Satsang Research Center

Satsang Research Center "Satsang Research Center" is a research center of Satsang Deruly-Bangladesh for the advanced and app

26/07/2021
26/07/2021
26/07/2021
শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র ও নেতাজী সুভাষচন্দ্র *****************************************নেতাজীর পিতা শ্রীযুক্ত জানকীনাথ...
23/01/2021

শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র ও নেতাজী সুভাষচন্দ্র
*****************************************

নেতাজীর পিতা শ্রীযুক্ত জানকীনাথ বসু এবং মাতা শ্রীমতী প্রভাবতী বসু উভয়েই দীক্ষা গ্রহণ ক'রে শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রের চরণাশ্রিত হয়েছিলেন। নেতাজীর বড়দা এবং বড় বৌদিও দীক্ষা গ্রহণ করেছিলেন। নেতাজীর পিতা এবং মাতা উভয়েরই গুরুভক্তি ছিল অসাধারণ।

জনক-জননীর ইষ্টদেবতা ব'লে সুভাষচন্দ্র অল্প বয়স থেকেই শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রকে অশেষ শ্রদ্ধা করতেন। রাজনৈতিক জীবনে প্রতিষ্ঠা লাভের পরও দেশের নানা সমস্যা সম্বন্ধে আলাপ-আলোচনা করতে তিনি কয়েকবার হিমাইতপুর সৎসঙ্গ আশ্রম শ্রীশ্রীঠাকুরের কাছে আসেন। শ্রীশ্রীঠাকুরের শ্রীচরণে ভূমিষ্ঠ হয়ে প্রণাম ক'রে শ্রীশ্রীঠাকুরের পায়ের তলায় বসে তিনি বিনীতভাবে কথাবার্তা বলতেন। কংগ্রেস সভাপতি পদে ইস্তফা দেবার পর পাবনা জেলা রাজনৈতিক সম্মেলন উপলক্ষে সুভাষচন্দ্র পাবনায় আসেন। সেখান থেকে তিনি শ্রীশ্রীঠাকুরকে দর্শনের জন্য হিমাইতপুর যান। শ্রীশ্রীঠাকুরের সামনে বসার জন্য একজন ভক্ত তাঁকে একখানি চেয়ার এনে দেন। তখন তিনি সেই ভক্তটিকে বলেন, জনক-জননী আমার গুরু। শ্রীশ্রীঠাকুর আমার গুরুরও গুরু। তাঁর সামনে আমি চেয়ারে বসতে পারি না। এই বলে তিনি মাটিতেই ব'সে পড়েন।

সুভাষচন্দ্রের মামা মিঃ জে এন দত্ত দীক্ষাগ্রহণ ক'রে শ্রীশ্রীঠাকুরের শ্রীচরণে আশ্রয় গ্রহণ করেন। আই সি এস্ -এর চাকুরি গ্রহণ না ক'রে দেশসেবার সঙ্কল্প নিয়ে সুভাষচন্দ্র দেশে ফিরে আসার পরই মামাকে সঙ্গে নিয়ে শ্রীশ্রীঠাকুরের সঙ্গে দেখা করতে আসেন। শ্রীশ্রীঠাকুর তখন কলকাতায় অবস্থান করছিলেন। সৎসঙ্গের বিশিষ্ট কর্মী হিসেবে সুভাষচন্দ্রের পিতামাতার সঙ্গে পূর্ব থেকেই শ্রীসুশীলচন্দ্র বসুর বিশেষ পরিচয় ছিল। দেশবন্ধুর বাড়িতে সৎসঙ্গের কাজকর্ম নিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গেলে সেখানে শ্রদ্ধেয় সুশীলদার সঙ্গে সুভাষচন্দ্রের পরিচয় হয়। শ্রীশ্রীঠাকুরের ভাবধারা নিয়ে সুশীলদা তাঁর সঙ্গে অনেক আলোচনা করেন। আলোচনা প্রসঙ্গে সুভাষচন্দ্র তাঁকে বলেন -------- 'ছেলেবেলা থেকেই ধর্মের প্রতি আমার গভীর টান ছিল। যেভাবেই হোক, রাজনীতির ক্ষেত্রে যখন এসে পড়েছি, তখন ঠিক করেছি আর কোনও দিকে না গিয়ে জীবনটাকে এভাবে বলি দেব।' ম্যাণ্ডালে জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার বছর দুয়েক পর সুভাষচন্দ্র সৎসঙ্গ আশ্রম (পাবনা) পরিদর্শনে আসেন। শ্রদ্ধেয় সুশীলদা তাঁকে সমস্ত কিছু ঘুরে ঘুরে দেখান। শ্রীশ্রীঠাকুরের ভাবধারা, কর্ম, সমাজ-সংস্কার ইত্যাদি অনেক বিষয়ে সুভাষচন্দ্র তাঁর সঙ্গে কথাবার্তা বলেন। সৎসঙ্গের সমস্ত বিভাগ দেখার পর সুভাষচন্দ্র বলেন --------- ' আশ্রম বলতে লোকে অবিবাহিত, সংসার বিরাগীদের বাসস্থানই বোঝেন। গৃহী হয়ে আশ্রমজীবন যাপন করার দৃষ্টান্ত এ যুগে আপনারাই প্রথম দেখাচ্ছেন। পরিবার-পরিজনদের ভার নিয়ে অভাব-অভিযোগের ভিতর দিয়ে আপনারা যদি এভাবে এগিয়ে যেতে পারেন তাহ'লে গার্হস্থ্য-আশ্রমের আদর্শ রূপ আপনারা মানুষের সামনে তুলে ধরতে
পারবেন। '

