13/11/2025
জয়শ্রী রাধেশ্যাম 🙏 জয়শ্রী রাধেশ্যাম 🙏 জয়শ্রী রাধেশ্যাম 🙏🌹🌿💘🌹🙏
We are promoting sanatan religious all over the world by pages. keep support us. thank you.
13/11/2025
জয়শ্রী রাধেশ্যাম 🙏 জয়শ্রী রাধেশ্যাম 🙏 জয়শ্রী রাধেশ্যাম 🙏🌹🌿💘🌹🙏
02/10/2025
সুপ্রিয় ফেইসবুক শুভানুধ্যায়ী-শুভাকাঙ্ক্ষী বন্ধুগণ বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা রইল।
💖🌹শুভ বিজয়া 🌹💖
28/08/2025
কৃষ্ণ কৃপাহি কেবলম্ !কৃষ্ণ কৃপাহি কেবলম্ ! কৃষ্ণ কৃপাহি কেবলম্ !🌹🙏🔰🌿❤️🌹🌿🌷❤️🙏🌿🌹❤️🌷🌿🔰🌷
Celebrating my 13th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
24/05/2025
সমুদ্রমেখলে দেবী পর্বতস্তনমন্ডলে।
বিষ্ণুপত্নী নমস্তুভ্যং পাদস্পর্শং ক্ষমস্ব মে।।
এই শ্লোকটি মূলত ভূমিদেবীর উদ্দেশ্যে প্রার্থনা। এটি সেই সময় বলা হয় যখন কেউ মাটিতে পা রাখে, অর্থাৎ ঘুম থেকে উঠে প্রথমবার ভূমিতে পদার্পণ করার সময়। এতে দেবীকে কষ্ট দেওয়ার জন্য ক্ষমা চাওয়া হয়। নিচে এর পূর্ণাঙ্গ বাংলা ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:
---
শব্দার্থ:
সমুদ্র-মেখলে: যাঁর কোমরে (মেখলা অর্থাৎ বেল্ট) সমুদ্র রয়েছে, অর্থাৎ যাঁর সীমানা চারপাশে সমুদ্র দিয়ে ঘেরা — সেই ভূমি।
দেবী: দেবীরূপে পূজিত, মাতা।
পর্বত-স্তন-মন্ডলে: যাঁর স্তনের মতো উঁচু উঁচু অংশ পাহাড় দ্বারা গঠিত — অর্থাৎ ভূমির পর্বতময় রূপ।
বিষ্ণু-পত্নী: যিনি ভগবান বিষ্ণুর পত্নী, অর্থাৎ লক্ষ্মীদেবী বা ভূমিদেবী (লক্ষ্মীর এক রূপ)।
নমঃ তুভ্যং: আপনাকে প্রণাম জানাই।
পাদস্পর্শং ক্ষমস্ব মে: আমি পায়ে স্পর্শ করে আপনাকে দুঃখ দিচ্ছি, অনিচ্ছাকৃত সেই অপরাধের জন্য আমাকে ক্ষমা করুন।
---
পূর্ণাঙ্গ বাংলা ব্যাখ্যা:
হে দেবী! সমুদ্রযুক্ত কোমরবালা, যাঁর বুকে পর্বতরাজির স্তনসদৃশ রূপ বিদ্যমান, যিনি ভগবান বিষ্ণুর পত্নী, আপনাকে আমি শ্রদ্ধা ও প্রণাম জানাই। আমি আমার পদস্পর্শ দ্বারা আপনাকে যে অগৌরব বা কষ্ট দিচ্ছি, সেই অপরাধের জন্য আমাকে ক্ষমা করুন।
---
এই শ্লোকটি প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং মানবিক বিনম্রতার এক অনন্য প্রকাশ — যেখানে মানুষ প্রতিদিনের কর্মকাণ্ডের শুরুতেই মাটির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে।
14/05/2025
যস্য প্রসাদাদ্ভগবত প্রসাদো
যাস্যাপ্রসাদান্ন গতিঃ কুতোহপি।
ধ্যায়ংস্তুবংস্তস্য যশস্ত্রিসন্ধ্যং
বন্দে গুরোঃ শ্রীচরণারবিন্দম্ ।।
যাঁহার প্রসন্নতায় ভগবানে প্রসন্নতা উপলব্ধি হয় এবং যিনি অপ্রসন্ন হইলে কোথাও কোনো সদগতিপ্রাপ্ত হওয়া যায় না, সেই শ্রীল গুরুদেবের ত্রিসন্ধ্যা ধ্যান করিতে করিতে এবং তাহার যশোগান ও স্তূতি করিতে করিতে সেই শ্রীল গুরুদেবের শ্রীচরণারবিন্দ আমি বন্দনা করি।
11/02/2025
🙏🙏🙏🙏 কৃষ্ণময় শুভ সন্ধ্যা🙏🙏🙏🙏
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে !!
