কোনো নারী যদি দুনিয়ার বুকে জীবনসঙ্গী হিসেবে অধিক গায়রত ওয়ালা,তাক্বওয়াবান,প্রকৃত আল্লাহভীরু জীবনসঙ্গী পেয়ে থাকেন তাহলে দুনিয়ার বুকে যত ভাগ্যবতী নারী রয়েছে আপনি তাদের মধ্যে সবচেয়ে আগের কাতারে। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করুন প্রতিমুহুর্তে। আলহামদুলিল্লাহ🌼
কোনো একজনকে নিয়ে লিখছি। শুরুতে বলে নিচ্ছি বদনজরের ভয়ে তার নাম+ তিনি আমার কি হয় সেটা বললাম না। এটুকু বলছি তার সাথে আমার রক্তের সম্পর্ক আছে তাই কুধারণা করার সুযোগ নেই।
আমি আমার জীবনে এমন একজন গায়রতওয়ালা,তাক্বওয়াবান,আল্লাহভীরু মানুষকে পেয়েছি যার জন্য নিজেকে প্রতি মুহূর্তে ভাগ্যবতী মনে করি। এমন একজনের দায়িত্বে আমি থাকি এটা ভাবতেই চোখ ভিজে আসে। অন্য মেয়েরা কিভাবে চিন্তা করে আমি জানি না। আধুনিক সমাজের নারীরা যেটাকে স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ মনে করে, আমার নিকট সেটাই এক সমুদ্র ভালো লাগা। এক সমুদ্র রহমত, নিয়ামত...
ল্যাবে কোনো টেস্ট করাতে গেলে যে মানুষ টা অপর রুমে কম্পিউটারে টেস্ট রিপোর্ট মনিটরিং করা ছেলেটার দিকে ভয়ার্ত ঈগল পাখির ন্যায় তাকিয়ে থাকে আসলে কম্পিউটারে শরীরের ভিতরের হাড়/অংশ ছাড়া অন্য কিছু দেখছে কিনা, সেই মানুষটার গয়রতে অন্য কেউ অনেক যুক্তি দাড় করালেও করাতে পারে কিন্তু আমি আবেগে আপ্লূত হয়ে রবের কাছে শুকরিয়া আদায় করি।
প্রয়োজনে বাইরে বের হলে বাসজার্নি কিংবা যেকোনো যানবাহন অথবা যেকোনো লোকসমাগম পরিবেশ যে মানুষ টা আমার পিছনে দাড়িয়ে দুটি হাত দুপাশে দিয়ে একটা প্রতিরক্ষা বেড়া তৈরি করে গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে নিয়ে যায় কারও স্পর্শ যাতে না লাগে গায়ে সেই মানুষ টার গয়রত, অনেকের কাছে অতিরিক্ত কিছু মনে হলে হতেও পারে কিন্তু আমি আবেগে আপ্লূত হয়ে রবের কাছে শুকরিয়া আদায় করে চোখ দুটি ভিজে যায়।
কোনো প্রয়োজনে বাইরে গেলে পরিবহনচালক কিংবা কোনো দোকানদারের সাথে, সে উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও ভুল করেও কথা বললে তার রক্তচক্ষু দেখে অনেকে পাল্টা রেগে গেলেও যেতে পারে। কিন্তু আমি আবেগে আপ্লূত হয়ে রবের কাছে শুকরিয়া আদায় করি।
বাসায় কোনো ননমাহরাম আসার আগেই যে মানুষ বলে ডাইনিং এর দরজা খোলা রেখে সবাই একরুমে গিয়ে দরজা লাগিয়ে বসে থাকো। যতক্ষণ না মেহমান আপ্রায়ন করে গেইট পার করে দিয়ে এসে আমি অনুমতি না দিচ্ছি ততক্ষণ পর্যন্ত কেউ রুমের বাইরে বের হবার চিন্তা ও করিওনা৷ চিন্তা করে ও লাভ নেই বাইরে থেকে আমি দরজা লাগিয়ে রাখবো, সেই মুহুর্তে এসব গয়রত অনেকের কাছে বাড়াবাড়ি মনে হলেও হতে পারে কিন্তু আমি আবেগে আপ্লূত হয়ে রবের কাছে শুকরিয়া আদায় করি।।।।।
