পবিত্র মাহে রমজানের চাঁদ দেখা গেছে।আলহামদুলিল্লাহ
Quranic knowledge - কুরআনের জ্ঞান
You can read the Holy Quran from any place correctly, Insha Allah
শয়তান থেকে হেফাজতের দোয়া:
لا الهَ اِلَّا اللّهُ وَحْدَهُ لا شَرِيْكَ لَهْ، لَهُ الْمُلْكُ وَ لَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلى كُلِّ شَئ ٍ قَدِيْرٌ
উচ্চারণ : লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুওয়া ’আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।
অর্থ: আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোন শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা কেবল তাঁর জন্যই। তিনি সকল বিষয়ে ক্ষমতাবান।
অথবা আউজুবিল্লাহ পড়বেন
اَعُوْذُ بِاللهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيْمِ
উচ্চারণ : আ‘ঊযুবিল্লাাহি মিনাশ শাইতাানির রজীম।
অর্থ : আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।
أَعُوذُ بِاللهِ الْعَظِيمِ وَبِوَجْهِهِ الْكَرِيمِ وَسُلْطَانِهِ الْقَدِيمِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّجِيمِ
উচ্চারণ : ‘আউজুবিল্লাহিল আজিম ওয়া বিওয়াঝহিল কারিম ওয়া সুলত্বানিহিল কাদিমি মিনাশ শাইত্বানির রাঝিম।’
অর্থ : ‘আমি মহান আল্লাহর কাছে; তাঁর মহানুভব চেহারার কাছে; তাঁর অনাদি-অনন্ত কর্তৃত্বের কাছে বিতাড়িত শয়তান থেকে আশ্রয় চাই।’
16/02/2024
সুফিয়ান ইবন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত; আমি বললাম, 'হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে ইসলাম সম্পর্কে এমন কিছু বলে দিন যেন আপনাকে ব্যতীত আর কারো কাছে কিছু জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন না হয়'।
তিনি বললেন, 'বল - আমি আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছি; তারপর এর উপর অবিচল থাক'। [মুসলিম, ৩৮]
শুক্রবারের আমল
আজ মাগরিবের পূর্বেই সূরা কাহাফ (১৮ নং সূরা) পড়ুন। বেশি বেশি ইস্তেগফার (আস্তাগফিরুল্লাহ) এবং দূরদ শরীফ পড়ুন। দু'আ কবুলের সময় এই দিনের কোন এক মুহূর্ত। বিশেষ করে (আছর থেকে মাগরিবের) মধ্যবর্তী সময় দু'আ করতে ভুলবেন না। বেশি বেশি দরূদ ও ইস্তেগফার করুন।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ যে লোক তার রিযক প্রশস্ত করতে এবং আয়ু বৃদ্ধি করতে চায়, সে যেন তার আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে। সহীহ বুখারী ৫৫৫৯
জাবির ইবনু আবদুল্লাহ্ সালামী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর সহাবাগণকে সকল কাজে এভাবে ইস্তিখারা শিক্ষা দিতেন, যেভাবে তিনি তাদের কুরআনের সুরা শিক্ষা দিতেন।
তিনি বলতেনঃ তোমাদের কেউ যখন কোন কাজ করার ইচ্ছা করে, তখন সে যেন দুই রাক’আত নফল সালাত আদায় করে নেয়। তারপর এ বলে দু’আ করে,
হে আল্লাহ্! আমি আপনারই ইলমের সাহায্যে মঙ্গল তলব করছি। আর আপনারই কুদরতের সাহায্যে আমি শক্তি অন্বেষণ করছি। আর আপনারই অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি। কেননা, আপনিই শক্তি রাখেন, আমি কোন শক্তি রাখিনা। আপনিই সব কিছু জানেন, আমি কিছু জানি না। গায়িবী বিষয়াদির বিশেষজ্ঞ একমাত্র আপনি।
এরপর সালাত আদায়কারী মনে মনে স্বীয় উদ্দেশ্য উল্লেখ করে বলবে,
হে আল্লাহ্! আপনি যদি জানেন যে, এ কাজটি আমার জন্য বর্তমানে ও ভবিষ্যতে মঙ্গলজনক- বর্ণনাকারী বলেন, কিংবা রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ স্থানে বলেছেনঃ আমার দ্বীন-দুনিয়া ও পরিণামের ক্ষেত্রে কল্যাণকর, তাহলে আমার জন্য তা নির্ধারণ করে নিন এবং তা আমার জন্য সহজ করে দিন, আর আমার জন্য এতে বরকত দিন।
