Speak English with Tawhid

Speak English with Tawhid

Share

English for all beginners

09/08/2025

২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ১০ টি পিটিআইতে pre service teacher training/education program শুরু হতে যাচ্ছে। যারা এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবে তাদেরকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পেতে অগ্রাধিকার দিবে। অর্থাৎ যারা শিক্ষকতা পেশায় আসতে আগ্রহী তারাই এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করবে । নির্ধারিত বেতন প্রদান করে এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে । প্রশিক্ষণ গ্রহণকারীরা পিটিআইয়ের হোস্টেলে অবস্থান করতে পারবে না।
পি টি আই এর হোস্টেলে অবস্থান করবে ইন সার্ভিস প্রশিক্ষণের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর শিক্ষকগণ।

এটি সফল হলে পরবর্তীতে ৬৭ টি পিটিআই যে চালু হবে। পর্যাপ্ত সংখ্যক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রার্থী পাওয়ার পর এই প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হবে আবেদনকারীদের জন্য। এ রকমই ভাবনা
কর্তৃপক্ষের।

বিস্তারিত তথ্য ও ভর্তি বিজ্ঞাপন সবকিছু ঠিক থাকলে কয়েক মাসের মধ্যেই প্রকাশিত হবে।
সংগৃহীত

07/08/2025

মাগুরা সদর উপজেলা পরিষদের একমাত্র ঝর্ণা।

03/08/2025

ঘুমের ঘোরে বিছানায় প্রস্রাব করে ফেলেছিলেন ৮৫ বছরের মনোহরজি। ভোরবেলায় সেই ভিজে চাদর ধুতে ব্যস্ত ছিলেন তিনি, যেন বউমা বা ছেলে কিছু টের না পায়। কারণ, সবে তো গতকাল বউমা কাজল নতুন চাদর বিছিয়েছিলেন, আর তখনই স্বামী রবি—মানে মনোহরজির ছেলে—কে ধমক দিয়ে বলেছিলেন,
"আর যদি একবারও পাপা বিছানায় প্রস্রাব করে দেন, আমি পরিষ্কার করব না... দরকার হলে এই বাড়ি ছেড়ে চলে যাব!"

এই জন্যই তো গতকাল বিকেল থেকে বউমা-ছেলে দুজনে মনোহরজিকে জল পর্যন্ত ঠিকমতো খেতে দেননি—যেন আবার কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে।

মনোহরজি কিডনির অসুখে ভুগছেন—কখনো কখনো এমন হয়ে যায়। নিজেকে খুব ছোট মনে হয় তাঁর। কিন্তু আজ তো সুযোগও ছিল—বউমা গেছেন তাঁর ভাইয়ের বিয়ের বাজারে, ফিরতে দেরি হবে। ভাবলেন, ততক্ষণে সব গুছিয়ে ফেলবেন।

চাদর বাথরুমে নিয়ে গিয়ে ধুতে শুরু করলেন। গা হাত পা কাঁপছিল, নিঃশ্বাস ভারী হয়ে উঠছিল। হঠাৎ চোখ তুলে দেখেন—ছেলে রবি আর বউমা দরজার কাছে দাঁড়িয়ে। কাঁপা গলায় বললেন,
"বউমা... আর হবে না... ধুয়ে ফেলেছি আমি..."

রবি এগিয়ে এসে বাবাকে চেয়ারে বসিয়ে দিলেন।

বউমা ক্ষুব্ধ হয়ে বললেন,
"দেখো, আবার তোমার বাবা বিছানায় প্রস্রাব করলেন... কী বিশ্রী গন্ধ! হাসপাতালে ভর্তি করাও এঁকে!"

