Department Of English.Ishurdi Government College.

Department Of English.Ishurdi Government College.

Comments

Iswardi gvt: clg a Hon's 1st year ki class hocse kew janle bolben plz.......
Life is Beautiful
রক্সটন সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেড এর মধ্যে একটি এখন # কল_সেন্টার_এজেন্টস নিয়োগ করছে
- পুরুষ ও মহিলা,‌এছাড়াও আমরা.বাংলাদেশের সেরা পরিষেবা সংস্থা। আমরা আপনাকে সুরক্ষা গার্ড পরিষেবা, অফিস পরিচালন পরিষেবা এবং আরও আরও পরিষেবা সরবরাহ করি
- আপনি যদি আগ্রহী হন তবে দয়া করে আমাকে ইনবক্সে মেসেজ করুন,web:
I Thing so ,, my hobby administration from ishurdi college
vai chemister exam na dile ki kichu hobe
Ishurdi gov collage a english departmant ar 1st year ar student id diyasa ki????
Kau janle bollan plz!!!
★★★ ২০০ টি ইংরেজি শব্দার্থ

1. the = টি/ ঐ
2. be = হওয়া
3. of = হতে/ এর
4. and = এবং
5. a = একটি
6. to = দিকে/ প্রতি
7. in = ভিতরে
8. he = সে
9. have = আছে / পাওয়া
10. it = ইহা
11. that = ঐ/ তাহা/যাহা
12. for = জন্য
13. they = তারা
14 I = আমি
15. with = সাথে
16. as = যেহেতু/ মতো
17. not = না
18. on = উপরে
19. she = তিনি/ সে ( মহিলা)
20. at = তে / নিকটে
21. by = দ্বারা/ দিয়ে
22. this = এই বা এটি
23. we = আমরা
24. you = তুমি/ আপনি
25. do = করা
26. but = কিন্তু
27. from = হতে
28. or = অথবা
29. which = যা / কে
30. one = এক
31. would = will এর past
32. all = সব, সকল
33. will = ইচ্ছা বা ভবিষ্যৎ
34. there = সেখানে
35. say = বলা
36. who = কে বা করা
37. make = তৈরি করা
38. when = কখন বা যখন
39. can = পারা
40. more = আরো
41. if = যদি
42. no = না
43. man = মানুষ
44. out = দূরে বা বাইরে
45. other = অপর বা অন্য
46. so = সুতরাং
47. what = কি
48. time = সময়
49. up = উপরে
50. go = যাওয়া
51. about = সম্পর্কে
52. than = এটি তুলনাবোধক শব্দ
53. into = ভিতরে
54. could = পারতো
55. state = রাজ্য বা অবস্থা
56. only = কেবলমাত্র
57. new = নতুন
58. year = বছর
59. some = কিছু
60. take = গ্রহণ করা
61. come = আসা
62. these = এই সকল
63. know = জানা
64. see = দেখা
65. use = ব্যবহার করা
66. get = পাওয়া
67. like = মত বা পছন্দ করা
68. then = তখন
69. first = প্রথম
70. any = যে কোন
71. work = কাজ
72. now = এখন
73. may = পারা/ মে মাস
74. such = এরূপ
75. give = দেয়া
76. over = ওপরে
77. think = ভাবা
78. most = অধিকাংশ
79. even = এমনকি/ সমতল/ জোড়
80. find = দেখতে পাওয়া
81. day = দিন
82. also = আরও বা সেইরূপ
83. after = পরে
84. way = রাস্তা / উপায়
85. many = অনেক
86. must = অবশ্যই
87. look = তাকানে
88. before = পূর্বে
89. great = মহান
90. back = পিঠ/ পিছন
91. through = মধ্যদিয়ে
92. long = লম্বা
93. where = কোথায়
94. much = প্রচুর
95. should = উচিৎ
96. well = ভাল
97. people = জনগণ
98. down = নিচের দিকে
99. own = নিজের
100. just = ঠিক
101. because = কারণ
102. good = ভাল
103. each = প্রত্যেক
104. those = ঐ সকল
105. feel = অনুভব করা
106. seem = বোধ হওয়া বা মনে হওয়া
107. how = কেমন করে/ কিভাবে
108. high = উঁচু
109. too = আরও
110. place = জায়গা
111. little = ছোট বা অল্প
112. world = বিশ্ব
113. very = খুব
114. still = এখনও/ তবু
115. nation = জাতি
116. hand = হাত
117. old = পুরনো
118. life = জীবন
119. tell = বলা
120. write = লেখা
121. become = হওয়া বা হয়ে ওঠা
122. here = এখানে
123. show = দেখানো
124. house = বাড়ি ঘর
125. both = উভয়
126. between = দুয়ের মধ্যে
127. need = প্রয়োজন
128. mean = বুঝানো, নিচু মনের
129. call = ডাকা
130. develop = বেড়ে ওঠা/ উন্নতি করা
131. under = নিচে/ অধীনে
132. last = সর্বশেষ
133. right = সঠিক বা সোজা
134. move = নড়া বা চলা
135. thing = পদার্থ/বস্তু
136. general = সামরিক কর্মকর্তা
137. school = বিদ্যালয়
138. never = কখনও নয়
139. same = একই
140. another = অন্য
141. begin = শুরু করা
142. while = যখন/যতক্ষণ
143. number = সংখ্যা
144. part = অংশ
145. turn = ফিরানো / ঘুরানো
146. real = আসল
147. leave = ছুটি
148. might = ক্ষমতা
149. want = চাওয়া / অভাব
150. point = বিন্দু, বিষয়
151. form = আকার/গঠন
152. off = বিচ্ছিন্ন
153. child = শিশু
154. few = অল্প
155. small = ছোট
156. since = অতঃপর / তখন থেকে
157. against = বিরুদ্ধে
158. ask = প্রশ্ন করা
159. late = দেরী
160. home = বাড়ী
161. interest = আকর্ষণ / সুদ
162. large = বড়
163. person = ব্যক্তি
164. end = শেষ
165. open = খোলা/ উন্মুক্ত
166. public = জনসাধারণ
167. follow = অনুসরণ করা
168. during = ব্যপিয়া/ ধরিয়া
169. present = বর্তমান/ উপস্থিতি
170. without = ছাড়া
171. again = আবার
172. hold = ধারণ
173. govern = শাসন করা
174. around = চারদিকে
175. possible = সম্ভব
176. head = মাথা / প্রধান
177. consider = বিবেচনা করা
178. word = শব্দ/ কথা
179. program = অনুষ্ঠান/কর্মসূচী
180. problem = সমস্যা
181. however = যাহোক
182. lead = পরিচালনা করা
183. system = পদ্ধতি
184. set = স্থাপন
185. order = আদেশ বা বিন্যাস
186 eye = চোখ
187. plan = পরিকল্পনা
188. run = দৌঁড়ানো
189. keep = রক্ষণ
190. face = মুখমন্ডল
191. fact = আসল ঘটনা
192. group = দল
193. play = খেলা করা
194. stand = দাঁড়ানো
195. increase = বর্ধিত করা
196. early = শীঘ্র
197. course = গতিপথ/দিক
198. change = পরিবর্তন
199. help = সাহায্য
200. line = রেখা!

collected
কারো কাছে English Department এর class routine থাকলে দিবেন ।
সাবাস ঈশ্বরদীর স্টুডেন্ট। আন্দোলন হবে জোরছে

English Department IGC
Page id coad no@+[1611654662405199:]

Operating as usual

17/07/2023

চতুর্থবর্ষ পরিবর্তন কৃত রুটিন ২০২১

Photos from Department Of English.Ishurdi Government College.'s post 12/07/2023

4th Year Previous Year Brief- 2013-2020)

Photos from Department Of English.Ishurdi Government College.'s post 11/07/2023

20th Century Novels Hand note.

