01/06/2016
আলোকিত
জামালপুর
প্রতিষ্ঠায় মির্জা
আজমের চেষ্টার ফল
জামালপুরে
বঙ্গমাতা শেখ
ফজিলাতুন্নেছা
মুজিব বিজ্ঞান ও
প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যায়
প্রতিষ্ঠায়
প্রধানমন্ত্রীর
অনুমোদন
জুন ১, ২০১৬
আজিজুর রহমান ডল ঃ স্বপ্ন
পূরণের পথে আরেক ধাপ এগিয়ে
গেলো জামালপুরের
কিংবদন্তি পুরুষ মির্জা আজমের
নেতৃত্বে জামালপুরবাসীর
আশাভরা যাত্রা পথ। তাঁর
ঐকান্তিক চেষ্টায় জামালপুরে
উন্নয়ন ধারাবাহিকতায় নতুন
করে যুক্ত হলো একটি পাবলিক
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায়
প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন লাভ।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের
পরিচালক আবুল কালাম আজাদ
সাক্ষরিত এক পত্রে জানা যায়,
বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা
আজম এমপি’র আবেদনের
প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী
জামালপুরে প্রতিষ্ঠিত শেখ
ফজিলাতুন্নেছা মুজিব
ফিসারিজ কলেজকে ‘বঙ্গমাতা
শেখ ফজিলাতুনেচ্ছা মুজিব
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে একটি
বিশেষায়িত পাবলিক
বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে
স্থাপনের নীতিগত সদয় সম্মতি
প্রদান করেছেন। উল্লেখ,
জামালপুর, নেত্রকোণা, শেরপুর,
কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার
সমন্বয়ে জামালপুরে বঙ্গমাতা
শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন হচ্ছে। এই
খবর জামালপুরে আসার সাথে
সাথে উল্লাসে ফেটে পড়ে
আপামর জামালপুরবাসী। সুদীর্ঘ
কালের উচ্চ শিক্ষা বঞ্চনার
আঁধার কেটে এবার আলোকিত
এক জামালপুর গড়ে তোলার পথে
এই খবর শুধু শুভ ইঙ্গিতই বহন করছে না
আগামী দিনে গোটা
জামালপুরসহ পার্শ্ববর্তি
জেলার প্রায় ৬০ লাখ মানুষের
আশা আকাঙ্খার প্রতিক
হিসেবে চিিহ্নত হবে।
স্বাধীনতা পরবর্তী শত
সীমাবদ্ধতার পরেও দেশের
অন্যান্য জেলায় উন্নয়নের
ছোঁয়া লাগলেও
নীতিনির্ধারকদের
বিমাতাসূলভ আচরণে
জামালপুরবাসী আশাব্যাঞ্জক
উন্নয়ন থেকে বরাবরই বঞ্চিত হয়ে
আসছিলো। যোগ্য নেতৃত্বেও
অভাব এবং এই জনপদ থেকে উঠে
আসা জাতীয় পর্যায়ে
প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তি বা মন্ত্রী,
এমপি এবং আমলারা জামালপুর
নিয়ে ভাবার বদলে নিজেদের
আখের গোছানোর চিন্তা মগ্ন
থেকেছে। এবার সময় এসেছে।
জামালপুরবাসী পেয়েছে তার
যোগ্য সন্তানকে। যে মা, মাটি
ও মানুষের দায়বদ্ধতা পূরণে
শতভাগ নিজেকে নিবেদন করার
দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছে। সে
একজন মির্জা আজম। যার
ব্যক্তিত্ব ও দেশপ্রেম নিয়ে তার
শত্রুরাও সমালোচনা করার
সুযোগ পায় না। বর্তমান সরকার
তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় এসে
এই যোগ্য মানুষটিকে মন্ত্রী
পরিষদে স্থান দিয়ে শুধু
জামালপুরেই নয় গোটা
দেশবাসীর কাছে ক্রমশই নয়নের
মনি হয়ে উঠছে। পাটের
হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনা,
বন্ধ হয়ে যাওয়া বস্ত্র ও পাটকল
চালু করাসহ নানামূখী উন্নয়ন
কর্মকান্ডে মির্জা আজম নিরন্তর
কাজ করে যাচ্ছে। মির্জা
আজমের বদন্যতায় ইতিমধ্যে
জামালপুরে অর্থনৈতিক জোন,
মেডিকেল কলেজ, টেক্সটাইল
কলেজ, ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ,
বাইপাস সড়ক, লিংক রোড,
সাংস্কৃতিক পল্লী,
ডায়াবেটিক হাসপাতাল,১০০
মেগা ওয়াট সম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্র
স্থাপনের কাজ দ্রুতগতিতে
বাস্তবায়ন হচ্ছে। জানা যায়,
জামালপুরকে উন্নয়নের রোল
মডেল করতে কৃষি শিল্প, স্বাস্থ্য,
শিক্ষা, আবাসন, যোগাযোগ
ব্যবস্থাসহ বহুমাত্রিক উন্নয়নের
শ্রোতধারায় উদ্ভাসিত হবে এই
জনপদের মাটি ও মানুষের মুখ।
বেকারত্বের অভিশাপমুক্ত হবে
জামালপুরের প্রতিটি শিক্ষিত
যুবক।(collected)