Board of Intermediate and Secondary Education, Jashore
Secondary School Certificate Examination, 2019
Result Sheet
Page 1
Center: JHIKARGACHHA - 311
Institute: JHIKARGACHA GOVT. M. L. MODEL HIGH SCHOOL (115727)
Group : Science
117036[5.00] 117037[5.00] 117038[5.00] 117039[5.00] 117040[5.00] 117041[5.00] 117042[5.00] 117043[5.00]
117044[5.00] 117045[5.00] 117046[5.00] 117047[5.00] 117048[4.50] 117049[4.56] 117050[4.17] 117051[3.89]
117052[4.78] 117053[4.72] 117054[5.00] 117055[5.00] 117056[4.94] 117057[5.00] 117058[5.00] 117059[5.00]
117060[5.00] 117061[5.00] 117062[5.00] 117063[4.83] 117064[4.94] 117065[5.00] 117066[4.44] 117067[5.00]
117068[4.78] 117069[4.94] 117070[4.89] 117071[4.67] 117072[4.56] 117073[4.78] 117074[4.33] 117075[4.39]
117076[5.00] 117077[4.06] 117078[4.72] 117079[4.33] 117080[4.17] 117081[4.67] 117082[4.22] 117083[5.00]
117084[4.11] 117085[5.00] 117086[4.61] = 51
Group : Humanities
234165[5.00] 234166[4.44] 234167[5.00] 234168[4.78] 234169[4.72] 234170[4.33] 234171[4.11] 234172[4.11]
234173[4.89] 234174[3.39] 234175[F1 ] 234176[4.39] 234177[4.22] 234178[2.50] 234179[3.83] 234180[4.00]
234181[4.06] 234182[4.56] 234183[4.44] 234184[4.89] 234185[4.39] 234186[4.44] 234187[3.94] 234188[4.11]
234189[3.44] 234190[3.22] 234191[3.44] 234192[3.89] 234193[3.28] 234194[3.44] 234195[3.56] 234196[3.06]
234197[3.50] 234198[2.28] 234199[F1 ] 234200[3.33] 234201[3.78] 234202[3.39] 234203[2.78] 234204[3.78]
234205[3.22] 234206[2.94] 234207[3.67] 234208[3.39] 234209[2.94] 234210[3.89] 234211[4.33] 234212[3.94]
234213[4.33] 234214[4.11] 234215[3.61] 234216[3.44] 234217[2.61] 234218[4.44] 234219[4.44] 234220[4.06]
234221[3.72] 234222[3.50] 234223[3.39] 234224[3.06] 234225[3.06] = 61
Group : Business Studies
512417[3.89] 512418[4.17] 512419[4.22] 512420[4.17] 512421[4.17] 512422[4.00] 512423[4.83] 512424[3.33]
512425[3.94] 512426[3.67] 512427[3.89] 512428[3.83] 512429[4.11] 512430[3.56] 512431[Abst] 512432[3.89]
512433[3.83] 512434[3.17] 512435[3.44] 512436[3.50] 512437[3.50] 512438[3.72] 512439[3.61] 512440[3.67]
512441[3.39] = 25
Statistics :
5 = 27, 4 to
Jhikargacha M.L. Model High School
It is build in 1888. It's an old famous school...... �
21/02/2019
২০০৭ সাল, ফুটবল খেলায় চ্যাম্পিয়ন হয় এম এল মডেল হাই স্কুল। 😍
শ্রদ্ধেয় নির্মল কুমার বিশ্বাস স্যারের সাথে একই ফ্রেমে ফ্রেমবন্ধি চ্যাম্পিয়ন টিমের সকলে।