09/07/2023

Waiting for Godot - Samuel Beckett – Character analysis and Summary in Bengali
Waiting for Godot - Samuel Beckett – Character analysis and Summary in Bengali

ভ্লাদিমির ও এস্ত্রাগন (Vladimir and Estragon) নামক দুইজন মানুষ একটি গাছের নিচে দেখা করে। তারা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে এবং তাদের কথা থেকে বুঝা যায় তারা একজন মানুষের জন্যে অপেক্ষা করছে যার নাম গোডো (Godot)। তারা যখন সেখানে অপেক্ষা করছিল সেখানে আরো দুইজন মানুষ এসে উপস্থিত হয়। তারা হচ্ছে পোজো (Pozzo) ও তার দাশ লাকি (Lucky)। পজো লাকিকে বাজারে বিক্রির জন্যে নিয়ে যাচ্ছিল। ভ্লাদিমির ও এস্ত্রাগন এর সাথে কথা বলার জন্যে পজো কিছুক্ষণ থামল। লাকি নেচে ও চিন্তা করে তাদের আনন্দ-বিনোদন প্রদান করল।
লাকি আর পজো চলে গেলে সেখানে একটি বালক আসল এবং সে জানালো সে হচ্ছে গোডো এর বার্তাবাহক। সে তাদেরকে জানালো গোডো আজ আর আসবে না বরং আগামীকাল অবশ্যই আসবে। ভ্লাদিমির বালকটিকে গোডো সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন করল। বালকটি চলে গেলো। ভ্লাদিমির ও এস্ত্রাগন চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে নাটকের কারটেইন নেমে গেলো কিন্তু তারা সেখান থেকে সরল না।
পরের দিন রাতে ভ্লাদিমির ও এস্ত্রাগন আবার গোডো নামক ব্যক্তির জন্যে অপেক্ষা করতে সেখানে দেখা করল। লাকি এবং পোজো আবার হাজির হল। এবার লাকিকে দেখা গেল অন্ধ ও পোজো ছিল বোবা। এই রাতের আগে যে তাদের সাথে পোজোর দেখা হয়েছিল, তা সে মনেই করতে পারল না। তারা চলে গেলো এবং ভ্লাদিমির ও এস্ত্রাগন আবার গোডোর জন্যে অপেক্ষা করা শুরু করল।
এর পর সেই বার্তাবাহক্ম বালকটি আবার উপস্থিত হল এবং ভ্লাদিমিরকে জানালো গোডো আসবে না। সে জেদ করে বলল ভ্লাদিমিরের সাথে আগেরদিন তার কোন কথাই হয়নি। সে চলে গেলে ভ্লাদিমির ও এস্ত্রাগনও ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল। নাটকের কারটেইন নেমে গেলেও তাদেরকে সেখানেই স্থির হয়ে থাকতে দেখা গেলো।

চরিত্র পরিচিতিঃ
ভ্লাদিমিরঃ নাটকের প্রধান দুই চরিত্রের একটি। এস্ত্রাগন তাঁকে ডিডি নামে ডাকে এবং বার্তাবাহক বালকটি তাঁকে জনাব আলবার্ট নামে ডাকে। প্রধান দুটি চরিত্রের মাঝে তাঁকে বেশি দায়িত্বশীল ও পরিণত চিন্তার অধিকারী বলে মনে হয়।
এস্ত্রাগনঃ দ্বিতীয় প্রধান চরিত্র এবং ভ্লাদিমির তাঁকে গোগো নামে ডাকে। তাঁকে দূর্বল ও অসহায় মনে হয় এবং সবসময় সে ভ্লাদিমিরের আশ্রয়প্রার্থী ছিল। তার স্মৃতিশক্তিও খুব দূর্বল ছিল। নাটকের ২য় অঙ্কে ভ্লাদিমির তাঁকে আগের রাতের ঘটনা মনে করিয়ে দেয়।
পোজোঃ সে নাটকে দুই রকম ভাবে উপস্থিত হয়। ১ম অঙ্কে স্বাভাবিক ভাবে উপস্থিত হলেও ২য় অঙ্কে তাঁকে অন্ধ হিসেবে দেখা যায় এবং ভ্লাদিমিরের সাথে আগের রাতে দেখা হওয়ার ঘটনা মনে করতে পারে না।
লাকিঃ সে ছিল পোজোর দাস ও সব সময় পোজোর ব্যাগ ও চেয়ার বহন করত। ১ম অঙ্কে সে নাচ ও চিন্তার মাধ্যমে তাদের বিনোদন দান করে। পরের অঙ্কে সে ছিল বোবা।
বালকঃ নাটকের দুইটি অঙ্কের শেষেই সে উপস্থিত হয় ও তাদেরকে জানায় গোডো আজ রাতে আর আসবে না বরং আগামীকাল আসবে। ২য় অঙ্কে ভ্লাদিমিরের কাছে আগের রাতে তার সেখানে উপস্থিত হওয়ার ঘটনা অস্বীকার করে।
গোডোঃ নাটকের একজন অদৃশ্য চরিত্র। যার জন্যে ভ্লাদিমির ও এস্ত্রাগন অন্তহীনভাবে অপেক্ষা করছিল। বেশিরভাগ সমালোচকরাই মনে করে নাস্তিক লেখক এই নাম দিয়ে ঈশ্বরকে বুঝিয়েছেন।

09/07/2023

The Importance of Being Earnest – Oscar Wilde – Summary in Bangla
কাহিনী সংক্ষেপ
জ্যাক ওয়ার্থিং (John (Jack/Ernest) Worthing, J.P) বারবার লন্ডনে আসা যাওয়া করত এবং প্রায়শঃই তার বন্ধু এ্যালগারনন মনক্রিয়েফ (Algernon Moncrieff) এর সাথে তার (এ্যালগারনন এর) হাফ মুন স্ট্রিট এর ফ্ল্যাট এ দেখা করত। ঠিক এ ধরনের একটি ঘটনা দিয়ে এ নাটক শুরু হয়। জ্যাক এর এবারের লন্ডল ভ্রমণ কেবলমাত্র আনন্দ পাবার উদ্দেশ্যে নয়, বরং এবারের ভ্রমণের উদ্দেশ্য ছিল আরো গভীর। এ্যালগারনন তার বন্ধুকে চিনে মিস্টার আর্নেস্ট ওয়ার্থিং রূপে। সে জ্যাককে জানায় যে কিছুক্ষণ পরেই তার খালা লেডী ব্র্যাকনেল (Lady Bracknell) এবং তার কন্যা গোয়েনডোলেন সেখানে চা খেতে আসবে। এ সংবাদ পেয়ে জ্যাক অত্যন্ত আনন্দিত হয়। এসময় এ্যালগারনন তাকে জানায় যে তার খালা তার আবাসস্থলে ঐ সময়ে জ্যাক এর উপস্থিতি পছন্দ করবে। না কারণ জ্যাক এর সাথে তার কন্যা গোয়েনডোলেন (Gwendolen Fairfax) এর সস্তা প্রণয়ের কাহিনী এখানে সেখানে শোনা যাচ্ছিল। তাই জ্যাক দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে যে এবার তার লন্ডনে আসার কারণ হলো গোয়েডোলেন এর কাছে বিয়ের প্রস্তাব রাখা। একথা শুনে এ্যালগারনন জ্যাককে ঠাট্টা করে। নিরুৎসাহিত করে। সে বলে যে সে তার ব্যক্তিগত সম্মতি দিতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত সেসিলির সাথে জ্যাক এর সম্পর্কের রহস্য তার কাছে উন্মোচিত না হবে। এ্যালগারনন জ্যাককে জানায় যে ‘সেসিলি’ (Cecily Cardew) নামটি সে জানতে পেরেছে জ্যাক এর সিগারেট বক্স-এ খোদাই করা লেখা থেকে। এ্যালগারনন আরো জানতে আগ্রহী যে ঐ সিগারেট বক্স এ আর্নেস্ট এর নাম ‘জ্যাক’ লেখা আছে কেন। প্রথমে সেসিলির ব্যাপারে কথা বলতে জ্যাক মোটেই আগ্রহী ছিল না, কিন্তু এ্যালগারনন এর একটার পর একটা প্রশ্নের সম্মুখে সে জানায় যে সেসিলি মৃত মিস্টার টমাস কারডিউ-র (Thomas Cardew) নাতনি। জ্যাক যখন ছোটো ছিল তখন মিস্টার কারডিউ তাকে দত্তক নিয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে তাঁর উইল এ জ্যাককে সেসিলির অভিভাবক হিসাবে নিযুক্ত করেছিলেন। এ্যালগারনন এর কাছে জ্যাক স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিল যে তার দুটি নাম আছে - জ্যাক এবং আর্নেস্ট। সে আর্নেস্ট নামে তার একটি ছোটো ভাই-এর চরিত্র সৃষ্টি করেছিল, যার মাধ্যমে সে কোনোরকম সন্দেহের উদ্রেক না করে আনন্দ পাবার জন্য লন্ডনে আসা যাওয়া করতে পারত। দেশের (গ্রামের বাড়ির লোকেরা আর্নেস্টকে চিনত জ্যাক এর ছোটো ভাই হিসাবে, কোনো কাজেই যার কোনোরকম পারদর্শিতা ছিল না। এ কথা জানতে পেরে এ্যালগারনন মন্তব্য করে যে জ্যাক তারই মতো একজন ‘বানবারী নির্মাতা’। এ্যালগারননও বানবারী নামক একটি কাল্পনিক চরিত্র সৃষ্টি করেছে যাকে ব্যবহার করে সে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াত কেবল বিনোদনের উদ্দেশ্যে। জ্যাক এ্যালগারননকে জানায় যে অতি শীঘ্রই সে আর্নেস্ট চরিত্রটির সমাপ্তি সৃষ্টি করবে, কারণ দিন যত গড়িয়ে যাচ্ছে, সেসিলি তত গভীরভাবে তার (আর্নেস্ট এর) প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ছে, যদিও আর্নেস্ট চরিত্রটি সৃষ্টি করা হয়েছে নানারকম অবাঞ্ছনীয় চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এবং দুর্নাম জড়িয়ে। এবার লেডী ব্র্যাকনেল সগৌরবে তার কন্যা গোয়েনডোলেনকে নিয়ে দৃশ্যে আগমন করেন। এসময় এ্যালগারনন সুকৌশলে জ্যাককে তার গোয়েনডোলেনের সাথে খুব সংক্ষিপ্ত সময় এর জন্যে দেখা করার সুযোগ করে দেয়। প্রাথমিক লজ্জা কাটিয়ে উঠে শীঘ্রই জ্যাক গোয়েনডোলেনকে তার গভীর ভালোবাসার কথা জানায়। বিনিময়ে গোয়েনডোলেনও একই কথা জ্যাককে জানায় এবং তার এই কোমল হৃদয়ানুভূতির কথা শুনে সে অত্যন্ত আনন্দিত হয়। এ সময় গোয়েনডোলেন তাকে জানায়, যে সময় সে আর্নেস্ট নামটি শুনেছে, সে মুহূর্তে সে তার প্রেমে পড়ে গিয়েছে এবং তাকে তার স্বামী হিসেবে পেতে মনস্থির করেছে। এই নির্বাচিত প্রেমিক এখন প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী হাঁটু গেড়ে বসে এবং তার প্রেমিকার কাছে বিবাহের প্রস্তাব করে। এরপর লেডী ব্র্যাকনেল ফিরে আসে এবং এ দুজনের মধ্যে বিয়ের চুক্তির কথা শুনে তাৎক্ষণিকভাবে তার বিরূপ মনোভাব প্রকাশ করেন। তিনি গোয়েনডোলেনকে সেখান থেকে দূরে সরিয়ে দেন এবং জ্যাককে একের পর এক অসংখ্য প্রশ্ন করেন। এত প্রশ্নের মাধ্যমে তিনি জ্যাক এর বংশপরিচয়, আর্থিক অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার কথা জানার চেষ্টা করেন। তিনি বিস্মিত হন যখন তিনি দেখেন যে জ্যাক তার নিজের বংশপরিচয় বিষয়ে সম্পূর্ণভাবে অজ্ঞ। জ্যাক কেবল এতটুকুই জানে যে তাকে মিস্টার কারডিউ নামক একজন ভদ্রলোক একটি হ্যান্ডব্যাগের ভেতর পেয়েছিলেন ভিক্টোরিয়া স্টেশন এ। মিস্টার কারডিউ জ্যাককে Worthing (ওয়ার্থিং) পদবী দেন এ কারণে যে তখন তিনি ওয়ার্থিং এর পথযাত্রী ছিলেন। একথা শুনে লেডী ব্র্যাকনেল বিদ্রুপে মেশানো কণ্ঠে জ্যাককে বলেন যে কোনো অবস্থায়ই একটি রেলওয়ে পার্সেল এর সঙ্গে তিনি তার কন্যার বিবাহে সম্মত হবেন না। এ বিবাহ বন্ধনে তিনি তখনই সম্মত হবেন যখন তিনি জ্যাক এর বাবা অথবা মা অথবা অন্তত একজন এর পরিচয় উপযুক্ত প্রমাণসহ জানতে পারবেন। যখন তিনি উদ্ধতভাবে ঘর থেকে বের হয়ে যান, ঠিক তখন গোয়েনডোলেন প্রবেশ করে। সে এ্যালগারননকে বলে যে কেবলমাত্র জ্যাক এর জন্য তার কিছু মন্তব্য আছে এবং এ্যালগারনন যেন সেদিকে কর্ণপাত না করে। সে জ্যাককে জানায় যে তার মা ভবিষ্যৎ জামাতা হিসাবে জ্যাককে বিবেচনা করতে পারবে না। কিন্তু জ্যাক এর জন্মের সাথে সম্পৃক্ত যে ভালোবাসার কাহিনি তা তার অন্তর্নিহিত সহজাত চিন্তা চেতনাকে ভীষণভাবে নাড়া দিয়েছে। তার আর্নেস্ট নামটি গোয়েনডোলেনকে বিমুগ্ধ করেছে। এসময় গোয়েনডোলেন জ্যাক এর দেশের বাড়ির ঠিকানা জানতে চায়। যখন জ্যাক তাকে ঠিকানাটি বলে, তখন এ্যালগারনন গোপনে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে ঠিকানাটি তার শার্ট এর হাতার কব্জিসংলগ্ন (Cuff) অংশে লিখে নেয়। সে একটি গোপন পরিকল্পনা করেছে যে সে জ্যাক এর ছোটো ভাই এ্যালগারনন সেজে মেনর হাউজ, উল্টন, হার্টফোর্ডশায়ার এ যাবে এবং সেসিলির সঙ্গে দেখা করবে। ইতিমধ্যে সেসিলি তার মনে অনেকটুকু কৌতূহল এবং উৎসাহ সৃষ্টি করেছে।
দৃশ্য এবার স্থানান্তরিত হয় ম্যানর হাউজ এর বাগানে, জ্যাক ওয়ার্থিং এর দেশের বাড়িতে। মিস প্রিজম (Miss Prism) এর তত্ত্বাবধানে সেসিলির জার্মান ভাষা শেখার কাজ চলছে, কিন্তু এ দৃশ্যে দেখা যাচ্ছে যে তারা দুজন উফুল্লভাবে জ্যাক এর তৈরি অকর্মণ্য ছোটো ভাই আর্নেস্টকে নিয়ে আলোচনায় ব্যস্ত। এ সময় মিস প্রজম সেসিলির কাছে বলেন যে তার জীবনের শুরুর দিকে তিনি উপন্যাস লেখার কাজে অনেকটুকু সময় ব্যয় করেছিলেন, যদিও তার কোনো একটি উপন্যাস কখনো প্রকাশিত হয়নি।

