Munna's English Academy

Munna's English Academy

Share

Dear Students
"I wanna help you to be perfect in every sphere of life"

09/11/2025
02/11/2025

যাদের আজকের পরিক্ষা খারাপ হয়েছে তাদের কে বলব
Question যদি কঠিন হয় সবারই Exam খারাপ হয়,এতে examiner খাতা সেই ভাবেই দেখে, সাধারণত borderline case এ “grace mark” দিতে পারেন (যেমন 38–39 পেলে 40 করে দেন) তো ৪০ মার্কের মধ্যে ২৫+ পেলে টেনশন নাই কারণ ও দিকে Incourse Mark ও যোগ হবে । তাই একেবারে ফেল না করার সম্ভাবনা আছে, যদি কিছু লিখে আসো ।
চিন্তা কোরো না Nu তে যে পরিক্ষা সবথেকে খারাপ হয় সেইটায় সবথেকে ভালো রেজাল্ট হয় । একটা ঘুম দিয়ে পরবর্তী পরিক্ষা নিয়ে প্রিপারেশন শুরু করো ।

11/05/2025

প্রশ্নপত্র কখনো Uncommon হয়না। আপনি যে বিষয়ে পড়াশুনা করছেন সে বিষয়ের Question,Topics & Context আপনার আয়ত্বে থাকলে সবই Common মনে হবে। এক্ষেত্রে পড়াশুনার বিকল্প নাই।

ধরেন আপনি ইংরেজি সাহিত্যের পরীক্ষা দিতে গিয়ে Somehow দেখলেন প্রশ্নপত্র বাংলা সাহিত্যের, এটা হচ্ছে Uncommon Question- যেটা সম্ভবনা আদৌ।
🔹 Question pattern চেঞ্জ হতে পারে,এটা স্বাভাবিক। আপনার বই আয়ত্বে থাকলে Question pattern যেমনই হোক উত্তর করতে পারবেন। আপনি তখন প্রশ্নের প্যাচ'টা ধরতে পারবেন । আমরা একটা গৎবাঁধা Pattern-এ আটকে আছি। মুলত আমরা প্রায় সবাই সালের প্রশ্ন পড়ে অভ্যস্ত_যার কারণে সেইম প্রশ্ন একটু এদিক-ওদিক করে দিলে আমাদের কাছে Uncommon লাগে।
✔️ ইংরেজি সাহিত্যের Trick হচ্ছে Free hand writing এর Competency রেখে যেকোনোভাবে গল্প,উপন্যাস ও কবিতার Summary খুব ভালোভাবে মাথায় রাখা। বিষয়গতভাবে এমন ১০/১২টা প্রশ্ন সিলেক্ট করে আয়ত্বে আনা যাতে করে Question pattern যেমনই হোক লেখা যায়। সেই ১০/১২ টা প্রশ্ন থেকে আপনার প্রায় সব Broad/Short কাভার হয়ে যাবে। যারা শেক্সপিয়ার টাইপ স্টুডেন্ট আছেন তাদের ব্যাপার আলাদা। তাদের ব্যাপারে কথা বলার ধৃষ্টতা আমার নাই। 😑

11/05/2025

"Shall I compare thee to a summer’s day?"

Photos from Munna's English Academy's post 10/05/2025

and

08/05/2025

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ অনার্সের প্রতিটি ইয়ারের প্রশ্ন প্যার্টান পরিবর্তন হ'য়েছে যার প্রমাণ সাম্প্রতিক ৩য় বর্ষের পরিক্ষা।
তবে,ভয়ের কিছু নাই প্রশ্ন আপনার সাবজেক্ট,সিলেবাস বা টপিকের বাইরে দিবে না। বিগত সালের প্রশ্ন রিপিট অবশ্যই হচ্ছে,সেইটা অনেক আগের সালের প্রশ্ন আবার নতুন প্রশ্নে Previous Board এ আসা প্রশ্ন ঘুরিয়ে বিপরীত ক্যরেক্টার দিচ্ছে।
তাই একজন ইংরেজি ডিপার্টমেন্টের স্টুডেন্ট হয়ে অবশ্যই আপনাকে নাটক,কবিতার প্রতিটি Characters,Plot,Summary,Theme সম্পর্কে ভালো আইডিয়া রাখতে হবে এবং কোনো সাজেশন ফলো না করে বিগত সব সালের প্রশ্ন ফলো করা উচিত।
যে কবিতা বা গল্প পড়বেন,ঐ কবিতা থেকে আসা সব বোর্ড প্রশ্ন গুলো ফলো করবেন,একটা Overall Answer তৈরি করবেন Personal Note খাতায়, কষ্ট এতটুকুই। তাই বছরের শুরু থেকে অলসতা না করে অল্প করে রেগুলার বেসড হয়ে যান নয়তো বাঁশঝাড় আপনার জন্য 😊

