দৃষ্টিকোণ।

দৃষ্টিকোণ।

Share

Tips & Tricks & Career growth. Md.Billal Hossain
B.Sc(Hon's), M.Sc(Physics)(First class)
NTRCA National merit-69
Ex.

Lecturer:Milestone College
& Dhaka shiksha board laboratory school & College,Dhaka

30/05/2026

⛔ফেসবুক প্রোফাইলের নাম পরিবর্তন করার কার্যকর উপায়। ধাপে ধাপে👇

ফেসবুক প্রোফাইলের নাম পরিবর্তন করতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

মোবাইল অ্যাপে (Android/iPhone)

Facebook অ্যাপ খুলুন।

উপরের ডানদিকে Menu (☰) আইকনে ট্যাপ করুন।

Settings & Privacy → Settings এ যান।

Accounts Center নির্বাচন করুন।

Profiles এ ট্যাপ করুন।

যে Facebook প্রোফাইলের নাম পরিবর্তন করতে চান সেটি নির্বাচন করুন।

Name অপশনে ট্যাপ করুন।

নতুন First Name, Middle Name (ঐচ্ছিক), এবং Last Name লিখুন।

Review Change এ ট্যাপ করুন।

পছন্দের নাম প্রদর্শনের ফরম্যাট নির্বাচন করুন।

Facebook পাসওয়ার্ড দিন।

Save Changes চাপুন।

কম্পিউটার (ওয়েব ব্রাউজার) থেকে

Facebook এ লগইন করুন।

উপরের ডানদিকে আপনার প্রোফাইল ছবিতে ক্লিক করুন।

Settings & Privacy → Settings এ যান।

Accounts Center খুলুন।

Profiles → আপনার Facebook প্রোফাইল নির্বাচন করুন।

Name ক্লিক করুন।

নতুন নাম লিখে Review Change নির্বাচন করুন।

পাসওয়ার্ড দিয়ে পরিবর্তন নিশ্চিত করুন।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

সাধারণত নাম পরিবর্তনের পর আবার নাম পরিবর্তন করতে ৬০ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।

Facebook-এর নাম নীতিমালা অনুযায়ী নাম ব্যবহার করতে হবে। অতিরিক্ত চিহ্ন, সংখ্যা, অস্বাভাবিক ক্যাপিটালাইজেশন বা আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করলে নাম অনুমোদিত নাও হতে পারে।

যদি নাম পরিবর্তনের অপশন না দেখেন, তাহলে হয়তো সম্প্রতি নাম পরিবর্তন করেছেন বা অ্যাকাউন্টে কোনো সীমাবদ্ধতা রয়েছে।


#ফেসবুক_প্রোফাইলের_নাম_পরিবর্তন

30/05/2026

⛔অনেকের ফোনে দেখা যায়, হোয়াটসঅ্যাপে কেউ ছবি বা ভিডিও পাঠালেই সেটা অটো গ্যালারিতে চলে যায়। এতে ফোনের স্টোরেজ দ্রুত ফুল হয়ে যায় এবং ব্যক্তিগত ছবিও গ্যালারিতে দেখা যায়। চাইলে খুব সহজেই এই সেটিংস বন্ধ করতে পারবেন।

যেভাবে বন্ধ করবেন 👇
Android ফোনে:
হোয়াটসঅ্যাপ খুলুন
উপরের ডান পাশে ৩ ডট (⋮) এ চাপ দিন
Settings এ যান
তারপর Chats অপশনে যান
এখানে Media visibility নামে একটি অপশন পাবেন
সেটি Off করে দিন
এখন থেকে নতুন ছবি বা ভিডিও আর গ্যালারিতে অটো সেভ হবে না।
নির্দিষ্ট কারো ছবি/ভিডিও শুধু বন্ধ করতে চাইলে:
সেই ব্যক্তির চ্যাটে যান
উপরে তার নামের উপর চাপ দিন
Media visibility অপশন নির্বাচন করুন
No সিলেক্ট করুন
এতে শুধু ওই ব্যক্তির পাঠানো ছবি/ভিডিও গ্যালারিতে সেভ হবে না।
iPhone এ যেভাবে করবেন:
WhatsApp খুলুন
Settings এ যান
Chats এ চাপ দিন
Save to Camera Roll অপশন বন্ধ করুন
এই সেটিংস বন্ধ করলে সুবিধা কী? ✅
ফোনের স্টোরেজ দ্রুত ফুল হবে না
অপ্রয়োজনীয় ছবি গ্যালারিতে জমবে না
ব্যক্তিগত ছবি অন্য কেউ সহজে দেখতে পারবে না
ফোন আগের চেয়ে পরিষ্কার ও দ্রুত থাকবে
ছোট টিপস
হোয়াটসঅ্যাপের অটো ডাউনলোডও বন্ধ করলে আরও বেশি স্টোরেজ বাঁচবে।
এজন্য যান:
Settings → Storage and Data → Media Auto-download
তারপর ছবি, ভিডিও, ডকুমেন্ট সবগুলো আপনার পছন্দমতো Off করে দিন।

29/05/2026

⛔মৃত ব‍্যক্তির ব‍্যাংক টাকার উত্তরাধিকার কে? ডিটেইল তথ‍্য সহ👇

বাংলাদেশে কোনো ব্যক্তি মারা গেলে তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের টাকা কে পাবে, তা নির্ভর করে কয়েকটি বিষয়ের উপর:

মৃত ব্যক্তি মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান বা অন্য ধর্মাবলম্বী কিনা

অ্যাকাউন্টে নমিনি (Nominee) আছে কিনা

উইল (Will) করা আছে কিনা

উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী বৈধ ওয়ারিশ কারা

নিচে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করছি।

১) নমিনি (Nominee) থাকলে কী হয়?

