E-Trick

E-Trick

Share

Please stay connected with us and give us valuable feedback about the content. InshaAllah we

E-Trick
-Learn Without Limit

We are providing Information and Communication Technology(ICT) Videos and Trips, Important Learning Tutorials, Tech Related Video.

এসএসসি নভেম্বরে, এইচএসসি ডিসেম্বরে: শিক্ষামন্ত্রী 15/07/2021

এসএসসি নভেম্বরে, এইচএসসি ডিসেম্বরে: শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসি নভেম্বরে, এইচএসসি ডিসেম্বরে: শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, তিনটি বিষয়ে পরীক্ষার ভিত্তিতে বাকি আবশ্যিক বিষয়গুলোর মূল্যায়ন নির্ধারণ হবে এসএসসি...

25/04/2021

প্রতিদিন শিখি ২৫০টি কম্পিউটার বিষয়ক প্রশ্ন উত্তর সহ (যে কোন পরীক্ষার জন্য)


১) তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক – ডেটা
২) ডেটা শব্দের অর্থ – ফ্যাক্ট
৩) বিশেষ প্রেক্ষিতে ডেটাকে অর্থবহ করাই- ইনফরমেশন
৪) তথ্য=উপাত্ত+প্রেক্ষিত+অর্থ
৫) তথ্য বিতরণ, প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণের সাথে যুক্ত – তথ্য প্রযুক্তি
৬) ICT in Education Program প্রকাশ করে – UNESCO
৭) কম্পিউটারের ভেতর আছে – অসংখ্য বর্তনী
৮) তথ্য সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং উৎপাদন করে – কম্পিউটার
৯) কম্পিউটার গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে – ৪টি
১০) মনো এফএম ব্যান্ড চালু হয় – ১৯৪৬ সালে
১১) স্টেরিও এফএম ব্যান্ড চালু হয় – ১৯৬০ সালে
১২) সারাবিশ্বে এফএম ফ্রিকুয়েন্সি 87.5-108.0 Hz
১৩) Radio Communication System এ ব্রডকাস্টিং – ৩ ধরণের
১৪) PAL এর পূর্ণরূপ – Phase Alternation by Line
১৫) দেশে বেসরকারি চ্যানেল -৪১টি
১৬) পৃথিবীর বৃহত্তম নেটওয়ার্ক – ইন্টারনেট
১৭) ইন্টারনেট চালু হয় – ARPANET দিয়ে (১৯৬৯)
১৮) ARPANET চালু করে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ
১৯) ইন্টারনেট শব্দটি চালু হয় – ১৯৮২ সালে
২০) ARPANETএ TCP/IP চালু হয় – ১৯৮৩ সালে
২১) NSFNET প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯৮৬ সালে
২২) ARPANET বন্ধ হয় – ১৯৯০ সালে
২৩) সবার জন্য ইন্টারনেট উন্মুক্ত হয় – ১৯৮৯ সালে
২৪) ISOC প্রতিষ্ঠিত হয় – ১৯৯২ সালে
২৫) বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রায় ৫কোটি ২২লাখ (৩২%)
২৬) ইন্টারনেটের পরীক্ষামূলক পর্যায় ১৯৬৯-১৯৮৩
২৭) টিভি – একমূখী যোগাযোগ ব্যবস্থা
২৮) “Global Village” ও “The Medium is the Message” এর উদ্ভাবক – মার্শাল ম্যাকলুহান (১৯১১-১৯৮০)
২৯) The Gutenberg : The Making Typographic Man প্রকাশিত হয় – ১৯৬২ সালে
৩০) Understanding Media প্রকাশিত হয় – ১৯৬৪ সালে
৩১) বিশ্বগ্রামের মূলভিত্তি – নিরাপদ তথ্য আদান প্রদান
৩২) বিশ্বগ্রামের মেরুদণ্ড – কানেকটিভিটি
৩৩) কম্পিউটার দিয়ে গাণিতিক যুক্তি ও সিদ্ধান্তগ্রহণমূলক কাজ করা যায়
৩৪) বর্তমান বিশ্বের জ্ঞানের প্রধান ভান্ডার – ওয়েবসাইট
৩৫) EHRএর পূর্ণরুপ – Electronic Heath Records
৩৬) অফিসের সার্বিক কার্যক্রম স্বয়ংক্রিয় করাকে বলে – অফিস অটোমেশন
৩৭) IT+Entertainment = Xbox
৩৮) IT+Telecommunication = iPod
৩৯) IT+Consumer Electronics= Vaio
৪০) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থাকবে – ৫ম প্রজন্মের কম্পিউটারে
৪১। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের জন্য ব্যবহার করা হয় – প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ
৪২।রোবটের উপাদান- Power System, Actuator, Sensor, Manipulation
৪৩।PCB এর পূর্ণরূপ – Printed Circuit Board
৪৪।খ্রিষ্টপূর্ব ২৫০০ সালে ত্বকের চিকিৎসায় শীতল তাপমাত্রা ব্যবহার করতো – মিশরীয়রা
৪৫।নেপোলিয়নের চিকিৎসক ছিলেন – ডমিনিক জ্যা ল্যারি
৪৬।মহাশূন্যে প্রেরিত প্রথম উপগ্রহ – স্পুটনিক-১
৪৭।চাঁদে প্রথম মানুষ পৌঁছে – ২০জুলাই, ১৯৬৯ সালে
৪৮।MRP এর পূর্ণরুপ – Manufacturing Resource Planning
৪৯।UAV উড়তে সক্ষম ১০০ কি.মি. পর্যন্ত
৫০।GPS এর পূর্ণরুপ – Global Positioning System
৫১।ব্যক্তি সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয় -বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
৫২।হ্যান্ড জিওমেট্রি রিডার পরিমাপ করতে পারে – ৩১০০০+ পয়েন্ট
৫৩।আইরিস সনাক্তকরণ পদ্ধতিতে সময় লাগে -১০-১৫ সেকেন্ড
৫৪।Bioinformatics শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন – Paulien Hogeweg
৫৫।Bioinformatics এর জনক – Margaret Oakley Dayhaff
৫৬।এক সেট পূর্নাঙ্গ জীনকে বলা হয় – জিনোম
৫৭।Genetic Engineering শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন – Jack Williamson l
৫৮। রিকম্বিনান্ট ডিএনএ তৈরি করেন – Paul Berg(1972)
৫৯।বিশ্বের প্রথম ট্রান্সজেনিক প্রাণি- ইঁদুর (1974)
৬০।বিশ্বের প্রথম Genetic Engineering Company – Genetech(1976)
৬১।GMO এর পূর্ণরুপ – Genetically Modified Organism
৬২।পারমানবিক বা আনবিক মাত্রার কার্যক্ষম কৌশল – ন্যানোটেকনোলজি
