Oxford International School & College Jatrabari

Oxford International School & College Jatrabari

Nearby schools & colleges

Accounting Buzz
Accounting Buzz
Dhaka

Comments

অভিভাবক দিবসের কিছু মুহুর্ত 😇😇
অভিভাবক দিবস.....😊😇
School picnic 2019
School tour
সকল মিলে গণ সচেতনতা সৃষ্টি করুন।
Make a Team.....

শিক্ষা নিয়ে গড়বো দেশ, শেখ হাসিনার বাংল Intensive Family Care

Operating as usual

05/05/2021

Class: Play-group
2nd Tutorial Study Plan-2021

15/04/2021
Photos from Oxford International School & College Jatrabari's post 22/11/2020

অনলাইনে ভর্তি চলছে!

Photos from Oxford International School & College Jatrabari's post 17/06/2020

class one math solution

Photos from Oxford International School & College Jatrabari's post 17/06/2020

শিক্ষাবর্ষ ২০১৯ এর পুরস্কার বিতরণী...শ্রেষ্ঠ শিক্ষক শিক্ষিকা

Teacher picnic & party 17/06/2020

স্মরনে অমলিন.......

Teacher picnic & party 17/06/2020
Photos from Oxford International School & College Jatrabari's post 16/06/2020

Class two math solution

16/06/2020

বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কিন্ডারগার্টেন শিক্ষক সমিতির মহাসচিব শেখ মিজানুর রহমান বলেন, করোনাকালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সর্বস্তরে তার সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এমপি নন এমপিও কওমি মাদরাসাও বাদ পড়ে নাই। একমাত্র এখনো অর্ন্তভুক্ত হয়নি কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলো। আশাকরি তিনি এদেশের শিশু শিক্ষায় বিশাল অবদানের জন্য আমাদের দিকে দৃষ্টি দেবেন। কিন্ডারগার্টেন স্কুলগুলো কখনো সরকারের কাছে আর্থিক অনুদান বা সহযোগিতা দাবি করেনি। দেশের শিশু শিক্ষা বিপন্নের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য কতিপয় সুপারিশ বাস্তবায়ন প্রত্যাশা করছি।

* সহজশর্তে এক হাজার কোটি টাকা ঋণ দেয়া।
* শিক্ষক-কর্মচারীদের আর্থিক সহযোগিতা প্রদান।
* শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য রেশন কার্ডের ব্যবস্থা।
* সহজ শর্তে রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনা।
* কিন্ডাগার্টেন স্কুলগুলোকে নিয়মিত দেখভাল করা।
* বিদ্যালয় অফিস খোলা রেখে লেভাপড়া বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেয়া।

করোভাইরাস স্বাভাবিক অবস্থা না আনা পর্যন্ত শিশু শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে এনে পাঠদান মোটেই কাম্য নয়। তবে দীর্ঘ সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থকলে যাতে শিক্ষক-কর্মচারী, প্রতিষ্ঠানের অস্বিত্ব বিপন্ন না হয় সেদিকে দৃষ্টি দেয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করি।

এম এইচ জুয়েল
অধ্যক্ষ
অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ।

16/06/2020

করোনা মহামারীর সময় শিশুদের জন্য বাড়িতে যা করবেন:

১. পরিবারের সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল সহজ ও ভয়হীন করুন, মা-বাবার ব্যক্তিত্ব যেখানে শিশুর জন্য অনুকরণীয় হবে।
২. সার্বক্ষণিক আনন্দময় পরিবেশ বজায় রাখুন। পরিবারের নিজস্ব নিয়মনীতিগুলো সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হতে হবে।
৩. ছোট-বড়নির্বিশেষে পরিবারের সবার মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখার পারিবারিক সংস্কৃতি নিশ্চিত করুন। পরিবারে কেউ কারও অধীনে নয়—এমন মনোভাব তৈরি করুন।
৪. বিতর্ক করার পরিবেশ তৈরি করুন। এমনকি ছোট শিশুও যেন দ্বিমত পোষণ করতে পারে তার অপছন্দের ব্যাপারে, সেই পরিবেশ তৈরি করতে হবে বাড়িতে।
৫. শিশুদের দিয়ে কিছু করিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে লোভ বা ভয় না দেখিয়ে নিঃশর্ত ভালোবাসার মাধ্যমে শিশুকে দিয়ে করিয়ে নিন কাজটি।
৬. শিশুকে কঠোর শাসনে রাখা এবং অতিরিক্ত স্বাধীনতা দেওয়ার মধ্যে নিরন্তর সমন্বয় সাধন করুন। মনোবিজ্ঞানীর পরামর্শ হচ্ছে, এই সমন্বয় সম্ভব না হলে কঠোর শাসনের চেয়ে প্রশ্রয় ভালো পদ্ধতি।
৭. শিশুর অকপট ও নির্ভয়ে কথা বলার পরিবেশ তৈরি করুন। এর সঙ্গে শিশুর নিজস্ব জগৎ তৈরিতে তাকে সহায়তা করুন।
৮. নিজেরা মানেন না এমন কোনো নিষেধাজ্ঞা জারি করবেন না। বড় শিশুদের ১৮ বছর বয়সের আইনানুগ অধিকারের কথা বোঝান।

এ বিষয়গুলো ঠিক করতে শিশু-কিশোরদের সঙ্গে বেশি বেশি কথা বলুন এবং তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। শিশুর সঙ্গে কথা বলার ক্ষেত্রে কিছু পরামর্শ:

• শিশুর সব কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। শিশুটিও তাহলে সব কথা শোনায় অভ্যস্ত হবে। শিশুর প্রতিটি কথাকে যদি গুরুত্ব দেওয়া হয়, তাহলে সে সহজেই মনোযোগ দিয়ে সব কথা শুনবে এবং আলোচ্য বিষয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবে।
• শিশুকে কী কী করা অনুচিত, সেটা না বলে কী কী করা উচিত সেটা বলুন।
• শিশু ভালো কিছু করলে বিস্তারিত ও যুক্তিপূর্ণ ব্যাখ্যাসহ প্রশংসা করুন, ভিত্তিহীন প্রশংসা করবেন না।
• শিশুর প্রশংসা করতে হবে শিশুর ব্যক্তিত্ব, সুস্থ বিতর্ক, বুদ্ধিদীপ্ত প্রশ্ন, দায়িত্বশীল আচরণ ইত্যাদি সূত্রে।
• যেকোনো ইতিবাচক প্রয়াসের জন্য শিশুকে প্রশংসা করুন, সফলতার জন্য নয়।
• শিশুকে তার আবেগ ও অনুভূতি প্রকাশ করতে উৎসাহিত করুন।
• মা-বাবার কথা বলার স্টাইলই শিশুর কাছে বিবেচ্য হবে, শিশুটি কীভাবে কথোপকথনে যুক্ত হচ্ছে, সেটা জরুরি নয়। কাজেই নিজেদের কথা বলার ধরনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনুন।
• মা-বাবার যদি কখনো মনে হয় সঠিক কথাটি মনে আসছে না, তাহলে একটু থেমে থাকা ভালো। শিশুকে কঠিন কিছু বলার চেয়ে কিছু না বলাই শ্রেয়।
• আপনার আলোচনা যে জরুরি, শিশুটিকে সেটা বোঝাতে হবে। বিষয়টি মা-বাবার অন্য সব কাজের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কথা বলার সময় হাতের কাছে ফোন বা ল্যাপটপ রাখবেন না। তাতে শিশু মনে করতে পারে, আপনি তার সঙ্গে অযথাই আলোচনা করছেন।

শিশুর যেকোনো অপ্রত্যাশিত আচরণে করণীয়

• কোনো কিছু বলা বা করার আগে শিশুর অনভিপ্রেত আচরণের পেছনের কারণ জানা এবং শিশুর অবস্থান থেকে বোঝার চেষ্টা করুন।
• শিশুকে নিয়ন্ত্রণ করার কথা না ভেবে নিজেকে নিয়ন্ত্রণের কথা ভাবুন।
• অভিভাবক হিসেবে শিশুর প্রতি চাহিদা বা প্রত্যাশায় নিয়ন্ত্রণ রাখুন। বয়স অনুসারে অধিকার ও দায়বদ্ধতার একটি মানদণ্ড তৈরি করে তা বজায় রাখুন, একেক সময় একেক রকম নয়।
• শিশুকে দিয়ে কোনো কিছু করিয়ে নেওয়ার জন্য উপহার বা অন্য কোনো প্রলোভন দেখাবেন না কিংবা ভয় দেখাবেন না।
• শিশুর প্রত্যাশিত আচরণের দিকে মনোযোগ রেখে তার অপ্রত্যাশিত আচরণকে অবজ্ঞা করুন।

যেসব শিশু ছবি আঁকতে পছন্দ করে, ধরে নেওয়া যেতে পারে এই সময়ে তাদের ব্যস্ত রাখতে অভিভাবকদের বেশি ভাবতে হচ্ছে না। তবে শিশুকে অনুপ্রাণিত করে এই আঁকার কাজকে একেকটি প্রকল্পের রূপ দিন। প্রতিদিনের একটি করে ভালো ছবি ক্যাপশনসহ জমা করুন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এই সংগ্রহ দিয়ে একটি বই বাঁধাই করার চেষ্টা করতে পারেন।

এ সময়ে সময় কাটানোর একটি ভালো উপায় পরিবারের সবাই মিলে সিনেমা দেখা। শিশুদের বয়স অনুপাতে দেখার উপযোগী পূর্ণদৈর্ঘ্য ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এবং ডকুমেন্টারি বিনোদনের পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক শিক্ষায় সহায়ক ভূমিকা রাখে। এ জন্য বাড়ির সবাই বসে দেখার মতো বিষয় খুঁজে নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে ইরানের চলচ্চিত্র কিংবা জাপানের অ্যানিমেশনের কথা বলা যায়। যারা শিশুদের সঙ্গে একটু সিরিয়াস ধরনের কিছু দেখতে চান, তাঁরা বিবিসি বা ন্যাশনাল জিওগ্রাফির ইউটিউব চ্যানেল ঘেঁটে দেখতে পারেন।

রান্নাঘর যে একটি সমৃদ্ধ বিজ্ঞানাগার, সে কথা আমরা অনেকেই খেয়াল রাখি না। সেটা কেবল পুষ্টিবিজ্ঞানের জন্য নয়। রসায়ন ও পদার্থবিদ্যার অনেক কার্যকারণ রান্নাঘরে দেখানো যায়। গণিত ও সমাজবিজ্ঞানের জন্যও রান্নাঘর একটি ভালো ল্যাব হতে পারে। খুব ছোট শিশুদের রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদীর শিশুদের জন্য লেখা একটি বিজ্ঞানের বইয়ের নাম ‘আমরা যা খাই, আসলে ছাই খাই’। রান্নাঘরে বসে এই বইয়ের নাম বলুন শিশুরা অবাক হবে, আগ্রহও বাড়বে।

ভালো রান্নার জন্য পরিমাণের সূক্ষ্মতম হিসাব এবং সময়জ্ঞানের পর্যবেক্ষণ শিশুদের মনে গাণিতিক বোধ জাগাতে সহায়ক হবে। শিশুর প্রিয় খাবারের উপাদান নিয়ে খাবার টেবিলে তার সঙ্গে আলোচনা করুন। খাবারের সঙ্গে কত ধরনের মানুষ জড়িত, সেসব গল্প বলুন। দেখবেন, শিশু মজা পাচ্ছে। বিভিন্ন খাবারের উৎস নিয়েও কথা বলতে পারেন শিশুদের সঙ্গে।

বুদ্ধিমান মানুষ এখনকার ভাবনা ভাবতে ভাবতেই ভবিষ্যতের কথা ভাবেন। যাঁরা আরও বেশি ভাবতে পারেন, তাঁরা যদি নিজ নিজ শিশুদের অন্যভাবে ভাবতে সাহায্য করেন, সেটা খুব ভালো হয়। কারণ, এই শিশুরা এমন একটা সময় পার করছে, যা আমরা কেউ জীবনে দেখিনি। এখনই ওদের ভাবতে সাহায্য করলে ওরা যখন আমাদের জায়গা নেবে, ওদের কল্পনার ছবি আঁকার ক্যানভাস প্রশস্ততর হতে পারে। চলমান মহামারির সংখ্যা-পরিসংখ্যানের খবর শিশু-কিশোরদের না শুনিয়ে সুনামি অব ইনফরমেশন বা ইনফোডেমিক থেকে তাদের রক্ষা করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

