Greenway Academic Coaching

Call Directions Contact the school

Greenway Academic Coaching Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Greenway Academic Coaching, Education, ঝাউলাহাটি চৌরাস্তা, Kamrangir Char.

Our Heartiest prayers are always with you, Congratulations! Follow Greenway Sci-Tech & Research Society for more blasts.
17/09/2026

Our Heartiest prayers are always with you, Congratulations!

Follow Greenway Sci-Tech & Research Society for more blasts.

একজন বৃদ্ধা রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর কাছে এলেন এবং দু'আ চাইলেন, আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান।রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন: জান্ন...
14/09/2026

একজন বৃদ্ধা রাসূলুল্লাহ ﷺ -এর কাছে এলেন এবং দু'আ চাইলেন, আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন: জান্নাতে তো কোনো বৃদ্ধা প্রবেশ করবে না!

বৃদ্ধা দুশ্চিন্তায় পড়ে গেলেন। বললেন: তাহলে তাদের কী হবে?

রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন: তুমি কি কুরআনের ঐ বাণীাটা শোনোনি?-

إِنَّا أَنشَأْنَاهُنَّ إِنْشَاءُ، فَجَعَلْنَاهُنَّ أَبْكَارًا

"আমি জান্নাতী রমণীগণকে নতুনভাবে সৃষ্টি করবো। এরপর তাদেরকে কুমারী বানিয়ে দেবো।"
(সূরা ওয়াক্বিয়াহ, আয়াত: ৩৫, ৩৬)

অর্থাৎ, জান্নাতে যে নারীরা প্রবেশ করবে, তারা সকলেই কুমারী তরুণীরূপে প্রবেশ করবে। জান্নাতে প্রবেশের সময় বার্ধক্যের অবয়ব আর থাকবে না কারও। কাজেই, জান্নাতে বৃদ্ধা প্রবেশ করবে না, এমনটি নয়; বরং বৃদ্ধা বৃদ্ধারূপে প্রবেশ করবে না, তরুণী হয়ে প্রবেশ করবে, ব্যাপারটা এমন।

বই: বৃষ্টিমুখর রৌদ্রমুখর

চমৎকার এই বইটি তোমরা পড়েছ কি?

আমাদের শিক্ষার্থীরা যখন জীবনের একেক অঙ্গনে নিজেদের মতো করে এগিয়ে চলে, আমাদের চেয়ে খুশি বুঝি অন্য কেউ হয় না। বলছিলাম তোমা...
09/09/2026

আমাদের শিক্ষার্থীরা যখন জীবনের একেক অঙ্গনে নিজেদের মতো করে এগিয়ে চলে, আমাদের চেয়ে খুশি বুঝি অন্য কেউ হয় না। বলছিলাম তোমাদেরই একজন বড়ো আপুর কথা। আমাদের এইচএসসি ২০১৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিল সে। বর্তমানে যুক্ত রয়েছে শিশুতোষ কাজের সঙ্গে এবং চমৎকার সব কাজ করে চলেছে আলহামদুলিল্লাহ 🤍। সৃষ্টিকর্তা তাকে আরও অনেক দূর নিয়ে যান এটাই আমাদের প্রার্থনা।

চমৎকার এই সিরিজটি আমাদের প্রিয় শিক্ষার্থী নূরের দ্বিতীয় শিশুতোষ কাজ। আশা রাখি কাজটি ভীষণ সুন্দর হবে। তোমাদের বাসায় ছোট ভাইবোন থাকলে তোমরাও বইগুলো কিনে ফেলতে পারো কিন্তু!

আসন্ন ইসলামি বইমেলায় প্রকাশিত হতে চলেছে বইগুলো। বইমেলায় কে কে যাবে কমেন্টবক্সে জানিয়ে যেও কেমন!

প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ , কেমন আছ তোমরা? আজ তোমাদের জন্য একটি দারুণ সুসংবাদ নিয়ে এসেছি। তবে এটা সুসংবাদ নাকি তোমার ওয়ালেআস...
07/09/2026

প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ , কেমন আছ তোমরা? আজ তোমাদের জন্য একটি দারুণ সুসংবাদ নিয়ে এসেছি। তবে এটা সুসংবাদ নাকি তোমার ওয়ালেআসা আর দশটা সাধারণ পোস্টের মতো একটি পোস্ট, তা নির্ভর করবে সম্পূর্নরুপে তোমার উপর।

তুমি কী ভালোবাসো? তুমি কী চাও?