ঠিক সে সময় স্থানীয় গির্জার পাদরি রেভারেন্ড (সম্মান্সূচক পদবি) চ্যাসুবল (Rev. Canon Chasuble, D.D.) সেখানে এসে উপস্থিত হন এবং তাদের সাথে কথোপকথনে যুক্ত হন। তাদের কথাবার্তার মাধ্যমে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে মিস প্রিজম এই পাদরির একজন অনুরাগী। মিস প্রিজম সাথে সাথে রেভারেন্ড চ্যাসুবেল এর সাথে হাঁটতে চলে যান। তিনি সেসিলিকে একা রেখে যান যেন সে তার কল্পনা ও স্বপ্নের জগতে বিচরণ করতে পারে। এমন সময় খানসামা মেরিম্যান (Merriman) সেখানে উপস্থিত হয় এবং সেসিলিকে আলবানি থেকে আগত আর্নেস্ট ওয়ার্থিং এর একটি কার্ড দেয়।
এর সাথে সাথেই দেখা যায় প্রফুল্ল এবং হাসিখুশি এ্যালগারননকে, যে সেসিলির কাছে নিজেকে আর্নেস্ট হিসাবে উপস্থাপন করেছে। সে তার স্বাভাবিক চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী সরাসরিভাবে এবং নির্দ্বিধায় সেসিলিকে তার ছোট কাজিন বোন (cousin sister) হিসাবে সম্বোধন করে। এই ব্যক্তিকে সেসিলি তার অভিভাবক জ্যাক এর বিপথগামী ভাই হিসাবে ধরে নেয় এবং সে হিসাবে তার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ওঠে। সেসিলি এ্যালগারননকে জানায় যে তার ভাই জ্যাক তাকে স্থায়ীভাবে অস্ট্রেলিয়া পাঠাবার পরিকল্পনা করছে। মনে মনে জ্যাক আশা করছে যে তার ছোটো ভাই আর্নেস্ট অস্ট্রেলিয়া গিয়ে একটি নতুন জীবন গড়ে তুলবে। একথা শুনে এ্যালগারননন তাকে জানায় যে সে ইংল্যান্ডেই থাকতে আগ্রহী এবং সেসিলিই তাকে সঠিক পথে পরিচালিত করতে পারবে বলে তার দৃঢ় বিশ্বাস। ইতিমধ্যে ডঃ চ্যাসুবেল এবং মিস প্রিজম বাগানে হেঁটে ফিরে এসেছে। যখন তারা একা ছিল তখন মিস প্রিজম ডঃ চ্যাসুবেলকে বলেছেন যে তার (ডঃ চ্যাসুবেল) আর অধিক সময়ের জন্য অবিবাহিত থাকা উচিত নয়। এ সময় জ্যাক এর আগমন হয় এবং তাকে দেখে মনে হয় সে যেন গভীর শোকে ভেঙে পড়েছে। তার বেশভূষা এবং মনের অবস্থা দেখে মিস প্রিজম এবং ডঃ চ্যাসুবেল উদ্বিগ্নভাবে তাকে প্রশ্ন করেন। উত্তরে জ্যাক তাদেরকে জানায় যে সে জানতে পেরেছে যে তার ভাই আর্নেস্ট প্যারিস এ অত্যধিক ঠান্ডা সহ্য করতে না পেরে মৃত্যুবরণ করেছে। উপস্থিত গির্জার প্রধান তখন জ্যাককে প্রতিজ্ঞা করে যে আসন্ন রবিবারে গির্জায় দুঃসংবাদটি প্রচার করা হবে। এ সময় জ্যাক ডঃ চ্যাসুবেল এর কাছে জানতে চায় তিনি সেদিন বিকালে ৫.৩০ টায় তাকে ধর্মে দীক্ষাদান করতে পারবেন কি না। এধরনের অস্বাভাবিক অনুরোধ শুনে ডঃ চ্যাসুবেল খানিকটা অবাক হলেন, কিন্তু সম্মত হলেন। এমন সময় সেসিলি তাদের সামনে উপস্থিত হলো এবং অত্যন্ত আনন্দের সাথে ঘোষণা করল যে জ্যাক এর ভাই তাদের বাড়িতে এসেছে এবং ডাইনিং রুম এ অপেক্ষা করছে। স্বভাবিকভাবেই এ সংবাদ শুনে জ্যাক হতভম্ব হয়ে যায় এবং সবার কাছে সরাসরি ব্যাপারটি অস্বীকার করে। সে দৃঢ়ভাবে বলে যে তার আদৌ কোনো ভাই নেই। একথা শুনে সেসিলি এ্যালগারননকে তার মুখোমুখি উপস্থাপন করে এবং যেমন আশা করা যায়, তাদের এই মুখোমুখি অবস্থা এবং কথোপকথন মোটেই সুখকর ছিল না। একসময় জ্যাক এবং অ্যালগারনন নির্জনে কথা বলার সুযোগ পেল এবং জ্যাক তাৎক্ষণিকভাবে এ্যালগারননকে তাদের বাড়ি ছেড়ে চলে যাবার নির্দেশ দিল। এ্যালগারনন প্রতিবাদ করে বলে যে তার ভাই এর মনের এই করুণ অবস্থার মাঝে তাকে ছেড়ে সে চলে যেতে অপারগ। কিন্তু জ্যাক এ্যালগারনন এর সকল প্রকার প্রতিবাদ এবং যুক্তি উপেক্ষা করে তাকে কঠোরভাবে বাড়ি পরিত্যাগ করার নির্দেশ দেয়। চলে যাবার সময় বাগানে সেসিলির সঙ্গে এ্যালগারনন এর দেখা হয় এবং সেখানে সে উচ্ছসিত অবস্থায় আবেগপ্রবণ হয়ে সেসিলির প্রতি প্রেম নিবেদন করে। এ সময় এ্যালগারনন এর উচ্চারিত প্রতিটি বাক্য যত্ন সহকারে সেসিলি তার ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করে নেয়। এ্যালগারনন সেসিলির ডায়েরির ব্যাপারে কৌতূহল প্রকাশ করলে উত্তরে সে বলে যে তার ডায়েরি একটি অল্পবয়স্ক মেয়ের অতি গোপনীয় চিন্তাভাবনা এবং অনুভূতির একটি লিখিত বিবরণ। সেসিলি তার কাছে স্বীকার করে যে যেদিন থেকে সে তার অভিভাবকের একটি দুষ্টুমিভরা ছোটো ভাই এর কথা জানতে পেরেছে, সেদিন থেকেই সে (আর্নেস্ট) বারবার আলোচনায় এসেছে। যখন সে মিস প্রিজম এর সাথে কথোপকথনে লিপ্ত হয়েছে, তখন আর্নেস্ট প্রসঙ্গটি মূল বিষয় হিসেবে বারবার এসেছে। একসময় সেসিলি আর্নেস্ট এর প্রেমে পড়ে গিয়েছে এবং পরবর্তীতে তাকে না দেখা সত্ত্বেও সে তার সাথে শপথের মাধ্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে গিয়েছে। সেসিলির এই প্রেম, ভালোবাসা এবং বিবাহ বন্ধন সবটুকুই কাল্পনিক। তার কাছে লেখা আর্নেস্ট এর সব চিঠি সে অতি যত্ন সহকারে সংগ্রহ করে রেখেছে। প্রকৃতপক্ষে চিঠিগুলো সবই তার নিজেরই হাতের লেখা, কেবলমাত্র তার কল্পনার দৃষ্টিতে তারই উদ্দেশ্যে আর্নেস্ট এর লেখা চিঠি। এই কাল্পনিক প্রেম কাহিনিতে সে বিবাহের শপথও ভেঙে ফেলেছে এবং এক সপ্তাহ অতিবাহিত হওয়ার আগেই পুনরায় সে একই অবস্থায় ফিরে গেছে। এ সময় সেসিলি আর্নেস্টকে জানায় সে তার নাম আর্নেস্ট হবার কারণেই সে তার প্রতি প্রচণ্ডভাবে আকৃষ্ট হয় এবং প্রেমে পড়ে যায়। এর কারণ হলো আর্নেস্ট নামটি সেসিলির মনে এক ধরনের দৃঢ় বিশ্বাস সৃষ্টি করে, যার মাধ্যমে সে সাহস খুঁজে পায়। একথা শুনে এ্যালগারনন কিছুটা উৎসাহ হারিয়ে ফেলে। এ সময় সেসিলি আরও বলে যে তার নাম আর্নেস্ট না হয়ে যদি আরো কিছু হতো তাহলে সে কখনোই তাকে (আর্নেস্টকে) গ্রহণ করত না। এ কথা শুনে বেচারা এ্যালগারনন এর আবারও ধর্মে দীক্ষিত হয়ে নতুন করে নাম গ্রহণ ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না। সে তাড়াতাড়ি এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য ডঃ চ্যাসুবেল এর কাছে ছুটে যায়। এর ফলে ডঃ চ্যাসুবেল এর ওপর দুজন যুবককে সেদিন বিকেলে ধর্ম মতে একই নামে নামকরণের দায়িত্ব পড়ে।