13/04/2020

বড়ই চিন্তার বিষয়,,,,,,,,,
মনোযোগ দিয়ে পড়ুন,,,,!!!
দাজ্জাল আগমনের পূর্বে কয়েক ধাপে সমগ্র বিশ্বে খাদ্য সংকট তৈরি হবে। চূড়ান্ত খাদ্য সঙ্কট এমন পরিস্থিতি তৈরি করবে যে, এক সপ্তাহ ঘুরে একটা মহল্লা থেকে খাওয়ার জন্য একটি রুটি পাওয়া যাবে না। আর দাজ্জালের আত্মপ্রকাশ হবে সদ্য প্রস্তুতকৃত গরম গরম রুটি ও ভূনা গোস্তের ভান্ডার নিয়ে। দিনের পর দিন ক্ষুধার্ত থাকা কোনো মানুষের সামনে যদি এমন লোভনীয় খাবার নিয়ে হাজির হয়ে একটি মাত্র শর্তের বিনিময়ে খাবার দেয়া হয় তাহলে তার অবস্থা কেমন হবে তা ২/১ দিন অভূক্ত থেকে সহজেই উপলব্ধি করা সম্ভব।



করোনা ভাইরাস ইস্যুতে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তাতে বাংলাদেশের প্রায় এক তৃতীয়াংশ মানুষ খাদ্য সঙ্কটের সম্মুখীন হয়েছে। যদি পরিস্থিতি এমনই থাকে তাহলে আগামী এক মাসের মধ্য এই সঙ্কটের ভয়াবহতা আরো স্পষ্টরুপে প্রকাশিত হবে। আর এই পরিস্থিতি আগামী ২-৩ মাস ধরে জারি থাকলে ভয়াবহতা কোন পর্যায়ে পৌঁছবে তা সহজেই আনুমেয়।



এরুপ পরিস্থিতিতে মুমিনদের জন্য সম্ভাব্য করনীয় এমন হতে পারেঃ

১. রসুল সল্লাল্লাহু আ'লাইহিওয়াসাল্লামের সুন্নাহ ছিলো তিনি যখনই কোন পেরেশানির সম্মুখীন হতেন তখনই সলাতে দাঁড়িয়ে যেতেন। তাই আমরা যেন হালতের বিপরীতে আল্লাহজাল্লা শানহুর দরবারে বেশি বেশি আমল পেশ করি ইনশাআল্লাহ।



২. ইউসুফ আলাইহিস্সালাম স্বপ্নের বিপরীতে শাসককে খাদ্য সঙ্কট মোকাবিলায় যে পদ্ধতি বাতলে দিয়েছিলেন আমরা তার উপর আমল করতে পারি ইনশাআল্লাহ। সহজে অনেকদিন সংরক্ষণ করা যায় এমন খাবার যেমন - চাল, ডাল, গম, ছোলা, চিড়া, মুড়ি, খেজুর, মধু ইত্যাদি খাবার যথাসম্ভব সংরক্ষণ করে রাখা উত্তম হবে ইনশাআল্লাহ।



৩. খাদ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি যাদের পক্ষে সুযোগ আছে হাঁস-মুরগী, ছাগল-ভেড়া ইত্যাদি পালনের তাদের উচিত যথাসম্ভব গবাদিপশু পালনের ব্যবস্থা রাখা। খাদ্য সঙ্কটের সময় দুধ, ডিম, গোস্তের যোগান দেয়া যেকারো জন্য অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে।



৪. টাকা-ডলারের বিপরীতে স্বর্ণ, রৌপ্য মজুদ করতে থাকা। অনেক বড় ক্রাইসিস দেখা না দিলে স্বর্ণ বা স্বর্ণালঙ্কার হাতছাড়া না করা। নিজের যাবতীয় টাকা-পয়সা ব্যাঙ্কে ফেলে রাখা ক্ষতির কারণ হতে পারে। উত্তম হবে অর্থ-সম্পদ এমন কোথাও বা কোনভাবে মজুদ করা যেন চাইলেই তা হস্তগত করা যায় ইনশাআল্লাহ।