শ্রীশ্রীঠাকুরের বিবাহ-সংস্কার এবং সমাজ ব্যবস্থার কথা শুনে সুভাষচন্দ্র সুশীলদাকে বলেছিলেন -------- ' দেখুন, এ সম্বন্ধে আপনারা যা' বলতে চাইছেন দৃঢ়কন্ঠে লোকের সামনে তা' ঘোষণা করুন। তাতে একদল লোক আপনাদের ঘোর বিরোধী হয়ে দাঁড়াবে বটে, কিন্তু অপর দিকে এমন কতকগুলি একনিষ্ঠ কর্মী পেয়ে যাবেন যারা আপনাদের আদর্শ সক্রিয়ভাবে সমর্থন করবে। তাদের সাহায্যেই কাজ এগিয়ে যাবে। বিরুদ্ধবাদীরা আপনাদের রুখতে পারবে না। '

আশ্রমের প্রতিষ্ঠানগুলি দেখার পর সুভাষচন্দ্র শ্রীশ্রীঠাকুরের নিকট আসেন এবং ভক্তিভরে ভূমিষ্ঠ প্রণাম করে শ্রীশ্রীঠাকুরের পদতলে আসন গ্রহণ করেন। শ্রীশ্রীঠাকুর তাঁকে পিতা, মাতা এবং পরিবারের অন্যান্য সকলের কুশল জিজ্ঞাসা করলেন। সুভাষচন্দ্র তার যথাযথ উত্তর দিলেন। তারপর বললেন -------- আমার মা একবার আশ্রমটি দেখে যেতে বলেছিলেন। তাই আমি দেখতে এলাম। দেখে বেশ ভালই লাগল। ওঁর (সুশীলদার) সঙ্গে সৎসঙ্গের ভাবধারা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনাও হয়েছে। এখন কথা হচ্ছে যে, দেশের জন্য তো অনেক কিছুই করার আছে। কিন্তু কোথা থেকে কাজ আরম্ভ করলে দেশের প্রকৃত সেবা করা যাবে? এ বিষয়ে আপনার মত কী?

উত্তরে শ্রীশ্রীঠাকুর বললেন ------ আমার কথা হচ্ছে, দেশের কাজ করতে হলে প্রথমে মানুষ তৈরির প্রোগ্রাম নিতে হবে। ভাল মানুষ পেতে হলেই বিবাহ-সংস্কার আগে করতে হবে। আর, বিয়েগুলি সব compatible (সুসঙ্গত) হ'লেই তা' সম্ভব হবে। compatible (সুসঙ্গত) মানে হল বর্ণ, বংশ, আয়ু, স্বাস্থ্য ইত্যাদি সব কিছুরই বিহিত সঙ্গতি। বিহিত বিবাহ হলেই ভাল সন্তানাদি আসে। আর তখন তাদের দ্বারা দেশ, সমাজ সবারই কাজ হয়। দাশদা (দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ) যখন আমাকে বলেছিলেন যে, তিনি এমন উপযুক্ত মানুষ খুঁজে পাচ্ছেন না যার উপর ভার দিয়ে তিনি একটু সরে দাঁড়াতে পারেন, তার উত্তরে আমি তাঁকে এ কথাই বলেছিলাম।

