Jashore University of Science & Technology- JUST

Jashore University of Science & Technology- JUST

Share

JUST is the fourth public university in Khulna Division and the first public university in Jessore .

18/11/2020

যবিপ্রবির জিমনেসিয়ামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

Photos from Jashore University of Science & Technology- JUST's post 14/11/2020

শিক্ষা ব্যবস্থায় আনন্দ নিয়ে আসতে চাই: শিক্ষামন্ত্রী
*******************************
সনদ সর্বস্ব শিক্ষা থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, এমপি বলেছেন, গতানুগতিক চিন্তাধারা থেকে বেরিয়ে এসে শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে হবে। আমরা শিক্ষা ব্যবস্থায় আনন্দ নিয়ে আসতে চাই। সংখ্যায় নয়, শিক্ষায় গুণে ও মানের দিকে নজর দিতে হবে।

আজ শনিবার দুপুরে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শেখ রাসেল জিমনেসিয়ামের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. দীপু মনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি যবিপ্রবির প্রধান ফটকস্থ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন, মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডা. এম আর খান মেডিকেল সেন্টারের সামনে একটি কৃষ্ণচূড়ার বৃক্ষ রোপন এবং শেখ রাসেল জিমনেসিয়ামের উদ্বোধন করেন।

আলোচনা সভায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, আধুনিক শ্রম বাজারে ক্রমশঃ প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সে কারণে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদৃষ্টি ও সানুগ্রহ নির্দেশনায় দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছি। এ কাজগুলোর জন্য গতানুগতিক চিন্তা বা শিক্ষা ব্যবস্থায় হবে না। সব জায়গায় আমাদের একটু ‘আউট অব বক্স’ চিন্তা করতে হবে। সে জন্য আমাদের জগতে পরিবর্তন আনার জন্য শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে হবে। আমরা শুধুমাত্র পড়াশোনা করাচ্ছি, পরীক্ষা দিচ্ছি ও সনদ দিচ্ছি। এমনিতেই আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা অনেকটা পরীক্ষা নির্ভর এবং সনদ সর্বস্ব। একইসঙ্গে আনন্দহীন। সেটি প্রাক-প্রাথমিক থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত। আমরা শিক্ষা ব্যবস্থায় আনন্দ নিয়ে আসতে চাই। আনন্দ নিয়ে শিক্ষার্থীরা জ্ঞান অর্জন করবে। তারমধ্যে অনুসন্ধিৎসার জাগ্রত হবে। সে জ্ঞান অর্জনের আনন্দেই জ্ঞান অর্জন করবে, বাধ্য হয়ে নয়। শিক্ষা ব্যবস্থার ক্রুটি খুঁজে বের করারও আহ্বান জানান তিনি।

বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষায় সবচেয়ে বড় হাতিয়ার উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, বিশ্বে যোগ্যতায় টিকে থাকার একমাত্র মানদন্ড। সময়ের প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান, তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হবে। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় উচ্চ শিক্ষার উদ্দেশ্যে বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে। তিনি বলেন, প্রযুক্তি হলে উন্নয়নের বাহন। কাজেই নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের দিকে মনোযোগী হতে হবে। শুধু উদ্ভাবন করলেই হবে না, এটার যেন সঠিক প্রয়োগ হয়, সেটাও আমাদের দেখতে হবে। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে নতুন উদ্ভাবনের মাধ্যমে এবং এর সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ঘটাব, ইনশাল্লাহ।

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য আমাদের দক্ষ, সুস্থ-সবল জনশক্তি প্রয়োজন উল্লেখ করে ডা. দীপু মনি বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির পাশাপাশি ক্রীড়াক্ষেত্রে আমাদের দক্ষতা অর্জন করতে হবে। দেশপ্রেম উদ্বুদ্ধ সুস্থ ও সবল এবং কর্মে উদ্যোমী প্রজন্ম আমরা গড়ে তুলতে পারি। এ লক্ষ্য অর্জনে আমাদের প্রয়াস অব্যাহত থাকবে। তিনি যবিপ্রবির গবেষণা, উন্নয়ন কর্মকা- ও ক্রীড়াক্ষেত্রে নৈপূণ্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একইসঙ্গে যবিপ্রবির উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় পাশে থাকবে বলে আশ্বাস দেন।