08/05/2025

#ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স পড়তে আগ্রহীদের জন্য কিছু বাস্তবভিত্তিক পরামর্শ
(বি.দ্র.: নিচের কথাগুলো একান্তই আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে লেখা। কারো ভালো না লাগলে এড়িয়ে যেতে পারেন।)

১. প্রথম বর্ষ থেকেই সিরিয়াস হন:
প্রথম বর্ষে রেজাল্ট ভালো করা তুলনামূলকভাবে সহজ। তাই এই সুযোগটা কাজে লাগান। প্রথম বর্ষে যদি রেজাল্ট খারাপ হয়, তাহলে পরের বর্ষগুলোতে ভালো করলেও CGPA তেমন উন্নত হয় না।

২. স্যারদের সাথে সম্পর্ক ভালো রাখুন:
ডিপার্টমেন্টের স্যারদের সম্মান করুন ও ভালো সম্পর্ক বজায় রাখুন। কারণ, ফার্স্ট ক্লাস পেতে হলে তাদের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।

৩. বাংলা পেপারগুলোকেও গুরুত্ব দিন:
প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষে দুটি করে বাংলা পেপার থাকে। অনেকেই এগুলো অবহেলা করেন, যা ঠিক নয়। বাংলা পেপারগুলোতে ভালো রেজাল্ট করা তুলনামূলক সহজ। তাই এগুলোকেও সমান গুরুত্ব দিন।

৪. নিয়মিত পড়াশোনার অভ্যাস গড়ুন:
প্রতিদিন সময় মতো পড়ুন। নোট তৈরি করে পড়লে মনে রাখতে সুবিধা হয়। গাইড, বই ও গুগল থেকে তথ্য নিয়ে নিজের মতো করে নোট করুন। নিজের বানানো নোট সবচেয়ে কার্যকর।

৫. তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষে প্রস্তুতি আরও বাড়ান:
এই বর্ষগুলোর সিলেবাস বেশি এবং বিষয়গুলো তুলনামূলক কঠিন। তাই শুরু থেকেই মনোযোগী হতে হবে।

৬. ভাইভার গুরুত্ব বুঝুন:
যদি আগের বর্ষগুলোর রেজাল্ট কিছুটা খারাপও হয়, হতাশ হওয়ার কিছু নেই। কারণ, চতুর্থ বর্ষে ভাইভা থাকে। ভালো প্রস্তুতি নিয়ে ভাইভায় অংশ নিলে CGPA অনেকটাই উন্নত করা সম্ভব।

৭. পড়াশোনার পাশাপাশি ভালো কাজে যুক্ত থাকুন:
সময় পেলে ছোটখাটো ভালো কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখুন—যেমন বই পড়া, কিছু শেখা, ভালো কিছু করা। এতে মন ভালো থাকবে, আর মন ভালো থাকলে পড়াশোনাও ভালো হয়।

৮. আল্লাহর সাহায্য চেয়ে শুরু করুন:
পড়তে বসার আগে একবার আল্লাহর কাছে সাহায্য চেয়ে নিন, যেন সময়টা বরকতপূর্ণ হয়।

শেষ কথা:
পড়াশোনাকে বোঝার চেষ্টা করুন, মুখস্থ করার নয়। নিজেকে বিশ্বাস করুন—"আমি পারবো"। যারা আপনাকে পজিটিভ ভাবে দেখে, তাদের সঙ্গে থাকুন। আর শিক্ষক ও বড়দের সবসময় সম্মান করুন।

