মানুষ বড় হলে, তার মুখে একরকম হাসি আর অন্তরে অন্যরকম হিসাব জন্ম নেয়। জীবনের এক পর্যায়ে আমরা সবাই বুঝে যাই—“সব আপন মানুষ আসলে আপন নয়।” কিছু মানুষ আছে, যারা শুধু নিজের প্রয়োজনের সময় আমাদের খোঁজ নেয়, কথা বলে, ভালোবাসার ভান করে। তাদের আচরণে এমন এক মায়া মেশানো থাকে যে, আমরা ভাবি—এরা সত্যিই আপন। কিন্তু সময়ই প্রমাণ দেয়, তারা ছিল কেবল ব্যবহারকারী।
যখন তাদের প্রয়োজন ফুরায়, তখন তারা অচেনা হয়ে যায়। ফোনে সাড়া মেলে না, দেখা হলে চোখ ফিরিয়ে নেয়। অথচ যখন আবার স্বার্থের হিসাব মিলে যায়, তখন সেই মানুষই আবার এসে মিষ্টি কথায় জড়ায়। এদের বেশিরভাগই সমাজে "ভদ্রলোক" বা "বড়লোক" পরিচয়ে পরিচিত। কিন্তু আসলে এরা ছোট মনের মানুষ—যাদের হৃদয়ে নেই কোনো অনুভব, নেই কোনো স্থায়ী সম্পর্কের মূল্যবোধ।
এই ধরনের মানুষরা সম্পর্ককে বিনিয়োগের মতো ভাবে—যেখান থেকে লাভ হবে, সেখানেই সময় দেয়। আর যেখান থেকে কিছু মেলে না, সেখানেই সম্পর্ক শেষ। অথচ সত্যিকারের মানুষ তারা, যারা তোমার কষ্টে পাশে থাকে, তোমার ব্যর্থতার সময় তোমার পাশে দাঁড়ায়, লাভের নয়—ভালোবাসার জন্য তোমার সাথে থাকে।
তাই জীবনে শিখে নাও—প্রতিটি হাসি বিশ্বাসের নয়, প্রতিটি সম্পর্ক স্থায়ী নয়। ব্যবহার করা মানুষদের চিনে রাখো, কিন্তু তাদের মতো হয়ে যেও না। কারণ দিনের শেষে, চরিত্রের উচ্চতা—সম্পদের চেয়েও বড়।
মানুষের আসল পরিচয় জানা যায়, যখন তোমার কিছুই দেওয়ার থাকে না—তবুও যে পাশে থাকে, সেও তোমার প্রকৃত আপন মানুষ।
- আরিফুল হাসান
#জীবন_চক্র
Joypurhat Sadar Thana High School
It's an official page of Joypurhat Sadar Thana High School
23/09/2025
💥 ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় প্রশ্ন কাঠামো পরিবর্তন।
আমার দুই মেয়ে। বড় মেয়ে ক্লাস সেভেনে পড়ে, ছোট মেয়ে ক্লাস ফোরে। গতকাল বড় মেয়ের প্রথম সাময়িক পরীক্ষার রেজাল্ট দিয়েছিল ও অংকে কিছুটা খারাপ করাতে আমাকে স্কুলে গিয়ে রেজাল্ট আনতে বলেছিল।
আমার মেয়ে বরাবরই রেজাল্ট ভালো করে। তাই চিন্তার তেমন কোনো কারণ ছিল না। তবুও টিচার যখন যেতে বলেছেন, ভাবলাম গুরুতর কিছু, তাই স্কুলে গেলাম।
স্কুলে গিয়ে দেখি আমার মত অনেক গার্ডিয়ানরা এসেছে। টিচার সবার নাম ডাকছে এবং রেজাল্ট কার্ড দেয়ার সময় বিভিন্ন কথা শোনাচ্ছে।
প্রথমে এলো রাইসার পালা। রাইসা বেশ কয়েকটা অংক ভুল করেছে। রাইসা মা সবার সামনে বকা দেওয়া শুরু করলো এবং বলল বাসায় গিয়ে খবর আছে আর তার সব টিউশনি নাকি বন্ধ করে দিবে।
