এ যুগে কোনো উমর (রাঃ) আসবে না প্রতিবাদে, সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে একত্রে প্রতিবাদ করলেই পরিবর্তন আসবে। ইন-শা-আল্লাহ
DEATH HAS NO AGE
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from DEATH HAS NO AGE, Religious school, Jatrabari.
হে মানুষ! কিসে তোমাকে তোমার মহান রব সম্পর্কে বিভ্ৰান্ত করল?
সূরা আল - ইনফিতার: ৮২:৬
বরকতের ১০টি চাবি -
- ইমান এবং তাকওয়া (আল্লাহর প্রতি ভয়) অর্জন, ইমানকে শিরক,কুফরি,নিফাক থেকে খালেস রাখতে হবে।
- সকল হালাল এবং ভাল কাজ 'বিসমিল্লাহ' বলে শুরু করা।
- কোরআন এর সাথে সম্পর্ক বৃদ্ধি করা। (নিয়মিত তিলাওয়াত, অর্থ, তাফসির চর্চা)
- বেশি বেশি দান সাদাকা করা।
- আত্মিয়তার সম্পর্ক ঠিক রাখা।
-ভোরে কাজে যাওয়া /কাজের প্রস্তুতি শুরু করে দেয়া।
- পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা এবং পরিবারের সকলকে সালাত আদায়ের নির্দেশ দেয়া।
- আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করা (আল্লাহ র উপর ভরষা)
- বেশি বেশি ইস্তেগফার করা।
- পরিপূর্ণ সালামের প্রসার।
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ (اَلسَّلَامُ عَلَيْكُم وَرَحْمَةُ اَللهِ وَبَرَكاتُهُ)
রেফারেন্সঃ সূরা ইউনুস:৬৩-৬৪; সহীহ্ বুখারী ৫১৬৩; রিয়াযুস স্বালিহীন ৭৩৪; রিয়াযুস স্বালিহীন ৯৬৪; সূরা মারইয়াম:৫৫; সূরা আলে-ইমরান:১৫৯; সূরা তাওবাহ:৫১; সহীহ্ বুখারী ৬৩০৭; আত-তিরমিজী ৩২৩৩।
শাইখ আহমাদ উল্লাহর বয়ান থেকে সংগৃহীত
"পেটভর্তি খাবার থেকে বিরত থাকো। কেননা, তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। এটা নানাবিধ রোগ সৃষ্টি করে এবং নামাজের ব্যপারে উদাসীন করে রাখে। খানাপিনার ক্ষেত্রে মধ্যমপন্থা অবলম্বন করো। কেননা, তা শরীরের জন্য উপকারী, পাশাপাশি তা অপব্যয় থেকেও বাঁচায়। তা ছাড়া আল্লাহ তা'আলা অতিরিক্ত মোটা শরীরকে অপছন্দ করেন। মানুষ তখনই ধ্বংস হয়, যখন তার চাহিদা দ্বীনের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে।"
— উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)
[কানজুল উম্মাল, ৮/৪৭]
হে মানুষ, কিসে তোমাকে তোমার মহামহিম পালনকর্তা সম্পর্কে বিভ্রান্ত করল?
( সূরা আল ইনফিতার - ০৬)
23/01/2022
25/12/2021
▪️একজন মুসলিম কি মেরী ক্রিসমাস ডের শুভেচ্ছা জানাতে পারে?
২৫ ডিসেম্বর। খ্রিষ্টানদের বড়দিন। দিনটি খ্রিষ্টান বিশ্বে জাঁকজমক পূর্ণভাবে উদযাপিত হয় তাদের ধর্মীয় উৎসব হিসেবে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে আজ মুসলিম বিশ্বেও দিনটি বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে। তাই আলোচনা করতে চাচ্ছি যে, এই বড়দিন বা ক্রিসমাস কি?
▪️ক্রিসমাস কি?
