07/06/2019
সাফী মাহমুদ। রুয়েট ইইই'১৬ (বাসা নওগাঁ) গতকাল আনুমানিক দুপুর ১টায় চাচাতো ভাই এর সাথে নওগাঁয় নদীতে গোসল করতে গিয়ে ডুবে যায়। কিছুক্ষন আগে তার লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তার মৃত্যুতে পুরো রুয়েট পরিবার শোকাহত। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। আল্লাহ তাকে জান্নাত নসিব করুন।
03/02/2019
রুয়েটে নবাগত ১৮ সিরিজের ক্লাস শুরু হয়েছে গতকাল
১৮ সিরিজের জন্য সুখবর হচ্ছে ১ম সেমিস্টারের ডিপার্টমেন্টাল ও নন-ডিপার্টমেন্টাল সব বই পাওয়া যাবে অবসর এ। ^_^
পুরো ক্যাম্পাস অবসর এর ফ্রি পিক আপ পয়েন্ট হওয়ায় সব বই সংগ্রহ করা যাবে ক্যাম্পাসের যেকোনো জায়গা থেকে। :D
যেসব কারণে আস্থা রাখতে পারো অবসর এর ওপর-
(১) প্রয়োজনীয় সব বই সাশ্রয়ী মূল্যে পাওয়া যাবে ক্যাম্পাসেই। এছাড়াও আছে হোম ডেলিভারির সুবিধা। ^_^
(২) রুয়েটিয়ানদের মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ায় ''কোন বই কেনা প্রয়োজন'' সেটা নিয়েও কনফিউজড হতে হবে না। ^_^
(৩) যেসব বই রাজশাহীতে সচরাচর পাওয়া না সেসব বইও অর্ডার করলে হাতে পৌঁছে দেবে অবসর ।
(৪) সেমিস্টার শেষে থাকছে ''হ্যাপি রিটার্ন'' এর সুবিধা। বই পড়া শেষে ফেরত দিলেই ৬০% ক্যাশব্যাক। :D :D
(৫) নিয়মিত নন-একাডেমিক বইয়ের ওপর রুয়েটিয়ানদের জন্য থাকছে অতিরিক্ত ছাড়ের সুবিধা। :D
Pay Less, Read More....
19/01/2019
অরিয়েন্টেশন সংক্রান্ত নোটিশ..
17/01/2019
দুই ফেজ (সকাল-দুপুর) মিলিয়ে আজ মোট ৪৩ জন ভর্তি হয়েছে এবং সেইসাথে পূর্বের ভর্তি থাকা [১০ প্লাস মাইনাস ১] জন ভর্তি বাতিল করেছে। সুতরাং, আগামী ২০ তারিখ শেষ কলে (৩০-৩৫) জন ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে। ভর্তি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয় জানতে আমাদের পেইজে একটিভ থাকো। পেইজে আমাদের নিযুক্ত এডমিন-এডিটর তোমাদের সর্বোচ্চ সহায়তা করবে। সময়মতো আমরা চূড়ান্ত নোটিশ তোমাদের জানিয়ে দেব।
তামিম আহম্মেদ,
পুরকৌশল বিভাগ,১৪ সিরিজ।
প্রয়োজনেঃ
০১৭২৩-৬১৯৬৪৯
০১৬৭৬-৬১৯৬৪৯
08/01/2019
দৃষ্টিনন্দন রুয়েট গেট.. ❤
08/01/2019
"হঠাৎ একটা ছেলে লম্বা করে সালাম দিল। ভালো করে ঠিক চিনতে না পারায় ডাক দিলাম। সে কাছে এসেই কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই গরগর করে তার নাম, ডিপার্টমেন্ট, বাড়ি সব বলে গেল। যদিও নার্ভাসনেসের কারণে সবকিছু গুলিয়ে ফেলছিল। আমি অভয় দিলাম, যে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, আমি র্যাগ দেইনা।
এরপর দেখলাম আরো একদলকে ইমিডিয়েট সিনিয়রদের মেসে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে 'ম্যানার' শেখানো হবে বলে। র্যাগ যারা দেয় তাদের মূল টার্গেট থাকে নবাগত শিক্ষার্থীর কৃত্রিম আত্মসম্মানবোধ বা ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ ভেঙে দিয়ে ক্যাম্পাসের নিজস্ব কালচার তার কাছে তুলে ধরা। এতে ক্যাম্পাস ভিত্তিক সিনিয়র-জুনিয়র চেইন ঠিক থাকে। তবে র্যাগে যদি মানসিক ও যৌন নির্যাতন থাকে আর স্ল্যাং থাকে এবং এটা যদি র্যাগ খাওয়া শিক্ষার্থী ভালোভাবে না নেয় তবে র্যাগ দেওয়া এবং খাওয়াদের মধ্যে সম্পর্ক পুরো ক্যাম্পাস এর পরিবেশ নষ্ট করে দেয়। সো, র্যাগ দেওয়ার আগে ভালো করে শেখে নিন কীভাবে ভালো আচরণ করেও জুনিয়রদের র্যাগ দেওয়া যায় এবং তার সাথে চমৎকার সম্পর্ক তৈরি করা যায় যা সিনিয়র-জুনিয়র সম্পর্কে অন্যমাত্রা এনে দেয়।"
