01/07/2024
HSC 24 ব্যাচের ক্লাস শুরু হয় ২৩এর ফেব্রুয়ারিতে। পরীক্ষা হচ্ছে জুনের ৩০ তারিখ থেকে।
অর্থ্যাৎ ওরা সময় পেয়েছে মোটঃ ১ বছর ৫ মাস।
১ বছর ৫ মাসই কি তারা ক্লাস পেয়েছে?
ডিসেম্বরে রাজনৈতিক অস্থিরতার ক্লাস বন্ধ ছিল প্রায় ১ মাস। হিট ওয়েভে ক্লাস বন্ধ ছিল প্রায় ৩ সপ্তাহ। এর মধ্যে ওদের টেস্ট পরীক্ষা শুরু হয় মার্চে। অর্থ্যাৎ HSC এর ৩মাস আগে। ১ম বর্ষে সেমিস্টার ইয়ার ফাইনাল পরীক্ষা দিছে ওরা ১মাসের বেশি সময়। মানে ওরা সব মিলিয়ে কলেজে ক্লাস করছে বড়জোড় ১১ মাস। সিলেবাস সংক্ষিপ্ত হলেও আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারি, বাংলাদেশের কোনো কলেজ পরিপূর্ণ সিলেবাস কমপ্লিট করতে পারে নাই। (বিশেষ করে উচ্চতর গণিতের ক্ষেত্রে)। দৈনিক কালবেলার প্রতিবেদনে যেখানে বলা হয়েছে ৯৬% মানুষ পরীক্ষা পিছানোর পক্ষে সেখানে আপনারা এই ভরা বৃষ্টিতে পরীক্ষা নিলেন। নোটিশ দিলেন হলে মোমবাতি নিয়ে যাইতে। আরো বললেন দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পরীক্ষার সময় বিলম্ব হবে সমন্বয় করতে। কোনো গণতান্ত্রিক দেশের সরকার ব্যবস্থা এমন বাজে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। এই বৃষ্টিতে অনেক শিক্ষার্থী ১ম পরীক্ষার পর ঠান্ডা জ্বরে অসুস্থ। তাদের পরীক্ষার প্রস্তুতির ঘাটতির দায় আপনাদের। তারা কখনোই বলেনি পরীক্ষা দিবে না।
এখন শিক্ষার্থীরা স্বভাবতই দেশের উপর ফেডাপ। আর এইটায় হয়ত তাদের মূল লক্ষ্য। দেশের উপর বিরক্ত হয়ে মেধাবীরা দেশ ছাড়বে। দেশে মেধাবী না থাকলে কেউ তাদের অপকর্মের জবাব চাইবে না, তাদের বিরুদ্ধে লিখবে না। হীরক রাজার কথা মনে আছে নিশ্চয়ই, এরা যত বেশি পড়ে, তত বেশি জানে তত কম মানে। হীরক রাজার দেশ হবে এইটা।
বর্তমানের তরুণেরা অধিকাংশই সত্যিকারের দেশ প্রেমিক এবং সৎ। এইজন্যই অনেক ক্ষেত্রেই দেশের মেধাবীরা দেশের সেবার জনই বিসিএস প্রস্তুতি নেয়। বিসিএস বা সরকারি চাকরিতে জয়েন করার আরেকটি অন্যতম উদ্দেশ্য হল জব সিকিউরিটি এবং অবসরের পর একটা ভালো এমাউন্টের টাকা। অর্থাৎ সরকারি চাকরি যদি আপনি সৎ ভাবে করেন, আপনি একটা সাদামাটা, সম্মানজনক, দুঃচিন্তামুক্ত জীবন পাবেন। এত সৎ মানুষ সরকারি চাকরিতে আসলে তো বেনজির মতিউদের সমস্যা। যে ভাবেই হোক এদের আটকাটে হবে, স্বগোত্রী লোক নিয়োগ দিতে হবে । তাই কোটা আবার বৃদ্ধি করলেন আর পেনশন স্কিম পরিবর্তন করলেন। ব্যাপারটা এমন "তুই মেধাবী, তুই ক্যান সরকারি চাকরি করবি, বিদেশ যা, ডলার পাঠা, আমরা চেটেপুটে খায়"। ে