আল-আকসা

আল-আকসা

Share

আসসালামু আলাইকুম

Discover top-notch English and Arabic online courses and shop our wide range of digital books.

Enhance your language skills and find your next read with ease.Follow us for the best in online
learning and Islamic Book sales!

08/11/2025

29/09/2025

#বিয়ে

29/09/2025

I gained 2,049 followers, created 2 posts and received 1 reaction in the past 90 days! Thank you all for your continued support. I could not have done it without you. 🙏🤗🎉

29/09/2025

#মায়েরভালবাসা #মায়ের_মর্যাদা

27/09/2025

#অনুপ্রেরণা

24/01/2025

إذا أردت السعادة وراحة البال
اياك تنظر لغيرك من الناس
أنت لك حياة مختلفة وظروف مختلفة وأقدار مختلفة… ودائما اشكرالله وقل يا رب

16/01/2025

যারা হারামে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে তারা কোনোদিন সৎ লোকের অনুভূতি বুঝবে না।

16/01/2025

المُضطرُّ يركبُ الصعبَ.
উপায়হীন মানুষ কষ্ট সহ্য করে।

16/01/2025

যখন হযরত উমর ইবনে খাত্তাব (রা.)-এর উপর হত্যার চেষ্টা করা হলো এবং তিনি গুরুতর আহত হলেন, তখন তার ক্ষত চিকিৎসার জন্য দুধ পান করানো হয়। কিন্তু সেই দুধ তার ক্ষত থেকে বের হয়ে আসতে লাগল। এ অবস্থায় চিকিৎসক বললেন, “হে আমিরুল মুমিনিন! আপনার জীবনসীমা শেষ হয়ে আসছে। আপনি কোনো ইচ্ছা বা ওসিয়ত করে নিন।”

উমর (রা.) তার ছেলে আব্দুল্লাহকে ডেকে বললেন,
“হুযাইফা ইবনে ইয়ামানকে আমার কাছে নিয়ে আসো।”

হুযাইফা (রা.) ছিলেন সেই সাহাবি, যাকে রাসুলুল্লাহ (সা.) মুনাফিকদের নাম জানিয়েছিলেন। এই গোপন বিষয় কেবল আল্লাহ, রাসুলুল্লাহ (সা.), এবং হুযাইফা (রা.)-এর জানা ছিল।

যখন হুযাইফা (রা.) এলেন, তখন উমর (রা.) রক্তক্ষরণ সত্ত্বেও তাকে বললেন,
“হে হুযাইফা! আমি তোমাকে আল্লাহর কসম দিয়ে জিজ্ঞাসা করছি, রাসুলুল্লাহ (সা.) কি আমাকে মুনাফিকদের মধ্যে উল্লেখ করেছিলেন?”

হুযাইফা (রা.) চুপ করে থাকলেন এবং তার চোখ অশ্রুতে ভরে গেল। উমর (রা.) পুনরায় জোর দিয়ে বললেন,
“আল্লাহর কসম, আমাকে বলো, তিনি কি আমার নাম নিয়েছিলেন?”

হুযাইফা (রা.) কাঁদতে কাঁদতে বললেন,
“আমি এই গোপন বিষয় কাউকে জানাতে পারি না। তবে আমি আপনাকে নিশ্চিত করছি, রাসুলুল্লাহ (সা.) আপনার নাম মুনাফিকদের মধ্যে উল্লেখ করেননি।”

এ কথা শুনে উমর (রা.) তার ছেলে আব্দুল্লাহকে বললেন,
“এখন দুনিয়াতে আমার শুধু একটি ইচ্ছা বাকি আছে।”

আব্দুল্লাহ (রা.) জিজ্ঞাসা করলেন,
“তা কী, আব্বা জান?”

উমর (রা.) বললেন,
“আয়েশা (রা.)-এর কাছে যাও এবং তাকে বলো, উমর ইবনে খাত্তাব সালাম পাঠিয়েছেন। কিন্তু তাকে বলো না যে ‘আমিরুল মুমিনিন’ সালাম পাঠিয়েছেন, কারণ আজ আমি আর মুমিনদের আমির নই। তাকে বলো, উমর অনুরোধ করছেন যেন তাকে তার দুই সঙ্গীর (রাসুলুল্লাহ (সা.) এবং আবু বকর (রা.)) পাশে দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়।”

আব্দুল্লাহ (রা.) গেলেন এবং আয়েশা (রা.)-এর কাছে অনুমতি চাইলেন। তখন আয়েশা (রা.) কাঁদছিলেন। কিন্তু তিনি বললেন,
“আমি এই জায়গাটি আমার জন্য রাখতে চেয়েছিলাম, কিন্তু আজ আমি এটি উমরের জন্য উৎসর্গ করছি।”

আব্দুল্লাহ (রা.) খুশি মনে ফিরে এসে সংবাদটি জানালেন। কিন্তু উমর (রা.) তখনও মাটিতে মুখ রেখে ছিলেন। আব্দুল্লাহ তার মুখ নিজের হাঁটুর ওপর রাখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু উমর (রা.) বললেন,
“আমার মুখ মাটিতে থাকতে দাও, যাতে আমি আমার রবের সামনে বিনীতভাবে হাজির হতে পারি। উমরের জন্য আফসোস, যদি তার রব তাকে ক্ষমা না করেন।”

