খাঁপুর হাজী ধনেজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়

  • Home
  • Bangladesh
  • Hat Naogaon
  • খাঁপুর হাজী ধনেজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়

খাঁপুর হাজী ধনেজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয় এই পেইজটিত খাঁপুর হাজী ধনেজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়ের বিভিন্ন তথ্যাদি শিক্ষার্থীদের জন্য আপলোড করা হয়।

একদিন খলিফা হারুন-অর-রশীদ তাঁর রাজদরবারে বসে ছিলেন। তখন সেখানে উপস্থিত হলেন খলিফার অত্যন্ত প্রিয় এবং বিচক্ষণ ব্যক্তিত্ব ...
18/09/2026

একদিন খলিফা হারুন-অর-রশীদ তাঁর রাজদরবারে বসে ছিলেন। তখন সেখানে উপস্থিত হলেন খলিফার অত্যন্ত প্রিয় এবং বিচক্ষণ ব্যক্তিত্ব হযরত বহলুল (রহ.)। খলিফা তখন ভীষণ তৃষ্ণার্ত ছিলেন। তিনি দাসদেরকে এক গ্লাস পানি আনার নির্দেশ দিলেন।
একটু পরেই রাজকীয় পাত্রে খলিফার জন্য ঠান্ডা পানি আনা হলো। খলিফা যখন পানি পান করার জন্য গ্লাসটি হাতে নিলেন, তখন বহলুল (রহ.) তাঁকে থামিয়ে দিলেন।

বহলুল বললেন, হে আমিরুল মুমিনীন! পানি পান করার আগে আমার একটি প্রশ্নের উত্তর দিন।
খলিফা একটু অবাক হয়ে বললেন, বলো বহলুল, কী জানতে চাও?

বহলুল প্রশ্ন করলেন, মনে করুন, আপনি কোনো এক তীব্র গরমে বিশাল এক মরুভূমির মাঝে আটকা পড়েছেন। আপনার সাথে কোনো পানি নেই এবং পিপাসায় আপনার প্রাণ ওষ্ঠাগত। এমন সময় যদি কেউ এক গ্লাস পানি নিয়ে আপনার সামনে আসে, তবে সেই এক গ্লাস পানির বিনিময়ে আপনি তাকে কী দেবেন? আপনি আপনার সাম্রাজ্যের কতটা অংশ দিতে রাজি হবেন?

খলিফা একটুও চিন্তা না করে বললেন, যেহেতু পানি না পেলে আমি মারা যাব, তাই নিজের জীবন বাঁচাতে আমি আমার অর্ধেক রাজত্ব ওই এক গ্লাস পানির বিনিময়ে দিয়ে দেব।
বহলুল মুচকি হেসে বললেন, ঠিক আছে জাঁহাপনা, এবার আপনি বিসমিল্লাহ বলে পানিটুকু পান করুন।

খলিফা তৃপ্তি সহকারে পানিটুকু পান করলেন। পানি পান শেষ হতেই বহলুল (রহ.) আবার খলিফাকে প্রশ্ন করলেন, হে খলিফা! এবার আরেকটি প্রশ্নের উত্তর দিন। আপনি যে পানিটুকু পান করলেন, তা যদি কোনো কারণে আপনার শরীর থেকে প্রস্রাব বা ঘাম হয়ে বের হতে না পারে এবং তা আপনার শরীরের ভেতরেই আটকে যায়, তবে সেই পানি বের করার চিকিৎসার জন্য আপনি কতটা মূল্য দিতে রাজি হবেন?

খলিফা উত্তর দিলেন, শরীরে পানি আটকে গেলে তো আমি যন্ত্রণায় ছটফট করে মারা যাব। তাই এই রোগ থেকে মুক্তি পেতে আমি আমার বাকি অর্ধেক রাজত্বও দিয়ে দেব।
তখন হযরত বহলুল (রহ.) এক গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন

হে খলিফা! তাহলে ভেবে দেখুন, আপনার যে বিশাল সাম্রাজ্য নিয়ে আপনার এত অহংকার, তার মোট মূল্য হলো মাত্র এক গ্লাস পানি পান করা এবং তা শরীর থেকে বের করার সমান! যে নিয়ামত মহান আল্লাহ আপনাকে প্রতিদিন হাজারো বার বিনামূল্যে দিচ্ছেন, তার মূল্য আপনার পুরো রাজত্বের চেয়েও বেশি।

