প্রিয় শিক্ষার্থী ভাই বোনেরা সবাই কে নতুন বইয়ের শুভেচ্ছা।
Education And Skill BD
Welcome to our Educational Skill BD page. Its also dedicated various skill development tips and tutorial such as Freelancing.
This page dedicated to various teaching subject such as IELTS, Spoken English, Math Tutorial, Economics and others.
১৮ তম নিবন্ধন প্রিলি রেজাল্ট মে মাসে!!!
ভালো ছাত্র হবেন যেভাবে
একদিকে ঝড়ের গতিতে পড়ে যাচ্ছেন আর আরেকদিকে ঠিক একইভাবে ভুলেও যাচ্ছেন। পড়াশোনার ক্ষেত্রে এমন সমস্যায় পড়েননি এমন মানুষ খুব কমই আছে। বেশিরভাগ ছাত্র ছাত্রীদের এই একটি বিষয় নিয়ে হা-হুতাশ করতে শোনা যায় যে তারা পড়া পড়ে মনে রাখতে পারেন না। এক্ষেত্রে আপনাদের এই হা-হুতাশ দূর করতে কিছু টিপস প্রদান করা হল।পড়ালেখা মনে রাখার টেকনিক
০১। পড়ার সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করুনঃ
আপনি যা পড়ছেন সেই বিষয়ের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করুন। নিজে নিজেকে প্রশ্ন করুন ও পড়ার ভেতর থেকে উত্তর ও নিজেই খুঁজে বের করুন। যখনই আপনি কোনো বিষয়ে পড়তে গিয়ে ঘটনার কারণ ও ফলাফল সম্পর্কে নিজে থেকে জানার চেষ্টা করবেন তখন সেই পড়া আপনার ভেতর খুব পাকাপোক্তভাবে বসে যাবে। তাই সহজে আপনার মন থেকে পড়া হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেকখানি কমে যায়।
০২। নোট করে করে পড়ুনঃ
একটানা কোনো বিষয় পড়ে না গিয়ে বরং ছোট ছোট অংশে ভেঙে ভেঙে বা অল্প করে করে পড়ুন। এক নাগারে কোনো বিষয়ে পড়ে গেলে আপনার ভুলে যাওয়ার সুযোগ থাকে, তাই ছোট ছোট অংশে ভেঙে বা নোট করে পড়লে আপনার স্মৃতিতে তা ভালোভাবে আটকে যায় আর ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
০৩। যা পড়ছেন তা কল্পনা করার চেষ্টা করুনঃ
আপনি যে বিষয়ে পড়ছেন ভা যে ঘটনা সম্পর্কে পড়ছেন সেটা নিজে নিজে কল্পনা করার একটা চেষ্টা করে দেখুন। যদি আপনি কোনো যুদ্ধ সম্পর্কে পড়তে বসেন তাহলে নিজেকে যুদ্ধ ময়দানে কল্পনা করুন, ভাবুন কেন আপনি যুদ্ধে এসেছেন আর কি নিয়েই বা এই যুদ্ধ। দেখবেন পড়ার বিষয়বস্তু আপনার মস্তিস্কে একটি স্থায়ী জায়গা দখল করে থাকবে।
০৪। একটু ব্যতিক্রম ঘটনায় বাড়তি মনোযোগ দিনঃ
কোনো বিষয়ে পড়তে গিয়ে হয়তো আপনার সামনে অন্য রকম কাহিনী বা ঘটনা সম্পর্কিত আলোচনা আসবে, কারণ সবটাই আপনার জানা বিষয় সম্পর্কিত আলোচনা সামনে পড়বেনা এমনটাই কাম্য। তাই এইসব সময়ে আপনি আপনার আলোচ্য বিষয়বস্তুতে বাড়তি মনোযোগ প্রদান করুন। আপনার একটু বাড়তি দেখাশোনা পড়া মনে রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
০৫। অনুশীলন করুনঃ
