Center for Technical Education of Bangladesh

Center for Technical Education of Bangladesh Head Office:
1042, East Barandhi Para, Dhaka Road, Jessore-7400, Bangladesh. Tale: +880421-71622, Ce

05/07/2014

(1min Short Film)...
Watch n Share

29/06/2014
Plz read it...
04/05/2014

Plz read it...

বিষয়টি খুব কঠিন কিছু না... ।
আজ আমারদের ভাই-বোন, সন্তানদের দিকে দেখলেই আমরা দেখি তাদের আচরণ, তাদের আদব নীতি-নৈতিকতা নিয়ে অনেক বাবা-মা আজ হতাশ..!! কিন্তু কেন?? কারণ, তাদের সন্তানকে তারা কন্ট্রোল করতে পারছেন না... তাদের উপর তারা হ্যাপি না। সব বাবা-মাই চায় তার সন্তান তার থেকে তো বটেই সাথে এই পৃথিবীর মধ্যে কোন এই আইকন হবে। সবাই তাদেরকে বলবে, ঐ দেখ “অমুকের মা, অমুকের বাবা” এই অমুকের মা-বাবা হতে যেয়ে আমাদের ছেলে মেয়েদের মাথায় আমরা দিয়ে দিচ্ছি বড় বড় বোঝা... তাদের পাঠাচ্ছি, নাচ, গান, পেন্টিং, টেনিস, ক্রিকেট সহ বিভিন্ন কোচিং ক্লাসে। কিন্তু নৈতিকতা শেখানোর জন্য এতটুকু চিন্তাও করি না। আর যত ক্রপশণের কথা বলে চিল্লা-চিল্লি করি না কেন এরাই বড় হয়ে ক্রপশনের মূলে থাকে । কারণ এদের ডিকশনারীর মধ্যে সেই নৈতিকতা নামক শব্দটা নেই।
আজ আমরা দেশ দেশ বলে লাফাচ্ছি... আজ আমরা গালাগালি দিচ্ছি আমারদের পলিটিশিয়ানদের... আল্টিমেটলি এটা আমাদের নিজেদেরই গালাগালি দিচ্ছি আমরা, কারণ ওদেরকে ওখানে পাঠিয়েছি আমরাই... আমার যতগুলো ফেসবুক ফ্রেন্ড আছে তাদের “Political Views” এ গেলে দেখি: “I hate politics” “I'm not interested” সহ বিভিন্ন “না” বধক বা “ঘৃনা” বধক কথা।
কাউকে কিছু বললেই বলে, ’এদেশের কিচ্ছু হবে না। বাপ-দাদারা ফাও ফাও যুদ্ধ করে স্বাধীন করছে এই দেশ।’ এই টাইপের লোকদের জন্য বলছি, আসলে আপনার মত সুবিধাবাদিদের দিয়ে আসলেই কিছু হবে না।
আমাদের অনেক আছে অনেক। আমাদের বাপ-দাদারা একটি স্বপ্ন দেখত, তারা সেটা বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছে। তার লোকদের বলে বেড়াইনে যে আমরা আর বাংলা বলতে পারবো না তারা বলেছে আমরা বাংলায় কথা বলব, তাতে আমার জীবন থাকুক আর নাই থাকুক....
তারা আমারদের জন্য একটি স্বাধীন মানচিত্র দিয়ে গেছে। যেখানে আমারা আমাদের ইচ্ছা মত হাসতে পারি, গাইতে পারি, চিৎকার করে বলতে পারি আমার মনের কথা, বাইরের কেউ এখানে এসে বুকের লাথি দিয়ে বলতে পারবে না, কেন হাসলি, কেন গাইলি, কেন চিৎকার করে কথা বললি....!!
তবে কেন আমাদের এই থেমে থাকা ? কেন আমাদের চুপচাপ সব সহ্য করা...?? কেন অনের উপর দোষ চাপানো??
আমরা নিজেরাই তো অনেক কিছু পরি.. আমরা যার যার স্থান থেকে অনেক অনেক কিছু করতে পারি...
থাকুক পলিটিশিয়ানরা, থাকুক নীতি-নির্ধারকরা, এদেশ আমাদের সবার মতো আমাদের যেমন কথা বলার অধিকার আছে, তেমন এদেশকে পরিবর্তনের জন্য কাজ করারও আমাদের কর্তব্য...
আসুন, এক সাথে, নতুন সূর্য্য আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে....