বহলুলের এই গভীর ও শিক্ষণীয় কথা শুনে খলিফা হারুন-অর-রশীদ স্তব্ধ হয়ে গেলেন এবং তাঁর চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ল। তিনি আল্লাহর দরবারে সেদিনের পর থেকে বেশি বেশি শুকরিয়া আদায় করা শুরু করলেন।

আমরা প্রতিনিয়ত আল্লাহর অসংখ্য নিয়ামতের মাঝে ডুবে থাকি। যেমন শ্বাস প্রশ্বাসের বাতাস, তৃষ্ণার পানি, চোখের আলো বা সুস্থতা। কিন্তু এগুলো সহজে পাই বলে আমরা কখনো এর মূল্য বুঝতে পারি না এবং শুকরিয়া আদায় করি না।

অথচ এই ছোট ছোট একেকটি নিয়ামত না থাকলে পৃথিবীর সমস্ত ধন-সম্পদ দিয়েও আমরা বেঁচে থাকতে পারতাম না। তাই আমাদের উচিত সর্বাবস্থায় আল্লাহর দেওয়া সব নিয়ামতের জন্য মন থেকে আলহামদুলিল্লাহ বলা।

ভালো থাকাটা একটা আর্ট। সবাই ভালো থাকতে জানে না। ভালো থাকতে যারা জানে না তারা অন্যকেও ভালো থাকতে দেখতে পারে না। ভালো থাকত...
17/09/2026

ভালো থাকাটা একটা আর্ট। সবাই ভালো থাকতে জানে না। ভালো থাকতে যারা জানে না তারা অন্যকেও ভালো থাকতে দেখতে পারে না।
ভালো থাকতে গেলে অপরকে অনুকরণ নয়, নিজের সাধ্যমত নিজেকে খুশি রাখাটা জরুরী, কারোর চোখে ভালো হওয়ার চেয়ে জরুরী নিজের জন্য কোনটা ভালো সেটা বোঝা ...
কারো চাপিয়ে দেওয়া অন্যায় মেনে নেওয়াকে সহনশীলতা ভেবে ভালো থাকাটাও যেমন ভালো থাকা না, তেমনি অপরের হাসি মুখ, খুশির প্রকাশ দেখে ঈর্ষান্বিত হলেও ভালো থাকা যায় না।
অনেক মানুষ আছে যাদের বিশেষ সামর্থ্য নেই, অথচ সেই সামান্যটুকুতেই তারা পরিপাটি করে খুশিতে থাকে, আবার প্রাচুর্য্য থাকা সত্ত্বেও কেউ কেউ এলোমেলো ভাবে, অপরিপাট্যে, গোমড়ামুখে দুঃখ দুঃখ ভাব নিয়ে জীবনযাপন করে।

ভালো থাকার জন্য যেমন একটা ভালো মনের খুব দরকার, দরকার ভালোভাবে বাঁচার ইচ্ছা .....
তেমনই দরকার একই ছাদের তলায় থাকা,একই অফিসে কাজ করা,একই দলে থাকা,একই এলাকায় থাকা মানুষদের পারস্পরিক সহযোগিতা।

এক গ্রামে করিম নামের এক ব্যক্তি বাস করত। করিমের স্বভাব ছিল অত্যন্ত কুটিল। গ্রামের শান্ত পরিবেশ তার ভালো লাগত না। সে সবসম...
17/09/2026

এক গ্রামে করিম নামের এক ব্যক্তি বাস করত। করিমের স্বভাব ছিল অত্যন্ত কুটিল। গ্রামের শান্ত পরিবেশ তার ভালো লাগত না। সে সবসময় চাইত মানুষের মধ্যে ঝামেলা লাগিয়ে রাখতে।

একজন গিয়ে অন্যজনের নামে মিথ্যা কথা বলা, হিংসা ছড়ানো এবং গুজব তৈরি করে সমাজকে অস্থিতিশীল রাখাই ছিল তার মূল কাজ। গ্রামের মানুষ সরল হওয়ায় প্রায়ই করিমের ফাঁদে পা দিয়ে নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করত। করিম একপাশে দাঁড়িয়ে তা দেখে আনন্দ পেত।