কিন্তু তার আগেই রবি বলে উঠল—
"তুমি চাইলে তোমার বাপের বাড়ি চলে যেতে পারো।
কিন্তু আমি কীভাবে তাঁকে ফেলে দিই—যিনি আমার গায়ে পটি হয়ে গেলে কচু থেকে আমার প্যান্ট পরিষ্কার করতেন?
তোমার জানা আছে? যেদিন বাবা তাঁর সম্মাননা অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন, আমি তাঁর ইউনিফর্মেই টয়লেট করে দিয়েছিলাম।
একটাও শব্দ না করে, হাসিমুখে সেটা ধুয়ে পরে আবার চলেও গিয়েছিলেন।"

"চলো পাপা... একদম ভিজে গেছেন আপনি... ঠান্ডা লেগে যাবে। আমি চা বানাচ্ছি আপনার জন্য।"

রবি নতুন চাদর এনে বিছানায় বিছিয়ে দিলেন, বাবাকে বসালেন, কাপড় বদলে দিলেন, নিজে হাতে চা বানিয়ে খাওয়ালেন।

মনোহরজির কাঁপা হাত সন্তানের মাথায় আশীর্বাদ দিতে উঠল। চোখে জল—যেটা তিনি নিজের ধুতি দিয়ে বারবার মুছছিলেন। সামনের দেওয়ালে ঝোলানো মৃতা স্ত্রীর ছবি দেখে মনে মনে বললেন—
"দেখলে বিমলা, তুমি বলতেছিলে আমি চলে গেলে কে দেখবে তোমার বুড়োকে?
দেখো, আমাদের রবি কেমন করে খেয়াল রাখছে তার বাবার...।"

আর দরজার পাশে দাঁড়িয়ে, বউমা চোখের জল ফেলছিলেন... অনুতাপে, নিঃশব্দে।

---

এই গল্পটি শেয়ার করুন। হয়তো আমাদের ছোট্ট একটি প্রয়াস কোনো সন্তানের হৃদয়ে তার বাবা-মায়ের প্রতি ভালোবাসা জাগিয়ে তুলতে পারে।

সংগৃহীত

30/07/2025

সিঙ্গাপুরে একটি স্কুলের প্রিন্সিপাল পরীক্ষার আগে অভিভাবকদের কাছে একটি চিঠি লিখেছেন, চিঠিটির বাংলায় অনুবাদ :

প্রিয় অভিভাবক,
কয়েক দিনের মধ্যেই আপনার সন্তানের পরীক্ষা শুরু হবে। আমি জানি, আপনারা খুব আশা করছেন যে, আপনাদের ছেলে-মেয়েরা পরীক্ষায় খুব ভালো রেজাল্ট করবে।

👉একটা বিষয় মনে রাখবেন যে, যারা পরীক্ষা দিতে বসবে, তাদের মধ্যে একজন নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে শিল্পী হবে, যার গণিত শেখার কোনো দরকার নেই।

👉একজন নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে উদ্যোক্তা হবে, যার ইতিহাস কিংবা ইংরেজি সাহিত্যে পাণ্ডিত্যের প্রয়োজন নেই।

👉একজন সংগীতশিল্পী হবে, যে রসায়নে কত নম্বর পেয়েছে তাতে তাঁর ভবিষ্যতে কিছু আসে-যায় না ৷

👉একজন খেলোয়াড় হবে, তাঁর শারীরিক দক্ষতা পদার্থবিজ্ঞান থেকে বেশি জরুরি।

👉যদি আপনার ছেলে বা মেয়ে পরীক্ষায় খুব ভালো নম্বর পায়, সেটা হবে খুবই চমৎকার। কিন্তু যদি না পায়, তাহলে প্লিজ, তাদের নিজেদের ওপর বিশ্বাস কিংবা সম্মানটুকু কেড়ে নেবেন না।

👉তাদেরকে বুঝিয়ে বলবেন যে, পরীক্ষার নম্বর নিয়ে যেন তারা মাথা না ঘামায়, এটা তো একটা পরীক্ষা ছাড়া আর কিছুই নয়। তাদেরকে জীবনে আরো অনেক বড় কিছু করার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।

👉আপনি আপনার সন্তানকে আজই বলুন যে, সে পরীক্ষায় যত নম্বরই পাক, আপনি সব সময় তাকে ভালোবাসেন এবং কখনোই পরীক্ষার নম্বর দিয়ে তার বিচার করবেন না!

👉প্লিজ, এই কাজটি করুন, যখন এটা করবেন দেখবেন যে, আপনার সন্তান একদিন পৃথিবীটাকে জয় করবে!