এরপরে এলো সামাইরার পালা। তার বাবা তাকে শাসাচ্ছে আজকে নাকি তার খাওয়া বন্ধ। বাসায় গিয়ে নাকি মোবাইল ফোন ভাঙবে।
এরপরে এলো আলিফ রাজ্জাক নওঈদ অর্থাৎ আমার মেয়ের পালা। । আমাকে বলল আপনার মেয়ের তিনটি অংক ভুল করেছে। আমি হেসে বললাম মাত্র তিনটা অংক ভুল করেছে? এতে এত বিচলিত হওয়ার কি আছে? সময়ের সাথে সাথে সব শিখে নেবে। আমি তো ক্লাস ফাইভে অংকে ফেল করেছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ আমার মেয়ে তো ফেল করেনি। এখনও আমি অংক দেখলে অনেক ভয় পাই।
আমার মেয়ে মুচকি হেসে আমার দিকে তাকালো। আমার হৃদয়টা ভরে উঠলো। ক্লাসের অন্য সব বাচ্চাদের দিকে আমি তাকালাম। সবাই অপমানিত হয়ে আত্মগ্লানিতে ভুগছে। সবাইকে অনেক অসহায় দেখাচ্ছে। আমার খুব খারাপ লাগলো।
আমি টিচার কে বললাম আমি ক্লাস ফাইভে অংকে ফেল করেছিলাম। এসএসসি তে মাত্র ৫০ পেয়েছিলাম। তারপরেও আজকে আমি সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট। আসলে রেজাল্ট দিয়ে সবকিছু যাচাই হয় না। মানুষ সময় সাথে সাথে সবকিছু শিখে নেবে। সবাই যে সব বিষয়ে পারদর্শী হবে এমন কোন কথা নেই।
পড়াশোনা নিয়ে মেন্টালি প্রেসার দেয়াটা ঠিক নয়। পড়াশোনার নামে বাচ্চার জীবনের আনন্দ খুশি কেড়ে নেওয়াটা ঠিক নয়। আনন্দের মধ্যে যতটুকু শিখবে ততটুকুই যথেষ্ট।
আমারই আচরণের কারণে আমার মেয়ের আত্মবিশ্বাস যে দ্বিগুণ বেড়ে গেছে তা তার একটি কথা শুনেই বুঝেছি ।ক্লাস থেকে বের হয়ে সে আমাকে বলল মা, আজকে থেকে প্রতিদিন আমি অংকে এক্সট্রা সময় দেব।
তাই বলছি বাচ্চাদেরকে অতিরিক্ত মানসিক প্রেশার দিয়ে শেখানো ঠিক না। আনন্দে নিয়ে যতটুকু শিখবে ততটুকুই যথেষ্ট। জীবনে মানুষের মত মানুষ হওয়াটা জরুরী আর তাই শুধুমাত্র বইয়ের পাতায় ডুবে না থেকে সবকিছু শিক্ষা দেয়াটা জরুরী।
অতিরিক্ত কঠোরতা বাচ্চার মানসিক বিকাশকে ব্যাহত করে।৷
08/05/2025
একজন আইনজীবী একজন শিক্ষকের কাছে একটি কূয়ো বিক্রি করলেন। দুই দিন পর, আইনজীবী সেই শিক্ষকের কাছে এসে বললেন,
“আমি তো আপনাকে কূয়ো বিক্রি করেছি, কিন্তু কূয়োর ভিতরের জল তো বিক্রি করিনি! আপনি যদি জল ব্যবহার করতে চান, তবে অতিরিক্ত টাকা দিতে হবে।”
শিক্ষক হেসে উত্তর দিলেন,
“হ্যাঁ, আমিও আপনাকে বলতে যাচ্ছিলাম—আপনার জল আমার কূয়ো থেকে নিয়ে যান, না হলে আগামীকাল থেকে আপনাকেই আমার কুয়োয় জল রাখার জন্য ভাড়া দিতে হবে।”
এটা শুনে আইনজীবী ঘাবড়ে গেলেন এবং বললেন,
“আরে না না, আমি তো মজা করছিলাম!”