রাস্তায় বের হলে যে মানুষটা বারবার খেয়াল করে হিজাব টা সামান্য সরে গেলো কিনা! নিকাবটা এদিক সেদিক হলো কিনা। চোখ টা বেশি দেখা যাচ্ছে কিনা এসব অনেকের কাছে, মনে মনে রাগ লাগার কারণ হলেও হতে পারে কিন্তু আমি আবেগে আপ্লূত হয়ে রবের কাছে শুকরিয়া আদায় করি। চোখ দুটি ভিজে যায় আমার।
ডিমান্ডিং অনেক টিউশন করানোর সুযোগ থাকা সত্ত্বেও যে মানুষ টা শুধু পর্দার খেলাফের ভয়ে একই বাসায় পাশের ফ্লাটে পড়ানোর অনুমতি দেয়না,সেই গায়রতে অনেকে বিরক্ত হলে হতেও পারে কিন্তু আমি আবেগে আপ্লূত হয়ে রবের কাছে শুকরিয়া করি।
এরকম অসংখ্য অসংখ্য প্রাত্যহিক ঘটনা আছে যা বলে শেষ করা যাবেনা।শুধু আমি এই নিয়ামত ভোগ করছি তা নয়৷ তার কাছের প্রতিটি নারী- মা,বোন,স্ত্রী সবাই এই নিয়ামতে ডুবে আছে।। আলহামদুলিল্লাহ। তার স্ত্রী সেই ভাগ্যবতী নারী যিনি গায়রত ওয়ালা, তাক্বওয়াবান,প্রকৃত আল্লাহভীরু একজন জীবন সঙ্গী পেয়েছেন। আজ শুধু গায়রত নিয়েই বললাম। তাক্বওয়া নিয়ে না হয় দুই একদিন পরে বলবো ইং শা আল্লহ।
অনেকেই গায়রত কি বোঝেন না। তারা লেখা টা পড়লে কিছু টা হলেও বুঝতে পারবেন। এই দুনিয়ায় বুকে হয়তো হাজার হাজার, লাখ লাখ গয়রত ওয়ালা পুরুষ আছে। এর বেশিও থাকতে পারে হয়তো। তার চেয়ে ও অধিক গয়রত ওয়ালা পুরুষও আছে হয়তো। কিন্তু আমার এই ছোট্ট জীবনে আমি এখন পর্যন্ত তাহার চেয়ে অধিক গয়রত ওয়ালা পুরুষকে স্বচক্ষে দেখিনি। ভবিষ্যতে দেখবো কিনা আল্লাহ ভালো জানেন। একজন গয়রত ওয়ালা পুরুষ ই একমাত্র পারবে নিজেকে দাইয়্যুস হওয়া থেকে বাঁচাতে এবং আপনাকে ঝিনুকের খোলসের ভিতরে থাকা মুক্তোর মতো আগলে রেখে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে দামী নারী হিসেবে গড়ে তুলতে।।।।।
আল্লাহর কাছে গভীর আকুতি জানিয়ে দয়াপ্রার্থী, দিলে তার মতো বা তার চেয়েও অধিক গায়রত ওয়ালা কাউকে মিলিয়ে দিক। নয়তো কিছু ই চাইনা। যদিও সলাত পড়ুয়া কিংবা লেবাসে দ্বীনদার কিন্তু গায়রতবিহীন পুরুষ একটা পর্দানশীন মেয়ের জন্য দুনিয়ার বুকে এক সমুদ্র কষ্টের কারণ। জাহান্নাম স্বরুপ।
আচ্ছা,দুনিয়ায় একটা মেয়ের এরচেয়ে বেশী সুখ আর কোথায়?একটা জীবন সুখী হয়ে কাটিয়ে দিতে আর কি লাগে?কতোটা সৌভাগ্য নিয়ে দুনিয়ায় এলে এমন সুখ কে দু'হাতে আগলে রাখা যায়?কি করলে এতোটা সৌভাগ্য কে ছোঁয়া যায় বলতে পারেন কেউ?কি করলে এই স্বপ্ন স্বপ্ন ব্যাপার টা কে চোখের সামনে দেখতে পাওয়া যায় বলতে পারেন কেউ??