সুভাষচন্দ্র বললেন ------ মানুষ তৈরির যে প্রয়োজন আছে তা' আমি ভেবে দেখেছি। কিন্তু তাতে যে বিবাহ-সংস্কারের আশু প্রয়োজন তা ভেবে দেখিনি। বিবেকানন্দও মানুষ তৈরীর কথা ব'লে গিয়েছেন কিন্তু কী ক'রে হবে তা তিনি তেমন করে বলে যাননি। আমার মনে হয়, তিনি শিক্ষার উপরই জোর দিয়েছেন। কিন্তু এখন ভেবে দেখছি, ভাল সংস্কারসম্পন্ন শিশু যদি না জন্মায় শুধু শিক্ষা তাদের বিশেষ কী করতে পারে? বীজ থেকেই তো গাছ হয়। বীজ ভাল হ'লেই গাছ ভাল হবে --------- এটা আপনার কথা শুনে বুঝতে পারছি। আর, শিক্ষাও দেওয়া দরকার মানুষের সহজাত-সংস্কারকে ভিত্তি ক'রেই। কিন্তু এ তো দীর্ঘ সময়সাপেক্ষ।

উত্তরে শ্রীশ্রীঠাকুর বলেন ------- দীর্ঘ সময় তো নেবেই। আমরা তো এতদিন জাতির বা সমাজের জন্য কিছুই করিনি। গলদ যা' জমে গেছে তার সাফ করতে সময় নেবে বৈকি। কোন শর্টকাট প্রোগ্রামে জাতির সত্যিকার কল্যাণ হবে বলে তো আমার মনে হয় না।

আরও নানা কথা হওয়ার পরে শ্রীশ্রীঠাকুরকে প্রণাম করে সুভাষচন্দ্র বিদায় নিলেন। যাওয়ার সময়ে শ্রীশ্রীঠাকুর তাঁকে সুবিধা হ'লে আবার আসতে বললেন। তিনিও মাথা নত করে সম্মতি জানালেন।

কংগ্রেস-সভাপতি পদে ইস্তফা দিয়ে ফরোয়ার্ড ব্লক গঠনের পরে সুভাষচন্দ্র সৎসঙ্গ আশ্রম (পাবনা) আসেন, সে-কথা আগে একবার উল্লেখ করেছি। সেদিন ছিল ১৯৩৯ খৃষ্টাব্দের ৪ঠা জুলাই। পাবনা জেলা রাজনৈতিক সম্মেলন উপলক্ষে বক্তৃতা দিতে তিনি পাবনা শহরে আসেন। সেখান থেকে তিনি হিমাইতপুর আশ্রমে আসেন। সম্মেলনে বক্তৃতা শেষ করে আশ্রমে আসতে সন্ধ্যা হয়ে যায়। তিনি সকলের বাধা এবং আপত্তি অগ্রাহ্য ক'রে শ্রীশ্রীঠাকুরকে দর্শনের জন্য আশ্রমে আসেন। জননেতা হিসেবে তিনি তখন প্রতিষ্ঠা লাভ করেছেন। তাই তিনি আশ্রমে আসায় খুবই ভিড় হয়। শ্রীশ্রীঠাকুর তখন পদ্মার ধারে বাঁধের ওপর মাটিতে পাতা বিছানায় বসে আছেন। সুভাষচন্দ্র সেখানে এসে তাঁকে ভূমিষ্ট হয়ে প্রণাম করে চেয়ারে না বসে মাটিতেই বসেন। শ্রীশ্রীঠাকুর তাঁর কুশলাদি জিজ্ঞাসা করেন এবং এখানে থাকার জন্য বলেন। সুভাষচন্দ্রকে সেই রাতেই ঢাকা রওনা হয়ে যেতে হবে তাই তিনি সেদিন থাকতে পারবেন না জানান। শ্রীশ্রীঠাকুর তাঁকে সুযোগমতো আবার আসতে বলেন। সুভাষচন্দ্র তারপর বিদায় নেন। এটাই ছিল শ্রীশ্রীঠাকুরের সঙ্গে সুভাষচন্দ্রের শেষ সাক্ষাৎকার।