আপনার মুখস্ত পড়া মনে রাখতে বার বার সেটি অনুশীলন করুন। সব থেকে ভালো হয় যদি আপনার আলোচ্য বিষয় পড়ার পাশাপাশি একটু একটু লিখার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। যেকোনো বিষয় পড়ার সাথে সাথে লিখতে স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়। তাই বার বার পড়া বিষয় অনুশীলন করুন।
০৬। পড়ার ফাঁকে ফাঁকে বিশ্রাম নিনঃ
আপনি যদি ভেবে থাকেন শুধু একটানা পড়ে গেলেই পড়া বিষয় আপনার মনে থাকবে তাহলে ভুল করবেন। বরং পড়ার ফাঁকে ফাঁকে বিরতি নিন, আর বিরতির পর আগের পড়াগুলো মনে মনে আওড়ানোর চেষ্টা করুন। এভাবে পড়লে দেখবেন আপনার স্মরণশক্তি এমনিতেই বাড়বে।
সবার মেধা সমান নয় আর একইভাবে একই কায়দায় পড়লে সবায় তা মনে রাখতে পারবে এটাও সম্ভব নয়। তাই নিজে নিজে পড়া মনে রাখার নতুন নতুন কৌশল আয়ত্ত করুন।
সঠিক নিয়মে পড়ালেখার টেকনিক
পড়া বুঝে মনে রাখার সহজ উপায়টা কী? মুখস্থবিদ্যা কোনো সমাধান না, আর মুখস্থ করা মানে সেটা বোঝা, মনে রাখা কোনোটাই না। কোনো কিছু পড়ে সহজে সেটা মনে রাখতে হলে আপনাকে স্মৃতি গড়ার কায়দা জানতে হবে।
পরিচিত অনেক ছাত্রকেই দেখবেন, একবার পড়লেই মনে রাখতে পারে, সেখানে আপনি হয়তো ঘন্টার পর ঘণ্টা ঘষটে ঘষটেও কিছু মনে রাখতে পারছেন না।
তাহলে কায়দাটা কী? আঁতেল ভালো ছাত্র কাউকে জিজ্ঞেস করলে বলবেনা হয়তো তাদের গোপন রহস্য, তাই এই লেখা থেকে জেনে নিন সেটা।
০১। পড়তে বসার আগে একটু চিন্তা করুন- কী পড়বেন, কেন পড়বেন, কতক্ষণ ধরে পড়বেন। প্রত্যেকবার পড়ার আগে কিছু টার্গেট ঠিক করে নিন। যেমন, এত পৃষ্ঠা বা এতগুলো অনুশীলনী।
০২। বিষয়ের বৈচিত্র্য রাখুন। নিত্য নতুন পড়ার কৌশল চিন্তা করুন।
০৩। দেখা, দেখতে পারা ~ কোনো জিনিস মনে রাখতে হলে সেটা দেখা অথবা কল্পনায় করাটা দরকারী। ধরা যাক, মোগল সম্রাট আকবরের শাসনামল মনে রাখতে হবে। বিরক্তিকর সব জিনিষ তোতাপাখির মতো মুখস্থ করার চাইতে চোখ বুঁজে একবার সম্রাট আকবরকে কল্পনা করেন, হাতির পিঠে বসে মোগলাই পরোটা খেতে খেতে কটকটে হলুদ পাঞ্জাবি পরা হিমুর সাথে যুদ্ধ করছে। পানিপথের যুদ্ধ আর তোতার মতো মুখস্থ করা লাগবেনা, এই দৃশ্যটা মনে করলেই বাকিটা মনে থাকবে আপনার।
০৪। সম্পর্ক — কোনোকিছু পড়ার পরে সেটার সাথে আপনার পরিচিত কিছুর সম্পর্কটা চিন্তা করে নিন। যেমন ধরেন বয়েলের সূত্র দিয়ে গ্যাসের গতিবিধির তত্ত্ব মনে রাখতে হবে। বয়েল এর নামটা বয়লারের মতো, তাই না? আবার অনেকটা কয়েলের মতো লাগে। কয়েল থেকে ধোয়া টাইপের গ্যাস বের হয়, তাই না? এভাবে যেটাই পড়বেন, পরিচিত কিছুর সাথে সম্পর্ক বের করেন। আবার যেগুলা পড়ছেন, তাদের নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক বের করেন।