তুমি কী চাও— Education এবং Skill এ সমৃদ্ধ একটি জীবনযাপন করতে? নাকি স্রেফ জিপিএ এবং সিজিপিএ এর মাঝেই নিজেকে আটকে ফেলতে চাও?

তোমার লক্ষ্য যদি হয় দ্বিতীয়টি, তবে এই লেখাটি তোমার জন্য দারুণ উপকারী হতে চলেছে।

তুমি কী জানো, Stanford Engineering Center for Global & Online Education এর তরফ থেকে তাদের Machine Learning প্রোগ্রামটি সম্পূর্ণরূপে বিনামূল্যে সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

চমৎকার এই কোর্সটির ডিউরেশন সব মিলিয়ে ৩০ ঘন্টাও হয়ত হবে না। পড়াশোনার পাশাপাশি প্রতিদিন ৩০-৪০ মিনিট করে এখানে সময় দিলে, ২০২৭ সাল আসতে আসতে তুমি কিন্তু দারুণ একটি সময় কাটাতে পারবে এবং সেই সাথে হয়ে উঠবে আরও এক ধাপ স্কিলড।

কোর্সটি শুরু করতে চাইছ? ঝটপট কমেন্ট বক্স চেক করে ফেলো 🤍।

আমাদের দেশে প্রায়ই অভিভাবকেরা একটা কথা বলে থাকেন, ‘আমার ছেলে/মেয়ের ব্রেইন ভালো, কিন্তু ও পড়ে না’। কথাটি আশা করছি তোমরাও ...
29/08/2026

আমাদের দেশে প্রায়ই অভিভাবকেরা একটা কথা বলে থাকেন, ‘আমার ছেলে/মেয়ের ব্রেইন ভালো, কিন্তু ও পড়ে না’। কথাটি আশা করছি তোমরাও শুনেছ প্রায়ই! আমিও শুনেছি বেশ কয়েকবার শৈশবে। কিন্তু আমার এই ভুল ধারণা বদলে গেলো যখন ক্লাস টেনের চৌকাঠে পা রেখেছি।

একদিন আমাদের কোচিং এর স্যার আমাদেরকে এই রূঢ় সত্যের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন। তিনি আমাদের সাথে একটি ঘটনা শেয়ার করলেন। সেখানে এক পর্যায়ে তার সামনে থাকা অভিভাবক তাকে বলছিলেন ‘স্যার, আমার ছেলের ব্রেইন ভালো, শুধু পড়ে না’। স্যার তখন কাল বিলম্ব না করে অত্যন্ত বিনয়ের সাথে তাকে জবাব দিলেন, ‘একজন ভালো স্টুডেন্ট ও একজন খারাপ স্টুডেন্ট এর পার্থক্য শুধু এটাই যে একজন পড়ে এবং একজন পড়ে না। এছাড়া আর কোনো তফাত আমি দেখি না।

স্যারের বলা কথাটি মনে গেঁথে গেলো। আসলেই তো! আমি যদি না পড়ি, ভালোভাবে সবকিছু শিখব না। নিজের পড়াশোনার সিলেবাস কম্প্লিট না করলে যতই আমার পড়াশোনা মনে রাখার গুণ থাকুক না কেনো, আমি তো ভালো স্টুডেন্ট হলাম না! আমাকে পড়ত হবে, জানতে হবে।

এই কথাটির সত্যতা ধীরে ধীরে অনুধাবন করতে শুরু করেছি যখন আমি খুব পরিশ্রম করে একজন ভালো স্টুডেন্ট হয়ে উঠলাম। যে সে ভালো না, টপক্লাস ভালো। আবার সেই আমিই পড়াশোনা কম করে একজন খারাপ স্টুডেন্ট হয়ে গেলাম!