বাংলাদেশে অনেকেই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার সময় একজন “নমিনি” দেন।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো:

নমিনি মানেই টাকার মালিক নয়।

নমিনি মূলত ব্যাংক থেকে টাকা গ্রহণ করার প্রতিনিধি।

প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ হয় উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী।

অর্থাৎ, বাবা মারা গেলে ছেলে নমিনি থাকলেও সে একাই পুরো টাকা নিজের করে নিতে পারে না, যদি অন্য বৈধ ওয়ারিশ থাকে।

বাংলাদেশের আদালতের বিভিন্ন সিদ্ধান্তেও বলা হয়েছে যে নমিনি “ট্রাস্টি” বা গ্রহণকারী; আসল বণ্টন হবে উত্তরাধিকার আইনে।

২) মুসলিম হলে উত্তরাধিকার কীভাবে ভাগ হয়?

বাংলাদেশে মুসলিমদের ক্ষেত্রে ইসলামিক ফারায়েজ আইন অনুযায়ী সম্পদ বণ্টন হয়।

সাধারণ নিয়ম:

প্রথমে যা কাটা হবে

মৃত ব্যক্তির সম্পদ থেকে আগে:

দাফন-কাফনের খরচ

দেনা

বৈধ উইল (সর্বোচ্চ ১/৩ অংশ পর্যন্ত)

পরিশোধ করা হবে।

তারপর বাকি সম্পদ ওয়ারিশদের মধ্যে ভাগ হবে।

৩) কারা ওয়ারিশ হয়? (মুসলিম আইনে)

সাধারণত:

স্ত্রী / স্বামী

ছেলে

মেয়ে

বাবা

মা

ওয়ারিশ হয়।

উদাহরণ ১

একজন পুরুষ মারা গেলেন। রেখে গেলেন:

স্ত্রী

১ ছেলে

১ মেয়ে

তাহলে:

স্ত্রী পাবেন ১/৮ অংশ

বাকি অংশ ছেলে-মেয়েরা ভাগ করবে

ছেলের অংশ মেয়ের দ্বিগুণ হবে

উদাহরণ ২

একজন নারী মারা গেলেন। রেখে গেলেন:

স্বামী

২ মেয়ে

তাহলে:

স্বামী পাবেন ১/৪

মেয়েরা সম্মিলিতভাবে ২/৩

অবশিষ্ট অংশ নিকট আত্মীয়দের দিকে যেতে পারে

৪) উইল (Will) থাকলে কী হয়?

মুসলিম ব্যক্তি:

মোট সম্পদের সর্বোচ্চ ১/৩ অংশ উইল করতে পারেন

বৈধ ওয়ারিশের পক্ষে উইল করতে চাইলে অন্য ওয়ারিশদের সম্মতি লাগে

অর্থাৎ, একজন বাবা চাইলে সব টাকা শুধু এক ছেলেকে দিয়ে যেতে পারেন না (মুসলিম আইনে), যদি অন্য ওয়ারিশ থাকে।

৫) ব্যাংক টাকা তুলতে কী কী লাগে?

সাধারণত ব্যাংক চায়:

মৃত্যু সনদ

উত্তরাধিকার সনদ / Succession Certificate

জাতীয় পরিচয়পত্র

নমিনির তথ্য

কখনও আদালতের আদেশ

৬) উত্তরাধিকার সনদ কী?

এটি প্রমাণ করে মৃত ব্যক্তির বৈধ ওয়ারিশ কারা।

বাংলাদেশে সাধারণত পাওয়া যায়:

ইউনিয়ন পরিষদ

পৌরসভা

সিটি করপোরেশন

থেকে “ওয়ারিশান সনদ”।

কিন্তু ব্যাংকের বড় অঙ্কের টাকার ক্ষেত্রে আদালতের Succession Certificate লাগতে পারে।

৭) যৌথ অ্যাকাউন্ট (Joint Account) হলে?

যদি “Either or Survivor” ধরনের যৌথ অ্যাকাউন্ট হয়:

জীবিত যৌথ মালিক টাকা পরিচালনা করতে পারেন

তবে চূড়ান্ত মালিকানা নিয়ে উত্তরাধিকার বিরোধ হতে পারে।

৮) ব্যাংক যদি টাকা আটকে রাখে?