সংগৃহীত
এসো ১০০ টাকায় কুরআন শিখি
এটি একটি অলাভজনক অনলাইন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।আল্লাহ আমাদের লক্ষ্যে পুরণে সাহায্য করুন।আমিন।
একের পর এক গুনাহ করতে থাকলে, কুরআন আমাকে ছেড়ে চলে যায়। তাহাজ্জুদ আমাকে ছেড়ে চলে যায়। আল্লাহর ভয়ও আমাকে ছেড়ে চলে যায়। আল্লাহর যিকির আমাকে ছেড়ে চলে যায়। তারপর যায় মানসিক প্রশান্তি। এরপর আমার সলাতে শৈথিল্য দেখা দেয়। কিছুদিন পর সলাত ছুটেও যেতে থাকে। মুনাজাতের স্বাদমজা নষ্ট হয়ে যায়। মুনাজাতে চোখের পানি শুকিয়ে যায়। কলব পাথরের চেয়েও বেশি শক্ত হয়ে যায়। আখেরাতের ভয় দূর হয়ে যায়।
একের পর এক দুঃখ-দুশ্চিন্তা এসে আমাকে গ্রাস করে নিতে থাকে। জীবন ও জীবিকা থেকে বরকত উধাও হয়ে যায়। স্থায়ী মানসিক অস্থিরতা দেখা দেয়। সহজ কাজও অতীব কঠিন হয়ে যায়। ঘর-সংসারে অস্থিরতা তৈরি হয়। বাড়িঘরে পরিবেশ অশান্ত হয়ে ওঠে।
গুনাহ এক ভয়ংকর মহামারী।
অন্তত একবার হলেও পড়িঃ
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ।
আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতূবু ইলাইহ।
লা হাওলা ওয়ালা কুউয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আযীম।
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম।
আমার দাদি গল্প করতো, দাদা নাকি ভিষন বদরাগি ছিলেন।তরকারি খারাপ হলে ভালো মুখে কাছে ডেকে সে তরকারি দাদির মাথায় ঢেলে দিতেন।কুড়াল/দা দিয়ে একবার দাদির মাথায় কুপিয়েও ছিলেন।সে যাত্রায় দাদি বেচে গেছিলো।এমন বহুতবার জখমের মার তিনি খেয়েছেন।
একদিন এক আত্মিয় এসেছিলেন। ঔষধ নিবেন বলে এদিকটাতে আসায় আমাদের এখানেও ঘুরে গেলেন।বললাম ঔষধ কিসের?উত্তর ছিলো তোমার কাকা মেরে মেরে পায়ে এখন আর আগের মত শক্তি নাই।ব্যাথা করে তাই ঔষধ নিতে এলাম।বললাম যখন মেরেছিলো তখন আপনি কিছু বলেননি?বললো কি আর বলব রে মা,স্বামির হাতে মরলেও জান্নাত।যেখানে মারে সেসব জায়গা জাহান্নামে যাবে না।আমি যদিও জানি স্বামি মারলে কখোনোই জান্নাতে যাওয়ার রাস্তা সুগম হয়না।তবুও তার সরল বিশ্বাসে চিড় ধরাতে চায়নি।চলে যেতে চাইলে আটকে বলেছিলাম আজ না হয় থেকে যান।তিনি রাজি হননি কিছুতেই।কাকা নাকি অসুস্থ অনেক, তাকে ধরে বসাতে হয়,খাওয়াতে হয়।আমি ভিষন আশ্চর্য হলাম।এই মানুষটাকে ছেড়ে নাকি তিনি কোথাও এক দ্বন্দ দাড়ান না,যে মানুষটি তাকে মেরে মেরে রোগ বানিয়ে দিয়েছেন।
এক মা আমাকে বলেছিলো, বুঝলে বাপু এই সংসারে এমন শান্তি এমনি আসেনি।ওর বাপ ছিলো রাগি মানুষ।বাচ্চা কোলে থাকা অবস্থায়ও একটা ভুলের জন্য আমাকে মেরে বের করে দিছিলো।খেয়ে না খেয়ে মারধর খেয়ে মাটি কামড়ে পড়ে ছিলাম।আজকে এ সংসারে আমার কথাই শেষ কথা।ওর বাপও চুপচাপ মেনে নেয়।
এখোনো আশির দশকের মানুষেরা বেচে আছে।তাদের কাছে শুনলেও এমন বহু ঘটনা পাওয়া যাবে।
এ ঘটনা বলার দরুন আমি কোনোভাবেই স্ত্রীকে মার দেওয়াকে প্রমোট করছিনা।তা অত্যন্ত জঘন্য একটি কাজ।জালিমরাই স্ত্রীর গায়ে হাত তোলে।আমি পারলে ওসব পুরুষকে ডিম থেরাপি দিতাম।
যাক সে কথা আমি আসলে বলতে চেয়েছি তাদের স্বামি ভক্তির কথা।ওই যেভাবে মানুষ পানি খাওয়ার নেশায় আক্রান্ত, তেমনটি ।পানির অপর নাম জীবন।তারা আসলে নেশায় আসক্ত ছিলো।সেটা ভক্তির নেশা,মায়ার নেশা।সেসময়ে মেয়েদের স্বামির ঘরে পাঠানোর সময় বলা হত এই যে লাল শাড়ি পরে যাচ্ছো সাদা কাফন পরে ও বাড়ি থেকে বের হবে, তাছাড়া না।অর্থাৎ মৃত্যু ছাড়া যেন তোমাকে আর কিছুই স্বামি,সংসার থেকে আলাদা করতে না পারে।
আশির দশকের মানুষগুলো থেকে আমাদের শেখার আছে।তারা অশিক্ষিত ছিলো শুধু খাতা কলমে।জ্ঞানের দিকে তারা উচ্চ শিক্ষিত।তারা ৮/১০ টা সন্তান মানুষ করেছে,সেসব সন্তানেরা মায়ের দিকে চোখ তুলে কথা বলেনা।
ডিফারেন্স কোথায়?আমরা শিক্ষিত হয়ে কি উন্নতি করলাম?অদোও আমরা শিক্ষিত হতে পেরেছি???
