07/06/2026
পবিত্র ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছুটি শেষে আগামীকাল, ০৮ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার পুনরায় শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে রহিমপুর দারুল কোরআন মাদরাসায়।
ইতোমধ্যে প্রিয় ছাত্র-ছাত্রী ও সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ মাদরাসায় আগমন শুরু করেছেন। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও সহপাঠীদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার আনন্দ, সম্মানিত শিক্ষকদের সান্নিধ্যে ফিরে আসার প্রত্যাশা এবং ইলমের আলোয় নিজেদের সমৃদ্ধ করার উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে উঠছে প্রিয় এই শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান।
ইলমের এই সুশোভিত বাগানের পরিশ্রমী মৌমাছিরা দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও জ্ঞানার্জনের পবিত্র অভিযাত্রায় শামিল হতে প্রস্তুত। ইনশাআল্লাহ, নতুন উদ্যম, শৃঙ্খলা ও একাগ্রতার মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে।
সকল শিক্ষার্থীকে যথাসময়ে মাদরাসায় উপস্থিত হয়ে নিয়মিত পাঠদান কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।
– কর্তৃপক্ষ
রহিমপুর দারুল কোরআন মাদরাসা
26/05/2026
বিসমিল্লাহ
জিলহজের নয় তারিখে করণীয় আমাল
ইফতার থেকে ইফতার পযন্ত
--------
আরবি তারিখ শুরু হয় সূর্যাস্ত থেকে। আট তারিখ ইফতারির সময় থেকে নয় তারিখের ফজিলত শুরু হয়ে যায়।
১. অত্যন্ত গুরুত্ব আর মহব্বতের সাথে ওজু করব। হাম্মাম (ওয়াশরূম)-এর দোয়া, সুন্নত, আদাব আদায় করব। ৮ তারিখে মাগরিবের আগে গুরুত্বের সাথে দোয়া করব। ইফতারির সময় দোয়া কবুল হয়। রোজাদার হলে সুন্নত মনে করে ইফতার করব। ইফতারিতে আগে বেজোড় খেজুর খাবো, তারপর তিনচুমুকে পানি-শরবত পান কর। দোয়া পড়ব।
২. দ্রুত মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে মাগরিব আদায় করব। মসজিদে প্রবেশ ও বের হওয়ার সুন্নত আদায় করব। দুই রাকাত সুন্নত ও নফল আদায় করব। সলাতপরবর্তী মাসনুন দোয়া-জিকির মহব্বতের সাথে আদায় করব।
৩. প্রতিটি ক্ষেত্রের দোয়া, জিকির, সুন্নত, আদাবগুলো গুরুত্ব ও মহব্বতের সাথে আদায় করব। কথাবার্তা, কাজকর্মের ফাঁকে ফাঁকে ইস্তেগফার-তাওবা, দুরুদ শরিফ, সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, লা হাওলা ওয়ালা কুউয়াতা ইল্লা বিল্লাহ, সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযীম পড়ব। বেশি বেশি তাকবীরে তাশরীক বলব।
৪. জিলহজ্ব মাসের নয় তারিখ ফজর থেকে নিয়ে তের যিলহজ্ব আসর পর্যন্ত (মোট ২৩ ওয়াক্ত) প্রত্যেক ফরয নামাযের পর নারী-পুরুষ সকলের জন্য একবার তাকবীরে তাশরীক বলা ওয়াজিব। তাকবীরে তাশরীক হল-
اللهُ أَكْبَرُ، اللهُ أَكْبَرُ، لَا إِلهَ إِلّا اللهُ، وَاللهُ أَكْبَرُ، اللهُ أَكْبَرُ، وَلِلهِ الْحَمْدُ.