৬৩।অনুর গঠন দেখা যায় – স্ক্যানিং টানেলিং মাইক্রোস্কোপে
৬৪।Computer Ethics Institute এর নির্দেশনা – ১০টি
৬৫।ব্রেইল ছাড়া অন্ধদের পড়ার পদ্ধতি – Screen Magnification / Screen Reading Software
৬৬।যোগাযোগ প্রক্রিয়ার মৌলিক উপাদান – ৫টি
৬৭।ট্রান্সমিশন স্পিডকে বলা হয় – Bandwidth
৬৮।Bandwidth মাপা হয় – bps এ
৬৯।ন্যারো ব্যান্ডের গতি 45-300 bps
৭০।ভয়েস ব্যান্ডের গতি 9600 bps
৭১।ব্রডব্যান্ডের গতি- 1 Mbps
৭২।ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিশন- এসিনক্রোনাস
৭৩।সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে প্রতি ব্লকে ক্যারেক্টার ৮০-১৩২টি
৭৪।ডাটা ট্রান্সমিশন মোড- ৩ প্রকার
৭৫।একদিকে ডাটা প্রেরণ- সিমপ্লেক্স মোড
৭৬।উভয় দিকে ডাটা প্রেরণ, তবে এক সাথে নয়- হাফ ডুপ্লেক্স মোড
৭৭।একই সাথে উভয় দিকে ডাটা প্রেরণ – ফুল ডুপ্লেক্স মোড
৭৮।ক্যাবল তৈরি হয়- পরাবৈদ্যুতিক(Dielectric) পদার্থ দ্বারা
৭৯।Co-axial Cable এ গতি 200 Mbps পর্যন্ত
৮০।Twisted Pair Cable এ তার থাকে- 4 জোড়া
৮১।Fiber Optic- Light signal ট্রান্সমিট করে
৮২।মাইক্রোওয়েভের ফ্রিকুয়েন্সি রেঞ্জ 300 MHz – 30 GHz
৮৩।কৃত্রিম উপগ্রহের উদ্ভব ঘটে- ১৯৫০ এর দশকে
৮৪।Geosynchronous Satellite স্থাপিত হয়- ১৯৬০ এর দশকে
৮৫।কৃত্রিম উপগ্রহ থাকে ভূ-পৃষ্ঠ হতে ৩৬০০ কি.মি. উর্ধ্বে
৮৬।Bluetooth এর রেঞ্জ 10 -100 Meter
৮৭।Wi-fi এর পূর্ণরুপ- Wireless Fidelity
৮৮।Wi-fi এর গতি- 54 Mbps
৮৯।WiMax শব্দটি চালু হয়- ২০০১ সালে
৯০।WiMax এর পূর্ণরুপ- Worlwide Interoperabilty for Microwave Access
৯১।৪র্থ প্রজন্মের প্রযুক্তি- WiMax
৯২।WiMax এর গতি- 75 Mbps
৯৩।FDMA = Frequency Division Multiple Access
৯৪।CDMA = Code Division Multiple Access
৯৫।মোবাইলের মূল অংশ- ৩টি
৯৬।SIM = Subscriber Identity Module
৯৭।GSM = Global System for Mobile Communication
৯৮।GSM প্রথম নামকরণ করা হয়- ১৯৮২ সালে
৯৯।GSM এর চ্যানেল- ১২৪টি (প্রতিটি 200 KHz)
১০০।GSM এ ব্যবহৃত ফ্রিকুয়েন্সি- 4 ধরনের
১০১.GSM ব্যবহৃত হয় ২১৮টি দেশে
১০২.GSM 3G এর জন্য প্রযোজ্য
১০৩.GSM এ বিদ্যুৎ খরচ গড়ে ২ওয়াট
১০৪.CDMA আবিষ্কার করে Qualcom(১৯৯৫)
১০৫.রেডিও ওয়েভের ফ্রিকুয়েন্সি রেঞ্জ 10 KHz-1GHz
১০৬.রেডিও ওয়েভের গতি 24Kbps
১০৭.CDMA 3G তে পা রাখে ১৯৯৯ সালে
১০৮.CDMA ডাটা প্রদান করে স্প্রেড স্পেকট্রামে
১০৯.1G AMPS চালু করা হয় ১৯৮৩ সালে উত্তর আমেরিকায়
১১০.সর্বপ্রথম প্রিপেইড পদ্ধতি চালু হয় 2G তে
১১১.MMS ও SMS চালু হয় 2G তে
১১২.3G চালু হয় ১৯৯২ সালে
১১৩.3G এর ব্যান্ডউইথ 2MHz
১১৪.3G Mobile প্রথম ব্যবহার করে জাপানের NTT Docomo (২০০১)
১১৫.4G এর প্রধান বৈশিষ্ট্য IP ভিত্তিক নেটওয়ার্কের ব্যবহার
১১৬.4G এর গতি 3G এর চেয়ে ৫০ গুণ বেশি
১১৭.4G এর প্রকৃত ব্যান্ডউইথ 10Mbps
১১৮.টার্মিনাল দুই ধরনের
১১৯.ভৌগলিকভাবে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক- ৪ ধরনের
১২০.PAN সীমাবদ্ধ ১০ মিটারের মধ্যে
১২১.PAN এর ধারণা দেন থমাস জিমারম্যান
১২২.LAN সীমাবদ্ধ ১০ কিলোমিটারের মধ্যে
১২৩.LAN এ ব্যবহৃত হয় Co-axial Cable
১২৪.কেবল টিভি নেটওয়ার্ক- MAN
১২৫.NIC=Network Interface Card
১২৬.NIC কার্ডের কোডে বিট সংখ্যা-48
১২৭.মডেম দুই ধরনের
১২৮.Hub হল দুইয়ের অধিক পোর্টযুক্ত রিপিটার
১২৯.স্বনামধন্য রাউটার কোম্পানি- Cisco
১৩০.ব্রিজ প্রধানত ৩ প্রকার
১৩১.নেটওয়ার্কে PC যে বিন্দুতে যুক্ত থাকে, তাকে নোড বলে।
১৩২.Office Management-এ ব্যবহৃত হয়- Tree Topology
১৩৩.বানিজ্যিকভাবে Cloud Computing শুরু করে- আমাজন (২০০৬)
১৩৪.Cloud Computing এর বৈশিষ্ট্য- ৩টি
১৩৫.সংখ্যা পদ্ধতিরর প্রতীক- অংক
১৩৬.সংখ্যা পদ্ধতি দুই ধরণের
১৩৭.Positional সংখ্যা পদ্ধতিরর জন্য প্রয়োজন- 3টি ডাটা
১৩৮.সংখ্যাকে পূর্ণাংশ ও ভগ্নাংশে ভাগ করা হয় Radix Point দিয়ে
১৩৯.Bit এর পূর্ণরুপ- Binary Digit
১৪০.Digital Computerএর মৌলিক একক- Bit
১৪১.সরলতম গণনা পদ্ধতি- বাইনারী পদ্ধতি
১৪২. “O” এর লজিক লেভেল : 0 Volt থেকে +0.8 Volt পর্যন্ত
১৪৩. “1” এর লজিক লেভেল : +2 Volt থেকে +5 Volt পর্যন্ত
১৪৪.Digital Device কাজ করে- Binary মোডে
১৪৫.n বিটের মান 2^n টি
১৪৬.BCD Code = Binary Coded Decimal Code
১৪৭.ASCII=American Standard Code for Information Interchange
১৪৮.ASCII উদ্ভাবন করেন- রবার্ট বিমার (১৯৬৫)
১৪৯.ASCII কোডে বিট সংখ্যা- ৭টি
১৫০.EBCDIC=Extended Binary Coded Decimal Information Code
১৫১.Unicode উদ্ভাবন করে Apple and Xerox Corporation (1991)
১৫২.Unicode বিট সংখ্যা- 2 Byte
১৫৩.Unicode এর ১ম 256 টি কোড ASCII কোডের অনুরুপ
১৫৪.Unicode এর চিহ্নিত চিহ্ন- ৬৫,৫৩৬টি (2^10)
১৫৫.ASCII এর বিট সংখ্যা- 1 Byte
১৫৬.বুলিয়ান এলজেবরার প্রবর্তক- জর্জ বুলি(১৮৪৭)
১৫৭.বুলিয়ান যোগকে বলে- Logical Addition
১৫৮.Dual Principle মেনে চলে- “and” ও “OR”
১৫৯.এক বা একাধিক চলক থাকে Logic Function এ
১৬০.Logic Function এ চলকের বিভিন্ন মান- Input