একই গ্রামে বাস করতেন এক বৃদ্ধ জ্ঞানী ব্যক্তি। তিনি করিমের এই স্বভাবের কথা জানতেন এবং তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু করিম উল্টো তাকেই অপমান করে তাড়িয়ে দেয়।

একদিন করিম ভাবল, গ্রামের সবচেয়ে সম্মানিত এবং ধনী দুই পরিবারের মধ্যে একটা বড় রকমের দাঙ্গা বাঁধাতে হবে। তাহলে পুরো গ্রাম পুরোপুরি অস্থিতিশীল হয়ে পড়বে। এই উদ্দেশ্যে সে গ্রামের এক কামারের কাছে গেল। কামার তখন লোহা পুড়িয়ে লাল করছিল।

করিম কামারকে বলল, ভাই, পাশের বাড়ির ওই বড় গৃহস্থ তো তোমার নামে সব জায়গায় বদনাম করছে। বলছে তুমি নাকি চোর, লোহা চুরি করো। সে কালকে লাঠিয়াল নিয়ে এসে তোমার দোকান ভেঙে দেবে।

কামার ছিল অত্যন্ত শান্ত ও বুদ্ধিমান মানুষ। সে করিমের স্বভাব সম্পর্কে আগে থেকেই সতর্ক ছিল। কামার শান্তভাবে বলল, করিম ভাই, মানুষের মনে হিংসার আগুন ছড়ানো খুব সহজ। কিন্তু মনে রেখো, যে অন্যকে পোড়ানোর জন্য আগুন জ্বালায়, সেই আগুন সবার আগে তাকেই পুড়িয়ে ছাই করে।

করিম কামারের কথায় কান না দিয়ে হাসতে হাসতে সেখান থেকে চলে গেল। কিন্তু যাওয়ার সময় সে এতটাই মগ্ন ছিল নিজের কুটিল বুদ্ধিতে যে, অসাবধানতাবশত তার পায়ের চাদরের একাংশ কামারের জ্বলন্ত চুল্লির কয়লার ওপর পড়ে গেল। করিম তা টের পায়নি।

সে যখন গ্রামের মাঝখান দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল, তখন চুল্লির সেই আগুন তার পুরো কাপড়ে ধরে যায়। তীব্র বাতাসে আগুন মুহূর্তের মধ্যে দাউদাউ করে জ্বলে ওঠে। করিম চিৎকার করতে করতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ল।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, করিম যাদের মধ্যে প্রতিনিয়ত ঝগড়া লাগিয়ে সমাজকে অশান্ত করে রাখত, সেই গ্রামবাসীরাই তার চিৎকার শুনে ছুটে এলো। তারা সবাই মিলে পানি ও ভেজা বস্তা দিয়ে করিমের আগুন নেভাল। আগুন নিভে গেলেও করিমের শরীরের অনেকখানি পুড়ে গেল এবং সে তীব্র যন্ত্রণায় ছটফট করতে লাগল।

সুস্থ হওয়ার পর করিম লজ্জিত মুখে গ্রামের মানুষের সামনে দাঁড়াল। সে বুঝতে পারল, সে যাদের ক্ষতি করতে চেয়েছিল, শেষ পর্যন্ত তারাই তাকে বাঁচিয়েছে। আর কামারের সেই কথাটি তার মনে গেঁথে গেল—সমাজকে অস্থিতিশীল করার যে বিষাক্ত বাতাস সে ছড়াচ্ছিল, সেই বাতাসই ঘুরে এসে তার নিজের ক্ষতি করেছে।

সমাজে যারা অশান্তি, গুজব এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, তারা সাময়িকভাবে সফল হলেও চূড়ান্ত পরিণতিতে নিজেরাই নিজেদের ধ্বংস ডেকে আনে।

দুষ্টু মানুষ সমাজকে ভাঙতে চাইলেও, বিপদের সময় সমাজের মানুষের পারস্পরিক ঐক্যই শান্তি বজায় রাখে।

আমার নতুন ফলোয়ারদের স্বাগত জানাই! আপনাদের ফলোয়ার হিসাবে পেয়ে আমি খুবই খুশি! RK RinKu, ভোরের সূর্য, Md Kamal Pasa, Saz...
16/09/2026