০৫। একটানা না পড়ে বিরতি দিয়ে পড়বেন। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে, একটানা ২৫ মিনিটের বেশি একজন মানুষ মনোযোগ দিতে পারে না। তাই একটানা মনোযোগের জন্যে মনের ওপর বল প্রয়োগ না করে প্রতি ৫০ মিনিট পড়ার পর ৫ মিনিটের একটা ছোট্ট বিরতি নিতে পারেন। কিন্তু এ বিরতির সময় টিভি, মোবাইল বা কম্পিউটার নিয়ে ব্যস্ত হবেন না যা হয়তো ৫ মিনিটের নামে দু-ঘণ্টা নিয়ে নিতে পারে।
০৬। পড়ুন, লিখুন, আঁকুন, মনে রাখুন – ১০ মিনিটের বেশি কিছু পড়বেন না।১০ মিনিট পড়ার পরে যেটা পড়লেন, সেটাকে লিখে ফেলেন, অথবা সেটা নিয়ে ছবি আঁকেন। চিন্তার কিছু নাই, ছবি আঁকতে না পারলেও কাকের ঠ্যাং মার্কা কিছু আঁকেন। তার পর পরের পড়ায় যান। কারণ মনে কিছু ঢোকার পরে সেটা যদি লেখার মাধ্যমে হাতে না আনেন, তাহলে মন থেকে কান দিয়ে সেটা বেরিয়ে পালাবেই। তাই পড়া, লেখা, মনে রাখা, এই চক্রে পড়ার অভ্যাস করেন, সহজেই মনে থাকবে সবকিছু।
০৭। অল্প অল্পেও অনেক – একবারে গাছের আগায় উঠা যায় না। তাই একগাদা জিনিষ একবারে এক দফায় না পড়ে অল্প অল্প করে পড়েন। মনের জগতে ওভারডোজ সহ্য হয় না।
০৮। এনার্জি লেভেলের সঙ্গে আগ্রহের একটা সম্পর্ক আছে। এনার্জি যত বেশি মনোযোগ নিবদ্ধ করার ক্ষমতা তত বেশি হয়। আর অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীর দিনের প্রথমভাগেই এনার্জি বেশি থাকে। তাদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, যে পড়াটা দিনে এক ঘণ্টায় পড়তে পারছে সেই একই পড়া পড়তে রাতে দেড় ঘণ্টা লাগছে। তাই কঠিন, বিরক্তিকর ও একঘেয়ে বিষয়গুলো সকালের দিকেই পড়ুন। পছন্দের বিষয়গুলো পড়ুন পরের দিকে। তবে যদি উল্টোটা হয়, অর্থাৎ রাতে পড়তে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, তাহলে সেভাবেই সাজান আপনার রুটিন।
০৯। মনোযোগের জন্যে আপনি কোন ভঙ্গিতে বসছেন সেটি গুরুত্বপূর্ণ। সোজা হয়ে আরামে বসুন। অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া বন্ধ করুন। চেয়ারে এমনভাবে বসুন যাতে পা মেঝেতে লেগে থাকে। টেবিলের দিকে একটু ঝুঁকে বসুন। আপনার চোখ থেকে টেবিলের দূরত্ব অন্তত দুই ফুট হওয়া উচিৎ।
১০। পড়তে পড়তে মন যখন উদ্দেশ্যহীনতায় ভেসে বেড়াচ্ছে জোর করে তখন বইয়ের দিকে তাকিয়ে না থেকে দাঁড়িয়ে পড়ুন। তবে রুম ছেড়ে যাবেন না। কয়েকবার এ অভ্যাস করলেই দেখবেন আর অন্যমনস্ক হচ্ছেন না।
১১। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে পড়তে বসুন এবং পড়তে বসার আগে কোনো অসমাপ্ত কাজে হাত দেবেন না বা সেটার কথা মনে এলেও পাত্তা দেবেন না। চিন্তাগুলোকে বরং একটা কাগজে লিখে ফেলুন।
১২। টার্গেট মতো পড়া ঠিকঠাক করতে পারলে নিজেকে পুরস্কৃত করুন, তা যত ছোটই হোক।
১৩। যেখানে আপনি পড়তে কমফোর্ট ফিল করবেন, সেখানেই পড়বেন। সবসময় একই জায়গায় বা পরিবেশে পড়ার চেষ্টা করবেন।
১৪। এমন জায়গায় পড়তে বসুন যেখানে আপনি সর্বোচ্চ মনোযোগ দিয়ে পড়তে পারবেন।
কীভাবে আপনার মনে রাখার ক্ষমতাকে বাড়াবেন?