S M Al Mahmud
০৪ মে ২০১৪

13/04/2014

This massage for you, Must Watch....

09/03/2014

ক্যারিয়ার গড়ার শীর্ষ ১০ উপায়ছেলেবেলা থেকেই সবাই স্বপ্ন দেখে ভাল কর্মক্ষেত্র Continue Reading....... General Knowledge

“- কি ব্যাপার এত খাতা আর কলম...??= বাচ্চাদের কাগজ শেষ, একই পৃষ্ঠায় লিখছে আর মুছতেছে আবার লিখতেছে...!- ওহ..= জানেন ভাইয়া,...
24/02/2014

“- কি ব্যাপার এত খাতা আর কলম...??
= বাচ্চাদের কাগজ শেষ, একই পৃষ্ঠায় লিখছে আর মুছতেছে আবার লিখতেছে...!
- ওহ..
= জানেন ভাইয়া, গতকাল একজন বলছে, আপু আপু আমাকে একটা কলম দিবেন? আমার কলমের কালি শেষ।
-ওহ..
= তাই ওদের জন্য এগুলো নিয়ে এলাম... ”

কথপকথন গুলো ছিল আমাদের ভলেন্টিয়ার সীমা আপুর সাথে Youth Development Council এর President S M Al Mahmud এর। তিনি আমাদের Children's Heaven -এ, শিশু থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিশুদের পড়ান। গতকাল এই শিশুদের জন্য তিনি কাগজ আর কলম কিনে এনেছেন।

ধন্যবাদ সীমা আপুকে...

“- কি ব্যাপার এত খাতা আর কলম...??
= বাচ্চাদের কাগজ শেষ, একই পৃষ্ঠায় লিখছে আর মুছতেছে আবার লিখতেছে...!
- ওহ..
= জানেন ভাইয়া, গতকাল একজন বলছে, আপু আপু আমাকে একটা কলম দিবেন? আমার কলমের কালি শেষ।
-ওহ..
= তাই ওদের জন্য এগুলো নিয়ে এলাম... ”

কথপকথন গুলো ছিল আমাদের ভলেন্টিয়ার সীমা আপুর সাথে Youth Development Council এর President S M Al Mahmud এর। তিনি আমাদের Children's Heaven -এ, শিশু থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিশুদের পড়ান। গতকাল এই শিশুদের জন্য তিনি কাগজ আর কলম কিনে এনেছেন।

ধন্যবাদ সীমা আপুকে...