বামদিক থেকে ক্যাপ্টেন বরকত, অরুন,মাহাবুবুর, ইসমাঈল,নির্মল কুমার বিশ্বাস, ইউনুস আলি,খেয়াল নাই,
বসা বামদিক থেকে মিঠু, মাজেদ মিয়া,হযরত আলি,হাসান, খেয়াল নাই,মান্নান প্রমুখ।
স্মৃতি শেয়ার করেছেন প্রাক্তন ছাত্র বরকত হাসান।
25/10/2018
সম্মানিত সুধী,
www.jmlmss.edu.bd
এই ওয়েবসাইড থেকে ১০ম শ্রেনী ভোক টেস্ট পরীক্ষা ও ৯ম শ্রেনীর ভোক শাখার ও ৮ম শ্রেনীর শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল পাওয়া যাবে।
School Website : Home when an unknown printer took a galley of type and scrambled it to make a type specimen book.scrambled it to make a type specimen book
07/08/2018
২০১৮ এস এস সি সম্পুর্ন রেজাল্ট
BOARD OF INTERMEDIATE & SECONDARY EDUCATION, JESSORE RESULT OF SSC EXAMINATION, 2018 Institution: JHIKARGACHA M. L. SECONDARY SCHOOL (EIIN: 115727) Centre: JHIKARGACHHA - 311, Thana/Upazilla: JHIKORGACHA, Zilla: JESSORE No. of Students: { Appeared: 153, Passed: 141, Percentage of Pass: 92.16, GPA 5: 29 }---------------------------------------------------- : BUSINESS STUDIES : ---------------------------------------------------514131[4.39], 514132[4.33], 514134[2.89], 514135[3.17], 514136[3.11], 514137[2.83], 514138[3.39], 514139[3.17], 514140[3.33], 514141[3.17], 514142[3.06], 514146[3.83] =12 514130[F1 ], 514133[F1 ], 514143[F1 ], 514144[F1 ], 514145[F1 ] =5------------------------------------------------------- : HUMANITIES : ------------------------------------------------------235233[3.33], 235234[4.50], 235235[3.61], 235236[3.50], 235237[3.61], 235238[3.22], 235239[3.72], 235240[3.61], 235241[3.83], 235242[3.83], 235243[3.28], 235244[3.50], 235245[3.17], 235246[3.06], 235247[3.50], 235248[2.94], 235249[3.33], 235250[2.61], 235251[3.39], 235252[2.89], 235254[5.00], 235255[5.00], 235256[5.00], 235257[5.00], 235258[5.00], 235259[4.89], 235260[4.28], 235261[4.11], 235262[4.61], 235264[4.28], 235265[4.06], 235266[3.72], 235267[3.28], 235268[3.72], 235269[3.89], 235270[3.50], 235271[3.78], 235272[3.78], 235273[3.61], 235274[3.22], 235276[2.89], 235278[3.61], 235279[3.28], 235280[3.89], 235281[3.11], 235282[3.33], 235284[3.28], 235285[3.50], 235286[3.14], 235287[3.64], 235288[3.77], 235289[3.36] =52 235253[F1 ], 235263[F1 ], 235275[F1 ], 235277[F1 ], 235283[F2 ] =5-------------------------------------------------------- : SCIENCE : -------------------------------------------------------116103[4.78], 116104[5.00], 116105[5.00], 116106[5.00], 116107[5.00], 116108[4.83], 116109[4.83], 116110[5.00], 116111[5.00], 116112[4.89], 116113[5.00], 116115[4.50], 116116[4.00], 116117[3.94], 116118[4.22], 116119[4.22], 116120[4.22], 116121[4.33], 116122[4.72], 116123[4.56], 116124[4.94], 116125[5.00], 116126[5.00], 116127[5.00], 116128[5.00], 116129[4.39], 116130[5.00], 116132[5.00], 116133[5.00], 116134[4.94], 116135[4.89], 116136[5.00], 116137[5.00], 116138[5.00], 116139[5.00], 116140[5.00], 116141[4.61], 116142[5.00], 116143[5.00], 116144[5.00], 116145[5.00], 116146[4.83], 116147[5.00], 116148[4.56], 116149[4.56], 116150[4.72], 116151[4.83], 116152[4.28], 116153[4.22], 116154[4.67], 116155[4.17], 116156[4.22], 116157[4.61], 116158[4.44], 116159[3.72], 116160[4.61], 116161[4.28], 116162[3.89], 116163[4.00], 116164[4.06], 116165[4.06], 116166[4.50], 116167[4.39], 116168[4.67], 116169[4.11], 116170[4.17], 116171[4.06], 116172[4.50], 116173[4.00], 116174[4.33], 116175[4.28], 116176[4.33], 116177[3.83], 116178[4.39], 116179[3.28], 116180[4.89], 116181[2.89] =77 116114[F1 ], 116131[F1 ] =2----------------------------------------------------- : END OF RESULT : ----------------------------------------------------
26/03/2018
২৬-ই মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০১৮ উপলক্ষে
ঝিকরগাছা উপজেলার
শহীদ স্মৃতিফলক ও বিজয় স্তম্ভে-
ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সম্মানিত প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষকবৃন্দ।
ঝিকরগাছার ইতিহাস ঐতিহ্যের এক গৌরবময় অধ্যায়ের নাম “ঝিকরগাছা এম,এল মডেল হাই স্কুল”।সুদীর্ঘ দুই’শো বছর ধরে অন্ধকারাচ্ছন্ন সমাজের বুকে আলোর দিশারী হয়ে কালের বিবর্তনের স্বাক্ষী এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে দক্ষিণ জনপদের একটি শ্রেষ্ঠ শিক্ষালয়ে পরিনত হয়েছে।
সাল ১৮৮৮, ব্রিটিশদের অপশাসনে তিক্ত হয়ে উঠেছিল বাংলার আকাশ-বাতাস।
বাংলার মানুষ পিছিয়ে পড়তে থাকে অর্থনীতি,শিক্ষা,সাহিত্য সহ সকল অঙ্গন থেকে।এমন প্রেক্ষাপটে ঝিকরগাছা অঞ্চলের কিছু দীপ্তমান বিদ্যনুরাগি ব্যক্তিগন হাল ধরেন সমাজ সংস্কারের।এমনি কিছু মহানুভব ব্যাক্তির আন্তরিক প্রচেষ্টাই ও হাজারি বাগ এবং কালিপদ বাগের সহযগিতায় ঝিকরগাছার পুরনো পোস্ট অফিসের পাশে অত্যন্ত দৈন্যভাবে গড়ে ওঠে “ঝিকরগাছা মাইনর ইংলিশ স্কুল”।