৫. আগে আগে মসজিদে যাওয়ার চেষ্টা করব। ওজুর পর দুই রাকাত তাহিয়াতুল ওজু আদায় করব, মসজিদে প্রবেশের পর দুই রাকাত তাহিয়াতুল মসজিদ আদায় করব।
৬. ফরজ নামাজের আগে ও পরের সুন্নতগুলো গুরুত্ব আর মহব্বতের সাথে আদায় করব। ফরজ নামাদের আগের সুন্নতের নিয়তের সাথে মিলিয়ে তাহিয়াতুল ওজু ও তাহিয়াতুল মসজিদের নিয়তও করতে পারব।
৬. আজান ও ইকামতের জবাব দিব। আজান ও ইকামতের মাঝে দোয়া কবুল হয়। এই সময় বেশি বেশি দোয়া করব। পাঁচওয়াক্ত নামাজ মসজিদে জামাতের সাথে আদায় করব।
৭. ইশার পর যত দ্রুত সম্ভব ঘুমিয়ে পড়ব। শোয়ার আগে ওজু করে নিব। তাহাজ্জুদের নিয়তে কমপক্ষে দুই রাকাত নামাজ আদায় করব। শোয়ার সময় মাসনুন দোয়া-জিকির, সুন্নত-আদাবগুলো আদায় করব।
৮. বিতির নামাজ ভোররাতে তাহাজ্জুদের পর পড়ার চেষ্টা করব। গুরুত্ব আর মহব্বতের সাথে তাহাজ্জুদ আদায় করব। সম্ভব হলে ৮ রাকাত আদায় করব। তাহাজ্জুদের সুর করে দীর্ঘ কেরাত পড়ার চেষ্টা করব। মুনাজাতে চোখের পানি আনার আপ্রাণ চেষ্টা করব। তাহাজ্জুদের সুন্নত, আদাব, দোয়া-জিকিরগুলো আদায় করার চেষ্টা করব। সুন্নত মনে করে সাহরি খাবো। সাহরিতে নিত্যদিনের খাবারের সাথে খেজুর খাওয়ার চেষ্টা করব।
৯. গুরুত্বের সাথে ঘুমমুক্ত থেকে জামাতের সাথে ফজর পড়ার চেষ্টা করব। ফজরের পর ইশরাক পর্যন্ত জায়নামাজে থাকব। ইশরাক ও চাশতের নামাজ আদায় করব। উভয় নামাজ চার রাকাত করে পড়ার চেষ্টা করব। সকাল ও সন্ধ্যার মাসনুন আমলগুলো মহব্বত ও গুরুত্বের সাথে আদায় করব।
৮. সারাদিন যতবেশি সম্ভব কুরআন তিলাওয়াত করব। অন্তত কয়েকটা আয়াত অর্থ ও তাফসীরসহ পড়ার চেষ্টা করব। কয়েকটা হাদীস অর্থ ও ব্যাখ্যাসহ পড়ার চেষ্টা করব।
৯. সাধ্যমতো দান-খয়রাত করার চেষ্টা করব। আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করার চেষ্টা করব। মা-বাবার জন্য দোয়া করব। বিপদগ্রস্তকে সাহায্য করার চেষ্টা করব।
১০. কারো সাথে সম্পর্ক খারাপ থাকলে, শুধরে নেয়ার চেষ্টা করব। কয়েকজনকে ভালো কাজের দাওয়াত দিব। ইফতারের আগে দোয়া করব। সময়মতো ইফতার করব। রোজাদারকে ইফতার করনোর চেষ্টা করব। হাজি সাহেবগণ জিলহজের ৯ তারিখে রোজা না রাখা সুন্নত। হাজি সাহেবগণ জিলহজের নয় তারিখে যতবেশি সময় দোয়া-মুনাজাতে সময় কাটানোর চেষ্টা করবেন। অন্যরা বারবার তাওবা-ইস্তেগফার করব। দুরুদ শরীফ পাঠ করব।
রাব্বে কারীম আমাদেরকে আমল করার তাওফিক দান করুন।
রাব্বে কারীম আমাদের কাজে ইখলাস দান করুন।
রাব্বে কারীম আমাদের কাজকে রিয়ামুক্ত করে দিন।
ওয়াফফাকানাল্লাহ
জাযাকুমুল্লাহু খাইরান
রাদিয়াল্লাহু আনহুম ওয়া রাদু আনহু
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম
আতিকুল্লাহ
24/05/2026
শরিয়াহ আইন অনুযায়ী বলাৎকার/সমকামীতার শাস্তি হলো: যদি উভয়ের সম্মতিতে হয়, তাহলে উভয়কে হত্যা করা হবে। আর যদি জোরপূর্বক হয়, তাহলে যে করবে শুধু তাকে হত্যা করা হবে।
হত্যার পদ্ধতি হবে সবার জন্য শিক্ষানীয়, প্রকাশ্যে উঁচু পাহাড় থেকে ফেলে দিয়ে, কিংবা দুই পাথরের মাঝে রেখে পিশে ফেলা। এমন কঠোর শাস্তি প্রয়োগ নিশ্চিত করা গেলে আশা করি সমকামিতার মতো নিকৃষ্ট বিকৃত রুচির কাজ বন্ধ হবে।
তবে মনে রাখতে হবে ইসলামে সমকামীতার যে শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে তা দণ্ডবিধি হিসেবে ফৌজদারী আইন হিসেবে সংযুক্ত।
عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: مَنْ وَجَدْتُمُوهُ يَعْمَلُ عَمَلَ قَوْمِ لُوطٍ، فَاقْتُلُوا الْفَاعِلَ وَالْمَفْعُولَ بِهِ
হযরত ইবনে আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালাম ইরশাদ করেন, যাকে তোমরা কওমে লুতের কাজ করতে দেখো [সমকামিতা], তাহলে যে করে এবং যার সাথে করে উভয়কে হত্যা কর। [সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-২৫৬১, সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-৪৪৬২, সুনানে তিরমিজী, হাদীস নং-১৪৫৬]
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الَّذِي يَعْمَلُ عَمَلَ قَوْمِ لُوطٍ قَالَ: ارْجُمُوا الْأَعْلَى وَالْأَسْفَلَ، ارْجُمُوهُمَا جَمِيعًا
হযরত আবূ হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত। কওমে লুতের মত কার্যসম্পাদনকারী তথা সমকামীদের ব্যাপারে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন যে, এদের উপরের এবং নিচের উভয়কে পাথর মেরে হত্যা কর। [সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-২৫৬২]
21/05/2026
রহিমপুর দারুল কোরআন মাদরাসায় আসন্ন ঈদুল আজহা ও কোরবানি শীর্ষক মুবাহাসা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
হাটহাজারী থানার অধীন জান আলী চৌধুরী রহিমপুর দারুল কোরআন মাদরাসায় আসন্ন ঈদুল আজহা এবং কোরবানির তাৎপর্য, মাসায়েল ও গুরুত্ব শীর্ষক এক জ্ঞানগর্ভ মুবাহাসা (ডিবেট) ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাদরাসার কিতাব বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানে মাদরাসার কিতাব বিভাগের ছাত্ররা দুটি দলে বিভক্ত হয়ে মুবাহাসায় অংশ নেয়। আসন্ন ঈদুল আজহা এবং কোরবানির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক, মাসায়েল ও বর্তমান প্রেক্ষাপটে এর সঠিক আমল নিয়ে দু'দলের ছাত্ররাই অত্যন্ত চমৎকার, দলীলভিত্তিক এবং যুক্তিপূর্ণ প্রশ্নোত্তর ও আলোচনা উপস্থাপন করে। ছাত্রদের এমন সুন্দর ও তাত্ত্বিক উপস্থাপনা উপস্থিত সবার নজর কাড়ে।
অনুষ্ঠানটি মূলত প্রশ্নোত্তরের আদলে অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে কিতাব বিভাগের ছাত্ররা দুই দলে বিভক্ত হয়ে একে অপরের মুখোমুখি হয়। এক পক্ষ আসন্ন কোরবানি ও ঈদুল আজহার বিভিন্ন মৌলিক ও প্রয়োজনীয় বিষয়ের ওপর প্রশ্ন উত্থাপন করে, আর অপর পক্ষ কিতাবের নির্ভরযোগ্য দলীল ও ফিকহি যুক্তির আলোকে তার সমাধান পেশ করে। কোনো ধরনের উচ্চবাচ্য ছাড়াই অত্যন্ত সাবলীল ও আকর্ষণীয় উপায়ে তারা প্রতিটি জিজ্ঞাসার নিখুঁত উত্তর ফুটিয়ে তোলে। ছাত্রদের এই ক্ষুরধার মেধা, তাৎক্ষণিক জওয়াব ও গভীর ইলমি যোগ্যতা দেখে উপস্থিত শিক্ষক, বিচারক ও অতিথিদের মুগ্ধ করে এবং পুরো মিলনায়তনে এক দারুণ ইলমি আবহ তৈরি করে।
মাদরাসার জামে মসজিদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও আকর্ষণীয়ভাবে পরিচালনা করেন মাদরাসার সম্মানিত শিক্ষক মুফতি খাইরুল ইসলাম এবং বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুফতী ইব্রাহিম সাহেব। তাঁরা ছাত্রদের উপস্থাপিত দলীল ও যুক্তিসমূহ মূল্যায়ন করেন এবং মুবাহাসা পরিচালনা করেন।