প্রিয় শিক্ষার্থী, জীবনে অনেক কিছুরই হাতছানি আসবে যা তোমার বোরিং লাইফকে এক নিমিষেই উপভোগ্য বানিয়ে দিতে পারে। কিন্তু সেসবের আড়ালে নিজের প্রতি সৎ থেকো! বলবে, সবাই কি তবে First bencher ই হবে? নাহ, হবে না। তুমি নাহয় Back bencher হয়ো। তবে ওই বেঞ্চ যেন তোমাকে তোমার স্টুডেন্ট আইডেন্টিটি থেকে দূরে না নিয়ে যায়। তুমি পরিশ্রম করো, যেই বেঞ্চেই বসে থাকো না কেনো, বন্ধুদের সাথে আনন্দ করো, আনন্দের পরে ঘরে ফিরে এসে নিজের পড়াটা কম্প্লিট করো।

মিথ্যে আশায় থেকো না যে তোমার ব্রেইন ভালো, সুতরাং তুমি ‘Cool’। নিজের মেধার সাথে পরিশ্রম যুক্ত করো যতক্ষণ না তোমার কাছে তোমার টেক্সট বুকগুলো এলাকার অলিগলির মতো পরিচিত না হয়ে যায়।

পরিশ্রম না করা শিক্ষার্থীদের ভীড়ে তুমি হও ভীষণ পরিশ্রমী, ভীষণ ইনটেলিজেন্ট। এটাই হোক তোমার Coolness!

নিজের প্রতি নিজে আজ থেকে সৎ থাকবে তো?

Let us grow cool together, let us grow in knowledge together. 🤝

ধরুন মেরি নামের একজন অসাধারণ বিজ্ঞানীর কথা কল্পনা করা যাক। মেরি সারা জীবন একটা ঘরের মধ্যে বন্দি হয়ে আছে। তবে এটি সাধারণ ...
28/08/2026

ধরুন মেরি নামের একজন অসাধারণ বিজ্ঞানীর কথা কল্পনা করা যাক। মেরি সারা জীবন একটা ঘরের মধ্যে বন্দি হয়ে আছে। তবে এটি সাধারণ কোনো ঘর নয়। ঘরের সবকিছু কেবল দুটো রঙের, কালো আর সাদা। এমনকি মেরির গায়ের পোশাক, ঘরের টেবিল, চেয়ার, কম্পিউটার আর বইপত্র সবকিছুই কালো আর সাদা। ঘরের বাইরের বিশ্ব সম্পর্কে মেরি সব জানে। তবে বাইরের দুনিয়া সে দেখে কেবল একটি পুরোনো কালো সাদা মনিটরের মাধ্যমে।

বিজ্ঞানী হিসেবে মেরি অসম্ভব রকমের বুদ্ধিমান। সে মানুষের মস্তিষ্ক আর আলোর বিজ্ঞান সম্পর্কে বিশ্বের যাবতীয় তথ্য মুখস্থ করে ফেলেছে। রক্ত কীভাবে লাল আলো প্রতিফলন করে আকাশের নীল রং কীভাবে মানুষের চোখে তরঙ্গ তৈরি করে, আর সেই তরঙ্গ মস্তিষ্কের স্নায়ুতে কীভাবে অনুভূতি জাগায়, তার প্রতিটি গাণিতিক ও বৈজ্ঞানিক হিসেব মেরির মুখস্থ। বৈজ্ঞানিক তথ্যের দিক থেকে মেরির জানা বাকি নেই কিছুই। মানে রঙ সম্পর্কে যাবতীয় ভৌত জ্ঞান তার আয়ত্তে।

এখন একটা বড় প্রশ্ন ওঠে। মেরি যদি একদিন সেই কালো সাদা ঘর থেকে বাইরে বের হয়ে আসে আর প্রথমবারের মতো গাছে একটি লাল আপেল নিজের চোখে দেখে তবে কি সে নতুন কিছু শিখবে?