সবাইকে শুভকামনা ও দোয়া রইল।
(এই লেখাটি যদি কারও সামান্য উপকারেও আসে, তাতেই আমার লিখা স্বার্থক মনে করবো।)

14/11/2024



মাত্রই আপনাদের প্রথম বর্ষের পরিক্ষা শেষ হলো।বসে না থেকে সেকেন্ড ইয়ারের পড়াশোনা শুরু করে দিন এখন থেকেই।প্রথম বর্ষ আর দ্বিতীয় বর্ষ ভালো রিজাল্ট না করতে পারলে পরের ইয়ারে কভার দিতে পারবেন না কোনোভাবেই। সিলেবাস বিশাল হয়ে যাবে। এনিওয়ে পোস্টটা মনযোগ দিয়ে পড়ুন।
-আপনাদের মোট সাবজেক্ট ৬ টা।
1) Romantic Poetry
2) Introduction to Drama
3) History of English Literature
4) Advance Reading and Writing
5) রাজনৈতিক সংগঠন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক অবস্থা
6) বাংলাদেশের সমাজবিজ্ঞান /বাংলাদেশের সমাজ ও সংস্কৃতি

আমি আজকে তিনটা বিষয় নিয়ে কথা বলব। লক্ষ্য করুন, Romantic Poetry তে ৬জন কবির ৬টা কবিতার বই আছে। Introduction to Drama তে ৫জন ড্রামাটিস্টস এর ৫টা ড্রামার বই আছে। আর বাকি বই গুলো সিঙ্গেল।ভালো রেজাল্ট করতে হলে পুরো সেটই কেনা উচিত তবে দাম বেশি পড়লে পুরাতন লাইব্রেরী অথবা সিনিয়রদের থেকে কম টাকায নিয়ে নিবেন।। বাট মূল বইয়ের থেকে সেট সাজেশন+স্টাডি গাইড অথবা স্পেশাল কোনো নোটবুক+অনুবাদ বই গুলো প্রেয়োটি আগে।

#যেভাবে_পড়বেনঃ
❝Introduction to Drama❞
ড্রামার অনুবাদ থেকে গল্পের ছলে ৫টা ড্রামাই আগে পড়ে ফেলবেন।তারপর ইংরেজি বইগুলো থেকে পড়বেন, ড্রামা শেষ হওয়ার পরেই নিজের মতো করে বাংলা+ইংলিশে সামারী পড়ে ফেলবেন এবং প্রতিটা নাটকের মেইন চরিত্র+তাদের বৈশিষ্ট্যগুলো তারপর সামারি লিখে ফেলবেন।প্রত্যেকটা ড্রামার সব ইনফরমেইশান গুলো লিখবেন।

❝History of English Literature❞
হিস্ট্রি মেইন বই পড়ার আগে An ABC of English Literature বইটা পড়ে নিবেন।ব্যাইসিক সম্পর্কে অনেক ধারণা পাবেন। ইংরেজি সাহিত্যে ৮ টা পিরিয়ড আছে। প্রত্যেকটা পিরিয়ড কীভাবে হয়েছে, কত প্রকার, কি কি বৈশিষ্ট্য আছে, প্রতিটা পিরিয়ডের বিখ্যাত রাইটার কারা এবং তাদের অবদান গুলো পড়বেন প্লাস লিখবেন। লিটারেচার এর ব্যাইসিক নিয়ে ইউটিউবে ভিডিও দেখে নিবেন।প্রত্যেকটা এইজ সম্পর্কে না জানলে প্রশ্নগুলোর উত্তর পারফেক্ট হবে না।Romantic Period, Victorian Period, Restoration Period এই তিনটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ওভারঅল সব এইজই পড়তে হবে। বিশেষ করে বৈশিষ্ট্যগুলো।