আসসালামু আলাইকুম।
অনেক বোনেরাই জানতে চেয়েছেন হিফজের ব্যাপারে।লেখাটা বড় হতে পারে।
আমাদের মত জেনারেল থেকে এসে হিফজ করাটা বেশ কঠিন পারিপ্বার্শিক ভাবে।তবে আমি আশ্চর্য হয় সেসব বোনদের কথা শুনে যারা ৩/৪ টা বাচ্চা নিয়েও হিফজ করছেন।যে মানুষটি সারাদিন অফিস করে ক্লান্ত হয়েও হাপাতে হাপাতে হিফজ করেন।বয়স ৩০ পার হওয়ার পরও হাফেজা হয়েছেন এমন বোন অধিক।এগুলো শোনার পর নিজের প্রতিই নিজের একটা করুনা বোধ তৈরি হয়।আমি কোরআন হাতে নিয়েই ভয় পায়!!!যে মনে রাখব কি করে??সবাই পারলে আমি কেন পারব না???এই কোরআন কি আমার জন্য নয়?
আমি সেই বোনের ঘটনা জানি। যিনি হাফেজের মর্যাদা শুনে এরাদা করলেন তিনিও হিফজ করবেন। সংসার বাচ্চা সামলিয়ে হিফজ শুরু করলেন বাসায়।
প্রথমে ৪/৫ আয়াতই মুখস্ত করতে কষ্ট হত।আর ইয়াদ রাখা তো আরো দায়।এই পড়ে এই ভুলে যায়।তবুও থামলেন না।যত ভুলতে থাকলেন তত পড়তে থাকলেন।এভাবে ৩০ নং পারা একদিন শেষ হয়ে গেলো। সেদিন বোনটি এত কেদেছিলেন খুশিতে।এরপর মাত্র ৫ বছরে তিনি হিফজ শেষ করেছেন বাসাতেই আলহামদুলিল্লাহ।
আরেক বোন যিনি কোনোকালেই ভালো স্টুডেন্ট ছিলেননা।মুখস্ত শক্তিও তার তেমন ছিলো না।তিনিও ইচ্ছা করলেন হিফজ শুরু করবেন।শুরু করে দিলেন সব সামলিয়ে।৩/৪ আয়াত করতে করতে আজ তিনি হাফেজা আলহামদুলিল্লাহ।
কোরআন আমার জন্য।কোরআন আমার,আমি কোরআনের।আমি পারব নাতো কে পারবে?ইনশাআল্লাহ আমি পারবই।আমি শুরু করব সাহায্যকারী আল্লাহ।ব্যাস এই ভাবনাটুকু অনেক শক্তি যোগাবে আপনার হিফজের ক্ষেত্রে।
মুখস্ত করর আইডিয়া দেওয়া আসলে কঠিন।একেকজনের মুখস্তের পদ্ধতি একেকরকম।আমভাবে যা বলা হয় তা হলো একটি আয়াত আপনি আগে শব্দ শব্দ করে মুখস্ত করুন তারপর পুরো আয়াতটি। যেমন "কুল হু ওয়াল্লাহু আহাদ"।এখানে চারটি শব্দ আছে আগে মুখস্ত করুন "কুল" শব্দটি। এটা কয়েকবার পড়ে তারপর "হু" শব্দটি পড়ুন কয়েকবার।এরপর আগের শব্দটির সাথে মিলিয়ে "কুল হু" পড়ুন কয়েকবার। তারপর পরের শব্দটি "ওয়াল্লাহু" এরপর আবারও আগের শব্দগুলোর সাথে মিলিয়ে পড়া।লাস্ট সব শব্দগুলো ইজি হয়ে গেলে পুরো আয়াতটিই কয়েকবার দেখে এবং না দেখে পড়ুন।একই প্রসেসে দ্বিতীয় আয়াতটিও মুখস্ত করুন।তারপর প্রথম আয়াতের সাথে দ্বিতীয় আয়াতটি মিলিয়ে কয়েকবার পড়ুন।এভাবে মুখস্ত প্রক্রিয়াটা ধীরে আগায় কিন্তু মনে রাখার ক্ষেত্রে এটাই সবচেয়ে ফলপ্রসু। আর এভাবে না চাইলে আয়াত আয়াত করেই মুখস্ত করা যাবে,সমস্যা নেই।যেমন "কুল হু ওয়াল্লাহু আহাদ" পুরে আয়াতটিই একসাথে কয়েকবার পড়ে মুখস্ত হয়ে গেলে পরের আয়াতটি পড়া।তারপর আগের আয়াতের সাথে মিলিয়ে পড়া।
হিফজের ক্ষেত্রে করনীয় :-
