সমাজে সকল বড় জিনিসের শুরুর পূর্বে কোনো না কোনো বিশাল উদ্দেশ্য থাকে। আর সকল ছোট জিনিস আস্তে-আস্তে বৃহৎ আকার ধারণ করে।
কবিতায় আছে: ছোট-ছোট বালি কনা বিন্দু-বিন্দু জল গড়ে তোলে মহাদেশ সাগর অতল
আমাদের স্কুলটির ও এমন একটি কাহনি আছে। জামালপুরের তৎকালীন SDO মি. ডনো সকলের নিকট জ্ঞনের আলো পৌছে দেওয়ার জন্য স্কুলটি স্থাপন করেন। তার স্কুলটির নাম ছিল “ডনো ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল” যা বর্তমানের “জমলপুর জিলা স্কুল” মি. ডনো যখন তার স্কুলটি স্থাপন করলের তখন তিনি তার পাঠশালায় ছাত্রদের আকৃষ্ঠ করার জন্য ঢাকি ভরতি বাতাসা/মিষ্টি জাতীয় খাদ্য নিয়ে বসতেন, যাতে ছোট-ছোট বাচ্চারা এতে আকৃষ্ঠ হয়। পাঠশালায় ছাত্র সংখ্যা ছিল ১০ (দশ) জনের অধিক নয়। বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ অতিবাহিত হয়। স্কুলটি পূর্ণ সরকারী হয় এবং এর পর এর সকল প্রকার উন্নতি হতে থাকে। এখন এই স্কুলটি জামালপুরের প্রাণ,জামালপুরের সর্ব বৃহৎম বিদ্যাপীঠ। এখন ছাত্ররা এই বিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার জন্য আকৃষ্ঠ। মি. ডনো যে পরিকল্পনা করে ছিলেন তা আজ আর সপ্ন নয় সত্যি। তার এই অক্লান্ত পরিশ্রমেরই ফল আজকের এই “জমলপুর জিলা স্কুল” । তিনি আজ আর নেই, আমরা তাকে দেখিনি। কিন্তু আমাদের মনে তা স্মৃতি আজও ব্যাথা দিয়ে যায়। তার মহৎ আমাদের নিকট চির সরণীয়।
জামালপুর জেলার সকল বিদ্যালয়েগুলোর মধ্যে সর্ব বৃহত্তম ও প্রাচীন "জামালপুর জিলা স্কুল"
জামালপুরবাসীর গর্ব.......
তথ্য সুত্রে: জামালপুরের ইতিহাস ১৯৯২