১৯০১ সালে লর্ড কাইনরের শিক্ষানীতিকে মোকাবেলা করে স্কুলটি বঙ্গিয় শিক্ষাবিভাগের অন্তর্ভুক্ত হয়ে “ঝিকরগাছা মাইনর স্কুল” হিসাবে পরিচিতি লাভ করে।শেরে বাংলা এ,কে ফজলুল হকের আন্তরিক প্রচেষ্টাই ১৯৩৭ সালে স্কুলটি হাই-স্কুল পর্যায়ে উন্নিত হয়।১৯৩৯ সালে প্রধান শিক্ষক বাবু বিকাশচন্দ্র মজুমদারের অক্লান্ত প্রচেষ্টাই আব্দুস সামাদ(বড় সাহেব),আজিজ মিয়া,আব্দুস সাত্তার(ছোট সাহেব)সহ কয়েকজন গুনীব্যক্তির সহায়তায় প্রথিষ্ঠানটি নিজস্ব জমিতে(মশিঊর কলেজের বাজারের পরিত্যক্ত স্থান) স্থানান্তরিত হয়।এভাবেই স্বগৌরবে এগিয়ে যেতে থাকে স্কুলটি।
কিতু হঠাৎ করে এক ঝড়ো হাওয়ার আগমন ঘটে।শুরু হয় মানব সভ্যতা ধ্বংসের প্রতীক দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ এই সময় স্কুলটিকে দখল করে নেই ব্রিটিশ সেনাবাহিনী।তখন স্কুলটিকে বাঁচিয়ে রাখতে ঝিকরগাছা থেকে ৪ মাইল দূরে মিসড়িদেওড়া নামক স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি আবার নিজের স্থানে ফিরে আসে।১৯৬২ সালে প্রথিষ্ঠানটি প্রাদেশিক মন্ত্রানালয়ের(P.D.H.A) তালিকাভুক্ত হয়ে বহুমুখী(M.L)স্কুল হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের রক্তক্ষয়ী ইতিহাস বহন করছে স্কুলটি।এসময় বিদ্যালয়ের ছাত্র,শিক্ষক,কর্মচারি এমনকি স্বয়ং প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ আনারুল হক মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।যিনি পরিবর্তীতে মুজিবনগর সরকার সংগঠক এবং ৮ নং সেক্টরের রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি পাইলট স্কুলে পরিনত হয়।১৯৭১ সাল থেকে বিংশশতাব্দীর সমাপ্তি পর্যন্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জনাব মোঃ আবু দাঊদ স্যার।তাঁর দক্ষ নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৩ সালে জাতীয় পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়।এরপর প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জনাব এস,এম মাহাবুবুল আলম(মন্টু স্যার)।তাঁর আন্তরিক প্রচেষ্টা ও দক্ষ নেতৃত্বে ২০১৪ সালে মডেল এবং পরবর্তিতে সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
এভাবেই ইতিহাসের কালজয়ী স্বাক্ষী হয়ে সমাজের বিবর্তনের ধারার সাথে তালমিলিয়ে এগিয়ে চলছে এম,এল মডেল হাইস্কুল।
লেখক- এস এম শাকিরুল আলম শাকিল
সহযোগী সম্পাদক
"হলুদ পাখি" পত্রিকা
সুত্র- হলুদ পাখি পত্রিকা (একুশ সংখ্যা)
15/03/2018
শিক্ষকবৃন্দ যখন এক ফ্রেমে।
13/12/2017
জাতীয়করণ 💜
আরও ৩৭ স্কুল জাতীয়করণের সম্মতি দিলেন প্রধানমন্ত্রী – দৈনিক শিক্ষা বিভিন্ন জেলার আরও ৩৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের সম্মতি দিয়েছেন প্র
16/08/2017
সম্ভাব্য
নিজেকে জানো
Know thyself
-মিলেটাসের থেলিস
(I think, this is completely Correct)
