এই লজ্জ্বা কার?
সহকারী প্রক্টর জনাব নাজমুল হোসাইনের বক্তব্যে পরিষ্কার কারা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান সংঘাতের পেছনে রয়েছে। উনি শুধু নামটা উল্লেখ করলেই হয়তো সেনা সদস্যদের উপস্থিতিতেই মবের শিকার হতেন। তো আপনারা যারা 'আমার বিশ্ববিদ্যালয় রক্তাক্ত কেন' মার্কা ছবি পোস্ট করছেন, তারা আসলে কার পারপাস সার্ভ করছেন, প্রশ্ন রয়ে গেল। নিজের মাথায় লবন দিয়ে অন্যকে বড়ই খেতে দিবেন না।
https://www.facebook.com/share/v/17GEwKqfim/
Chittagong University Updates
Here you will get the updates,circulars and news of University of Chittagong
আমি ২০০৯ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ক্যাম্পাস সাংবাদিকতা করেছি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এর আগেও অনেক ক্রিটিক্যাল সময় গেছে, তবে আজকের মতো পরিস্থিতি কখনো হয়নি। আজ যেসব শিক্ষার্থী সংঘ র্ষে জড়িয়েছেন এবং আহত হয়েছেন, তাঁদের অনেকেই ওই এলাকার ভৌগোলিক অবস্থান সম্পর্কেও কোনো ধারণা রাখেন না। আর সেই অজ্ঞতার খেসারত হিসেবে তাঁদের আহত হয়ে র ক্ত ঝরা তে হয়েছে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি থেকে শুরু করে প্রক্টর—সবার আচরণ আজ ছিল উদাসীন। আগের রাতের ঘটনার প্রেক্ষাপট কিংবা দেশের সামগ্রিক পরিবর্তিত পরিস্থিতি নিয়ে তাঁদের কোনো হোমওয়ার্ক ছিল না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর মধ্যে কোনো সমন্বয় ছিল না। ফলে সকাল থেকে যেভাবে যৌথ টহল ও নিরাপত্তা জোরদার করার কথা ছিল, গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে মোতায়েন থাকার কথা পুলিশের—তার কিছুই হয়নি। প্রশাসনে যারা আছেন, তাঁদের অনেকেরই কোনো ধারণা নেই, সংকটকালে কী করতে হবে।
প্রোভিসি কামাল সাহেব কোনো এসেসমেন্ট ছাড়াই কেন পুলিশ ছাড়া ঘটনাস্থলে গেলেন? কেন বারবার ফোন করেও পুলিশ পাওয়া গেল না? কেন আগের রাতের ঘটনার পর সেনাবাহিনীকে ক্যাম্পাসে রেখে সকালের পরিস্থিতি সামলানো হলো না? কেন বারবার সাবধান করার পরও প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নিল না, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করল না? কেন স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে হামলাকারীদের চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেওয়া হলো না? ভিসি স্যার ভালো মানুষ বটে, কিন্তু শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন। তাঁর পুরো প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে, এবং এই দায় তাঁর কাঁধেই বর্তায়।
অন্যদিকে, জুলাই অভ্যুত্থানকে বিক্রি করে যারা ক্যাম্পাসে নায়ক বনে গেছেন—যেসব শিক্ষক অন্যদের ‘দোসর’ আখ্যা দিয়ে বেড়াচ্ছেন—তাঁদের কাউকেই সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দেখা যায়নি। কারণ, তাঁরা জানেন না কীভাবে এই ধরনের পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হয়, কাকে ফোন করতে হয়, কীভাবে চাপ দিয়ে প্রশাসনকে কাজে লাগাতে হয়।
