দ্বীপাঞ্চল হাতিয়া/Dwipanchol Hatiya

দ্বীপাঞ্চল হাতিয়া/Dwipanchol Hatiya

Share

"দ্বীপাঞ্চল হাতিয়া"
- হাতিয়া দ্বীপের সমস্যা ও সম্ভাবনার সাজানো উপাখ্যান।

19/10/2024
30/08/2024

প্রিয় হাতিয়াবাসী,

আসসালামু আলাইকুম। আশা করি স্বাধীনতার নব সূর্যোদয়ের নতুন আলোতে আমরা স্বস্তির নিঃশ্বাস নিচ্ছি এবং প্রাচুর্যময় বাংলাদেশ তথা হাতিয়ার স্বপ্ন দেখছি।

একটি দেশের সমাজ ব্যবস্থাপনায় গণতান্ত্রিক চর্চা, বাক-স্বাধীনতা, মানবাধিকার হরণ যে কতটা যন্ত্রনার তা আমরা গত ১৬ বছর স্বৈরাচারীদের আচরনে টের পেয়েছি।

দেশপ্রেমী ব্রতী হয়ে মা-মাতৃভুমির টানে আমরা অনেকেই আমাদের মনের ইচ্ছের বহিঃপ্রকাশ করার স্বাধীনতাটুকুও হারিয়ে ছিলাম।তাই হয়তো হাতিয়ার গণ মানুষের অতি ভালোবাসার, গ্রহণযোগ্য একটি সামাজিক সংগঠন বিগত কয়েক বছর সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রেখেছিল শকুনের চাপে।

যে সংগঠনটি ২০১৮ সালের হাতিয়ার বেশ কিছু দেশপ্রেমী মানুষের যৌথ প্রচেষ্টায় যাত্রা শুরু করেছিলো। সম্মানিত শিক্ষক, সমাজসেবক, ব্যবসায়ী, প্রবাসী এবং মেধাবী তরুণদের সমন্বয়ে অতি অল্প সময়ের মধ্যে হাতিয়ার গণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছিলো। কিন্তু হিংসা ও রাজনৈতিক স্বৈরাচারী মনোভাবের কারনে বন্ধ করে দেয়া হয়েছিলো সংগঠনটিকে।

যার মাধ্যমে হাতিয়ার গরীব, দুঃখী, সুবিধাবঞ্চিত মানুষ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের নানা রকম সাহায্য সহযোগিতা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। এ সংগঠনের সাথে যুক্ত সকল এডমিনও মডারেটরদেরকে নানা রকম হয়রানি, হুমকি ধামকি দিয়ে নির্যাতন করেছিল। আমাদের বেশ কয়েকজন এডমিনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করেছিল। কয়েজনকে শারীরিক নির্যাতন ও মামলা হামলা করেছিল আর কয়েকজনকে বাড়িতে গিয়ে হুমকি দিয়েছিল যেন তারা বাড়ি থেকে বাহির না হয়।

এমন দমবন্ধ প্রতিকূল পরিবেশ থেকে মুক্তি পেতে আমরা অপেক্ষায় ছিলাম একটি সুদিনের। মহান রবের কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি এই দিনটা এত তাড়াতাড়ি ফিরে পেয়েছি বলে।

দ্বীপাঞ্চল হাতিয়া ফেসবুক গ্রুপ হাতিয়ার শিক্ষা, চিকিৎসা, বন্যার্ত ও অসহায় মানুষদের নিয়ে যে বৃহৎ মানবিক কর্মযজ্ঞ চালিয়েছিল।দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীর পড়াশুনার খরচ বহন, এতিম অনাথ শিশুদের মুখে হাসি ফুটানো, প্রতি ইদে সুবিধাবঞ্চিত শিশু ও পরিবারের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ, বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ, দুস্ত রোগীর চিকিৎসার ভার বহন, হাতিয়ার নানাবিধ সমস্যা সমাধানে দাবি তোলা, করোনা কালীন সময়ে কয়ক হাজার পরিবারের মাঝে সহযোগিতা প্রদান, অসহায় পরিবারকে সাবলম্বীকরন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনুদান সহ মানবিক কাজ গুলো পরিচালনা করেছিল পুরো দমে খুবই অল্প সময়ে।

কিন্তু দৃশ্যমান কালো অপশক্তির থাবায় আমরা চুপ হয়ে গেলেও আমরা দমে যায়নি। আমরা ফিরছি আগের চাইতে শক্তিশালী রূপে সেবার মানসিকতা নিয়ে। আশা করছি আমাদের এই শুভযাত্রায় আপনারা সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবেন আগের মত।