১৬১.Logic Function এর মান বা ফলাফল- Output
১৬২.বুলিয়ান উপপাদ্য প্রমাণ করা যায়- ট্রুথটেবিল দিয়ে
১৬৩.Digital Electronic Circuit হলো- Logic Gate
১৬৪.মৌলিক Logic Gate – ৩টি (OR, AND, NOT)
১৬৫.সার্বজনীন গেইট- ২টি (NAND,NOR)
১৬৬.বিশেষ গেইট- X-OR,X-NOR
১৬৭.Encoder এ 2^nটি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট হয়
১৬৮.Decoder এ nটি ইনপুট থেকে 2^nটি আউটপুট দেয়
১৬৯.Half Adder এ Sum ও Carry থাকে
১৭০.Full Adder এ ১টি Sum ও ২টি Carry থাকে
১৭১.একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ হলো- রেজিস্ট্রার
১৭২.Input pulse গুনতে পারে- Counter
১৭৩.Web page তৈরি করা হয়- HTML দ্বারা
১৭৪.ছবির ফাইল-. jpg/.jpeg/.bmp
১৭৫.ভিডিও ফাইল-.mov/.mpeg/mp4
১৭৬.অডিও ফাইল- mp3
১৭৭.ওয়েবসাইটকে দৃষ্টিনন্দন করতে ব্যবহৃত হয়-.css
১৭৮.বর্তমানে চালু আছে- IPV4
১৭৯.IPV4 প্রকাশে প্রয়োজন- 32bit
১৮০.IP address এর Alphanumeric address- DNS
১৮১.সারাবিশ্বের ডোমেইন নেইম নিয়ন্ত্রণ করে- InterNIC
১৮২.জেনেরিক টাইপ ডোমেইন- টপ লেভেল ডোমেইন
১৮৩.http = hyper text transfer protocol
১৮৪.URL = Uniform Resource Locator
১৮৫.HTML আবিষ্কার করেন- টিম বার্নার লী (১৯৯০)
১৮৬.HTML তৈরি করে W3C
১৮৭.ওয়েব ডিজাইনের মূল কাজ- টেমপ্লেট তৈরি করা
১৮৮.প্রোগ্রামিংয়ের ভাষা- ৫স্তর বিশিষ্ট
১৮৯.Machine Language(1G)-1945
১৯০.Assembly Language(2G)-1950
১৯১.High Level Language(3G)-1960
১৯২.Very High Level Language(4G)-1970
১৯৩.Natural Language(5G)-1980
১৯৪.লো লেভেল vaSha-1G,2G
১৯৫.বিভিন্ন সাংকেতিক এড্রেস থাকে- লেভেলে
১৯৬.C Language তৈরি করেন- ডেনিস রিচি (১৯৭০)
১৯৭.C++ তৈরি করেন- Bijarne Stroustrup(১৯৮০)
১৯৮.Visual Basic শেষবার প্রকাশিত হয়- ১৯৯৮ সালে
১৯৯.Java ডিজাইন করে- Sun Micro System
২০০.ALGOL এর উদ্ভাবন ঘটে- ১৯৫৮ সালে
২০১.Fortran তৈরি করেন- জন বাকাস(১৯৫০)
২০২.Python তৈরি করেন- গুইডো ভ্যান রোসাম (১৯৯১)
২০৩.4G এর ভাষা- Intellect,SQL
২০৪.Pseudo Code- ছদ্ম কোড
২০৫.Visual Programming- Event Driven
২০৬.C Language এসেছে BCPL থেকে
২০৭.Turbo C তৈরি করে- Borland Company
২০৮.C ভাষার দরকারী Header ফাইল- stdio.h
২০৯.C এর অত্যাবশ্যকীয় অংশ- main () Function
২১০.ANSI C ভাষা সমর্থন করে- 4 শ্রেণির ডাটা
২১১.ANCI C তে কী-ওয়ার্ড- 47 টি
২১২.ANSI C++ এ কী-ওয়ার্ড- 63 টি
২১৩.ডাটাবেজের ভিত্তি- ফিল্ড
২১৪.Database Modelএর ধারণা দেন- E.F.Codd (১৯৭০)
২১৫.সবচেয়ে জনপ্রিয় Query- Selec Query
২১৬.SQL = Structured Query Language
২১৭.SQL তৈরি করে- IBM(১৯৭৪)
২১৮.ERP = Enterprise Resource Planning
২১৯.বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হয়- ২১ মে, ২০০৬
২২০.MIS = Management Information System
২২১।ভুয়া মেইল জমার স্থান- Spam
২২২।CD= Compact Disk
২২৩।MS Excel হলো Spreadsheet Software
২২৪।বাংলাদেশে ইন্টারনেট চালু হয়- ১৯৯৬ সালে
২২৫।বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার- ENIAC
২২৬।ল্যাপটপ প্রথম বাজারে আসে-১৯৮১ সালে
২২৭।ROM=Read Only Memory
২২৮।বর্তমান প্রজন্ম- 4G
২২৯।টুইটারের জনক- জ্যাক ডরসি
২৩০। MODEM এ আছে – Modulator + Demodulator
২৩১।UNIX হলো Operating System
২৩২।CPU= Central Processing Unit
২৩৩।IC দিয়ে তৈরি প্রথম কম্পিউটার- IBM360
২৩৪।ডিজিটাল কম্পিউটারের সূক্ষতা ১০০%
২৩৫।১ম প্রোগ্রামার- লেডি অগাস্টা
২৩৬।১ম প্রোগ্রামিং ভাষা-ADA
২৩৭।কম্পিউটারে দেয়া অপ্রয়োজনীয় তথ্য-গিবারিশ
২৩৮।কম্পিউটার ভাইরাস আসে-১৯৫০ সালে
২৪০।কম্পিউটার ভাইরাস নাম দেন-ফ্রেড কোহেন
২৪১। Mother of All Virus-CIH
২৪২।VIRUS=Vital Information Resources Under Seize
২৪৩।প্রোগ্রাম রচনার সবচেয়ে কঠিন ভাষা- মেশিন ভাষা
২৪৪।NORTON-একটি এন্টিভাইরাস
২৪৫।মুরাতা বয়-জাপানি রোবট
২৪৬। 1nm=10^(-9) m
২৪৭।স্বর্ণের পরমাণুর আকার- 0.3nm
২৪৮।আইসোক্রোনাস ট্রান্সমিশনে সময় লাগে শূন্য সেকেন্ড
২৪৯।অপটিক্যাল ফাইবারের কোর ডায়ামিটার- ৮-১০ মাইক্রন
২৫০।১ম Wireless ব্যবহার করেন-Guglielimo Marconi(1901)
২৫১। ASCII-7 কোডের প্রথম 3bitকে জোন এবং শেষ 4bitকে সংখ্যাসূচক বলে
২৫২।ASCII সারণি মতে,
0-3 & 127 = Control Character
32-64 = Special Character
65-96 = Capital Letters & Some Signs
97-127 = Small Letters & Some Signs
২৫৩। EBCDIC কোডে- 0-9 = 1111 A-Z = 1100,1101,1110 Special Signs = 0100,0101,0110,0111
২৫৪। EBCDIC কোডে ২৫৬টি বর্ণ,চিহ্ন ও সংখ্যা আছে
২৫৫। EBCDIC কোড ব্যবহৃত হয়- IBM Mainframe Computer ও Mini Computer- এ।
২৫৬। Unicode উন্নত করে-Unicode Consortium
২৫৭। ফাইবার অপটিক ক্যাবল তৈরিতে ব্যবহৃত অন্তরক পদার্থ- সিলিকন ডাই অক্সাইড ও Muli Component Glass (Soda Boro Silicet, NaOH Silicet etc.)
২৫৮।Real Time Application এর Data Transfer এ বেশি ব্যবহৃত হয় Isochronous
২৫৯।Radio Wave এর Data Transmission Speed –24 Kbps
২৬০।Wifi এর দ্রুততম সংস্করণ-IE