গল্পটা ভালোভাবে পড়লে বুঝতে পারবেন..এখানে মূল বিষয়টা হচ্ছে একজন শিক্ষক আইনজীবী ও বিচারপতি তৈরি করেন, I repeat "শিক্ষক"
শিক্ষক যিনি আমাদেরকে শেখায়। যার মাধ্যমে আমরা যোগ্যতা সম্পন্ন হই। নিজেরা তৈরি হই, নিজেদের বুদ্ধির বিকাশ হয়।আপনি যত বড় কিছুই হয়ে যান না কেন শিক্ষকের বরাবর কখনো হতে পারবেন না কারণ একজন শিক্ষক আপনার মত বড় মানুষকে জন্ম দেয় ♥️
Moral of the story :শিক্ষকের সাথে একদম চালাকি নয়।
কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য বাংলাদেশে শিক্ষকদের অসম্মান করাটা প্রচুর বেড়ে গেছে। আব্বু বলতো জীবনে যে তোমাকে এক অক্ষর ও শিখিয়েছে সেও তোমার শিক্ষক।শিক্ষকতা পেশা সবথেকে সম্মানজনক, কিন্তু সো কলড ডিজিটাল যুগের পোলাপাইন অসম্মান করার মাধ্যমে নিজেকে অনেক কিছু মনে করে একটা অসুস্থ মস্তিষ্কের সুখ পায়।এতে কারো কোনো যায় আসেনা,ক্ষতি হয় না, সমস্যা ও হয় না.. ইনফ্যাক্ট পড়ে গিয়ে ওইসব স্টুডেন্টরায় বড় বড় ডিগ্রি নিয়েও জীবনে কিছুই করে উঠতে পারে না।
13/04/2025
এখন কিচ্ছু মনে হবে না, যেদিন কলেজ লাইফে তোমারই পেছনের বেঞ্চে বসে পরীক্ষা দেওয়া বন্ধুটা DU,BUET,CUET,RUET,KUET,SUST এর সিরিয়াল কাঁপাবে আর তুমি ওয়েটিং লিস্টেও নিজের নাম টা বার বার সার্চ দিয়েও খুজে পাবানা, সেদিন বুঝবে।
যেদিন একইসাথে রাতের পর রাত চ্যাট করা বন্ধুটা কোন এক রাতে নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে লিখবে Started School at অমুক মেডিকেল কলেজ, সেদিন আংগুল অজান্তেই লগ আউট বাটনে চাপ দিবে। অনুধাবন হবে সেদিন।
যখন তুমি আর সে শতটা রাত স্বপ্ন বুনেছিলে একই ক্যাম্পাসের আংগিনায় বসে স্বপ্নকে সত্যি করবে । আজ সে ঠিকই ক্যাম্পাসে বসে স্বপ্ন সাজায়, সফল কাওকে নিয়ে। বাস্তবতা কাকে বলে তা সেদিন মুখস্থ হবে তোমার।
যেদিন তোমারই নিউজফিডে সাদা এপ্রোন পরা বন্ধুদের সেল্ফিগুলো ভেসে উঠবে, সেদিন তোমারো মনে হবে, এর থেকে হয়তো সাদা কাফনে ঢেকে গেলেই বেশি ভাল হত।
ক্লাসের ফার্স্ট বয়/গার্ল জেনে যেই প্রতিবেশী তার সন্তানের জন্য তোমার পুরনো নোট নিতে আসত, সেদিন তিনিও তোমার রেসাল্ট জেনেও যখন তোমার করূন মুখে আবার শুনতে চাইবে ভেতরে এক ক্রুর হাসি দিয়ে। তুমি সেদিন নিরুপায় যখন বন্ধুদের আড্ডার টপিক হবে তাদের প্রিয় সাব্জেক্ট কিংবা ক্যাম্পাস এর অপরূপ সৌন্দর্য, সেদিন যখন তোমার বলার কিছুই থাকবে না, তখন বুঝবে এই বন্ধুত্বের জন্য কত সময়ই না কেটেছিল একইসাথে, আর আজ ?