আমি, আপনি,আমরা মিলেই আমরা গড়বো স্বপ্নের সমৃদ্ধশালী হাতিয়া। পাশাপাশি হাতিয়ার যেকোনো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সংগঠকদেরও অনুরোধ করছি দ্বীপাঞ্চল হাতিয়ার মত আপনারাও যারা হাতিয়ার জন্য যারা নিঃস্বার্থ ও নিরলস ভাবে কাজ করতে চেয়েছেন সেটা আবার করতে থাকুন। আমরা আগের মত মানবতার কাজের তুমুল প্রতিযোগিতা চাই।আপনারা প্রত্যেকে যে যার অবস্থান থেকে আমাদের প্রাণের মাতৃভূমির জন্য কাজ শুরু করুন।

অবহেলিত হাতিয়ার শিক্ষা, চিকিৎসা, নদীভাঙ্গন, যাতায়াত, পর্যটন সহ সার্বিক বিষয় সহ নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতকরণে সব রকম ভেদাভেদ প্রতিকূলতা ডিঙিয়ে কাজ শুরু করেন। আমরা আশাবাদী আগামীর সমৃদ্ধির হাতিয়া বেশী দূরে নয়। জয় হোক হাতিয়াবাসীর, জয়হোক মানবতার।।

শুভেচ্ছান্তে-
দ্বীপাঞ্চল হাতিয়া পরিবার❤️

19/12/2023

কেউ মারা গেলে তার ওয়ারিশদের উপর চারটি করনীয়,

যা মৃতব্যক্তির নিজ সম্পদ থেকে আদায় করবে।
----------------------------------------------

- [x] কাফন-দাফনের ব্যবস্থা
- [x] ১) প্রথম, মৃত ব্যক্তির ওয়ারিশরা মৃত ব্যক্তির কাফন-দাফনের ব্যবস্থা করবে। মৃত ব্যক্তির নিজ সম্পদ থেকে।

- [x] ঋণ পরিশোধ
- [x] ২) দ্বিতীয়, তার সম্পত্তি, টাকাকড়ি থেকে তার কর্জ আদায় করতে হবে। কর্জ মানুষের হক। যতক্ষণ মানুষ মাফ করবে না, ততক্ষণ আল্লাহও মাফ করবেন না।

- [x] অসিয়ত বাস্তবায়ন করা
- [x] ৩) তৃতীয়, মৃতব্যক্তির বৈধ ওসিয়ত পূরণ করবে। যেমন কেউ ওসিয়ত করল, আমি মারা যাওয়ার পর আমার এই টাকাগুলো দিয়ে একটা মাদরাসা করে দেবে।

- [x] মিরাস বণ্টন করা
- [x] ৪) চতুর্থ, উপরের তিনটি কাজ করার পর যদি সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকে, ওয়ারিশের মাঝে বণ্টন করে দেবে। বিজ্ঞ আলেমের পরামর্শে যার যতটুকু প্রাপ্য ভাগ করে নেয়া।

15/12/2023

মিস্ওয়াক এর গুরুত্ব।

عَبْدُ اللهِ بْنُ يُوسُفَ قَالَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ عَنْ أَبِي الزِّنَادِ عَنِ الْأَعْرَجِ عَنْ

أَبِي هُرَيْرَةَأَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لَوْلَا أَنْ أَشُقَّ

عَلَى أُمَّتِي أَوْ عَلَى النَّاسِ لَأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ مَعَ كُلِّ صَلاَةٍ.

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমার উম্মাতের জন্য বা তিনি বলেছেন, লোকদের জন্য যদি কঠিন মনে না করতাম, তাহলে প্রত্যেক সালাতের সাথে তাদের মিস্‌ওয়াক করার হুকুম করতাম। (৭২৪০; মুসলিম ২/১৫, হাঃ ২৫২, আহমাদ ৭৪১৬) (আ.প্র. ৮৩৬, ই.ফা. ৮৪৩)

সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৮৮৭
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
সোর্স: আল হাদিস অ্যাপ, irdfoundation․com

Photos from দ্বীপাঞ্চল হাতিয়া/Dwipanchol Hatiya's post 27/07/2021

#সামাজিক_সংগঠন_ও_দ্বীপাঞ্চল_হাতিয়া:
প্রথমে আসা যাক সামাজিক সংগঠন প্রসঙ্গে। একটি রাষ্ট্র তথা সমাজের প্রাণ হলো সামাজিক সংগঠন। রাষ্ট্র বড় সংগঠন বা এর আঙ্গিক বৃহৎ বলে সমাজের নানা ক্ষুদ্র অতি ক্ষুদ্র নানাবিধ সামাজিক সমস্যাবলী নির্ধারণ বা তাৎক্ষণিক সমাধান করা রাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভবপর হয় না। ঠিক এখানটায় সামাজিক সংগঠনের উৎপত্তি। নিধেনপক্ষে সামাজিক সমস্যা নির্ণয় এবং এর সমাধানের পাশাপাশি বিভিন্ন মানবিক কর্মসূচি যেমন গৃহ নির্মাণ, মসজিদ, মকতব , মাদ্রাসা তৈরী করা, দারিদ্র্য বিমোচন, যাকাত সংগ্রহ ও বিতরণ, চিকিৎসা সহায়তা, রক্ত সংগ্রহ ও সরবরাহ, ঝড়-জলোচ্ছ্বাস বা অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানোসহ নানাবিধ কাজের আঞ্জাম দিয়ে থাকে সামাজিক প্রতিষ্ঠান। "দ্বীপাঞ্চল হাতিয়া" ও এর ব্যাতিক্রম নয়।