০১। প্রথমত, যা আপনি মনে রাখতে চান তা মনোযোগ দিয়ে ধীরে ধীরে পড়ুন এমন ভাবে পড়বেন যেন নিজের কানে স্পষ্ট শুনুতে পান।কি পরছেন তা বুঝার চেষ্টা করুন … প্রথমবারে বুঝতে না পারলে পুনরায় পড়ুন … যে শব্দ বুঝতে পারছেন না তা দাগান সেইগুলোর অর্থ জানা না থাকলে তা খুঁজে জেনে নিন ।
০২। একই সময় যদি একটা বিষয়েই মনোযোগ দেন তাহলে এটা সহজ হবে। যে তথ্যগুলো মনে রাখতে চান সেগুলোকে নির্দিষ্ট করুন এবং শুধু তাতেই মনোযোগ দিন। যেমন, বইয়ের যে তথ্যগুলো আপনি নতুন দেখছেন বা কঠিন মনে হচ্ছে সেগুলোই হবে আপনার মনোযোগের বিষয়।
০৩। একটি বিষয়কে আপনি যত ভিন্ন দৃষ্টিকোণ এবং ব্যাখ্যা থেকে বুঝবেন তত এটি আপনার মনে রাখা সহজ হবে। যত পুরনো জানা তথ্যের সঙ্গে মিল-অমিল চিন্তা করবেন, তত আপনার মনে থাকবে।
০৪। যা মনে রাখতে চান, তাকে একটি পূর্ণাঙ্গ কাঠামোয় রূপান্তরিত করুন। আংশিক না করে বিষয়টি পুরোপুরি শিখতে বা বুঝতে চেষ্টা করুন। মনে রাখার ক্ষেত্রে ছবির ক্ষমতা অনেক বেশি। তাই কোনো জটিল বা ব্যাপক বিষয়কে ছবি, চার্ট বা ডায়াগ্রামে সাজিয়ে নিন।
০৫। মনে রাখার জন্যে প্রথমবার পড়ার দুই/এক দিনের মধ্যেই পড়াকে রিভাইজ করুন।
০৬। এছাড়া তৈরি করতে পারেন মনে রাখার নানা ছন্দ। যেমন, মোঘল সাম্রাজ্যের পরম্পরা বোঝাতে ‘বাবার হইলো একবার জ্বর, সারিলো ওষুধে’ ছড়াটি আওড়ালেই (বাবর হুমায়ূন আকবর জাহাঙ্গীর সাজাহান আওরঙ্গজেব) প্রমুখ মোঘল বাদশাহদের নাম একের পর এক বলে দেয়া যায়।
মনে রাখার জন্য আমি একটা টেকনিক ফলো করি। জানি না অন্য কারো ক্ষেত্রে কাজ করে কিনা, সেইটা হল ক্যামেরা টেকনিক
এইটা একধরনের মনে রাখার গেইমের মত …
যেমন আমি কোন নম্বর বা লাইন বা প্যারা এইবার দেখে চোখ বন্ধ করে ফেলি অনেকটা ক্যামেরায় ছবি ধারণ করার মত। তারপর চিন্তা করি সেখানে কি কি ছিল। এর পর ওই তথ্যের সাথে মিলায় দেখি কতটুকু মিলল…
এভাবে কয়েক বার ট্রায় করি … অন্য যে কোন পদ্বতির চেয়ে এই পদ্বতিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দ্রুত ও ভালো মনে থাকে। যারা আগে ট্রায় করেন নি তারা ট্রায় করে দেখতে পারেন। এতে আপনার মনে রাখার ক্ষমতা বাড়বে …
ব্যাস, পেয়ে গেলেন তো ভালো ছাত্রদের গোপন রহস্য! এবারে পড়তে বসে এগুলাকে প্রয়োগ করে ফেলেন, সহজেই মনে রাখতে পারবেন সবকিছু।
পদ্মা সেতুতে চলবে মোটরসাইকেল। গতি ৬০ কিঃমিঃ