(সংগ্রহীত)

Photos from E-Trick's post 21/04/2021

আপুরে! এতোদিন Women Empowerment শুনছেন, এখন দেখেন EMPOWERED Woman!

সেদিন পুরানো এক টিভি ডিবেটের ভিডিও কে যেনো পোস্ট করেছিল! এতই ভালো লাগলো যে ভাবলাম ইনি কি করেন বা কোথায় আছেন দেখি! বেশী কষ্ট করতে হয় নি, কারণ ইনাদের খুঁজে পেতে বেশী দূরে যেতে হয় না!
দেখেন একটু!

রেবেকা শাফী!

✔ Physics Undergrad (GPA 4.00) - Cal Tech
✔ Master’s Astrophysics - Harvard
✔ PhD – Harvard (On Black hole Spin!)
✔ Teaching Assistant, Post Doc RA, Swartz Fellow in Comp Neuroscience – Harvard Center of Brain Science
✔ Post Doc Fellow – Broad Inst at MIT and Harvard
✔ Post Doc Fellow – Harvard Med School
✔ Winner of US$ 200,000 grant to study “Measure of Black hole Spin”
✔ Best TV Debater – Bangladesh Television (I just saw her debate in a video, one of the best!)

ইনি আগে Physics নিয়ে পড়তেন, এখন তার interest হচ্ছে Biology! কাজ করছেন neuroscience আর genetics এর intersection নিয়ে Harvard Medical School এ!

কে বলে মেয়েরা STEM field এ কাজ করতে পারে না, কে বলে বাংগালী মেয়েরা অন্য সবার চেয়ে কম!? অনেকে বলবেন ইনারা exceptional! হ্যা হতে পারে। কিন্তু মানুষ তো! এই Exceptional লজিক টা Self Defeating Mechanism! উনি বলেই পেরেছেন, আমি পারবো না, এইরকম!

All men are created equal!

এটা নিয়ে ডিবেট করতে পারেন। অবশ্যই পারেন। কিন্তু তারপরও ৮০০ খৃষ্টাব্দে মোবাইল ফোন আর চাঁদে যাবার কথাও were equally debatable!

We will never know the extent of our own power, strength and creativity!

Just Believe!
হোক ছেলে কিংবা মেয়ে! নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখুন ও চেষ্টা করে যান সফলতা আসবেই একদিন ♥

Note: নেট থেকে পাওয়া উনার ছবিগুলো দিলাম। #ভালো_লাগলে_শেয়ার_করতে_পারেন ☺
Hope I did not break any rules!
Collected

16/04/2021



ক্রিকেটার রাহুল দ্রাবিড়কে ব্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয় ডক্টরেট উপাধি দিয়েছিল, রাহুল দ্রাবিড় সেটা ফিরিয়ে দিয়েছেন। শুধু ফিরিয়ে দিয়েছেন তা নয়, তারসাথে চমৎকার একটি বক্তব্য দিয়েছেন, তিনি বলেছেন- আমার স্ত্রী ডাক্তার, সে এই উপাধি পেতে অসংখ্য বিনিদ্র রজনী ও দিবস কাটিয়েছে। আমার মা কলা বিভাগের অধ্যাপক, তিনি এই ডিগ্রীর জন্য দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর অপেক্ষা করেছেন, অধ্যবসায় করেছেন। ক্রিকেট খেলতে অনেক পরিশ্রম করেছি ঠিক, কিন্তু সেই পরিমাণ পড়াশুনা আমি করিনি, কাজেই এই ডিগ্রী আমি নেই কীভাবে?

আইনস্টাইনকে ইসরায়েল সরকার ১৯৫২ সালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী হতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল।

আইনস্টাইন বিনীতভাবে বলেছিলেন- আমি ফিজিক্সের আনাড়ি ছাত্র। রাষ্ট্র পরিচালনার আমি কি বুঝি?

পেরেলমান নামের জগদ্বিখ্যাত গণিতবিদ সারা পৃথিবীতে গণিত বিষয়ের নোবেল পুরস্কার বলে পরিচিত ফিল্ড মেডেল এবং পুরস্কারের বিশাল অর্থ ফেরত দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন- খুব অভাবের সংসার ছিল আমাদের। মায়ের পয়সা বাঁচাতে হিসেব করে চলতে হতো আমাদের। সেইসূত্রে গণিতে একটু দক্ষতা দেখাতে পেরেছি। এখন সেই অভাব নেই, কাজেই এতো অর্থ দিয়ে কি করবো?

এই মানুষগুলির বিনয় দেখে সম্মানে ও লজ্জায় মাথা নিচু হয়ে আসে। নিজের, নিজেদের দিকে তাকালে দেখতে পাই অবিনয়ী, দাম্ভিক, কিম্ভূত কিমাকার মানুষের প্রতিচ্ছবি। এই মানুষগুলি বারবার মনে করিয়ে দেয় বিনয়ী হওয়া মানে ছোট হয়ে যাওয়া নয়, আরও অনেক বড় হয়ে যাওয়া।

কারণ আমরা ছোট হই আমাদের অবিনয়ী উদ্ধত দাম্ভিকতায়, আমরা বড় হই বারবার আমাদের বিনয়ী হয়ে ছোট হওয়ার চেষ্টায়। পৃথিবীর সবচেয়ে অদ্ভুত সত্য হচ্ছে- বড় হতে গেলে ছোট হতে হয়, ছোট হতে গেলে বড় হওয়ার প্রয়োজন হয়না!
(সংগৃহীত)

