DeshTech

DeshTech

Share

All the tips, tutorials, and guides that you need to effectively integrate technology in your teaching.

A specialist Mobile Computer Repair and Support Service for the Home. We are a time served professional operation that has the experience necessary to provide efficient and therefore cost-effective solutions for most computing issues ( Laptop ,PC & Mobile). Our success has been based on consistantly achieving customer trust and satisfaction. Our PC, Laptop & Mobile repair, maintenance and installa

20/09/2019

কোথায় খুঁজবেন টেক জবস

আমরা যারা ফ্রেশার আছি অনেকেই প্রথমে বুঝে উঠতে পারিনা কিভাবে কোথায় চাকুরী খুঁজবো। তাদের জন্য কয়েকটি টিপস।

১. BDJobs বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জব পোর্টাল। আর বাকি যেসব জব পোর্টাল আছে সেগুলোতে খুব একটা বেশি জব পোস্ট হয়না। আর সেখানে যা হয় বিডিজবসে আপনি সেগুলোও পাবেন। BDJobs এ একাউন্ট খুলে সব ইনফো দিয়ে নিজের প্রোফাইল বানাবেন।

IT & Telecommunication ক্যাটাগরিতে সব টেক জবস পাবেন। এই লিংকটি বুকমার্ক করে রাখুন তাহলে খুঁজে পেতে সুবিধা হবে: https://jobs.bdjobs.com/jobsearch.asp?fcatId=8&icatId=

২. ফেসবুকের জবস গ্রুপগুলোতে সবচেয়ে বেশি টেঁকি জবস পাওয়া যায়। এই গ্রুপটি ছাড়াও অন্যান্য জব গ্রুপে এড হোন। সার্চ করুন CSE Jobs Bangladesh, IT Jobs BD, Tech Jobs BD, Vacancy Bangladesh, Internship BD লিখে। যেই গ্রুপগুলো আসবে সবগুলোতে এড হোন এবং সহজে লেটেস্ট জব পোস্ট পেতে গ্রুপেগুলোর নোটিফিকেশন All Posts এ সেট করে রাখুন।

৩. কিছু মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানী ও দেশীয় প্রতিষ্ঠিত কোম্পানী LinkedIn এ জব পোস্ট দিয়ে থাকে। LinkedIn এর জব এলার্ট অন্ রাখুন। লেটেস্ট আপডেট সহজে পেতে আপনার মোবাইলে LinkedIn App নামিয়ে প্রতিদিন ইউজ করুন।

৪. প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ও ফ্রেমওয়ার্ক রিলেটেড কিছু গ্রুপ আছে। এই গ্রুপগুলোতেও প্রচুর জব পোস্ট পাওয়া যায়। আপনি যা নিয়ে কাজ করছেন সেই গ্রুপগুলোতে যুক্ত হোন। যেমনঃ Android Developers Bangladesh, Laravel Bangladesh, Talk.js, PhpXperts, Python Bangladesh, Linux Bangladesh সহ আরও নানান গ্রুপ আছে ফেসবুকে।

৫. অনেক কোম্পানী তাদের ওয়েবসাইট ছাড়া অন্য কোথাও জব পোস্ট করে না। টেক কোম্পানিগুলোর ক্যারিয়ার পেইজ নিয়ে দুটি ডক আছে এই গ্রুপে। এই দুটি ডক ফলো করুন।

দেশী আইটি কোম্পানীর লিস্টঃ https://www.facebook.com/notes/it-jobs-bangladesh/tech-company-career-page-list-local/1824371614283027/

বিদেশী আইটি কোম্পানীর লিস্টঃ https://www.facebook.com/notes/it-jobs-bangladesh/tech-company-career-page-list-global/1799668753419980/

৬. আপনার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোন Career Centre থাকলে সেটির ফেসবুক পেইজ, লিংকডইন পেইজ ও ওয়েবসাইট ফলো করুন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ইমেইল প্রতিদিন চেক করুন।

৭. Glassdoor এ দেশি কোম্পানীগুলোর অল্পসংখ্যক জব পোস্ট পাওয়া যায়। এখানে আপনি কোম্পানীর রিভিউ জানতে পারবেন। Glassdoor App ইন্সটল করুন প্রতিদিন আপডেট পেতে।

৮. আইটি কোম্পানীগুলোর ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে রাখুন। অনেক কোম্পানী তাদের পেইজে জব পোস্ট করে থাকে। সেগুলোর আপডেট তাহলে আপনি সহজেই হোমপেইজে পাবেন।

৯. যেসব জবে এপ্লাই করেছেন সেগুলো একটি গুগল ডক ফাইলে জব পোস্টসহ কপি করে পেস্ট করে রাখুন। পরে যখন ইন্টারভিউ এর জন্য কল করবে এগুলো কাজে লাগবে। সহজে এপ্লাই করা জবের বিস্তারিত খুঁজে পাবেন।