দ্বিতীয় কথা, ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের নেতৃত্বস্থানীয় জায়গা থেকে কখনোই একটা মোস্ট জুনিয়র সিরিজের ছেলেকে ক্যাম্পাসে যা ইচ্ছা তাই করে বেড়ানোর স্বাধীনতা দেওয়া হয়না। "কাউকে গোনার টাইম নাই" "ক্যাম্পাসে যেকোনো সমস্যা হলে ফোন দিবি"।--এগুলা ভুয়া কথা। এগুলা তোমাকে ইউস করার ধান্দা। তোমাকে মই বানিয়ে উপরে উঠার ধান্দা। তুমি যদি বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর সদস্য হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত ভ্যানগার্ড হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে আগ্রহী হও তাহলে তোমাকে স্বাগতম। তবে তোমাকে সততা, মেধা, যোগ্যতা, পরিশ্রম ও পরিচ্ছনতার পরিচয় দিতে হবে। তোমার কোনো কর্মের জন্য পুরো বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কে যেন প্রশ্নবিদ্ধ হতে না হয় সে বিষয়ে সবসময় সতর্ক থাকতে হবে। নেতাকর্মীদের বলব, ব্রেন ওয়াশ করে কাউকে রাজনীতিতে আনার প্রয়োজন নেই। এটা ছাত্রদল-শিবিরদের কৌশল। ছাত্রলীগ করতে আগ্রহী ছাত্রদের কে ইউস করার ধান্দা না করে অরিজিনাল পলিটিক্যাল কালচার শেখান যাতে করে তার মধ্যে লিডারশীপ কোয়ালিটি বিল্ডাপ হয়। তাদেরকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা ইত্যাদি বই ধরিয়ে দিন। তারা পড়ুক এবং নিজের ভিত্তি শক্ত করুক। এবং অবশ্যই ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে এসে একাডেমিক পড়াশুনাকে ফার্স্ট প্রায়োরিটি দিতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে কপালে দুঃখ আছে। ভুলে গেলে চলবে না ছাত্রলীগের ৩টি মূলনীতি। (শিক্ষা, শান্তি, প্রগতি)
শেষকথা, সাধারণ ছাত্রদের স্বাভাবিক কার্যকলাপে রুয়েট ছাত্রলীগ কখনোই কাউকে প্রভাবিত করেনি। ভবিষ্যতেও করবেনা। কিন্তু মাদক-মৌলবাদ এবং ছাত্রশিবির মতাদর্শী দের সাথে রুয়েট ছাত্রলীগের অবস্থান জিরো টলারেন্স নীতি। যেকোনো প্রয়োজনে তোমরা ছাত্রলীগ কে পাশে পাবে। এজন্য যে তোমাকে ছাত্রলীগ করতে হবে তা কিন্তু না। ছাত্রলীগ করতে হলে তোমাকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কে বুকে ধারণ করতেই হবে। দেবদারু ঘেরা রুয়েটের এই সবুজ চত্বরে নবীনদের স্বাগতম। তোমাদের পদচারনায় মুখরিত হোক রুয়েট ক্যাম্পাস সেটিই প্রত্যাশা.. :-)
তামিম আহম্মেদ,
পুরকৌশল বিভাগ,১৪ সিরিজ
প্রয়োজনেঃ ০১৭২৩-৬১৯৬৪৯, ০১৬৭৬-৬১৯৬৪৯
30/07/2018
রুয়েটের নতুন ভিসি হিসেবে নিয়োগ পেলেন
অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম শেখ, ইইই বিভাগ। স্যারকে অভিনন্দন ও শুভ কামনা জানাই!