ফিরে যাবার সময় সুভাষচন্দ্র শ্রদ্ধেয় সুশীলদাকে (বসু) বলেন যে, শ্রীশ্রীঠাকুরের কাছে নিভৃতে কয়েকটি কথা জিজ্ঞাসা করতে এসেছিলাম। কিন্তু এখানে এত ভিড় যে তাঁকে কোনও কথা জিজ্ঞাসা করতে পারলাম না। শ্রদ্ধেয় সুশীলদা তাঁকে বলেন যে, ভিড় সরিয়ে তাঁর কথা বলার ব্যবস্থা তিনি করে দেবেন। কিন্তু সুভাষচন্দ্র তাতে রাজি হন না। এতো লোকের অসুবিধা সৃষ্টি করতে তিনি চাইলেন না।

সুভাষচন্দ্র যখন আশ্রমে আসেন তখন আমি বালকমাত্র। শ্রীশ্রীঠাকুরের পৈতৃক ভদ্রাসনে একটি ঘরে আমরা বাস করতাম। আমাদের ঘরের সামনে দিয়েই শ্রীশ্রীঠাকুর দর্শনে যেতে হত। সুভাষচন্দ্র যখন শ্রীশ্রীঠাকুরকে দর্শন করে আমাদের ঘরের সামনে দিয়ে ফিরে যাচ্ছিলেন তখন তাঁকে আমি দেখি। সে-কথা এখনও আমার স্পষ্ট মনে আছে। তারপর স্বাধীনতা লাভের কয়েক মাস পর আমি ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা দিতে কলকাতা যাই। এলগিন রোডের নেতাজী ভবনের পাশেই একটি মিশনারি স্কুলে আমার পরীক্ষার সিট পড়ে। ঐ সময় একটি বিশেষ দিনে আমি নেতাজী ভবনে তিনি যে ঘরে বাস করতেন সেই ঘরটি দেখতে পাই। ঐ ঘরের দেওয়ালে শ্রীশ্রীঠাকুরের একটি প্রতিকৃতি টাঙান ছিল তা আমি দেখি। এতদ্বারা বোঝা যায় সুভাষচন্দ্র শ্রীশ্রীঠাকুরকে কতখানি ভক্তি করতেন। এই ঘরটিতেই তিনি অন্তরীণ ছিলেন এবং এখান থেকেই তাঁর ঐতিহাসিক মহানিষ্ক্রমণ ঘটে।

আর একটি ঘটনার কথা পরে জানতে পেরেছিলাম। থাইল্যাণ্ডের এক ভদ্রলোক জানিয়েছিলেন যে, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শেষের দিকে নেতাজী যখন সে-দেশ ত্যাগ করে চলে যাচ্ছিলেন তখন আজাদ হিন্দ ফৌজের বাঙালি অফিসার নেতাজীকে বলেছিলেন -------- আপনাকে আজ খালি হাতে এখানে থেকে চলে যেতে হচ্ছে। নেতাজী তৎক্ষণাৎ উত্তর দিয়েছিলেন ---------- তুমি জান না যে আমি কখনও আমার পিতামাতার গুরুদেবের ছবি, গীতা এবং শ্রীহরির তুলসীর মালা সঙ্গে নিতে ভুলি না। তাতে মনে হয় আমার সঙ্গে আমি যেন একটা সাম্রাজ্য বহন করে নিয়ে চলেছি। '

শ্রীশ্রীঠাকুরের ফটো তাঁর সঙ্গে থাকত তা থেকে বুঝতে পারি নেতাজী শ্রীশ্রীঠাকুরকে তাঁর হৃদয়ে কত গভীরে স্থান দিয়েছিলেন।