১.একটি কোরআন নির্বাচন করুন, যে কোরআন থেকে আপনি নিয়মিত হিফজ চালিয়ে যাবেন।আমার কাছে ১৫ লাইনের এমদাদেয়া লাইব্রেরির হিফজ কোরআনটি সবচেয়ে বেশি পছন্দের।যিনি হিফজ করবেন তার পড়াটা অবশ্যই পরিপুর্ন সহিহ হতে হবে।কেননা একবার অসহিহ করে মুখস্ত হয়ে গেলে পরবর্তিতে তা সহিহ করা অনেক কঠিন।অনেকসময় সেই আগের ভুলটাই স্থায়ী হয়ে যায়।
২.আপনার ইচ্ছাশক্তিকে ঝালায় করে নিন।মনে রাখবেন শয়তান কিন্তু একেকটি অজুহাত খাড়া করে দিবে কোরআন নিয়ে বসলেই।★★সবচেয়ে ভালো হয় আমার আইডিতে আতিকউল্লা স্যারের কোরআন হিফজ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি লেখা শেয়ার করা আছে সেটা পড়লে★★
৩.হিফজ শুরু করতে হয় ৩০ নং পারা থেকে।এখানকার ছোট ছোট সুরা মুখস্তের মাধ্যমেই মুখস্তের ধারা বাড়তে থাকে। সুরা নাস থেকেও শুরু করতে পারে বা সুরা নাবা থেকে।যার যেভাবে সুবিধা হয়।তবে আমার কাছে পারার প্রথম থেকে পড়াটাকেই ভালো মনে হয়। যে পৃষ্ঠা বা সুরা মুখস্ত করবেন সেই পৃষ্ঠা বা সুরাটা আগে কোনো ভালো ক্বারী থেকে বারবার শুনে নেওয়া। তার সাথে সাথে তেলাওয়াত করা।এক্ষেত্রে আমি ""আসমা হুদা"" ওস্তাজির কথা সাজেস্ট করব।উনার তেলাওয়াত স্পষ্ট এবং উনি হিফজের মতই পড়িয়ে দেন।ইউটিউবে asma huda লিখে সার্চ দিলেই পাবেন ইনশাআল্লাহ।
৪.কখোনোই প্রথম হিফজ শুরুর সময় এক পৃষ্ঠা মুখস্ত করতে যাবেননা।মুখস্ত হবে ঠিকই কিন্তু মনে রাখতে পারবেন না।ইয়াদ থাকবে না।তাই প্রথমেই ৪/৫/৬ আয়াত মুখস্ত করুন।এবং তা সারাদিন হাটতে চলতে,ফিরতে,বসতে,শুতে, নামাজে পড়তে থাকুন।ইয়াদ(মনে রাখা) রাখার ক্ষেত্রে বারবার পড়ার বিকল্প নেই।
৫.প্রতিদিন নতুন আয়াত/সবক মুখস্তের আগে আগেরদিনের মুখস্তের পৃষ্ঠাগুলি কয়েকবার পড়ুন।বেধে গেলে আবারো প্রথম থেকে একটানা বলার ট্রাই করুন।এভাবে যতক্ষন না একটানা বলতে পারবেন ততক্ষণ নতুন সবক মুখস্ত করা যাবে না।
৬.একজন হিফজ শিক্ষকের আন্ডারে থাকা ভালো।তবে অনেকের পক্ষেই তা সম্ভব না।তাই এমন
একজন পার্টনার সিলেক্ট করা যার কাছে পড়া শোনানো যায়।যিনি খুবই আগ্রহের সাথে পড়াটা শুনবেন।ভুল ধরিয়ে দিবেন এবং উৎসাহ দিবেন।পড়া শোনানো ছাড়া নিজের ভুল নিজে ধরাটা বেশ কঠিন।
৭.তখনই আপনি কোরআনের মজা পাবেন যখন দুনিয়া থেকে ফারেগ হয়ে কোরআনটাকে নিয়ে বসবেন।দুনিয়ার সমস্ত চিন্তা ঝেড়েই আপনাকে কোরআন নিয়ে বসতে হবে।
৮.লোকমা(ভুল) যে জায়গুলোতে যাবে, সে জায়গুলো বারবার দেখে দেখে তেলাওয়াত করে নিতে হবে।মাথার মধ্য গেথে ফেলতে হবে সঠিকটি।
৯.★★হিফজের ক্ষেত্রে ৩০ নং পারাকেই ১ নং পারা হিসাবে ধরা হয়★★প্রথম পারা মুখস্ত হয়ে গেলে ২য় পারা মুখস্তের সময় আগের মুখস্তের ১ম পারা থেকে দৈনিক ৫ পৃষ্ঠা করে তেলাওয়াত করা।সেটা যেভাবেই হোক নামাজে বা চলতে ফিরতে।৩ নম্বর পারা মুখস্তের সময় আগের দুইটি পারা থেকে দৈনিক ৫/৬ পৃষ্ঠা তেলাওয়াত করা।এভাবেই চলতে থাকবে দশ পারা পর্যন্ত।