03/12/2017
অসংখ্য টেক্সট এর জন্য তোমাদের রিপ্লাই দিতে প্রবলেম হচ্ছে। ভাইয়া তোমাদের সকল রকম প্রশ্ন নিচের লিংকে এস এম এস করো
;
Department of Civil Engineering ;
+8801739016009
+8801679087126.
{
https://free.facebook.com/kaisarahmed.limon?ref_component=mfreebasic_home_header&ref_page=%2Fwap%2Fpage_admin.php&ref=opera_speed_dial
}
4.com
01/12/2017
Subject Review – EEE
---------------------------------------------------------------------------
সবাই নাম শুনেছে। ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং। তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক প্রকৌশল। যা ইলেক্ট্রন নিয়ে আলোচনা করে। নামের মধ্য দিয়েই সাবজেক্ট সম্পর্কে হালকা ধারণা পাওয়া যায়। সরাসরি চলে যাচ্ছি সাবজেক্ট রিভিউতে।
সবচেয়ে পুরনো এবং প্রচলিত ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়গুলোর মধ্যে ইইই অন্যতম আভিজাত্যের অধিকারী। আশেপাশের চারদিকে ইলেক্ট্রনিক্সের বিপ্লব দেখে নিশ্চয়ই এই সাবজেক্ট পড়ুয়াদের গুরুত্ব বা চাহিদা আগ বাড়িয়ে বলে দিতে হবে না?
তোমার এইচএসসিতে প্রিয় বিষয় কি ছিলো? উত্তর যদি হয়ে থাকে Math বা Physics তাহলে তোমার EEE পড়া নিয়ে কোন ভয় নেই। তুমি নিঃসন্দেহে এখানে খুব সহজেই মানিয়ে নিতে পারবে। তোমার যদি Equation Solve করতে মজা লাগে, ফিজিক্স সেকেন্ড পেপারের বিদ্যুতের চ্যাপ্টারগুলো যদি তোমার কাছে অসহ্য না লাগে, তাহলে ইইই তোমাকে হতাশ করবে না কোনদিন। সার্কিট নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে মজা লাগে? রোধের সমান্তরাল সন্নিবেশ, হুইটস্টোন কার্শফের অঙ্ক করতে ভালো লাগে? আবারো বলবো ইইই নাও।
তোমার যদি উদ্ভাবনী ক্ষমতা থাকে, আর থাকে লেগে থাকার ইচ্ছা তবে তুমি ইইই পড়ে অনেক বড় কিছু করে দেখাতে পারবে। প্রকৌশলিক invention সবচেয়ে চমকপ্রদভাবে দেখানোর উপযুক্ত জায়গা হলো ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং।
আপাতদৃষ্টিতে দেখতে যেমন মনে হয়, ইইই আসলে তেমন ছোট পরিসরের কোন সাবজেক্ট না। এর পরিধি ব্যাপক, ক্ষেত্র অসীম।
ইইই এর সাবডিসিপ্লিনগুলো লক্ষ্য করো-
1.Power
2.Electronics
3.Telecommunication
4.Computers
Power সেক্টরের ব্যাপারটা মনে হয় সবাই এমনিতেই বুঝতে পেরেছে। যারা বিদ্যুত উৎপাদন আর সরবরাহের দায়িত্বে থাকে। এই সেক্টরের চাহিদা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই মুহুর্তে প্রচুর। চাহিদা পুরনের জন্য প্রতি বছরই নতুন নতুন বিদ্যুত কেন্দ্র তৈরি হচ্ছে। ভবিষ্যতে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের পরিকল্পনাও চলছে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে। আর এই সেক্টরের পুরো দায়িত্বই থাকে ইলেক্ট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারদের হাতে। যারা নিজেকে একজন Power management engineer হিসেবে দেখতে চাও, তারা নিঃসঙ্কোচে EEE নিতে পারো।