৫. দ্বীনি কারণ ব্যতিত গ্রামাঞ্চল ও মফস্বল এলাকা ছেড়ে শহরাঞ্চলে স্থানান্তরিত না হওয়া। শহরাঞ্চলে অবস্থিত ব্যক্তিদের জন্য সবচেয়ে ভয়াবহতা দেখা দিবে খাবার পানির যোগান ঠিক রাখা। তাই অবস্থানভেদে খাবার পানির পর্যাপ্ত যোগান দেয়া যাবে এমন ব্যবস্থা রাখতে হবে।



৬. প্রয়োজনীয় ঔষধ-পত্র, খাবার স্যালাইন ইত্যাদি পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুদ রাখা।



৭. জীবন-যাপনের ক্ষেত্রে নবীওয়ালা, সাহাবীওয়ালা যুহুদ অবলম্বনে পারিবারিকভাবে অভ্যস্ত হতে থাকা।



আল্লাহজাল্লা শানহু এই গাফেল উম্মতকে দ্বীনের উপর ইস্তিকামাত দান করুন, হিদায়াতের সাথে হিফাজত করুন। আমীন....

02/01/2020

Share anywhere📣
And
Save your Timeline🕛

Photos from Oxford International School & College Jatrabari's post 02/01/2020

ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজ এর পক্ষ থেকে
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ২০১৯ শিক্ষাবর্ষে উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদান করে।

এই সম্মাননা অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করে #অক্সফোর্ড_ইন্টারন্যাশনাল_স্কুল_এন্ড_কলেজ

অনুষ্ঠানের শেষে সকল শিক্ষার্থীদের সম্মাননা প্রদানের পর এক সাথে অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের একাংশ।

15/10/2019

পানাম সিটিতে অক্সফোর্ড স্কুল🎉🎉🎉

21/03/2019

Oxford International School & College Jatrabari's cover photo

28/12/2018

Oxford International School & College Jatrabari

22/11/2018

School Party 2018

24/10/2018

আশা নামের আলোটি কে কখনোই
নিভতে দেওয়া উচিৎ নয়।
একটি রুমের ভেতরে চারটি মোমবাতি ।
জ্বলছিলো। মোমবাতি গুলো একে অপরের
সাথে তাদের নিজস্ব ভাষায় কথা বলা শুরু
করলো। প্রথম মোমবাতি টি বললো ‘আমি
শান্তি। কেউ আমাকে জ্বালিয়ে রাখতে
পারবেনা। আমি এখন নিভে যাবো।’ তারপর
সেটি নিভে গেলো।
দ্বিতীয় মোমবাতি টি বললো ‘আমি বিশ্বাস।
শান্তি যেহেতু নেই, তাই আমার আর জ্বলতে
থাকার কোনো প্রয়োজন দেখছিনা। আমি
এখন নিভে যাবো’। কথা শেষ করার
পর দ্বিতীয় মোমবাতি টি নিভে গেলো।
তৃতীয় মোমবাতি এবার মুখ খুললো, আমি
ভালবাসা। শান্তি এবং বিশ্বাস কেউ নেই, তাই
আমারো বেশিক্ষণ জ্বলার মত শক্তি নেই।
মানুষেরা আমাকে গুরুত্ব না দিয়ে একপাশে
সরিয়ে রাখে। শুধু তাই না, ওরা প্রিয় মানুষ
গুলোকে পর্যন্ত ভুলে যায়। কথা শেষ করে
তৃতীয় মোমবাতিটিও নিভে গেলো।
কিছুক্ষণ পর রুমের মধ্যে একটি বাচ্চা প্রবেশ
করলো, তিনটা নিভে যাওয়া মোমবাতির পাশে।
টিমটিমে জ্বলতে থাকা চতুর্থ মোমবাতি দেখে
বাচ্চা টি প্রশ্ন ছুড়ে দিলো তোমরা জ্বলছো না।
কেন?
তোমাদের পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত।
জ্বলা উচিৎ ছিলো। তারপর
বাচ্চা টি কাঁদতে শুরু করলো। এবার চার
নম্বর মোমবাতি টি মুখ খোলে। ‘ভয় পেয়ো
না। আমি যতক্ষণ জ্বলছি, তুমি চাইলেই
আমাকে দিয়ে আবারো বাকি মোমবাতি
গুলোকে জ্বালাতে পারো। আমার নাম আশা।
বাচ্চা টি আশা নামের মোমবাতি টি দিয়ে।
একে একে বাকি মোমবাতি গুলোকে আবারো
জ্বালালো। সমস্ত রুমটা আবারো উজ্জ্বল
আলোতে আলোকিত হয়ে উঠলো।
গল্পটি রূপক কিন্তু হাজারো হতাশা, দুঃখ
আর সমস্যার অন্ধকারে ডুবে গিয়ে আশা নামের আলোটিকে কখনোই নিভতে দেয়া উচিৎ নয়। কারণ আশা না থাকলে আমাদের জীবনে থেকে শান্তি, বিশ্বাস ও ভালোবাসা অন্ধকারে হারিয়ে যাবে।