যশোরের উন্নয়নে শেখ হাসিনার অবদানের কথা স্মরণ যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ বলেন, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় চ্যাম্পস-২০১৯ এ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। এ জিমনেসিয়ামটি ঢাকার ইনডোর স্টেডিয়ামের সমকক্ষ। সরকারের কাছ থেকে যে সুবিধা পাচ্ছি তা সত্যিকারভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একার পক্ষে সেটা সম্ভব নয়। প্রয়োজন সরকারের সার্বিক সহযোগিতা। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, যে আগ্রযাত্রা আজ শুরু হয়েছে, আরও সহযোগিতা পেলে আমরা অতি দ্রুত তার পূর্ণতা দিতে পারব। এ সময় তিনি যবিপ্রবির সম্প্রাসারণের জন্য ভূমি অধিগ্রহণসহ উন্নয়ন ও অগ্রযাযবিপ্রবির ডিনস কমিটির আহ্বায়ক ড. মোঃ নাসিম রেজার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ আব্দুল মজিদ, রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মোঃ আহসান হাবীব, পরিচালক (শরীর চর্চা শিক্ষা দপ্তর) ড. মোহাম্মদ তোফায়েল আহম্মেদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে যশোরের জেলা প্রশাসক মো. তমিজুল ইসলাম খান, পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, যশোর শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোল্লা আমীর হোসেনসহ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে যবিপ্রবি ছাত্রলীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বিকেলে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির যবিপ্রবির বিভিন্ন গবেষণাগার, ভবন ও নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন। প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই জিমনেসিয়াম নির্মাণ করা হয়।ত্রায় শিক্ষামন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

Photos from Jashore University of Science & Technology- JUST's post 17/03/2020

বর্ণাঢ্য আয়োজনে যবিপ্রবিতে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন, দুর্নীতি করব না, সহ্য করব না: যবিপ্রবি উপাচার্য
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে আমাদের একটাই শপথ নিতে হবে- আমরা কেউ দুর্নীতি করব না। দুর্নীতিকে সহ্য করব না, প্রশ্রয় দেব না। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামীনার মধ্যে দুর্নীতি হতে দেব না। যবিপ্রবি সম্পূর্ণ দুর্নীতি মুক্ত। জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এই একটা কাজ করতে পারলেই আমাদের অনেক কিছু করা হয়ে যাবে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে যবিপ্রবির কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া-মোনাজাত পূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন এসব কথা বলেন। মরণঘাতি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে জন্মশতবার্ষিকীর সকল কর্মসূচিই অত্যন্ত সীমিত পরিসরে পালন করা হয়।

অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার সময়ে শিক্ষক থেকে শুরু করে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর পর্যন্ত সবাই নিজের যোগ্যতায় চাকরি পেয়েছেন। লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষায় সর্বোচ্চ অবস্থানে থাকার কারণে তাদের চাকরি হয়েছে। অর্থাৎ গুণ, মেধা ও যোগ্যতায় তাদের চাকরি হয়েছে, টাকা দিয়ে নয়। কেউ সংক্ষুব্ধ হলে এ বিষয়ে চ্যালেঞ্জ করতে পারেন। এ সংক্রান্ত নথি প্রশাসনের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে।

অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন তাঁর বক্তৃতায় জাতির পিতার দুর্নীতির বিরুদ্ধে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সকাল ধরে যবিপ্রবিতে আমরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি। এগুলো জাতির পিতার কাছে পৌঁছাবে না। বরং বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া আদর্শ অনুসরণ করে তাঁর রেখে যাওয়া বাঙালির জন্য কাজ করলেই তাঁর আত্মা শান্তি পাবে।

জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীর কর্মসূচি শুরু হয় সকাল সাড়ে ৬টায় জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে। সকাল ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ তাদের নেতা-কর্মীদের নিয়ে জাতির পিতার ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপরে যবিপ্রবি শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা সমিতি, কর্মচারী সমিতি, শহীদ মসিয়ূর রহমান হল, শেখ হাসিনা ছাত্রী হলসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, দপ্তর, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহ জাতির পিতার ম্যুরালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপিত ক্ষণগণনার ঘড়ির সামনে জন্মদিনের গানের চিরায়ত সুরে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে শত পাউন্ডের কেক কাটা হয়। কেকটি জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাহারি নকশায় বিশেষভাবে তৈরি করা হয়। সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি কৃষ্ণচূড়া গাছ লাগানোর মাধ্যমে শত বৃক্ষ রোপণ উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন। বাকি বৃক্ষগুলো যবিপ্রবি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন আমবটতলা-সাজিয়ালি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে যবিপ্রবি ছাত্রলীগের তত্ত্বাবধানে বিতরণ করা হয়। বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসিজদে জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারের নিহত সদস্যদের রূহের মাগফিরাত কামনায় দীর্ঘ দোয়া-মোনাজাত করা হয়। দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মো. আকরামুল ইসলাম।

জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে যবিপ্রবির শহীদ মসিয়ূর রহমান হল ও শেখ হাসিনা ছাত্রী হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। এ ছাড়া দুই হলের উদ্যোগে যবিপ্রবি ছাত্রলীগের তত্ত্বাবধানে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন একটি ইয়াতিম খানা ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদেরও উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করা হয়। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সাথে সমন্বয় করে রাত ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে ১০০টি আতশবাজি প্রদর্শনের আয়োজন করা হয়।

Photos from Jashore University of Science & Technology- JUST's post 17/03/2020

করোনা সতর্কতায় ১৮-৩১ মার্চ পর্যন্ত যবিপ্রবি বন্ধ ঘোষণা
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
করোনা ভাইরাস নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে আগামী ১৮ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) সকল একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে ১৮ মার্চ দুপুর ১২টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল ত্যাগেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গতকাল সোমবার প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে করোনা ভাইরাস নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনা শেষে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতাবলে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধের এ ঘোষণা দেন।

অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, সারা বিশ্বে করোনা ভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করেছে। মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত সভায়ও দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকেও বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সুতরাং করোনা ভাইরাস থেকে সতকর্তার অংশ হিসেবে আগামী ১৮ মার্চ থেকে ৩১ মার্চ ২০২০ খ্রি. তারিখ পর্যন্ত যবিপ্রবির সকল একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। শিক্ষার্থীদের আগামী ১৮ মার্চ দুপুর ১২টার মধ্যে আবাসিক হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসসমূহ সীমিত আকারে খোলা থাকবে। বন্ধের সময় প্রশাসনিক জরুরি কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য সীমিত সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে অফিস পরিচালনার জন্য দপ্তর প্রধানদের নির্দেশ দেন তিনি। একইসঙ্গে করোনা ভাইরাস বিষয়ে সতকর্তার অংশ হিসেবে বন্ধের সময় যবিপ্রবির শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় চলাফেরার অনুরোধ করেন তিনি।

জরুরি সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আব্দুল মজিদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, কর্মচারী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, শিক্ষার্থী প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

Photos from Jashore University of Science & Technology- JUST's post 16/03/2020

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে যবিপ্রবিতে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। জাতির পিতার আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে জরুরি রোগীদের চিকিৎসার প্রয়োজনে মানবতার ডাকে সাড়ে দিয়ে যবিপ্রবির শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা এই স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচিতে অংশ নেন।

