Kisholoy Adorsho Shishu Bidyaloy, Jamalpur.

Kisholoy Adorsho Shishu Bidyaloy, Jamalpur.

Share

This is a primary school from " #ShishuClass to #Class5 ".This school is stand behind the right hand of #Jamalpurপৌরসভা .

Photos from 99 - BOOK SHOP's post 25/12/2025
19/12/2025

যে কখনো কোন ইংরেজি বই পড়ে নি তার জন্য ছবির এই বইটি সবথেকে উপযুক্ত একটা বই। আমি নিজেও জীবনে প্রথম এই বইটি-ই পড়েছিলাম। বর্তমান প্রশ্ন প্যাটার্ন অনুযায়ী বিসিএস পরীক্ষায় ভালো করতে এই ধরণের non fiction বই পড়া খুবই ফলপ্রসূ। একদিকে তাতে যেমন ইংরেজিতে দক্ষতা বাড়বে, অপরদিকে একদম ইউনিক একটা জ্ঞানের ভিত তৈরি হবে যা আপনাকে লিখিত পরীক্ষায় বাকিদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে থাকতে সাহায্য করবে।

শুরুতে আমি আমার জার্নি টা একটু বলি। আমি তখন অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্র ছিলাম। নীলক্ষেত থেকে আসার পথে এই বইটার কাভার দেখে ভালো লাগায় আর দাম নাগালের মধ্যে থাকায় কিনে ফেলি। তখনও আমার মধ্যে এই আত্মবিশ্বাস ছিল না যে আমি একটা ইংরেজি বই পুরোটা পড়ে শেষ করতে পারব। ভেবেছি দেখতে সুন্দর আছে, সাজিয়ে রাখা যাবে। বইটা বাসায় আনার পরে ওভাবেই ছিল কয়েকমাস সাজানো। হঠাৎ একদিন কী একটা মনে করে পড়া শুরু করি, এবং দুই পৃষ্ঠা পড়েই পুরো অভিভূত হয়ে যাই। বুঝতে পারি বাংলাদেশের তথাকথিত বই আর আন্তর্জাতিক মানের একটা বই এর মধ্যে আসলে পার্থক্য কোথায়! সময় লাগলেও বইটা আমি পুরোটাই পড়ি। শুরুতে পড়তে কষ্ট হচ্ছিল, আমার এমন ইংরেজি বই পড়ার অভ্যাস ছিল না। স্পিড ও অনেক স্লো ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে স্পিড চলে আসে আর আমার ইংরেজিতে দক্ষতা রাতারাতি বৃদ্ধি পেতে থাকে। আমি বলবো আমার ইংরেজিতে দক্ষতা অর্জনের সবথেকে বড় ভূমিকা পালন করেছে এই বইটা। কারণ এটা শেষ করার পরে আমাকে আর কখনো পিছনে ফিরে তাকাতে হয় নি।

বইটা কী নিয়ে লেখা সেটা নাহয় একটা রহস্য ই থাক। অনেকেই ভাবে এটাতে মানবজাতির ইতিহাস বুঝি একটার পর একটা লেখা। এমন হলে এই বই আন্তজার্তিক মহলে এত সাড়া ফেলতে পারতো না। বইটা মোটেই ইতিহাসের ঘটনা একটার পর একটা লিপিবদ্ধ করা নেই। লেখক বরং বিভিন্ন মেজর ঘটনার গুরুত্ব ও প্রভাব একটা ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে তুলে ধরেছে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা করা কোন সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব না হয়তো। যেমন কৃষি বিপ্লবের ফলে যে ওই সময়ের মানুষদের উল্টা কষ্ট ও দুর্দশা আরো বেড়ে যেতে পারে, সেটা কী আপনি কখনো চিন্তা করে বের করতে পারতেন? কিংবা বিভিন্ন মিথ যে আমাদের টিকে থাকার লড়াইয়ে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করতে পারে সেটাও কী কখনো ভাবতে পারতেন?