তাহলে সামাজিক সংগঠন কি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিপক্ষ? মোটেও নয়। রাজনৈতিক দলগুলোর অনেক আদর্শ উদ্দেশ্য থাকে । ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক দল ভিন্ন ভিন্ন আদর্শকে লালন করে দলীয় নির্দেশনা অনুযায়ী তা বাস্তবায়ন করে থাকে। অন্যদিকে সামাজিক সংগঠনগুলোতে ভিন্ন মতের ভিন্ন দলের ভিন্ন আদর্শের মানুষগুলো সমাজের সাধারণ মানুষের কল্যাণে অভিন্ন উদ্দেশ্য নিয়ে সমাজের নানাবিধ সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করে থাকে। অনেক সময় সাধারণ নাগরিক সমস্যার দাবী নিয়ে যখন সামাজিক সংগঠনগুলো সোচ্চার হয় তখন রাজনৈতিক দলগুলো সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতিপক্ষ ভাবতে শুরু করে, যা নিছকই ভুল বোঝাবুঝি। "দ্বীপাঞ্চল হাতিয়া" সবসময় সকল রাজনৈতিক চিন্তাধারার উর্ধ্বে গিয়ে হাতিয়ার মাটি ও মানুষের কল্যানে কাজ করে গেছে। আমাদের অজ্ঞাতে বা অসতর্কতায় যদি শিষ্টাচার বহির্ভূত কোন পোস্ট হয়েও থাকে তবে সেজন্য আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি একইসাথে সতর্ক থাকার প্রতিশ্রুতিও দিচ্ছি।

"দ্বী‌পাঞ্চল হাতিয়া" ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা:
আমরা দ্বীপাঞ্চল হাতিয়ার এডমিন প্যানেলের পক্ষ থেকে দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করতে চাই। "দ্বীপাঞ্চল হাতিয়া" কোন রাজনৈতিক আদর্শ উদ্দেশ্য বা চিন্তাধারাকে নির্ভর করে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কারো দ্বারা প্রভাবিতও নয়। ভবিষ্যতে ও প্রভাবিত হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। সংগঠনটির এডমিন প্যানেলে এমন কয়েকজন ছিলেন বা আছেন যাদের স্বতন্ত্র রাজনৈতিক পরিচয় আছে। কিন্তু দৃঢ়তার সাথে বলছি উনাদের রাজনৈতিক ফায়দা অর্জিত হয় এমন কোন পোস্ট গ্রুপের টাইম লাইনে যায়নি। সেটা সমানভাবে না আওয়ামী ঘরানার ব্যাক্তি বিশেষের না বিএনপি বা অন্য কোন দলের। কারো ব্যাক্তিগত টাইমলাইনের দায়ভার "দ্বীপাঞ্চল হাতিয়া" গ্রুপের উপর চাপিয়ে দেয়া অযৌক্তিক ও হাস্যকর হবে।

"দ্বীপাঞ্চল হাতিয়া" গ্রুপের এডমিন প্যানেলে প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আওয়ামী ঘরানার লোকজন সর্বাধিক সংখ্যায় ছিলেন। সেক্ষেত্রে যদি সরকার বিরোধী কোন অপতৎপরতা গ্রুপে থাকত তবে তা সবার আগে তারা জানতেন। চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলছি এডমিন প্যানেলে, ম্যাসেঞ্জারে বা কোথাও কখনোই রাজনৈতিক কোন আলোচনা হয়নি বরং স্বযত্নে রাজনীতি এড়িয়ে সামাজিক কাজের অগ্রগতি সংক্রান্ত আলোচনা হয়েছে। আমাদের সদ্য যে কোনভাবেই হোক গ্রুপ ত্যাগকারী শ্রদ্ধাভাজন রাজনীতি সম্পৃক্ত এডমিনগণ এর রাজস্বাক্ষী। যদি এর অন্যথা হয় তবে "দ্বীপাঞ্চল হাতিয়া" এর দায়ভার নিতে প্রস্তুত। বরং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হাতিয়ার যেকোন উন্নয়নে সন্মানিত এমপি মহোদয়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে "দ্বীপাঞ্চল হাতিয়া" অভিনন্দন জানিয়েছে।
যেহেতু সামাজিক সংগঠন সেহেতু আমরা রাস্তা সংস্কার, দ্বীপের শিক্ষা স্বাস্থ্য, যাতায়াত ব্যবস্থা নিয়ে দাবি দাওয়া জানিয়েছি। সেখানেও যদি শিষ্টাচার বহির্ভূত আচরণ থেকে থাকে আপনাদের পরামর্শ প্রত্যাশা করছি।