ব্যাংক সাধারণত:

ওয়ারিশদের মধ্যে বিরোধ থাকলে

কাগজ অসম্পূর্ণ হলে

আদালতের নির্দেশ না থাকলে

টাকা স্থগিত রাখতে পারে।

এক্ষেত্রে আদালতে Succession Certificate বা Letter of Administration এর আবেদন করতে হয়।

৯) হিন্দু বা অন্যান্য ধর্মের ক্ষেত্রে

হিন্দু, খ্রিস্টান বা অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন উত্তরাধিকার আইন প্রযোজ্য হয়। তাই ধর্মভেদে বণ্টনের নিয়ম আলাদা হতে পারে।

👉বাস্তব পরামর্শ

যদি আপনার পরিবারের কারও ব্যাংক টাকার উত্তরাধিকার নিয়ে বিষয় থাকে, তাহলে:

আগে ব্যাংকে যোগাযোগ করুন

নমিনি আছে কিনা জানুন

ওয়ারিশান সনদ সংগ্রহ করুন

প্রয়োজন হলে আইনজীবীর সাহায্যে Succession Certificate নিন

সব ওয়ারিশের সম্মতিতে কাজ করলে সমস্যা কম হয়

29/05/2026

⛔বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী ব‍্যবসায়ী টাকা লেনদেন চুক্তিপত্রের ফরম‍্যাট। ডিটেইল তথ‍্য সহ👇

নিচে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন ও ব্যবসায়িক চর্চা অনুযায়ী একটি ব্যবসায়িক টাকা লেনদেন চুক্তিপত্র (Money Transaction Agreement) এর বিস্তারিত ও প্রফেশনাল ফরম্যাট দেওয়া হলো। এটি ব্যবসায়ী, পার্টনার, বিনিয়োগকারী বা ব্যক্তিগত ব্যবসায়িক লেনদেনের জন্য ব্যবহার করা যায়।

বাংলাদেশে চুক্তিপত্র সাধারণত Contract Act 1872, Stamp Act, এবং প্রয়োজনে Negotiable Instruments Act 1881 অনুযায়ী প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ব্যবসায়িক টাকা লেনদেন চুক্তিপত্র

BUSINESS MONEY TRANSACTION AGREEMENT

চুক্তিপত্র নম্বর: ___________

তারিখ: ___ / ___ / ______

এই মর্মে অদ্য ____________ তারিখে নিম্নোক্ত পক্ষদ্বয়ের মধ্যে এই চুক্তিপত্র সম্পাদিত হইলঃ

১। প্রথম পক্ষের তথ্য (টাকা প্রদানকারী)

নাম: ______________________________

পিতার নাম: ________________________

মাতার নাম: ________________________

জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর: ______________

বর্তমান ঠিকানা: _____________________

মোবাইল নম্বর: ______________________

অতঃপর “প্রথম পক্ষ” নামে অভিহিত হইবেন।

২। দ্বিতীয় পক্ষের তথ্য (টাকা গ্রহণকারী)

নাম: ______________________________

পিতার নাম: ________________________

মাতার নাম: ________________________

জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর: ______________

বর্তমান ঠিকানা: _____________________

মোবাইল নম্বর: ______________________

অতঃপর “দ্বিতীয় পক্ষ” নামে অভিহিত হইবেন।

৩। চুক্তির বিষয়

যেহেতু দ্বিতীয় পক্ষ ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রথম পক্ষের নিকট হইতে টাকা গ্রহণ করিতে ইচ্ছুক এবং প্রথম পক্ষ নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে টাকা প্রদান করিতে সম্মত হইয়াছেন, সেহেতু উভয় পক্ষ নিম্নোক্ত শর্তাবলীর ভিত্তিতে এই চুক্তিপত্রে আবদ্ধ হইলেন।

৪। লেনদেনের পরিমাণ

মোট টাকার পরিমাণ: ৳ ____________________

কথায়: ________________________________________

৫। টাকা প্রদানের পদ্ধতি

প্রথম পক্ষ নিম্নোক্ত মাধ্যমে টাকা প্রদান করিবেনঃ

☐ নগদ
☐ ব্যাংক ট্রান্সফার
☐ চেক
☐ মোবাইল ব্যাংকিং

বিস্তারিতঃ

ব্যাংকের নাম: __________________

একাউন্ট নম্বর: _________________

চেক নম্বর (যদি থাকে): ___________

৬। টাকার ব্যবহার

দ্বিতীয় পক্ষ উক্ত টাকা শুধুমাত্র নিম্নোক্ত ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার করিবেনঃ

৭। মুনাফা / সুদ / লাভের শর্ত

(যেটি প্রযোজ্য হবে তা লিখুন)

Option A — সুদ ছাড়া

এই লেনদেন সম্পূর্ণ সুদবিহীন।

Option B — নির্দিষ্ট লাভ

দ্বিতীয় পক্ষ প্রতি মাসে/বছরে _______% হারে লাভ প্রদান করিবেন।

Option C — ব্যবসায়িক লাভের অংশ

প্রথম পক্ষ ব্যবসার মোট লাভের _______% অংশ পাইবেন।

৮। টাকা ফেরতের সময়সীমা

দ্বিতীয় পক্ষ নিম্নোক্ত সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করিতে বাধ্য থাকিবেনঃ