১০. নিজের স্কিল ডেভেলপ করুন, জব খুঁজতে থাকুন আর আপনার মত যারা জব খুঁজছে তাদের সাহায্য করুন। কেননা অন্যকে সাহায্য করাই আসলে নিজেকে নিজে সাহায্য করা :)

আশা করি সবাই তার কাঙ্ক্ষিত জবটি খুঁজে পাবে এবং জীবনে সুখী হবে :)

29/07/2019

#ডেঙ্গু_জ্বর
🔴❓ডেঙ্গু জ্বর, ডেঙ্গু কি?, ডেঙ্গুর লক্ষণ, ডেঙ্গু জ্বরে করনীয়, ডেঙ্গু জ্বর এর লক্ষন, এডিস মশাঃ

ডেঙ্গু জ্বরের উৎপত্তি ডেঙ্গু ভাইরাসের মাধ্যমে এবং এই ভাইরাসবাহিত এডিস ইজিপ্টাই নামক মশার কামড়ে হয়ে থাকে। ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশা কোনো ব্যক্তিকে কামড়ালে সেই ব্যক্তি চার থেকে ছয়দিনের মধ্যে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়। এবার এই আক্রান্ত ব্যক্তিকে কোনো জীবাণুবিহীন এডিস মশা কামড়ালে সেই মশাটি ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণুবাহী মশায় পরিণত হয়। এভাবে একজন থেকে অন্যজনে মশার মাধ্যমে ডেঙ্গু ছড়িয়ে থাকে।

🔻ডেঙ্গুঃ

ডেঙ্গু প্রধানত দুই ধরনের হয়। এক. ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু ফিভার। দুই. হেমোরেজিক ফিভার।

🔻ডেঙ্গু জ্বর কখন ও কাদের বেশি হয়ঃ

মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, বিশেষ করে গরম এবং বর্ষার সময়ে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বেশি থাকে। শীতকালে সাধারণত এই জ্বর হয় না বললেই চলে। শীতে লার্ভা অবস্থায় এই মশা অনেক দিন বেঁচে থাকতে পারে। বর্ষার শুরুতে সেগুলো থেকে নতুন করে ডেঙ্গু ভাইরাসবাহিত মশা বিস্তার লাভ করে।

সাধারণত শহর অঞ্চলে, অভিজাত এলাকায়, বড় বড় দালান কোঠায় এই প্রাদুর্ভাব বেশি, তাই ডেঙ্গু জ্বরও এই এলাকার বাসিন্দাদের বেশি হয়। বস্তিতে বা গ্রামে বসবাসরত লোকজনের ডেঙ্গু কম হয়। ডেঙ্গু ভাইরাস চার ধরনের হয়। তাই ডেঙ্গু জ্বরও চারবার হতে পারে। তবে যারা আগেও ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে রোগটি হলে সেটি মারাত্মক হওয়ার ঝুঁকি থাকে। বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এটি বেশি দেখা যায়।

🔻লক্ষণ : Dengue fever Symptoms

ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু জ্বরে সাধারণত তীব্র জ্বর ও সেই সঙ্গে শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হয়। জ্বর ১০৫ ফারেনহাইট পর্যন্ত হয়। শরীরে বিশেষ করে হাড়, কোমর, পিঠসহ অস্থিসন্ধি ও মাংসপেশিতে তীব্র ব্যথা হয়। এ ছাড়া মাথাব্যথা ও চোখের পেছনে ব্যথা হয়। অনেক সময় ব্যথা এত তীব্র হয় যে মনে হয় হাঁড় ভেঙে যাচ্ছে। তাই এই জ্বরের আরেক নাম ‘ব্রেক বোন ফিভার’।

জ্বর হওয়ার চার বা পাঁচদিনের সময় সারা শরীরজুড়ে লালচে দানা দেখা যায়। যাকে বলা হয় স্কিন র‍্যাশ, অনেকটা অ্যালার্জি বা ঘামাচির মতো। এর সঙ্গে বমি বমি ভাব এমনকি বমি হতে পারে। রোগী অতিরিক্ত ক্লান্তিবোধ করে এবং রুচি কমে যায়। কোনো কোনো রোগীর ক্ষেত্রে এর দুই বা তিনদিন পর আবার জ্বর আসে। একে ‘বাই ফেজিক ফিভার’ বলে।

🔻ডেঙ্গু হেমোরেজিক জ্বর
এই অবস্থাটা সবচেয়ে জটিল। এই জ্বরে ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ও উপসর্গের পাশাপাশি আরো যে সমস্যাগুলো হয়, সেগুলো হলো :

🔸শরীরে বিভিন্ন অংশ থেকে রক্ত পড়া শুরু হয়। যেমন : চামড়ার নিচে, নাক ও মুখ দিয়ে, মাড়ি ও দাঁত থেকে, কফের সাথে, রক্ত বমি, পায়খানার সঙ্গে তাজা রক্ত বা কালো পায়খানা, চোখের মধ্যে এবং চোখের বাইরে রক্ত পড়তে পারে। মেয়েদের বেলায় অসময়ে ঋতুস্রাব অথবা রক্তক্ষরণ শুরু হলে অনেকদিন পর্যন্ত রক্ত পড়তে থাকা ইত্যাদি হতে পারে।

🔸এই রোগের বেলায় অনেক সময় বুকে পানি, পেটে পানি ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে পারে। অনেক সময় লিভার আক্রান্ত হয়ে রোগীর জন্ডিস, কিডনিতে আক্রান্ত হয়ে রেনাল ফেইলিউর ইত্যাদি জটিলতা দেখা দিতে পারে।

🔻ডেঙ্গু শক সিনড্রোমঃ

ডেঙ্গু জ্বরের ভয়াভহ রূপ হলো ডেঙ্গু শক সিনড্রোম। ডেঙ্গু হেমোরেজিক ফিভারের সঙ্গে সার্কুলেটরি ফেইলিউর হয়ে ডেঙ্গু শক সিনড্রোম হয়। এর লক্ষণ হলো :

🔹রক্তচাপ হঠাৎ কমে যাওয়া।
🔹নাড়ির স্পন্দন অত্যন্ত ক্ষীণ ও দ্রুত হওয়া।
🔹শরীরের হাত-পা ও অন্যান্য অংশ ঠান্ডা হয়ে যায়।
🔹প্রস্রাব কমে যায়।
🔹হঠাৎ করে রোগী জ্ঞান হারিয়ে ফেলতে পারে।
🔹এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

🔻কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন :

ডেঙ্গু জ্বরের নির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নেই। তবে এই জ্বর সাধারণত নিজে নিজেই ভালো হয়ে যায়। তাই উপসর্গ অনুযায়ী সাধারণ চিকিৎসা যথেষ্ট। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো। যেমন :

🔹শরীরের যেকোনো অংশে রক্তপাত হলে
🔹প্লাটিলেটের মাত্রা কমে গেলে
🔹শ্বাস কষ্ট হলে বা পেট ফুলে পানি আসলে
🔹প্রস্রাবের পরিমাণ কমে গেলে
🔹জন্ডিস দেখা দিলে
🔹অতিরিক্ত ক্লান্তি বা দুর্বলতা দেখা দিলে
🔹প্রচণ্ড পেটে ব্যথা বা বমি হলে।

🔻কী কী পরীক্ষা করা উচিত?

আসলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ডেঙ্গু জ্বর হলে খুব বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার দরকার নেই, এতে অযথা অর্থের অপচয় হয়।

➡জ্বরের চার থেকে পাঁচদিন পরে সিবিসি এবং প্লাটিলেট করাই যথেষ্ট। এর আগে করলে রিপোর্ট স্বাভাবিক থাকে এবং অনেকে বিভ্রান্তিতে পড়তে পারেন। প্লাটিলেট কাউন্ট এক লাখের কম হলে ডেঙ্গু ভাইরাসের কথা মাথায় রেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

➡ডেঙ্গু অ্যান্টিবডির পরীক্ষা পাঁচ থেকে ছয়দিনের পর করা যেতে পারে। এই পরীক্ষা রোগ শনাক্তকরণে সাহায্য করলেও রোগের চিকিৎসায় এর কোনো ভূমিকা নেই। এই পরীক্ষা না করলেও কোনো সমস্যা নেই। এতে শুধু শুধু অর্থের অপচয় হয়।

➡প্রয়োজনে ব্লাড সুগার, লিভারের পরীক্ষাগুলো যেমন এসজিপিটি, এসজিওটি, এলকালাইন ফসফাটেজ ইত্যাদি করা যাবে।

➡চিকিৎসক যদি মনে করেন রোগী ডিআইসি জাতীয় জটিলতায় আক্রান্ত, সে ক্ষেত্রে প্রোথ্রোম্বিন টাইম, এপিটিটি, ডি-ডাইমার ইত্যাদি পরীক্ষা করতে পারেন।

🔻চিকিৎসাঃ

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগী সাধারণত পাঁচ থেকে ১০ দিনের মধ্যে নিজে নিজেই ভালো হয়ে যায়। এমনকি কোনো চিকিৎসা না করালেও। তবে রোগীকে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই চলতে হবে। যাতে ডেঙ্গুজনিত কোনো মারাত্মক জটিলতা না হয়। ডেঙ্গু জ্বরটা আসলে গোলমেলে রোগ, সাধারণত লক্ষণ বুঝেই চিকিৎসা দেওয়া হয়।

➡সম্পূর্ণ ভালো না হওয়া পর্যন্ত বিশ্রামে থাকতে হবে।
➡যথেষ্ট পরিমাণে পানি, শরবত, ডাবের পানি ও অন্যান্য তরল জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে।
➡খেতে না পারলে দরকার হলে শিরাপথে স্যালাইন দেওয়া যেতে পারে।
➡জ্বর কমানোর জন্য শুধুমাত্র প্যারাসিটামল-জাতীয় ব্যথার ওষুধই যথেষ্ট। এসপিরিন বা ডাইক্লোফেনাক-জাতীয় ব্যথার ওষুধ কোনোক্রমেই খাওয়া যাবে না। এতে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়বে।
➡জ্বর কমানোর জন্য ভেজা কাপড় দিয়ে গা মোছাতে হবে।

🔴📯প্রতিরোধঃ

ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধের মূল মন্ত্রই হলো এডিস মশার বিস্তার রোধ এবং এই মশা যেন কামড়াতে না পারে তার ব্যবস্থা করা। মনে রাখতে হবে, এডিস একটি ভদ্র মশা, অভিজাত এলাকায়, বড় বড়, সুন্দর সুন্দর দালান কোঠায় এরা বসবাস করে। স্বচ্ছ পরিষ্কার পানিতে এরা ডিম পাড়ে।

ময়লা দুর্গন্ধযুক্ত ড্রেনের পানি এদের পছন্দসই নয়। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার ডিম পাড়ার উপযোগী স্থানগুলোকে পরিষ্কার রাখতে হবে এবং একই সঙ্গে মশা নিধনের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

✔বাড়ির আশপাশের ঝোঁপঝাড়, জঙ্গল, জলাশয় ইত্যাদি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
✔যেহেতু এডিস মশা মূলত এমন বস্তুর মধ্যে ডিম পাড়ে, যেখানে স্বচ্ছ পানি জমে থাকে। তাই ফুলদানি, অব্যবহৃত কৌটা, ডাবের খোলা, পরিত্যক্ত টায়ার ইত্যাদি সরিয়ে ফেলতে হবে।
✔ঘরের বাথরুমে বা কোথাও জমানো পানি পাঁচদিনের বেশি যেন না থাকে। অ্যাকুয়ারিয়াম, ফ্রিজ বা এয়ারকন্ডিশনারের নিচেও যেন পানি জমে না থাকে।
✔এডিস মশা সাধারণত সকালে ও সন্ধ্যায় কামড়ায়। তবে অন্য কোনো সময়ও কামড়াতে পারে। তাই দিনের বেলা শরীরে ভালোভাবে কাপড় ঢেকে বের হতে হবে, প্রয়োজনে মসকুইটো রিপেলেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে। ঘরের দরজা-জানালায় নেট লাগাতে হবে।
✔দিনের বেলায় মশারি টাঙ্গিয়ে অথবা কয়েল জ্বালিয়ে ঘুমাতে হবে।
✔বাচ্চাদের যারা স্কুলে যায়, তাদের হাফ প্যান্ট না পরিয়ে ফুল প্যান্ট পরিয়ে স্কুলে পাঠাতে হবে।
✔মশা নিধনের স্প্রে, কয়েল, ম্যাট ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে মশার কামড় থেকে বাঁচার জন্য দিনে ও রাতে মশারি ব্যবহার করতে হবে।
✔ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীকে অবশ্যই সব সময় মশারির মধ্যে রাখতে হবে, যাতে করে কোনো মশা কামড়াতে না পারে।

ডেঙ্গু জ্বরের মশাটি এদেশে আগেও ছিল, এখনো আছে, মশা প্রজননের এবং বংশবৃদ্ধির পরিবেশও আছে। তাই একমাত্র সচেতনতা ও প্রতিরোধের মাধ্যমেই এর হাত থেকে বাঁচা সম্ভব।

লেখক : ডিন, মেডিসিন বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল হাসপাতাল

Photos from DeshTech's post 12/07/2019

#স্ক্রিন_অফ_রেখে_ইউটিউবে_গান_শুনবেন_যেভাবে

বিভিন্ন মিউজিক অ্যাপে গান চালিয়ে ফোনের স্ক্রিন অফ করা যায়। অ্যান্ড্রয়েড ফোনের মিউজিক প্লেয়ার অ্যাপেও এভাবে গান শোনা যায়। অথবা অ্যাপটি মিনিমাইজ করেও অন্য অ্যাপ খোলা যায়। কিন্তু ইউটিউবে ভিডিও চলাকালীন গান শোনা গেলেও ফোনের স্ক্রিন অফ করলে বন্ধ হয়ে যায় গান। তাছাড়াও অন্য অ্যাপ খোলার জন্য ইউটিউব থেকে বের হলেও বন্ধ হয়ে যায় গান।

ইউটিউব মিউজিকে ব্যাকগ্রাউন্ডে গান শোনা গেলেও কেবল ট্রায়াল পিরিয়ডেই পাওয়া যায় এই সুবিধা। এরপর গুনতে হয় বাড়তি টাকা। তবে আজ আপনাকে জানাবো এমন এক পদ্ধতি যাতে বিনামূল্যেই স্ক্রিন অফ করেও ইউটিউবে গান শোনা যাবে।