23/10/2018

›››››বন্ধু তোমার প্রতিদান দিয়ে গেলাম।

অনেক দিন আগের কথা। নীল আকাশের নিচে নীল সাগরের নীল পানিতে নীল জেলের বাস ছিল। তার নাম নীল কেন রাখা হয়েছে তা কেউ জানতনা। কিন্তু কাকতলীয় ভাবে নীল জেলের বেঁচে থাকার মাঝে প্ৰকৃতির কত নীলেরই সমাগম হয়েছিল।
ছোট্ট নীল জেলে প্রতিদিনই তার বাবাকে
মাছ ধরতে সাহায্য করতে সাগরে আসত।
সে খুব উদার ছিল। বাবার অলক্ষে অনেক বাচ্চা মাছকেই সে পানিতে ছেড়ে দিত। বাবার জালে আটকে থাকা মাছগুলোকে দেখে তার অনেক কষ্ট হত। কেমন ছট ফট্‌ করত ওগুলো।
একদিন হল কি, নীল জেলের বাবার জালে। একটা কচ্ছপ আটকা পরল। কচ্ছপরা সবসময় ভান ধরে থাকতে পছন্দ করে। জালে আটকে যাওয়া কচ্ছপটিও মরার মত চুপটি মেরে রইল। নীল জেলের বাবা সেটিকে মরা মনে করে নৌকাতেই ফেলে রাখল। এদিকে কচ্ছপ ছানার যায় যায় অবস্থা পানি ছাড়া
আর কতক্ষণ বেঁচে থাকা যায়।
সেদিন নীল আকাশের প্রখর সূর্যটা একটুকুও বিশ্রাম নিচ্ছিলনা। প্রচণ্ড রোদে কচ্ছপ ছানার শরীর শুকিয়ে কাঠ হয়ে যাবার যোগাড়। কচ্ছপ ছানা দুর্বল হয়ে গেলেও বুদ্ধি লোপ পায়নি। সে অনেকক্ষন ধরেই খেয়াল করছিল নীলের কান্ড কারখানা। সে বাবার জাল থেকে চুপ করে মাছ ছেড়ে দিচ্ছে। তাই সে মনে মনে
চিন্তা করছিল, কখন সে নীলের চোখে পড়বে। বাবার সাথে মাছ সংগ্রহ করতে করতে নীল জেলে হাঁপিয়ে উঠেছিল। একটু বিশ্রাম নিবে বলে বসল। কিন্তু ভুল করে কচ্ছপ ছানাটির উপড়েই বসে পড়ল। ছোট্ট কচ্ছপ অনেক কষ্টে নড়ে উঠল। নীল ভয় পেয়ে গেল, তার
নিচ থেকে কে নড়ছে? উঠে বসতেই দেখল, সে একটি ছোট্ট কচ্ছপের উপর বসে ছিল। কচ্ছপটির জন্য তার খুব মায়া হল। সে কচ্ছপটিকে আদরের সাথে হাতে নিল। মনে করেছিল কচ্ছপটি মারা গেছে। কিন্তু কচ্ছপটি তার খোলসের ভিতর থেকে মাথা বের করল, তা দেখে নীলের আনন্দ কে দেখে! সে নাচতে
লাগল। নীল হঠাৎ নাচা নাচি বন্ধ করে দিল কারন তাকে ডাকছিল কিন্তু কে সে তা বুঝতে পারছিলনা। একসময় বুঝতে পারল তার হাতে থাকা কচ্ছপটি তাকে ডাকছে। কচ্ছপটি মাথা বের করে কাঁদো কাঁদো হয়ে বলল, “ও ভাই ছোট্ট জেলে, আমাকে পানিতে ছেড়ে দেওনা, আমি কচ্ছপদের কাছে ফিরে যাই"।
নীলের খুব মায়া হল, সে তাকে পানিতে ছেড়ে সন্ধ্যা বেলায় নীল সাগরের মাঝে প্রচণ্ড ঢেউ খেলতে লাগল। ঝড় উঠেছে কিন্তু নীলদের নৌকা তখনও পাড়ে আসতে পারেনি।
একসময় নীলদের ছোট নৌকাটা ঝড়ের সাথে পাল্লা দিয়ে ভেসে থাকতে পারলনা। সেটি ডুবে গেল। বাবা নীলের হাত ধরে ছিল, ঢেউয়ের প্রকোপে হাত ছুটে গেল। নীল পানিতে তলিয়ে যেতে লাগল। সে দেখল পানির তলায় পানিগুলো কেমন ভেংচি কাটছে। তার দম বন্ধ হয়ে আসার জোগাড়। ঠিক তখনই কিছু একটা তাকে পানির উপরে তুলে ধরল। নীল চেয়ে দেখলো তাকে দুটি কচ্ছপ ভাসিয়ে ডাঙ্গায় নিয়ে যাচ্ছে। আর পাশ থেকে কানের কাছে চুপিচুপি কেউ বলে যাচ্ছে, ‘বন্ধু তোমায় প্রতিদান দিয়ে গেলাম’।

