07/08/2021
আসসালামু আলাইকুম।।
Ummah's Outfit -এর নতুন যাত্রা উপলক্ষে আমরা 'উম্মাহ পরিবার' একটি ইসলাম বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতার সূচনা করেছি।
আপনারা যদি উপর্যুক্ত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে চান তাহলে আপনাদেরকে নিম্নে দেওয়া লিঙ্কে গিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে।
সবার জেনে রাখা উচিত যে, রেজিষ্ট্রেশন করতে কোনো ফি -এর প্রয়োজন নেই। আপনারা সম্পূর্ণ ফ্রীতে রেজিষ্ট্রেশন করতে পারেন। শুধু মাত্র আপনাদেরকে আপনাদের ফেবসবুক টাইমলাইনে উক্ত পোস্টটি শেয়ার করতে হবে এবং প্রতিযোগিতা বিষয়ক পরবর্তী আপডেটের জন্য আমাদের গ্রুপে যুক্ত থাকতে হবে।।
রেজিষ্ট্রেশন লিঙ্ক - https://forms.gle/9MSoB8RpyTbXb6mk7
পেইজ লিঙ্ক -
https://www.facebook.com/UmmahsOutfit/
গ্রুপ লিঙ্ক -
https://www.facebook.com/groups/ummahsoutfit/?ref=share
প্রশ্ন বিষয়ক ধারণা,
অধিকাংশ প্রশ্ন সহজই থাকবে তবে ইসলাম সম্পর্কে যারা মোটামুটি পড়াশোনা করে তারা সবই পারবে ইনশাআল্লাহ এবং প্রশ্নসমূহ MCQ -আকারে থাকবে তবে প্রশ্ন কতটি, কত সময় যাবত পরীক্ষা হবে এবং কবে হবে তা পরবর্তীতে গ্রুপে জানিয়ে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।
04/05/2016
পবিত্র শবে মেরাজ আজ বুধবার। কারও কারও মতে প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদের (সা.) নবুওয়াত লাভের একাদশ বর্ষের রজব মাসের ২৬ তারিখ রাতে মহান আল্লাহর বিশেষ মেহমান হিসেবে আরশে আজিমে আরোহন করেন। এ রাত অতি পবিত্র ও মহান আল্লাহর অফুরন্ত রহমত-বরকতে সমৃদ্ধ। মুসলিম জাহানের কাছে এ রাতের তাৎপর্য অপরিসীম।
02/05/2016
মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল আগামী ১১ মে প্রকাশ করা হবে।
শিক্ষাসচিব সোহরাব হোসাইন বার্তা সংস্থা ইউএনবিকে জানান, ১১ মে একযোগে সব বোর্ডের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে।
সচিব আরো জানান, বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এসএসসির ফলাফল তুলে দেবেন। পরে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী ফলাফলের বিস্তারিত তুলে ধরবেন।
এ বছর তিন হাজার ১৪৩ কেন্দ্রে মোট ১৬ লাখ ৫১ হাজার ৫২৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।
এসএসসি পরীক্ষার তত্ত্বীয় পরীক্ষা ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ৮ মোর্চ শেষ হয়। ৯ থেকে ১৪ মার্চ অনুষ্ঠিত হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা।
10/04/2016
যশোরের পথ শিশুদের নিয়ে আমাদরে কার্যক্রম শুরু হয় গেছে....
*পথ শিশু শিক্ষা কার্যক্রমঃ
আমরা আমাদের চারপাশে এমন অনেক শিশুদের দেখি যাদের ঘর-বাড়ি নাই, রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়, তাদের কোনো পড়ালেখার ব্যবস্থাও নাই এবং দেখা যায় তারা বিভিন্ন অপরাধ কর্মে লিপ্ত হয়ে যায়। আমরা সেই সব শিশুদের পড়া লেখা শিখাবো। যাতে করে তারা অপরাধ মূলক কর্ম-কান্ড থেকে বিরত থাকে। আমরা আমাদের এই কার্যক্রমে শিশুদের বই, খাতা-কলম, ব্যাগ ইত্যাদি ফ্রী তে দিব। তাদেরকে প্রতি মাসে মাসে বৃত্তি প্রদান করা হবে এবং তাদেরকে কারিগরী শিক্ষা এবং হাতের কাজ শিখানো হবে। আমরা পরবর্তিতে তাদের বাসস্থানের ব্যবস্থা করব।
*মসজিদ এবং মন্দির ভিত্তিক শিশু শিক্ষা কার্যক্রমঃ
আমরা মসজিদ এবং মন্দির ভিত্তিক শিশু শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে যুক্ত হয়ে দুঃস্থ-গরিব শিশুদের বাংলা, ইংলিশ, গণিত এবং সাধারণ জ্ঞাণ শিখাব। যাতে করে তারা নিজ ধর্ম শিক্ষা শেখার পাসা-পাশি এইসব শিখতে পারে। আমরা আমাদের এই কার্যক্রমে শিশুদের বই,খাতা-কলম, ব্যাগ ইত্যাদি ফ্রী তে দিব। তাদেরকে প্রতি মাসে মাসে বৃত্তি প্রদান করা হবে এবং তাদেরকে কারিগরী শিক্ষা এবং হাতের কাজ শিখানো হবে।
*আপনি/আপনারা হতে পারনে স্বাক্ষরের সদস্য ।
যোগাযোগ :০১৯২২৭৯৩৯৯১(মনির খান)
31/03/2016
সাবধান!!
আজ ফেইসবুকে সম্পূর্ণ অপরিচিত এক ব্যক্তি আপনাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছে। শুধু তার প্রোফাইল পিকচারটা আপনার মনে ধরলো, তাই আপনি তার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট গ্রহণ করলেন।
এক মাস পরঃ আজ আপনার ছোট্ট পরীটি প্রথম স্কুলে যাচ্ছে। স্কুলের পোশাকে মেয়েটিকে এত্ত সুন্দর লাগছে যে আপনি হাজার চেষ্টা করেও চোখ ফেরাতে পারছেন না। আনন্দের আতিশয্যে আপনি স্মার্টফোন দিয়ে চটপট কয়েকটা স্ন্যাপ নিয়ে নিলেন। এবং ফ্যামিলি ও ফ্রেন্ডদের মাঝে এই খুশী ছড়িয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে কয়েক মিনিটের ভেতর ফেইসবুকে সেই ছবিগুলো পোস্ট করলেন।
মেয়েকে স্কুলে দিয়ে একটা ছোট ভিডিও রেকর্ড করলেন স্মার্টফোনে। তারপর স্কুলের গেইট থেকেই লগইন করলেন ফেইসবুকে। ভিডিও আপলোড করে ক্যাপশন লিখলেনঃ “আই ক্যান্ট বিলিভ হাউ বিগ শী বিক্যাইম। টাইম শিওর ফ্লাইস! ওয়ান প্রাউড মম রাইট হেয়ার"
এদিকে, সেই 'রহস্যময় ব্যক্তি' যার ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট খুব দ্রুত গ্রহণ করেছিলেন কিছুদিন আগে। সে আপনার আদরের মেয়ের কিউট ছবিটি বিভিন্ন দেশের ৬০ জন পেডফাইল-এর কাছে পাঠালো এই ক্যাপশনেঃ
“ইনডিয়ান ফিমেইলঃ বয়স – ৫ বছর। বাদামী চোখ, কালো চুল। মুল্য- ৭০০০০ রূপি”
আপনি যে শুধু আপনার মেয়ের ছবি শিশু পাচারকারীর কাছে তুলে দিচ্ছেন তাই নয়। বরং, একইসাথে মেয়ের স্কুলের নাম এবং ঠিকানা না চাইতেও একেবারে হাতে তুলে দিচ্ছেন।(যখনই আপনি লগইন করেন, তক্ষণই আপনার একজ্যাক্ট লোকেশন ফেইসবুকে পোস্ট হয়, যা ট্র্যাক করা কোন ব্যপারই না)
আপনি দুপুর ৩ টায় সময় স্কুল থেকে বাচ্চাকে আনতে গেলেন। কিন্তু কোথাও তাকে খুঁজে পাচ্ছেন না।
যে ৬০ জন ব্যক্তির কাছে আপনার মেয়ের ছবি পাঠানো হয়েছিল। তাদের মধ্যে একজন (৪৩ বছরের বিকৃত রুচির পেডফাইল) ইতিমধ্যে তাকে 'পছন্দ' করে শিশু পাচারকারীর একাউনটে নির্দিষ্ট এমাউনটের টাকা পাঠিয়ে দিয়েছে। আপনি যখন তাকে স্কুল থেকে আনতে গেলেন, তার আগেই কোন এক ‘অপরিচিত ব্যক্তি’ আপনার ‘বন্ধুর’ পরিচয় দিয়ে আপনার কলিজার টুকরোকে স্কুল থেকে তুলে নিয়েছে। আপনি যখন পাগলপারা হয়ে বাচ্চাকে খুঁজছেন, ঠিক সেই সময় সে চোখ-মুখ-হাত-পা বাঁধা অবস্থায় সাউথ আফ্রিকার পথে পাচার হয়ে যাচ্ছে। ভীত, আতঙ্কিত, আপনার নিষ্পাপ মেয়েটি বুঝতেই পারলো না কোথা থেকে কি ঘটে গেল।।
** অপরিচিত ব্যক্তির ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করার আগে তার প্রোফাইল ভালোভাবে চেক করে নিন। এবং আপনার জীবনের সব ঘটনা ফেইসবুকে শেয়ার করবেন না।
** বেশী ইমারজেন্সি না হলে দয়া করে বাচ্চার ছবি ফেইসবুকে পোস্ট করবেন না। বাচ্চার প্রাইভেসীর প্রতি যত্নশীল হউন।
31/03/2016
দেশে বর্তমানে ৩ কোটি ৮৫ লাখ মানুষ দরিদ্র সীমার নিচে বাস করছে। খাদ্য অধিকার বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- দেশে বর্তমানে ৩ কোটি ৮৫ লাখ মানুষ দরিদ্র। যা জনসংখ্যার ২৪ দশমিক ৫ শতাংশ। যার মধ্যে ১ কোটি ৫৭ লাখ মানুষ অতিদরিদ্র, যা মোট জনগোষ্ঠীর ১০ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ আয়োজিত ‘খাদ্য অধিকার ও নিরাপদ খাদ্য’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় এ প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ ও ওয়েভ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মহসিন আলী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ।