১) প্রথমে আপনার ফোনের Google Chrome ব্রাউজার থেকে ইউটিউবে আপনার পছন্দের গানের ভিডিও খুলুন।

২) এবার ব্রাউজারের ডান দিকের কোণে সেটিংস অপশানে যান।

৩) সেখানে Desktop Mode অপশান চালু করুন।

৪) এরপর নতুন করে লোড হবে ইউটিউবের পেজটি। নতুন করে লোড হওয়ার পরে আপনার ফোনে ডেস্কটপের মতো করে দেখাবে ইউটিউবের পেজটি।

৫) এবার আপনার পছন্দের ভিডিওটি প্লে করুন। ভিডিওটি চলতে শুরু করার পর ফোনের হোম বাটনে টাচ করুন।

৬) হোম টাচ করার সঙ্গে সঙ্গে গান বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু তাতে কোনও অসুবিধা নেই। ফোনের নোটিফিকেশন বারটি নামান। সেখানে দেখবেন পজ হয়ে আছে গানটি। এ বার সেখান থেকে প্লে করুন। একই অপশান পেয়ে যাবেন আপনার ফোনের লক স্ক্রিনেও।

৭) এর পরে স্ক্রিন অফ করলেও চলতে থাকবে গান। ফোন পকেটে রেখেই হেডফোনে গান শুনতে পারবেন ইউটিউবে। ডেটা খরচের পরিমাণও হবে কম। এভাবে ইউটিউবে গান শোনাকালীনই ব্যবহার করতে পারবেন ফেসবুক-হোয়াটস্যাপের মতো অ্যাপও।

Photos from DeshTech's post 11/06/2019

#রাস্তার_বিভিন্ন_ধরনের_বিভাজন_রেখা_গুলির_প্রকৃত_অর্থ_গুলি_জেনে_রাখুনঃ

লক্ষ্য করেছেন নিশ্চয়, এই বিভাজিকা চার ধরনের হয় এবং প্রতিটি ধরন ভিন্ন সংকেত বহন করে।

১. আপনারা বিভিন্ন স্থানের রাস্তাতে এই রেখা দেখে থাকবেন অবশ্যই। যেই রাস্তায় এই সাদা রঙের কাটা কাটা রেখা দেখতে পাবেন, বুঝে নেবেন ওই রাস্তাতে আপনি বা যেকোনো গাড়ি লেন পরিবর্তন করতে পারবেন, ওভারটেক করতে পারেন, এমনকি সুরক্ষিত স্থান দেখে আপনি ‘U’ টার্ন ও নিতে পারেন। তবে আপনাকে অবশ্যই অন্যান্য ট্রাফিক নিয়ম গুলি মেনে চলতে হবে।

২. একটানা সাদা রেখার অর্থ হল আপনি ওভারটেক করা ঝুঁকিপূর্ণ, U টার্ন নিতে পারবেন না। কিন্তু আপনি একটি বাধা এড়াতে বা ওন্য কোনো রাস্তায় প্রবেশ করার জন্য লাইন পার হতে পারেন।

৩. বিভাজিকায় যদি ডবল লাইন দেওয়া থাকে তাহলে ভুলেও ওভারটেক করার চেষ্টা করবেন না, বিপজ্জনক হতে পারে। সাধারণত দুই-লেন সড়কগুলিতে ব্যবহৃত হয়, এটি ট্রাফিকগুলিকে লেনের বিপরীত দিকে অতিক্রম করতে বাধা দেয়।

৪. একটি হলুদ টানা লাইনের পাশে আর একটি কাটা কাটা হলুদ লাইন। যদি আপনি এক টানা হলুদ লাইনের দিক দিয়ে গাড়ি চালিয়ে যান সেক্ষেত্রে আপনি ওভারটেক করতে পারবেন না। কিন্তু যদি আপনি কাটা কাটা হলুদ লাইনের দিন দিয়ে যান সেক্ষেত্রে আপনার ওভারটেক করার অনুমতি আছে। কিন্তু সতর্ক ভাবে অন্যান্য ট্রাফিক নিয়ম গুলি মেনে।

02/06/2019

বরিশালের ভাষা চমৎকার একটি কবিতা,কবিতাটি শুনলে চমকে যাবেন।

29/05/2019




Robi 1GB Internet Only for 20tk | Robi Prepaid sim new offers

রবির বিশেষ অফার 2019 রবি বিশেষ ইন্টারনেট অফার চলছে। এখন রবি ব্যবহারকারীরা মাত্র ২0 টাকার 1 গিগাবাইট ইন্টারনেট পাবেন। রবি গ্রাহক এই অফারটি উপভোগ করতে পারবেন। এই অফার সক্রিয় করতে রবি ব্যবহারকারী ডায়াল করুন * 121 * 020 # । এই ইন্টারনেট বৈধতা 3 দিন । অবশিষ্ট ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করতে * 3 * # অথবা * 8444 * 88 # ডায়াল করুন। ব্যবহারকারী এই ইন্টারনেট ব্যবহার 24 ঘন্টা মধ্যে যে কোন সময় ব্যাবহার করতে পারবেন। গ্রাহক এই ইন্টারনেট প্যাক রবি নেটওয়ার্ক ভোগ করতে পারেন ভ্যাট, এসডি, এসসি এই মূল্য অন্তর্ভুক্ত।
Terms & Condition:

_এই রবি বিশেষ অফার

_রবি নির্বাচিত গ্রাহক এই অফার পাবেন

_রবি ব্যবহারকারী ১ জিবি ইন্টারনেট পেতে পারেন 20 / মাত্র

_এই অফারটি সক্রিয় করার আগে, আপনাকে অবশ্যই এই অফারটি আপনার জন্য যোগ্য কিনা পরীক্ষা করতে হবে।

_অফারটি চেক করার জন্য ডায়াল করুন * 999 #

_রবি’র অ্যাক্টিভেশন কোড ১ জিবি ২0TK অফার * 121 * 020 # দিয়ে

_ইন্টারনেট ব্যালেন্স চেক করুন * 3 # অথবা * 8444 * 88 # দিয়ে

_এই অফার বৈধতা ৩ দিন
অন্যান্য শর্তাবলী:

_আপনি এই ইন্টারনেট প্যাক একাধিক বার কিনতে পারেন।

_ভ্যাট, এসডি, এসসি এই মূল্য অন্তর্ভুক্ত।

_2 জি / 3 জি / 4 জি নেটওয়ার্ক প্রযোজ্য।

_অফার পরবর্তী ঘোষণা পর্যন্ত চলমান হবে।

23/05/2019

#ফেইসুবক_আইডি_হ্যাক_হওয়া_থেকে_রক্ষা

ফেইসবুক বর্তমান যুগের সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। অনেকেই সামজিক যোগাযোগ বা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ব্যবহার করে থাকেন এই জনপ্রিয় মাধ্যমটি।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে ফেইসবুক প্রোফাইল বেদখল (হ্যাকড) ও নিষ্ক্রিয় (ডিজেবল) হয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে অহরহ।

কিছু নির্দেশনা মেনে চললেই আপনার এই জনপ্রিয় মাধ্যমটি সুরক্ষিত রাখতে পারবেন। সেগুলো হলো-

আপনার অ্যাকাউন্টটি অবশ্যই আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নাম ও জন্ম তারিখের সঙ্গে মিল রেখে তৈরি করবেন। না থাকলে আজই সেটা করে নিন।

তাহলে কোনো কারণে অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় হলে আপনার পরিচয়পত্র জমা দিলে অ্যাকাউন্টটি ফেরত দিয়ে দেবে ফেইসবুক কর্তৃপক্ষ।

ফেসবুকে আপনার জন্ম তারিখ, সাল, ইমেইল ও ফোন নম্বর অনলি মি করে রাখুন।

কখনোই আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, স্মার্ট কার্ড, স্কুল-কলেজের আইডি কার্ড বা বৈধ কোনো আইডি কার্ড ফেসবুকে আপলোড করবেন না।

বিদেশ ভ্রমন কালে অনেকেই নিজের পাসপোর্ট আপলোড করে থাকেন। তা থেকে বিরত থাকুন। মনে রাখবেন আপনার পরিচয়পত্রের কপি অন্যের কাছে থাকলে সেটা আপনার জন্য অনেক ঝুঁকিপূর্ণ।

উক্ত ব্যক্তি চাইলে ওই পরিচয়পত্র দিয়ে আপনার অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় ও দখল নিতে পারবে।

ফেসবুকে থাকা সব নিরাপত্তা সুবিধা (ফিচার) অন করে রাখুন।

অবশ্যই বিশ্বস্ত কমপক্ষে পাঁচজন বন্ধু যুক্ত করে রাখবেন। তবে সেটা মাঝে মাঝে চেক করবেন। আপনার বিশ্বস্ত বন্ধুর তালিকা থেকে কারো অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে কিনা।

হয়ে গেলে নতুন কাউকে যোগ করে আবার ন্যূনতম ৫ জন যোগ করে রাখুন।

প্রোফাইল পিকচার গার্ড ব্যবহার করা ভালো। যারা ব্যক্তিগত গোপনীয়তা (প্রাইভেসি) রাখতে চান, তারা প্রোফাইল লক অপশন ব্যবহার করতে পারেন।

এতে করে শুধু আপনার বন্ধু তালিকায় (ফ্রেন্ড লিস্ট) থাকা বন্ধুরা আপনি যা দেবেন, তা দেখতে পারবেন।

কঠিন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন। পাসওয়ার্ড বিভিন্ন সংখ্যা, চিহ্ন এবং শব্দ দিয়ে বানালে বেশ কঠিন হয়। ডিকশনারি ওয়ার্ড ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। কখনো নিজের নাম বা ফোন নম্বর পাসওয়ার্ড হিসাবে ব্যবহার করবেন না।