দশ নং পারা শেষ হলে পুরো একমাস নতুন সবক মুখস্ত না করে এই দশটি পারা পুর্ন ইয়াদ করা।যাতে করে কোনোভাবেই ভুলে না যায়। ১১ নং পারা মুখস্ত শুরু করলে আগের ১০ টি পারা থেকে দৈনিক ৮ পৃষ্ঠা করে তেলাওয়াত করা।এই নিয়মেই পুরো কোরআন হিফজ করা।
১০.দৈনিক নিজের সুবিধা অনুযায়ি কোরআন খমতের উদ্দেশ্যে কিছু পৃষ্টা বা এক পারা করে তেলাওয়াত করা।এটাকে বলা হয় হিযব।অর্থাৎ আমি ২ মাসে কোরআন ১ খমতের নিয়ত করলে প্রতিদিন আধা পারা করে পড়তে থাকা।এই আধা পারাটাকেই হিযব বলা হবে।আর হিযব আদায় কোনোভাবেই মিস করা যাবেনা।শোয়ার আগে হলেও আদায় করতে হবে।আর এটা একেবারে হিফজ শেষ করা পর্যন্ত চলতে থাকবে।হিফজ শেষ হলে দৈনিক সাধ্য অনুযায়ী একটা মাত্রার তেলাওয়াত মৃত্যু পর্যন্ত আদায় করে যাবেন ইনশাআল্লাহ।
১১.বোনদের নিষিদ্ধ সময়গুলোতে কোরআন থেকে একেবারে দূরে থাকলে ভুলে যাওয়ার সম্ভবাবনা বেশি।তাই মুখস্তকৃত পারা /পৃষ্ঠা/সুরার তেলাওয়াত শোনা বারবার।তাহলে ভুলে যাওয়ার প্রবনতা থাকবেনা ইনশাআল্লাহ।
সবশেষে আল্লাহর রহমত ছাড়া মেধা দিয়ে কখোনোই কোরআন হিফজ সম্ভব নয়।তাই দোয়া করতে থাকা অনবরত।নিরাশ হলেই শয়তান অজুহাত খাড়া করে দিবে।কোরআন থেকে দূরে সরে যাবেন।তাই খবরদার কখোনোই ওজর ছাড়া কোরআন থেকে নিজেকে সরাবেননা।গোনাহ চলমান থাকলেও কোরআনের প্রতি মহব্বত সৃষ্টি হয়না এজন্য গোনাহ থেকে বিরত থাকা।
আমার একটু দোয়া করে যাবেন।আল্লাহ যেন হাফেজা হওয়ার নেয়ামত, তৌফিক আমাকেও দান করেন।
মোনাজাতঃ
পর্বঃ ১
আমরা অনেকেই গুছিয়ে কথা বলতে পারিনা।মোনাজাত করতে গেলে বুঝতেই পারিনা কিভাবে চাইব। চাওয়ারও একটা সৌন্দর্যতা আছে, মাধুর্যতা আছে। নিজেই আমরা নিজের চাওয়ার কথাতে সন্তুষ্ট হতে পারিনা। আমি আমার নিজের মতো করে মোনাজাত লিখছি কেউ চাইলে কারো অন্য প্রয়োজনও এতে এড করতে পারবেন।
মোনাজাতের আদব হলো আগে নিজের জন্য চাওয়া এরপর পিতা মাতা ভাই বোন তারপর আত্মিয়সজন তারপর প্রিয় ব্যাক্তিগন এরপর সমস্থ মুসলমান।
মোনাজাতের প্রথমেই সুরা ফাতিহা,"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া 'আলা ক্বুল্লি শাইয়িন ক্বদির"(কারো মুখস্ত না থাকলে মুখস্ত করে নিবেন)
এরপর সুরা ইখলাস,যে কোনো দুরুদ শরিফ, যে কোনো ইস্তেগফারের দোয়া।
★★সমস্ত দোয়া করা শেষে আল্লাহর প্রসংসা করে,দুরুদ শরিফ পড়ে,আমিন বলে মোনাজাত শেষ করতে হয়।
(★★ আমি প্রথমেই কয়েকটা আরবি দোয়া করি, ইনশাআল্লাহ আগামী পোস্টে তা উল্লেখ করব)