21/10/2018

--------এক গ্লাস দুধ
একদিন একটা গরীব ছেলে রাস্তায়
হাঁটছিলো। সে তার লেখাপড়ার খরচ জোগাড় করার জন্য ঘরে ঘরে গিয়ে বিভিন্ন জিনিস বিক্রি করতো।
ছেলেটার গায়ে ছিলো একটা জীর্ন মলিন পোষাক। সে ভীষণ ক্ষুধার্ত ছিলো। সে ভাবলো যে পরে যে বাসায় যাবে। সেখানে গিয়ে সে কিছু খাবার চাইবে। কিন্তু সে যখন একটা বাসায় গেলো খাবারের আশা
নিয়ে, সে ঘর থেকে একজন সুন্দরী মহিলা বেরিয়ে এলেন। সে খাবারের কথা বলতে ভয় পেলো। সে খাবারের কথা না বলে শুধু এক গ্লাস পানি চাইলো । মহিলা ছেলেটার অবস্থা দেখে বুঝলেন যে সে ক্ষুধার্থ । তাই তিনি ছেলেটাকে একটা বড় গ্লাস দুধ এনে দিলেন । ছেলেটা আস্তে আস্তে দুধটুকু খেয়ে বলল আপনাকে আমার কত টাকা দিতে হবে। এই দুধের জন্য?
মহিলা বললঃ তোমাকে কোন কিছুই দিতে হবে না।
ছেলেটা বললঃ আমার মা আমাকে বলেছেন কখনো করুণার দান না নিতে। তাহলে আমি আপনাকে মনের অন্তস্থল থেকে ধন্যবাদ দিচ্ছি।
ছেলেটার নাম ছিলো স্যাম কেইলি।
স্যাম যখন দুধ খেয়ে ঐ বাড়ি থেকে বের হয়ে এল, তখন সে শারীরিকভাবে কিছুটা শক্তি অনুভব করলো।
স্যাম এর বিধাতার উপর ছিলো অগাধ বিশ্বাস।
তাছাড়া সে কখনো কিছু ভুলতো না।অনেক বছর পর ঐ মহিলা মারাত্মকভাবে
অসুস্থ হয়ে পরলো । স্থানীয় ডাক্তাররা তাকে সুস্থ করতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হল । তখন তাকে পাঠানো হলো একটা বড় শহরের নামকরা হাসপাতালে । যেখানে দুলর্ভ মারাত্মক রোগ নিয়ে গবেষণা ও চিকিৎসা করা হয়।
ডা: স্যাম কেইলি কে সেই মহিলার দায়িত্ব
দেওয়া হলো। যখন ডাঃ স্যাম কেইলি
শুনলেন যে মহিলা কোন শহর থেকে
এসেছেন, তার চোখের দৃষ্টিতে অদ্ভুত
একটা আলো যেন জ্বলে উঠলো । তিনি
তাড়াতাড়ি ঐ মহিলাকে দেখতে গেলেন।
ডাক্তারের এপ্রোন পরে তিনি মহিলার রুমে ঢুকলেন এবং প্রথম দেখাতেই তিনি মহিলাকে চিনতে পারলেন । তিনি মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলেন যে, যেভাবেই হোক তিনি মহিলাকে বাঁচাবেনই।
ঐ দিন থেকে তিনি ঐ রোগীর আলাদাভাবে যত্ন নেওয়া শুরু করলেন ।
অনেক চেষ্টার পর মহিলাকে বাঁচানো সম্ভব হলো।
ডাঃ স্যাম কেইলি হাসপাতালের
একাউন্টেন্টকে ঐ মহিলার চিকিৎসার বিল দিতে বললেন, কারণ তার সাইনছাড়া ঐ বিল কার্যকর হবে না। ডাঃ স্যাম কেইলি ঐ বিলের কোণায় কি যেনো লিখলেন এবং তারপর সেটা ঐ মহিলার কাছে পাঠিয়ে দিলেন। মহিলা ভীষণ ভয় পাচ্ছিলেন বিলটা খুলতে। কারণ তিনি জানেন যে এতো দিনে যে পরিমাণ বিল এসেছে তা তিনি সারা জীবনেও শোধ করতে পারবেন না ।
অবশেষে তিনি বিলটা খুললেন এবং বিলের পাশ দিয়ে লেখা কিছু কথা তার দৃষ্টি আকর্ষণ করলো । তিনি পড়তে লাগলেন আপনার চিকিৎসার খরচ হলো পুরো এক গ্লাস দুধ এবং বিলের নিচের সাইন করা ছিলো ডাঃ স্যাম কেইলির নাম।