***ব্রেকিং নিউজ***
অতি শীঘ্রই সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স সীমা ৩২ করা হবে।
সুত্রঃ-জনপ্রশাসন মন্ত্রালয়
আগামী ৩০ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ssc পরীক্ষা।
সকল ssc পরীক্ষার্থীদের জন্য শুভ কামনা। সবার পরীক্ষা ভাল হোক!!
প্রসংগ : চাকরি, উচ্চশিক্ষা ও পারিবারিক অর্থনৈতিক সক্ষমতা৷
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পায় সব আর্থিক ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে কিন্তু চান্স পাওয়ার পর যখন রেজাল্টের দিক থেকে প্রথম সারির সিজিপিএ ধারীদের তালিকা দেখবো, বেশিরভাগই আর্থিক ভাবে বেশ স্বচ্ছল পরিবারের। আমি নিজেও তার ব্যতিক্রম নই।
মানুষ দেখেছে আমি প্রচুর কম্পিটিশন জিতেছি,ন্যাশনাল ইনভায়রনমেন্ট অলিম্পিয়াড এর নেতৃত্বে ছিলাম, ক্লাস রিপ্রেজেন্টেটিভ ছিলাম। কিন্তু, আমি অনার্স লাইফে একটা সিংগেল টিউশনি করাই নি।
অনার্স শেষে আমি চাকরির প্রিপারেশন ধরার পর মাঝে মাঝে ১৮ ঘন্টাও পড়া নিয়ে এক্টিভ থেকেছি। একবার আমার একাডেমিক ডিপার্টমেন্ট এর একটা ঘটনায় চেতে যেয়ে টানা ৭ দিন ১৬ ঘন্টা এভারেজে পড়েছি।
টিউশনি করা লাগে নি, আর্থিক চিন্তা করা লাগে নি।
আমি মাত্র ৩ মাস প্রিপারেশনে দুদকে চাকরি পেয়েছি বলা যায়৷ কিন্তু আমি ৩ মাসে যা পড়তে পেরেছিলাম মাস্টার্সের ক্লাস করেও তা অনেকের ১২ মাসের প্রিপারেশনের সমান। ( আবার প্রথম বিসিএস প্রিলির জন্য প্রায় ১৬ মাস প্রিপারেশন নিয়েছি করোনার সুবাদে)
কিন্তু, আমার সহপাঠীদের একটা বড় অংশের এই সুযোগ ছিলো না। তাদের অর্থনৈতিক কারনে টিউশনি করতে হয়েছে।
তাদের ঢাকার জ্যাম সহ্য করতে হয়েছে। হলের বাজে খাবার সহ্য করতে হয়েছে। লাইব্রেরিতে সিট দখল করতে যুদ্ধ করতে হয়েছে।
নিজের উদাহারণ আগে টানলাম কারন আমি স্ট্রাগলের গল্প ফাঁদলে সেটা নির্জলা মিথ্যা হবে৷ আমি আমার শরীরের বারোটা বাজিয়ে পড়লেও আমাকে বই কেনা নিয়ে চিন্তা করতে হয় নি।
মা বাবাও শিক্ষিত হবার কারনে যথেস্ট সেন্সিবল বিহেভ করেছে৷
এবার আসল কথায় আসি।
সত্যি বলতে, আমরা যতই মেধা ও পরিশ্রমের কথা বলি না কেনো, ব্যাকগ্রাউন্ড সাপোর্ট লাগেই।
সাপোর্ট পায় বলেই সমান যোগ্যতায় কেউ দেশের বাইরে পড়তে যায় আর কেউ দেশে আন্ডারপেইড জব করে।