এরপর গোয়েনডোলেন মেনর হাউজ এ আসে এবং মিস্টার ওয়ার্থিং এর সাথে দেখা করতে চায়। তখন সে জানতে পারে যে মিস্টার ওয়ার্থিং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দিকে গিয়েছে। এ সময় সেসিলি তাকে ঘরের ভেতরে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানায়। এই দুজন তরুণীর মধ্যে পরিচয় পর্বটি শুরুতে ছিল আন্তরিক, কিন্তু যখন গোয়েনডডালেন জানতে পারে যে মিস্টার ওয়ার্থিং সেসিলির অভিভাবক, তখন তার মনটি অতিরিক্ত কৌতুহলী এবং অখুশি হয়ে ওঠে। গোয়েনডোলেন ভেবে পায় না কেন তার প্রেমিক কোনোদিন তাকে সেসিলির কথা বলে নাই। অবস্থা চূড়ান্তভাবে খারাপ হয়ে উঠে যখন দুজনই দুজনকে আর্নেস্ট ওয়ার্থিং এর সাথে তাদের বিবাহের প্রতিজ্ঞার কথা জানায়। এ সময় খোলাখুলিভাবে দুই তরুণী পরস্পরের প্রতি ঈর্ষা এবং শত্রু ভাবাপন্ন মনোভাব প্রদর্শন করে। দুজনই দুজনকে অপমানিত করার চেষ্টায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়। নাটকের এ পর্যায়ে জ্যাক ফিরে আসে। ইতিমধ্যে ঘটনা যা ঘটেছে তা কিছুই তার জানা ছিল না। গোয়েনডোলেনকে দেখে জ্যাক অত্যন্ত আনন্দিত হয়। সেসিলির সাথে তার প্রেমঘটিত সম্পর্ক নিয়ে গোয়েনডোলেন প্রশ্ন তুললে জ্যাক সরাসরিভাবে তা অস্বীকার করে। ক্ষণিকের জন্য শান্তি ফিরে আসে। এসময় সেসিলি আবার শান্তি ভঙ্গ করে দেয় যখন সে বিজয়িনীর মতো ঘোষণা করে যে গোয়েনডোলেন এর প্রেমিক নাম আর্নেস্ট নয় বরং তার নাম জ্যাক। আর্নেস্ট এর বড়ো ভাই হলো প্রকৃতপক্ষে এই জ্যাক। এ মুহূর্তে এ্যালগারনন প্রবেশ করে এবং সেসিলি একরকম নিরুৎসাহের সঙ্গে তাকে গ্রহণ করে। সে দাবি করে এ্যালগারনন যেন গোয়েনডোলেন এর সাথে কোনোরকম সম্পর্ক অস্বীকার করে। তাৎক্ষণিকভাবে এ্যালগারনন তার সে অনুরোধ মেনে নেয়। এসময় গোয়েনডোলেন সেসিলিকে অবাক করে দিয়ে বলে যে তার প্রেমিকের নাম আর্নেস্ট নয়, বরং তার নাম এ্যালগারনন এবং সে তারই খালাতো ভাই। তখন দুজন তরুণ এ দুই তরুণীর কাছে স্বীকার করতে বাধ্য হয় যে তারা প্রতারণতার অবলম্বন করেছিল। অনুরূপভাৱে এ দুই নারী ঘটনা দেখে অত্যন্ত মর্মাহত হয়। তারা বুঝতে পারে যে তারা দুজনেই প্রতারিত হয়েছে। একই দলের সদস্য হিসাবে একে অপরের প্রতিও সহানুভূতিশীল হয় তারা। জ্যাক এবং এলগারনন একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ অব্যাহত রাখে। এ্যালগারনন জ্যাককে জানায় যে ডঃ চ্যাসুবেল এর সহায়তায় সেদিন বিকালেই সে ধর্মমতে নাম পরিবর্তন করবে। এ কথা শুনে জ্যাক বিস্মিত হয়ে ওঠে কারণ ঐ একই সময়ে সেও ডঃ চ্যাসুবেল এর সাহায্যে ধর্মমতে নাম পরিবর্তনের ব্যবস্থা করেছে। দুজন তরুণী একসময় তাদের আর্নেস্টদ্বয়ের (জ্যাক ও এলগারনন) প্রতি ক্ষমা প্রদর্শন করে।

ইতিমধ্যে গোয়েনডোলেন এর পরিচারিকাকে ঘুষ দিয়ে লেডী ব্র্যাকনেল তার কন্যার গতিবিধি জানতে পেরেছিলেন। এভাবে এসময়ে তিনি মেনর হাউজ এ এসে উপস্থিত হন। তার কন্যা যেন জ্যাককে বিয়ে করতে না পারে, সে ব্যাপারে সবরকম বাধা সৃষ্টি করতে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন। এ্যালগারনন সেসিলির সাথে তার বিয়ের প্রতিজ্ঞার কথা লেডী ব্র্যাকনেলকে জানায় এবং তাৎক্ষণিকভাবে তিনি তাতে তার অসম্মতি প্রকাশ করেন। যখন জ্যাক সেসিলির সম্পত্তির সম্পূর্ণ বর্ণনা দেয়, তখন তার লোভী এবং বিষয়াসক্ত মনটি মুহূর্তেই বদলে যায় এবং সংবাদটি তার কাছে চিত্তাকর্ষক বলে মনে হয়। এ সময় তিনি সাগ্রহে তার সম্মতি প্রদান করেন। কিন্তু তিনি অতিথিসেবকের উপস্থিতিটি হিসেবে ধরেননি, কারণ জ্যাক এ বিয়ের ব্যাপারে তার সম্মতি দিতে নারাজ। এ্যালগারনন এর নৈতিক চরিত্র তার মনঃপূত নয়, এ কারণেই জ্যাক এর এই নেতিবাচক মনোভাব। সেসিলির দাদার উইল এর শর্ত অনুযায়ী পঁয়ত্রিশ বছর বয়সে সে স্বাধীনভাবে তার সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। তার পূর্ববর্তী সময়ে জ্যাক তার অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করে চলবে। সেসিলির প্ররোচনায় জ্যাক লেডী ব্র্যাকনেলকে জানায় যে সেসিলির সঙ্গে এ্যালগারনন এর বিবাহে তার কোন অসম্মতি থাকবে না যদি গোয়েনডোলেন এর সঙ্গে তার নিজের বিবাহে লেডী ব্র্যাকনেল সম্মত থাকেন। লেডী ব্র্যাকনেল তার সিদ্ধান্তে অনড় এবং যখন তিনি লন্ডন ফিরে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ঠিক তখন ডঃ চ্যাসুবেল সেখানে উপস্থিত হন এবং বলেন যে সেদিন বিকালে ধর্মমতে নাম পরিবর্তনের সব আয়োজন ঠিক আছে। তাদের মধ্যে আলোচনায় মিস প্রিজম এর নাম চলে আসে এবং সাথে সাথে এ নামটি লেডী ব্র্যাকনেল এর স্মৃতিকে নাড়া দেয়। লেডী ব্র্যাকনেল তখন অনুরোধ করেন মিস প্রিজমকে যেন তার সামনে উপস্থিত করা হয়। তখন মিস প্রিজমকে লেডী ব্র্যাকনেল এর মুখোমুখি করা হয়, তখন মুহূর্তেই তিনি মিস প্রিজমকে চিনতে পারেন। বহু বছর পূর্বে মিস প্রিজম ছিলেন তার বোন এর ছোটো শিশুর শিক্ষয়িত্রী। লেডী ব্র্যাকনেল এর শুষ্ক দৃষ্টির সামনে মিস প্রিজম যেন ভীত হন। আটাশ বছর পূর্বে একদিন মিস প্রিজম ঐ শিশুকে একটি প্যারামবুলেটার (শিশুদের জন্য ঠেলা গাড়ি ) এ চড়িয়ে হাঁটতে বের হন, কিন্তু কোনোদিন আর ফিরে আসেননি।
কয়েক সপ্তাহ পর প্যারামবুলেটারটিকে খুঁজে পাওয়া যায় কিন্তু তাতে কোনো শিশু ছিল না। তার মধ্যে পাওয়া গিয়েছিল একটি তিন অধ্যায় উপন্যাসের পাণ্ডুলিপি যাতে ছিল একধরনের আবেগপূর্ণ কাহিনি। যাতে বিদ্রোহের একটা সুর খুঁজে পাওয়া যায়। এত বছর পর হলেও লেডী ব্র্যাকনেল ক্রুদ্ধভাবে মিস প্রিজম এর ঐ শিশুর কাহিনি জানতে চান। উত্তরে শিশুর শিক্ষয়িত্রী জানান যে তিনি নিজেও জানেন না। সেসময় শেষ পর্যন্ত কী হয়েছিল। মিস প্রিজম সেদিন তার সাথে বহন করেছিলেন একটি প্রশস্ত ব্যাগ এবং ক্ষণিক অসতর্কতার কারণে ভুল করে তার উপন্যাসের পাণ্ডুলিপিটি রেখেছিলেন প্যারামবুলেটর এ এবং শিশুটিকে রেখেছিলেন ঐ প্রশস্ত ব্যাগ এ। জ্যাক যে এতক্ষণ অত্যন্ত মনোযোগ এর সাথে তার কথাগুলো শুনছিল, মিস প্রিজম এর কাছে ঐ হ্যান্ডব্যাগ এর বর্ণনা শুনতে চায়। মিস প্রিজম ঐ ব্যাগ এর বর্ণনা দিতে ব্যর্থ হন ঠিকই, কিন্তু তার মনে ছিল যে তিনি ভিক্টোরিয়া স্টেশন এর ক্লোকরুম এ ব্যাগটি তিনি রেখেছিলেন। এ কথা শুনে জ্যাক দৌড়ে উপরের তলায় চলে যায় এবং অতি শীঘ্রি একটি কালো চামড়ার হ্যান্ডব্যাগ নিয়ে প্রত্যাবর্তন করে। যদিও ব্যাগটি কিছুটা জীর্ণ শীর্ণ হয়ে গিয়েছে, তারপর ও মিস প্রিজম ব্যাগটিকে তার নিজের বলে সনাক্ত করতে পারেন। এসময় জ্যাক তাকে স্নেহপরায়ণভাবে আলিঙ্গন করে এই ভেবে যে তিনি তার হারিয়ে যাওয়া মা। শিক্ষয়িত্রী সক্ষোভে এর বিরোধিতা করেন এবং বলেন যে তিনি অবিবাহিতা। এ কথা শুনে জ্যাক এর ভেতর কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। এসময় লেডী ব্র্যাকনেল হস্তক্ষেপ করেন এবং বলেন যে জ্যাক তার মৃত বোন এর সন্তান এবং এ্যালগারনন এর বড়ো ভাই। জ্যাক এই কথা শুনে আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠে, কারণ এতদিন ধরে সে তার ভাই এর ব্যাপারে যে কাহিনি প্রচার করে এসেছে, তা আজ সত্যে পরিণত হয়েছে। গোয়েনডোলেন এসময় তার ক্রিশ্চিয়ান নাম (Christian name - খ্রিষ্টান ধর্মে দীক্ষা দানকালে প্রদত্ত নাম, যা কারো সম্পূর্ণ নামের প্রথম অংশ।) এর প্রসঙ্গটি উত্থাপন করে।