হে আল্লাহ্! আর যদি আপনি জানেন যে, এটি আমার দ্বীন, দুনিয়া ও পরিণামের ক্ষেত্রে অথবা আমার বর্তমান ও ভবিষ্যতের ব্যাপারে অমঙ্গলজনক, তবে তা থেকে আমাকে বিরত রাখুন। আর আমার জন্যে কল্যাণ নির্ধারণ করুন যেখানেই হয় অতঃপর আমাকে সন্তুষ্ট রাখুন।
(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৭৪,
ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৮৬)
ফুটনোটঃ
যারা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলীর ক্ষেত্রে ইসতিখারার দু’আ পাঠ করে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আল্লাহর সিদ্ধান্ত কামনা করবেন, তারা ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবেন ইনশাআল্লাহ্।
جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللهِ السَّلَمِيُّ قَالَ:
كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يُعَلِّمُ أَصْحَابَهُ الِاسْتِخَارَةَ فِي الْأُمُورِ كُلِّهَا كَمَا يُعَلِّمُهُمْ السُّورَةَ مِنْ الْقُرْآنِ يَقُولُ إِذَا هَمَّ أَحَدُكُمْ بِالأَمْرِ فَلْيَرْكَعْ رَكْعَتَيْنِ مِنْ غَيْرِ الْفَرِيضَةِ ثُمَّ لِيَقُلْ اللهُمَّ إِنِّي أَسْتَخِيرُكَ بِعِلْمِكَ وَأَسْتَقْدِرُكَ بِقُدْرَتِكَ وَأَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ فَإِنَّكَ تَقْدِرُ وَلاَ أَقْدِرُ وَتَعْلَمُ وَلاَ أَعْلَمُ وَأَنْتَ عَلاَّمُ الْغُيُوبِ اللهُمَّ فَإِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ هَذَا الأَمْرَ ثُمَّ تُسَمِّيهِ بِعَيْنِهِ خَيْرًا لِي فِي عَاجِلِ أَمْرِي وَآجِلِهِ قَالَ أَوْ فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي فَاقْدُرْهُ لِي وَيَسِّرْهُ لِي ثُمَّ بَارِكْ لِي فِيهِ اللهُمَّ وَإِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّهُ شَرٌّ لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي أَوْ قَالَ فِي عَاجِلِ أَمْرِي وَآجِلِهِ فَاصْرِفْنِي عَنْهُ وَاقْدُرْ لِي الْخَيْرَ حَيْثُ كَانَ ثُمَّ رَضِّنِي بِه
সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৭৩৯০
হযরত ওমর রাযি. বলেছেন—
কেয়ামতের দিন তোমাদের হিসাব নেয়ার পূর্বেই নিজেদের হিসাব নাও। সেদিন সকলের সামনে আমলসমূহের সবচেয়ে বড় উপস্থাপনের জন্য নিজেদেরকে [সুন্দর আমল দ্বারা] সজ্জিত করো। দুনিয়ায় যে নিজের হিসাব নিয়েছে সেদিন তার হিসাব সহজ হবে।
[সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং ২৪৫৯]
আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমাকে এমন পাঁচটি বিষয় প্রদান করা হয়েছে, যা আমার আগে কোন নবীকে দেয়া হয়নি।
১. আমাকে এমন প্রভাব দিয়ে সাহায্য করা হয়েছে যা একমাসের দূরত্ব পর্যন্ত অনুভূত হয়।
২. সমস্ত জমিন আমার জন্য সালাত (নামায/নামাজ) আদায়ের স্থান ও পবিত্রতা অর্জনের উপায় করা হয়েছে। কাজেই আমার উম্মতের যে কেউ যেখানে সালাতের ওয়াক্ত হয় (সেখানেই) যেন সালাত আদায় করে নেয়।
৩. আমার জন্য গণীমত হালাল করা হয়েছে।
৪. অন্যান্য নবী নিজেদের বিশেষ গোত্রের প্রতি প্রেরিত হতেন আর আমাকে সকল মানবের প্রতি প্রেরণ করা হয়েছে।
৫. আমাকে (ব্যাপক) শাফা’আতের অধিকার প্রদান করা হয়েছে।
সহীহ বুখারী ৪২৫
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
World
Jessore