31/07/2026
I want to take my students to this destination. This is my mission.
studyabroad
Click on the link below
https://www.facebook.com/permalink.php?story_fbid=pfbid02m2hsoPXntiaNqrb1PWYgSdXvtfH9PH792QDoM74v1CDySGU51aLkgfxutKEDxRPKl&id=61551846028301 #
চট্টগ্রাম রাঙ্গুনিয়ার মেয়ে মুমতাহিনা করিম মীম৷ তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ৩৬ কোটি টাকার সমপরিমাণ স্কলারশিপ পেয়েছেন।
একসময় অনেকেই তাকে বলেছিল,
"মেয়ে মানুষ, এত স্বপ্ন দেখে কী হবে?"
আজ সেই মেয়েই পুরো সমাজকে দেখিয়ে দিলেন স্বপ্ন দেখতে কোনো অনুমতি লাগে না; লাগে শুধু সাহস, পরিশ্রম আর নিজের ওপর অটুট বিশ্বাস।
যে বয়সে অনেকেই গেম আর সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় কাটায়, সেই বয়সেই মীম সপ্তম শ্রেণিতে পড়ার সময় নিজের স্কুলের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট তৈরি করেছিলেন।
নবম শ্রেণিতে উঠে প্রতিষ্ঠা করেন একটি প্রোগ্রামিং ক্লাব। নিজের হাতে ৬৫ জন শিক্ষার্থীকে কোডিং শেখান, আর তার নেতৃত্বেই দল অর্জন করে জাতীয় চ্যাম্পিয়নের গৌরব।
ইউটিউব দেখে রোবোটিক্স শেখা, নিজের জমানো টাকায় Arduino ও বিভিন্ন সেন্সর কিনে ঘরের এক কোণে ছোট্ট একটি ল্যাব গড়ে তোলা, তারপর তৈরি করা ফুড-সার্ভিং রোবট "কিবো" মীমের এই যাত্রা কোনো রূপকথা নয়, এটি সংগ্রাম, অধ্যবসায় আর আত্মবিশ্বাসের এক অনন্য গল্প।
অনেকে বলেছিল,
"পড়াশোনা নষ্ট হচ্ছে।"
কেউ বলেছিল,
"মেয়েদের এত দূর উড়ার দরকার নেই।"
কিন্তু মীম থেমে যাননি।
দিন-রাত পরিশ্রম করে SAT-এর প্রস্তুতি নিয়েছেন, একের পর এক বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করেছেন। আর আজ তার হাতে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার। এর মধ্যে রয়েছে পেন স্টেট, কলোরাডো বোল্ডার, ফ্র্যাঙ্কলিন অ্যান্ড মার্শালের মতো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান।
সব মিলিয়ে প্রায় ৩৬ কোটি টাকার স্কলারশিপ।
একটি প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে এসে বিশ্বের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্বীকৃতি অর্জন এটি শুধু মীমের ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, এটি বাংলাদেশের প্রতিটি স্বপ্নবাজ মেয়ের জন্য অনুপ্রেরণা।
মীম প্রমাণ করে দিয়েছেন, বাধা যতই আসুক, ইচ্ছাশক্তি, পরিশ্রম আর আত্মবিশ্বাস থাকলে নিজের ঘরের ছোট্ট একটি কক্ষ থেকেই বিশ্বজয়ের স্বপ্ন বাস্তব করা সম্ভব৷ ❤️
#কালেক্টেড