২০০১ সালঃ
মোট পরীক্ষার্থীঃ ৭,৮৬,২২০জন পাসের হারঃ ৩৫.২২%
জিপিএ ৫ পেয়েছেঃ ৭৬ জন
২০০২ সালঃ
মোট পরীক্ষার্থীঃ ১০,০৫,৯৩৭ জন পাসের হারঃ ৪০.৬৬%
জিপিএ ৫ পেয়েছেঃ ৩২৭ জন
২০০৩ সালঃ
মোট পরীক্ষার্থীঃ ৯,২১,০২৪ জন পাসের হারঃ ৩৫.৯১%
জিপিএ ৫ পেয়েছেঃ ১৩৮৯ জন
২০০৪ সালঃ ( এ বছর চতুর্থ বিষয়ের মার্ক সংযুক্তির কারণে GPA 5 বেড়ে যায় )
মোট পরীক্ষার্থীঃ ৭,৫৬,৩৮৭ জন
পাসের হারঃ ৪৮.০৩% জিপিএ ৫ পেয়েছেঃ ৮৫৯৭ জন
২০০৫ সালঃ
মোট পরীক্ষার্থীঃ ৭,৫১,৪২১ জন পাসের হারঃ ৫২.৫৭%
জিপিএ ৫ পেয়েছেঃ ১৫,৬৪৯ জন
২০০৬ সালঃ
মোট পরীক্ষার্থীঃ ৭,৮৪,৮১৫ জন পাসের হারঃ ৫৯.৪৭%
জিপিএ ৫ পেয়েছেঃ ২৪,৩৮৪ জন
২০০৭ সালঃ
মোট পরীক্ষার্থীঃ ৭,৯২,১৬৫ জন পাসের হারঃ ৫৭.৩৭%
জিপিএ ৫ পেয়েছেঃ ২৫,৭৩২ জন
২০০৮ সালঃ (প্রথম জিপিএ ৫ এর বন্যা)
মোট পরীক্ষার্থীঃ ৭,৪৩,৬০৯ জন
পাসের হারঃ ৭০.৮১% জিপিএ ৫ পেয়েছেঃ ৪১,৯১৭ জন
২০০৯ সালঃ
মোট পরীক্ষার্থীঃ ৭,৯৭,৮৯১ জন পাসের হারঃ ৬৭.৪১%
জিপিএ ৫ পেয়েছেঃ ৪৫,৯৩৪ জন
২০১০ সালঃ ( এবার বন্যা থেকে সুনামি হবার পালা )
মোট পরীক্ষার্থীঃ ৯,১২,৫৭৭ জন
পাসের হারঃ ৭৮.৯১% জিপিএ ৫ পেয়েছেঃ ৬২,১৩৪ জন
২০১১ সালঃ ( দেশে মেধার বিপ্লব বা বিস্ফোরণ )
মোট পরীক্ষার্থীঃ ৯,৮৬,৬৫০ জন পাসের হারঃ ৮২.১৬ %
জিপিএ ৫ পেয়েছেঃ ৬২,৭৮৮ জন
২০১২ সালঃ
মোট পরীক্ষার্থীঃ ১০,৪৮,১৪৪ জন পাসের হারঃ ৮৬.৩২%
জিপিএ ৫ পেয়েছেঃ ৬৫,২৫২ জন
২০১৩ সালঃ
মোট পরীক্ষার্থীঃ ১২,৯৭,০৩৪ জন পাসের হারঃ ৮৯.০৩%
জিপিএ ৫ পেয়েছেঃ ৯১,২২৬ জন
২০১৪ সালঃ ( কিছু বলার নাই। কেবল দেখবো :P )
মোট পরীক্ষার্থীঃ ১৪,৩২,৭২৭ জন পাসের হারঃ ৯১.৩৪%
জিপিএ ৫ পেয়েছেঃ ১,৪২,২৭৬ জন
রীতিমত অস্থির অবস্থা। আসুন একটা হাততালি দেই
২০০১ সালের এক বড় ভাইকে ২০১৪ সালের একটি ছেলে ফোন দিয়ে বলতেছে, “আঙ্কেল, আমিও আপনার মত জিপিএ ফাইভ পাইছি। গোল্ডেন 8-) বড় ভাই কিছু বলে না। শুধু বলে, congrats…
২০০১ সালে মোট পরীক্ষার্থীর 0.0096665% জিপিএ ৫ পেয়েছিলো। অর্থাৎ সোনার ছেলে ছিলো লাখে প্রায় ১০ জন মাত্র।
২০০২ সালে মোট পরীক্ষার্থীর .০৩৩%
২০০৩ সালে মোট পরীক্ষার্থীর .১৫%
২০০৪ সালে মোট পরীক্ষার্থীর ১.১% অর্থাৎ প্রতি ১০০ তে একজন
২০০৫ সালে মোট পরীক্ষার্থীর ১.৬%
২০০৬ সালে মোট পরীক্ষার্থীর ৩.১২%
২০০৭ সালে মোট পরীক্ষার্থীর ৩.২৪%
২০০৮ সালে মোট পরীক্ষার্থীর ৫.৬ %
২০০৯ সালে মোট পরীক্ষার্থীর ৫.৭৫ %
২০১০ সালে মোট পরীক্ষার্থীর ৬.৮%
২০১১ সালে মোট পরীক্ষার্থীর ৬.৪ %
২০১২ সালে মোট পরীক্ষার্থীর ৬.২৩ %
২০১৩ সালে মোট পরীক্ষার্থীর ৭%
২০১৪ সালে মোট পরীক্ষার্থীর প্রায় ১০% জিপিএ পেয়েছে।
অসাধারণ।
এবার কিছু গল্প বলি।
আমি তখন বুয়েটের শেষ বর্ষের শেষ টার্মের ছাত্র।
রুমমেট বলল, জীবনে ভাল-মন্দ কত কিছু করলে। একটা টিউশনি না করেই বুয়েট থেকে চলে যাবে? !!!