অপরিচিত কারও দেয়া লিংকে ক্লিক করবেন না। ফেইসবুকের ন্যায় দেখতে এমন ফিসিং সাইটে কোনো প্রলোভনে লগইন করবেন না।

আপনার ইমেল ঠিক আছে কি না নজর রাখবেন।অনেক ইমেইল আছে যেটা ১ বছর ব্যবহার না করলে সেটা নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়।

সেক্ষেত্রে সুবিধাবাদীরা আপনার নামে ইমেইল অ্যাকাউন্ট খুলে খুব সহজেই আপনার অ্যাকাউন্ট দখল করে নিতে পারবে।

টু স্টেপ ভেরিফিকেশন অবশ্যই চালু রাখবেন।

17/05/2019

পুলিশের কণ্ঠে অসাধারণ আযান।
সোবহান আল্লাহ!!!
শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন।

10/05/2019

এভাবে তরমুজ খাওয়ার মজাই আলাদা! 🤣😋

Photos from DeshTech's post 08/05/2019

মোবাইল পানিতে ভিজে গেলে কি করবেন?
খুলে ফেলুন ব্যাটারি আর সিম

মোবাইল ভিজে গেলে সবার আগে যে কাজটি করবেন তা হচ্ছে ফোন থেকে ব্যাটারি খুলে ফেলুন। এটি করলে ফোনে শর্ট সার্কিট হওয়ার সম্ভাবনা কমে আসে। ব্যাটারির সঙ্গে সিম কার্ডটিও বের করে রাখুন। কারণ ভিজে যাওয়া সিম কার্ডও নষ্ট হতে পারে।

দ্রুত শুকানোর ব্যবস্থা করুন

ফোনের বাইরে লেগে থাকা পানি মুছতে ব্যবহার করুন পেপার টাওয়েল বা শুকনা কাপড়। ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের সাহায্যেও শুকাতে পারেন মোবাইল। তবে এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের বাতাসের সঠিক মাত্রা ঠিক করে নেওয়া। তাই ভ্যাকুয়াম ক্লিনারে অভ্যস্থ না থাকলে এড়িয়ে চলুন এ উপায়। আবার সবার বাড়িতে এই যন্ত্র থাকেও না।

হেয়ার ড্রায়ার দিয়েও শুকাতে পারবেন মোবাইল। সেক্ষেত্রে ব্যাটারি খোলা অবস্থায় একটু উঁচু থেকে হেয়ার ড্রায়ার ধরে ফোন শুকানোর চেষ্টা করতে হবে। শুকানোর পর ফোন সঙ্গে সঙ্গে চালু করবেন না। বরং পরদিন সার্ভিস সেন্টারে নিয়ে ফোনের অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন।


ভালোভাবে শুকানোর জন্য ফোনের বাইরের কেসিং, কভার ইত্যাদি অবশ্যই খুলে রাখুন।

তবে ওভেন, মাইক্রোওভেন বা সূর্যের তাপে মোবাইল ফোন শুকানোর চেষ্টা করবেন না। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, অনেক ক্ষেত্রে ফোন সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

ভিজে যাওয়া মোবাইল থেকে পানি ঝরাতে অনেকেই ফোন জোরে ঝাঁকি দিয়ে থাকেন। এমনটিও করা উচিত নয়। তবে মৃদুভাবে ঝাঁকালে কোনো ক্ষতির সম্ভবনা নেই।

রাখতে পারেন চালের মধ্যে

চালের বস্তা বা পাত্রের মধ্যে কয়েকদিনের জন্য ফেলে রাখুন ভেজা মোবাইল। এ সময় ফোন চালু করবেন না বা ব্যাটারি লাগাবেন না। ভেজা জিনিসের পানি শুষে নেওয়ার ক্ষমতা রাখে চাল। তাই এ প্রক্রিয়াতেও ভিজে যাওয়া মোবাইল শুকিয়ে নিতে পারেন।

মনে রাখা জরুরি

যদি দোকানপাট বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বৃষ্টি বা অন্য কোনো কারণে মোবা্ইল ফোন ভিজে যায়, অথবা অন্য যে কোনো কারণে যদি সার্ভিস সেন্টারে সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার উপায় না থাকে, তবে শুকানোর পরও মোবাইল চালু করবেন না। সময় সুযোগ মতো সার্ভিস সেন্টারে গিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিন ফোনের অবস্থা।

সার্ভিস সেন্টারের ক্ষেত্রে যে ব্র্যান্ডের ফোন সেখানে নিয়ে যাওয়াই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। যদিও খরচা একটু বেশিই পড়বে সেখানে।

স্বল্পদামে ফোন ঠিক করতে সাধারণ সার্ভিস সেন্টারের সেবাও নিতে পারে। বাড়ির আশপাশের মোবাইলের দোকানগুলোতেই পাবেন এ সেবা।

তবে মোবাইল সার্ভিস করানোর আগে সেখানের কাজের মান, দক্ষতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া খুবই জরুরি।