এই সহজ প্রশ্নটি থেকেই জন্ম নিয়েছে দর্শনের এক বিখ্যাত আলোচনা যাকে জ্ঞানের যুক্তি বলা হয়! দর্শনের এই বিতর্কটি মানুষের মন এবং শরীরের সম্পর্ক নিয়ে এক দারুণ রহস্য তৈরি করে।

যদি আমরা ধরে নি মেরি প্রথমবার লাল আপেল দেখে সত্যিই নতুন কিছু শিখল তবে বুঝতে হবে পৃথিবীর সব বৈজ্ঞানিক তথ্য জানা সত্ত্বেও একটা জিনিস তার জানা বাকি ছিল। আর তা হলো লাল রঙ দেখার বাস্তব অভিজ্ঞতা।

এর মানে দাঁড়াচ্ছে পৃথিবীর সব বস্তুগত বা বৈজ্ঞানিক তথ্যই শুধু চূড়ান্ত সত্য নয়। বস্তুগত তথ্যের বাইরেও আমাদের অভিজ্ঞতার এক আলাদা জগৎ রয়েছে যাকে কেবল অনুভব করেই জানা সম্ভব।

মানে ভালো করে আপনাদের বোঝাচ্ছি ধরা যাক কোনো মানুষ জীবনের প্রথমবার মিষ্টি জাতীয় কোনো খাবার মুখে দিল। তাকে আগে থেকে যতই বোঝানো হোক না কেন মিষ্টি জিনিসটা কী গ্লুকোজ কীভাবে কাজ করে বা জিহ্বার কোন অংশ মিষ্টি স্বাদ গ্রহণ করে সে কিন্তু আসল স্বাদটি অনুভব করতে পারবে না যতক্ষণ না সে নিজে তা চেখে দেখছে। ঠিক তেমনি একজন মানুষ যিনি জন্ম থেকে কানে শোনেন না তাকে শব্দের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা লিখে বুঝিয়ে দিলেও গানের সুরের আসল আনন্দ সে অনুভব করতে পারবে না।

তাহলে বিজ্ঞানের আলো দিয়ে কি মানুষের সব অনুভূতিকে মাপা সম্ভব? এই বিতর্ক আমাদের চিন্তা করতে বাধ্য করে। অনেক চিন্তাবিদ মনে করেন যে আমাদের এই অনুভূতিগুলো কেবল মস্তিষ্কের কেমিক্যাল প্রতিক্রিয়া নয়। আবার অনেকে উল্টো যুক্তি দিয়ে বলেন মেরি নতুন কিছুই শিখেনি সে শুধু তার জানা তথ্যগুলোকে নতুনভাবে অনুভব করেছে মাত্র।

এই চিন্তার লড়াই আজও শেষ হয়নি। তবে এটি আমাদের শেখায় যে দেখার জ্ঞান আর অনুভূতির জ্ঞানের মধ্যে একটা বড় পার্থক্য রয়েছে। আমাদের চেতনা এবং ভেতরের অনুভূতিগুলো বিজ্ঞানের হিসাব নিকাশের চেয়েও গভীর হতে পারে। রঙ, স্বাদ বা দুঃখের মতো বিষয়গুলো কেবল বই পড়ে জানা যায় না এগুলোকে নিজের অভিজ্ঞতা অনুভূতি দিয়ে ধারণ করতে হয়। আর এখানেই তো মানুষ আর যন্ত্রের মূল পার্থক্য তৈরি হয়।

আপনারা খেয়াল করেছেন অবশ্যই বর্তমানে এআই বা রোবট মানুষের চেয়ে হাজার গুণ বেশি ডেটা মনে রাখতে পারে এবং যেকোনো বিষয়ে নিখুঁত বৈজ্ঞানিক উত্তর দিতে পারে। কিন্তু এই নলেজ আর্গুমেন্ট তত্ত্ব সাধারণ মানুষকে শেখায় যে রোবটের মধ্যে কোটি কোটি ডেটা থাকলেও তার নিজস্ব কোনো চেতনা বা অভিজ্ঞতা নেই। মানুষ এবং যন্ত্রের আসল পার্থক্য এই অনুভূতির ভেতরেই লুকিয়ে আছে।

মানে এখানে মূল রহস্যটা লুকিয়ে আছে আমাদের চেতনা consciousness এবং অনুভূতির ভিতরে।