পোষ্টটি সকলকে পড়ার অনুরোধ জানাচ্ছি
11/02/2014

পোষ্টটি সকলকে পড়ার অনুরোধ জানাচ্ছি

পোষ্টটি সকলকে পড়ার অনুরোধ জানাচ্ছি

আমি প্রতিদিনের একটি সময় বর্তমানে ব্যয় করি আমাদের ‘‘শিশু স্বর্গ‘‘ এর বাচ্চাদের সাথে। যেখানে ঝরে পড়া এবং অসহায় শিশুদের কোচিং করানো হয়। আমরা কোচিং এর বিরোধী হলেও আপাতত কোচিং করাতে হচ্ছে। কারণ অনেক সিমাবদ্ধতার কারণে আমরা নিজস্ব স্কুল করতে পারছি না। তাই আপাতত কোচিং এর মাধ্যমেই বাচ্চাগুলোর শিক্ষার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আমাদের এখানে অর্ধশত এরও বেশি ছেলেমেয়ে আছে।
আমার অভিজ্ঞায় যেটা পেলাম সেটা হলো, এদের মধ্যেই অনেক ভবিষ্যত ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা সমাজ সেবক রয়েছে। যাদের মেধা সত্যিই প্রশংসনীয়। একবার তাদেরকে পড়াটা বুঝিয়ে দিলেই ধরতে পারে। কিন্তু এদের মাঝে অভাব সেই বুঝিয়ে দেওয়ার মানুষটির। এমন হয়ত দেশে অনেক মেধাবী ছাত্র আমাদের দোষেই বা অবহেলায় পরিনত হচ্ছে এরশাদ সিকদার বা পিচ্চি হান্নান রূপে। পরে হয়ত এদেরকেই আমরা ভতষনা করছি।
আমাদের যখন বয়সটা ২২ বছর পূর্ন হয়। আমাদের মুখে তখন কোন একটি অজানা কারণে হাসি ফুটে ওঠে। তারপর.............
তারপর হয়ত আমি হই একটি অবহেলিত শিশুর পিতা। যে শিশুটির রয়েছে ইউনিসেফে চাকুরীজীবীদের শিশুর মত অধিকার। তারপর ছেলেটির মাকে বদলে আনছি অন্য একটি নারী। তখন এই ছেলেটি এক বেলা খাবার পাওয়ার আশায় লোকের কাছে বিভিন্ন গল্প সাজিয়ে হাত পাতে। কাচা বুদ্ধিতে গল্প সাজানোর কারণে আমাদের কাছে ধরা পড়ে গালিগালি শুনতেও হয় তাদের। আমাদের ভরা পেটের গালাগালি তাদের শূন্য পেটে হজম করতে অসুবিধা হয় না। তারপর এই অধিকার বঞ্চিত শিশুটি একদিন এলাকার ফুলের মত চরিত্রের অধিকারী কোন নেতার পৃষ্ঠপোষকাতায় আমাদেরই গলায় অস্ত্র ধরে আমাদের থেকে অধিকার হাইজ্যাক করে চলে। আর আমরা কুরআন, হাদীস, মাসয়ালা-মাছায়িল এর বইটা বন্ধ করে ফেলি। আমরা শুধু বিবাহ এবং বাচ্চারগনের বাবা হওয়ার মাসয়ালাগুলোই মানুষকে তালিম দিয়ে থাকি। বাচ্চাদের লালন-পালন এবং শিক্ষা দেওয়ার কথা শুনানোর সময় পাইনা। আবার বলি পিতা-মাতার অবস্থান নাকি আল্লাহ পরেই। লালন পালনের খোজ নেই। সন্তান কি করে, কি খায়, কার কাছে গিয়ে হাত পাতে তার খোজ নেই- নিজের অবস্থান হয়ে গেল আল্লাহর পরেই। কতো দয়ালু আমাদের আল্লাহ!!!????
ঘটনার এই প্রেক্ষাপট হয়ত আমার আপনার পরিবারে না হলেও দেশের অ-নে-ক পরিবারে হরদম ঘটে চলেছে। জন্ম নিচ্ছে হাজার হাজার অবহেলিত অসহায় শিশু। এখন বলুন আমাদের হাতটা কোনদিকে বাড়াবো? স্নেহের হাতটা এই শিশুদের দিকে বাড়াবো? নাকি শক্ত হাত দিয়ে এই পিতা নামের পশুদের গলা টিপে ধরব?

আমাদের ‘‘শিশু সর্গের‘‘ অবস্থান: ঢাকা রোড, বারান্দিপাড়া (মনিহার মোড় থেকে সামান্য দুরে), যশোর।

আপনাদের অপেক্ষায় আমরা....



Children's Heaven

21/01/2014

Youth Development Council (YDC) is an independent, non-partisan, and non-profit youth-led organization. which was founded at 2nd November 2007.

Youth Leadership Training, Ireland.Date: 12th May 2014.Duration: 12 weeks.About the Programme:This programme encourages ...
14/01/2014

Youth Leadership Training, Ireland.
Date: 12th May 2014.
Duration: 12 weeks.