গত রোববার সকালে যবিপ্রবির মাইকেল মধুসূদন দত্ত গ্রন্থাগার কাম একাডেমিক ভবনের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের এআইএস ক্লাব এই স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করে। রক্তদান কর্মসূচি উদ্বোধন করেন যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও শাহাদত বার্ষিকী যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় একটু ভিন্নভাবে পালন করে থাকে। জাতির পিতার শাহাদত বার্ষিকীতে আমরা তাঁর রেখে যাওয়া বাঙালিকে সাহায্য-সহযোগিতার জন্য ফ্রি মেডিকেল হেল্থ ক্যাম্প করি। কারণ জাতির পিতার বাঙালির সহায্য-সহযোগিতা অনেক বেশি প্রয়োজন। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এই স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি তাঁর বাঙালিকেই উৎসর্গ করা হয়েছে।

অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, মুজিবকে ভালোবাসতে হলে মুজিবের বাঙালিকে ভালোবাসতে হবে। মুজিবের বাঙালিকে ভালোবাসতে পারলেই এ দেশের দুর্নীতি থাকবে না। কেউ না খেয়ে থাকবে না। শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার সুযোগ পাবে। মানুষ স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ পাবে। তিনি বলেন, ১৭ কোটি বাঙালিকে সাহায্য করার জন্য আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকল সদস্য নিবেদিত প্রাণ। সেই নিবেদিত প্রাণ থেকেই মুজিবের বাংলাকে, সোনার বাংলা পরিণত করার জন্য আমরা সেইভাবে কাজ করি এবং বিশ্বাস করি।

অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, মুজিবকে ভালোবাসার অংশ হিসেবেই তাঁর জন্মশতবার্ষিকীকে রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। মুজিবকে ভালোবাসার জন্য আরও অনেক কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে, যেন মুজিবের বাঙালি উপকৃত হয়। তিনি বলেন, ‘শহীদেরা রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। মুজিব রক্ত দিয়ে বাংলাদেশ দিয়ে গেছেন, বাঙালিকে দিয়ে গেছেন। তাঁর রেখে যাওয়া বাঙালিকে আমাদের রক্ত দিয়ে লালন করব। আমি বিশ্বাস করি, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সকল সদস্য সেই মন্ত্রে বলিয়ান হবেন। শুধু মন্ত্রেই বলিয়ান হবেন না, শপথ করতে হবে মুজিবের বাঙালিকে আমরা ভালোবাসব।’

স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি ২০২০-এর আহ্বায়ক ও অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সভাপতি মোহাম্মদ কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে রক্তদান কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য দেন যবিপ্রবির প্রক্টর অধ্যাপক ড. শেখ মিজানুর রহমান, প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. দীপক কুমার মন্ডল প্রমুখ। উদ্বোধনী মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন মার্কেটিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোঃ মেহেদী হাসান, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আব্দুস সালাম। রক্তদান কর্মসূচিতে সহযোগিতা করে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি পরিচালিত আহাদ রেড ক্রিসেন্ট রক্ত কেন্দ্র, যশোর। রক্তদানের পূর্বে রক্তদাতাদের প্রাথমিক স্ক্রিনিং করা হয় এবং সম্মানিত রক্তদাতাকে একটি ডোনার কার্ড, টি-শার্ট এবং রক্তের রিপোর্ট ও সনদ প্রদান করা হয়।

recruitment_959_v2.pdf 15/03/2020

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি - ৯৫৯ (যোগ্যতার বিস্তারিত সংযুক্ত)

recruitment_959_v2.pdf

IMG_20200314_0004.pdf 14/03/2020

মাস্টার্স কোর্স রেজিস্ট্রেশন বিজ্ঞপ্তিঃ Pharmacy বিভাগ

IMG_20200314_0004.pdf

Photos from Jashore University of Science & Technology- JUST's post 08/03/2020

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ছিল বাঙালির মুক্তির সনদ: যবিপ্রবি উপাচার্য
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেছেন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ ছিল বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। এই ভাষণেই তিনি কৌশলে স্বাধীনতার ঘোষণাও দেন এবং কী কী করা লাগবে সেই নির্দেশনাও দিয়ে যান।