প্রতিটা ঘটনা এরকম ইউনিক একটা লেন্স দিয়ে বিশ্লেষণ কিভাবে করে সেটাই শিখতে পারবেন আপনি এই বইটা পড়ে। লেখক মাঝেমাঝেই একদম এক্সট্রিম কোন মতামত দিয়েছে। সবকিছুতে আপনাকে সহমত পোষণ না করলেও চলবে। লেখকের মতামতের সাথে একমত হতে পারেন বা না পারেন, এটা নিয়ে কোন দ্বিমত পোষণ করার সুযোগ নেই যে Sapiens বইটি বর্তমান বিশ্বে অন্যতম শক্তিশালী লেখনির উদাহরণ। সামান্য একটা ঘটনাও কিভাবে অসামান্য করে লিখতে হয় সেটা আপনি এই বই পড়ে জানতে পারবেন। তাই আপনি যদি চান বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় আপনার লেখা হোক শক্তিশালী, এই বইটা আপনাকে অবশ্যই পড়তে হবে। সাথে বোনাস হিসাবে ইংরেজিতে দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ তো থাকছেই।

Photos from Indie press's post 18/12/2025
15/12/2025
16/11/2025

বিগত এক হাজার বছরের মধ্যে জার্মান জাতি তিনবার শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠন করেছে। এর মধ্যে শেষবারের ঘটনা আমরা সবাই জানি, কারণ শেষবার এই কাজটা করেছিল হিটলার। হিটলার ও তার বাহিনী ভেবেছিল, জার্মানির এইবারের রাইখ টিকে থাকবে অন্তত এক হাজার বছর। কিন্তু তাদের সেই আশা পূর্ণ হয়নি। মোটামুটি এক দশকের মধ্যেই হিটলারের সেই স্বপ্ন ভেঙে যায়।

সাম্রাজ্য গড়ে উঠবে, আবার ভেঙেও পড়বে—এটাই ইতিহাসের নিয়ম। পৃথিবীর ক্ষমতার ভারসাম্য ভবিষ্যতেও বদলাবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়ার মতো পরাশক্তিগুলোর দাপট সম্ভবত ভবিষ্যতেও টিকে থাকবে। এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং এশিয়ার উদীয়মান শক্তি ভারতও পিছিয়ে থাকবে না। কিন্তু বর্তমান সময়ে বড় দেশগুলোর পাশাপাশি অনেক ছোট দেশও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। তুরস্ক, সৌদি আরব কিংবা যুক্তরাজ্যের মতো তুলনামূলক ছোট রাষ্ট্রের সামনে এখন অনেক নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে। এইসব দেশ এখন চেষ্টা করছে আন্তর্জাতিক খেলোয়াড় হয়ে উঠতে। ২০২০-এর দশকের শুরুতে এসে বিশ্ব যেন নতুন এক দাবার বোর্ডে রূপ নিয়েছে। গুটিগুলো সাজানো শেষ, এখন কেবল খেলা শুরুর অপেক্ষা।

কিন্তু এই ধরনের জটিল খেলা দেখার জন্য চাই প্রস্তুতি। বেস্টসেলার লেখক টিম মার্শালের সাথে এই খেলায় অংশ নিতে চাইলে পড়ে ফেলুন এই দারুণ বইটি।

বইটি দেশের বিভিন্ন অফলাইন ও অনলাইন বুকশপে পাওয়া যাচ্ছে এবং দেশের বাইরে কলকাতা কলেজ স্ট্রীটেও পাওয়া যাচ্ছে। আপনার কপিটি আজই সংগ্রহ করুন।

[ সূচিপত্র ও অর্ডার লিংক ১ম কমেন্টে ]

05/11/2025

If you are from Bangladesh, chances are summer or winter vacations comprised of staying over at Nanur bari, your grandmother's home–eating good food, playing with cousins and ending the day with ghost stories and folktales narrated by your grandparents themselves.

As we grew older, the stories became a thing of the past, tucked away in a box along with other childhood memories.

In a time when mythology and folklore are fading fast from our daily lives, 'Otiprakrito Volume 1' – an illustrated encyclopedia of ghosts, gods-goddesses, angels and demons aims to reawaken our collective imagination.

[Link in comments]

01/11/2025

বিশ্বের কয়েকটি প্রধান দেশের নাগরিকদের বই পড়ার অভ্যাস নিয়ে ২০২৪ সালের বৈশ্বিক তালিকা অনুযায়ী, বিশ্বে বই পড়ার পেছনে সবচেয়ে বেশি সময় ব্যয় করেন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা। মার্কিনিরা প্রতি সপ্তাহে গড়ে প্রায় ৭ ঘণ্টা বই পড়ার পেছনে ব্যয় করেন, যা বছরে প্রায় ৩৫৭ ঘণ্টার সমান।

তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। ভারতের মানুষের সাপ্তাহিক গড় পড়ার সময় যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় মাত্র ৫ মিনিট কম, প্রায় ৭ ঘণ্টা। বছরে মোট পড়ার সময় ৩৫২ ঘণ্টা।

তালিকায় বাংলাদেশ রয়েছে ৯৭ তম স্থানে। বাংলাদেশের একজন মানুষ গড়ে বছরে ২.৭৫টি বই পড়েন। পড়ার পেছনে বছরে ব্যয় করেন মাত্র ৬২ ঘণ্টা সময়।