এই ক্রিটিক্যাল সময়ে কোনো শিক্ষক কিংবা প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির সক্রিয় উপস্থিতি ছিল না। ছাত্ররা একা মাঠে ছিল—আহত হয়েছে, কো পানো হয়েছে, আবার আবেগের বশে নিজেরাও লাঠিসোটা ও ধারালো অ স্ত্র নিয়ে সংঘ র্ষে নেমেছে। আর এর মাসুল আগামী দিনে ক্যাম্পাসের কটেজে থাকা সাধারণ শিক্ষার্থীদেরই দিতে হবে।
সামান্য একটি ঘটনার রেশ থেকে যদি এ রকম পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, তাহলে বর্তমান প্রশাসনের কপালে দুঃখ আছে, আর দুঃখ আছে চবির শিক্ষার্থীদেরও।
© এফ এম মিজানুর রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক, ডেইলি স্টার
বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান —
সামনে চাকসু নির্বাচন। আমি গতকাল থেকেই বারবার বলে আসছি, আপনারা ইউজড হচ্ছেন। ভোট টানার রাজনীতির বলি হচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এধরণের হিরন্ময় নীরবতা আমাদের শিক্ষা জীবনে আমরা কখনো প্রত্যক্ষ করি নি। প্রশাসন কেনো নীরব ছিল? কারণ প্রশাসনকে নীরব থাকতে বলা হয়েছিল ভোটের কারবারিদের পক্ষ থেকে। তাদের চাওয়া ছিল এলাকাবাসীর হাতে আপনারা পুরোদস্তুর নিগৃহীত হোন, বেদম মার খান, শারীরিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হোন। এরপর আপনাদের সেই রক্ত ও আঘাতকে পুঁজি করে শিবির ও ছাত্রদলের ছেলেরা রাজনীতি করবে। রাজনীতিটা কি? সহজ। আপনাদের হয়ে প্রতিশোধ নেওয়ার কথা বলে তারাও এলাকাবাসীর উপর চড়াও হবে। ফলশ্রুতিতে তাদের নেতাকর্মীরাও আহত হবে। এরপর আসবে ক্রেডিট নেওয়ার পালা, ডেডিকেশন ক্লেইম করার পালা। ছাত্রসংগঠনগুলো সংবাদ সম্মেলন বা মিডিয়া ব্যবহার করে তাদের আহত নেতাকর্মীদের লিস্ট প্রকাশ করতে থাকবে। পাল্লাপাল্লি লিস্ট প্রকাশ করার মধ্য দিয়ে তারা মূলত এটা প্রমাণ করার চেষ্টা করবে যে কোন সংগঠন কতটা শিক্ষার্থী বান্ধব! মাঝখানে ইগো হার্ট হয়ে বা ইজমের ঘেরাটোপে পরে কিংবা শিক্ষার্থী সত্তায় ট্রিগার্ড হয়ে একদম নিরীহ যারা আহত হয়েছেন ক্ষতিটা আপনাদের ব্যক্তি পর্যায়েই হয়েছে। আপনারা স্রেফ এক একটা মামুলি সংখ্যা। প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের রক্ত গরম জুনিয়ররা হিরোগিরি দেখাতে গিয়ে উল্কির মত একটা স্থায়ী ক্ষতচিহ্নই কেবল বয়ে বেড়াবেন জীবনভর এবং একটা পর্যায়ে কেবলই আফসোস করবেন। আগেও বহুবার বলেছি, বাংলাদেশের সবচেয়ে নোংরা রাজনীতির চর্চাটা চবিতে হয়। তার সর্ব নিকৃষ্ট রূপটি আপনারা গত এক দিনে প্রত্যক্ষ করেছেন। আধিপত্য ধরে রাখার নোংরা রাজনৈতিক খেলার গুটি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে গেছেন। সময়ের সাথে সাথে দেখবেন আহতদের কারো নাম উঠেছে শিবিরের লিস্টে, কারো নাম গেছে দলের তালিকায়। চিপায় পরে হাসফাঁস করছে আবেগী ও নির্দলীয় ছেলেটার ত্যাগ, ঘাম ও রক্তের প্রবাহ। সাধারণ শিক্ষার্থীদের পুঁজি করে যারা রাজনীতি করে তারা আপনাদের বারেবারে এভাবেই ধোঁকা দিতে থাকবে। চাকসু নির্বাচনে ভোটের লড়াইয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য যারা আপনাদের রক্ত ও জান কোরবান দিতেও কুণ্ঠাবোধ করছে না তাদের প্রতি সতর্ক হোন। আপনারা সবাই মেধাবী, দেশের সবচেয়ে অগ্রগামী তরুণ। আমি আশা করবো আপনারা অন্তত এতটুকু বুঝতে শিখবেন যে, সামান্য ভোটের ভাগে আধিপত্য ধরে রাখতে যারা আপনাদের জান ও মালকে ঠেলে দেয় রামদা'র কো/পের নিচে তাদের রাজনৈতিক প্রহসনকে আপনারা ভোটবাক্সেই সমুচিত জবাব দেন।
C.R. আবরার শাহরিয়ার
31/08/2025
‘নোংরা রাজনীতির ফাঁদে চবির সাধারণ শিক্ষার্থীরা’—
সবুজে ঢাকা পরিপাটি এই প্রাঙ্গণে ক্যাম্পাস রাজনীতির অলি-গলি বুঝতেই যেখানে বছর পাঁচেক চলে যায়, সেখানে চবিতে যারা রাজনৈতিক বন্দোবস্ত নিয়ে স্বপ্ন দেখছে এরা এখনও আবাল্য শিশুই বলা যায়। আবেগ আর রাজনীতি এক না। আবেগকে ইস্যু বানিয়ে রক্তপাত আর মারামারি রাজনীতির সবচেয়ে নিকৃষ্টতম পলিসি। শিক্ষার্থী ও এলাকার মানুষদের মধ্যে দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক তৈরির পেছনে কারা কল-কাঠি নাড়ছে তা ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করুন। যারা নাড়ছে , দেখা যাবে দু -এক সপ্তাহের মধ্যে আখের গোছা ঘরে নিয়ে ফিরবে। ধরে নিলাম এলাকাবাসী সবাই নিকৃষ্ট, বর্বর। কিন্তু তারা এদেশের নাগরিক। অন্যদিকে, শিক্ষার্থীরাও এরকম গ্রামীণ ( অশিক্ষিত) মানুষের ট্যাক্সের জমানো টাকায় ও সরকারের সাবসিডি সুবিধা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসেছে। এই সত্যটা কী আমরা ভুলে গেছি? বরং শিক্ষার্থীরা বিষয়টাকে সম্পূূর্ণ অন্যভাবে নিয়ে ইস্যুটিকে সাপে-নেউলে পর্যায়ে নিয়ে গেছে। কারণ প্রথমে সব সমস্যার সূত্রপাত ঘটে ব্যক্তিকেন্দ্রিক থেকে। বিষয়টা চরম দুঃখজনক ও হতাশাজনক ।
পারস্পরিক সহযোগিতা, সম্মানবোধ না থাকলে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কেউই শান্তিপূর্ণ অবস্থান করতে পারবে না এই ন্যূনতম জ্ঞানটা যতোদিন এখনকার শিক্ষার্থীদের মধ্যে আসবে না ততদিন এসব চলতে থাকবে।আর এটাকে পুঁজি করে চলবে নোংরা রাজনীতি।
💔💔
সদ্য বহিষ্কৃত চবির সাবেক ছাত্র ও ছাত্রলীগ নেতার জবাব
আমাদের ৮৪ জনকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করার জন্য তোমাদের ধন্যবাদ। ১৫ দিনের মধ্যে আত্মপক্ষ সমর্থন না করলে সনদ বাতিলের হুমকি দিয়েছে চবির প্রক্টর, সাবেক শিবির ক্যাডার তানভীর হায়দার আরিফ। তারমানে আপোষ না করলে ১৫ দিন পরে সনদ বাতিল করবে চবির জামাতি প্রশাসন।
সনদ তো স্রেফ একটা কাগজ, ডিগ্রি সম্পন্ন করার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতিপত্র। তোমরা কি ভেবেছো, সনদ বাতিলের ভয় দেখিয়ে নতিস্বীকার করাবা? আপোষে যাবো? অসম্ভব। সনদ তো সনদ, বাংলার মাটি থেকে জীবন বাতিল করে দিলেও জামাত শিবিরের সাথে কোন আপোষ হবে না।