11/04/2021

►আপকামিং ব্যাংক এক্সাম।
► যেভাবে প্রস্তুতি নিবেন বাংলাদেশ ব্যাংক।
►অফিসার নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক।
►বাংলাদেশের চাকরির বাজারে বিসিএসের পাশাপাশি আর যেসব চাকরি নিয়ে প্রার্থীদের আগ্রহ সবচেয়ে বেশি, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকে অফিসার (জেনারেল) নিয়োগের একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। অনলাইনে আবেদনের শেষ তারিখ ১৩ এপ্রিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ প্রক্রিয়া, কর্মপরিধি, চাকরির সুযোগ-সুবিধা এবং অন্য সব বিষয়ে বিস্তারিত জানাচ্ছেন ২০১৭ ব্যাচের বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার-জেনারেল (বর্তমানে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে কর্মরত) সফিকুল ইসলাম সোহেল।

►যাঁদের জেনারেল কোরে নিয়োগ দেওয়া হয়, তাঁরা ব্যাংকের সব বিভাগে কাজ করার সুযোগ পান। আর যাঁরা বিশেষায়িত বিভাগে নিয়োগ পান তাঁরা ওই বিভাগে কাজ করেন। অর্থাৎ যাঁরা সামনে ‘অফিসার (জেনারেল)’ হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন, তাঁরা ব্যাংকের প্রায় সব বিভাগে এবং সব অফিসে কাজ করার সুযোগ পাবেন। বাংলাদেশের প্রায় সব বিভাগীয় শহর ও বিভাগের বাইরে বগুড়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিস রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকে দীর্ঘ পদক্রম এবং নিয়মিত পদোন্নতি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি চাকরিপ্রার্থীদের আগ্রহ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকে ১৯৮৮, ১৯৯৩, ১৯৯৯, ২০১৭, ২০১৯ ব্যাচের অফিসার (জেনারেল) ব্যাচ কর্মরত রয়েছে। এ ছাড়া ২০২১ সালে একটি ব্যাচ যোগদানের অপেক্ষায় রয়েছে এবং নতুন এ ব্যাচের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। সাধারণত তিনটি ধাপ অতিক্রম করে একজন প্রার্থী অফিসার (জেনারেল) হিসেবে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়ে থাকেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগে কোনো অর্থ বা ফি ছাড়াই আবেদন করা যায়।

►উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ব্যাংক নবম ও দশম গ্রেডে সাধারণত সহকারী পরিচালক, অফিসার ও অফিসার (ক্যাশ) হিসেবে নিয়োগ দেয়। এ ছাড়া অনেক সময় সহকারী পরিচালক (জেনারেল)/ অফিসারের (জেনারেল) পাশাপাশি সহকারী পরিচালক (পরিসংখ্যান)/ সহকারী পরিচালক (সিভিল ইঞ্জিনিয়ার)/ সহকারী পরিচালক (গবেষণা) বা এ রকম কয়েকটি বিশেষায়িত সেক্টরে নিয়োগ দেওয়া হয়।

✅ প্রিলিমিনারি

নিয়োগের প্রথম ধাপে হয় ১০০ নম্বরের এমসিকিউ (প্রিলিমিনারি) পরীক্ষা। এখানে সাধারণত বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণ জ্ঞান এবং কম্পিউটার ও তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। প্রিলিতে গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে সাধারণত বেশি প্রশ্ন থাকে। নেগেটিভ মার্কিং থাকবে কি না সেটি পরীক্ষার শুরুতেই প্রশ্নপত্রে ভালো করে খেয়াল করে নিতে হবে। প্রিলিমিনারির মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সঠিক প্রস্তুতির জন্য বিগত বছরের প্রশ্নের ধরন দেখা যেতে পারে। ২০১৭ ও ২০১৯ ব্যাচের প্রশ্ন পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, বাংলায় ২০-২৫, ইংরেজিতে ২০-২৫, গণিত ও মানসিক দক্ষতায় ২০-২৫, সাধারণ জ্ঞান এবং কম্পিউটার ও প্রযুক্তি বিষয়ে ২০-২৫ নম্বরের প্রশ্ন এসেছে। বিগত পরীক্ষাগুলোতে বাংলায় ব্যাকরণ থেকে বেশি প্রশ্ন এসেছে এবং সাহিত্য থেকে তুলনামূলক কম প্রশ্ন এসেছে। বাংলা বিষয়ে প্রস্তুতির জন্য ড. হায়াৎ মামুদের ‘ভাষা শিক্ষা’ বইটি সহায়ক হিসেবে দেখা যেতে পারে।

ইংরেজি বিষয়ে Grammar এবং Vocabulary থেকে প্রশ্ন এলেও ইংরেজি সাহিত্য থেকে তেমন প্রশ্ন আসে না বললেই চলে। ইংরেজিতে প্রস্তুতির জন্য বিগত বছরের প্রশ্নের পাশাপাশি indiabix.com ওয়েবসাইটের প্র্যাকটিসগুলোর সহায়তা নেওয়া যেতে পারে।

গণিতে ভালো করতে হলে অবশ্যই পাটিগণিত টাইপের অঙ্কে বেশি জোর দিতে হবে এবং GRE/GMAT-এর ম্যাথ অংশ সহায়ক হতে পারে। সাধারণ জ্ঞানের ক্ষেত্রে সমসাময়িক বিষয়ের ওপর অধিক গুরুত্ব আরোপ করতে হবে। সাধারণ জ্ঞানের ক্ষেত্রে পত্রিকা পড়ার কোনো বিকল্প নেই। কম্পিউটার ও প্রযুক্তি বিষয়ে আধুনিক প্রযুক্তি ও কম্পিউটার বিষয়ে বিশদ জ্ঞান রাখতে হবে।

✅ লিখিত

যত সংখ্যক প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হবে, সাধারণত এর ৫ থেকে ১০ গুণ বেশি প্রার্থীকে লিখিত পরীক্ষার জন্য সুযোগ দেওয়া হয়। এখানে লিখিত পরীক্ষা ২০০ নম্বরের। লিখিত পরীক্ষায় ইংরেজি, বাংলা, গণিত ও সমসাময়িক বা অর্থনৈতিক বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। বিগত বছরের প্রশ্ন পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০-২৫ নম্বরের ফোকাস রাইটিং, ১৫ নম্বরের ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ, ২০-২৫ নম্বরের ইংরেজি ফোকাস রাইটিং এবং ১৫ নম্বরের বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ আসে। ইংরেজি অংশে একটি কম্প্রিহেনশন থেকে ৪-৫টি প্রশ্ন করা হয়, যেখানে ২০ নম্বর বরাদ্দ থাকে।

অর্থনীতিবিষয়ক ১৫-২০ নম্বরের ফোকাস রাইটিং এবং ব্যাংকিং-অর্থনৈতিক ও সমসাময়িক যেকোনো বিষয়ের ওপর ২০-৩৫ নম্বরের ৫-৭টি শর্ট নোটস লিখতে বলা হয়। গণিত অংশ বাংলাদেশ বাংকের লিখিত পরীক্ষায় সর্বোচ্চ মার্কস পাওয়ার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। গণিতে ৫ থেকে ৮টি প্রশ্নের সমাধান করতে বলা হয়, এর জন্য থাকে ৪০-৫০ নম্বর। লিখিত পরীক্ষায় শতভাগ উত্তর করার প্রচেষ্টা থাকতে হবে, কারণ অনেকাংশে লিখিত পরীক্ষার নম্বরের ওপরই চাকরি পাওয়া নির্ভর করে।