এখন প্রশ্ন হল সব বৈজ্ঞানিক তথ্য জানা থাকা এবং কোনো কিছু নিজে অনুভব করার অনুভূতি কি সম্পূর্ণ আলাদা? চলুন একটু গভীরভাবে চিন্তা করা যাক না হলে আপনাদের বুঝতে সমস্যা হবে।

প্রথমত তথ্যের সাথে অভিজ্ঞতার মিল না থাকা: যে মেরির কাহিনীটা বললাম সেখানে খেয়াল করুন মেরি বৈজ্ঞানিকভাবে লাল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য চোখের রেটিনার কাজ এবং মস্তিষ্কের স্নায়ুর প্রতিক্রিয়া সবই ১০০% জানত। কিন্তু সে যখন প্রথমবার আপেলের লাল রঙটি দেখল সে কি সত্যিই নতুন কিছু অভিজ্ঞতা করল? যদি উত্তর হ্যাঁ হয় তবে রহস্যটা হলো বিজ্ঞান বা বস্তুগত তথ্যের মাধ্যমে মানুষের অনুভূতিকে পুরোপুরি ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়।

দ্বিতীয়ত কোয়ালিয়া Qualia বা অনুভূতির নিজস্ব রূপ: দর্শনে অনুভূতির এই নিজস্ব রূপকে কোয়ালিয়া বলা হয়। যেমন বেদনার কষ্ট কেমন, সমুদ্রের নীল রঙ দেখতে কেমন লাগে বা গোলাপের গন্ধ কেমন। এই অনুভূতিগুলো পুরোপুরি ব্যক্তিগত। এগুলো বাইরে থেকে মেপে বা বই পড়ে পুরোপুরি জানা অসম্ভব।

আর তৃতীয়ত পদার্থবাদ Physicalism এর সীমাবদ্ধতা: আধুনিক বিজ্ঞান বলে আমাদের মন বা চেতনা কেবল মস্তিষ্কের কিছু কেমিক্যাল ও পরমাণুর খেলা। কিন্তু এই যুক্তির রহস্যময় দুর্বলতা হলো যদি সবকিছুই কেবল পদার্থ আর রসায়ন হয়, তবে লাল রঙ দেখার আনন্দ বা মিষ্টির স্বাদ এর মতো অনুভূতির জন্ম কীভাবে হয়?

আসলে বিষয়টা হচ্ছে বিজ্ঞান আমাদের বস্তুজগতের সব তথ্য দিতে পারে কিন্তু নিজে অনুভব করার অভিজ্ঞতা তৈরি করতে পারে না।

তাই এই যুক্তির সমর্থকরা বলতে চান পদার্থবিজ্ঞান বা রসায়নের সব তথ্য জেনে ফেললেও মানুষের চেতনার Consciousness পুরোটা জানা শেষ হয় না। আমাদের ভেতরের অনুভূতি এমন এক জিনিস যা বিজ্ঞানের সূত্রের বাইরে গিয়ে কেবল নিজেকে দিয়ে অনুভব করতে হয়। আপনি কি মনে করেন বিজ্ঞান ভবিষ্যতে কখনো মানুষের এই ভেতরের অনুভূতিকেও পুরোপুরি গাণিতিকভাবে মেপে ফেলতে পারবে?

আমাদের ভেতরের সচেতন মন বা চেতনা কেবল মস্তিষ্কের শারীরিক ক্রিয়াকলাপের যোগফল নয়। চেতনা বা অনুভূতির এক নিজস্ব এবং স্বাধীন জগৎ রয়েছে যা কেবল একজন ব্যক্তি নিজে অনুভব করলেই অস্তিত্ব লাভ করে। বিশ্বজগৎ, প্রকৃতি এবং মানুষের মন কেবল বিজ্ঞানের বস্তুগত ডেটা বা সমীকরণ দিয়ে গঠিত নয় আমাদের নিজস্ব অনুভূতি বা অভিজ্ঞতা নামক এমন এক সত্য রয়েছে যা বিজ্ঞানের সূত্রের বাইরে অবস্থিত।

তবে উত্তরটা পুরোপুরি হ্যাঁ বা না দিয়ে শেষ করা যায় না আর এখানেই দর্শনের আসল রহস্য। জ্ঞান যুক্তি বা Knowledge Argument এর মূল বক্তব্য বিজ্ঞান আর অনুভূতিকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করা নয় বরং বিজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা তুলে ধরা।