আমার নতুন ফলোয়ারদের স্বাগত জানাই! আপনাদের ফলোয়ার হিসাবে পেয়ে আমি খুবই খুশি! RK RinKu, ভোরের সূর্য, Md Kamal Pasa, Sazedur Rahman, Ma Mukul , Puron Chandra

আলহামদুলিল্লাহ ------আজ অত্র খাঁপুর হাজী ধনেজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়-এর নব গঠিত এডহক কমিটির সভাপতি ডাঃ মোঃ বদিউজ্জামান মুক...
16/09/2026

আলহামদুলিল্লাহ ------
আজ অত্র খাঁপুর হাজী ধনেজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়-এর নব গঠিত এডহক কমিটির সভাপতি ডাঃ মোঃ বদিউজ্জামান মুকুল সাহেবকে ও সদস্যদের ফুলেল শুভেচছা এবং সাবেক সভাপতি ও সদস্যদের বিদায়ী সংবর্ধনা জানানোর পর নতুন কমিটির ১ম সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় নতুন কমিটির নিকট প্রধান শিক্ষক ও নতুন সভাপতি সাহেব- শিক্ষকদের নিকট, বিদ্যালয় তথা শিক্ষকদের মঙ্গলার্থে নিজ নিজ প্রত্যাশার কথা জানিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন।
সভার মূল আকর্ষণ ছিলো সাবেক সভাপতি জনাব মোঃ আব্দুর রশীদ সাহেব ও মোঃ ফারুক হোসেন( নয়ন) এর বর্তমান কমিটিতে নাম না থাকা সত্বেও বিদ্যালয়ের প্রয়োজনে সব রকম সহযোগিতা করা ও শিক্ষকদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা। যা অভিনব, আমার শিক্ষক জীবনে এমনটা সচরাচর পরিলক্ষিত হয়নি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নতুন কমিটির সাথে সাবেক সভাপতি,সদস্যবৃন্দ কাজের আগ্রহ দেখাননা। আমার শিক্ষক জীবনে একে অপরকে প্রতিপক্ষ হতে দেখেছি,অনুভব করেছি। আজ তার ব্যতিক্রম কিছু অনুভব করলাম।
অবশেষে বিদ্যালয়ের একাউন্ট হোল্ডার পরিবর্তনসহ বেশ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে প্রথম সভার সফলভাবে সমাপ্তি ঘটে।

আজকের সমাবেশ মুহূর্ত। তাং ১৬/০৯/২০২৬ খ্রিঃ
16/09/2026

আজকের সমাবেশ মুহূর্ত।
তাং ১৬/০৯/২০২৬ খ্রিঃ

০৪ টি চিঠির মধ্যে ০১ টির সময় শেষ।
15/09/2026

০৪ টি চিঠির মধ্যে ০১ টির সময় শেষ।

15/09/2026

এর সাথে S.m. Rahiduzzaman – আমাকে এইমাত্র তার একজন অন্যতম সেরা ফ্যান হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে! 🎉

আজ ১৩/০৯/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ রোজ রবিবার সকাল ১০.৪০ টায় অত্র বিদ্যালয়ের  প্রতিষ্ঠাতা মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব শামসুদ্দিন ...
13/09/2026

আজ ১৩/০৯/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ রোজ রবিবার সকাল ১০.৪০ টায় অত্র বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব শামসুদ্দিন আহমেদ-এর সহধর্মীনি ও অত্র বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক জনাব মোসাঃ নাজমা বেগম বিদ্যালয়ে গমন করেন।
বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকের সাথে কুশলাদি বিনিময় ও দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
মাঝে মধ্যে বিদ্যালয়ের এমন খোঁজ নেওয়া ও সরেজমিনে বিদ্যালয় পরিদর্শন করার জন্য বিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ হতে অথিতিকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানানো হয়।
পরিশেষে সকলকে শুভকামনা জানিয়ে সম্মানিত শিক্ষক ( সাবেক) বিদ্যালয় ত্যাগ করেন।

Address

Naogaon/-Najipur
Hat Naogaon

Telephone

+8801309123349

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when খাঁপুর হাজী ধনেজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to খাঁপুর হাজী ধনেজ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়:

Shortcuts

Share

Category