ইয়া আল্লাহ, আপনি তো পরম দয়ালু পরম করুনাম অতি ক্ষমাশিল। ও আল্লাহ আপনার মতো দয়া কারো নেই।আপনার মতো রহমান কেউ নেই।আপনার মতো ক্ষমাকারী কেউ নেই।ও আমার জানের মালিক, আপনি আমার সমস্থ গোনাহ ক্ষমা করে দিন।ইয়া রহনানুর রহিম আমার এমন কোনো গোনাহ অবশিষ্ট রাখবেন না, যা আপনি ক্ষমা করবেন না। জানা অজানায় যা গোনাহ করেছি আপনি তা ক্ষমা করে দিন। ও আমার রব যদি আপনি আমাকে ক্ষমা না করেন তাহলে আর কে আছে যে আমাকে ক্ষমা করবে?আয় আল্লাহ যদি আপনি আমাকে ক্ষমা না করেন তাহলে আমার মতো ক্ষতিগ্রস্ত এই পৃথিবীতে আর কেউ নেই।
ইয়া গাফুরুর রহিম আপনার থেকে অধিক ক্ষমাকারী তো আর কেউ নেই, আপনি আপনার নিজ গুনে আমাকে ক্ষমা করুন। ইয়া গফফার আপনার রহমতের বিশালতার কাছে আমার গোনাহগুলো তো অতি তুচ্ছ।ইয়া মেহেরবান আপনার রহমতের চাদর দ্বারা আপনি আমাকে ঢেকে দিন।আমার থেকে আমার গোনাহকে পুর্ব পশ্চিমের মতো আলাদা করে দিন। ও আল্লাহ আপনি আমাকে সেই তাদের অন্তর্ভুক্ত করে দিন যারা বিশ্বাসি, নিয়মিত সালাত আদায় করে,সবরকারী,শোকরকারী বিনয়ী, নম্র। আপনার মুমিন বান্দাদের তালিকায় আমাকে অন্তর্ভুক্ত করে দিন।
হে আমার প্রভু, আমাকে মুত্তাকীদের অনুসরণকারী বানিয়ে দিন। ও আল্লাহ আমার জিহব্বাকে হেফাজত করার তৌফিক দান করুন। আমার দ্বারা যেন কোনো মুসলমান কষ্ট না পায় সেই তৌফিক দান করুন।ইয়া রব আমি তো চায় আপনার দিকে ফিরতে, আমি তো চায় আপনার ইবাদত করতে,আমি চায় গোনাহ ছাড়তে।এত এত ক্ষমা চায় তারপরও গোনাহ হয়ে যায়।ও আল্লাহ,আমি যে দুর্বল ঈমানের অধিকারী,আপনি পাকড়াও করলে আমি অধমের কিছুই বাকি থাকবে না।ইয়া সালাম,ইয়া মুহািমিনুল আমি গোনাহ করি আর অন্যায় করি,যাই করি,আপনার কাছেই তো ফিরে আসি।আমি তো সেই যামানা পেয়ে গেছি, যার চারিদিকে শুধু গোনাহের হাতছানি আর গোনাহের আওয়াজ।যদি আপনি আমাকে হেফাজত না করেন তাহলে আমি যে গোনাহের সাগরের অতলে তলিয়ে যাব।আমার তো কোনো ক্ষমতা নেই,কোনো জ্ঞান নেই,কিন্তু আপনি তো ক্ষমতাবান,জ্ঞানি, হেফাজতকারী।অথএব আমাকে ক্ষমা করুন এবং গোনাহ থেকে হেফাজত করুন।
ও আল্লাহ আমার অন্তরকে আপনি আপনার মহব্বত দ্বারা পূর্ন করে দিন।আপনার মহব্বত আমার অন্তরে এমন ভাবে দান করুন যেন তা সর্বদা আপনার মহব্বতের অনলে পুড়তে থাকে।আমার সবকিছু থেকে আপনার হাবিব, আমার রাসুল সাঃ কে মহব্বত করার তৌফিক দান করুন।ইয়া রহমান আমাকে সেই জিন্দেগি দান করুন যা আপনি পছন্দ করেন।ইয়া মহিমাময় সুস্থতা দানকারী রব,আমি অসুস্থতায় কষ্ট পাচ্ছি।আমাকে আপনি সুস্থ করে দিন।আমি তো আপনারই বান্দা।ও আল্লাহ আপনি যে আমাকে ভালোবাসেন সেই ভালোবাসার উছিলায় আমাকে সুস্থতা দান করে আপনার ইবাদত করার তৌফিক দান করুন।ও আমার রব, জীবনের এতগুলো দিন,এতগুলো বছর অবহেলায় কাটিয়ে দিয়েছি,আপনার ইবাদত করি নাই।আজ যখন হেদায়েতের আলোর দেখা পেয়েছি তখন আমাকে এই পৃথিবীতে আরো কিছুদিন সুস্থতার সাথে সুযোগ দিন আপনার ইবাদত করার।