উমর (রা.) তার ওসিয়ত করলেন,
“যখন আমার জানাজা হবে, তখন হুযাইফার প্রতি নজর রাখো। যদি তিনি আমার জানাজায় অংশগ্রহণ করেন, তবে বুঝে নিও আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করেছেন। এরপর আমাকে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কক্ষের দরজায় নিয়ে গিয়ে বলো, ‘হে মা! আপনার ছেলে উমর অনুমতি চাচ্ছে।’ যদি তিনি অনুমতি দেন, তাহলে আমাকে সেখানে দাফন করো। অন্যথায় আমাকে সাধারণ মুসলমানদের কবরস্থানে দাফন করো।”

অতঃপর যখন হুযাইফা (রা.) জানাজায় অংশগ্রহণ করলেন, তখন উমর (রা.)-কে আয়েশা (রা.)-এর কক্ষের দরজায় নিয়ে যাওয়া হলো এবং অনুমতি চাওয়া হলো। তিনি অনুমতি দিলেন। এভাবে উমর (রা.) তার দুই সঙ্গীর পাশে দাফন হলেন।

আল্লাহ উমর (রা.)-এর প্রতি দয়া করুন। যিনি জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত হয়েও আল্লাহর ভয়ে কাঁপতেন। কিন্তু আজ আমরা গাফলত ও নির্ভীকতায় জীবনযাপন করছি। আমরা আমাদের কাজের হিসাব করি না, আমাদের আখিরাতের কথাও ভাবি না।

اللهم احسن خاتمتنا ولا تقبض ارواحنا الا وانت راض عنا
হে আল্লাহ আমাদের শেষ পরিণতি টা সুন্দর করুন এবং আপনি আমাদের উপর সন্তুষ্ট না হয়ে আমাদের মৃত্যু দিয়েন না।

সতর্কতা:♦️♦️ছবিটি কোনভাবেই সাহাবীদের দিকে ইঙ্গিত করে বানানো হয়নি।
কন্টেনের সাথে সংশ্লিষ্টতা রেখে তৈরি করা হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে। ♦️♦️

15/01/2025

আল্লাহ বলেন: "وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ
অর্থ:“আমি জিন ও মানবজাতিকে শুধুমাত্র আমার ইবাদতের জন্যই সৃষ্টি করেছি।”
(সূরা আয-যারিয়াত: ৫৬)

বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
১. ইবাদতের অর্থ:
ইবাদত শুধু নামাজ-রোজার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এর অর্থ হলো আল্লাহর প্রতি সম্পূর্ণ আনুগত্য ও ভালোবাসা প্রকাশ করে তাঁর আদেশ মেনে চলা এবং নিষেধ থেকে বিরত থাকা।

২. জীবনের উদ্দেশ্য:
আল্লাহর ইবাদত জীবনের মূল উদ্দেশ্য। এই ইবাদতের মাধ্যমে মানুষ নিজেকে আল্লাহর নৈকট্যে নিয়ে যায় এবং দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতা অর্জন করে।

৩. ইবাদতের প্রকারভেদ:
-নামাজ, রোজা, হজ, যাকাত: প্রথাগত ইবাদত।
- সৎকাজে লিপ্ত থাকা: কর্মজীবনেও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে কাজ করাও ইবাদত।
- মানুষের প্রতি সদাচরণ: আত্মীয়দের সাহায্য করা, দান-সদকা করা ইবাদতের অংশ।

৪. পরিণাম:
ইবাদত পরিত্যাগ করলে মানুষ জীবনের মূল উদ্দেশ্য হারিয়ে ফেলে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আল্লাহর ইবাদতই আত্মিক শান্তি ও সফলতার চাবিকাঠি।

এই আয়াত আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে প্রতিটি কাজই ইবাদত হতে পারে যদি তা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হয়।

15/01/2025

রবের দিকে অগ্রসর হতে হবে প্রত্যাশা ও ভয় উভয়ের মধ্য থেকে ;কারণ এ দুটি বিষয় মুসলিমদের জন্য ঠিক পাখির দুই ডানার মত।

14/01/2025

একজন মুমিন হিসেবে তোমার সবকিছু নিয়ে আল্লাহর দিকে ধাবিত হও। তোমার অন্তর জন্য আল্লাহর মহব্বতে পূর্ণ হয়ে যায়, তোমার জিব্বা যেন তার জিকিরের মাধ্যমে পূর্ণ থাকে এবং তোমার অন্তর যেন আল্লাহ সুবহানাহুওয়া তা'আলার বিধি-বিধান ও তার প্রজ্ঞার কারণে আনন্দ উল্লাস ও উৎফুল্লতা দিয়ে পরিপূর্ণ থাকে।

Want your school to be the top-listed School/college in Kachua?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Bagerhat District
Kachua