About the Programme:

This programme encourages students to learn and develop an understanding and practice of youth leadership in the 21st century. The program provides both in-class and practical opportunities for students to explore inspirations and challenges of leadership and also to inquire into themselves about their strength as current and future leaders. The programme provides a host of learning opportunities, exciting activities and inspiring workshops that will broaden experiences and leadership skills from international perspectives, understanding and exchange of ideas.

For more information visit www.ycke.com

Youth Culture & Knowledge Exchange (YCKE), is an educational, interactive and knowledge exchange program for youths around the world. It promote cultural diversity, friendship, leadership and education.

18/11/2013

.... :)

27/10/2013

|| নম্বর মেধা যাচাইয়ের মাধ্যম হতে পারে না ||

প্রথমেই বলতে চাই, আমি কোনো শিক্ষাবিদ নই; আমি একজন সাধারণ অভিনয়শিল্পী— সৃজনশীলতার নগণ্য ছাত্র মাত্র। শিক্ষা নিয়ে আপনারা আমার চেয়ে অনেক বেশি জানেন; দীর্ঘদিন ধরে আপনারা এর সঙ্গে যুক্ত আছেন। কিন্তু কিছুদিন ধরে আমি শিক্ষা নিয়ে ভাবছি। আমার দুটি সিনেমাতারে জামিন পার ও থ্রি ইডিয়টস শিক্ষাব্যবস্থার সমস্যা নিয়ে নির্মিত। এই সিনেমা দুটি করতে গিয়ে আমাকে অনেক গবেষণা করতে হয়েছে। এতে আমি কিছু জিনিস উপলব্ধি করেছি, যা আজকে আপনাদের বলতে চাই।
আজ এখানে শিক্ষাবিদেরা আছেন, অভিভাবকেরা আছেন, অনেক শিক্ষার্থীও আছে। জানি না আমি কতটুকু ভুল কিংবা সঠিক, কিন্তু আপনারা যাঁরা শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত আছেন, তাঁদের কাছে আমার চিন্তাগুলো তুলে ধরাই আমার উদ্দেশ্য।
প্রতিটি শিশুই স্বতন্ত্র, এটা আমি বুঝতে পেরেছি। আপনার, আমার ও আমাদের সবার মতোই প্রতিটি শিশুরও কিছু ভালো দিক, কিছু খারাপ দিক আছে। বড় হিসেবে, মা-বাবা হিসেবে আমাদের উচিত শিশুদের এই স্বাতন্ত্র্যকে সম্মান করা; তাদের সাহায্য করা—যাতে তারা তাদের পছন্দের কাজটিকে খুঁজে নিতে পারে। তারা সেই কাজটি যেন করতে পারে, যেটিতে তারা আনন্দ পায়।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বলে, আমাদের সব শিক্ষার্থী পাস করেছে, বোর্ড পরীক্ষাগুলোতে আমাদের সাফল্য শতভাগ। কিন্তু আমি তাদের কাছে জানতে চাই, আপনাদের কতজন শিক্ষার্থী জীবনে খুশি? আমার কাছে খুশি থাকাটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, শেষ পর্যন্ত আমরা পড়ালেখা জীবনে শিখেই ফেলি, কিন্তু সবাই কি সুখী হতে পারি?