খ্রিস্টানদের এক সম্প্রদায়ের নিকট এই দিনটি স্রষ্টার জন্ম দিন আবার অপর সম্প্রদায়ের নিকট স্রষ্টার সন্তানের জন্ম দিন হিসেবে পরিচিত। এই দিনটিতে তারা বিভিন্ন রকম উপহার আদান প্রদান, আলোক সজ্জা, বিভিন্ন রকমের খাবার, বিশেষ চা পান, চার্চে গমন ইত্যাদির মাধ্যমে অতিবাহিত করে থাকে।
ইংরেজি Christmas শব্দটির দুটি অংশ একটি Christ অপরটি mas,
Christ এটি ঈসা আলাইহিস সালাম এর একটি উপাধি, আর mas অর্থ জন্মদিন বা জন্মোৎসব। তাহলে Christmas এর মাধ্যমে ঈসা আলাইহিস সালাম এর জন্মোৎসব বোঝানো হয়ে থাকে।
যদিও আজকে খ্রিষ্টানরা এই দিনটিকে ঈসা আলাইহিস সালাম এর জন্ম দিন হিসেবে পালন করে থাকে বাস্তবে ইতিহাসে তাঁর জন্ম তারিখ সঠিক ভাবে বর্ণিত নেই। এ নিয়ে স্বয়ং খ্রিস্টানদের মাঝেও মতবিরোধ আছে। তাই দেখা যায় ক্যাথোলিক খ্রিষ্টানরা ২৫ ডিসেম্বরকে ক্রিসমাস হিসেবে পালন করে থাকে আর অপর দিকে অর্থোডক্স (Orthodox) ৭ জানুয়ারিকে ক্রিসমাস হিসেবে পালন করে থাকে।
নিঃসন্দেহে ক্রিসমাস খ্রিস্টানদের একটি ধর্মীয় উৎসব, কিন্তু আজকে খ্রিস্টানদের এই আনুষ্ঠানিকতা এবং সে সময় ঈসা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জন্ম লগ্নে তাদের পূর্বসূরিদের প্রতিক্রিয়ার কথা আমাদের কে কি বার্তা দিচ্ছে? আজকের ক্রিসমাস পালনকারীরা কি তাদেরই পরবর্তী জেনারেশন নয় যারা ঈসা (আঃ) এর ভূমিষ্ঠ কালে তাঁর মাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছিল? যারা তাঁকে আল্লাহর পুত্র বলে আখ্যায়িত করেছিল? এবং যারা তাঁকে হত্যা করতে চেয়েছিল?
আফসোস! যারা তাঁকে হত্যা করতে চেয়েছিল তারা আজ তাঁর জন্মোৎসব পালন করছে। এ যেন চোরের মার বড় গলা।
▪️মূলত: ঈসা আলাইহিস সালাম এর জন্ম তারিখ কোনটি?
ক্যাথোলিকদের ধারণামতে ২৫ ডিসেম্বর না অর্থোডক্সদের ধারণামতে ৭ জানুয়ারি। মূলত খ্রিষ্টান ধর্ম গ্রন্থসমূহে এর সঠিক তারিখ নির্ধারিত করে বর্ণনা করা হয়নি।
তবে কোরআন কারীমের ভাষ্য অনুযায়ী দেখা যায় যে মারিয়াম আলাইহিস সালাম কে লক্ষ্য করে তার গর্ভাবস্থায় আল্লাহ্ বলছেন:
وَهُزِّي إِلَيْكِ بِجِذْعِ النَّخْلَةِ تُسَاقِطْ عَلَيْكِ رُطَبًا جَنِيًّا
“আর তুমি নিজের দিকে খেজুর গাছের কাণ্ডে নাড়া দাও, তা থেকে তোমার উপর সুপক্ব খেজুর পতিত হবে।” (সূরা মারিয়াম-২৫)
এখান থেকে বুঝা যায় যে ঈসা আলাইহিস সালাম এর জন্ম ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে নয় বরং জুন বা জুলাই মাসে কারণ খেজুর একটি গ্রীষ্মকালীন ফল শীতকালীন ফল নয়। তাহলে যদি তাঁর জন্ম তারিখটিই সঠিক ভাবে নির্ণীত না হয় তাহলে কিসের ভিত্তিতে এই আনুষ্ঠানিকতা?
সুবহানাল্লাহ!
দেখুন, আমাদের নবী মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জন্ম তারিখও নির্দিষ্টভাবে প্রমাণিত নয় এমনিভাবে ঈসা আলাইহিস সালাম এর জন্ম তারিখও সঠিকভাবে প্রমাণিত নেই। আমার মনে হয়, এর মাধ্যমে আল্লাহ্ তাঁর নবী দ্বয়কে মানুষের অতিরঞ্জন থেকে রক্ষা করেছেন।
▪️ক্রিসমাস সম্পর্কে ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি:
অর্থগত দিক থেকে ক্রিসমাস শব্দটিই একটি শিরকী শব্দ। কারণ শব্দটির অর্থ “প্রভুর জন্মদিন বা প্রভুর পুত্রের জন্ম দিন”। নাউজু বিল্লাহি মিন জালিক, মহান আল্লাহ এ থেকে পুত পবিত্র।
আল্লাহর বাণী: لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ “তিন কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাঁকে জন্ম দেয়নি।” (সূরা ইখলাস -৩)।
অতএব একজন মুসলমানের জন্য এই কথাটি মুখে উচ্চারণ করাই হারাম।
হাদিসে বর্ণিত হয়েছে:
عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : ” مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ ، وَمَنْ أَحَبَّ قَوْمًا حُشِرَ مَعَهُمْ ” . [رواه أبو داود ح৪০৩১، وأحمد ح৫০৯৩].