কোন ভুল করি নি৷ কোন অপরাধ করি নি। তোমাদের বিরুদ্ধে আমাদের অসমাপ্ত সংগ্রাম চলছে, চলবে। এ বাংলার মাটিতে আল বদরের বিচার হয়েছে, লাল বদরের বিচারও একদিন হবে ইনশাআল্লাহ।
খারাপ লাগছে, খারাপ লাগবে। তবে সেসব একান্ত ব্যক্তিগত পর্যায়ে। আমার দেশের স্বাধীনতার অস্তিত্বই যেখানে বিপন্ন, সেখানে ব্যক্তিগত মন খারাপের চেয়ে দেশের সার্বভৌমত্বের স্বার্থে সামষ্টিক উদাহরণ তৈরি করা জরুরি। পরবর্তী প্রজন্ম জানবে, একজন ছাত্রের শিক্ষাজীবনের সর্বোচ্চ অর্জন বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক সনদপত্র বাতিল করা সত্ত্বেও কিছু পাগলা মানুষ ছিলো যারা স্বাধীনতা বিরোধী রাজাকার আল বদর আল শামস ছাত্র সংঘের ঔরসজাত পাকিবীর্যদের সাথে বিন্দুমাত্র আপোষ করে নি।
জয় বাংলা। জয় বঙ্গবন্ধু।
একাত্তর চিরজীবী হোক।
@আবরার শাহরিয়ার
১৩-১৪
★★ব্রেকিং ★★
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের
ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১লা মার্চ।
ঢাবির শিবির সভাপতি যেহেতু প্রকাশ্যে এসেছে সেহেতু একটি ব্যাপার নিশ্চিত যে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের শক্ত অবস্থান তৈরি হয়ে গিয়েছে। প্রশাসন, সমন্বয়ক, সাধারণ শিক্ষার্থী, সাংবাদিক প্রতিটি ক্ষেত্রে তার মানুষ শক্তি অবস্থা তৈরি করেছে।তারা আস্তে আস্তে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে আত্মপ্রকাশ করবে। দেখা যাবে চবিতে আমার বা আপনার পাশে থাকা মানুষটিও শিবির কর্মী ছিলো।
কিন্তু একটি ব্যাপার ভুলে গেলে হবেনা, আমরা রাজনীতি মুক্ত ক্যাম্পাস গড়ার স্বপ্ন নিয়েই রাজপথে নেমেছিলাম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম শহীদ মীর মুগ্ধ শিবির এবং ছাত্ররাজনীতির বিরুদ্ধে কথা বলে গিয়েছে। অন্তত তার এই আত্মত্যাগের সম্মানটুকু জানানোর জন্য আমাদের রাজনীতি মুক্ত ক্যাম্পাস গড়ার লক্ষ্যে অটল থাকতে হবে।
অথচ প্রথম যখন পেনশন স্কিম চালু করা হইলো আম-পাবলিকের জন্য, এই মালেরাই পেপারে তার পক্ষে সেই সেই আর্টিক্যাল লিখসে। লিখসে কি, রীতিমতো চুলচেড়া বিশ্লেষণে, 'যুগোপযোগী উদ্যোগ' তকমায় ভূষিত করছিলেন 👑
এখন নিজেদের উপর ব্যাপারটা আসতেই ভার্সিটির ক্লাস, ল্যাব, থিসিস সব বন্ধ কইরা দিয়া দিলো। আগের অন্যান্য আলাপ বাদই দিলাম - কোটার মতো যুক্তিযুক্ত আন্দোলনের সাতে পাঁচে নাই, পোলাপানের হল-গণরুম-ক্যান্টিনের বেহাল দশা নিয়া মাথাব্যাথা নাই। এখন সাদা দল,নীল দল সব দল একদম এক, নিজের ব্যক্তিগত,রাজনৈতিক স্বার্থের সময় তারা যার যার মতো কিং একেকজন 😂😂
আপনাদের স্যালুট প্রিয় রাজামশাইয়েরা। একদম হাতেগোনা কয়েকটা মাস্টার ছাড়া এই ভার্সিটিকুলের শিক্ষকদের প্রতি আমার, আমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা করার মতো কোনো জায়গাই নাই আর।
পেনশন স্কিম বাতিল করলে সবার জন্য করেন, চালু রাখলে সবার ভালো হওয়ার মতো করে করেন।
মনে রাখবেন, Injustice anywhere, is a threat to Justice everywhere!