Electronics নিয়েও সবাই হালকা পাতলা কিছু জানে। Resistor, Capacitor, Inductor এসবের নাম তোমরা শুনে এসেছ। এখনকার সময়ে তোমরা যত ডিভাইস দেখ, তার বেশিরভাগই ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট দিয়ে ডিজাইন করা। স্মমার্টফোন, আইপ্যাড, নোটপ্যাড, ল্যাপটপ সবগুলোই ইলেক্ট্রনিক্সের অবদান। Microcontroller এর নাম হয়তো কেউ কেউ শুনে থাকবে। যা রোবটিক্স নিয়ে পড়াশোনার ব্যাপক ইচ্ছা যাদের, তাদের জন্য microcontroller হলো একেবারে শুরুর ধাপ। তবে হ্যা, এদিক দিয়ে আগাতে হলে অবশ্যই পরিশ্রমী আর উদ্যমী হতে হবে।
যাদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা বেশি, বিস্তর ইচ্ছা আছে এই rapidly running টপিক নিয়ে পড়াশোনা করার, তার জন্য EEE'র দরজা সদা উন্মুক্ত।
Telecommunication, যোগাযোগ নিয়ে কাজকারবার। মোবাইল ফোন কোম্পানিতে মাঝের কয়েক বছর ইইই ইঞ্জিনিয়ারদের বিশাল চাহিদা ছিলো। আমাদের মত দেশে নতুন নতুন নেটওয়ার্ক, টাওয়ার, কভারেজ তৈরিসহ সমগ্র সিস্টেম ম্যানেজমেন্টের দায়িত্বে আছে বিপুল সংখ্যক ইইই ইঞ্জিনিয়ার। শুধু এক Grameenphone এই এখন কাজ করছে প্রায় ৫ হাজার প্রকৌশলী, যার বেশিরভাগই ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স ব্যাকগ্রাউন্ডের। যত নতুন নতুন টেকনোলজি আসবে, অত চাহিদা Expand করবে। যারা নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠিত Telecommunication Engineer হিসেবে দেখতে চাও, তাদের জন্য অবশ্যই EEE.
Computer আসলে এমন এক ব্যাপার যাকে কোন কিছু থেকেই আলাদা করা যাবে না। ইইই থেকে পড়ে পরবর্তীতে Software Engineer হয়ে গিয়েছে এমন উদাহরনও আছে অনেক। তুমি যদি প্রোগ্রামিং ভালো বোঝ, কম্পিউটারে ভালো দখল থাকে, তবে ইইই পড়েও তুমি খুব সহজেই CSE সাইডে Divert হতে পারো। যাকে যা suit করে আরকি!!!
ইইই পড়েছ বলে যে তুমি প্রোগ্রামার হতে পারবে না বা সফটওয়্যার বানাতে পারবে না এমন ধারণা পুরোপুরি ভুল। তোমার যদি Electronics এর পাশাপাশি সফটওয়্যার নিয়েও ঘাটাঘাটি করতে ইচ্ছে করে তাহলে তুমি সহজেই ইইই নিতে পারো। এখানে এই সুযোগ প্রচুর।
চাকরির বাজার নিয়ে আমি কোন কথা বলবো না। শুধু বলবো EEE হলো একটা Everlasting Subject. যতদিন পৃথিবী টিকে থাকবে অতদিন এর ডিমান্ড কমবে না। দেশে থাকতে পারলে ভালো, যদি তা সম্ভব না হয়, তোমার জন্য আছে বাইরে যেয়ে পড়াশোনা করার অফুরন্ত ক্ষেত্র। দেশে বিদেশে সবজায়গাতেই তোমার সম্মানজনক অবস্থান থাকবে। চাকরি নেই, হাজার হাজার স্টুডেন্ট হয়ে গেছে, এমন শোনা কথায় কান দিতে যেয়ো না। তোমার যদি যোগ্যতা আর মেধা থাকে, তবে EEE পড়ে তোমাকে একদিনও বসে থাকতে হবে না। তুমি ঠিকই তোমার Deserving পজিশনে যেতে পারবে।
আর স্যালারি? এটাও বলবো না। ইন্টারনেটে সার্চ দিলেই বড় বড় তড়িৎ প্রকৌশলীর পরিচয় মেলবে।
---------------------------------------------------------------------------
আমার নিজের মতামত হলো, স্যালারির উন্মাদনার নিজের মেধাকে বিসর্জন দেয়ার চেয়ে, বিষয়টার প্রতি আকর্ষন তোমাকে সফলতার অসীম সীমানায় পৌছে দিবে।
যে কোনো প্রয়োজনে,
;
Department of Civil Engineering ;
+8801739016009
+8801679087126.