লেডী ব্র্যানেল তখন সবাইকে জানান যে শিশু থাকাকালীন অবস্থায় খ্রিষ্টধর্মমতে তার নামকরণের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছিল এবং তার বাবার নামই তাকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এত দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে সে নামটি তিনি স্মরণ করতে পারছিলেন না। নাম এর বিষয়টি এসময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দেখা দেয়, কারণ গোয়েনডোলেন অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে ঘোষণা করেছিল যে সে আর্নেস্ট নামক একজন পুরুষকেই বিয়ে করবে, তাছাড়া আর কাউকে নয়। তখন জ্যাক একরকম বাধ্যতামূলকভাবে তার প্রকৃত নাম আবিষ্কার করতে উদ্যত হয়। তার মৃত পিতা ছিলেন একজন সেনাবাহিনী অফিসার, সে কারণে জ্যাক তাৎক্ষণিকভাবে সেনাবাহিনীর অফিসারদের ডিরেক্টরি পর্যবেক্ষণ করে এবং আবিষ্কার করে যে তার নাম এর প্রথম অংশ আর্নেস্ট জন। এসময় সে তার গর্গন খালার সামনে গোয়েনডোলেনকে বলে যে, এতদিনে সে আন্তরিক হবার তাৎপর্যটি অনুধাবন করতে পেরেছে। ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ দেখা যায়, সেসিলি ও এলগারনন এবং ডঃ চ্যাসুবেল আর মিস প্রিজম এর মধ্যে। সবার জন্য আনন্দের বার্তা বহন করে নাটকটি সমাপ্ত হয়।

09/07/2023

The Caretaker- Harold Pinter – Summary (Bangla)
নাটকের ঘটনাটি সংগঠিত হয়েছিল ১৯৫০ সালে পশ্চিম লন্ডনের একটি বাড়িতে। তখন ছিল শীতকাল। স্টেজের বাহিরে দরজা খোলা ও বন্ধ হওয়ার শব্দে খাটে বসা মিক খাট থেকে উঠে স্টেজের বাহিরে যায়। তার বড় ভাই এস্টন এবং ভবঘুরে বৃদ্ধ ডেভিস সেখানে প্রবেশ করে। ডেভিস একটি কাফেতে খুব নিম্নমানের একটি চাকরি করত। সেখানেই সে মারামারি করে এবং এস্টন তাকে সাহায্য করে। এস্টন ডেভিসকে কাপড় ও জুতা দেয় এবং রাতটি সেখানে থাকার সুযোগ দেয়। ডেভিস ছিল খুবই অমার্জিত ও একগুয়ে স্বভাবের। কালো এবং অন্যান্য রংধারী লোকদের ব্যপারে সে বারবার অভিযোগ করে যাচ্ছিল। তার তুলনায় এস্টন ছিল কিছুটা চাপা ও নিশ্চুপ স্বভাবের। খুব কমই কথা বলে সে। ডেভিস তার প্রস্তাবে সানন্দে রাজী হয় এবং জানায় তাকে সিদিকাপ (Sidcup) যেতে হবে। সেখানে তার কাগজপত্র আছে, যেগুলোর মাধ্যমে সে তার পরিচয় নিশ্চিত করতে পারবে।
পরদিন সকালে এস্টন ডেভিসকে বলে সে রাতে ঘুমের মাঝে অনেক বেশি শব্দ করে। ডেভিস তার কথা একেবারেই অস্বীকার করল। এস্টন ডেভিসকে বলল তাকে এখন বেরোতে হবে এবং ডেভিস চাইলে সেখানে অবস্থান করতে পারে। ডেভিস জানায় তাকে এখন কাজ খুজতে হবে। এস্টন চলে গেলে মিক সেখানে প্রবেশ করে এবং তার সাথে নীরব লড়াই চালায়। মিক ডেভিসকে জিজ্ঞাসা করে আসলে তার মতলব কি?

মিক তাকে বিভিন্ন আশ্চর্যজনক সব প্রশ্ন করে এবং তার সাথে উল্টাপাল্টা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তর্ক করে। ফলে বৃদ্ধ ডেভিস অস্বস্থিকর অবস্থায় পড়ে যায়। শেষে সে বলেই ফেলে ডেভিস চাইলে এই কক্ষটি ভাড়া নিতে পারে।
এস্টন ডেভিসের জিনিসপত্র নিয়ে বাসায় ফেরে। পরে জানাগেল এটা ডেভিসের ব্যাগ না। এতে ডেভিস খুব বিরক্ত হল। এস্টন ডেভিসকে প্রস্তাব করে সে এই জায়গার কেয়ারটেকার (তত্ত্ববধায়ক) হতে চায় কিনা। তাকে এস্টনের ভাইয়ের জন্যে সাজিয়ে গুছিয়ে একেবারে আসল ফ্লাটে পরিণত করে দিতে হবে। ডেভিস প্রথমে সতর্কতাস্বরুপ অনীহা দেখায় কারন এখানে অনেক কাজ করতে হবে। পরে অবশ্য রাজী হয়।
পরে মিক অন্ধকার ঘরে ডেভিসকে ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে ভয় দেখায়। এরপর মিক ডেভিসকে অপ্রত্যাশিতভাবেই জিজ্ঞাসা করে সে জায়গাটার কেয়ারটেকার হতে চায় কিনা। ডেভিস দ্বিধায় পড়ে এই জায়গাটা আসলে কার দায়িত্বে আছে জানতে চাইলে মিক তার সাথে প্রতারণা করে এবং বলে যে সেই এই জায়গাটার মালিক। মিক এবার ডেভিসের কাগজপত্র দেখতে চাইলে ডেভিস কথা দেয় সিডকাপে গিয়ে সে তার কাগজপত্রগুলো নিয়ে আসবে।
পরদিন সকালে খারাপ আবহাওয়ার অজুহাত দেখিয়ে সে আর সিডকাপে যেতে চায় না। এস্টন ডেভিসকে বলে কিভাবে আগে তার হ্যালিউসিনেশন হতো এবং কিভাবে একটি মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য তাকে জোর করে ইলেকট্রিকশক দিতো। সে এখন দ্রুত চিন্তা করতে পারেনা। তার মনে হয় যে তাকে এত কষ্ট দিয়েছে ঐ লোকটাকে যদি পেতাম। এখন এস্টন শুধু বাড়ির গার্ডেনের একটা বসার জায়গা তৈরি করতে চায় আর কিছু না।

দুই সপ্তাহ পরে, ডেভিস মিকের কাছে এস্টন সম্পর্কে একগাদা অভিযোগ দিতে থাকে। একরাতে এস্টন ডেভিসকে ঘূম থেকে শব্দ করাতে নিষেধ করলে ডেভিস রাগে ফেটে পড়ে এবং এস্টনের ইলেকট্রিক শক দিয়ে চিকিৎসা করার বিষয়টা নিয়ে উপহাস করে। এস্টন শান্তভাবে ডেভিসকে বলে এভাবে আর থাকা যাবে না এবং তাকে চলে যেতে হবে। ডেভিস এস্টনকে অভিশাপ দেয় আর বলে সে এই বিষয়ে মিকের সাথে কথা বলবে।

ডেভিস মিকের সাথে কথা বলে। সে এস্টনকে ওখান থেকে বের করে দিতে চায়। মিক তার সাথে কিছুটা একমত হওয়ার ভান করে এবং পরে ডেভিসকে তার একজন অভিজ্ঞ বাড়ির অভ্যন্তর সজ্জাকারী (interior decorator) হওয়ার দাবির বিষয়ে জিজ্ঞেস করতে শুরু করে। ডেভিস মিকের কথার কিছুই বুঝতে পারে না কারণ সে নিজেকে একাজে অভিজ্ঞ দাবি কখনোই করেনি। সে মিকের কথাটা সংশোধনের চেষ্টা করে। কথা বলার সময় সে এস্টনকে ‘তার মাথা-খারাপ’ বললে মিক ডেভিসকে চলে যেতে বলে। এই পর্যন্ত সব কাজের মজুরী হিসেবে মিক তাকে কিছু টাকা ‍দিয়ে দেয়।

এস্টন ঘরে প্রবেশ করে এবং দুই ভাই কিছুক্ষণ হাসাহাসি করে। মিক ঘর থেকে চলে গেলে, ডেভিস ফিরে আসে ও তার কাছে সনির্বন্ধ মিনতি করে। সে আরো মরিয়া হয়ে তার কাছে মিনতি করে, তাকে ভোলাতে চেষ্টা করে এবং এবং ভবিষ্যতে আরো ভালো কিছু করার প্রতিশ্রুতি দেয়। এস্টন শুধু এতটুকুই বলে যে, তুমি বড় বেশি শব্দ কর। ডেভিসের প্রতিবাদ চলমান অবস্থায় নাটকের পর্দা নামে।

09/07/2023

Look back in anger – John Osborne – Summary (Bangla)
চরিত্রসমূহঃ
1. Jimmy Porter (জিমি পোর্টার) নাটকের প্রধান চরিত্র। অ্যালিসনের স্বামী। সর্বদা রাগান্বিত একজন তরুণের প্রতিচ্ছবি।
2. Cliff Lewis (ক্লিফ লুইস) - অ্যালিসন ও জিমির বন্ধু। সে তাদের সাথেই থাকে। জিমি ও ক্লিফ দুজনের শ্রমিক গোছের লোক।
3. Alison Porter (অ্যালিসন পোর্টার) - জিমির স্ত্রী। সে ব্রিটেনের অভিজাত বংশ থেকে এসেছে।
4. Helena Charles (হেলেনা চার্লস) - অ্যালিসনের ফ্রেন্ড। অ্যালিসনের মত সেও একজন উচ্চ বংশীয়া মেয়ে।
5. Colonel Redfern (কর্ণেল রেডফার্ণ) - অ্যালিসনের বাবা। রাজা এডওয়ার্ডের সময়ের একজন সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তা।

" Look Back In Anger" এর প্রথম দৃশ্য জিমি পোর্টার এবং অ্যালিসন পোর্টার এর এপার্টমেন্ট । ১৯৫০ সাল এর মাঝামাঝি সময়ের ইংল্যান্ডের একটি ছোট শহর। জিমি পোর্টার (Jimmy Porter) এবং অ্যালিসন পোর্টার (Alison Porter) এর সাথে একই ফ্লাটে জিমির প্রিয় বন্ধু ক্লিফ লুইসও (Cliff Lewis) থাকে। ক্লিফ একজন শ্রমিক শ্রেণীর মানুষ। জিমি এবং ক্লিফ দুজনেই শ্রমিক শ্রেণীর মানুষ হলেও জিমির লেখাপড়া একটু বেশিই ছিল। দুজনে মিলে একটি মিস্টির দোকান চালায়। অ্যালিসন সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান এবং এই জন্যে জিমি কিছুটা ক্ষুব্ধ।

এপ্রিল মাসের কোন এক রবিবারে নাটকের প্রথম অঙ্ক শুরু হয়। যখন অ্যালিসন ঘরের এক কোনে কাপড় সমান করছিল সেসময় জিমি এর ক্লিফ পত্রিকায় রবিবারের খবরাখবর পড়ছিল। বদরাগী জিমি ক্লিফ ও অ্যালিসন উভয়কেই রাগানোর চেষ্টা করছিল। সে ক্লিফের পূর্বের অবস্থা এবং স্বল্প বুদ্ধি নিয়ে প্রায়ই হাসাহাসি করে। নম্র স্বভাবের মানুষ ক্লিফ, জিমির এজাতীয় কথায় সে কিছু মনে করেনা।
জিমি তার স্ত্রী অ্যালিসনের পরিবার এবং তাদের বিয়ের আগে অ্যালিসনের আরামদায়ক জীবন নিয়েও ঠাট্টা করে। জিমি ইংল্যান্ডের শক্তিশালী অতীত নিয়ে স্মৃতি কাতরতা দেখায়। সে লক্ষ করে পৃথিবী এখন নিরানন্দ এক আমেরিকান যুগে প্রবেশ করেছে। বিষয়টা বেশ ক্রোধের সাথেই সে হজম করছে।

জিমির এসব কথাবার্তাতে অ্যালিসন বিরক্ত হয় এবং শান্তির আশায় তাকে থামতে বলে। জিমি আরো জোর দিয়ে অপমানজনক কথাবার্তা চালিয়ে যেতে থাকে। ক্লিফ তাদের সাথে সমানতালে চলতে চেষ্টা করে এবং এক সময় ক্লিফ ও জিমির মাঝে খেলাচ্ছলে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। এই অবস্থায় তাদের ধাক্কা লেগে অ্যালিসন পরে যায়। ঘটনার জন্যে জিম দূঃখ প্রকাশ করলেও অ্যালিসন তাকে ঘর থেকে বের করে দেয়।

জিমি চলে যাওয়ার পরে অ্যালিসন ক্লিফকে জানায় সে অন্তঃসত্ত্বা (জিমির দ্বারা) কিন্তু সে জিমিকে এখনও সে কথা বলেনি। ক্লিফ কথাটা জিমিকে জানাতে বলে। ক্লিফ চলে যাওয়ার পরে জিমি আবার ঘরে প্রবেশ করে এবং তারা দুজনে অন্তরঙ্গ হয়ে খেলায় মেতে ওঠে।
জিমি একটা খেলনা ভালুকের ভূমিকা নেয় আর অ্যালিসন একটা খেলনা কাঠবিড়ালির ভূমিকা নেয়। ক্লিফ তাদের ঘরে প্রবেশ করে অ্যালিসনকে জানায় তার পুরোনো বান্ধবি হেলেনা চার্লস ফোন করেছে। অ্যালিসন কথা বলতে যায় এবং ফিরে এসে বলে হেলেনা আসছে তাদের এখানে বেড়াতে। জিমি হেলেনাকে মোটেও পছন্দ করেনা এবং রেগে যায় তার আসার কথা শুনে। রাগে সে বলে সে চায় অ্যালিসন যেনো কষ্ট করে উপলব্ধি করে যে একজন প্রকৃত মানুষ কেমন হয়। সে অ্যালিসনকে অভিশাপ দেয় এবং বলে অ্যালিসনের যেনো বাচ্চা হয়েও মারা যায় তাহলে সে বুঝবে।

দুই সপ্তাহ পরে, হেলেনা চলে এসেছে এবং অ্যালিসন হেলেনার সাথে জিমি এবং তার সম্পর্ক নিয়ে কথা বলছে। সে বলে কিভাবে তাদের প্রথম দেখা হয়েছিল এবং কিভাবে তারা আগের দিনগুলোতে তাদের বন্ধু হিউ ট্যানারকে (Hugh Tanner) সাথে নিয়ে বিভিন্ন পার্টি কিভাবে নষ্ট করত। বর্তমানে হিউ সাথে সম্পর্কে এতটা আন্তরিকতা না থাকলেও হিউর মায়ের প্রতি জিমির স্নেহ-মমতা রয়েছে। হিউ আর জিমির সম্পর্ক খারাপ হয় যখন হিউ পৃথিবী ঘুরতে চলে যায় আর জিমি অ্যালিসনের সাথে থেকে যায়। হিউ এর সাথে না যাওয়াতে জিমির আফসোস লাগে আবার হিউ তার মাকে একা ফেলে চলে গেছে তাই হিউয়ের উপর রাগও হয়। হেলেনা অ্যালিসন কে অ্যালিসন ও ক্লিফ এর মধ্যকার সম্পর্কের কথা জিজ্ঞেস করলে অ্যালিসন বলে তাদের মধ্যে শুধু মাত্র একটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আছে এর বেশি কিছু না।

ক্লিফ এবং জিমি ফিরে আসলে হেলেনা তাদের বলে যে সে এবং অ্যালিসন চার্চে যাচ্ছে। জিমি এবার ধর্মবিরোধী কথা বলা শুরু করে এবং শেষ করে অ্যালিসনের পরিবার নিয়ে বিদ্রুপ করে। হেলেনা রেগে যায়, এক পর্যায়ে জিমি তাকে থাপ্পর দেয় এবং তাকে সতর্ক করে দেয়। সে ছোট বেলায় তার বাবাকে নিজের চোখের সামনে কিভাবে মরতে দেখেছে তা জানায়। আরো জানায় জিমির বাবা স্পেনের গৃহযুদ্ধে সময় যুদ্ধ করে কিভাবে আহত হয়ে ইংল্যান্ডে ফিরেছিল এবং কিছুদিন পরে মারা যান। এখন হেলেনা ও অ্যালিসন চার্চের দিকে রাওনা হবে জিমি ভাবতে থাকে যে সে তার স্ত্রী দ্বারা প্রতারিত হয়েছে।
জিমির জন্য একটা ফোন কল আসে এবং জিমি বাইরে চলে যায়। হেলেনা অ্যালিসন কে বলেছে যে সে অ্যালিসনের বাবাকে ফোন করে অ্যালিসন কে এখান থেকে নিয়ে যেতে বলেছে। অ্যালিসন তার কথায় সায় দেয় এবং বলে যে পরদিন তার বাবা আসলে সে এখান থেকে চলে যাবে। এদিকে জিমি এসে জানায় যে হিউ এর মা মিসেস ট্যানার (Mrs. Tanner) খুব অসুস্থ এবং মরতে বসেছে। জিমি তাকে দেখতে যেতে চায় এবং সে অ্যালিসন এর কাছে জানতে চায় সেকি তার সাথে যাবে নাকি হেলেনার সাথে যাবে। অ্যালিসন তার জিনিসপত্র গুছিয়ে হেলেনার সাথে চার্চে চলে যায়। অ্যালিসন এর এ সিদ্ধান্তে জিমির মন ভেঙ্গে যায় এবং এসে বিছানা উপর হাত পা ছেড়ে শুয়ে পড়ে।
পরের দিন বিকেলে অ্যালিসন জিনিসপত্র গোছাচ্ছে এবং বাবা কর্ণেল রেডফার্ণের (Colonel Redfern) সাথে কথা বলছে। কর্ণেল মৃদুভাষী মানুষ এবং যিনি উপলব্ধি করেন যে তিনি এখনো জিমি ও অ্যালিসনের মধ্যকার ভালোবাসার ধরণটা বুঝে উঠতে পারেননি। তিনি স্বীকার করেন তার এবং তার স্ত্রীর আচরণ তার সন্তান অ্যালিসন ও তার স্বামী জিমির এই বিচ্ছেদের জন্য আংশীক দায়ী।
কর্নেল ভারতে ব্রিটিশ আর্মি অফিসার ছিলেন এবং অতীতের সময়গুলো নিয়ে তার মাঝে একধরণের স্মৃতিকাতরতা কাজ করে। অ্যালিসন দেখে তার বাবা অতীতের কথা মনে করে কষ্ট পায় কারন বর্তমান তো আর অতীত না। জিমি কষ্ট পায় কারন তার কাছে প্রতিটা বর্তমানই অতীত। অ্যালিসন প্রথমে তার খেলনা কাঠ বিড়ালিটা নিয়ে যেতে চায় কিন্তু এটা করা উচিত হবে না ভেবে পরে তার সিদ্ধান্ত বদলায়
ক্লিফ ও হেলেনা এবার দৃশ্যপটে আসে। সে কেনো চলে যাচ্ছে তার কারণ লিখে অ্যালিসন একটা চিঠি ক্লিফের হাতে দেয় জিমিকে দেওয়ার জন্য। অ্যালিসন চলে যাওয়ার পর ক্লিফ রেগে যায় এবং এই পরিস্থিতির জন্য হেলেনাকে দায়ী করে তার হাতে চিঠিটা দেয়। জিমি ফিরে আসে, সে কিছুটা হতভম্ব অবস্থায় আছে, রাস্তায় কর্ণেলের গাড়ির সাথে অল্পের জন্য ধাক্কা খায় নি আর ক্লিফের সাথে রাস্তায় দেখা হওয়ার পরও সে তাকে না দেখার ভান করে চলে যায়। সে এবার অ্যালিসনের চিঠিটা পড়ে এবং আরো ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। হেলেনা বলে অ্যালিসন অন্তঃসত্ত্বা, উত্তরে জিমি বলে এতে তার কিছু যায় আসেনা। এবার জিমি হেলেনাকে অপমান করলে হেলেনা তাকে চড় মারে এবং পরে আবেগাপ্লুত হয়ে চুমু খায়।

৩য় অঙ্ক
কয়েক মাস পরে, জিমি এবং ক্লিফ আগের মত রবিবারের পত্রিকা পড়ছে আর হেলেনা ঘরের কোণায় কাপড় আয়রন করছে। জিমি আর ক্লিফের মাঝে এখনও ঝগড়াঝাটি চলে এবং হেলেনার ধর্মীয় বিষয়গুলো জিমি কঠোরভাবে সমালোচনা করে। জিমি এবং ক্লিফ গান ও হাস্যরসাত্বক নাটক থেকে কিছু অংশ অভিনয় করে। হেলেনা বেরিয়ে গেলে ক্লিফ বলে, হেলেনার সাথে থেকে তার কাছে পরিবেশটা আগের মত লাগছে না এবং সে এখান থেকে চলে যেতে চায়।জিমি তাকে জানায় সে একজন বিশ্বস্থ বন্ধু এবং জিমির কাছে সে একজন মহিলার চেয়েও মূলবান। হেলেনা ঘরে ফিরলে তিনজনই বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করে। হঠাৎ করেই অ্যালিসন ফিরে আসে।
অ্যালিসন ও হেলেনা কথা বলতে শুরু করে আর জিমি রুম থেকে বের হয়ে যায়। জিমি জোরে জোরে ট্রাম্পেট বাজাতে শুরু করে। অ্যালিসনের বাচ্চা মারা গেছে এবং তাকে অসুস্থ দেখাচ্ছে। হেলেনা অ্যালিসনকে বলে সে তার সাথে যে আচরণ করেছে অ্যালিসনের উচিত তার উপর রাগান্বিত হওয়া। কিন্তু অ্যালিসনের মনে তখন সন্তান হারানোর বেদনা বিদ্যমান। জিমির ট্রাম্পেট বাজানোর শব্দে হেলেনা বিরক্ত হয়ে যায় এবং জিমিকে তাদের রুমে আসতে বলে। যখন সে রুমে আসে এবং শোনে যে অ্যালিসনের বাচ্চা মারা গেছে সে খুবই কষ্ট পায় কিন্তু দ্রুতই নিজেকে ঠিক করে নেয়। হেলেনা এবার জিমি ও অ্যালিসনকে বলে যে তার মধ্যে এখনও নৈতিকতা বোধ এবং সঠিক ও ভুলের পার্থক্য বোঝার ক্ষমতা আছে এবং এখন তার নিজের উচিত এখান থেকে চলে যাওয়া। এদিকে অ্যালিসনই আবার হেলেনা কে বলে থেকে যেতে কারন সে চলে গেলে জিমি একা হয়ে যাবে।
কিন্তু হেলেনা চলে যায়। জিমি আগের মত আবার রাগান্বিত হতে শুরু করলে, অ্যালিসন তাকে বলে যে, জিমি যেমনটা চায়, সে এখন তেমনি শারীরিক ও মানসিক কষ্টের ভিতর দিয়ে সময় পার করছে। সে অনুভব করে যে অ্যালিসন আসলে অনেক ভুগেছে। এতো কিছুর পরও যেহেতু সে জিমিকে এখনো পসন্দ করে, তাই জিমির উচিত তার সাথে আরো নরম ও স্বস্নেহ আচরণ করা উচিত। তারা একে অপরকে বুকে টেনে নিল ও তাদের সেই পুরনো ভাল্লুক ও কাঠবেড়ালীর খেলার মাধ্যমে নাটকের সমাপ্তি ঘটে।

Want your school to be the top-listed School/college in Ishurdi?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Videos (show all)

#StayHome_MohaMari.

Location

Website

Address


Ishurdi
6620

Opening Hours

Monday 09:00 - 13:00
Tuesday 09:00 - 13:00
Wednesday 09:00 - 12:00
Thursday 09:00 - 13:00
Saturday 09:00 - 13:00
Sunday 09:00 - 13:00
Other Community Colleges in Ishurdi (show all)