🌷দয়া করে সকলেই এই "অখন্ড তারকব্রহ্ম হরিনাম সংকীর্তন" শেয়ার করবেন।🌷
31/12/2024
🙏🙏🙏🙏 কৃষ্ণময় শুভ সন্ধ্যা🙏🙏🙏🙏
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে !!
🌷দয়া করে সকলেই এই "অখন্ড তারকব্রহ্ম হরিনাম সংকীর্তন" শেয়ার করবেন।🌷
14/10/2024
-ঃপাশাঙ্কুশা একাদশী ব্রত মাহাত্ম্যঃ-
🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏
🙏আশ্বিন শুক্লাপক্ষীয়া পাশাঙ্কুশা একাদশী মাহাত্ম্য ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে বর্ণিত আছে। যুধিষ্ঠির বললেন- হে মধুসুদন ! আশ্বিন শুক্লপক্ষের একাদশীর নাম কি? কি তার মাহাত্ম্য কৃপা করে বর্ণনা করুন।
👉শ্রীকৃষ্ণ বললেন – হে রাজেন্দ্র ! আশ্বিনের শুক্লাপক্ষীয়া একাদশী “পাশাঙ্কুশা” নামে প্রসিদ্ধা। এই ব্রতকে কেউ পাপাঙ্কুশা একাদশীও বলে থাকেন। এই একাদশী হল সর্বপাপ বিনাশক, সর্বশুভদায়ক। এই তিথিতে যথাবিহিত ভগবান শ্রী পদ্মনাভ – এর পূজা করতে হয়।
🔱শ্রীহরির নাম সংকীর্তনের মাধ্যমে ভূমণ্ডলে যত তীর্থক্ষেত্র বা পবিত্রস্থান আছে সর্বতীর্থের ফল এই একাদশী ব্রত পালনে লাভ হয়। বদ্ধ জীব যদি মোহবশতঃ কোন পাপ কার্যে লিপ্ত হয়, এই একাদশী পালন করে ভগবান শ্রীহরির শরনণাপন্ন হয় তাকে নরকযাতনা ভোগ করতে হয় না।
👌 ইহ সংসারে একাদশী ব্রতের ন্যায় শ্রেষ্ঠব্রত কদাপি দৃষ্ট হয় না। হাজার হাজার অশ্বমেধ যজ্ঞ , রাজসূয় যজ্ঞ এই ব্রতের শতভাগের একাংশের সমান হয়না। এই ব্রত পালনে স্বর্গলোক প্রাপ্ত হয়। মুক্তি, দীর্ঘায়ু, আরোগ্য, সুপত্নী, বন্ধু প্রভৃতি অনায়াসে লাভ করা যায়।
🙏হে রাজন ! মনুষ্য জন্ম লাভ করে যে ব্যক্তি একাদশী ব্রত পালন করল না, তার দেহটাকে ধিক ! তার সকল শুভ কর্মকে ধিক ! তার যাগ- যজ্ঞকে ধিক ! যিনি একাদশী উপবাসসহ রাত্র জাগরন করেন অনায়াসে- তিনি বিষ্ণুলোক প্রাপ্ত হন। এই পাশাঙ্কুশা ব্রতের ফলে মানুষ সর্বপাপ মুক্ত হয়ে গোলকে গমন করতে সমর্থ হয়।
✅এই ব্রতাচরণকারীর পিতৃকুলের দশ পুরুষ মাতৃকুলের দশ পুরুষ উদ্ধার করতে সমর্থ হন। বালক-যুবা অথবা বৃদ্ধাবস্থায় ব্রত পালন করলে দুর্গতি হয় না। অতি দুরাচার ব্যক্তিও যদি অশ্রদ্ধাভাবে এই ব্রত করে তবে সেও সদ্গতি লাভ করে।
🙏 এই পবিত্র দিনে যিনি স্বর্ণ, তিল, সুবর্ণ, ভূমি, অন্ন, বস্ত্র, জল, ছাতা, ও পাদুকা সৎপাত্রে দান করলে যমরাজার নিকট আর যেতে হয় না।
👉বিনা সৎকার্যে যারা দিন অতিবাহিত করে তাদের জীবন ধারণ কর্মকারের হাপরের মত বৃথা শ্বাস প্রশ্বাস গ্রহণ করা ছাড়া আর কিছু নয়।
🙏অত্যন্ত পাপচারীও যদি এই ব্রতের অনুষ্ঠান করে সেও নরকের মহাযন্ত্রনা থেকে মুক্ত হয়ে বৈকুন্ঠসুখ লাভ করে। হে রাজন ! এই ব্রতাচরণ ফলে মনুষ্য ইহ সংসারে দীর্ঘায়ু, ধনধান্যে সমৃদ্ধবান ও সর্বরোগরহিত হয়ে থাকে।
🙏কৃষ্ণভক্তি লাভই শ্রীএকাদশী ব্রতের মূখ্য ফল। তবে আনুষাঙ্গিকরূপে স্বর্গ, ঐশ্বর্যাদি ফল লাভ হয়ে থাকে।