✅ মৌখিক

প্রাথমিকভাবে একজন প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ার সর্বশেষ ধাপ হলো মৌখিক পরীক্ষা। এই অংশে একজন প্রার্থীকে ২৫ নম্বরের মধ্যে মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে। লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর ও মৌখিক অভীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচন করা হয়ে থাকে। মৌখিক অভীক্ষায় সাধারণত প্রার্থীর পঠিত বিষয়, নিজ জেলা, মুক্তিযুদ্ধ এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অর্থনীতি বিষয়ক প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। প্রত্যেক ভাইভা প্রার্থীকে ব্যাংকিং ও অর্থনৈতিক কিছু বিষয়ে সাধারণত প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। Monetary Policy, Fiscal Policy, Repo, Reverse repo, Bank rate, Central Bank, Commercial Bank, Schedule Bank, Non-schedule Bank, CRR, SLR, GDP, Mobile Banking, Agent Banking, Bank note-সহ বেশ কিছু বিষয়ে সম্যক ধারণা রাখতে হবে। মৌখিক পরীক্ষার পর নির্বাচিত প্রার্থীদের প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশ করা হয় এবং পরবর্তী সময়ে মেডিক্যাল টেস্ট ও সনদ যাচাই বা অন্যান্য কার্যক্রমের পর চূড়ান্ত নিয়োগ দেওয়া হয়।

⭕ পদক্রম ও কর্মপরিধি

বাংলাদেশ ব্যাংকে যাঁরা অফিসার হিসেবে যোগদান করেন, তাঁরা দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে সহকারী পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। অফিসার থেকে ক্রমান্বয়ে সহকারী পরিচালক, উপপরিচালক, যুগ্ম পরিচালক, উপমহাব্যবস্থাপক, মহাব্যবস্থাপক এবং নির্বাহী পরিচালক হিসেবে পদোন্নতি পাবেন। মূলত কেন্দ্রীয় ব্যাংক হচ্ছে দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আপনি কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাবেন। অফিসার (জেনারেল) হিসেবে নির্বাচিত হলে ব্যাংকের বিভিন্ন বিভাগে কাজ করার সুুযোগ থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংক ছাড়াও আপনি বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট, বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস, ইনস্টিটিউট অব ব্যাংকার্স, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, এডিবিসহ নানা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ পাবেন।

⭕ সুযোগ-সুবিধা

১) দেশের ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করতে পারবেন।

২) দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে অফিস হওয়ায় সব সময় শহর অঞ্চলে বসবাস করতে পারবেন।

৩) বাংলাদেশ ব্যাংকারদের জন্য চাকরির বয়স তিন বছর পূর্তিতে প্রায় এক কোটি টাকা হাউজ লোন পাবেন।

৪) দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।

৫) সব কর্মকর্তার জন্য মোবাইল ও ইন্টারনেট ভাতার ব্যবস্থা রয়েছে।

৬) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রায় সব শাখায় নিজস্ব মেডিক্যাল সেন্টার ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওষুধের ব্যবস্থা রয়েছে।

৭) প্রতিদিন লাঞ্চভাতা এবং বাৎসরিক মূল বেসিকের ৪-৫টি হারে ইনসেনটিভ বোনাস পেতে পারেন।

৮) বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব কো-অপারেটিভ রয়েছে, যার শেয়ার মালিক হতে পারবেন।

৯) বাংলাদেশ ব্যাংকে কর্মরত অবস্থায় উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারবেন।

১০) প্রেষণে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ লাভেরও সুযোগ রয়েছে।
►লিখেছেনঃ সফিকুল ইসলাম সোহেল।
►ধন্যবাদান্তে
►অন্তিম কুমার রুপাই

নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন 03/03/2021

#জন্ম_নিবন্ধন
জন্ম নিবন্ধন করার জন্য আমাদের ইউপি সদস্যের পেছনে ঘুরতে ঘুরতে পায়ের সেন্ডেল ক্ষয়হয়।
এখন আর ওনাদের পেছনে ঘুরতে হবে না, দেশে এখন ডিজিটাল ইউ‌নিয়ন সেন্টার, অনলাইন সার্ভিস, চালু করা হয়েছে।

দোকানে বা নিজ মোবাইলে ঘরে বসে আপনি আপনার
নিজের বা শিশুর জন্ম নিবন্ধন করতে পারবেন। আর নয় ঘুরাঘুরি সেবা পাবে নিজ পরিবার✌️, নিচের লিংক গুলোতে ক্লিক করুন, আপনার প্রয়োজনিয় সেবা নিন,

★নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন
http://bdris.gov.bd/br/application,

★জন্ম নিবন্ধন তথ্য সংশোধন আবেদন
http://bdris.gov.bd/br/correction,

★জন্ম নিবন্ধন তথ্য অনুসন্ধান
http://bdris.gov.bd/br/search](http://bdris.gov.bd/br/search...

★জন্ম নিবন্ধন আবেদনের বর্তমান অবস্থা
http://bdris.gov.bd/br/application/status,

★জন্ম নিবন্ধন আবেদন পত্র প্রিন্ট
http://bdris.gov.bd/application/print,

★জন্ম নিবন্ধন সনদ পুনঃ মুদ্রন
http://bdris.gov.bd/br/reprint/add,

নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন

14/02/2021

আমাদের দেশে উচ্চমাধ্যমিক ও মাধ্যমিকের পাঠ্যক্রম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম কোন দিক দিয়ে আলাদা? কেন আলাদা? লেখাটা শুরু করলাম দুটো প্রশ্ন দিয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসে বা পড়া শেষে এমন হাজারো প্রশ্ন হাজারো শিক্ষার্থীর মাথায় ঘুরপাক খায় বলেই মনে হয় আমার। হয়তো মুখ ফোটে করা হয় না, বা করার সুযোগ দেয়া হয় না। কিন্তু চুপ থাকলেই কি কাজের কাজ কিছু হয় বা সমস্যার সমাধান নীরবে দুয়ারে এসে কড়া নাড়ে? গত চার দশকে এসেছে কি? দেশীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মান কি বাড়ছে? বা বাড়ার কোনো সম্ভাবনা কি দেখা যাচ্ছে?

বিশ্ববিদ্যালয় নামক শিক্ষার যে চর্চা একজন তরুণের জীবন থেকে ৫ থেকে ৭ কিংবা ৮ বছরের একটি সোনালি অধ্যায় কেড়ে নেয়, বিনিময়ে তাকে আসলে কী দেয়? একটা সার্টিফিকেট, কিছু গর্ব আর ছলাকলাময় অভিনয়ে নিজেকে সুখী দেখানোর আনাড়ি বালখিল্যতা! এর বাইরে বিশেষ আর কি? মানবিকতা, মনুষত্ব্যবোধ। এমন কোনো দক্ষতা বা বিশেষ জ্ঞান কি আছে যা দিয়ে সে সারাজীবন কলেজপড়ুয়া একজন থেকে আলাদা বৈশিষ্ট্য নিয়ে বেঁচে থাকতে পারে? এই দেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার অভিজ্ঞতা আমারও আছে। দেশের বাকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যদি সে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একেবারে ভিন্ন না হয়ে থাকে তাহলে পাঁচ-ছয় বছর পড়াশোনা শেষে একজন শিক্ষার্থীর অদক্ষই থেকে যাওয়ার কথা। আমিও অদক্ষই আছি। কলা, সমাজবিজ্ঞান প্রভৃতি অনুষদে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের কমবেশি একই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাওয়ার কথা। বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা কি ভিন্ন রকম অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ করে? আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর পড়া মুখস্থ করি, পরীক্ষা দিই, পাস করি। যেমনটা স্কুলে করতাম, কলেজে করেছি। শিক্ষকরা পড়ান, সাজেশন দেন!

