১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এলাকার বিভিন্ন সুধী ব্যক্তি একটি উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য বিভিন্ন সময় সভা সমাবেশ করেন। কারণ চারিদিকে ৫/৬ মাইলের মধ্যে কোন উচ্চ বিদ্যালয় ছিল না । তাই গরীব পরিবারের সন্তানদের শিক্ষার জন্য ও বিশেষ করে নারী শিক্ষায় প্রসারের জন্য এলাবাসীর অত্যন্ত আগ্রহ ছিল । অবশেষে একজন কামিল ব্যক্তি মাওলানা মোঃ আব্দুল খালেক চিশ্তী সাহেবের সভাপতিত্বে অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক
মোঃ মজিবর রহমান, রাজনীতিবিদ মোঃ লুৎফর রহমান, মোঃ রজব আলী পোদ্দার, প্রমুখ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে কার্যকরী কমিটি গঠন করে হিন্দা জুনিয়র হাইস্কুল নামে বিদ্যালয়টি স্থাপন করা হয় এবং স্থানীয় পোদ্দার পরিবার হতে শিক্ষিত দুইজন যুবককে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ করে ১৯৭৩ইং সালের জানুয়ারী মাসে ৩০ জন ছাত্র/ছাত্রী নিয়ে ষষ্ঠ শ্রেণীতে পাঠদান শুরু করা হয় । ঐ বছরই আরো ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদ্যালয়ের সভাপতি মাওলানা মোঃ আব্দুল খালেক চিশ্তী সাহেব হিন্দা জুনিয়র হাইস্কুলের নামে ২২ শতাংশ জমি দান করেন । পরের বছর সপ্তম শ্রেণীতে পাঠদান শুরু হয় এবং স্থানীয় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পার্শ্ববর্তী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র/ ছাত্রীদের হিন্দা জুনিয়র হাইস্কুলে ভর্তি করানোর জন্য অভিভাবকদের উদ্বুদ্ধ করা হয় । এক পর্যায়ে ছাত্র/ছাত্রীর জায়গা সংকুলান না হওয়ায় কমিটির অন্যতম সদস্য মোঃ মজিবর রহমান সাহেব বিদ্যালয়ের্ নামে ৭৮ শতাংশ জায়গা রেজিষ্ট্রি মারফত দান করেন। উক্ত স্থানে খোলা জায়গায় এক মনোরম পরিবেশে চার কক্ষ বিশিষ্ট মাটি ও টিন দ্বারা বিদ্যালয়ের অবকাঠামো নির্মিত হয় । ১৯৭৬ সালে বিদ্যালয়টি স্বীকৃতি লাভ করে । দীর্ঘ সময় পরে ১৯৯৪ সালে নবম শ্রেণীতে এবং ১৯৯৫ সালে দশম শ্রেণীতে পাঠদানের অনুমতি লাভ করে এবং ১৯৯৬ সালে এস,এস,সি, পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের জন্য স্কুলের সুনাম বৃদ্ধি পায় এবং একই বছর ফ্যাসালিটিজ বিভাগ কর্তৃক তিন কক্ষ বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মিত হয় । যে ভবনটি স্কুলের শোভা বর্ধন করে আসছে । ভবনটি নির্মিত হওয়ায় স্কুলের শিক্ষার পরিবেশ উন্নতর পাশাপাশি শিক্ষার মান ও বৃদ্ধি পাচ্ছে । বর্তমানে বিদ্যালয়টি একটি পূর্নাঙ্গ উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত । বিদ্যালয়টি অভিজ্ঞ শিক্ষক মন্ডলী এবং সুদক্ষ কমিটি দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছে ।