مدرسة دار العلوم حميوس السنة বটতলা দারুল উলূম হামিউচ্ছুন্নাহ মাদরাসা

مدرسة دار العلوم حميوس السنة বটতলা দারুল উলূম হামিউচ্ছুন্নাহ মাদরাসা

Share

لااله الله محمد الرسول الله

10/03/2024

সামনে রমজান মাস, সঠিকভাবে সিয়াম পালনে একে অন্যের সহযোগিতা করবো, নিজের ভুল ত্রুটি আল্লাহর সামনে পেশ করে ক্ষমা চেয়ে নেবো, কুরআন শরিফ বেশি বেশি তিলাওয়াত করার চেষ্টা করবো, আল্লাহ সকলকে তৌফিক দান করুন, আমিন।

22/02/2024

২২/০২/২০২৪ ইং
আজ দাওরায়ে হাদীসের সমাপনী পরীক্ষার প্রথম দিন, আল্লাহ সকল ছাত্র-ছাত্রীদের কবুল করুন আমিন।

25/01/2024

এইধরনের লোকদের চিনে রাখুন

Photos from ‎مدرسة دار العلوم حميوس السنة বটতলা দারুল উলূম হামিউচ্ছুন্নাহ মাদরাসা‎'s post 08/01/2024
01/06/2023

কুরবানীর জরুরি ৬৬ টি মাসয়ালা!
________________________________________________

১.কার উপর কুরবানী ওয়াজিব?
উঃ জিলহজ্জ মাসের ১০ সুবহে সাদিক থেকে১২ তারিখ
সূর্যাস্ত পর্যন্ত কারো কাছে যদি নিছাব পরিমাণ সম্পদ থাকে ৭ঃ৫ সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ অথবা সাড়ে ৫২ ভরি রুপা থাকে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব।

২.নিছাবের মেয়াদ কত দিন?
উঃ ৩ দিন, জিলহজ্জ মাসের ১০,১১ এবং ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত।

৩. তিন দিনের মধ্যে কোন দিন কুরবানী করা উত্তম?
উঃ ১০ তারিখে প্রথম দিন।

৪.যদি নাবালক এর নিছাব পরিমাণ সম্পদ থাকে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে কি ?
উঃ না।

৫.বালেক সুস্থ মস্তিষ্ক না নিছাব পরিমাণ সম্পদ আছে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে কি ?
উঃ- না

৬.যদি নাবালেক এর নিছাব পরিমাণ সম্পদ থাকে এর পক্ষে থেকে কুরবানী দেওয়া কি?
উঃ মুস্তাহাব, ওয়াজিব না।

৭.দরিদ্র লোকের উপর কুরবানী কি ওয়াজিব?
উঃ- না, তবে যদি কুরবানির নিয়তে পশু ক্রয় করে
তখন সে পশু কুরবানী করা ওয়াজিব।

৮.কেউ যদি কুরবানির দিন গুলোতে কুরবানির দিতে না পারে তাহলে কি করবে, যদি সে নিছাব পরিমাণ সম্পদ আছে, কোন সমস্যায় দিতে পারে নি তাহলে কি করবে?

উঃ-একটা ছাগল যে কুরবানী উপযুক্ত সে ছাগলের সমপরিমাণ টাকা সদকা করে দিবে ন এটা হলো যারা পশু ক্রয় করতে পারেনি তাদের জন্য।
কিন্তু যারা পশু কিনেছেন কিন্তু তিন দিনের মাঝে কুরবানী দিতে পারেন নি তাহলে তার জন্য করণীয় হলো সে পশু সদকা করে দেওয়া।

আবার যদি কেউ তিন দিন পর জবাই করে ফেলে তাহলে সে ঐ পশুর গোশত ওজন করবে তারপর যদি ঐ পশুর ক্রয়ের টাকা থেকে কম হয় তাহলে গোশত সহ
যতো টাকার গোশত কম হয়েছে পুরো টাই সদকা করতে হবে। ধরনে আপনি ২০ হাজার দিয়ে কিনেছেন ওজন দিয়ে দেখলেন ১৮ হাজার টাকার গোশত হয়েছে
গোশতের আরও ২ হাজার টাকা সদকা করতে হবে।

৯.প্রথম দিন কখন থেকে কুরবানী করা যাবে?
উঃ যে এলাকায় জুমার নামাজ,এবং ঈদের নামাজ ওয়াজিব সে এলাকায় ঈদের নামাজের আগে কুরবানী করা জায়েজ নেই। তবে কোন প্রকার দুর্ঘটনা ঘটে গেলে
যদি ঈদের নামাজ না পড়া যায় তাহলে করনীয় হলো সূর্য মধ্যে আকাশ অতিক্রম করার পর কুরবানী করা জায়েজ হবে।

১০.রাতে কুরবানী দিলে কি হবে?
উঃ ১০,১১ তারিখে রাতে দিলে হবে ১২ তারিখ রাতে দিলে হবে না।

১১.কোন কোন পশু দিয়ে কুরবানী দেওয়া জায়েজ?
উঃ- গরু,উট,মহিষ,দুম্বা, ছাগল এবং ভেড়া।

১২.পশু দের লিঙ্গ ভেদ করতে হবে কি?
উঃ- না, পুরুষও মহিলা উভয় দিয়ে হবে।

১৩.পশুর বয়স সীমা কত?
উঃ উট কম পক্ষে ৫ বছর,গরু মহিষ ২ বছর
ভেড়া, দুম্বা ছাগল ১ বছর।
ভেড়া এবং দুম্বা ১ বছর হয়নি তবে বলিষ্ঠ মনে হয়
যে এক বছর হয়েছে তাহলে এটা দিয়ে কুরবানী হবে।
তবে ছাগল ১ বছরের নিচে কোন ভাবে হবে না।

১৪.শরীক সর্বোচ্চ কত জন হওয়া যাবে?
উঃ উট,গরু,মহিষে সর্বোচ্চ ৭ জন কমে হলে সমস্যা নেই তবে একা দেওয়া উত্তম । ছাগল, দুম্বা, ভেড়া তে একজন।

১৫.গোশত ভাগে কম বেশি হলে?
উঃ- কারো কুরবানী সহীহ হবে না।

১৬. শরীকের মাঝে কেউ যদি গোশত খাওয়ার নিয়তে দেয় তাহলে?

উঃ- কারো কুরবানী হবে না।

১৭.কুরবানীর পশুতে আকিকা দেওয়া যাবে?
উঃ- হ্যাঁ, তবে উট, গরু,এবং মহিষে।

১৮. শরীক দার দের মাঝে যদি কারো অধিকাংশ বা পুরা টাকা হারাম হয় তাহলে কি কুরবানী হবে?

উঃ- না না না! কারো কুরবানী হবে না।

১৯. গরু, মহিষ উট একা কুরবানী নিয়তে কিনার অন্য কাউকে কি শরীক করা যাবে?

উঃ- ধনী হলে পারবে অর্থাৎ যার উপর ওয়াজিব , তবে গরিব ওয়াজিব না কুরবানী তার উপর। পশু কিনে ফেলছে কুরবানীর নিয়তে তাহলে শরীক করা যাবে না একাই দিতে হবে।

২০.কোন ধরনের পশু নির্বাচন করা উত্তম?
উঃ- রিষ্ট পুষ্ট, তাজা পশু নির্বাচন করা সুন্নত।

২১.যে পশু তিন পায়ে ভর করে চলে এমন পশু ধারা কি কুরবানী হবে?

উঃ- না

২২.রোগ্ন পশু দিয়ে কি কুরবানী হবে?
উঃ- না

২৩.দাঁত ছাড়া পশু দিয়ে কি কুরবানী হবে?
উঃ একটা দাত নেই এটা কোন ভাবেই হবে না ,অথবা কিছু আছে তবে ঘাস খেতে পারে না এমন পশু ধারা কুরবানী হবে না।

২৪. শিং ছাড়া পশু দিয়ে কুরবানী হবে কি ?
উঃ জন্মগত যে পশুর শিং নেই সেটা ধারা হবে।
তবে পরবর্তীতে যেটা ভেঙ্গে যায় আর তার ফলে মস্তিষ্কে ক্ষতি হয় এমন পশু ধারা হবে না। তবে অর্ধে হলেও হবে।

২৫.লেজ কাটা, কান কাটা পশু দিয়ে কুরবানি হবে কি?
উঃ যদি পশুর লেজ বা কান অর্ধেক বা তার বেশি কাটা হয় তাহলে সে পশু ধারা কুরবানী হবে না।
তবে অর্ধেকের কম হলে হবে।

২৬.অন্ধ পশু ধারা কুরবানী করা যাবে কি?
উঃ- না তবে যে পশুর এক চোখ ও অন্ধ সেটা দিয়েও হবে না।



২৭.কুরবানীর নিয়তে পশু ক্রয় করার পর হারিয়ে গেলে দাতা কি করবে?

উঃ- ধনী হলে আরেক টা ক্রয় করবেন।
এবং গরিব ওয়াজিব নয় এমন ব্যক্তি ক্রয় করতে হবে না
তবে কিনার পরে যদি আবার প্রথম পশু ফিরে পাওয়া যায় তাহলে ধনী ব্যক্তি যেকোন একটা কুরবানী করলে হবে, তবে দুটা করা উত্তম একটা করলেও হবে।

** আর গরিব ব্যক্তি যদি হয় তাহলে দুটাই দিতে হবে।
দুটাই দেওয়া তখন ওয়াজিব।

২৮.গর্ভবতী পশু কুরবানী করা কি জায়েজ আছে?
উঃ- হ্যা জায়েজ।

২৯.পশু জবাইয়ের পরে যদি বাচ্চা কে জীবিত পাওয়া যায় তাহলে কি করবে?
উঃ- বাচ্চা ও জবাই দিতে হবে।

৩০.জবাইয়ের আগ মুহূর্তে যদি পশু প্রসব অবস্থায় উপনীত হয় তখন করনীয় কি?

উঃ- সে পশু জবাই করা জায়েজ আছে, তবে মাকরূহ!

৩১.পশু ক্রয় করার পর যদি এমন কোন দোষ দেখা যায় যে দোষ গুলো থাকিলে কুরবানী হয় না তখন করনীয় কি?
উঃ- এই পশু ধারা কুরবানী হবে না।
তবে এখানে গরিব ব্যক্তির জন্য জায়েজ আছে
ধনী ব্যক্তির জন্য জায়েজ নয়।

৩২.আপনি কোন পশু ক্রয় করার সময় জিজ্ঞেস করলেন বয়স কত সে বললো ২ বছর যদি সেটার আসলে বয়স ২ বছর না হয় তখন কি করনীয় বা কুরবানী কি হবে?

উঃ- হ্যা হবে তবে যে বিক্রেতা মিথ্যা বলেছে তার গুনা হবে।

৩৩.পশু কোথায় জবাই করা উত্তম?
উঃ- যেখানে পরিবেশ দূষিত হওয়ার আশংকা কম থাকে।

৩৪. পশু কে জবাই করা উত্তম?
উত্তমঃ- নিজের পশু নিজে কুরবানী করা উত্তম।

৩৫.বন্ধা পশু ধারা কুরবানী হবে কি?
উঃ- হ্যা হবে ।

৩৬.অনেক সময় হুজুর জবাই করার পর দেখা যায় সম্পূর্ণ হয় নি আবার অন্য জন তরবারি হাতে নিয়ে
রগ বা শিরা কাটতে যায় এটা কি জায়েজ হবে?

উত্তরঃ- হ্যা জায়েজ আছে তবে উভয় ব্যক্তি বিসমিল্লাহি আল্লাহ আকবার না বললে কুরবানী হবে না।
একজন যদি না বলে সেক্ষেত্রে ও কুরবানী বাতিল হয়ে যাবে।

৩৭. কুরবানীর পশু ধারা উপকৃত হওয়া যাবে কি?
উঃ না এটা কোন ভাবে জায়েজ নেই।

৩৮.কুরবানীর পশু ধারা যদি আপনি হাল চাষ করে ফেলেন সেক্ষেত্রে করনীয় কি?
উঃ অন্য পশু ধারা করলে যে পারিশ্রমিক আসত সে পরিমান টাকা সদকা করে দেওয়া।

৩৯.কুরবানির পশুর,দুধ পান করা যাবে কি?
উঃ- না

৪০. যদি পশুর জবাইর আগে মন হয় দুধ দহন না করলে পশুর কষ্ট হবে তাহলে করনীয় কি?

উঃ- সে দুধ দহন করে সদকা করে দিতে হবে.
ভুলে খেয়ে ফেললেন তখন যে পরিমাণ পান করেছেন সে পরিমাণ অর্থ সদকা করতে হবে।

৪১.পশু ক্রয় করার পর শরীক মারা গেল তখন কি করবে?

উঃ- তার ওয়ারিশ রা যদি বলে কুরবানী করেন তাহলে
করতে পারবেন, আর যদি বলে না করতে পারবেন না তাহলে টাকা দিয়ে দিতে হবে।
তবে চাইলে পরবর্তী আরেক জন শরীক করতে পারবেন।

৪২.জবাইয়ের আগে পশু বাচ্চা দিলে কি করবেন?

উঃ- ঐ বাচ্চা জীবিত সদকা করে দিতে হবে।
সদকা না করলে পশুর সাথে জবাই করতে হবে।
এখানে জবাই করা বাচ্চার গোশত সদকা করে দিতে হবে, আপনে খেতে পারবেন না।

৪৩.মৃত্যু ব্যক্তির পক্ষ থেকে কি কুরবানী করা যাবে?

উঃ- হ্যা করা যাবে, তবে উসিয়ত করে গেলে গোশত সদকা করে দিতে হবে। উছিয়ত না করলে আপনে খেতে পারবেন।

৪৪.তিন দিনের বেশি কুরবানীর গোশত রাখা যাবে?
উঃ- হ্যা রাখা যাবে যতো দিন ইচ্ছে!

৪৫.অনুমান করে বন্টন করা কি জায়েজ আছে?
উঃ- না, পূর্ণ ওজন করে ভাগ করতে হবে।

৪৬. তিনের এক অংশ গরীব কে দেওয়া, যদি সেটা না দেই তাহলে কি কুরবানী হবে? (আমরা যেটা কে সমাজের গোশত বলি)
উঃ- হ্যা হবে তবে সেটা বড় কৃপ্রনতার পরিচয়।

৪৭.গোশত চর্বি বিক্রি করা যাবে কি?
উঃ- না।

৪৮.জবাইকারী বা কসাই কে গোশত দিয়ে পারিশ্রমিক দেওয়া যাবে কি?

উঃ না টাকা দিতে হবে, তবে পরে হাদিয়া হিসেবে গোশত দিতে পারবেন আগে পারিশ্রমিক দিতে হবে।

৪৯. জবাই করার অস্র কেমন হতে হবে?
উঃ দাড়ালো উত্তম।

৫০. জবাইয়ের কত সময় পর চামড়া আলাদা করা যাবে?
উঃ- নিসতেজ হওয়ার পর পশু।

৫১.এক পশু কে অন্য পশুর সামনে জবাই করা যাবে কি?

উঃ- যাবে তবে ঠিক না নবী কারীম সাঃ নিষেধ করেছেন?

৫২.কুরবানীর গোশত অন্য র্ধমের ব্যক্তি কে দেওয়া যাবে কি ?
উঃ- হ্যা তাতে কোন সমস্যা নেই।

৫৩.পশু মারা গেলে অথবা ছিনতাই হয়ে গেলে কি করনীয়?
উঃ- ধনী হলে আরেক টা ক্রয় করবেন।
গরিব হলে লাগবে না।

৫৪.মুসাফির এর উপর কুরবানী করা কি ওয়াজিব?
উঃ না।

৫৫.কুরবানী ওয়াজিব এমন ব্যক্তির পক্ষ থেকে কুরবানী করলে কি করনীয়?

উঃ- ঐ ব্যক্তি থেকে অনুমতি নিতে হবে।

৫৬.কুরবানী গোশত খাওয়া কি?
উঃ- মুস্তাহব, না খেলেও গুনা হবে না। তবে খাওয়া উত্তম।

৫৭.কুরবানী ওয়াজিব এমন ব্যক্তি যদি ঋণ নিয়ে কুরবানী করে কুরবানী হবে কি?
উঃ হবে তবে সুদের উপর ঋণ নিয়ে করলে হবে না।

৫৮.হাজীরা যদি মুসাফির থাকে তখন তাদের উপর কুরবানী কি ওয়াজিব?
উঃ- না।

৫৯.পাগল পশু ধারা কুরবানী কি হবে?
উঃ- না।

৬০.নবী কারীম সাঃ এর পক্ষ থেকে কুরবানী করা কি?
উঃ- উত্তম সামার্থ্যবান দের জন্য।
এটার গোশত সবায় খেতে পারবে।

৬১.খাসি কৃত পশু ধারা কুরবানী করা যাবে কি?
উঃ- হ্যা

৬২.বিদেশে অবস্থানে ব্যক্তির করনীয় কি?
উঃ- উনার পক্ষ থেকে দেশে কুরবানী দিলেও হবে

৬৩.পশুর চামড়া কি নিজে ব্যবহার করা যাবে?
উঃ- হ্যা,তবে বিক্রি করলে টাকা সদকা করতে হবে।

৬৪.জবাই কারী কে পারিশ্রমিক দিতে হবে কি?
উঃ উত্তম হাদিয়া দেওয়া।

৬৫.কুরবানীর দিনে মুরগী হাঁস জবাই করা যাবে কি?
উঃ- যাবে, তবে কুরবানী নিয়তে করা যাবে না।

৬৬. জীবিত ব্যক্তির পক্ষ হতে কুরবানী করা যাবে কি?
উঃ- হ্যা যাবে।

আলহামদুলিল্লাহ এই হলো ৬৬ টি মাসায়ালা
আল্লাহ সকল কে সঠিক নিয়ম মেনে কুরবানী করার তৌফিক দান করুন আমিন।

10/12/2022

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ
সবার জন্য শুভকামনা

29/09/2022

সকলেই মাযহাবের অনুসারী

কুরআন-সুন্নাহ ও তা থেকে আহরিত সকল বিধি-বিধান মেনে চলার মধ্যেই মুসলমানদের দো’জাহানের শান্তি ও কামিয়াবী নিহিত। তবে কুরআন-সুন্নাহর কিছু বিধান সাধারণ শিক্ষিত ব্যক্তিও বুঝতে সক্ষম; আর কিছু বিধান সংক্ষিপ্ততা ও সূক্ষ্মতার কারণে সবাই বুঝতে সক্ষম নয়। আবার কিছু বিধান বাহ্যিকভাবে বিরোধপূর্ণ। সংক্ষিপ্ত, সূক্ষ্ম ও বাহ্য বিরোধপূর্ণ বিধানসমূহের ক্ষেত্রে আমাদের সামনে দু’টি পথ খোলা আছে। হয়তো নিজেদের জ্ঞান-বুদ্ধি ও বুঝ মত সমাধান বের করে সে অনুযায়ী আমল করব, অথবা উম্মাহর স্বীকৃত সর্বোত্তম যুগের ইমামগণের দেয়া সমাধান মেনে চলব। ইনসাফ ও বাস্তবতার বিচারে প্রথমটি আশঙ্কাপূর্ণ ও ভয়ানক, আর দ্বিতীয়টি সতর্কতাপূর্ণ ও নিরাপদ। এ জন্যই গোটা মুসলিম উম্মাহ হাজার বছর ধরে সর্বোত্তম যুগের সাহাবায়ে কিরাম ও তাবেঈদের ব্যাখ্যার আলোকে কুরআন-সুন্নাহ অনুসরণ করে আসছে। তাদের ব্যাখ্যা ও মতামতগুলোই আল্লাহ তা‘আলার ফয়সালায় পরবর্তীকালে চার মাযহাবের আকৃতিতে প্রকাশ পেয়েছে। যেগুলো ‘হানাফী, মালেকী, শাফেয়ী ও হাম্বলী মাযহাব’ নামে পরিচিত।
সুতরাং মাযহাব কোনো নতুন জিনিস নয়। খাইরুল কুরূনের পর থেকে সকল মুফাস্সির, মুহাদ্দিস ও ফকীহ কোনো না কোনো ইমামের ব্যাখ্যার আলোকে কুরআন-সুন্নাহ মেনে আসছেন। তাঁরা সবাই কোনো না কোনো মাযহাবের অনুসারী ছিলেন। বড় বড় কলেবরে রচিত যুগের ক্রমধারা অনুযায়ী এ যাবতকালের সকল মুফাস্সির, মুহাদ্দিস ও ফকীহগণের মাযহাব ভিত্তিক জীবনীগুলোই এর প্রমাণ। এখানে মৃত্যু-সনসহ শাস্ত্রজ্ঞ উলামায়ে কিরামের মাযহাব ভিত্তিক একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা দেয়া হলো।
কুতুবে সিত্তাহ-এর লেখকগণ যে মাযহাবের অনুসারী ছিলেনঃ
১. ইমাম বুখারী রহ. এর মৃত্যু ২৫৬ হি., মাযহাব শাফেয়ী, কিতাব সহীহ বুখারী।
২. ইমাম মুসলিম রহ. এর মৃত্যু ২৬১ হি., মাযহাব শাফেয়ী, কিতাব সহীহ মুসলিম।
৩. ইমাম আবূ দাউদ রহ. এর মৃত্যু ২৭৫ হি., মাযহাব হাম্বলী, কিতাব সুনানে আবূ দাউদ।
৪. ইমাম নাসায়ী রহ. এর মৃত্যু ৩০৩ হি., মাযহাব হাম্বলী, কিতাব সুনানে নাসায়ী।
৫. ইমাম তিরমিযী রহ. এর মৃত্যু ২৭৯ হি., মাযহাব শাফেয়ী, কিতাব জামে’ তিরমিযী।
৬. ইমাম ইবনে মাজাহ রহ. এর মৃত্যু ২৭৫ হি., মাযহাব শাফেয়ী, কিতাব সুনানে ইবনে মাজাহ।
হানাফী মাযহাবের প্রসিদ্ধ মুফাস্সিরগণ এবং তাদের লিখিত কিতাবসমূহঃ
১. আবূ বকর আহমদ বিন আলী আল জাস্সাস রহ. মৃত্যু ৩৭০ হি. কিতাবের নাম আহকামুল কুরআন।
২. নসর ইবনে মুহাম্মাদ রহ. মৃত্যু ৩৭৩ হি. কিতাবের নাম তাফসীরে সমরকন্দী।
৩. আব্দুল্লাহ ইবনে আহমদ রহ. মৃত্যু ৭০১ হি. কিতাবের নাম তাফসীরে নাসাফী।
৪. মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মুস্তফা রহ. মৃত্যু ৯৫২ হি. কিতাবের নাম তাফসীরে আবিস সাঊদ।
৫. কাজী সানাউল্লাহ পানিপথী রহ. মৃত্যু ১২২৫ হি. কিতাবের নাম তাফসীরে মাযহারী।
৬. ইসমাঈল হক্কী রহ. মৃত্যু ১১২৭ হি. কিতাবের নাম রুহুল বয়ান।
৭. শিহাবুদ্দীন মাহমূদ আলূসী রহ. মৃত্যু ১২০৭ হি. কিতাবের নাম রুহুল মাআনী।
৮. আশরাফ আলী থানবী রহ. মৃত্যু ১৩৬২ হি. কিতাবের নাম বয়ানুল কুরআন।
৯. মুফতী মুহাম্মাদ শফী রহ. মৃত্যু ১৩৯৬ হি. কিতাবের নাম মাআরিফুল কুরআন।
১০. মাওলানা ইদরীস কান্ধলভী রহ. মৃত্যু ১৩৯৪ হি. কিতাবের নাম মাআরিফুল কুরআন।
মালেকী মাযহাবের প্রসিদ্ধ মুফাস্সিরগণ এবং তাদের লিখিত কিতাবসমূহঃ
১. মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ আন্দালূসী রহ. মৃত্যু ৫৪৩ হি. কিতাবের নাম আহকামুল কুরআন।
২. আব্দুল হক ইবনে গালেব রহ. মৃত্যু ৫৪৬ হি. কিতাবের নাম তাফসীরে ইবনে আতিয়্যাহ।
৩. আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ আস সাআলাবী রহ. মৃত্যু ৮৭৬ হি. কিতাবের নাম আল জাওয়াহিরুল হিসান।
৪. মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ আল কুরতুবী রহ. মৃত্যু ৬৭১ হি. কিতাবের নাম তাফসীরে কুরতুবী।
৫. মুহাম্মাদ ইবনে ইউসুফ আন্দালূসী রহ. মৃত্যু ৭৪৫ হি. কিতাবের নাম আল বাহরুল মুহীত্ব।
৬. আবুল আব্বাস শিহাবুদ্দীন রহ. মৃত্যু ৭৫৪ হি. কিতাবের নাম আদ দুররুল মাসনুন।
৭. ইবনু উরফাহ রহ. মৃত্যু ৮০৩ হি. কিতাবের নাম তাফসীরে ইবনে উরফাহ।
শাফেয়ী মাযহাবের প্রসিদ্ধ মুফাস্সিরগণ এবং তাদের লিখিত কিতাবসমূহঃ
১. আলী ইবনে মুহাম্মাদ আত-ত্ববারী রহ. মৃত্যু ৩১০ হি. কিতাবের নাম তাফসীরে ত্ববারী।
২. হুসাইন ইবনে মাসঊদ আল বাগাবী রহ. মৃত্যু ৫১৬ হি. কিতাবের নাম তাফসীরে বাগাবী।
৩. মুহাম্মাদ ইবনে উমর আর রাযী রহ. মৃত্যু ৬০৬ হি. কিতাবের নাম তাফসীরে কাবীর।
৪. আব্দুল্লাহ ইবনে বাইযাবী রহ. মৃত্যু ৬৮৫ হি. কিতাবের নাম তাফসীরে বাইযাবী।
৫. আব্দুল্লাহ ইবনে খাযেন রহ. মৃত্যু ৭৪১ হি. কিতাবের নাম তাফসীরে খাযেন।
৬. ইসমাঈল ইবনে আমর দিমাশকী রহ. মৃত্যু ৭৭৪ হি. কিতাবের নাম তাফসীরে ইবনে কাসীর।
৭. জালালুদ্দীন মুহাল্লী রহ. মৃত্যু ৮৬৪ হি. কিতাবের নাম তাফসীরে জালালাইন।
৮. জালালুদ্দীন সুয়ূতী রহ. মৃত্যু ৯১১ হি. কিতাবের নাম তাফসীরে জালালাইন।
৯. মুহাম্মাদ ইবনে আহমদ শিরবীনী রহ. মৃত্যু ৯৭৭ হি. কিতাবের নাম তাফসীরে খতীব।
হাম্বলী মাযহাবের প্রসিদ্ধ মুফাস্সিরগণ এবং তাদের লিখিত কিতাবসমূহঃ
১. ইবনে আদেল আবী হাফস রহ. মৃত্যু ৮৮০ হি. কিতাবের নাম তাফসীরে লুবাব।
২. ইবনে রজব রহ. মৃত্যু ৭৯৫ হি. কিতাবের নাম তাহকীকু তাফসীরিল ফাতেহা।
৩. ইবনুল কায়্যিম আল জাওযিয়া রহ. মৃত্যু ৭৫১ হি. কিতাবের নাম আত তাফসীরুল কায়্যিম।
হানাফী মাযহাবের প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিসগণ এবং তাদের লিখিত কিতাবসমূহঃ
১. ইমাম আবূ ইউসুফ রহ. মৃত্যু ১৮২ হি. কিতাবের নাম কিতাবুল আসার।
২. ইমাম মুহাম্মাদ রহ. মৃত্যু ১৮৯ হি. কিতাবের নাম মুয়াত্তা।
৩. ইমাম ত্বহাবী রহ. মৃত্যু ৩১১ হি. কিতাবের নাম ত্বহাবী শরীফ।
৪. আব্দুল্লাহ ইবনে মুবারক রহ. মৃত্যু ১৮১ হি. কিতাবের নাম কিতাবুল জিহাদ।
৫. আবূ ইয়া’লা আল মূসিলী রহ. মৃত্যু ৩০৭ হি. কিতাবের নাম মুসনাদে আবূ ইয়া’লা।
৬. আলাউদ্দীন মুগলতায়ী রহ. মৃত্যু ৭৬২ হি. কিতাবের নাম ইকমালু তাহযীবিল কামাল।
৭. আলাউদ্দীন ইবনুত তুরকুমানী রহ. মৃত্যু ৭৪৫ হি. কিতাবের নাম আল জাওহারুননাকী।
৮. বদরুদ্দীন আল আইনী রহ. মৃত্যু ৮৫৫ হি. কিতাবের নাম উমদাতুল ক্বারী।
৯. মুল্লা আলী কারী রহ. মৃত্যু ১০১৪ হি. কিতাবের নাম মিরক্বাত।
১০. ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন রহ. মৃত্যু ২৩৩ হি. কিতাবের নাম তারীখে ইবনে মাঈন।
১১. ইউসুফ যাইলাঈ রহ. মৃত্যু ৭৬২ হি. কিতাবের নাম নাসবুর রায়া।
মালেকী মাযহাবের প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিসগণ এবং তাদের লিখিত কিতাবসমূহঃ
১. ইবনে আব্দিল বার মালেকী রহ. মৃত্যু ৪৬৩ হি. কিতাবের নাম আত তামহীদ।
২. আবূ বকর ইবনুল আরাবী রহ. মৃত্যু ৫৪৩ হি. কিতাবের নাম আরিযাতুল আহওয়াযি।
৩. আবূ আব্দিল্লাহ আয যুরকানী রহ. মৃত্যু ১১২২ হি. কিতাবের নাম শরহুয যুরকানী।
শাফেয়ী মাযহাবের প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিসগণ এবং তাদের লিখিত কিতাবসমূহঃ
১. ইবনে হিব্বান রহ. মৃত্যু ৩৫৪ হি. কিতাবের নাম সহীহ ইবনে হিব্বান।
২. ইবনে খুযাইমা রহ. মৃত্যু ৩১১ হি. কিতাবের নাম সহীহ ইবনে খুযাইমা।
৩. আবূ দাউদ আত ত্বয়ালিসী রহ. মৃত্যু ২০৪ হি. কিতাবের নাম মুসনাদে ত্বয়ালিসী।
৪. আলী ইবনে উমর আদ দারাকুতনী রহ. মৃত্যু ৩৮৫ হি. কিতাবের নাম সুনানে দারাকুতনী।
৫. আবূ বকর আল বাএটাকী রহ. মৃত্যু ৪৫৮ হি. কিতাবের নাম সুনানে বাএটাকী।
৬. হাকেম আবূ আব্দিল্লাহ রহ. মৃত্যু ৪০৫ হি. কিতাবের নাম মুসতাদরাকে হাকেম।
৭. ইবনুল আসীর রহ. মৃত্যু ৬০৬ হি. কিতাবের নাম আল কামেল ফিত তারীখ।
৮. মুহিউদ্দীন আন নববী রহ. মৃত্যু ৬৭৬ হি. কিতাবের নাম রিয়াযুস সালিহীন।
১০. আবুল হাজ্জাজ আল মিযযী রহ. মৃত্যু ৭৪২ হি. কিতাবের নাম তাহযীবুল কামাল।
১০. শামসুদ্দীন আয যাহাবী রহ. মৃত্যু ৭৪৮ হি. কিতাবের নাম তাযকিরাতুল হুফফায।
১১. হাফেয ইবনে হাজার রহ. মৃত্যু ৮৫২ হি. কিতাবের নাম ফাতহুল বারী।
১২. হাফেয শাসুদ্দীন আস সাখাবী রহ. মৃত্যু ৯০২ হি. কিতাবের নাম ফাতহুল মুগীছ।
১৩. ইবনে আসাকির রহ. মৃত্যু ৫৭১ হি. কিতাবের নাম তারীখে দিমাশক।
১৪. আবূ বকর আল বাগদাদী (খতীব) রহ. মৃত্যু ৪৬৩ হি. কিতাবের নাম তারীখে বাগদাদ।
হাম্বলী মাযহাবের প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিসগণ এবং তাদের লিখিত কিতাবসমূহঃ
১. আবূ আব্দির রহমান আদ দারেমী রহ. মৃত্যু ২৫৫ হি. কিতাবের নাম সুনানে দারেমী।
২. ইবনু রজব রহ. মৃত্যু ৭৯৫ হি. কিতাবের নাম শরহু ইলালিত তিরমিযী।
হানাফী মাযহাবের প্রসিদ্ধ ফকীহগণ এবং তাদের লিখিত কিতাবসমূহঃ
১. আবূ বকর আস সারাখসী রহ. মৃত্যু ৪৯০ হি. কিতাবের নাম আল মাবসূত।
২. আবুল হাসান কুদূরী রহ. মৃত্যু ৪২৮ হি. কিতাবের নাম মুখতাসারুল কুদূরী।
৩. কামাল ইবনুল হুমাম রহ. মৃত্যু ৮৬১ হি. কিতাবের নাম ফাতহুল ক্বাদীর।
৪. ইবনে নুজাইম রহ. মৃত্যু ৯৭০ হি. কিতাবের নাম আল বাহরুর রাইক্ব।
৫. আলাউদ্দীন আল কাসানী রহ. মৃত্যু ৫৮৭ হি. কিতাবের নাম বাদাইউস্ সানায়ে।
৬. ইবনে আবেদীন রহ. মৃত্যু ১২৫২ হি. কিতাবের নাম ফাতাওয়ায়ে শামী।
৭. আব্দুর রহমান ইবনে মুহাম্মাদ শাইখী যাদাহ রহ. মৃত্যু ১০৭৮ হি. কিতাবের নাম মাজমাউল আনহুর।
৮. আলাউদ্দীন আল হাসকাফী রহ. মৃত্যু ১০৮৮ হি. কিতাবের নাম আদ্ দুররুল মুখতার।
মালেকী মাযহাবের প্রসিদ্ধ ফকীহগণ এবং তাদের লিখিত কিতাবসমূহঃ
১. শিহাবুদ্দীন আল কারাফী রহ. মৃত্যু ৬৮৪ হি. কিতাবের নাম আল ইহকাম।
২. ইবনে রুশদ রহ. মৃত্যু ৫৯৫ হি. কিতাবের নাম বিদায়াতুল মুজতাহিদ।
৩. মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান আর রুআইনী রহ. মৃত্যু ৯৫৪ হি. কিতাবের নাম মাওয়াহিবুল জালীল।
৪. খলীল ইবনে ইসহাক আল জুনদী রহ. মৃত্যু ৭৬৭ হি. কিতাবের নাম মুখতাসারুল আলামাহ।
৫. ইবনুল হাজ্জ রহ. মৃত্যু ৭৩৭ হি. কিতাবের নাম আল মাদখাল।
৬. মুহাম্মাদ আদ দুসূকী রহ. মৃত্যু ১২৩০ হি. কিতাবের নাম হাশিয়াতুদ দুসূকী।
শাফেয়ী মাযহাবের প্রসিদ্ধ ফকীহগণ এবং তাদের লিখিত কিতাবসমূহঃ
১. আবূ ইসহাক আশ শিরাজী রহ. মৃত্যু ৪৭৬ হি. কিতাবের নাম আত্ তাবসিরাহ।
২. আবুল হাসান আল মাওয়ারদী রহ. মৃত্যু ৪৫০ হি. কিতাবের নাম আল হাবিউল কাবীর।
৩. ইবনুল মুলাক্কিন রহ. মৃত্যু ৮০৪ হি. কিতাবের নাম আল বদরুল মুনীর।
৪. ইমাম গাজালী রহ. মৃত্যু ৫০৫ হি. কিতাবের নাম আল ওয়াসীত ফিল মাযহাব।
৫. ইমামুল হারামাইন আব্দুল মালেক রহ. মৃত্যু ৪৭৮ হি. কিতাবের নাম আল বুরহান ফী উসূলিল ফিকহ।
৬. শামসুদ্দীন আর রমলী রহ. মৃত্যু ১০০৪ হি. কিতাবের নাম নিহায়াতুল মুহতাজ।
হাম্বলী মাযহাবের প্রসিদ্ধ ফকীহগণ এবং তাদের লিখিত কিতাবসমূহঃ
১. ইবনে কুদামা রহ. মৃত্যু ৬২০ হি. কিতাবের নাম আল মুগনী।
২. ইবনে মুফলিহ রহ. মৃত্যু ৭৬৩ হি. কিতাবের নাম আল আদাবুশ শারইয়্যাহ।
৩. আব্দুর রহমান বিন ইবরাহীম আল মাকদেসী রহ. মৃত্যু ৬২৪ হি. কিতাবের নাম আল-উদ্দাহ শারহুল উমদাহ।
৪. ইবরাহীম ইবনে মুহাম্মাদ রহ. মৃত্যু ১৩৫৩ হি. কিতাবের নাম মানারুস সাবীল।
৫. ইবনে কুতাইবা রহ. মৃত্যু ১০৩৩ হি. কিতাবের নাম তাবীলু মুখতালিফুল হাদীস।
৬. ইবনে তাইমিয়াহ রহ. মৃত্যু ৭২৮ হি. কিতাবের নাম মিনহাজুস সুন্নাহ।
মুসলিম উম্মাহর এ সকল প্রসিদ্ধ মুফাস্সির, মুহাদ্দিস ও ফকীহগণের মাধ্যমেই আমরা লাভ করেছি তাফসীর, উসূলে তাফসীর, হাদীস, উসূলে হাদীস, ফিকহ, উসূলে ফিকহসহ সকল প্রকার ইলমের ভান্ডার। তাদের কাছে উম্মত সর্বোতভাবে ঋণী এবং যাদের ইলম থেকে এক মুহূর্তের জন্য বিমুখ হওয়ার কল্পনা করাও উম্মতের জন্য অসম্ভব। বলা বাহুল্য, তাঁরা সকলেই ছিলেন কোনো না কোনো মাযহাবের অনুসারী। এখন এ সকল ব্যক্তিবর্গ যদি শুধুমাত্র মাযহাব মানার কারণে কিছু লা-মাযহাবী বন্ধুর দাবি অনুযায়ী মুশরিক হয়ে থাকেন; তাহলে তারা কীভাবে এ সকল মুশরিকদের (নাউযুবিল্লাহ) কিতাব থেকে তাফসীর, হাদীস ও ফিকহসহ অন্যান্য ইলম গ্রহণ করছেন? আসলে ‘মাযহাব মানলে মুশরিক হয়ে যায়’ এ কথার কোনো ভিত্তি নেই। বরং খাইরুল কুরূন থেকে এ যাবতকাল মুসলিম উম্মাহ কোনো না কোনো মাযহাবের অনুসরণ করে আসছে।
অতএব যারা কয়েকটি হাদীসের অনুবাদ পড়েই মুজতাহিদ-ইমাম বনে যাচ্ছেন, তাদেরকে তাদেরই একজন ইমাম মাওলানা মুহাম্মাদ হুসাইন বাটালবীর বিশ বছরের অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়া ভাল মনে হচ্ছে। তিনি তার ‘ইশাআতুস সুন্নাহ’তে বলেছেন, ‘আমার বিশ বছরের অভিজ্ঞতা হলো যে ব্যক্তি ইলম ছাড়া স্বাধীন মুজতাহিদ বনে যায়, অর্থাৎ মাযহাব ত্যাগ করে; শেষ পর্যন্ত সে দীন থেকেই বের হয়ে যায়।’
আল্লাহ তা‘আলা আমাদের সবাইকে সিরাতে মুস্তাকীমের উপর চলার ও অটল থাকার তাউফীক দান করুন। আমীন, ইয়া রব্বাল আলামীন।