আর বিসিএস বা সরকারি সেক্টরের যে অবস্থা তা আর কী বলবো? আমার দুদকে চাকরির ৮ মাসের বেতন উঠে যাবে। মাস্টার্সটাও এর মধ্যে শেষ করে ফেলেছি। কিন্তু, ১ম বিসিএসের ভাইভাই দিতে পারলাম না। ( একটা বিসিএস ক্যান্ডিডেট অর্ধেক পাগল হয়ে যায় এই কারনে)
আর্থিক ভাবে ব্যাকড আপ না হলে কীভাবে সম্ভব দেশের সবচাইতে প্রিমিয়াম বা প্রিমিয়ার লেভেলের এক্সামে নিজেকে টিকিয়ে রাখা?
বিসিএসে ভালো করার সক্ষমতা রাখা বহু ছেলে প্রাইভেট ব্যাংকে সূর্যের আলোহীন জীবন কাটাচ্ছে৷
এবার কাউন্টার লজিক হলো - টাকা অনেকেরই আছে কিন্তু কজনের ভালো সিজিপিএ উঠে বা স্কিল ডেভেলাপ করতে পারে বা কজনই বা দেশে সরকারি সার্ভিসের প্রিমিয়াম সেগমেন্টে জহ পায়।
কাউন্টার লজিকটাও ১০০% সত্যি।
কিন্তু, GIS শিখতে, প্রোগ্রামিং শিখতে একটা ভালো কম্পিউটার লাগে। বিসিএস দিতে চাইলে দীর্ঘ সময় ফিল্ডে পড়ে থাকা লাগে । টাকা ছাড়া কিছুই সম্ভব না। কেউ প্রিভিলেজ কাজে লাগাতে পারে, কেউ পারে না। প্রিভিলেজ কাজে লাগানোটাও বড় ক্রেডিট কিন্তু এটা আফ্রিকান কোনো দেশের এথলেটদের অলিম্পিক এথলেটিক্সের ১১০ মিটার হার্ডল জেতার মত কিছু না।
অবশ্যই, অর্থনৈতিক সমর্থনই একটা মানুষকে এগিয়ে দেয়।
ঠিক এই কারনেই সেকেন্ড টাইম বন্ধের পর ঢাবিতে ঢাকা ভিত্তিক ছেলে মেয়ে বেশি। আমার জুনিয়র ব্যাচ গুলোতে দেখেছি তুলনামূলক ভাবে আর্থিক ভাবে সক্ষম পরিবারের ছেলে মেয়ে বেশি।
যার মেধা আছে সে আগাবেই আমরা ধরে নেই৷ কিন্তু যে ছেলেটার ক্যাডার সার্ভিসে শাইন করার কথা সে দ্রুত চাকরির আশায় প্রাইভেট ব্যাংকে কাজ করে পরিবারের দিকে তাকিয়ে বা যে ছেলেটার উচ্চ শিক্ষায় বাইরে যাবার কথা সে এঞ্জিওতে অতিরিক্ত কাজের চাপে দিশেহারা। সে ছেলেটা বা মেয়েটা আগাতে পারলেও তাদের সম্ভাবনার পুরোটা অর্জন করতে পারলো না৷
**জগত ভয়ংকর ভাবে আনফেয়ার। এটা আমি, আপনি মেনে নিতে না চাইলেও ভয়ংকর রকমের সত্যি।
লিখেছেন -
আকিব রায়হান
সহকারী পরিচালক, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)
সিঙ্গাপুরের নাম্বার ওয়ান ইউনিভার্সিটির নাম হলো ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুর (NUS)। এটা একটা তাক লাগানো প্রতিষ্ঠান। এশিয়ার অন্যতম সেরা এই প্রতিষ্ঠান, সারা দুনিয়াকে চমকে দিয়েছে।
শুধু এই ইউনিভার্সিটিতেই পিএইচডি স্টুডেন্ট আছে সাড়ে তিন হাজার। একটা ইউনিভার্সিটিতেই সাড়ে তিন হাজার পিএইচডি স্টুডেন্ট! মাথা ঘুরে যাওয়ার মতো অবস্থা! আর সেসব স্টুডেন্টদের গড় বয়স কতো জানেন? ২৪-২৫ বছর!