মাদরাসার সহকারী পরিচালক মুফতী মাসউদুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে এই মুবাহাসায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, হাটহাজারী মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক মুফতী আব্দুল হামিদ সাহেব, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফতেপুর মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক মুফতী ওমর ফারুক জামিয়াতুশ শাইখ জমিরের মুহাদ্দিস মুফতী হাবিবুর রহমান সাহেব।
আরো উপস্থিত ছিলেন, মাদরাসার সহযোগী পরিচালক মুফতী আব্দুল আলী কারিমী, শিক্ষা পরিচালক মুফতী যুবায়ের, মুফতী হাসান, মুফতী ইমরান খান, মাওলানা আশরাফুল ইসলাম, মাস্টার ওসমান প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাটহাজারী মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক মুফতী আব্দুল হামিদ সাহেব বলেন, "কোরবানি আমাদের ত্যাগ ও তাকওয়ার শিক্ষা দেয়। কিতাবের ইলমকে মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হলে ছাত্রদের এই ধরনের ইলমি চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে।" এ সময় তিনি মাদরাসার সহকারী পরিচালক মুফতী মাসউদুর রহমান চৌধুরীর ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, মাদরাসার শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ছাত্রদের যোগ্য করে তুলতে তাঁর নানা সৃজনশীল চিন্তাধারা ও দূরদর্শী পদক্ষেপ সত্যিই প্রশংসনীয়।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ফতেপুর মাদরাসার সিনিয়র শিক্ষক মুফতী উমর ফারুক ছাত্রদের এমন যুগোপযোগী কার্যক্রমের জন্য বিশেষভাবে উৎসাহ প্রদান করেন। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আলেমদের ইলমের পাশাপাশি উপস্থাপনা শৈলীতেও পারদর্শী হতে হবে। জামিয়াতুশ শাইখ জমিরের মুহাদ্দিস মুফতী হাবিবুর রহমান সাহেব বলেন, বর্তমান যুগে সমাজে নানা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, এমন পরিস্থিতিতে কোরবানির সঠিক মাসায়েল যুক্তি ও দলীলের মাধ্যমে উপস্থাপনের যে যোগ্যতা ছাত্ররা দেখিয়েছে, তা সত্যিই অনন্য।
মুবাহাসা অনুষ্ঠানের সভাপতি বিশিষ্ট আলেম ও মাদরাসার সম্মানিত মুহতামিম মুফতী মাসউদুর রহমান চৌধুরী তাঁর সমাপনী বক্তব্যে ছাত্রদের মেধা ও দলীল উপস্থাপনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন:
"এ ধরনের মুবাহাসা ছাত্রদের মেধা বিকাশ ও সঠিক মাসায়েল চর্চায় দারুণ ভূমিকা রাখে। আসন্ন ঈদুল আজহা ও কোরবানির সঠিক শিক্ষা যেন সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানো যায়, সেই লক্ষ্যেই আমাদের এই আয়োজন।
অনুষ্ঠান শেষে তিনি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
21/05/2026
আজ রহিমপুর দারুল কোরআন মাদরাসায় আসন্ন ঈদুল আজহা এবং কোরবানির মাসআলা মাসায়েল শীর্ষক অত্যন্ত মনোজ্ঞা মুবাহাছার আয়োজন করা হয়েছে।
14/05/2026
মাদরাসার পরিচালিত সংস্কৃতি ফোরাম আন-নাদী আস-সাক্বাফী আল-ইসলামী কর্তৃক আয়োজিত পাক্ষিক সেমিনার চলছে।
13/05/2026
মাদরাসার দু'তলার কাজ দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে আলহামদুলিল্লাহ।
12/05/2026
দারুল কুরআন মাদ্রাসার মডেল হিফজ খানার কাজ চলমান।