Photos from দুষ্প্রাপ্য বই's post 14/09/2023
19/08/2023

(একজন বই পা'গ'লীর ইচ্ছে গুলো যেমন হয়।)

বিয়ের রাতেই আমার বর আমাকে বলেছে, তুমি তোমার মতো থাকবা,আমি আমার মতো। আমি মনে মনে বলেছি, আলহামদুলিল্লাহ।

আসলে বিয়েতে আমার মত ছিল না। বাসা থেকে জোর করে বিয়ে দিয়েছে। পড়ালেখা, লেখালেখি এসবের প্রতিই আমার আগ্রহ বেশী। প্রিয় লেখকের ব‌ই পড়ে আমি এক জীবন কাটিয়ে দিতে পারি। আমি শুধু চাই নিরিবিলি একটা জীবন। যেটা আমার বর আমাকে দিল।

পুরো বাড়িতে আমরা তিনজন। সারাদিন সে অফিসে থাকে। বাসায় আমাকে কোনো কাজ করতে হয় না। কাজের মহিলা বাপের বাড়ি থেকে নিয়ে এসেছি। সুতরাং আমি সারাদিন ব‌ই পড়া নিয়ে ব্যস্ত থাকি। আমার বর ব্যস্ত থাকে অফিস আর তার প্রেমিকা নিয়ে।

হ্যাঁ,বাসররাতে রোমান্টিক কথার বদলে উপরোক্ত যে কঠিন কথাটি সে আমাকে বলেছিল তার কারণ এটাই। 'হিয়া' নামে তার একজন সিরিয়াস প্রেমিকা আছে। যার ফ্যামিলি ভালো না বিধায় তার পরিবার বিয়ে দিতে রাজি হয়নি। কিন্তু আমার বর হিয়া ছাড়া কিছু বোঝে না।

বরের সাথে আমার সম্পর্ক পাশের বাড়ির পাতানো ভাইয়ের মতো। সে বাথরুমে থাকা অবস্থায় তার গফের ফোন আসলে আমি রিসিভ করে বলি,ও বাথরুমে। রাতে ব্যালকনিতে বসে সে গফের সাথে গল্প করে আমি আমার মতো ব‌ই পড়ি। আমরা দুইজন পাশাপাশি দুইটা ঘরে ঘুমাই।

এভাবে আট মাস কাটার পর একদিন বার্গার অর্ডার দিয়ে খেয়ে আমার ফুড পয়জনিং হলো। কয়েকবার বমি করার পর মাথা ঘুরে আমি পড়ে গেলাম। কাজের মহিলা গিয়ে উপরের তালার আন্টিকে ডেকে নিয়ে আসলেন। আন্টি আমার বরকে ফোন দিয়ে আসতে বললেন।

আমার ততক্ষণে জ্ঞান ফিরেছে‌। আন্টি ওর দিকে তাকিয়ে চোখটিপ মেরে বললো,ঘটনা কি?
আমার বর আর আমি অবাক হয়ে একসাথেই প্রশ্ন করলাম,কিসের কি ঘটনা?
আন্টি হাসতে হাসতে চলে গেলেন। কি একটা অবস্থা!

রাতে আমার বর তার গফের সাথে কথা বলতে বলতে গল্পচ্ছলে একথা তুলতেই সেই মেয়ে কাঁদতে কাঁদতে মূর্ছা গেল। তারপরের কয়েক ঘন্টা আর সেই মেয়ের ফোনে রিং গেল না। আমার বর অস্থির হয়ে গেল। মেয়ে অর্ধেক কথা শুনে ফোন রেখে দিবে কেন? আমার যে ফুড পয়জনিং হয়েছে এটা বলার সুযোগ‌ই দিল না!

অনেক বছর কেটে গেল। হিয়ার বয়স হয়ে যাচ্ছে। বাসা থেকে ছেলে দেখছে। আর কিছুই করার নেই। সমাজ সংসারের তোয়াক্কা না করে আমার বর ঘরে দ্বিতীয় ব‌উ তুলল। আমি কিছুই বললাম না। শুধু একটু চিন্তিত হলাম। এখন এরা কি আমাকে শান্তিতে ব‌ই পড়তে দেবে? নাকি দুজন সারাদিন আহ্লাদী, ঝগড়াঝাঁটি করে আমার সুনসান রাজ্যে যন্ত্রণার সৃষ্টি করবে?