শুরুর তারিখ: ___ / ___ / ______

শেষ তারিখ: ___ / ___ / ______

অথবা কিস্তির মাধ্যমে:

কিস্তিপরিমাণতারিখ১ম৳____________২য়৳____________৩য়৳____________

৯। জামানত (যদি থাকে)

দ্বিতীয় পক্ষ নিম্নোক্ত জামানত প্রদান করিলেনঃ

১০। চুক্তি ভঙ্গের শর্ত

যদি দ্বিতীয় পক্ষ নির্ধারিত সময়ে টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হন, তাহা হইলে প্রথম পক্ষ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন এবং প্রয়োজনবোধে জামানত বাজেয়াপ্ত করিতে পারিবেন।

১১। বিরোধ নিষ্পত্তি

এই চুক্তি সংক্রান্ত কোনো বিরোধ সৃষ্টি হইলে উভয় পক্ষ প্রথমে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করিবেন। সমাধান সম্ভব না হইলে বাংলাদেশের প্রচলিত আদালতে মামলা দায়ের করা যাইবে।

১২। বিশেষ শর্ত

১। _____________________________________
২। _____________________________________
৩। _____________________________________

১৩। সাক্ষীগণ

সাক্ষী – ১

নাম: ____________________

স্বাক্ষর: _________________

মোবাইল: _________________

সাক্ষী – ২

নাম: ____________________

স্বাক্ষর: _________________

মোবাইল: _________________

১৪। পক্ষদ্বয়ের স্বাক্ষর

প্রথম পক্ষ

নাম: ____________________
স্বাক্ষর: _________________

দ্বিতীয় পক্ষ

নাম: ____________________
স্বাক্ষর: _________________

👉গুরুত্বপূর্ণ আইনি পরামর্শ

বাংলাদেশে ব্যবসায়িক চুক্তিপত্র কার্যকর ও শক্তিশালী করতে সাধারণত নিচের বিষয়গুলো অনুসরণ করা উচিতঃ

৩০০ টাকা বা তার বেশি মূল্যের নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে করা ভালো

উভয় পক্ষের NID ফটোকপি সংযুক্ত রাখা

২ জন সাক্ষী রাখা

সম্ভব হলে নোটারি পাবলিক দ্বারা সত্যায়ন করা

বড় অঙ্কের লেনদেনে ব্যাংক ট্রান্সফার ব্যবহার করা

চেক নম্বর বা ট্রানজেকশন আইডি উল্লেখ করা

পার্টনারশিপ হলে লাভ-লোকসানের শতাংশ পরিষ্কার লেখা জরুরি

👉কোন ক্ষেত্রে এই ফরম্যাট ব্যবহার করা যায়

ব্যবসায়িক বিনিয়োগ

পার্টনারশিপ ব্যবসা

পাইকারি পণ্য ক্রয়

অগ্রিম টাকা প্রদান

ধার/হাওলাত

লাভ ভাগাভাগি ব্যবসা

দোকান/প্রতিষ্ঠানে মূলধন বিনিয়োগ

#টাকা_লেনদেন_চুক্তিপত্র
#চুক্তিনামা

29/05/2026

পরিসংখ‍্যানের সকল সূত্র।

29/05/2026

⛔জমির রেকর্ড সংশোধন কিভাবে করতে হয়? ধাপে ধাপে বিস্তারিত তথ‍্য।

📌 জমির রেকর্ড সংশোধন কিভাবে করবেন? ধাপে ধাপে বিস্তারিত গাইড

অনেক সময় জমির খতিয়ান, পর্চা বা রেকর্ডে নাম, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ কিংবা মালিকানার তথ্য ভুল থাকে। এসব ভুল থাকলে ভবিষ্যতে জমি বিক্রি, নামজারি বা ব্যাংক লোন নিতে সমস্যা হতে পারে। তাই সঠিকভাবে রেকর্ড সংশোধন করা খুবই জরুরি।

✅ জমির রেকর্ড সংশোধনের ধাপসমূহ:

🔹 ১. ভুল শনাক্ত করুন
প্রথমে খতিয়ান/পর্চা ভালোভাবে দেখে বুঝুন কোথায় ভুল আছে।
যেমন—
• নামের বানান ভুল
• জমির পরিমাণ কম/বেশি
• দাগ নম্বর ভুল
• ওয়ারিশের নাম বাদ পড়া ইত্যাদি

🔹 ২. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করুন
সাধারণত যেসব কাগজ লাগে—
✔ জাতীয় পরিচয়পত্র
✔ খতিয়ান/পর্চার কপি
✔ দলিলের ফটোকপি
✔ নামজারি কাগজ
✔ কর পরিশোধের রসিদ
✔ ওয়ারিশ সনদ (প্রযোজ্য হলে)
✔ আদালতের আদেশ (যদি থাকে)