আমি বললাম, আসলেই চিন্তার বিষয়।
বন্ধুদের সাথে যখন গ্রুপ স্টাডি করি, তারা বলে আমি নাকি পড়া বেশ ভালো বোঝাতে পারি।
তো, বন্ধুর কাছ থেকে একটা টিউশনি পেলাম।
আমার কোনো প্রয়োজন নেই টিউশনি করার। বাসায় শুনলে পা ভেঙ্গে ফেলবে। কিন্তু স্রেফ শখের বসে গেলাম। নতুন একটা অভিজ্ঞতা হলে দোষ কী??
অ্যাডমিশনের জন্য পড়াতে হবে।
ছাত্রী কুমিল্লা থেকে এসেছে।
প্রথমদিন সে বলল, “ভাইয়া, আমার না অনেক বুয়েটে পড়ার শখ। আমাকে দিয়ে কি হবে?”
“অবশ্যই। তুমি শুধু আমার উপর পূর্ণ আস্থা রাখো। 8-) আমি যা বলি, তাই করবে। তাহলে বুয়েটে চান্স পাওয়া নিশ্চিত” :P
আমি দুই ঘণ্টা তাকে ‘জটিল সংখ্যা’ বুঝালাম। সে মাথা নাড়তে লাগল। এমন ভাব যেন সব বুঝে যাচ্ছে।
ভাল, ভাল। খুব ভাল।
মেয়েটি এস,এস, সি তে পেয়েছে জিপিএ ৫
এইচ, এস, সি তে গোল্ডেন আশা করছে।
ঢাকার বাইরে থেকে এসেছে। ওমেকাতে পড়ার জন্য। বাড়তি কেয়ারের জন্য হোম টিউটর নেয়া।
সেটা আমি। 8-)
আমি তাকে জটিল সংখ্যার কিছু জটিল অংক হোমওয়ার্ক দিলাম।
পরদিন সে সব অংক গুলো করে আমাকে দেখালো। সেই সাথে আমাকে কিছু প্রবলেম দেখালো যেগুলো নিয়ে সে confused :P
প্রবলেম গুলো এমন–
১- স্যার, এই অংকটাতে নৌকার বেগ U না লিখে x, আর স্রোতের বেগ v না লিখে y লিখেছে। এজন্য করতে পাড়ছি না।
এটা কীভাবে করবো?
(আমি তো অবাক !!! :o এ কী ফাজলামো করতেছে?? ) >:(
২- স্যার, এখানে টম ক্রুজ আনুভুমিকের সাথে ৩০ ডিগ্রি কোণে বাইক নিয়ে লাফ দিয়ে নদী পার হচ্ছে। এটা কীভাবে হবে? নদী পারাপার কেউ বাইকে করে লাফ দিয়ে হয়?
এরূপ আরো কিছু ভয়ংকর প্রবলেম সে আমাকে দেখাল।
আমার গলা শুকিয়ে আসছিলো।
আমি খাতায় একটা লাইন লিখলাম। আই স্কয়ার,( i^2 ) = -1
এরপর তার কাছে জানতে চাইলাম, এটা কীভাবে হয়?