সেরকম কিছুই হলো না। বিয়ের কয়েকবছর আমার বর তার দুই নাম্বার ব‌উ নিয়ে দেশে-বিদেশে ঘুরে বেড়াতে লাগল। আমাকে নিয়ে কোনদিন বাসার পাশের রেস্টুরেন্টেও যায়নি। সেটা ব্যাপার না। খালি বাড়িতে আমি শান্তিতে ব‌ই পড়ি,টিভি দেখি খুব‌ই আনন্দে থাকি। তবে প্রথম কিছুদিন আমার পরিবার খুব ঝামেলা করছিল। এই ছেলেকে পুলিশে দেব, ডিভোর্স দেয়াবো ইত্যাদি। আমি অনেক কষ্টে সামলেছি। এমনকি আমার বরের পরিবারের লোকজন‌ও তার প্রতি রাগান্বিত। দুই ঈদ আমি যথাক্রমে আমার বাপের বাড়ি আর শ্বশুরবাড়িতে কাটিয়ে আসি। আমার বর তার দুই নাম্বার ব‌উ নিয়ে বাড়িতেই থাকে নাহয় দেশের বাইরে থাকে।

কয়েকবছর যাওয়ার পর একটা ভয়াবহ কাহিনী হলো। হিয়া আরেকটা ছেলের সাথে পালিয়ে গেল। আমার বর গলায় দড়ি দিতে গেল। পুরো ব্যাপারটায় আমার সবচেয়ে বড় ক্ষতি যা হলো তা হচ্ছে আমি ব‌ই পড়তে পারছি না। শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের একটা ব‌ইয়ের মাঝামাঝিতে ছিলাম। সেটা শেষ করতে পারিনি। আমার সবচেয়ে বড় চিন্তা ঐ ব‌ইয়ের শেষে কি হয়েছে।

আমার বরের বাড়ির লোকজন এতদিনে তার প্রতি একটু নরম হয়েছে। তারা ওকে দেখতে এসে আমাকে বললো, এখন তোমাকেই ওর সাপোর্ট হতে হবে।

কি যন্ত্রণা! এখন আমি বসে বসে ওর মাথায় হাত বুলিয়ে দেব নাকি! আমার কি কামকাজ নেই!

আমার বর একটু সুস্থ হ‌ওয়ার পর আমার হাত ধরে কাঁদতে কাঁদতে বলল,আমি তোমার সাথে অনেক অন্যায় করেছি। ঐ চরিত্রহীনা মেয়েটার জন্য আমি তোমাকে কখনো স্ত্রীর মর্যাদা দেইনি। আমাকে তুমি ক্ষমা করে দাও।
-দিলাম।
:আজ থেকে আমরা স্বামী-স্ত্রীর মতো থাকব ওকে!

আমি আঁতকে উঠলাম। এ ব্যাটা বলে কি? এর সাথে আমাকে এখন সংসার করতে হবে? কয়বছরের ভেতরে দুইটা বাচ্চা হবে,আমার ভেতর একটা মহিলা মহিলা ভাব চলে আসবে, ফেসবুকে ছবি দিলে সবাই আমাকে আন্টি ডাকবে, তারপর আমার বাচ্চাজোড়া বড় হবে তাদের স্কুলে নিয়ে গিয়ে ক্লাসে ঢুকিয়ে আমি অন্যান্য গার্ডিয়ানদের সাথে বসে গীবত করব কার ঘরে কি হলো!!

চোখের সামনে এরকম ভয়াবহ ভবিষ্যত দেখে আমি আঁতকে উঠলাম। সিদ্ধান্ত নিলাম এই ছেলেকে ডিভোর্স দিব।
ল‌ইয়ারের কাছে গিয়ে কাগজপত্র তৈরি করে নিয়ে এসে বরের টেবিলে রেখে ব্যাগ গুছিয়ে আমি যশোরের উদ্দেশ্যে বাসে উঠলাম।

এরপর আমার বর অনেকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছে আমি কথা বলিনি। আমার বাড়ির লোক বলেছে, যে অন্যায় তুমি ওর সাথে করেছ তারপর ও আর তোমার কাছে ফিরে যাবে না। যদিও আসল ঘটনা তা না।

আমি এখন বাপের বাড়িতেই থাকি। বাসার থেকে আবার বিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে। আমি বলেছি পরকীয়া আছে এমন ছেলে ছাড়া বিবাহ করব না। বাকিটা কপাল!

© সংগৃহীত

নতুন গল্প পেতে ফলো করুণ আমার পেজ Sumaiya Afrin oishi - সুমাইয়া আফরিন ঐশী

Want your school to be the top-listed School/college in Jamalpur Sadar Upazila?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address


Jamalpur পৌরসভা
Jamalpur Sadar Upazila
0981