প্রত্যাশা ও প্রত্যয়ঃ
রাতারাতি ঘোষণা দিয়ে আওয়ামী পন্থী এডমিনদের গ্রুপ ত্যাগ না রাজনৈতিক দল না সামাজিক সংগঠন কারো জন্যই মঙ্গলজনক নয়। আমরা আশা করি আমাদের সন্মানিত এডমিনগন অচিরেই আমাদের সাথে যুক্ত হবেন। সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে এই গ্রুপকে কিভাবে রাজনৈতিক কর্মকান্ড থেকে মুক্ত রেখে একসাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সমাজ উন্নয়নে কাজ করা যায় তার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিবেন। কারো প্রতি উষ্মা বা ব্যাক্তিগত আক্রোশ নয় বরং হাতিয়ার মাটি ও মানুষের কল্যাণে কাজ করা প্রত্যেক সামাজিক সংগঠন কে যেমন আমরা সাধুবাদ জানাই তেমনি সকল রাজনৈতিক দল ও ব্যাক্তির প্রতিও আমাদের গভীর শ্রদ্ধাবোধ রয়েছে। সেই শ্রদ্ধার জায়গা থেকে বলছি, প্লিজ জলঘোলা করবেন না। যদি আমাদের কোন ধরনের পোস্ট, আচরণ আপনাদের পছন্দ না হয় অথবা শিষ্টাচার বহির্ভূত মনে হয় তবে আমাদের জানান, আমরা সাদরে গ্রহণ করব। পরামর্শ দিন, সহযোগিতা করুন, জাতীয় উন্নয়নে হাতিয়াকে সম্পৃক্ত করুন।
"রাজনীতি হোক রাজপথে, ময়দানে,
আমরা মায়া ছড়াই হৃদয় মননে।"

"দ্বীপাঞ্চল হাতিয়া" বিশ্বাস ও লালন করে রাজনৈতিক নেতৃত্ববিহীন কোন সমাজ বিনির্মাণ সম্ভব নয় তাই রাজনৈতিক লোকদের উস্কানিমূলক কোন কর্মকাণ্ডে লিপ্ত না থেকে সমস্যা তুলে ধরে তা সমাধানের জন্য বরাবরই রাজনীতিবীদদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। আসলে সহনশীলতা, ভুলে যাও ও ক্ষমাকর নীতি একটি সুন্দর সমাজ উপহার দিতে পারে। আমরা বিশ্বাস করে বর্তমান চলমান ভুল বুঝাবুঝি সেই নীতিকে অনুসরণ করবে।আমরা এও বিশ্বাস করি বর্তমানে হাতিয়ার নেতারা যদি না চাইতেন কিংবা পৃষ্ঠপোষকতা না করতেন তাহলে হাতিয়াতে এতগুলো সামাজিক সংগঠন হতো না! আসুন সকলে মিলে ভেদাভেদ ভুলে আগের মত সুন্দর সমাজ বিনির্মানে কাঁধে কাঁধ রেখে এগিয়ে যায়!

হাত পেতেছে তারা, খাবার দেবে কারা 03/07/2021

https://epaper.ajkerpatrika.com/textview/5387/881616464.html?fbclid=IwAR0Z9rAszh0hUfNUBN0-op5Tf8MONXSPgtiTEjQ-5drTIR8vRT4WPiqtWy8

হাত পেতেছে তারা, খাবার দেবে কারা সাইফুল মাসুম, ঢাকা‘বইয়া রইছি। এই কেউ কিছু দেলে খাই, নাইলে না খাইয়া থাহি। লকডাউনে আগের মতন কেউ কিছু দেয় না।’ বলছিলে.....

03/07/2021

কান্নার আর্তনাদ গুলো দায়িত্বশীলদের কর্ণকুহরে পৌঁছে দাও আল্লাহ।

Want your school to be the top-listed School/college in Hatiya?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Telephone

Website

Address


Noakhali
Hatiya
3890

Opening Hours

Monday 10:00 - 18:00
Tuesday 10:00 - 18:00
Wednesday 10:00 - 18:00
Thursday 10:00 - 18:00
Friday 10:00 - 18:00
Saturday 10:00 - 18:00
Sunday 10:00 - 18:00