সে বলল, জানি না ভাইয়া। মুখস্ত করেছি।
আমি দ্রুত ওদের বাসা থেকে বের হয়ে এলাম। আর জীবনে টিউশনি করবো না।
এই মেয়ে পরে ফোন করে আমাকে অনেক কিছু বলল।
"ভাইয়া, আমার মন ভাল থাকে না। পড়াতে মন বসে না। আমি কি বুয়েটে চান্স পাবো? আমার অনেক ইচ্ছা"
তাকে বলা আমার শেষ কথা, ‘কেয়ামতের অনেক আলামত আছে। তোমার বুয়েটে চান্স পাওয়া হবে তেমন একটি ব্যাপার”
রাগের বসে কড়া কথা বলেছিলাম। উচিৎ হয় নি। একটা admission প্রত্যাশী ভালো রেসাল্ট করা মেয়ে একেবারে basic ব্যাপারগুলো বোঝে না, এটা বিশ্বাস করতে আমার ২ দিন লেগেছে।
রুমে এসে বন্ধুকে বললে, সে হেসে বলল, এই টাইপের ছেলে মেয়ে হরহামেশা সে পায়। দেশের অবস্থা খুব খারাপ। আমি অবাক। আসলে কিন্তু ছেলে মেয়ের দোষ নাই।
পাইকারি হারে নাম্বার দেয়া, ঢিলেঢালা ভাবে উপরের নির্দেশনা মত খাতা কাটার ফলাফল তার জিপিএ ৫
তার ব্যাসিক বলে কিছুই নেই। কিন্তু সে highest জিপিএ পেয়েছে।
ফলসরূপ, আরো অজস্র জিপিএ ৫ ধারীদের মত তার আশাও অনেক উপরে। সেও সেরা, এ বিশ্বাস ধারন করা তার জন্য অন্যায় কিছু নয়।
যাই হোক। সে কোথাও চান্স পায় নাই। যদিও তার দুটো গোল্ডেন
আমার খুব খারাপ লেগেছিলো ব্যাপারটা।
ড: আকবর আলী খানের একটা বই’তে পড়েছিলাম, শায়েস্তা খানের সময়কার টাকায় আট মন চাল নিয়ে।
আকবর আলী খানের মতে, টাকায় আটমন চাল কখনো ভালো কিছু নয়।
বরং এটা অর্থনীতির জন্য চরম বাজে একটা দৃষ্টান্ত।
টাকায় আটমন চাল মানে দ্রব্যের সীমাহীন সহজলভ্যতা। সস্তা হয়ে যাওয়া। অর্থাৎ একেবারেই মূল্যমান না থাকা।
যাই হোক, জিপিএ 5 এখন খুবই সস্তা হয়ে গেছে। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি quality দিয়ে নির্ধারিত হোক, quantity দিয়ে নয়।
ছেলে মেয়েরা এখন আর A+ পেলে আগের মত খুশিও হয় না। কারণ তারা জানে, এটার আর তেমন কদর নেই। কিন্তু এর থেকে বেশি কিছু যে পাবারও নেই। এটাই highest achievement.
ব্যাপারটা গল্পের আকারে বলি।
এক ক্লাসে ১০০ জন ছাত্রছাত্রী আছে। পরীক্ষায় ১৫ জন পেলো ৯০ এর উপরে।
৬৫ জন পায় ৪০ থেকে ৯০ এর ভেতরে।
আর বাকি ২০ জন পায় ৪০ এর নিচে।
তো ওই ক্লাসের নিয়ম অনুসারে, ৪০ এর কম মানে ফেল।
অর্থাৎ ২০% student ফেল করে। ১৫% অসম্ভব ভালো রেসাল্ট করে। আর ৬০% স্টুডেন্ট সাধারণ মানের।
তো এখন যেটা হলো, ওই স্কুলের হেড মাস্টার ভীষণ চিন্তিত।
১৫ জন যে ৯০ এর উপর রেসাল্ট করে স্কুলের জন্য সম্মান নিয়ে এসেছে, এটা নিয়ে তার তৃপ্তি নেই।
তার চিন্তা ওই ফেল করা ২০ জন’কে নিয়ে।
এর পেছনে কারণ আছে।