“আবু উমামা আল বাহেলী (রায়িাল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ) বলেছেন: “
যে ব্যক্তি কোন জাতির সাদৃশ্য অবলম্বন করবে সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে, আর যে যেই জাতিকে ভালবাসবে তাদের সাথে তার হাশর হবে।”
(আবু দাউদ হাদিস নং ৪০৩১, মুসনাদ আহমদ, হাদিস নং-৫০৯৩)।
▪️আলেমগণের মতামত:▪️
শাইখ উসাইমীন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন: ক্রিসমাস উপ লক্ষে অনুষ্ঠান করে, উপহার ও মিষ্টি বিতরণ করে, বিভিন্ন ধরণের খাবারের আয়োজন করে এবং ছুটি পালন করে কাফেরদের সাদৃশ্যতা অবলম্বন করা মুসলমানদের জন্য হারাম। কেননা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি কোন জাতির সাদৃশ্যতা অবলম্বন করবে সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে।”
শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া (রাহিমাহুল্লাহ্) স্বীয় ইক্তিযাউ সিরাতিল মুস্তাকীম গ্রন্থে বলেন: “তাদের (কাফেরদের) কিছু উৎসবে (মুসলমানদের জন্য)তাদের সাদৃশ্য অবলম্বন করা তারা বাতিল পন্থী হওয়া স্বত্বে তাদের আত্মতৃপ্তির কারণ হবে। আবার কখনো হয়ত তা দুর্বল হৃদয়ের অধিকারী এবং সুযোগ সন্ধানীদের জন্য বৈধতার প্রমাণ গ্রহণের সুযোগ করে দিবে।
যে ব্যক্তি তা করবে সে গোনাহগার বলে গণ্য হবে তা যে উদ্দেশ্যেই করে থাকুক না কেন চাই তা সামাজিকতা রক্ষা, ভালবাসা, লজ্জা বা অন্য কোন কারণে হোকনা কেন। কেননা তা আল্লাহর দ্বীনে তোষামোদ এবং কাফেরদের মনোবলকে দৃঢ় করবে এবং তাদের ধর্ম নিয়ে তাদেরকে গৌরব করার সুযোগ করে দিবে।
(ফাতাওয়া ইবনে উসাইমীন ৩/৪৪)
উৎস: https://goo.gl/FktgCm
© আব্দুল্লাহিল হাদী মু. ইউসুফ
© FEAR ALLAH
আমরা কি শুনতে পাচ্ছি, না এই মাজলুমদের আর্তনাদ নাকি শুনে ও না শুনার ভান করছি আমরা কি ভুলে গিয়েছি যে, আমরা কিয়ামতের দিন আমরা এদের ব্যাপারে জিজ্ঞেসিত হবো আর তখন উত্তর দিতে পারবো তো?
©কালেক্টেড
03/12/2021
একদিন চলে যেতে হবে এটাই বাস্তবতা। দুনিয়ার কোনো শক্তি আপনাকে ধরে রাখতে পারবে না, আমল নামায় সব লিখে রাখা হয়েছে একদিন সবকিছুর হিসাব নেয়া হবে এটাই চিরত্তন সত্য। ক্ষমতা, শক্তি, অর্থ-সম্পদ সেদিন কোনো কিছুই থাকবে না। দুনিয়াতে হাজার হাজার বছর পূর্বে যারা এসেছিলেন তাদের চলে যেতে হয়েছে আমাদেরও একদিন চলে যেতে হবে মহান রবের ডাকে। মূত্যু আমাদের অনেক নিকটে তবে আমরা পকেটে দুনিয়ার মোহমায়া নিয়ে ঘুরি। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুক আমিন।
তোমরা যেখানেই থাক না কেন; মৃত্যু কিন্তু
তোমাদেরকে পাকড়াও করবেই- যদি তোমরা সুদৃঢ়
দুর্গের ভেতরেও অবস্থান কর, তবুও। যখন
তাদের কোন কল্যাণ সাধিত হলে তারা বলে যে,
এটা সাধিত হয়েছে আল্লাহর পক্ষ থেকে। আর
যদি তাদের কোন অকল্যাণ হয়, তবে বলে, এটা
হয়েছে তোমার পক্ষ থেকে, বলে দাও, এসবই
আল্লাহর পক্ষ থেকে। কিন্তু তাদের পরিণতি
কি হবে, যারা কখনও কোন কথা বুঝতে চেষ্টা
করে না। -সূরা নিসা, আয়াত-৭৮
ভুমিকম্পে পৃথিবী ধ্বংস হবে।
সূরা আল-যিলযাল(ভুমিকম্প)
© Melodious QURAN
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Culinary Team
Attire
Website
Address
Jatrabari