মহসিন আলী বলেন, ‘দরিদ্র্যের হার কমলেও দরিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী মানুষের সংখ্যা এখনও ১৯৯০ সালের মতোই, প্রায় ৪ কোটি। এর মধ্যে অর্ধেক জনগোষ্ঠী দুই বেলা প্রয়োজনীয় খাবার পায় না। পরিসংখ্যানেই স্পষ্ট, সমগ্র জনগোষ্ঠীর এক বিশাল অংশ দরিদ্র থেকে ক্রমাগত দরিদ্রতার ঝুঁকির মধ্যে থেকে স্থায়ীভাবে নীচের ধাপে অবস্থান করছে।’
পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশননের চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জামান আহমদের বলেন, ‘আমাদের পুষ্টি দেয় এমন নিরাপদ খাদ্য খাওয়া উচিত। বিশেষ করে দেশের উন্নতির জন্য মানুষের এসব নিরাপদ খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে হবে। মানুষ ছাড়া উন্নতি করা যায় না। সেই জন্য তার ন্যায্য অধিকার দিতে হবে। তাকে সমাজের সকল রকম সুবিধা দিতে হবে। সকলকে টেকশই উন্নয়নের জন্য এগিয়ে নিতে সবাইকে উৎসাহিত করতে হলে সবাইকে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে।’
নিরাপদ খাদ্য ও সকলের খাদ্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় নাগরিক সমাজের সুপারিশমালাগুলো হলো- নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যতদ্রুত সম্ভব দেশব্যাপী ‘নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ’র জনবহুলসহ সকল কার্যক্রম বিস্তৃত করা।
‘নিরাপদ খাদ্য আইন‘ ও জনগণের কিরণীয় সম্পর্কে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে অবিলম্বে সরকারি, বেসরকারি ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর উদ্যোগ গ্রহণ করা।
নিরাপদ খাদ্য আইনের বিধান অনুযায়ী কেন্দ্রীয় খাদ্য ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটি এবং জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা সমন্বয় কমিটি গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করা।
নিরাপদ খাদ্যের ক্ষেত্রে অপরাধীদের বিচারের জন্য দ্রুত সম্ভব বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত কার্যকর করার মাধ্যমেও শাস্তি প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা।
খাদ্য অধিকার বাস্তবায়নে সরকার কর্তৃক অবিলম্বে আইনী কাঠামো প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ‘৮ বছর আগে আমরা খাদ্য ঘাটটিতে ছিলাম। সরকারের সুনির্দিষ্ট নীতিমালার কারণে আমরা এগিয়ে গেছি। বিপুল খাদ্য উৎপাদন করতে পেরেছি।’
ড. জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘আইনের প্রয়োগ জোরদার করার জন্য দাবি জানাচ্ছি। আসলে আমরা শুধু দেশটাকে আইন দিয়ে পুলিশি রাষ্ট্র করতে চাই না। পুলিশ তো আমার ঘরে, কারখানায় ঢুকতে পারবে না। আমরা সবাই যদি অনৈতিকতায় ভোগী তাহলে রাষ্ট্র চলবে না। রাষ্ট্রের মন্ত্রণালয়গুলোতে অনেক আইন আছে। রাষ্ট্রের আমি এবং আপনি ঠিক না হলে সচেতনতা বাড়বে না। পরিবর্তন হবে না।’
তিনি বলেন, ‘কোকাকোলার মতো কেমিক্যালও অনুমোদন দিচ্ছে বিএসটিআই। আমাদের চরিত্রে পরিবর্তন আসা দরকার। কিটনাশক বা কেমিক্যালের ট্যাক্স বৃদ্ধি করা দরকার। তাহলে কৃষক সবজিতে অতিরিক্ত কেমিক্যাল ব্যবহার করতে পারবে না।’
মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. আ ব ম ফারুক, ব্রিটিশ কাউন্সিলের টিম লিডার ক্যাথরিন সিসিল, উইন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ম্যানেজার নুরুল আমিন প্রমুখ।