🔹 ৩. ভূমি অফিসে আবেদন করুন
আপনার এলাকার সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস বা তহসিল অফিসে লিখিত আবেদন করতে হবে।

আবেদনে উল্লেখ করুন—
📝 কী ভুল হয়েছে
📝 সঠিক তথ্য কী হবে
📝 কোন কাগজের ভিত্তিতে সংশোধন চান

🔹 ৪. তদন্ত ও শুনানি
ভূমি অফিস আবেদন পাওয়ার পর তদন্ত করবে। প্রয়োজন হলে উভয় পক্ষকে ডেকে শুনানি নেওয়া হতে পারে।

🔹 ৫. রেকর্ড সংশোধনের আদেশ
সব তথ্য সঠিক প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা রেকর্ড সংশোধনের আদেশ দেবেন।

🔹 ৬. সংশোধিত খতিয়ান সংগ্রহ করুন
আদেশের পর নতুন সংশোধিত রেকর্ড/খতিয়ান সংগ্রহ করতে পারবেন।

⚠ গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ:
✔ সব কাগজের ফটোকপি ও মূল কপি সঙ্গে রাখুন
✔ দালালের উপর নির্ভর না করে সরাসরি অফিসে যোগাযোগ করুন
✔ জটিল সমস্যা হলে ভূমি আইনজীবীর পরামর্শ নিন

📢 মনে রাখবেন:
জমির রেকর্ডে ছোট ভুলও ভবিষ্যতে বড় আইনি জটিলতা তৈরি করতে পারে। তাই দ্রুত সংশোধনের উদ্যোগ নিন।

#জমির_রেকর্ড #খতিয়ান_সংশোধন #নামজারি #ভূমি_তথ্য #জমিজমা #বাংলাদেশ

29/05/2026

⛔বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী জমির রেকর্ড সংশোধন আবেদনপত্রের একটি সঠিক ফরম‍্যাট।👇
বাংলাদেশের ভূমি আইন ও প্রচলিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী জমির রেকর্ড/খতিয়ান সংশোধনের জন্য সাধারণত সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসে আবেদন করতে হয়। করণিক ভুল, নামের বানান ভুল, দাগ/খতিয়ান নম্বর ভুল, জমির পরিমাণের ভুল ইত্যাদি ক্ষেত্রে এই আবেদন করা যায়।

নিচে একটি পূর্ণাঙ্গ ও ব্যবহারযোগ্য আবেদনপত্রের ফরম্যাট দেওয়া হলো:

Writing

বরাবর
সহকারী কমিশনার (ভূমি)
__________ উপজেলা, __________ জেলা।

বিষয়ঃ জমির রেকর্ড/খতিয়ান সংশোধনের আবেদন।

জনাব,

বিনীত নিবেদন এই যে, আমি/আমরা নিম্নস্বাক্ষরকারী __________ পিতা/স্বামী: __________, সাং: __________, ডাকঘর: __________, উপজেলা: __________, জেলা: __________।

আমার/আমাদের মালিকানাধীন নিম্ন তফসিলভুক্ত জমির খতিয়ান/রেকর্ডে ভুলক্রমে কিছু তথ্য ভূলভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। উক্ত ভুল সংশোধনের জন্য আপনার নিকট আবেদন জানাচ্ছি।

জমির বিবরণঃ
১। মৌজা: __________________
২। জে.এল নং: _______________
৩। খতিয়ান নং: ______________
৪। দাগ নং: _________________
৫। জমির পরিমাণ: ____________
৬। শ্রেণী: ___________________

রেকর্ডে বিদ্যমান ভুলের বিবরণঃ

সঠিক তথ্য যা হবে:

ভুলের কারণ (যদি জানা থাকে):

অতএব, সংযুক্ত কাগজপত্র যাচাইপূর্বক জমির রেকর্ড/খতিয়ানের ভুল সংশোধন করে সঠিক তথ্য অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আপনার সদয় নির্দেশ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানাচ্ছি।

সংযুক্ত কাগজপত্রঃ
১। জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি
২। খতিয়ানের কপি
৩। দলিলের ফটোকপি
৪। নামজারি/খারিজ কপি (যদি থাকে)
৫। খাজনার রশিদ
৬। আদালতের আদেশ/ডিক্রি (যদি থাকে)
৭। অন্যান্য প্রমাণপত্র

আবেদনকারীর তথ্যঃ

নাম: ______________________
স্বাক্ষর: ___________________
মোবাইল নম্বর: ______________
তারিখ: _____________________

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

করণিক ভুল (বানান, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ ইত্যাদি) হলে সাধারণত ভূমি অফিসেই আবেদন করে সংশোধন সম্ভব।

যদি মালিকানা নিয়ে বিরোধ থাকে, তাহলে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল বা দেওয়ানি আদালতে মামলা প্রয়োজন হতে পারে।

আবেদন করার সময় দলিল, খতিয়ান, খাজনার রশিদ ও নামজারি কপি সংযুক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ।