@©® mahmud sabik
সকল চাকুরিতে সার্বজনীন পেনশন স্কিম বাস্তবায়িত হলে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের চাকুরি আর প্রাইভেট কোম্পানির চাকুরি অনেকটা একই মানে পরিনত হবে। সরকারি চাকুরি না পাওয়ার হতাশা ও সরকারি বেসরকারি প্রাতিষ্ঠানিক বৈষম্য কমবে। তখন হণ্যে হয়ে সরকারি চাকুরি খোঁজা বন্ধ হবে। সরকারি চাকুরিতে প্রতিযোগিতা তুলনামূলক কমবে এবং আকর্ষনীয় বেতনের কারনে প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের গুরুত্ব বাড়বে। ফলে চাকুরিতে প্রবেশে তদবির বানিজ্যেরও দৌরাত্ম কমবে। প্রকৃত মেধাবীরা সর্বাধিক নিয়োগ পাবে।
যারা সার্বজনীন পেনশনে যেতে আগ্রহী নয় তাদের সাথে সরকার সরাসরি আলোচনা করে কোম্পানির মালিকদের মত জানিয়ে দিতে পারে বর্তমান স্কিম সুবিধায় না পোষালো অন্য কোথাও যোগদান করুন।
সকল পর্যায়ে বৈষম্য কমুক। রাষ্ট্র গুটিকয়েক ব্যক্তিদের জন্য নয়, রাষ্ট্র সবার। সবাই মিলে ভালো থাকাটাই জীবনের সার্থকতা।
20/03/2023
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ইস্যুতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের ১০জন সাবেক সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ নেতৃবৃন্দের যৌথ বিবৃতি-
© Md. Mahbub Elahi
গীতিকারদের গান বিকৃতি ও অশ্রদ্ধা এবং শুভঙ্করের ফাঁকি
বাজারে নতুন গান এখন মানুষের হৃদয়কে স্পর্শ করতে পারে না। নতুন গানে নেই ভালো মানের কোনো লিরিক্স এবং সুর। উল্টো দেখা যায় কৃত্রিমতার ঝনঝনানি। বর্তমানে দেশে প্রতিদিনই হাজারও বাংলা গান প্রকাশ হচ্ছে। সব গানের বাজার এখন অনলাইন বা ওটিটি প্ল্যাটফর্মে। কিন্তু এসব আজকে বের হলে আগামীকাল হারিয়ে যাচ্ছে, শ্রোতাদের হৃদয়স্পর্শ করে দূরে থাক সম্পূর্ণ গানও কেউ শুনতে চায় না।
তাই আমরা যারা সাধারণ শ্রোতা আছি এখনও নব্বই দশক কিংবা আশির দশকের গানগুলোতে ডুবে থাকি। সেটা বাংলা ব্যান্ড, আধুনিক গান হেক কিংবা ফোক বা অাঞ্চলিক গান হোক। তখন সত্যিই গীতিকারদের বুকে শব্দ ছিল, আবেগ ছিলো, সুরকারদের ছিল মোহনীয় সুর। আর গায়কদের ছিল অকৃত্রিম কন্ঠ। তাই এসব গানগুলো কালকে অতিক্রম করে জয় করছে মানুষের মন। হয়ে উঠেছে কালজয়ী। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো এসব গানগুলোতে চোখ পড়েছে কিছু আনাড়ী মানের প্রযোজক, পরিচালক ও শিল্পীগোষ্ঠীদের। যাদের উদ্দেশ্য গানগুলো বিকৃতকরে উপস্থাপন করে টাকা ইনকাম করা।