বিশ্ববিদ্যালয় পাস করতে করতে আমরা স্কুলে ও কলেজে যা মুখস্থ করেছিলাম, তা ভুলে যাই। পাস দিয়ে আবার সেইসব পড়া শুরু করি। সেই স্কুলে যা পড়েছি, কলেজে যা পড়েছিলাম। কারণ এবার বিসিএস মহাযজ্ঞের পালা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বিসিএস পরীক্ষার একটা পার্থক্য হলো, বিসিএসে আবার স্কুল, কলেজের পড়ায় ফিরে যেতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়া মুখস্থ করতে করতে সেসব মুখস্থ বিদ্যা ভুলে বসে অধিকাংশ শিক্ষার্থী। তারপর আবার চলে সেই ভুলে যাওয়া বা ভুলতে বসা বিদ্যাকে ঝালাই করার পালা। এভাবেই আমরা খুঁজে নিই, আমাদের দেশটা পরিচালনার জন্য, আমাদের দেশকে বিশ্বদরবারে তুলে ধরার জন্য যোগ্য ও দক্ষ আমলা! তাদের নানা সুযোগ-সুবিধা দিই। এতেই আমরা খুশি। কিন্তু কেউ কখনো প্রশ্ন তুলি না, এটা কোন পদ্ধতি যেখানে লর্ড ক্লাইভের প্রথম বউয়ের নাম মুখস্থ রেখে নিজেকে মেধাবী প্রমাণ করতে হয়! ক্লাইভের বউয়ের সঙ্গে একজন শিক্ষার্থীর মেধার সম্পর্কটা কোথায়! একটি দেশ পরিচালনায় এই মেধা কোথায় খরচ হয়!

শিক্ষাব্যবস্থা

আমাদের যদি চাকরির জন্য সেই স্কুলের সিলেবাসে ফিরে যেতে হয় তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার মাহাত্ম্য কোথায়? এ শিক্ষা কি তাহলে চাকরি জীবনে অচল? যদি অচল না হয় তাহলে কেন বিসিএসসহ বিভিন্ন চাকরি পরীক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা কোনো কাজে লাগে না। যদি কাজে না লাগে তাহলে বিসিএস দেয়ার শর্ত হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাস কেন থাকবে? স্নাতক পাসের সঙ্গে বিসিএসের সম্পর্ক কোথায়? বিসিএস দিয়ে যদি বুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্সের মেধাবী শিক্ষার্থী পুলিশ বনে যায় তাহলে এই পাঁচ বছর সে কেন এত কষ্ট করে পড়ল? রাষ্ট্র কেন তার পেছনে কোটি কোটি টাকা খরচ করল? মেডিকেল পড়ুয়া দেশের সবচেয়ে মেধাবী একজন তরুণের পেছনে রাষ্ট্র এত টাকা খরচ করে কি সে বিসিএস দিয়ে এসি ল্যান্ড হবে বলে!



এই যে এত বছর পড়িমরি করে সে দক্ষতা অর্জন করল সেই দক্ষতা তাহলে কাজ লাগল কোথায়? নাকি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একেবারেই ব্যর্থ দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে? এর চেয়ে এমন ভাবনা কি অধিক গ্রহণযোগ্য হতে পারে না, বিসিএসের জন্য স্নাতক পাসের শর্ত তুলে দেয়া হোক। পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর হওয়ার জন্য স্নাতক পর্যন্ত অপেক্ষার কোনো মানে হয় না।

আমি জানি অনেকেই হয়তো বলবেন, এইচএসসির বাচ্চা ছেলে-মেয়ে বিসিএস ক্যাডার হয়ে চাপ সামলাতে পারবে না। ঠিকঠাক মতো কাজ হবে না। রাষ্ট্রে অস্থিরতা ও অচলাবস্থা দেখা দেবে। তাদের সবিনয়ে একটা প্রশ্ন করি। এখন যারা অনার্স শেষ করে, বই মুখস্থ করতে করতে বয়স ৩০ পার করে, আমার মতো আধাবুড়ো হয়ে, বিসিএস ক্যাডার হয়ে আমলা সেজে বসে আছেন, তারা কি দেশটা ঠিকঠাকমতো চালাতে পারছেন? আমাদের কোনো কিছুই কি আসলে ঠিকমতো চলছে?

আমার বিশ্বাস, বিশেষায়িত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেয়া গেলে এই ছোট ছোট বাচ্চা ছেলেমেয়েগুলোই তাদের পূর্বসূরিদের চেয়ে অনেক ভালোভাবে অর্পিত দায়িত্ব সামলাবে। তাহলে আর পাঁচ বছর ধরে এমবিবিএস পড়া একজনকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কাজ করতে হবে না, রসায়নের ছাত্রকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ফাইল সামলানোর দৃশ্য দেখতে হবে না। এ ক্ষেত্রে আমরা সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা নিয়োগ প্রক্রিয়াকে উদাহরণ হিসেবে নিতে পারি। এইচএসসি পাস করার পর একজন শিক্ষার্থী একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ও বিসিএস ভর্তি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুত হবে। ভর্তি পরীক্ষা নিতে হবে খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে। যেন তাদের নতুন করে প্রস্তুতি নিতে না হয়। এতে একদিকে যেমন কোচিং-বাণিজ্যের লাগামে টান পড়বে, অন্যদিকে কমে আসবে নষ্ট প্রতিযোগিতা।

চাকরিরত অবস্থায় কেউ উচ্চশিক্ষা নিতে চাইলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সে সুযোগ থাকবে। একজন পুলিশ সদস্য চাইলে অনার্সও সম্পন্ন করবে, দেশের বাইরে গিয়ে পড়বে। সেনাসদস্যরা যেমনটা করতে পারে। প্রয়োজনে ২-৩টা প্রফেশনাল বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলা যায়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনার্স পড়তে বয়সের যে বাধ্যবাধকতা, সেটা তুলে দিলেই বহু সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। এইচএসসি দিয়ে তারা চাকরিতে জয়েন করবে। তারপর ক্যাডার অনুযায়ী নিজস্ব ফিল্ডে স্নাতক প্রয়োজনে স্নাতকোত্তর করবে। তাদের শিক্ষাটা হবে কার্যকর, প্রায়োগিক, বিশেষায়িত। এখন যে শিক্ষা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দিচ্ছে, এটা কার্যকরী শিক্ষা নয়। এমন শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার কোনো অর্থ নেই।