এখনোও তোমার হৃদস্পন্দন একটুও বাড়েনি ভবিষ্যৎ এর ভয়ে, কিন্তু যেদিন তোমার বাবারই সামনে তার কলিগ নিজের ছেলের সংবাদ দিবে মিষ্টি দিয়ে, সেদিন কি পারবে নিজেকে ক্ষমা করতে ?
বুকমার্ক করে রাখ, এই পোস্ট পড়া শেষ হলেও কিচ্ছু মনে হবেনা, মনে হবে সেদিন যখন উপরের প্রত্যেকটা শব্দে খুজে পাবে নিজের স্বপ্ন ভাঙার কান্না । সেদিন আর কাদলেও ফিরে পাবেনা আজকে আমাদের এই সতর্ক করার দিনটা।
আমরা চাইনা, একটা স্বপ্নও আর বিফলে যাক। সময় আছে যতটুকুই, আজ থেকে না, এখন থেকেই কাজ শুরু কর...
© Shishir Ashad
11/04/2025
31/03/2025
রাজা না খেয়ে মরে গেলে ও কখনো ভিক্ষা করে না।
ঈগল পাখি কখনো ম'রা প্রাণী'র মাংস খায় না।
কারন কি জানেন? এটা তাদের আত্মসন্মানবোধ বা ইগো অথবা বলা যায় 'স্ট্রং মেন্টালিটি ' 💓❤️
মেন্টালি স্ট্রং হতে চাইলে অযাচিত আগ্রহ কমিয়ে দিন।মেপে কথা বলুন ও চলুন। কেউ যদি বলে 'বেশি কথা বলে, তবে তার সাথে কথা বলা কমিয়ে দিন। 😇
যখন বুঝবেন আপনার সব অভিযোগ আপনার বিপরীতেই যাবে, আপনার কথা অন্যের কাছে কেবলমাত্র শব্দ দূষণ তখন শুধু শুনুন। বলতে চাইবেন না। কথা বলতে চাওয়া , দেখা করতে চাওয়ার যে তেষ্টা, তা একবার পার করে ফেললেই জীবনটা অনেক অন্যরকম হয়ে যায়। ভয়ঙ্কর কথা বলার ইচ্ছেরা গলাকে আঁকড়ে ধরে না।🤔
একসাথে পথ চলার ইচ্ছের দায় যে আপনার একার নয় এটা বুঝে গেলেই ঘ্যানঘেনে ভাবটা চলে যাবে।😀
"তাকে ভালোবাসি কিন্ত একসাথে যাপন চাই না" কারো প্রতি এইরকমভাবে আগ্রহ চলে যাবার মতো কঠিন আর কিছু নেই। আগ্রহ চলে গেলেই..."হলেই হলো" এমন একটা ভাব নিয়ে দিব্য ঘুরে বেড়ানো যায়। কে কি বলল, কে কি ভাবলো এগুলো নিয়ে বিরাট রকমের মাথাব্যথা আর হয় না। মনে হয়, যে যেটা জানে জানুক, সমস্যা নেই। কেউ আমার লাইফটা লিড করছে না। 😇
অন্যের কাছে গুড ভাইভস্ বজায় রাখার জন্য মানুষ অনেক কিছু হারিয়ে ফেলে। এমনকি গুড ভাইভস্ বজায় রাখতে রাখতে অনেকে মাঝবয়সে এসে জীবন অবধি হারিয়ে ফেলে।😞
আর যারা জীবন হারায়নি, তারা নিজেকে গুছিয়ে নেবার অদম্য প্রয়াস করতে করতে হাঁপিয়ে গিয়েও হাল ছাড়েনা। 😥
নিজের মধ্যে প্রচন্ড পজিটিভিটি আনতে আনতে একটা সময় টের পাবেন আপনার চারপাশটা নেগেটিভিটিতে ভরে গেছে। পজেটিভ মানুষ যেমন দেখতে সুন্দর তেমনই তার স্ট্রাগেল বেশি।😇
"অনুভূতি দিয়ে কিছু হয় না। মনের ভাব প্রকাশের জন্য শব্দ প্রয়োজন, বাক্য প্রয়োজন।" ছোটোবেলার পড়া এই সহজ ব্যাকরণ টা এইবারে আয়ত্ব করে নিন। 🤔ঝগড়াঝাটির স্কিলটা নিজে থেকেই কমিয়ে দিন। শব্দ-বাক্যের ঘনঘটা কমে আসলে মন খারাপগুলো থিঁতিয়ে যায়।🙂
নিজের কাছে পরাজিত হয়ে আবার উঠে দাঁড়াতে পারলে দেখবেন এই উঠে দাঁড়ানোটা ভয়ঙ্কর শক্ত । এর মধ্যে ছিঁটেফোঁটা বাড়তি ইমোশন থাকবে না।
যেখানে আপনি গুরুত্ব পাচ্ছেন না সেখান থেকে চুপচাপ সরে আসুন। ঈগলের মতো সাহস করে সম্পর্কের সুতো গুলো এক এক করে নিজেই ছিঁ'ড়ে ফেলুন। কোনো মেকি বাঁধন রাখবেন না। যে কাজটা করতে যাচ্ছেন তাতে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাবেন জেনেও করুন একটা সুন্দর ভবিষ্যতের দায়ে। নিজের শান্তি বজায় রাখার জন্য একপ্রকার মরিয়া হয়ে উঠুন।।🙂🥀
#সংগৃহীত
28/03/2025
একদিন একটি গাধা অসাবধানতাবশত এক কুয়োর ভেতরে পড়ে গেল। বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য প্রাণীটি জোরে জোরে কাঁদতে লাগল। গাধার মালিক তখন তাকে উদ্ধার করার জন্য কিছুক্ষণ চেষ্টা চালাল, কিন্তু তাতে কোনো লাভ হলো না।
হাল ছেড়ে দিয়ে তখন লোকটি ভাবলেন, যেহেতু গাধাটি বুড়ো আর একে দিয়ে কোনো কাজ করা যায় না এবং যেহেতু কুয়োটিও শুকিয়ে হয়ে গেছে আর এখান থেকে পানি তোলা যায় না, সেহেতু কুয়োটিকে মাটি ফেলে বুজিয়ে ফেলাই সঠিক সিদ্ধান্ত। কারণ কুয়ো থেকে গাধাটিকে তোলার যে খরচ, তাতে লাভের চেয়ে লসই বেশি!