❝Romantic Poetry❞
পোয়েট্রিতে আছে ৬জন কবির প্রায় ২৫টা কবিতা। আগে উইলিয়াম ব্লেইক এর কবিতাগুলো পড়বেন। ছোট ছোট কবিতা আছে, সহজও তাই বুঝতে সমস্যা হবে না।ব্লেইকের কবিতা ২ভাগে বিভক্ত আছে।এক ভাগে আছে "Songs of Innocence" আর অন্যভাগে "Songs of Experience"। "Songs of Innocence" এর একটা কবিতা পড়ে "Songs of Experience" এ সেইম নামেই কবিতাটা পড়বেন।একটা আরেকটার বিপরীত। পড়ার সময় কমপেয়ার করে পড়বেন। বুঝতে সুবিধা হবে। আর কবিতা পড়তে Figure of Speech লাগবেই।একটা কবিতা শেষ করেই এটার সব ইনফরমেইশান লিখে ফেলবেন প্লাস কোটেশন মুখস্থ করে নিবেন।

এই তিনটা বিষয়ই ভালো করে পড়তে হবে প্লাস বুঝতে হবে।বাকি তিনটা নিজেরাই বুঝবেন।
শুভকামনা সবার জন্য।
ধন্যবাদ।
(3rd Year)

বিঃদ্রঃ An ABC of English Literature বইটি সবাই অবশ্যই কিনবেন।

20/10/2024

অনার্স পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য নির্দেশনা:

প্রথমে বলব, "বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম" বলে লেখা শুরু করবেন। প্রশ্ন টা খুব সুন্দর করে একবার পড়ে নিবেন। যে গুলো পারবেন সিরিয়াল অনুয়ায়ী লিখে রাখুন। আগে ক বিভাগ তারপর গ বিভাগ তারপর খ বিভাগ।

#দ্রুত লেখা:
তুমি তোমার জীবনের সর্বোচ্চ গতিতে লিখবে। অনেকেই প্রথম ১-২টি প্রশ্ন খুব ধীরে ধীরে লেখে, যা একটি বড় ভুল। যারা এমন করবে, তারা কখনোই সময়মতো পরীক্ষা শেষ করতে পারবে না। লেখার গতি বজায় রাখো। লেখা যেদিকে যায় যাক, শুধু বোঝা গেলেই চলবে আর হাতের লেখা ভালো হলেয় হলো। দ্রুত লিখলে লেখা কিছুটা খারাপ হতে পারে, তবে এতে চিন্তার কিছু নেই। সুন্দর লেখা ভালো, কিন্তু না পারলে ভয় পাওয়ারও দরকার নেই।

#নীল কালি ব্যবহার:
পয়েন্ট, কোটেশন এবং রেফারেন্স নীল কালি দিয়ে লিখো এবং আন্ডারলাইন করো। এতে পরীক্ষকের চোখে তা সহজেই পড়বে, আর পরীক্ষকের দৃষ্টি আকর্ষণ করা তোমার কাজ।

#সব প্রশ্নের উত্তর :
সব প্রশ্নের উত্তর করতে চেষ্টা করবে। অনেকেই ভাবেন, ১০ বা ২০ মার্কের প্রশ্ন না লিখলে ক্ষতি হবে না। এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। যদি সময় কম থাকে, তবে কম লিখবে। যদি কোনো উত্তর না আসে, তবে পেইজ খালি রেখে অন্য উত্তর লিখবে।

#প্রশ্নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখো:
প্রশ্নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে উত্তর দিলে খাতা দেখা সহজ হয়। এতে পরীক্ষক সন্তুষ্ট হন, আর তিনি খুশি হলে নম্বরও ভালো আসবে। যে বিভাগ লিখবে তার প্রশ্ন নং সিরিয়াল রাখবে।

# #আর হা তুমি বিভাগীয় প্রশ্ন অবশ্যই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে। # #

#খাতায় কাটাকাটি করবে না:
কাটাকাটি খাতার সৌন্দর্য নষ্ট করে। সুন্দর জিনিস সবসময়ই মূল্যবান। তাই চেষ্টা করবে যেন খাতায় কাটাকাটি কম হয়। যদি কাটতে হয়, তাহলে শুধু একটি সরল দাগ দিয়ে কেটে ফেলো, মুছা বা ঘষাঘষি করবে না।

#সময় ভাগ করে রাখো:
প্রতিটি প্রশ্নের জন্য কত সময় বরাদ্দ করবে, তা আগে থেকেই হিসাব করে নিবে। বরাদ্দকৃত সময়ের মধ্যে উত্তর লিখতে চেষ্টা করো। যদি সময় কিছু বেঁচে যায়, সেটি পরবর্তী প্রশ্নের জন্য ব্যবহার করতে পারো।