অবশেষে একটি কথাই বলতে চাই বিজ্ঞান মানুষের মস্তিষ্কের সব কার্যকলাপ মেপে ফেলতে পারলেও মানুষ হিসেবে ভেতরে আমরা যা অনুভব করি তাকে কি বিজ্ঞানের ফ্রেমে পুরোপুরি বন্দী করা সম্ভব? নাকি অনুভূতির স্থান বিজ্ঞানেরও বাইরে! এটা এক রহস্য।

তথ্যসূত্র: Knowledge Argument সর্বপ্রথম প্রকাশ করেন অস্ট্রেলিয়ান দার্শনিক ফ্রাঙ্ক জ্যাকসন Frank Jackson. ​তিনি ১৯৮২ সালে প্রকাশিত তাঁর এক বিখ্যাত গবেষণা নিবন্ধে এটি প্রথম তুলে ধরেন। প্রবন্ধটির নাম ছিল Epiphenomenal Qualia এপিফেনোমেনাল কোয়ালিয়া। পরে ১৯৮৬ সালে তিনি এই চিন্তাকে আরও বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন যা দর্শনের জগতে মেরির রুম Mary's Room নামে পরিচিত লাভ করে।

[ Content Idea credit: to the rightful owner ]

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ
24/08/2026

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ

ঘুমের সময় শরীর স্থির থাকলেও মস্তিষ্ক থেমে থাকে না। এটি তখন এক অদ্ভুত জগৎ তৈরি করে। যেখানে উড়তে পারি, মৃত মানুষের সঙ্গে...
22/08/2026

ঘুমের সময় শরীর স্থির থাকলেও মস্তিষ্ক থেমে থাকে না। এটি তখন এক অদ্ভুত জগৎ তৈরি করে। যেখানে উড়তে পারি, মৃত মানুষের সঙ্গে কথা বলতে পারি, অসম্ভব শহরে হাঁটতে পারি। আর আশ্চর্যের বিষয়, স্বপ্নের মধ্যে এসব ঘটনাকে আমরা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক বলে মেনে নিই।

বিজ্ঞান বলে, স্বপ্নের সঙ্গে REM ঘুমের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। এই পর্যায়ে মস্তিষ্ক জেগে থাকার মতো সক্রিয় হয়ে ওঠে এবং গল্পের মতো স্বপ্ন দেখি। তবে শুধু REM নয়, ঘুমের অন্যান্য পর্যায়েও স্বপ্ন বা স্বপ্নসদৃশ অভিজ্ঞতা হয়।

স্বপ্নের সবচেয়ে বড়ো রহস্য হলো এখানে বাস্তব ও অবাস্তবের সীমানা কেন এত সহজে ভেঙে যায়? কারণ REM ঘুমে আবেগ ও স্মৃতির কেন্দ্র সক্রিয় থাকে, কিন্তু বাস্তবতা যাচাই ও যুক্তির অংশ তুলনামূলকভাবে নিষ্ক্রিয় থাকে। তাই স্বপ্নে অদ্ভুত কিছু ঘটলেও মস্তিষ্ক তাকে প্রশ্ন করে না।

আরেকটি কৌতূহল— অধিকাংশ স্বপ্ন ঘুম ভাঙার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মুছে যায়, আবার কিছু স্বপ্ন বছর পরও মনে থাকে। আবেগই সম্ভবত এখানে বড়ো ভূমিকা রাখে—ভয়, আনন্দ বা বিস্ময়জাগানো স্বপ্ন বেশি স্থায়ী হয়।

স্বপ্নের এক বিশেষ ধরন হলো Lucid Dream। এতে স্বপ্নদ্রষ্টা বুঝতে পারেন যে তিনি স্বপ্ন দেখছেন এবং কখনো কখনো স্বপ্ন নিয়ন্ত্রণও করতে পারেন। এছাড়াও মিথ্যা জাগরণে মনে হয় জেগে উঠেছি, কিন্তু আসলে তখনও স্বপ্ন চলছে।

