Sabbir Digital Technology

Sabbir Digital Technology সবার মনে হারাম জিনিসের উপর এক আকাশ পরিমাণ ঘৃনা সৃষ্টি হোক
(1)

*NID আছে, কিন্তু নিজের NID-তে কোনো সিম রেজিস্ট্রেশন করা নেই বা বর্তমানে দেশের বাইরে আছেন?*রিটার্ন পাসওয়ার্ড সেট করে নিত...
26/08/2026

*NID আছে, কিন্তু নিজের NID-তে কোনো সিম রেজিস্ট্রেশন করা নেই বা বর্তমানে দেশের বাইরে আছেন?*
রিটার্ন পাসওয়ার্ড সেট করে নিতে পারবেন।

অনেকে এই বিষয়টি জানিনা। তাদের জন্য সচেতনমূলকভাবে তুলে ধরলাম। মনোযোগ সহকারে পড়ে নিবেন
26/08/2026

অনেকে এই বিষয়টি জানিনা। তাদের জন্য সচেতনমূলকভাবে তুলে ধরলাম। মনোযোগ সহকারে পড়ে নিবেন

কর ফাঁকি শনাক্ত ও রাজস্ব আদায় বাড়াতে, করদাতাদের ঘোষিত আয়ের সঙ্গে তাদের প্রকৃত আয়-ব্যয় ও অর্জিত সম্পদের মধ্যে সামঞ্জস্যহী...
25/08/2026

কর ফাঁকি শনাক্ত ও রাজস্ব আদায় বাড়াতে, করদাতাদের ঘোষিত আয়ের সঙ্গে তাদের প্রকৃত আয়-ব্যয় ও অর্জিত সম্পদের মধ্যে সামঞ্জস্যহীনতা খুঁজে বের করতে এক ডেটাভিত্তিক বা উপাত্তনির্ভর সমন্বিত ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

এই ব্যবস্থার অধীনে,প্রতিটি করদাতার একটি 'ইন্টিগ্রেটেড' বা সমন্বিত প্রোফাইল তৈরি করা হবে। এতে করদাতার আয়কর রিটার্নে ঘোষিত আয়ের সঙ্গে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার,শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে খরচ,বিদেশ ভ্রমণ,ব্যাংক লেনদেন,গাড়ি ক্রয়, শেয়ারবাজারের বিনিয়োগ এবং অন্যান্য স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির ক্রয়-বিক্রয় বা ব্যবহারের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে মিলিয়ে দেখা হবে।

নতুন এই প্রযুক্তি করদাতার আয়, ব্যয় ও সম্পদের মধ্যে সংগতি রয়েছে কি না—তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মূল্যায়ন করবে। যদি এতে বড় ধরনের কোনো গরমিল পাওয়া যায়, তবে সংশ্লিষ্ট করদাতাকে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ (হাই-রিস্ক) ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

এনবিআর আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে করদাতাদের এই সমন্বিত প্রোফাইল সম্পন্ন করা এবং একটি শক্তিশালী 'ইনকাম ট্যাক্স ডেটা ওয়্যারহাউস' স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে। এর পাশাপাশি উচ্চ সম্পদসম্পন্ন ব্যক্তির (হাই-নেট-ওয়ার্থ ইন্ডিভিজ্যুয়াল) অর্থনৈতিক সক্ষমতার সঙ্গে তাঁদের কর প্রদানের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা যাচাই করতে তাঁদের পৃথক প্রোফাইল তৈরি করা হবে।

আগামী তিন মাস থেকে শুরু করে পরবর্তী পাঁচ বছর পর্যন্ত মোট ছয় মেয়াদের সময়সীমা নির্ধারণ করে নিজ নিজ কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করে এনবিআরের বিভাগগুলো।

゚viralシfypシ゚viralシalシ ゚viralシfypシ゚

২০২৬-২৭ করবর্ষে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য সত্যিই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর)...
24/08/2026

২০২৬-২৭ করবর্ষে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য সত্যিই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রকাশিত আয়কর পরিপত্র অনুযায়ী, সাধারণ করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে করের প্রথম কয়েকটি ধাপের হারেও পরিবর্তন এসেছে।

যেমন ধরুন,করমুক্ত আয়ের সীমা বেড়েছে, বদলেছে করের ধাপ ও হার; আবার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রিটার্ন দিলে মিলবে কর-প্রণোদনাও। আসুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক-

শুধু করমুক্ত আয়ের সীমাই নয়, করের হারেও বড় পরিবর্তন এসেছে। ২০২৫-২৬ করবর্ষে করমুক্ত সীমার পরবর্তী ১ লাখ টাকা আয়ে ৫ শতাংশ কর দিতে হতো। এবার সেই জায়গায় পরবর্তী ৩ লাখ টাকা আয়ের ওপর ১০ শতাংশ কর নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপরের ৪ লাখ টাকায় ১৫ শতাংশ, পরবর্তী ৫ লাখ টাকায় ২০ শতাংশ এবং পরবর্তী ২০ লাখ টাকায় ২৫ শতাংশ কর। বাকি আয়ের ওপর করহার ৩০ শতাংশ।

অর্থাৎ ২০২৫-২৬ করবর্ষে ৩ লাখ ৫০ হাজার পর্যন্ত ০ শতাংশ, সেখানে ২০২৬-২৭ করবর্ষে ৩ লাখ ৭৫ হাজার পর্যন্ত ০ শতাংশ।পরবর্তী প্রথম ৩ লাখ টাকার ওপর ১০ শতাংশ,পরবর্তী ৪ লাখ টাকার জন্য ১৫ শতাংশ,পরবর্তী ৫ লাখ টাকার জন্য ২০ শতাংশ, পরবর্তী ২০ লাখ টাকার জন্য ২৫ শতাংশ এবং অবশিষ্ট আয়ের জন্য ৩০ শতাংশ হারে করারোপ করা হয়েছে।এতে করদাতাদের ওপর করের চাপ কিছুটা বাড়তে পারে।

তাই করমুক্ত সীমা বাড়লেও প্রথম করযোগ্য ধাপের হার ৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ হওয়ায় কিছু করদাতার ক্ষেত্রে মোট করের অঙ্ক আগের তুলনায় বাড়তেও পারে।আবার আয় করমুক্ত সীমার কাছাকাছি হলে ২৫ হাজার টাকা বেশি পর্যন্ত আয় করমুক্ত থাকার সুবিধাও পাওয়া যাবে।

■ নতুন ‘জুলাই যোদ্ধা’ শ্রেণি :

২০২৬-২৭ করবর্ষে নতুন করে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ‘জুলাই যোদ্ধা’ করদাতাদের জন্য ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা রাখা হয়েছে। আগের করবর্ষের তালিকায় এই শ্রেণিটি ছিল না। প্রতিবন্ধী ব্যক্তির বাবা-মা বা আইনানুগ অভিভাবকের ক্ষেত্রেও বিশেষ সুবিধা রয়েছে। প্রত্যেক প্রতিবন্ধী সন্তান বা পোষ্যের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমার সঙ্গে আরও ৫০ হাজার টাকা যোগ হবে। বাবা ও মা দুজনেই করদাতা হলে তাদের মধ্যে একজন এই সুবিধা নিতে পারবেন।

■ এবার সময়মতো রিটার্ন দিলেও লাভ :

২০২৬-২৭ করবর্ষে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো রিটার্ন দাখিলে কর-প্রণোদনা। এনবিআরের নতুন ব্যবস্থায় ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন জমা দিলে স্বাভাবিক ব্যক্তি ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের করদাতারা পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ পর্যন্ত, সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা কর-প্রণোদনা পাবেন। অর্থাৎ শুধু শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা না করে নির্ধারিত সময়ের শুরুতেই রিটার্ন জমা দিলে করের অঙ্কে এই সুবিধা পাওয়া যেতে পারে।

■ দেরি করলে কী হবে?

১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে এই ৫ শতাংশ প্রণোদনা আর পাওয়া যাবে না।এরপর আরও দেরি হলে অতিরিক্ত করের বিধান কার্যকর হবে।এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী,১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ অথবা ৩ হাজার টাকা যেটি বেশি,সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর দিতে হবে। আর ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুনের মধ্যে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫ হাজার টাকা যেটি বেশি,সেই পরিমাণ অতিরিক্ত কর প্রযোজ্য হবে।

আগে দিলে বেশি করছাড় পাবেন করদাতারা। বাজেট প্রস্তাব অনুসারে, অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ বা ২৫ হাজার টাকা, যা কম তাই ছাড় পাবেন। দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) রিটার্ন যা কর তাই দিলেই হবে। কোনো প্রণোদনা পাওয়া যাবে না।

আর জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ বা ৩ হাজার টাকা, যেটি বেশি সেই পরিমাণ টাকা দিতে হবে। এপ্রিল-জুন মাসে রিটার্ন দিলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ বা ৫ হাজার টাকা, যেটি বেশি সেই পরিমাণ টাকা দিতে হবে।

তাই নিজের মোট আয়,করযোগ্য আয় এবং প্রযোজ্য করধাপ হিসাব করে এবার রিটার্ন দেওয়া আগের বছরের তুলনায় আরও গুরুত্বপূর্ণ।

゚viralシfypシ゚viralシalシ ゚viralシfypシ゚

🚨 “জমি রেজিস্ট্রি হবে, তাই ৫০০ টাকা ট্যাক্স দিয়ে ০ রিটার্ন!” — এভাবে রিটার্ন দিলে ভবিষ্যতে কি হতে পারে!!🚨 “জমি রেজিস্ট্র...
22/08/2026

🚨 “জমি রেজিস্ট্রি হবে, তাই ৫০০ টাকা ট্যাক্স দিয়ে ০ রিটার্ন!” — এভাবে রিটার্ন দিলে ভবিষ্যতে কি হতে পারে!!
🚨 “জমি রেজিস্ট্রি হবে, তাই ৫০০ টাকা ট্যাক্স দিয়ে ০ রিটার্ন!” — এভাবে রিটার্ন দিলে ভবিষ্যতে কি হতে পারে!!

একটি বাস্তব ঘটনা শেয়ার করছি—করদাতার নাম-পরিচয় গোপন রাখা হলো।

একজন ব্যক্তি তার এলাকার একজন কম্পিউটার অপারেটরের মাধ্যমে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেছেন। পরে আমার কাছে ফাইলটি দেখাতে আসেন—সবকিছু ঠিক আছে কি না জানতে।

রিটার্ন হাতে নিয়ে দেখি—
❌ মোট আয় দেখানো হয়েছে ০ টাকা
❌ আয়-উপার্জনের প্রকৃত কোনো তথ্য নেই
❌ নিজের নামে থাকা গাড়ির তথ্য নেই
❌ সম্পদের প্রকৃত তথ্যও সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়নি
✅ কিন্তু কর পরিশোধ করা হয়েছে ৫০০ টাকা!

আমি জিজ্ঞেস করলাম—
👉 “আয় যদি ০ হয়, তাহলে ৫০০ টাকা কর দেওয়ার কারণ কী?”
তিনি বললেন—
👉 “আমার নামে জমি রেজিস্ট্রি হবে, তাই রিটার্ন দরকার ছিল। অপারেটর বলেছেন ৫০০ টাকা ট্যাক্স দিলেই হবে।”

আমি যখন তাকে জিজ্ঞেস করলাম—
“আপনার প্রকৃত আয় আছে কি না?”“আপনার গাড়ি আছে কি না?”“সম্পদের তথ্য কেন সঠিকভাবে দেখানো হয়নি?”
তখন তিনি স্বীকার করলেন যে বাস্তবে এসব আছে।

⚠️ এখানেই আসল সমস্যা!
আয়কর রিটার্ন শুধু জমি রেজিস্ট্রেশনের একটি কাগজ সংগ্রহের ফরমালিটি নয়।

রিটার্নে করদাতার প্রকৃত আয়, ব্যয়, সম্পদ ও দায় সঠিকভাবে উপস্থাপন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। NBR-ও স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, প্রকৃত তথ্য গোপন করে সবকিছু “০” দেখানো বৈধ কোনো “Zero Return” ব্যবস্থা নয়। ভুল বা মিথ্যা তথ্য ভবিষ্যতে গুরুতর আইনি সমস্যার কারণ হতে পারে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—ন্যূনতম করের হিসাবও ইচ্ছামতো ৫০০ টাকা দিয়ে শেষ করে দেওয়া যায় না। আয় করমুক্ত সীমার ওপরে হলে সংশ্লিষ্ট এলাকার জন্য প্রযোজ্য ন্যূনতম করের বিধান প্রযোজ্য হতে পারে। NBR-এর বর্তমান FAQ-তেও এলাকাভেদে ন্যূনতম করের কাঠামো দেওয়া আছে। অর্থাৎ—
👉 “জমি রেজিস্ট্রি করতে রিটার্ন লাগবে”
👉 “তাই আয় ০ দেখিয়ে দিই”
👉 “সম্পদ দেখানোর দরকার নেই”
👉 “গাড়ি থাকলেও না দেখাই”
👉 “শুধু ৫০০ টাকা ট্যাক্স দিয়ে দিই”

—এই চিন্তাভাবনা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

😔 সবচেয়ে অবাক করা বিষয় কী জানেন?
আমি তাকে বসিয়ে আইন অনুযায়ী সম্ভাব্য সমস্যাগুলো বিস্তারিত বুঝিয়ে বললাম। আমি বললাম—
আজ হয়তো কোনো সমস্যা হচ্ছে না। কিন্তু ভবিষ্যতে রিটার্ন যাচাই, সম্পদের উৎস, ব্যাংক হিসাব, গাড়ি, জমি বা অন্যান্য তথ্যের সঙ্গে রিটার্নের তথ্যের অমিল ধরা পড়লে তখন এই রিটার্নই প্রশ্নের কারণ হতে পারে।

সব শুনে তিনি বললেন—
👉 “স্যার, যখন সমস্যা হবে তখন দেখা যাবে!”
এই কথাটাই আসলে সবচেয়ে দুঃখজনক।

📌 মনে রাখবেন—
আজকের কয়েকশ টাকা বাঁচাতে গিয়ে আগামী দিনের বড় কর-ঝুঁকি তৈরি করবেন না। একজন কম্পিউটার অপারেটর হয়তো আপনার রিটার্ন টাইপ করে দিতে পারেন, কিন্তু আপনার প্রকৃত আয়-ব্যয়, সম্পদ, দায়, করযোগ্যতা এবং আইনগত ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে সঠিক রিটার্ন তৈরি করা আলাদা বিষয়। রিটার্ন মানে শুধু TIN-এর কাজ শেষ করা নয়।রিটার্ন মানে আপনার আর্থিক অবস্থার একটি আইনগত ঘোষণা। তাই—
✅ প্রকৃত আয় দেখান
✅ প্রকৃত সম্পদ দেখান
✅ গাড়ি/জমি/ব্যাংকসহ প্রযোজ্য তথ্য সঠিকভাবে দিন
✅ সম্পদের উৎস সঠিকভাবে উপস্থাপন করুন
✅ প্রযোজ্য কর ও ন্যূনতম করের বিধান বুঝে কর পরিশোধ করুন
✅ রিটার্ন দাখিলের আগে পুরো ফাইল যাচাই করুন
“যখন সমস্যা হবে তখন দেখা যাবে”—এই নীতিতে আয়কর রিটার্ন করবেন না।

কারণ সমস্যা হওয়ার পর সংশোধন করার সুযোগ, খরচ ও ঝুঁকি—তিনটিই অনেক বেশি হতে পারে।

🙏 আসলে ওনার কোনো দোষ নেই। বিষয়টা হচ্ছে, এই যে এই বছর পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ফাইল অডিট হলো, এছাড়া নিয়মিত কর ফাকি, রিটার্ন না দেয়া, সম্পদ লুকানোর মতো কর্মকান্ডের জন্য নিয়মিত নোটিশ ও মামলা হচ্ছে। আর যারা মামলা বা নোটিশ পায়, তারা তখন মান-সম্মানের ভয়ে অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে কর আইনজীবীদের মাধ্যমে এগুলো নিষ্পত্তি করেন। যার অধিকাংশ খবরই সাধারণ মানুষের কাছে পৌছায় না। এই সকল মামলা বা নোটিশ আসে একটা দীর্ঘ সময় পর। আর এজন্যই দিন দিন এমন অসচেতনতা বেড়েই চলেছে। কিন্তু যখন মামলা বা নোটিশ হাতে চলে আসে তখন টিনধারী ও করদাতার হুশ হয়।

⚖️ সঠিক রিটার্ন করুন, ভবিষ্যতের ঝুঁকি কমান।

ঘরে বসেই যেভাবে সংগ্রহ করবেন সঞ্চয়পত্রের আয়কর প্রত্যয়নপত্রআয়কর রিটার্ন সাবমিটের সময় চলছে। রিটার্ন প্রস্তুত করতে বিভিন্ন ...
19/08/2026

ঘরে বসেই যেভাবে সংগ্রহ করবেন সঞ্চয়পত্রের আয়কর প্রত্যয়নপত্র

আয়কর রিটার্ন সাবমিটের সময় চলছে। রিটার্ন প্রস্তুত করতে বিভিন্ন কাগজপত্র সংগ্রহ করতে হয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো সঞ্চয়পত্রের আয়কর প্রত্যয়নপত্র বা Tax Certificate।

গত বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকে এই প্রত্যয়নপত্র অনলাইনে সংগ্রহের সুবিধা চালু করা হয়েছে। এখনো সেই পদ্ধতি অনুসরণ করে ঘরে বসেই সহজে সঞ্চয়পত্রের আয়কর প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ করা যাচ্ছে।

চলুন দেখে নিই, কীভাবে সংগ্রহ করবেন—

প্রথমে কমেন্টে দেওয়া লিংকে প্রবেশ করে নিচের তথ্য দিয়ে Sign In করুন—

NID/Passport No./TIN
Date of Birth
Mobile Number
Captcha

এরপর নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে একটি OTP যাবে। প্রাপ্ত OTP নির্ধারিত ঘরে দিয়ে Validate করলে সাইন ইন হয়ে যাবে এবং আপনার তথ্য ও সঞ্চয়পত্রের বিস্তারিত দেখা যাবে।

এবার বাম পাশে থাকা “আয়কর প্রত্যয়নপত্র” অপশনে ক্লিক করুন। প্রয়োজনীয় অর্থবছর (Fiscal Year) নির্বাচন করে Run Report-এ ক্লিক করলে প্রত্যয়নপত্রটি প্রদর্শিত হবে।

সবশেষে প্রত্যয়নপত্রটি ডাউনলোড বা প্রিন্ট করে সংরক্ষণ করুন। আয়কর রিটার্ন প্রস্তুতের সময় এই প্রত্যয়নপত্রে উল্লেখিত সঞ্চয়পত্রের মুনাফা এবং উৎসে কর্তিত করের তথ্য প্রয়োজন হবে।

বিঃ দ্রঃ এই লিংকে যেকোন সময়ে প্রবেশ করা যায় না। অফিস টাইমে করতে হয়।
যদিও ই-রিটার্ন সিস্টেমে অটোমেটেড এড হয়, তথাপি পরবর্তীতে ফাইলে অডিট সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োজন পড়তে পারে কাজেই সংরক্ষণ করা ভালো।

ধন্যবাদ সবাইকে।









📢 ২০২৬–২৭ করবর্ষের ই-রিটার্ন সিস্টেম আজকে থেকে চালু হয়ে গেল।অর্থাৎ আপনি চাইলে এখনই আপনার আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন...
22/07/2026

📢 ২০২৬–২৭ করবর্ষের ই-রিটার্ন সিস্টেম আজকে থেকে চালু হয়ে গেল।

অর্থাৎ আপনি চাইলে এখনই আপনার আয়কর রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।

তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—আইনে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। ফলে ই-রিটার্ন সিস্টেমেও অনেক পরিবর্তন করা হয়েছে।

শুধু একটি রিটার্ন দাখিল করে ফেলাই বড় বিষয় নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো—

✅ রিটার্নটি করদাতার অনুকূলে হচ্ছে কি না
✅ তথ্য প্রদানে কোনো ভুল হচ্ছে কি না
✅ এখন রিটার্ন দাখিল করলে কী সুবিধা পাওয়া যাবে
✅ কিছুদিন পর দাখিল করলে বাড়তি কোনো সুবিধা পাওয়া যেতে পারে কি না
✅ যেসব ক্ষেত্রে করদায় বেশি মনে হচ্ছে, সেসব বিষয়ে পরবর্তী সময়ে কোনো পরিবর্তন আসতে পারে কি না
✅ বর্তমানে যে বিধান রয়েছে, ভবিষ্যতে তা আরও কঠিন হতে পারে কি না

এসব বিষয় বিবেচনা করেই রিটার্ন দাখিল করা উচিত।

তাড়াহুড়া করতে গিয়ে ভুল হলে পরবর্তী সময়ে সংশোধিত রিটার্ন দাখিলের প্রয়োজন হতে পারে। আবার চাইলেই সব ধরনের ভুল সংশোধন করা যায় না—এক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ফলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে করদাতার করদায় আরও বেড়ে যেতে পারে।

তাই সময় নিয়ে সতর্কতার সঙ্গে রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিল করতে হবে।

চলুন, নতুন সিস্টেমের কয়েকটি আপডেট সংক্ষেপে জেনে নিই—

📌 প্রথমত—ইনসেনটিভ

কোন পরিমাণ টাকার ওপর ইনসেনটিভ পাওয়া যাবে?

রিটার্ন দাখিলের সময় যে পরিমাণ কর পরিশোধ করা হবে, সেই টাকার ওপর ইনসেনটিভ পাওয়া যাবে।

উদাহরণস্বরূপ, আপনার মোট করদায় ২,০০,০০০ টাকা। এর মধ্যে আপনি আগে ১,৭০,০০০ টাকা পরিশোধ করেছেন এবং রিটার্নের সঙ্গে অবশিষ্ট ৩০,০০০ টাকা পরিশোধ করছেন।

এক্ষেত্রে ৩০,০০০ টাকার ওপর ৫% হারে ইনসেনটিভের পরিমাণ হবে ১,৫০০ টাকা। এই ১,৫০০ টাকা সমন্বয় করে অবশিষ্ট ২৮,৫০০ টাকা পরিশোধ করা যাবে।

📌 দ্বিতীয়ত—ব্যাংক হিসাবের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রদর্শিত হওয়া

ব্যাংক হিসাবের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে আসার সুবিধাটি এখনো কার্যকর হয়নি।

📌 তৃতীয়ত—Tax Claim অংশে পরিবর্তন

Tax Claim অংশটি আগের মতো নেই; এখানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে।

এ রকম আরও অনেক পরিবর্তন রয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি বিষয় বিস্তারিতভাবে আপনাদের জানিয়ে দেব।

ধন্যবাদ সবাইকে।










09/06/2026
10/04/2026

নীচের সকল কাজের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন

✅হারানো টিন সার্টিফিকেট উত্তলন
✅টিনের ইউজার পাসওয়ার্ড সেটাপ
✅নতুন টিন রেজিষ্ট্রেশন Otp দিয়ে ও Otp ছাড়া
✅Otp দিয়ে জিরো রিটার্ন দাখিল চলমান
✅Otp ছাড়া নতুন টিন+জিরো রিটার্ন দাখিল
✅টিনের সকল ভুল সংশোধন চলমান
✅ টিন সার্টিফিকেট এর মোবাইল নম্বর পরিবর্তন
✅ পাসপোর্ট ও জন্মনিবন্ধন দিয়ে নতুন টিন
✅ টিন সার্টিফিকেট এর সাথে এন আইডি ইনক্লোড
✅ কোম্পানি/ব্যবসা প্রতিষ্ঠান/পার্টনারশিপ ফার্ম এর নতুন টিন
✅ টিন সার্টিফিকেট এর কর সার্কেল ও জোন পরিবর্তন

Address

Rajsahi
Joypur
6100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sabbir Digital Technology posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category