এই সংখ্যাটা আসলে ইঙ্গিত করে, একটা সমাজ কতোটা ইনোভেটিভ। কতোটা ক্রিয়েটিভ। আবিষ্কার-উদ্ভাবনে কতোটা এগিয়ে। আর এজন্যাই সিঙ্গাপুর হলো এশিয়ার সবচেয়ে ইনোভেটিভ দেশ।
যে দেশটা আমাদের মেহেরপুর জেলার চেয়ে ছোট, সেই দেশের একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাড়ে তিন হাজার পিএইচডি স্টুডেন্ট আছে। এবং বিশ্বমানের গবেষক তৈরি করছে ওরা। ওদের অগ্রগতি তাহলে কে ঠেকাবে?
মাত্র ৬০ লক্ষ মানুষের দেশে যদি বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় থাকে, তাহলে ওদের আর ভাবনার কি থাকে! প্রত্যেকটা তরুণ, দেশ প্রতিরক্ষার একেকটা বারুদ হয়ে বেড়ে উঠছে।
……………………
Alam
কপি পোস্ট
বিবিএস বলছে দেশে বেকারের সংখ্যা কমে ২৬ লাখ ৩০ হাজার!
আপনার কী মনে হয়??
সন্ধি_বিচ্ছেদ।ঘুরেফিরে_এই_৩৫_টা_থেকে বেশি আসে
● পরমাশ্চর্য = পরম + আশ্চর্য।
● দ্যুলোক = দিব্ + লোক।
● রত্নাকর = রত্ন + আকর।
● গ্রামান্তর = গ্রাম + অন্তর।
● রবীন্দ্র = রবি + ইন্দ্র।
● সিংহাসন = সিংহ + আসন।
● অতীত = অতি + ইত।
● গবাক্ষ = গো + অক্ষ।
● কটূক্তি = কটু + উক্তি।
● লঘূর্মি = লঘু + ঊর্মি।
● পূর্ণেন্দু = পূর্ণ + ইন্দু।
● মানবেতর = মানব + ইতর।
● যথেষ্ট = যথা + ইষ্ট।
● শুভেচ্ছা = শুভ + ইচ্ছা।
● ঢাকেশ্বরী = ঢাকা + ঈশ্বরী।
● প্রত্যেক = প্রতি + এক।
● নবোদয় = নব + উদয়।
● কথোপকথন = কথা + উপকথন।
● শ্রবণ = শ্রু + অন।
● প্রত্যুষ = প্রতি + ঊষ।
● স্বচ্ছ = সু + অচ্ছ।
● সপ্তর্ষি = সপ্ত + ঋষি।
● শীতার্ত = শীত + ঋত।
● জনৈক = জন + এক।
● বনৌষধি = বন + ওষধি।
● মহৌষধ = মহা + ঔষধ।
● প্রত্যহ = প্রতি + অহ।
● অত্যন্ত = অতি + অন্ত।
● ইত্যাদি = ইতি + আদি।
● পরিচ্ছেদ = পরি + ছেদ।
● ক্ষুধার্ত = ক্ষুধা + ঋত।
● মনীষা= মনষ + ঈষা।
● ইতস্তত = ইতঃ + তত।
● তন্ময় = তৎ + ময়।
● উচ্ছেদ = উৎ + ছেদ।
● অন্বেষণ = অনু + এষণ।
● জগদীশ= জগৎ+ ঈশ
● ষণ্মাস=ষট্+মাস
● সৃষ্টি= সৃজ্+ত
সৃজনশীল মানুষকে আমরা ফলো করি কিন্তু সৃজনশীলতা আমরা চাষ করিনা।
১০তম থেকে ৪০তম বিসিএস পরীক্ষায় আসা Phrase.