Photos from ‎مدرسة دار العلوم حميوس السنة বটতলা দারুল উলূম হামিউচ্ছুন্নাহ মাদরাসা‎'s post 22/09/2022

বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশের মুখ উজ্জল করে বাংলাদেশের বিশ্বজয়
#আলহামদুলিল্লাহ্ । অভিনন্দন ও লাল গোলাপ 🌹🌹🌹 শুভেচ্ছা।
সৌদি আরবে ৪২ তম আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় (পবিত্র মক্কায় অনুষ্ঠিত) বিশ্বের ১১১টি দেশের প্রতিযোগির সাথে লড়াই করে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করলো #হাফেজ_সালেহ_আহমদ_তাকরীম।

গোটা বিশ্বের ১১১ টি দেশের মধ্যে হতে
৩য় স্থান অর্জন করায় তার জন্য দোয়া ও ভালবাসা রইল। আল্লাহ তায়ালা তাকে যেন দ্বীনের দায়ী হিসেবে কবুল করেন, আমীন।

10/09/2022
09/09/2022

আলহামদুলিল্লাহ পরীক্ষার ছুটির পর পূনরায় ছাত্র উস্তাদ সকলকে মাদ্রাসায় ফিরে আসার তৌফিক দিয়েছেন।

31/08/2022

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ
৩১/০৮/২০২২ইং আজ আমাদের প্রতিষ্ঠান কেমন যেন ফাঁকা ফাঁকা লাগছে 🥲সবার নিকট দোয়ার আবেদন 🥲মনটা ভালো নেই 🥲

Want your school to be the top-listed School/college in Jamalpur Sadar Upazila?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address


Jamalpur Sadar Upazila