14/06/2016
।।জানার মাঝে অজানা।। চেনা তবু চেনা নয়।।
জেএফসিএল কলেজেরই একজন প্রাক্তন ছাত্র। আশা করি তার এই সংক্ষিপ্ত জীবন আলেখ্য থেকেও কিছু না কছিু শেখার এবং জানার আছে। যা কাউকে না কাউকে তার জীবন গঠনে সামান্য হলেও উদ্বুদ্ধ করবে। আর সেখানেই আমাদের সার্থকতা।
যমুনা সার কারখানা কলোনির পরিচিত মুখ ও ০০ ব্যাচের একজন এস এ এম জিয়াউল ইসলাম (স্বজল)। পিতা- এম এ সামাদ সরকার ও মাতা- বেগম জুবাইদা সামাদ। তিনি যমুনা সার কারখানা স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ২০০০ সালে এস এস সি ও ২০০২ সালে এইচ এস সি পাশ করেন। পরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০৭ সালে স্নাতক (সম্মান) ও ২০০৮ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্রজীবনের প্রতিটি পরীক্ষায় তিনি প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হন। এরপর ২০১৩ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে লেকচারার হিসেবে যোগদান করেন। ২০১৪ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারি প্রোক্টরের দায়িত্ব পালন করেন। গতকাল (১৩/৬/২০১৬) তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫০৩ তম সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্তে সহকারি অধ্যাপক পদে যোগদান করেন। অধ্যাপনা ছাড়াও এস এ এম জিয়াউল ইসলাম গবেষণা ও লেখা-লিখির সাথে জড়িত। বর্তমান পর্যন্ত তাঁর প্রকাশিত মৌলিক গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যা চারটি। সম্প্রতি Bangladesh History Academy Dhaka থেকে তাঁর `Christianization in the South-Eastern Hill Districts of Bangladesh (1947-2011)' শিরোনামে একটি মৌলিক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর থেকে প্রকাশের অপেক্ষায় অাছে `ভাষা আন্দোলন ও বঙ্গবন্ধু' নামে একটি মৌলিক গবেষণা গ্রন্থ।
যমুনা ফার্টিলাইজার পরিবারের সকলেই তার এই কৃতিত্বে গর্বিত।তিনি জেএফসিএল কে পৃথিবীর সর্বত্র তার কর্মের মাধ্যমে পরিচিত করে তুলবেন এটাই আমরা কামনা করি।আরও এগিয়ে যান সজল আপনি,আমরা এই দোয়াই করি।