থ্রি ইডিয়টস রিলিজ করার আগে আমরা বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষকে আমরা ছবিটি দেখালাম, তাদের কেমন লাগল জানতে চাইলাম। মুম্বাইয়ের এক কারখানা থেকে কিছু শ্রমিকও সেখানে এসেছিলেন; তাঁদেরই একজন আমাকে চমৎকার একটি প্রশ্ন করলেন। তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, ছবিতে আমরা দেখলাম আপনি র‌্যাঞ্চো নন। তাহলে তো আপনি সার্টিফিকেটও পাননি, সেটা জাভেদ জাফরি পেয়েছেন। কিন্তু আপনি এত বড় বিজ্ঞানী হলেন কী করে? এই প্রশ্নটা আসলেই খুব গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটাই আমাদের ছবির মূল বিষয়। পরীক্ষা পাসের জন্য আমরা এত লেখাপড়া করে, নম্বর পেয়ে কী অর্জন করি? স্রেফ একটা সার্টিফিকেট, যেটি আমাকে শিক্ষিত পরিচয় এনে দেয়। কিন্তু আপনি যখন শুধুই জ্ঞানার্জনের জন্য পড়বেন, তখন আপনার কাছে সেই সার্টিফিকেটের কোনো প্রয়োজনই থাকবে না।
আমি সেই শ্রমিকটিকে দুটি প্রশ্ন করলাম। প্রথমটি হলো, আপনি কি মনে করেন আমি ভালো অভিনেতা? জবাবে তিনি বললেন, ‘শুধু আমি না, সবাই মনে করে আপনি ভালো অভিনেতা।’ তখন আমি তাঁকে বললাম যে আমার কাছে এমন কোনো সার্টিফিকেট নেই যেটাতে লেখা আছে যে আমি ভালো অভিনয় করি।
যে কারখানায় সেই শ্রমিক কাজ করতেন, তার মালিককে আমি চিনতাম। তিনি আমাকে বলেছিলেন যে সেই লোকটি ছিল তাঁর কারখানার সবচেয়ে ভালো কর্মী। এরপর আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম, ‘আমি শুনেছি আপনি খুব ভালো কাজ করেন। আপনার কাছে কি এমন কোনো সার্টিফিকেট আছে, যেটা বলে যে আপনি ভালো কর্মী?’ তিনি বললেন, ‘না নেই।’ আমি তাঁকে বললাম, ‘আপনি আপনার উত্তর এখানেই পেয়ে গেছেন।’
আসলে পরীক্ষার নম্বর কিংবা গ্রেডের চেয়েও শিক্ষা অনেক বড় একটা বিষয়। শিক্ষা হলো জানার বিষয়, অনুভবের বিষয়। আমি স্বপ্ন দেখি, ভারতবর্ষে আমরা শিশুদের এমন শিক্ষা দেব যাতে তারা শুধু অনেক তথ্যই জানবে না, ভালো মানুষও হবে। তারা শুধু স্বনির্ভরই হবে না, তারা সম্মানের জীবন যাপন করবে, মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলবে, চলার পথে মানুষকে সাহায্য করবে, তারা চারপাশের মানুষের কথা ভাববে। এ রকম শিক্ষাব্যবস্থাই আমাদের গড়ে তুলতে হবে।
আমি নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, শিশু যখন স্কুল থেকে বাসায় ফিরে, মা-বাবা তাকে জিজ্ঞাসা করে আজ কত নম্বর পেয়েছ? প্রথম হয়েছ কি না? যদি কেউ প্রথম না হতে পারে, তবে তাকে বকা দেওয়া হয়; আর যদি কেউ খারাপ করে ফেলে তাহলে তো কথাই নেই। এমনকি অনেক মা-বাবা চান সন্তান চামচ মুখে যে দৌড় প্রতিযোগিতা হয়, তাতেও প্রথম হোক। এতে সন্তানের মনে ধারণা জন্মায় যে প্রথম হওয়াটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই সন্তানের বয়স যখন ২১ হয়, তখন সে খুব স্বার্থপর হয়ে যায়; সে শুধু নিজেকে নিয়ে ভাবে—আর কারও প্রতি তার কোনো চিন্তা থাকে না। কিন্তু তার এই স্বার্থপরতার জন্য তো সমাজ দায়ী। আমরাই তাকে ছোটবেলা থেকে এটা শিখিয়ে এসেছি।
এখানে যত মা-বাবা আছেন, শিক্ষক আছেন ও তরুণেরা আছেন—ভবিষ্যতে যাঁরা মা-বাবা হবেন, প্রত্যেকের জন্য বলছি, আমি মন থেকে চাই, আমরা সবাই সন্তানকে কখনোই জিজ্ঞাসা করব না যে পরীক্ষায় সে কত নম্বর পেয়েছে। সন্তান যখন স্

Address

Jessore
7400

Telephone

+880 19 11 663939

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Center for Technical Education of Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Center for Technical Education of Bangladesh:

Shortcuts

Share