গত শনিবার যবিপ্রবির বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব একাডেমিক ভবনের গ্যালারিতে জাতির পিতার ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের উপর ‘ভাষণ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভায়’প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালিকে বাঁচাতে হবে এবং স্বাধীনতা পেতে হবে, এমন অবস্থায় দাঁড়িয়ে এ ভাষণটি দেন। এ ভাষণে তিনি বলে দিয়ে গেছেন যুদ্ধ হতে যাচ্ছে, দেশ স্বাধীন হতে যাচ্ছে। একটি নিষ্পেষিত জাতিকে একটি ভাষণের মাধ্যমে সম্মুখ সমরের জন্য জাগ্রত করেন। পরবর্তীতে বহির্বিশে^ বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বীকৃতি পেতে এ ভাষণের রাজনৈতিক দূরদর্শিতা ছিল সুদূর প্রসারী।

ঐতিহাসিক ৭ মার্চের কর্মসূচি শুরু হয় সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে যশোর শহরের বকুলতলায় অবস্থিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে। শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন জাতির পিতার ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপরে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা বঙ্গবন্ধুর ম্যুারালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। একইসঙ্গে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা সমিতি ও কর্মচারী সমিতিও জাতির পিতার ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন।

বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের উপর ভাষণ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। ভাষণ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষার্থী এইচ এম মারুফ হাসান, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী ফাহাদ ফারদীন এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ফরিদ আহমেদ। বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে বঙ্গবন্ধুর লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘কারাগারের রোজনামচা’এবং ‘আমার দেখা নয়া চীন’বই তুলে দেওয়া হয়।

Photos from Jashore University of Science & Technology- JUST's post 27/02/2020

এসপিই যবিপ্রবি স্টুডেন্ট চ্যাপ্টারের উদ্যোগে বৃত্তি প্রদান
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
মেধাবী ও দরিদ্র চার শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করেছে সোসাইটি অব পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ার্সের (এসপিই) যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) স্টুডেন্ট চ্যাপ্টার। মো. শামসুল হক ট্রাস্টের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএমই বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রতি বছর এই বৃত্তি প্রদান করা হবে।

গত রোববার সকালে যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন তাঁর কার্যালয়ে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির চেক তুলে দেন। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বৃত্তি পেলে পড়াশোনা ভালো করার দায়িত্ব আরও বেড়ে যায়। ভবিষ্যতের জন্য নিজেকে যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। যে নিজেকে সাহায্য করতে পারে না, সে অন্যকেও সাহায্য করতে পারে না।

আয়োজকদের সূত্রে জানা গেছে, উন্মুক্ত দরখাস্ত আহ্বান করে ‘বেস্ট ওয়ান নিড’ভিত্তিতে মো. শামসুল হক ট্রাস্টের পক্ষ থেকে সোসাইটি অব পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ার্সের (এসপিই) যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) স্টুডেন্ট চ্যাপ্টার প্রাথমিকভাবে চার জনকে বৃত্তি প্রদান করেন। ভবিষ্যতে বৃত্তির সংখ্যা ও পরিসর বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে সংগঠনটির।

বৃত্তি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবির পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং (পিইমই) বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তোফায়েল আহমেদ ও প্রভাষক মো. মেহেদী হাসান, এসপিই যবিপ্রবি স্টুডেন্ট চ্যাপ্টারের সাধারণ সম্পাদক তানজিলা হাসান মৌরি, কোষাধ্যক্ষ মো. মাহফুজ হোসেন প্রমুখ।

IMG_20200222_0001.pdf 23/02/2020

২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে জিন প্রকৌশল ও জৈব প্রযুক্তি বিভাগে এমএস কোর্সে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি

IMG_20200222_0001.pdf

IMG_20200222_0005.pdf 22/02/2020

বিজ্ঞপ্তিঃ উপবৃত্তি সংক্রান্ত

IMG_20200222_0005.pdf

Want your school to be the top-listed School/college in Jessore?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Jessore University Of Science & Technology
Jessore
JESSORE-7408

Opening Hours

Monday 09:30 - 17:00
Tuesday 09:30 - 17:00
Wednesday 09:30 - 17:00
Saturday 09:30 - 17:00
Sunday 09:30 - 17:00