{
https://free.facebook.com/kaisarahmed.limon?ref_component=mfreebasic_home_header&ref_page=%2Fwap%2Fpage_admin.php&ref=opera_speed_dial
}
20/11/2017
প্রকৌশল বিদ্যায় তোমাদের জানাই অগ্রিম শুভেচ্ছা।
কেমন আছো সবাই..?
খুব টেনশনে, তাই না?
প্রকৌশল বিদ্যায় অধ্যায়ন করার প্রবল ইচ্ছা থাকা সত্বেও, অনেকেরই বিষয় গুলো সম্পর্কে তাদের অজানা বিষয়বস্তু ফোটে উঠে। এর ফলে যা হয়, কেউ বাড়ি বানাতে এসে, প্রোগ্রামিং করার অভিজ্ঞতা অর্জন করে।
আসো আজকে (পুরকৌল) সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি:
---------------------------------------------------------------------------
– Civil Engineering
পুরকৌশল- প্রকৌশলবিদ্যার অন্যতম শাখা। সঙ্গত কারনেই সারা পৃথিবীর প্রকৌশল বিদ্যায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের পছন্দের তালিকায় থাকে এই শাখাটি। স্বপ্ন যাদের দেশ গড়ার তাদের জন্যই পুরকৌশল।
বলা হয়ে থাকে...civil engineering is the mother of engineering tec
চাহিদারকথা বলতে গেলে বলতে হয় কিছু কিছু বিষয়ের চাহিদা সেই প্রাচীন কালেও ছিল, এখনও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। পুরকৌশল তেমনি একটি বিষয়। অনেকের ধারনা এই বিষয় পড়লে ঘুষ খেতে হয় কিংবা এই প্রকৌশলীদের বেতন নাই। কিন্তু ভাল মন্দ সম্পূর্ণ নিজের কাছে। কেউ যদি দুর্নীতি করতে চায়, যে কোন জায়গা থেকেই তা করতে পারে। ভাল থাকতে চাইলে যে কোন জায়গাতেই ভাল থাকা সম্ভব। আর বেতনের কথা বলা যায় skill থাকলে এই বিষয়ে যত উপরে যাওয়া যায়, অন্য কোন বিষয়ে তা সম্ভব না, তা দেশেই হক আর বিদেশেই হোক।
আমেরিকার এক সমীক্ষায় দেখা গেছে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার এর পর সিভিল ইঞ্জিনিয়ার দের গড় বেতন সবচেয়ে বেশি। তবে তার মানে এই নয় যে সবাই
high salary র job পাবে, এজন্য তোমাকে সেই পর্যায়ের skill develop করতে হবে। এটা শুধু পুরকৌশল নয়, সকল বিষয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
কি কি পড়ানো হয়
পুরকৌশল একটা ব্যাপক বিষয়। তবে interest আর পরিশ্রম থাকলে সহজেই ভাল করা সম্ভব। এইখানে প্রধানত যেই বিষয় টা পড়ানো হয় তা হল mechanics, এছাড়া ড্রয়িং, designing এর উপর ও ভাল দখল থাকা চাই। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর প্রধান শাখা চারটি
I. Structural Engineering
II. Transportation Engineering
III. Geotechnical Engineering
IV. Environmental Engineering
এছাড়া Water Resource কেও পুরকৌশলের একটা শাখা বলা যায় বাংলাদেশের প্রায় সব পাবলিক ও প্রাইভেট প্রকৌশল ভার্সিটি তে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার সুযোগ আছে।
কাজের ক্ষেত্র
I. সড়ক ও জনপদ
II. গণপূর্ত বিভাগ
III. Real estate company
IV. নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
V. পরিবেশ নিয়ে কর্মরত বিভিন্ন multinational company
VI. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও বিভিন্ন multinational NGO
পরিশেষে বলা যায়, যাদের পুরকৌশলে আগ্রহ আছে তারা নির্দ্বিধায় এ পেশায় আসতে পার। ভবিষ্যৎ খুব খারাপ হবে না ইনশাল্লাহ।
সবার জন্য শুভ কামনা।
----------------------------------------------------------------------
Kayser Ahmed Limon
Dept of civil Engineering
2015-16