হে আমার মৃত্যুদানকারী ক্ষমতাবান রব আমাকে পূর্ণ ঈমানের সাথে মৃত্যু দান করিয়েন।এমন সময় আমাকে মৃত্যু দিয়েন যখন আমার জন্য মৃত্যু কল্যানকর। আপনার অতি কাছে থাকা অবস্থায় আমাকে আপনার কাছে যাওয়ার জন্য ডাক দিয়েন আল্লাহ।উত্তম ভাবে,উত্তম সময়ে আমার মৃত্যু দিন।আল্লাহ গো ইচ্ছা তো হয় এই পৃথিবীতে রোজা রেখে আপনার সামনে নিজেকে গোলাম রুপে পেশ করি, আর ইফতার করি জান্নাতের নেয়ামত দ্বারা আমার নবীর হাতে।আপনার কাছে অসম্ভবত তো কিছু না।একটু কবুল করে নিন আল্লাহ,একটু কবুল করে নিন।
(★★যাদের বিয়ে হয়নি তারা বলবেনঃ-)★ ও আল্লাহ আমি নিজেকে পাপের পথ থেকে দুরে রাখতে চায়। আমি ইসলামের পথে সম্পুর্ন প্রবেশ করতে চায়। হে প্রজ্ঞাময় প্রভু আমাকে একজন উত্তম, দ্বীনদার, সৎ,নেককার জীবন সঙ্গি দান করুন। যে আমার জন্য চক্ষু শীতলকারী স্বি হবে আর আমি যার জন্য চক্ষু শীতলকারী স্ত্রী হব।যার আচরন হবে উত্তম,যে আমাকে সম্মান করবে, আমাকে উত্তমভাবে ভালোবাসবে,আমার সকল ভুল ত্রুটি মেনে নিয়েই আমাকে ভালোবাসবে,আমার পিতা মাতাকে সম্মান করবে। ও আমার রব আমার জন্য যখন বিবাহ উত্তম সেই সময়ই আমার বিবাহের ব্যাবস্থা করে দিন। ও রহমানুর রহিম আমি আপনার অসহায় গরিব বান্দা আমাকে আপনি ফিরিয়ে দিবেননা আল্লাহ।
★★বিবাহিতদের জন্যঃ-★*
হে আল্লাহ আপনার ইশারা ছাড়া কোনো কাজই সম্ভব নয়। হে হাকিম আমার তকদির অনুযায়ীই আমার ওমুকের সাথে বিবাহ হয়েছে। ও আল্লাহ আমার স্বামিকে দ্বীনের পথে কবুল করুন। আমাকে তার জন্য উত্তম স্ত্রী বানিয়ে দিন তাকে আমার জন্য উত্তম স্বামি বানিয়ে দিন। তাকে সমস্ত গোনাহ থেকে দুরে থাকার তৌফিক দান করুন। তাকে আমার জন্য চক্ষু শীতলকারী স্বামি বানিয়ে দিন। ইয়া রব আমার সংসারে জান্নাতি সুখ দান করুন। আমাকে সহ আমার পরিবারকে দ্বীনের পথে কবুল করুন। ও রহমানুর রহিম আপনি তো আমাকে ভালোবাসেন। সেই ভালোবাসার উছিলায় আমার স্বামি সন্তানকে দ্বীনের পথে কবুল করুন। আমার স্বামীকে আমার উপর খুশি করে দিন।
★★ আগামী পর্বে পুরোটা বলব ইনশাআল্লাহ★★
নারী যেমন ঘর সামলিয়েছে তেমন যুদ্ধের ময়দানেও নারী শত্রুদের কুপোকাত করেছে।
এই নারী যেমন রেশম কোমলের ন্যায় তেমনি কোনো সময়ে পাথরের ন্যায়।
ঘরে বসেই আজ নারীরা জয় করছে পৃথিবী। তেমনই কিছু নারীদের সাবলম্বী হওয়ার কথা নিয়ে লিখব ইনশাআল্লাহ।
26/10/2021
আকর্ষনীয় ডিজাইনের এই থ্রিপিচ গুলা পাচ্ছেন অতন্ত্য কম দামে।শীত গরম দুইয়েই পরে শান্তি 🥰🥰🥰😍😍
25/10/2021
স্টক এভেলএবেল,,,সবগুলার মুল্যই ৪৫০
❤️❤️❤️❤️
এত কম দামে কি কাপড় ভালো হবে?
নিশ্চয় হবে।
কাপড় এবং ডিজাইন সবটাই ভালো মানের।সুতি,কটন সবই আছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Website
Address
যশোর
Jessore