অনেক ক্ষেত্রে “মিস কেস” হিসেবে এসিল্যান্ড অফিসে আবেদন গ্রহণ করা হয়।

#জমি_রেকর্ড_সংশোধন_আবেদনপত্র #রেকর্ড_সংশোধন
#ভূমি_আইন

28/05/2026

⛔জমি বন্ধক রেখে লোন নেওয়ার ধাপ সমূহ। 👇
বাংলাদেশে জমি বন্ধক রেখে (Mortgage) ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে লোন নিতে সাধারণত কয়েকটি নির্দিষ্ট ধাপ অনুসরণ করতে হয়। নিচে পুরো প্রক্রিয়াটি বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলো।

জমি বন্ধক রেখে লোন নেওয়ার বিস্তারিত ধাপ

১) কোন ধরনের লোন লাগবে তা নির্ধারণ করুন

প্রথমে ঠিক করুন আপনি কী উদ্দেশ্যে লোন নিতে চান:

ব্যবসার জন্য

কৃষি লোন

বাড়ি নির্মাণ

ব্যক্তিগত প্রয়োজন

SME লোন

শিল্প কারখানা

কারণ লোনের ধরন অনুযায়ী:

সুদের হার

কাগজপত্র

জামানতের মূল্যায়ন

পরিশোধ সময়সীমা

ভিন্ন হয়।

২) কোন প্রতিষ্ঠান থেকে লোন নেবেন ঠিক করুন

সাধারণত:

সরকারি ব্যাংক

বেসরকারি ব্যাংক

ইসলামী ব্যাংক

আর্থিক প্রতিষ্ঠান (NBFI)

থেকে জমি বন্ধক রেখে লোন পাওয়া যায়।

বাংলাদেশের কিছু পরিচিত ব্যাংক:

Sonali Bank PLC

Agrani Bank PLC

Islami Bank Bangladesh PLC

BRAC Bank PLC

Dutch-Bangla Bank PLC

অফিসিয়াল ওয়েবসাইট:

Sonali Bank

Agrani Bank

Islami Bank Bangladesh PLC

BRAC Bank

Dutch-Bangla Bank

৩) জমির কাগজপত্র প্রস্তুত করুন

এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। সাধারণত নিচের কাগজগুলো লাগে:

জমির মূল কাগজ

দলিল (Sale Deed)

নামজারি/খতিয়ান

পর্চা

Mutation Certificate

জমির ম্যাপ

DCR

খাজনার রসিদ

CS / SA / RS / BS রেকর্ড

মালিকানা প্রমাণ

NID

ছবি

TIN সার্টিফিকেট

ট্রেড লাইসেন্স (ব্যবসা হলে)

ব্যাংক স্টেটমেন্ট

আয় সংক্রান্ত কাগজ

Salary certificate

ব্যবসার আয় বিবরণী

ব্যাংক লেনদেন

Income Tax Return

৪) ব্যাংকে প্রাথমিক আবেদন করুন

ব্যাংকে গিয়ে:

Loan Application Form পূরণ করতে হয়

প্রয়োজনীয় কাগজ জমা দিতে হয়

এ সময় ব্যাংক সাধারণত জানতে চাইবে:

কত টাকা লাগবে

কী কাজে লাগবে

কীভাবে শোধ করবেন

মাসিক আয় কত

৫) জমির ভ্যালুয়েশন (মূল্য নির্ধারণ)

ব্যাংক তাদের নিজস্ব:

Surveyor

Valuation Officer

দিয়ে জমির বাজার মূল্য যাচাই করে।

এখানে তারা দেখে:

জমির অবস্থান

রাস্তা আছে কিনা

কমার্শিয়াল না রেসিডেন্সিয়াল

বাজারদর

আইনি ঝুঁকি

সাধারণত জমির মূল্যের:

৫০% থেকে ৭০%

পর্যন্ত লোন দেয়।

উদাহরণ:

জমির মূল্য ২০ লাখ টাকা হলে

লোন পেতে পারেন ১০–১৪ লাখ টাকা

৬) লিগ্যাল ভেরিফিকেশন

ব্যাংকের আইনজীবী জমির কাগজ যাচাই করে দেখেন:

জমিতে মামলা আছে কিনা

মালিকানা বৈধ কিনা

একাধিক মালিক আছে কিনা

পূর্বে বন্ধক আছে কিনা

এটাকে Legal Scrutiny বলে।

৭) লোন অনুমোদন (Sanction)

সব ঠিক থাকলে ব্যাংক:

Loan Sanction Letter দেয়

এতে উল্লেখ থাকে:

লোনের পরিমাণ

সুদের হার

EMI

মেয়াদ

জামানতের শর্ত

৮) মর্টগেজ/বন্ধক রেজিস্ট্রি

এ ধাপে জমি আইনগতভাবে ব্যাংকের কাছে বন্ধক রাখা হয়।

সাধারণত:

সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে

Mortgage Deed Registration

করা হয়।

এখানে:

স্ট্যাম্প খরচ

রেজিস্ট্রেশন ফি

আইনজীবী ফি

লাগে।

৯) লোন ডিসবার্সমেন্ট (টাকা প্রদান)

সব প্রক্রিয়া শেষ হলে:

ব্যাংক আপনার অ্যাকাউন্টে টাকা দেয়
অথবা

ধাপে ধাপে ছাড় করে (বিশেষ করে নির্মাণ কাজে)

১০) মাসিক কিস্তি পরিশোধ

আপনাকে নিয়মিত:

EMI

Profit/Interest

পরিশোধ করতে হবে।

দেরি হলে:

জরিমানা

CIB খারাপ হওয়া

জমি নিলামে যাওয়ার ঝুঁকি

থাকে।

লোন নেওয়ার আগে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

সুদের হার তুলনা করুন

বিভিন্ন ব্যাংকের:

Interest Rate

Processing Fee

Hidden Charge

তুলনা করুন।

জমির কাগজ পরিষ্কার রাখুন

যদি:

ওয়ারিশ জটিলতা

মামলা

নামজারি সমস্যা

থাকে, আগে সমাধান করুন।

EMI হিসাব বুঝে নিন

EMI এর সূত্র:

EMI=P×r×(1+r)n(1+r)n−1EMI=(1+r)n−1P×r×(1+r)n​

যেখানে:

PP = লোনের পরিমাণ

rr = মাসিক সুদের হার

nn = কিস্তির সংখ্যা

সাধারণ খরচসমূহ

লোন নিতে গিয়ে সাধারণত লাগে:

Processing Fee

Valuation Fee

Legal Fee

Mortgage Registration Fee

Stamp Cost

Insurance (কিছু ক্ষেত্রে)

কত দিনে লোন হয়?

সাধারণত:

৭ দিন থেকে ৩০ দিন

সময় লাগে।

জটিল কাগজ হলে:

আরও বেশি লাগতে পারে।

ইসলামী ব্যাংকে কীভাবে আলাদা?

Islami Bank Bangladesh PLC বা অন্যান্য ইসলামী ব্যাংকে:

সুদের বদলে Profit Rate

Bai-Muajjal / HPSM পদ্ধতি
ব্যবহার করা হয়।

পরামর্শ

লোন নেওয়ার আগে:

অন্তত ৩টি ব্যাংকের অফার তুলনা করুন

কাগজপত্র আইনজীবী দিয়ে যাচাই করুন

EMI আপনার আয়ের ৪০%-এর বেশি না রাখার চেষ্টা করুন

খালি সই করা কাগজ দেবেন না

#লোন #জমি_বন্ধক_লোন #লোন_নেওয়ার_ধাপ

28/05/2026

⛔যৌথ বিনিয়োগ চুক্তিপত্রের উপর সঠিক ফরম‍্যাট । ডিটেইল তথ‍্য সহ👇

যৌথ বিনিয়োগ চুক্তিপত্র (Joint Investment Agreement)

নিচে একটি পূর্ণাঙ্গ ও ব্যবহারযোগ্য বাংলা ফরম্যাট দেওয়া হলো। এটি সাধারণ ব্যবসা, জমি, দোকান, অনলাইন ব্যবসা, ট্রেডিং, প্রজেক্ট ইত্যাদির যৌথ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায়। প্রয়োজন অনুযায়ী আইনজীবীর মাধ্যমে কাস্টমাইজ করা উত্তম।

যৌথ বিনিয়োগ চুক্তিপত্র

১। চুক্তির তারিখ

এই যৌথ বিনিয়োগ চুক্তিপত্রটি আজ ___ / ___ / ______ ইং তারিখে সম্পাদিত হলো।

২। পক্ষসমূহের পরিচয়

প্রথম পক্ষ (বিনিয়োগকারী/অংশীদার-১)

নাম: __________________________

পিতার নাম: ____________________

মাতার নাম: ____________________

জাতীয় পরিচয়পত্র নং: ____________

বর্তমান ঠিকানা: _________________

মোবাইল নম্বর: __________________

দ্বিতীয় পক্ষ (বিনিয়োগকারী/অংশীদার-২)

নাম: __________________________

পিতার নাম: ____________________

মাতার নাম: ____________________

জাতীয় পরিচয়পত্র নং: ____________

বর্তমান ঠিকানা: _________________

মোবাইল নম্বর: __________________

(প্রয়োজনে আরও পক্ষ যুক্ত করা যাবে)

৩। চুক্তির উদ্দেশ্য

উভয়/সকল পক্ষ পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে __________________ ব্যবসা/প্রকল্প/জমি/প্রতিষ্ঠানে যৌথভাবে বিনিয়োগ করতে সম্মত হয়েছেন।

ব্যবসা/প্রকল্পের বিবরণ:

৪। মোট বিনিয়োগের পরিমাণ

মোট বিনিয়োগের পরিমাণ: ৳ __________________

পক্ষভিত্তিক বিনিয়োগ:

পক্ষের নামবিনিয়োগের পরিমাণশতাংশ (%)প্রথম পক্ষ৳______________%দ্বিতীয় পক্ষ৳______________%

৫। লাভ ও ক্ষতির বণ্টন

১। ব্যবসা/প্রকল্প হতে অর্জিত নিট লাভ নিম্নরূপ বণ্টিত হবে:

প্রথম পক্ষ: ______%

দ্বিতীয় পক্ষ: ______%

২। কোনো ক্ষতি হলে তা বিনিয়োগের অনুপাত অনুযায়ী বহন করা হবে / অথবা:

৬। দায়িত্ব ও কর্তব্য

প্রথম পক্ষের দায়িত্ব:

দ্বিতীয় পক্ষের দায়িত্ব:

৭। ব্যাংক হিসাব ও আর্থিক লেনদেন

১। ব্যবসার সকল লেনদেন নিম্নোক্ত ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে পরিচালিত হবে:

ব্যাংকের নাম: __________________

হিসাব নং: ______________________

২। সকল আয়-ব্যয়ের হিসাব লিখিতভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।

৩। উভয় পক্ষের সম্মতি ছাড়া বড় অঙ্কের অর্থ উত্তোলন করা যাবে না।

৮। সিদ্ধান্ত গ্রহণ পদ্ধতি

১। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমে গ্রহণ করা হবে।

২। নিম্নোক্ত বিষয়সমূহে লিখিত সম্মতি বাধ্যতামূলক:

নতুন বিনিয়োগ

সম্পদ বিক্রয়

ঋণ গ্রহণ

নতুন অংশীদার যুক্ত করা

৯। চুক্তির মেয়াদ

এই চুক্তির মেয়াদ ___ বছর / অনির্দিষ্টকাল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

১০। অংশীদার প্রত্যাহার বা নতুন অংশীদার সংযুক্তি

১। কোনো পক্ষ ব্যবসা ত্যাগ করতে চাইলে কমপক্ষে ______ দিন পূর্বে লিখিত নোটিশ দিতে হবে।

২। নতুন অংশীদার যুক্ত করতে সকল পক্ষের লিখিত সম্মতি প্রয়োজন হবে।

১১। গোপনীয়তা

ব্যবসার আর্থিক তথ্য, কৌশল, গ্রাহক তথ্য ও অন্যান্য গোপন তথ্য কোনো তৃতীয় পক্ষের নিকট প্রকাশ করা যাবে না।

১২। বিরোধ নিষ্পত্তি

চুক্তি সংক্রান্ত কোনো বিরোধ সৃষ্টি হলে প্রথমে পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। সমাধান না হলে বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে।

১৩। চুক্তি বাতিল

নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে চুক্তি বাতিল বলে গণ্য হবে:

পারস্পরিক সম্মতি

গুরুতর প্রতারণা

আইন লঙ্ঘন

ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়া

১৪। ঘোষণাপত্র

উভয় পক্ষ সম্পূর্ণ সুস্থ মস্তিষ্কে ও স্বেচ্ছায় এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেন এবং চুক্তির সকল শর্ত বুঝে গ্রহণ করলেন।

১৫। স্বাক্ষরসমূহ

প্রথম পক্ষ

স্বাক্ষর: __________________
নাম: _____________________
তারিখ: ____________________

দ্বিতীয় পক্ষ

স্বাক্ষর: __________________
নাম: _____________________
তারিখ: ____________________

১৬। সাক্ষীগণ

সাক্ষী-১

নাম: ____________________

ঠিকানা: _________________

স্বাক্ষর: _________________

সাক্ষী-২

নাম: ____________________

ঠিকানা: _________________

স্বাক্ষর: _________________

অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ ধারা (প্রয়োজনে যোগ করুন)

ক) লাভ উত্তোলনের নিয়ম

মাসিক / ত্রৈমাসিক / বার্ষিক লাভ উত্তোলন করা যাবে।

খ) অডিট ব্যবস্থা

বছরে অন্তত ১ বার হিসাব নিরীক্ষা করা হবে।

গ) মৃত্যু বা অক্ষমতা

কোনো অংশীদারের মৃত্যু হলে তার উত্তরাধিকারীর অধিকার কী হবে তা উল্লেখ করুন।

ঘ) চেক স্বাক্ষর ক্ষমতা

একক / যৌথ স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক কিনা লিখুন।

👉নোট

৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তি করলে অধিক গ্রহণযোগ্যতা পায়।

বড় অঙ্কের বিনিয়োগ হলে নোটারি বা আইনজীবীর মাধ্যমে সত্যায়ন করা উত্তম।

জমি বা স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিনিয়োগ হলে রেজিস্ট্রেশন প্রয়োজন হতে পারে।

#যৌথ_বিনিয়োগ_চুক্তিপত্র #যৌথ_চুক্তিনামা #বিনিয়োগ_চুক্তি

28/05/2026

টাকা লেনদেন চুক্তিপত্র।
#টাকা_লেনদেন_চুক্তিপত্র #চুক্তিনামা #টাকা_ধার_ঋণ_চুক্তিনামা

28/05/2026

সেভ করে রাখুন।
#দলিল #দলিল_রেজিস্ট্রেশন_ফিস #জমি_জমা #ভূমি_আইন

Want your school to be the top-listed School/college in Jamalpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Address


Jamalpur Sadar
Jamalpur