শিক্ষাঃ মানুষকে সাহায্য করুন, যতটা আপনার পক্ষে সম্ভব। হয়ত এই অল্প সাহায্যের ফল হিসেবে আপনি এমন কিছু পাবেন যা আপনি কখনো চিন্তাই করেন নি।

10/09/2018

Teachers Picnic

11/08/2018

২য় সেমিস্টার পরীক্ষা।

30/07/2018

Oxford International School & College Jatrabari

প্রেস ক্লাব
বিকেএস বৃত্তি প্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে।

27/07/2018

প্রেস ক্লাব
বিকেএস বৃত্তি প্রাপ্ত ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে।

28/06/2018

ঈদের আমেজ
এখনো আছে
সবার মাঝে।
দুঃখ ভুলে
সবার সাথে
আনন্দে আজ একসাথে।

Want your school to be the top-listed School/college in Jatrabari?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Videos (show all)

PEC 2019
পানাম সিটিতে অক্সফোর্ড স্কুল🎉🎉🎉
Teacher's Gifts
Oxford picnic
OXFORD

Location

Telephone

Address


1260 West Sheikhdi
Jatrabari
1362

Opening Hours

Monday 08:00 - 16:00
Tuesday 08:00 - 16:00
Wednesday 08:00 - 16:00
Thursday 08:00 - 16:00
Saturday 08:00 - 20:00
Sunday 08:00 - 16:00
Other Jatrabari schools & colleges (show all)
Principle Mahbubul Alam Ideal Institute Principle Mahbubul Alam Ideal Institute
20/B, North Saidabad
Jatrabari, 1100

Welcome to Our School,

Jatrabari government girls' primary school Jatrabari government girls' primary school
99, Shahid Faroque Road, Dhaka
Jatrabari, 1204

Wellcome to Jatrabari government girl's primary school

তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা
315, Mirhajirbag
Jatrabari, 1204

বাংলাদেশে মাদ্রাসা জগতের সর্বশ্রেষ্?

North South Creative School & College North South Creative School & College
House No-3, Rood No-4, Sontek Main Road
Jatrabari, 1236

A rising school in dhaka

Voice of Millat Voice of Millat
315. MIRHAJIRBAG
Jatrabari

তা'মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা, ঢাকা