👉একটি পরীক্ষা কিংবা একটি পরীক্ষায় কম নম্বর কখনোই তাদের স্বপ্ন কিংবা মেধা কেড়ে নিতে পারবে না ৷

👉প্লিজ, আরেকটা কথা মনে রাখবেন যে, এই পৃথিবীতে কেবল ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, অফিসার, প্রফেসর বা আইনজীবীরাই একমাত্ৰ সুখী মানুষ নন!

18/07/2025

সময়োপযোগী ও জনপ্রিয় শিক্ষক হতে হলে শুধু ভালো পড়ানোই যথেষ্ট নয়, বরং কিছু মানবিক, পেশাদার এবং শিক্ষনীয় গুণাবলি প্রয়োগ করাও জরুরি।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হলো।

১. প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে আলাদাভাবে চেনার চেষ্টা করুন৷ নাম ধরে ডাকুন। এতে আন্তরিকতা বাড়ে। তবে বিকৃত নামে ডাকবেন না, বা বুলিং করবেন না।
'এই কাইল্যা, এদিকে আয়', এরকম বলা যাবে না৷

২. পাঠ্য বিষয়ের স্পষ্ট ও বোধগম্য ব্যাখ্যা দিন৷ কঠিন বিষয়গুলো সহজ উদাহরণ ও গল্প দিয়ে বোঝান। চার্ট, চিত্র, অ্যানিমেশন, বাস্তব জিনিস ব্যবহার করুন।

৩. প্রশ্নোত্তরের পরিবেশ তৈরি করুন৷ শিক্ষার্থী প্রশ্ন করলে রাগ করবেন না, বা ধমক দিয়ে বসিয়ে দেবেন না৷ প্রশ্ন করার সুযোগ দিতে হবে৷ শিক্ষার্থী যদি কোনো প্রশ্নের ভুল উত্তর দেয়, তবে তাকে অপমান করবেন না। সংশোধনের মাধ্যমে উৎসাহ দিন।
“ভুল করা শেখার অংশ” এই মনোভাব ছড়িয়ে দিন।

৪. ইতিবাচক ও হাসিখুশি পরিবেশ বজায় রাখুন৷ হালকা রসিকতা ও হাস্যরস থাকলে ক্লাস প্রাণবন্ত হয়।
চাপমুক্ত ও বন্ধুসুলভ পরিবেশ শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করে।

৫. প্রযুক্তির সৃজনশীল ব্যবহার করুন৷
প্রেজেন্টেশন, ভিডিও, কুইজের মাধ্যমে শেখান। অনলাইন রিসোর্স শেয়ার করুন যেন শিক্ষার্থীরা অতিরিক্ত পড়তে পারে।

৬. মূল্যায়ন ও ফিডব্যাকের গুরুত্ব দিন৷
ছোট ছোট অ্যাসাইনমেন্ট বা কুইজের মাধ্যমে নিয়মিত মূল্যায়ন করুন।
শিক্ষার্থীদের কাজের উপর গঠনমূলক ফিডব্যাক দিন।

৭. নৈতিকতা ও আদর্শের প্রতিফলন ঘটান৷
সময়ানুবর্তিতা, সততা, সহনশীলতা নিজে পালন করুন এবং শিক্ষার্থীদের শেখান।
শ্রদ্ধাশীল আচরণ করুন যাতে শিক্ষার্থীরাও তা শিখে।

৮. বিষয়বস্তুর সাথে বাস্তব জীবনের মিল দেখান। "এই জিনিসটা জীবনে কোথায় কাজে লাগবে?" এই প্রশ্নের উত্তর দিন।

৯. নিয়মিত উপদেশ ও মোটিভেশন দিন৷
শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা দিন, আত্মবিশ্বাস তৈরি করুন। ব্যর্থতা থেকে শেখার উপদেশ দিন।

১০. নতুন নতুন টিচিং মেথড শিখুন। শিক্ষার্থীদের ফিডব্যাক থেকে নিজেকে উন্নত করুন।

১১. শিক্ষার্থীকে কখনো বলবেন না- চা নিয়ে আয়, বা মার্কার-ডাস্টার নিয়ে আয়৷ নিজের প্রয়োজনীয় উপকরণ নিজে বহন করুন।