#পয়েন্ট ছোট রাখো:
বড় প্রশ্নের পয়েন্টগুলো সাধারণত অনেক বড় করে লেখা থাকে, কিন্তু সবকিছু মনে রাখা সম্ভব নয়। তাই প্রতিটি পয়েন্ট ২-৩ লাইনের বেশি না লিখে, মূল কথা লিখতে চেষ্টা করো।

---

পরীক্ষার সময়কাল: ৪ ঘন্টা = ২৪০ মিনিট

ক-বিভাগ:
১০ মার্কের জন্য ৩০ মিনিট
প্রতি ১ মার্কের জন্য ৩ মিনিট

গ-বিভাগ:
৫০ মার্কের জন্য ১৫০ মিনিট
১০ মার্কের একটি প্রশ্নের জন্য ৩০ মিনিট বরাদ্দ। ৩০ মিনিটের বেশি সময় না দিয়ে চেষ্টা করবে ২-৩ মিনিট বাঁচিয়ে রাখতে, যাতে যেটি ভালো পারো, সেটিতে বেশি সময় দিতে পারো। ১০ মার্কের জন্য অন্তত ৭-৮ পৃষ্ঠা লেখার চেষ্টা করবে। এক পৃষ্ঠা লিখতে ৬-৭ মিনিটের মধ্যে লিখতে হবে, তাই লেখার গতি ভালো করতে হবে।

খ-বিভাগ:
২০ মার্কের জন্য ৬০ মিনিট
প্রতি ৪ মার্কের একটি প্রশ্নের জন্য ১২ মিনিট বরাদ্দ রাখবে। এখানে ২-৩ পৃষ্ঠা লিখবে।

---

অতিরিক্ত প্রস্তুতি:

১. অবশ্যই একটি পানির বোতল, টিস্যু, ঘড়ি, পেনসিল, কালার কলম, এবং এক্সট্রা কলম সঙ্গে রাখবে।
২. রাতে এডমিট কার্ড ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড সাদা ফাইলে গুছিয়ে রাখবে।

সময় সংবেদনশীলতা:
বাংলা লেখা শেষ করা বেশ কঠিন, তাই সময় খুব সেনসেটিভ। ১ মিনিট এদিক-ওদিক হলেই বিপদে পড়তে পারো। কোনো প্রশ্নই বাকি রাখবে না,প্রতিটি উত্তরে টাচ করবে যাই হোক প্রশ্নের উত্তর লিখলে কিছু না কিছু মার্ক পাবে।

প্রথমে প্রশ্ন পাওয়ার পর, পেনসিল দিয়ে সিরিয়াল মার্ক করে ঠিক করে নাও কোনটার পরে কোনটা লিখবে। একদম ছোট্ট করে দাগিয়ে নিবে, বেশি দাগালে স্যার-ম্যাডাম ঝামেলা করতে পারে।

ক বিভাগের সময় যতটা সম্ভব সময় সেভ করতে পারবে ততটাই খ এবং গ বিভাগে বেশি সময় ব্যয় করতে পারবে। প্রশ্ন না পারলে,সেইটা বাদ রেখে অন্যটায় সময় দিবেন।একটা নিয়ে গবেষণা করতে যাবেন না।

---

পরীক্ষার সময় ভাগ করে নেওয়ার উদাহরণ:

তোমার পরীক্ষার জন্য মোট ২৪০ মিনিট (৪ ঘণ্টা) আছে এবং পূর্ণমান ৮০। তুমি এই সময়কে ৩টি ভাগে ভাগ করতে পারো:

১. ক-বিভাগ: ১০ মার্ক, ৩০ মিনিট (১:০০ PM - ১:৩০ PM)
২. গ-বিভাগ: ৫০ মার্ক, ১৫০ মিনিট (১:৩০ PM - ৪:০০ PM)
৩. খ-বিভাগ: ২০ মার্ক, ৬০ মিনিট (৪:০০ PM - ৫:০০ PM)