👇👇👇
1. Pot luck (খাওয়ার যা কিছু আছে)
2. A trying time (দুঃসময়)
3. Caught on (আক্রান্ত হওয়া)
4. Taken in (নিয়ন্ত্রিত)
5. At stake (বিপদাপন্ন)
6. Took a fancy to (পছন্দ)
7. Broke out (প্রার্দুভাব)
8. Care for (গ্রাহ্য করা)
9. Do away with (হত্যা করা)
10. Few and far between (মাঝে মাঝে)
11. To turn the tide (ধারাবাহিকতা পরিবর্তন করা)
12. A castle in the air (আকাশ কুসুম কল্পনা)
13. In black and white (লিখিতভাবে)
14. Through thick and thin (বিপদে আপদে সব অবস্থাতেই)
15. A man of straw (দুর্বল চিত্তের লোক)
16. In vain (ব্যর্থ)
17. Put off (খুলে ফেলা)
18. Make to (সন্তোষজনক না হওয়া সত্ত্বেও কাজ চালিয়ে যাওয়া)
19. In consonance with (সামঞ্জস্য রেখে)
20. With a view to (উদ্দেশ্য)
21. Give in (আত্মসমর্পণ করা)
22. At par (সমানভাবে)
23. Go in for (নিজেকে কোন কাজে নিযুক্ত করা)
24. Owing to (জন্য)
25. A far cry (অসম্ভব প্রায়)
26. Out of question (প্রশ্নাতীত)
27. Look down upon (ঘৃণার চোখে দেখা)
28. See through (বুঝতে পারা)
29. Show off (অহংকার করা)
30. Put up with (সহ্য করা)
31. Benefit of the doubt (সন্দেহবশত)
32. Out and out (সম্পূর্ণরূপে)
33. In cold blood (স্থির মস্তিষ্কে)
34. Line up to (পথ)
35. On one’s own (নিজ দায়িত্বে)
36. All for (অত্যন্ত ব্যগ্র)
37. By dint of (উপায়ে)
38. Through and Through (সম্পূর্ণভাবে)
39. On the brink (প্রান্তে)
40. With a good grace (সুনজরে)
41. In the wake of (পশ্চাতে)
42. A fool’s paradise (বোকার স্বর্গ)
43. To all intents and purposes (বাস্তবিকপক্ষে)
44. A square pig in a round hole (বেখাপ্পা)
45. Swan song (শেষ কাজ)
46. Eat the humble pie (ভুল স্বীকার করা)
47. Get on with (খাপ খেয়ে চলা)
48. Bear out (উক্তি সমর্থন করা)
49. With an eye to (দৃষ্টি রেখে)
50. Come to terms (আপোষ করা)
51. Open secret (যে গোপন জিনিস সবারই জানা)
52. Cry in the wilderness (অরণ্যে রোদন)
53. Gain the upper hand (নিয়ন্ত্রণ নেওয়া)
54. Worth one’s while (লাভজনক)
55. Up and doing (সক্রিয় হয়ে)
56. Make a case (দাবীর পিছনে যুক্তি রাখা)
57. Let loose (খারাপ কিছুর সম্ভাবনা খুলে)
কপি পোস্ট
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Address
Jashore
Jessore
7400