১২. কন্ঠস্বর এক্সপ্রেশন অনুযায়ী ওঠানামা করুন। একই স্কেলে কথা বলবেন না৷ বাক্যের ধরণ অনুযায়ী স্বর বাড়াতে কমাতে হবে৷

১৩. আই কন্টাক্ট করুন৷ অর্থাৎ শিক্ষার্থীর চোখে চোখ রেখে কথা বলুন৷ ক্লাসে মোটামুটি সবার সাথে আই কন্টাক্ট করা জরুরি।

১৪. পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীর খোঁজ খবর নিন৷ তার সমস্যার বিষয়ে জেনে নিজে উদ্যোগী হয়ে সমাধানের চেষ্টা করুন৷
এই বিষয়গুলো প্রয়োগ করতে পারলে শিক্ষক শুধু জনপ্রিয় হবেন না, বরং শিক্ষার্থীদের জীবনে একজন গাইড বা রোল মডেল হয়ে উঠবেন।

18/07/2025

এক জিবি ইন্টারনেট সরকার ফ্রি দিচ্ছে আজ।।
কোড গুলো প্রথম কমেন্টে
Share for your nearest one.

16/07/2025

পরবর্তীতে খুঁজে পাওয়ার জন্য শেয়ার করে রাখা যেতে পারে।

13/07/2025

How many skills a language have?

11/07/2025
06/07/2025

English এ বোবা!
মো: তৌহিদুর রহমান।
ATEO, মাগুরা সদর।
ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
প্রকাশিত: ২১:৪৪ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ আপডেট: ২১:৪৯ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২


পৃথিবী এখন গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত হয়েছে। আধুনিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে সারাবিশ্বের সাথে যোগাযোগ এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তথাপি আন্তর্জাতিক ভাষার গুরুত্ব বেড়েই চলেছে। এতে প্রতীয়মান হয়, আন্তর্জাতিক ভাষা হিসেবে ইংরেজি শেখার গুরুত্ব আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আমাদের দেশেও ইংরেজিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রথম শ্রেণি হতে সম্মান পর্যন্ত ১৬ বৎসর বাধ্যতামূলকভাবে ইংরেজি পড়তে হয়। এজন্যই শিক্ষার্থীরা শুধুমাত্র পরীক্ষায় পাশের জন্য সর্বোচ্চ শ্রম দিয়ে ইংরেজি পড়ে যায়। কিন্তু এই ১৬ বৎসরে ৯৫ শতাংশ শিক্ষার্থী ১৬ দিনও ইংরেজিতে কথা বলার সুযোগ পায়নি, এমনকি নিজেরাও চেষ্টা করেনি।

আশ্চর্যজনক তথ্য হলো, ঐ ৯৫ শতাংশ গ্রাজুয়েট শিক্ষার্থীকে যদি ১৬ লাইন ইংরেজিতে কথা বলতে বলা হয় তারা সেটা পারে না। প্রথমে শুরু করলেও কিছু সময় পরই বোবা মানুষের মতো কিছু ভাঙ্গাচোড়া শব্দ উচ্চারণ করতে থাকে, যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কারো বোধগম্য হয় না।

আমরা জানি- ভাষার ৪টি দক্ষতা হলো শোনা, বলা, পড়া ও লেখা। অর্থাৎ প্রথম ২টি দক্ষতাই হলো শোনা ও বলা অথচ ইংরেজি ভাষা শেখার ক্ষেত্রে আমরা প্রথমেই পড়া ও লেখা দিয়ে শুরু করি। আর এ জন্যই ১৬ বৎসর এতো শ্রম দিয়েও আমরা ইংরেজি বলতে ব্যর্থ হচ্ছি।