স্বপ্নের সবচেয়ে গভীর প্রশ্নটি হলো "আমরা কেন স্বপ্ন দেখি?" বিজ্ঞানের এখনো নিশ্চিত উত্তর নেই। এটি স্মৃতি ও আবেগ প্রক্রিয়াকরণের অংশ হতে পারে, অথবা মস্তিষ্কের অভ্যন্তরীণ কার্যকলাপের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

তবে সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় সম্ভবত এটাই যে- বাইরের জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েও মস্তিষ্ক নিজেই এত জীবন্ত একটি অভিজ্ঞতার জগৎ তৈরি করতে পারে। তাহলে আমরা জেগে থাকা অবস্থায় যে বাস্তবতা দেখি, সেটিও কি মস্তিষ্কেরই নির্মাণ? হয়তো স্বপ্নের আসল রহস্য স্বপ্ন নয়, বরং আমাদের জাগ্রত মস্তিষ্কের সেই সৃজনশীল শক্তি, যা সর্বদা লুকিয়ে আছে, সম্পূর্ণ ধরা দেয়নি এখনো বিজ্ঞানের লেন্সে। হয়তো একদিন দিতেও পারে।

💭 By - AL MAMUN RITON

20/08/2026

সদস্য সংগ্রহ চলছে Greenway Sci-Tech & Research Society (GSTRS)—এ!📢

​তাত্ত্বিক শিক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ব্যবহারিক জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে যুক্ত হও আমাদের সাথে। নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনার বিকাশ ঘটাতে এটি হতে পারে তোমার জন্য সেরা একটি প্ল্যাটফর্ম।🎯

​কেন আমাদের সাথে যুক্ত হবে❓

​ব্যবহারিক শিক্ষা (Hands-on Learning): আনন্দের সাথে প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা, ডেমো প্রজেক্ট ও অ্যানিমেশনের মাধ্যমে শিক্ষা।

​সমস্যা সমাধানের দক্ষতা (Problem Solving Skills): গণিত, কোডিং ও লজিক্যাল পাজলের মাধ্যমে ক্রিটিক্যাল থিংকিং বৃদ্ধি।

​ডিজিটাল ও আইসিটি সাক্ষরতা (Digital Literacy): কম্পিউটার জ্ঞান, প্রেজেন্টেশন ও প্রোগ্রামিংয়ের প্রাথমিক ধারণা অর্জন।

​অলিম্পিয়াড ও প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি (Olympiad Preparation): জাতীয় ও আঞ্চলিক বিজ্ঞান, গণিত ও আইসিটি অলিম্পিয়াডের জন্য বিশেষ দিকনির্দেশনা।

​নেতৃত্ব ও দলগত কাজ (Teamwork & Leadership): গ্রুপ প্রজেক্টের মাধ্যমে লিডারশিপ ও টিমওয়ার্কের চর্চা।

​জরুরি তথ্য:❕
​রেজিস্ট্রেশন ফি: ১০০/- টাকা
​রেজিস্ট্রেশনের শেষ সময়: ২৭শে আগস্ট, ২০২৬
​আসন সংখ্যা সীমিত!
​দেরি না করে আজই তোমার রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করো!

​

প্রিয় শিক্ষার্থী, কেমন কাটছে তোমার সময়? তুমি কি তোমার মূল্যবান সময়গুলো ফেসবুক স্ক্রল করে কাটিয়ে দিচ্ছ? চলো তবে আমরা এরচে...
19/08/2026

প্রিয় শিক্ষার্থী, কেমন কাটছে তোমার সময়?

তুমি কি তোমার মূল্যবান সময়গুলো ফেসবুক স্ক্রল করে কাটিয়ে দিচ্ছ? চলো তবে আমরা এরচেয়ে ভালো কিছু করি। কমেন্টে দেওয়া আর্টিকেলটির ওয়েবসাইটগুলো ঘুরে আসি, কী বলো? উপকারী কিছু পেলেও পেয়ে যেতে পার।🤍

Address

ঝাউলাহাটি চৌরাস্তা
Kamrangir Char
১২১১

Telephone

+8801608834433

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Greenway Academic Coaching posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Greenway Academic Coaching:

Shortcuts

Share

Category