07/05/2019

তারাবিহ নামাজ
এশার নামাজের চার রাকাত ফরজ ও দুই রাকাত সুন্নতের পর এবং বিতর নামাজের আগে দুই রাকাত করে ১০ সালামে যে ২০ রাকাত নামাজ আদায় করা হয়, একে ‘তারাবিহ নামাজ’ বলা হয়। আরবি ‘তারাবিহ’ শব্দটির মূল ধাতু ‘রাহাতুন’ অর্থ আরাম বা বিশ্রাম করা।

রমজান মাসের জন্য নির্দিষ্ট তারাবিহ নামাজ জামাতে পড়া ও সম্পূর্ণ কোরআন শরিফ একবার খতম করা সুন্নতে মুয়াক্কাদা। রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজে তারাবিহ নামাজ পড়েছেন এবং সাহাবায়ে কিরামকে পড়ার জন্য আদেশ দিয়েছেন। তারাবি নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করা ও কোরআন শরিফ খতম করা অধিক সওয়াবের কাজ।

রাসুলুল্লাহ (সা.) তারাবিহ নামাজের জন্য রাতের কোনো বিশেষ সময়কে নির্দিষ্ট করে দেননি। তবে তারাবিহ নামাজ অবশ্যই এশার নামাজের পর থেকে সুবহে সাদিকের পূর্ববর্তী সময়ের মধ্যে আদায় করতে হবে।

তারাবি নামাজের নিয়ত
نويت ان اصلى لله تعالى ركعتى صلوة التراويح سنة رسول الله تعالى متوجها الى جهة الكعبة الشريفة الله اكبر.

উচ্চারণঃ নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তা’আলা, রকাআতাই সালাতিত তারাবিহ সুন্নাতু রাসুলিল্লাহি তা’আলা, মুতাওয়াজ্জিহান ইলা জিহাতিল কা’বাতিশ শারিফাতি, আল্লাহু আকবার।)

অর্থ: আমি ক্বিবলামুখি হয়ে দু’রাকাআত তারাবিহ সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ নামাযের নিয়ত করছি। আল্লাহু আকবার।

তারাবীহ নামায-এ দু’রাকাআত পর পর দুআ

তারাবীহ নামায-এর দু’রাকাআত পর নিম্নোক্ত দুআ পড়তে হয়-
هذا من فصل ربى يا كريم المعروف يا قديم الاحسان احسن الينا باحسانك القديم ثبت قلوبنا على دينك برحمتك يا ارحم الرحمين.

উচ্চারণ: হা-যা মিং ফাদ্বলি রব্বী ইয়া কারীমাল মা’রূফ, ইয়া ক্বদীমাল ইহসান, আহসিন ইলাইনা বি ইহসানিকাল ক্বদীম। ছাব্বিত ক্বুলূবানা আলা দীনিকা বিরহমাতিকা ইয়া আরহামার রহিমীন।

তারাবি নামাজের চার রাকাত পরপর দোয়া

তারাবীহ নামায-এর চার’রাকাআত পর নিম্নোক্ত দুআ পড়তে হয়-
سبحان ذى الملك والملكوت سبحان ذى العزة والعظمة والهيبة والقدرة والكبرياء والجبروت . سبحان الملك الحى الذى لاينام ولا يموت ابدا ابدا سبوح قدوس ربنا ورب الملئكة والروح.

উচ্চারণ: সুব্হানাযিল মুলকি ওয়াল মালাকুতি সুবহানাযিল ইযযাতি ওয়াল আযমাতি ওয়াল হাইবাতি ওয়াল কুদরাতি ওয়াল কিবরিয়ায়ি ওয়াল জাবারূত। সুব্হানাল মালিকিল হায়্যিল্লাযি লা-ইয়ানামু ওয়ালা ইয়ামুতু আবাদান আবাদা। সুব্বুহুন কুদ্দুছুন রাব্বুনা ওয়া রাব্বুল মালাইকাতি ওয়ার রূহ।
তারাবিহ নামাজের মোনাজাত

তারাবীহ নামায-এ চার রাকাআত পর পর এই মুনাজাত পড়তে হয়।

আরবি উচ্চারনঃ আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা জান্নাতা ওয়া নাউ’জুবিকা মিনান্নারী, ইয়া খালিকাল জান্নাতা ওয়ান্নারী, বিরাহমাতিকা ইয়া আজিজু, ইয়া গাফ্ফারু, ইয়া কারীমু, ইয়া সাত্তারু, ইয়া রাহীমু, ইয়া জাব্বারু, ইয়া খালিকু, ইয়া বার্রু। আল্লাহুম্মা আর্যিনা মিনান্নার; ইয়া মুযিরু, ইয়া মুযিরু, ইয়া মুযির। বিরাহমাতিকা ইয়া আর হামার রাহিমিন।

Want your school to be the top-listed School/college in Jatrabari?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Jatrabari
1208