তারা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে সেই পুরনো এবং কালজয়ী গানগুলোতে নতুনত্বের স্বাদ দিতে গিয়ে করে বসছেন ভয়াবহ অপরাধ। অপরাধ কেন বলছি কারণ গানের সুরতো পাল্টাচ্ছেন সাথে গীতি বা লিরিক্স পর্যন্ত পরিবর্তন করতে পরোয়া করছেন না কাউকেই। ফলে নতুন প্রজন্মদের কাছে উপস্থাপন করা হচ্ছে বিকৃত গান। অথচ যারা খোঁজ খবর না নিয়ে গানগুলো শুনবেন তারা ওই ভুলগানগুলোকে পরে সত্যবলে চালিয়ে দিবেন, প্রচার করবেন পরবর্তী প্রজন্মের কাছেও।
বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের বিশিষ্ট লোকশিল্পী, জনপ্রিয় লোক গানের রচয়িতা, সুরকার ও গায়ক ছিলেন আমান উল্লাহ গায়েন। তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন ২০১৬ সালে। তাঁর সুরে ও কথায় ১৯৯২ সালে ' লাল শাড়ি' নামক অ্যালবামে প্রথম ' অ কালা চান গলার মালা' গানটি বের হয়। গানটির গায়িকা চট্টগ্রামের আর এক জনপ্রিয় আঞ্চলিক গানের কিংবদন্তী বুলবুল আক্তার। এই দুইজন ব্যক্তিত্ব কক্সবাজারের। মূল গানটি শুনলে লক্ষ করা যাবে গানের আবেগ ও সুর পার্থ ও নিশিতা বড়ুয়ার গাওয়া গানের সাথে মিল নেই। youtube KHnLeCGROWI
বিশেষ করে দুঃখের সাথে বলতে হয় গানের লিরিক্সের বিকৃতি ঘটেছে। শেষ দুই প্যারা সম্পূর্ণ কেটে দিয়ে ইচ্ছে মতো নতুন লাইন বা পংক্তি ঢোকানো হয়েছে। এরচেয়ে দুঃখজনক আর কি হতে পারে?
সংগীত শিল্পী পার্থ বড়ুয়া দাদা ও নিশিতা বড়ুয়া দুজনই আমাদের কাছে জনপ্রিয়। পুরো চট্টগ্রামবাসীদের কাছে গর্বের শিল্পী। তাদের এ গানটি গাওয়ার আগে উচিত ছিল এবিষয়গুলো দেখার। সিনেমার কাহিনীর প্রয়োজনে কোনোভাবেই একটি কালজয়ী গানকে এমনভাবে বিকৃতি করে গাওয়া ঠিক হয়নি। অবাক করার বিষয় গানের মূল উৎস হিসেবে আমান উল্লাহ গায়েনের নাম বসানো হয়েছে।
youtube6t6Z37Qf7sA
যা রীতিমতো অসম্মানজনক কাজ। দেশের আইনে শিল্প সংঙ্গীতের কপিরাইট লঙ্গনকে কতকটুকু আমলে নেওয়া হয় তা আলোচনা সাপেক্ষ। কিংবা এই আইনের ব্যবহারটি কতকটুকু বাস্তবে ঘটে তাও প্রশ্ন সাপেক্ষ। হয়তো এমনও হতে পারে সিনেমার পরিচালক বা সংশ্লিষ্টগণ আমান উল্লাহ গায়েনের পরিবারকে দিয়েছেন শুভঙ্করের ফাঁকি।
হিমু বড়ুয়া ০৯.১১.২০২২
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Hathazari