দিলাম টাঙ্গাইলের দিকে। আমি লাশবাহী গাড়িতে সামনে বসলাম। যতটা সময় আব্বার আশেপাশে থাকা যায় আর কি। টাঙ্গাইলে জানাজা হইলো, এর পরে কাফনের কাপড়ে মোড়ানো আব্বাকে কবরে নামাইলাম। দাফন শেষ হইলো। এইদিকে খবর আসলো, আম্মার প্রেসার বেড়ে গেছে, সকালে অক্সিজেন স্যাচুরেশন একটু কম ছিল। আমার তাড়া কত তাড়াতাড়ি ঢাকায় আসা যায়। ঐ দিন সন্ধায়ই ঢাকায় ব্যাক করলাম।
আমার মাঝে মাঝে খালি এই প্রশ্নটাই খচখচ করে মনে যে, আমি কি আরেকটু বেশি ইফোর্ট দিতে পারতাম ? আমি আরেকটু বেশি ইফোর্ট দিলে কি আউটকাম অন্যরকম কিছু হইতে পারতো ?
_______________________________________
আব্বাকে রাখা হইছিল রেড জোন আইসিউতে। সেখানে সব করোনা রোগী। পুরা ফ্লোরটাই করোনা ডেডিকেটেড। সেখানে আমি দিনের অধিকাংশ সময় ছিলাম। পাগলের মত দৌড়াইছি এখানে সেখানে। করোনা পজিটিভ আব্বাকে মুখে তুলে খাওয়াইছি, টিস্যু দিয়ে মুখ মুছাইছি, জাপটায়ে ধরে উপুড় করে শোয়াইছি। কিন্তু এর মাঝেও, গত এক মাসে চারবার টেস্টেও চারবারই আমি নেগেটিভ আসছি স্রষ্টার দয়া ছাড়া আর দুইটা কারণে।
১) আমি মাস্ক মেইনটেইন করছি খুব ভালো মত। দুইটা কাপড়ের মাস্কের মাঝে দুইটা সার্জিকাল মাস্ক, অলটাইম চশমা পড়ে থাকা। দম বন্ধ হয়ে আসছে কিন্তু মাস্কের ব্যাপারে কোন কম্প্রোমাইজ করি নাই।
২) আমার সারা গায়ে স্যানিটাইজার আর হেক্সাসলের গন্ধ থাকার কারণ, আমি বার বার হাত পা স্যানিটাইজ করছি। প্রতি মিনিটে, যখনই আব্বার/আম্মার রুমে গেছি বা আব্বার/আম্মার কোন জিনিস ধরছি। বালতিতে সাবান গোলায়ে পানি রেখে দিছি, বাইরে থেকে এসে সাথে সাথে ড্রেস চেইঞ্জ করে ধুইছি পা থেকে মাথা প্রতিবার।
এর মানে দাড়াইতেছে, আপনারা আমার যে যন্ত্রণাদায়ক অভিজ্ঞতার কথা পড়ছেন পুরা পোস্টে – সেইটা থেকে বাঁচার জন্যে আপনাদের ভ্যাক্সিনেটেড হওয়ার পাশাপাশি উপরের দুইটা কাজ করা লাগবে। মাস্ক মেইনটেইন করা লাগবে, হাত স্যানিটাইজড রাখতে হবে। এইটা এমন কঠিন কোন কাজ না। কিন্তু এইটা করতে না পারলে আপনি বা আপনার পরিবার কেউই নিরাপদ না।
_______________________________________
আমাকে ফোনে, টেক্সটে, মেসেজে অসংখ্য মানুষ শক্তি যোগাইছেন, খবর নিছেন এবং সহমর্মিতা জানাইছেন। আমি সবাইকে রিপ্লাই দিতে পারি নাই। আমি একটু সময় পাইলেই আস্তে আস্তে সবার সাথে যোগাযোগ করবো। আপনাদের সবার কাছে আমি আসলেই ঋণী। এই আকাশ-সমান , সমুদ্র-গভীর ভালবাসার কোন ধন্যবাদ হয় না। আপনারাই আমার শক্তি। তোমাদের দোয়ায়ই বেঁচে থাকার প্রেরণা পাই। তোদের জন্যেই বিপদের মুহূর্তে ভরসা পাই।
আমি শক্ত আছি। অনেক কাজকর্ম বাকি। এটা সেটা অনেক দায়িত্ব। ঘরে-বাইরে।
মাঝে মাঝে অবশ্য মনে হয়, এতো বড় হয়ে যাইতে চাই নাই।
মাঝে মাঝে এইটাও মনে হয়, পাহাড় সমান শক্ত হয়ে থাকাটা আসলে ঠিক কুলায়ে উঠতেছে না।
সত্যি কথা বলতে, ঠিকঠাক মত কাঁদার সময় করে উঠতে পারি নাই এখনো। অনেক বছর ধরেই পাইতেছি না। যেদিন ভাইঙ্গে চুরে যাবো সেইদিন কি হবে ভাবতেই হালকা প্যারা লাগে মাঝে মাঝে। যদিও একমনে জপতে থাকি, প্যারা নাই চিল। যদ্দিন টানা যায় এমনে, তদ্দিন টানি – এই আর কি।