সুভাষচন্দ্রের স্বগৃহে অন্তরীণ এবং মহানিষ্ক্রমণের আগে শ্রীকৃষ্ণপ্রসন্ন ভট্টাচার্য্য এবং শ্রীসুশীলচন্দ্র বসু এলগিন রোডের বাড়িতে একবার তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যান। তখন কথাপ্রসঙ্গে সুভাষচন্দ্র তাঁদের বলেছিলেন যে, শ্রীশ্রীঠাকুর আপনাদের যে-পথে পরিচালিত করছেন সেটাই সর্বকালের, সর্ব মানবের পথ ----------- এতে কোনও সন্দেহ নেই। বৈদেশিক শাসন থেকে ভারত যখন মুক্তিলাভ করবে তখন তাকে এই পথই অনুসরণ করতে হবে।

নেতাজীর এই কথার পর অর্দ্ধ শতাব্দীর বেশি কাল কেটে গেছে। এখন দেখা যাচ্ছে তিনি তখন যা বলেছিলেন তা অক্ষরে অক্ষরে সত্য ।

শ্রীশ্রীঠাকুর পাবনা থেকে দেওঘরে চ'লে আসার পর (দেওঘরে প্রথম ঋত্বিক অধিবেশন) ৩৪তম ঋত্বিক অধিবেশন দেওঘরে অনুষ্ঠিত হয়। অধিবেশনের শেষে শ্রীশ্রীঠাকুর কর্মীদের ওপর কতকগুলি দায়িত্ব অর্পণ করেন। কর্মীদের উদ্দীপ্ত করার জন্য আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন ------------ 'মানুষের প্রকৃত ইচ্ছা ও সঙ্কল্প যদি জাগে তাহ'লে প্রতিকূলতার মধ্যেও যে কী অসাধ্য-সাধন করতে পারে তার জ্বলন্ত উদাহরণ হলেন নেতাজী। অসুস্থ অবস্থায়, নিঃসম্বল একক একটি মানুষ, বিদেশ-বিভূঁইয়ে কী কাণ্ডটাই ঘটিয়ে তুললেন। আজাদ হিন্দ ফৌজ ও আজাদ হিন্দ সরকারের কীর্ত্তিকলাপের কথা যত শোনা যায় ততই মন আনন্দে নেচে ওঠে। তোমরাও যদি পরমপিতার ইচ্ছাপূরণের জন্য, লোকের কল্যাণের জন্য পিছুটান ছেড়ে সর্বস্ব পণ ক'রে লাগ তাহলে তাঁর দয়ায় অসম্ভব সম্ভব হবে। '

স্বয়ং পুরুষোওমের কাছ থেকে নেতাজী যে প্রশংসা পেয়েছেন তার কি কোনও তুলনা আছে?

লেখক :- কুমার কৃষ্ণ ভট্টাচার্য্য।

25/01/2020
পূজ্যপাদ কাজলদা খুব অসুস্থ। এইমাত্র হাসপাতালে ভর্তি করা হল। সবাই পরম দয়ালের নিকট তাঁর জন্য প্রার্থনা করবেন। জয়গুরু।
14/01/2020

পূজ্যপাদ কাজলদা খুব অসুস্থ।
এইমাত্র হাসপাতালে ভর্তি করা হল।
সবাই পরম দয়ালের নিকট তাঁর জন্য প্রার্থনা করবেন। জয়গুরু।

22/03/2019

Sri Sri Thakur said boldly and bravely to us-
"If despite your all-out effort in anything, you fail to succeed, no harm; carry on; don't stop! That unblemished effort must carry you toward the goal."
He also said- "Surely you will gain life in the manner in which you give it."
"Be inspired by your purpose and with serene mind forbear all. Then only your purpose be fulfilled."
What a energetic word for us!
Read and know more about Him. Be strong in Jajan and then do Jaajan others.
Joyguru

যাজন বুদ্ধি শিথিল যতঅনুরাগও আবিল তত।-শ্রীশ্রীঠাকুর
06/08/2018

যাজন বুদ্ধি শিথিল যত
অনুরাগও আবিল তত।
-শ্রীশ্রীঠাকুর

Address

F-2B, H-84/1, Kalyanpur Main Road
Kalyanpur
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Satsang Research Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Satsang Research Center:

Shortcuts

Share

Category