সময়ভাগের সূচি:

ক-বিভাগ: ১:০০ PM - ১:৩০ PM

গ-বিভাগ:
প্রশ্ন ১: ১:৩০ PM - ২:০০ PM
প্রশ্ন ২: ২:০০ PM - ২:৩০ PM
প্রশ্ন ৩: ২:৩০ PM - ৩:০০ PM
প্রশ্ন ৪: ৩:০০ PM - ৩:৩০ PM
প্রশ্ন ৫: ৩:৩০ PM - ৪:০০ PM

খ-বিভাগ: ৪:০০ PM - ৫:০০ PM (১২/১৫ মিনিট করে সময় দিবে।)

এই সময় ভাগের মাধ্যমে প্রতিটি অংশের জন্য যথেষ্ট সময় পাবে।

---

অতিরিক্ত গাইডলাইন:

পরীক্ষার আগে সব বিষয় ভালভাবে রিভিউ করো। প্রয়োজন হলে প্র্যাকটিস টেস্ট নাও।

পরীক্ষার দিন সকালে সঠিক খাবার গ্রহণ করো, যাতে শরীর এবং মন উভয়ই সজাগ থাকে।

পরীক্ষা চলাকালীন অযথা চাপ নেবে না; শান্ত থাকো এবং নিজেকে বোঝাও যে তুমি প্রস্তুত। ভাগ্য যা আছে তাই হবে,নিজের সবর্চ্চ দিয়ে চেষ্টা করবে।

পরিক্ষা হলে সব সময় মনে মনে দোয়া ইউনূস পড়বে। পড়া মনে না আসলে দূরুদ শরীফ বা দোয়া ইউনূস পড়বে।

সবশেষে, আত্মবিশ্বাসী হও এবং মনে রেখো, পরীক্ষার ফলাফলই সবকিছু নয়; তোমার প্রচেষ্টা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
পরীক্ষা তুমি আগেও দিয়েছ, এখনও দিচ্ছ, সামনেও দেবে।
যদি কখনও মনে হয়, আর পারছি না, এবার পালিয়ে যাই, তবে মাথায় এনো, আগেও এমনটা হয়েছে, যখন তোমার মনে হয়েছে, থাক, এখন হার মেনে নিই, তবুও তুমি হার মেনে নাওনি বলেই আজকের এই জায়গায় আসতে পেরেছ।
মানুষ কীভাবে তৈরি, জানো তো? মানুষ ভাবে আর প্রায়ই ভাবে, আর পারছি না, এত কষ্ট নেওয়া যায় না, তবু সে ঠিকই সব পেরে যায়।পেরে যাবার জন্যই মানুষের জন্ম হয়েছে।
তুমিও মানুষ, তাই তুমিও পারবে।শুধু হাল ছেড়ে দিয়ো না, তাহলেই হবে।

সাফল্যের জন্য শুভকামনা!

-মুন্না (অনার্স ৩য় বর্ষ)
ইংরেজি বিভাগ।

Photos from Munna's English Academy's post 19/09/2024




এই কম সময়ে সাজেশন গুলো ফলো করলেই যথেষ্ট,
ইনশাআল্লাহ পরিক্ষায় কমন পাবেন।

12/09/2024

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীদের জন্য প্রমোশন উত্তীর্ণ হওয়ার নিয়ম

পাশ মার্কসঃ ৮০ মার্কস এর পরীক্ষায় পাশ মার্কস হলো ৩২, পাশ করার পর ইনকোর্সের মার্কস যোগ হবে.. ইনকোর্স পরিক্ষায় পাশ মার্কস ৮।