সুতরাং, কুয়োটি ঢেকে দেবার জন্য সে গ্রামবাসীদের ডেকে আনল। তখন প্রত্যেকে একটি করে কোদাল নিয়ে কুয়োয় ময়লা ফেলতে লাগল।
কি ঘটছে বুঝতে পেরে গাধাটি তারস্বরে চিৎকার করতে লাগল। যে মালিকের জন্য সে সারা জীবন পরিশ্রম করে গেছে, তার অকৃতজ্ঞতায় গাধাটির চোখ দিয়ে দুফোঁটা অশ্রু গড়িয়ে পড়ল। তারপর, সবাইকে অবাক করে দিয়ে, সে গা থেকে ময়লা ঝেড়ে ফেলে একদম শান্ত হয়ে গেল।
তারপর যা ঘটল তা দেখে সবার চক্ষু ছানাবড়া। প্রতিটি বেলচা ময়লা নিচে ফেলার সাথে সাথে গাধাটি সেটা গা থেকে ঝেড়ে ফেলে সেই ময়লার উপর চড়ে বসছে।
খুব শীঘ্রই সবাই অবাক হয়ে দেখল গাধাটা কিভাবে কিভাবে জানি কুয়োর মুখে পৌঁছে গেছে। প্রাণীটি ছোট্ট একটা লাফ দিয়ে কুয়ো থেকে বের হয়ে আসলো। এরপর সে কাউকে ভ্রুক্ষেপ না করে বাকি জীবনটা স্বাধীনভাবে বাঁচার জন্য জঙ্গলের দিকে হাঁটা দিল।
শিক্ষা: আপনি যাদের জন্য গাধার মতো খাটছেন, প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে তারাই আপনার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, বিপদের দিনে আপনার পাশে না দাঁড়িয়ে উল্টো আপনার ক্ষতি করার চেষ্টা করবে। আপনি সেখান থেকে শিক্ষা নিন এবং আর কখনোই ওই লোকগুলোর মুখাপেক্ষী না হয়ে নিজের মতো করে বাঁচুন।
ধন্যবাদ সবাইকে 💝
নারী হয়ে নারীর পাশে দাঁড়ান, তাকে ভেঙে ফেলবেন না।
সবচেয়ে কষ্টের বিষয় হলো, এই সমাজে নারীদের সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেয় অন্য নারীরাই। যেখানে আমাদের একে অপরের হাত ধরে এগিয়ে যাওয়ার কথা, সেখানে আমরা নিজেদেরকেই টেনে নামাই। আমাদের চারপাশের সমাজ এমনিতেই কঠিন—প্রতিটি পদক্ষেপে আমাদের লড়াই করতে হয় সম্মানের জন্য, স্বাধীনতার জন্য, আমাদের নিজেদের অস্তিত্বের জন্য। কিন্তু সবচেয়ে বেদনাদায়ক হয় তখন, যখন সেই আঘাতটা আসে আরেকজন নারীর কাছ থেকে।
কেন আমরা একে অপরকে ছোট করি? কর্মজীবী নারীকে “স্বার্থপর” বলা হয়, আর গৃহিণীকে “অলস”। সাজগোজ করলে “দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছে”, না করলে “অগোছালো”। সফল হলে “অতিরিক্ত উচ্চাভিলাষী”, শান্ত হলে “দুর্বল”। যা-ই করি না কেন, সমালোচনা আমাদের পিছু ছাড়ে না।
কিন্তু আমরা কি কখনো ভেবেছি, আমাদের বলা কথাগুলো কারো জন্য কতটা মন খারাপের কারন হতে পারে? কেউ হয়তো রাতে একা বসে কাঁদছে, ভেঙে পড়ছে শুধুমাত্র আরেকজন নারীর কটুক্তির কারণে। নারীত্ব মানে প্রতিযোগিতা নয়, এটা একে অপরকে এগিয়ে নেওয়ার গল্প। আমাদের একে অপরের শক্তি হয়ে উঠতে হবে, দুর্বলতা নয়।
চলুন, বদলে দেই গল্পটা। একে অপরের পাশে দাঁড়াই, একে অপরকে সাহস দিই। কারণ যখন একজন নারী ভেঙে পড়ে, তখন শুধু সে একা ভাঙে না—তার ভেতরে হাজারো স্বপ্ন ভেঙে যায়। আমাদের শব্দগুলোকে অস্ত্র না বানিয়ে আশ্রয় বানানো দরকার।
Copyrighted : Sajia Tonny
19/03/2025
এসএসসি -২০২৫ এর রুটিন পুনরায় সংশোধিত
গণিত পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Address
Ceo Colony
Joypur
5900
Opening Hours
| Monday | 09:30 - 16:30 |
| Tuesday | 09:30 - 16:30 |
| Wednesday | 09:30 - 16:30 |
| Thursday | 09:30 - 14:00 |
| Saturday | 09:30 - 16:30 |
| Sunday | 09:30 - 16:30 |