এলাকার কিছু মানুষের খেয়ে দেয়ে কাজ নেই। স্কুলে ফেলের সংখ্যা বাড়লেই তারা চিল্লাপাল্লা শুরু করে। অবিলম্বে সরকারের, sorry :P স্কুলের হেড মাস্টারের পদত্যাগ, sorry :P বরখাস্ত চায়। তারা বলাবলি শুরু করে, হেডমাস্টার আমাদের এলাকার শিক্ষার মান দিন দিন কমিয়ে দিচ্ছে :P সে ব্যর্থ :P
তো যেটা হয়, মুখ রক্ষা করতে হেড মাস্টার স্কুলের শিক্ষকদের নির্দেশ দিলেন, নেস্ট পরীক্ষাগুলো থেকে বেশি বেশি নম্বর দিতে। খাতা ঢিলে ঢালা করে কাটবেন। যত বেশি নম্বর দিতে পারেন, দিবেন।
:P
ফলসরূপ, পরের পরীক্ষাগুলো থেকে ওই ২০%, অর্থাৎ যারা পাস করতে পারতো না, তারা আচমকা ৪০ থেকে ৯০ পাওয়া শুরু করলো। আর বাকি সবাই ৯০-১০০
বিশাল উন্নতি।
এলাকার মানুষ তো বিশাল খুশি।
এটা বাইরের খবর।
ভেতরের খবর কিন্তু ভালো নয়।
যে ছেলেগুলো অনেক পরিশ্রম করে, দিনরাত লিখাপড়া করে আগে ৯০-১০০ পেতো, তারা এখন দেখছে, এর চেয়ে অনেক কম এফোর্ড দিয়ে একজন খুব সহজে ৯০-১০০ পেয়ে যাচ্ছে।
তখন যেটা হবে, তা হল সে নিজে লিখাপড়ার ঢিল দেবে। তার তো আর এতো কষ্ট করার দরকার নেই। ১০০ এর বেশি তো আর পাওয়া সম্ভব না। তো,এতে তার গুনগুত মান কমতে থাকবে পড়ায় ঢিল দেবার কারণে।
২০% ছাত্র, যারা আগে কষ্ট করেও পাস করতে পারতো না, বাবা মা বা শিক্ষকের বকুনির উপর থাকতো, এখন তারা অভুতপূর্ব ভাবে পাস করে যায়। রচনার সুচনা লিখে দিয়ে আসে। কিন্তু ফুল মার্ক পেয়ে যায়। :o ব্যাপার কী?? !!
তো তারাও ঢিল দিলো :P =D
আগে পাস করার জন্য যে কষ্টটা করতো, এখন সেটাও কিছুটা কমেছে। ফলসরূপ, বছর ঘুরতে না ঘুরতেই আবার তাদের পাস মার্ক অর্জন নিয়ে সমস্যা দেখা দিলো।
এটা একটা চক্র।
দু বছরের পর আবার দেখা গেলো সেই আগের মত রেসাল্ট। অর্থাৎ ২০% ফেল, ৬৫% এভারেজ রেসাল্ট, আর ১৫% সেরা।
মজার ব্যাপার হলো, স্ট্যাটিক্স ঘুরে ফিরে আগের অবস্থানে ফিরে এলেও এটা কেউ বুঝলো না যে ছাত্রছাত্রীদের গুনগত মান ভেতরে ভেতরে কমেছে।
হেডমাস্টার আবার সিদ্ধান্ত নিলেন, আরো ঢিলে ঢালা করে শিক্ষকদের খাতা কাটতে বলবেন। হাজার হোক, রেসাল্টের হিসাব নিকাশ উন্নতি করতে হবে। সংখ্যাতাত্ত্বিক। গুনগত নয়।
যাই হোক, এটা কেবলই গল্প। বাস্তবের সাথে মিল নেই।
তবে বাস্তবে ব্যাপারটা এমন যাতে না হয়, সেই কামনা করি।
-ফয়সাল শোভন
বুয়েট।
মে, ২০১৪
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Jhikargacha, Khulna
Jessore
7420
Opening Hours
| Monday | 08:00 - 17:00 |
| Tuesday | 08:00 - 17:00 |
| Wednesday | 08:00 - 17:00 |
| Thursday | 08:00 - 17:00 |
| Saturday | 08:00 - 17:00 |
| Sunday | 08:00 - 17:00 |