(১) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এর নিয়ম অনুযায়ী ১ম বর্ষ থেকে ২য় বর্ষে প্রমোশনের জন্য কমপক্ষে ৩টা বিষয়ে পাশ করতে হবে এবং সিজিপিএ ১.৭৫ অর্জন করতে হবে..
(২) ২য় বর্ষ থেকে ৩য় বর্ষে প্রমোশনের জন্য কমপক্ষে ৩টা বিষয়ে পাশ করতে হবে এবং কমপক্ষে সিজিপিএ ২.০০ অর্জন করতে হবে..
(৩) ৩য় বর্ষ থেকে ৪র্থ বর্ষে প্রমোশনের জন্য কমপক্ষে ৪টা বিষয়ে পাশ করতে হবে এবং কমপক্ষে সিজিপিএ ২.২৫ অর্জন করতে হবে..
(৪) সকল কোর্সের ( ইনকোর্স /তত্ত্বীয় /ব্যবহারিক/ মাঠকর্ম/ মৌখিক ) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা বাধ্যতামূলক..
(৫) একাধিক বিষয়ে অনুপস্থিত থাকা যাবে না। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র যে কোন ১টি বিষয়ে অনুপস্থিত থাকলে, বাকি অন্যান্য সব বিষয়ে পাশ করতে হবে..
(৬) ১ম বর্ষের সব বিষয়ে পাশ না করা পর্যন্ত ২য় বর্ষের প্রমোশন বন্ধ থাকবে.. (Only for absent students)
(৭) ২য় বর্ষের সব বিষয়ে পাশ না করা পর্যন্ত ৩য় বর্ষের প্রমোশন বন্ধ থাকবে.. (Only for absent students)
(৮) ৩য় বর্ষের সব বিষয়ে পাশ না করা পর্যন্ত ৪র্থ বর্ষের প্রমোশন বন্ধ থাকবে.. (Only for absent students)
(৯) C,D গ্রেড এ যে কোন বর্ষের ক্ষেত্রে Improvement একবার দেয়া যায়। কিন্তু যতবার Fail করবে ততবারই ইম্প্রুভমেন্ট দিতে পারবে, তবে রেজিষ্ট্রেশনের মেয়াদের মধ্যে..
(১০) রেজিষ্ট্রেশনের মেয়াদ ৬ বছর..
(১১) একের অধিক পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকলে ফলাফল Not-Promoted আসবে.. (১২) Not- promoted হলে আপনি পরবর্তী শিক্ষাবর্ষে প্রমোশন পাবেন না..
(১৩) Not-Promoted হলে আপনার ১ বছর শিক্ষাবর্ষ নষ্ট হয়ে যাবে..
(১৪) একই শিক্ষাবর্ষে ২বার Not-Promoted হলে আপনি অনার্স কোর্সে Drop out বলে বিবেচিত হবেন..
(১৫) ২বার Not-Promoted এর কারণে আপনার অনার্স কোর্সটি বাতিল হয়ে যাবে.. ফলে আপনি আর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স কোর্স করতে পারবেন না..
(১৬) F প্রাপ্ত কোর্সের গ্রেডকে অবশ্যই কমপক্ষে D গ্রেডে উন্নীত করতে হবে.. অন্যতায় অনার্স ডিগ্রী প্রাপ্ত হবে না..
(১৭) যারা Not-Promoted হবে, তাদের আবার আগের বর্ষে ভর্তি হয়ে পরিক্ষা দিয়ে পাশ করতে হবে..
(১৮) ১,২ বা ৩ বিষয়ে ফেল করে ও যারা পাশ করেছে তারা পরবর্তী বর্ষে উঠতে পারবে কিন্তু তাদেরকে ফেল করা বিষয়ে আবার ইম্প্রুভমেন্ট পরীক্ষা দিয়ে পাশ করতে হবে..
(১৯) শুধু C, D বা F পেলে ইম্প্রুভমেন্ট দিতে পারবে..
(২০) Not-Promoted প্রাপ্তরা C এবং D প্রাপ্ত বিষয়ে পরিক্ষায় দেয়া বাধ্যতামূলক নয়.. তবে মান উন্নয়নের জন্য দিতে পারবে..
(২১) C,D ইম্প্রুভমেন্ট পরিক্ষার গ্রেড় উন্নতি করতে না পারলে Subject GPA আগেরটাই থাকবে..
(২২) ইম্প্রুভমেন্ট দেয়া বিষয়ে সর্বোচ্চ B+ গ্রেড়ের সীমার নিয়ম রাখলেও তা এখন কার্যকর নয়, তাই এখন যে যা পাবে তা দিয়ে দেয়া হবে..

Want your school to be the top-listed School/college in Jessore?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Jashore, Khulna
Jessore
7400