এই চিন্তা আলোর মুখ দেখলে বিসিএসের পর একজন যে সেক্টর পাবে, তিনি সেই সেক্টরের বিশেষায়িত শিক্ষা পাবে। আর যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বে, তাদের দেয়া হবে প্রায়োগিক শিক্ষা। যেমন সাংবাদিকতার একজন শিক্ষার্থীকে হাতে-কলমে মাঠে নিয়ে সাংবাদিকতা শেখানো হবে। ফলে স্নাতক সম্পন্ন হওয়ার পর তাকে আর শুনতে হবে না, ‘এ অফিসে ফ্রেশার নেয়া হয় না। ফ্রেশার নিলেও বেতন দেয়া হয় না!’ এমনটা করা গেলে আর কিছু না হোক, কয়েক বছরের ব্যবধানে দেশ পেতে শুরু করবে যোগ্য আমলা ও দক্ষ জনশক্তি।



লেখক: সরোজ মেহেদী, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও মিডিয়া বিশ্লেষক।

21/01/2021

জন্ম নিবন্ধন করবেন ভাবছেন, আর ভাবনা নয় সপ্ন এখন সত্যি সব এখন হাতের মুঠোয়,
যে কোন নেটওয়ার্ক/ অনলাইন সার্ভিস দোকানে বা নিজ মোবাইলে ঘরে বসে আপনি আপনার নিজের বা শিশুর জন্ম নিবন্ধন করতে পারবেন। আর নয় ঘুরাঘুরি সেবা পাবে নিজ পরিবার

নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন
[http://bdris.gov.bd/br/application](http://bdris.gov.bd/br/application...)
জন্ম নিবন্ধন তথ্য সংশোধন আবেদন-
[http://bdris.gov.bd/br/correction](http://bdris.gov.bd/br/correction...)
জন্ম নিবন্ধন তথ্য অনুসন্ধান
[http://bdris.gov.bd/br/search](http://bdris.gov.bd/br/search...)
জন্ম নিবন্ধন আবেদনের বর্তমান অবস্থা
[http://bdris.gov.bd/br/application/status](http://bdris.gov.bd/br/application/status...)
জন্ম নিবন্ধন আবেদন পত্র প্রিন্ট
[http://bdris.gov.bd/application/print](http://bdris.gov.bd/application/print...)
জন্ম নিবন্ধন সনদ পুনঃ মুদ্রন
[http://bdris.gov.bd/br/reprint/add](http://bdris.gov.bd/br/reprint/add...)

bdris.gov.bd

08/01/2021

বাবা-মা’য়ের সাথে গিয়েছিলাম একটা বিয়ের অনুষ্ঠানে। দাওয়াতের কার্ডে লেখা নির্ধারিত সময়ে গিয়ে দেখি তখনো আমরা ছাড়া কেউ আসেনি।

যিনি দাওয়াত দিয়েছেন তাকে ফোন করার পর তিনি লজ্জিত ভঙ্গীতে বললেন, “সঠিক সময়ে কেউ আসে নাতো, তাই কার্ডে দুই ঘণ্টা আগের সময় লিখেছি, আপনারা অপেক্ষা করেন, আমরা দুই ঘণ্টা পরে আসছি”।

সফলতার গন্তব্যে পৌঁছাতে হলে আমাদের প্রতি ঘন্টায় কাজে লাগাতে হবে ৩৬০০ সেকেন্ড। এর চেয়ে কম সময় কাজে লাগালে আমরা গন্তব্যে পৌঁছাতে পারব না।

13/12/2020

হিসেবটি আমার ভাল লেগেছে....!
জীবনের সুন্দর একটি হিসাব দেখুন, বুঝুন এবং চিন্তা করুন....!
যদি A, B, C, D, E, F, G, H, I, J, K, L, M, N, O, P, Q, R, S, T, U, V, W, X, Y, Z = 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10, 11, 12, 13, 14, 15, 16, 17, 18, 19, 20, 21, 22, 23, 24, 25, 26

অর্থাৎ A to Z এর মান যদি এমনভাবে ধরি যেখানে : A=1, B=2, C=3, D=4, E=5, F=6, G=7, H=8, I=9, J=10, K=11, L=12, M=13, N=14, O=15, P=16, Q=17, R=18, S=19, T=20, U=21, V=22, W=23, X=24, Y=25, Z=26

তাহলে,,,
Hard Work:
H+A+R+D+W+O+R+K= 8+1+18+4+23+15+18+11=98%

Knowledge:
K+N+O+W+L+E+D++E=
11+14+15+23+12+5+4+7+5=96%

Luck:
L+U+C+K=
12+21+3+11=47%

অর্থাৎ এদের কোনোটাই 100% স্কোর করতে পারে না, তাহলে সেটা কী যা 100% স্কোর করতে পারে???

Money?? না, এটা 72%
Leadership?? না, এটা 97%

তাহলে??

সব সমস্যারই সমাধান করা সম্ভব, যদি আমাদের থাকে একটা পারফেক্ট Attitude বা দৃষ্টিভঙ্গি,,,, হ্যাঁ, একমাত্র Attitude ই আমাদের জীবনকে করতে পারে 100% সফল

A+T+T+I+T+U+D+E=
1+20+20+9+20+21+4+5=100%

সুতরাং দৃষ্টিভঙ্গি বদলান, জীবন বদলে যাবে

23/11/2020

দশম শ্রেণিতে আর কোনো বিভাগ থাকছে না। সকলকে ১০ টি বিষয় পড়তে হবে। বদলাবে বই, কমবে পরীক্ষা।

# সাপ্তাহিক ছুটি ২ দিন।
# ক্লাস টেন কোনো পাবলিক পরীক্ষা নেই।
# ক্লাস 3 এর আগে কোনো পরীক্ষাই নেই।
# এসএসসি তে মাত্র ৫ বিষয়ের পরীক্ষা। বাংলা, ইংলিশ, ম্যাথ, সায়েন্স ও সোশ্যাল সায়েন্স। কোনো পত্র নেই। মাত্র ৫ দিনেই শেষ।

# সায়েন্স, আর্টস, কমার্স গ্রুপিং হবে ইন্টারমিডিয়েটে।

হাইস্কুল লেভেলে বিষয় থাকবে ১০ টি :

- বাংলা,
- ইংরেজি,
- গণিত,
- জীবন ও জীবিকা,
- বিজ্ঞান,
- সামাজিক বিজ্ঞান,
- ডিজিটাল প্রযুক্তি,
- ধর্মশিক্ষা,
- ভালো থাকা,
- শিল্প ও সংস্কৃতি।

# ২০২৬ এর ইন্টারমিডিয়েট,
# ২০২৪ এর ক্লাস নাইন,
# ২০২৩ এর ক্লাস এইট ও ২০২২ এ নিচের অন্যান্য ক্লাসগুলো নতুন বই পাবে।

ইন্টারমিডিয়েটে সাবজেক্ট ৬টা, প্রত্যেকটার পত্র ৩ টা করে। ফার্স্ট ইয়ারে সবগুলোর প্রথম পত্রের পাবলিক এক্সাম সেকেন্ড ইয়ারে সেকেন্ড ও থার্ড পার্ট। তারপর ২ এক্সাম মিলিয়ে চূড়ান্ত এইচএসসির রেজাল্ট।

Want your school to be the top-listed School/college in Jamalpur?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Address


Islampur
Jamalpur
2020