_______________________________________
আমাদের আব্বার ট্রিটমেন্টের জন্যে আমরা অক্সিজেন সিলিন্ডার, ইঞ্জেকশন, আইসিউ, লাইফ সাপোর্ট সহ যদ্দূর চেষ্টা করছি – এই পর্যন্ত চেষ্টা করার সামর্থ্য বাংলাদেশের অনেক ফ্যামিলিরই নাই। অনেক ফ্যামিলিতেই বাধ্য হয়ে বয়স্ক মানুষগুলাকে খরচের খাতায় ধরে নিতে হইতেছে। এদের অধিকাংশই করোনায় মারা যাচ্ছে যে – তার কোন রেকর্ড থাকতেছে না। শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ইত্যাদি ইত্যাদিতে মারা যাচ্ছে বলে রেকর্ড থাকতেছে।
অবস্থা আসলে কতটা খারাপ – অক্সিজেন সিলিন্ডার, ইঞ্জেকশন ইত্যাদি খুজতে গিয়ে, কবরস্থানে ঘুরে এসে একদম চাক্ষুষ দেখে আসছি। পত্রিকায় খবর যা দেখেন, অবস্থা এর চেয়ে অনেক বেশি খারাপ।
এখনো যারা সাবধান হইতেছেন না, অদরকারে বাইরে মাস্ক ছাড়া ঘুরতেছেন – স্বাস্থ্যবিধি মেইনটেইন করতেছেন না – আপনারা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ ভাবে করোনাজনিত কারণে মৃত প্রতিটা মানুষের মৃত্যুর জন্যে দায়ী। আপনাদের আমি কোনদিন ক্ষমা করবো না। ঠিক যেমন আমি ক্ষমা করবো না বড় বড় চেয়ারে বসে থাকা, ক্ষমতা-লুটপাট আর গুণ কীর্তনের নেশায় উদাসীন বড় বড় মানুষদের এবং তাদের পা চাটা অন্ধ গোলাম আর অধস্তনদের ।
আল্লাহ খোদা ভগবান ঈশ্বর বলে কেউ থেকে থাকলে,
এই পাপ এদের ভোগাবে।
ভোগাবেই।
©️Mahbubul Hassan Sharan
জসিম উদ্দিন জয়
সহকারী শিক্ষক ( তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি )
ওয়াজউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়
বিষয়ঃ ৮ম শ্রেনি গনিত
অধ্যায়ঃ ৩ ( পরিমাপ)
অরিজিনাল আপলোড লিংকঃ https://www.youtube.com/watch?v=-tMMq2T6wyo&list=PLuCMIxltMjk4QTbRVuARbKHfvsET69g7O&index=19&ab_channel=90DEGREEEducation&fbclid=IwAR0ND4xIT_Vbk-F4PuIv9r1QGWyEx64sskq1RhgyPZ0b1ISD5kSrDy44Y0o
পেজ আপলোড লিংকঃ https://www.facebook.com/WazuddinHighSchoolOnlineClass/videos/739664999946974/
জিয়াউল হক প্রান্ত
সহকারী শিক্ষক( গনিত ও বিজ্ঞান )
ওয়াজউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়
ত্রিকোণমিতির সূত্রগুলো মনে রাখার উপায়
৯ম/১০ম শ্রেণির সকল ছাত্রছাত্রীদের জন্য
অরিজিনাল ভিডিও লিংকঃhttps://www.youtube.com/watch?v=tKWiQJGHn-g&ab_channel=MyMathSolution
পেজ আপলোড লিংকঃ https://www.facebook.com/228127148418928/videos/600097040680302/?__so__=channel_tab&__rv__=all_videos_card
হাসান গোলাম মোস্তফা
প্রধান শিক্ষক
ওয়াজউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়
বিষয়ঃ ভূগোল ও পরিবেশ
অরিজিনাল ভিডিও লিংকঃ https://www.youtube.com/watch?v=usP13gaunQg&ab_channel=CommunitySolutionSchool
পেজ আপলোড লিংকঃ https://www.facebook.com/WazuddinHighSchoolOnlineClass/videos/350625049458714/
রিজিয়া বেগম ❤️
বিষয়ঃ বাংলা ১ম পত্র
Z M Akhtarul Kabir
English Teacher
Class: 9-10
Sentence Connectors(part-2)
Z M Akhtarul Kabir
Assistant Teacher (English)
Class: 9-10
Grammar : Sentence Connectors (part-1