প্রমাণস্বরুপ, বাংলা ভাষা বলার জন্য আমাদের কোনো শিশুকেই কিন্তু বিদ্যালয়ে গিয়ে বাংলা বই পড়তে হয় না। কারণ একটাই, শিশু জন্মের পর থেকে বাংলা ভাষা শুনছে এবং সে অনুযায়ী ৩ বছর বয়স থেকেই বাংলা ভালোভাবে বলতে পারছে। তাহলে দেখা যায়, যেখানে শুধুমাত্র ৩ বৎসর শোনার কারণে এবং বলার জন্য চেষ্টা করার কারণে একজন শিশু ভালোভাবে বাংলা বুঝতে ও বলতে শিখে যায় সেখানে শুধুমাত্র না শুনতে পারার কারণে ১৬ বৎসরের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা লাভের পরও একজন গ্রাজুয়েট ইংরেজি ভালোভাবে বুঝতে পারছে না, আর বলা তো তার জন্য হিমালয়ে আরোহণের চেয়েও কঠিন।

চিকিৎসা বিষয়ক গবেষণায় বলা হয়, একজন মানুষ বোবা হওয়ার মূল কারণ হলো কানে না শুনতে পাওয়া, কানে পুরোপুরি না শোনার কারণে মানুষ যখন কোনো ভাষা ভালোভাবে শুনতে পায় না তখন সে শব্দ গঠন করতেও শেখে না এবং ভাষা বলতেও পারে না। সে শুধু দৈহিক ভাষা ব্যবহারে অভ্যস্ত হয়ে ওঠে আর মুখ দিয়ে কিছু এলোমেলো ধ্বনি উচ্চারণ করে কোনোকিছু বোঝানোর চেষ্টে করে, যা সকল মানুষ বুঝতে সক্ষম হয় না।

একইভাবে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় খুব কম সময়ই ইংরেজি বলার সুযোগ দেওয়া হয় কিংবা শিক্ষার্থীকে বলানোর চেষ্টা করা হয়। এভাবেই আমাদের শিক্ষার্থীদেরকে ইংরেজি ভাষা শেখার ক্ষেত্রে করে রাখা হয়েছে বধির, ফলস্বরূপ তারা হয়েছে বোবা। তাদের সাথে ইংরেজিতে কথা বললে বোঝেনা, আর যারা সামান্য বোঝে তারা কথা বলতে গেলে ঠিক বোবার মতোই কিছু আবোল তাবোল ধ্বনি উচ্চারণ করে। আর তাদের মলিন বদনখানি ঘর্মাক্ত হয়ে চকচক করতে থাকে।

এ অবস্থা হতে পরিত্রাণ পেতে ইংরেজি শেখানোর জন্য শোনা ও বলা দিয়ে শুরু করতে হবে, যেখানে প্রাথমিক স্তরে শিক্ষক ইংরেজি ভাষা শেখানো শুরুই করেন A, B, C, D পড়ানো ও লেখানো দিয়ে। এভাবে আমরা কখনোই ভাষা শিক্ষার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো না। তাই প্রাথমিক স্তরেই ইংরেজি শেখানো শুরু করতে হবে নিজে বলে এবং শিক্ষার্থীদেরকে ছোট ছোট শব্দ বলায় সহযোগিতা করার মাধ্যমে। তবে একেবারেই যদি কোন শব্দ, উপকরণ বা শিক্ষকের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে বোঝানো না যায় তখন বাংলায় বলা যেতে পারে। আর ইংরেজি পরীক্ষা নেয়ার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র লেখার পরীক্ষা না নিয়ে ৫০% নম্বরের বলার দক্ষতার পরীক্ষাও নিতে হবে। আর তখনই শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর পরিশ্রম সার্থক হবে। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমাদের রফতানিকৃত শ্রমিকেরা শুধু ইংরেজি জানার কারণে বিদেশে পাবে ন্যায্য পারিশ্রমিক। এমনকি আমাদের দেশীয় কোম্পানিগুলোও আন্তর্জাতিক ভাষায় দক্ষ স্থানীয় মানবসম্পদ ব্যবহার করে অতিরিক্ত মুনাফা করতে পারবে। সব মিলিয়ে দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধিত হবে।

লেখক:
মো: তৌহিদুর রহমান (P.E.M)
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২২
সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার
মাগুরা সদর, মাগুরা।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএইচ

06/07/2025

কদবেল ইংলিশ টা খুঁজে পেলামনা।।

Want your school to be the top-listed School/college in Jessore?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Jessore