Habiganj polytechnic inistitute

Habiganj polytechnic inistitute

Comments

এইস এস সি এবং ডিপ্লোমা পাসকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য এডমিশন ফী মাত্র 5800 টাকায় ভর্তি চলছে সামার ২০২২ সেমিস্টারে সিটি ইউনিভার্সিটিতে। সাথে থাকছে আরও কিছু স্পেশাল স্কলারশিপ এর ব্যবস্থা।।।। ভর্তির শেষ তারিখ 14আগস্ট ২০২২ পর্যন্ত।। পরের সেমিস্টার থেকে এডমিশন ফি 10800 টাকা।। এজন্য যারা এখনো কোথাও এডমিশন নিতে পারেন নি তারা এই অফার গ্রহন করুন।।।।। তাছাড়াও কম টিউশন ফি থাকার কারনে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থীরা খুব অল্প খরচে বিএসসি কমপ্লিট করার সুযোগ পাচ্ছে।।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পাসকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য জবের পাশাপাশি বিএসসি কমপ্লিট করার সুবর্ণ সুযোগ সিটি ইউনিভার্সিটিতে।।

# ডিপ্লোমা যাদের অষ্টম পর্ব শেষ হয়েছে, অষ্টম পর্বের মার্কশীট ছাড়াও এডমিশন নিতে পারবেন।।

কোর্সসমূহঃ
1.EEE
2. TEXTILE
3. CSE
4. ME
5.CIVIL
6. Agriculture
7. BBA
8. ENGLISH
9. LLB
10. LLM
11. MBA

আরো বিস্তারিত জানতে নিচে দেওয়া নাম্বারে কল করুন অথবা ইনবক্স করুনঃ

01621271915
ময়মনসিংহ এর কোন ছোট ভাই কলেজের আসেপাসে থাকলে নক দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হল।
Hsc to deploma 3rd semester er apply korechilam , result kundin prokash hobe plz jante chai
Hobigonj polytecnic a ki computer technology r ontorvukto data communication and networking ache ?
Nice

Habiganj Polytechnic Institute is situated at Gopaya village along the Dhuliakhal.

Operating as usual

27/01/2023

পলিটেকনিক ভর্তি বিষয়ে নোটিশ ।

21/11/2022

HPI Campus ❤

30/08/2021

#বাংলা_যুক্ত_বর্ণ
১. ক্ষ = ক+ষ
২. ষ্ণ = ষ+ণ
৩. জ্ঞ = জ+ঞ
৪. ঞ্জ = ঞ+জ
৫. হ্ম = হ+ম
৬. ঞ্চ = ঞ+চ
৭. ঙ্গ = ঙ+গ
৮. ঙ্ক = ঙ+ক
৯. ট্ট = ট + ট
১০. ক্ষ্ম = ক্ষ + ম = ‍ক + ষ + ম
১১. হ্ন = হ + ন
১২. হ্ণ = হ + ণ
১৩. ব্ধ = ব + ধ
১৪. ক্র = ক + ্র (র-ফলা)
১৫. গ্ধ = গ + ধ
১৬. ত্র = ত + ্র (র-ফলা)
১৭. ক্ত = ক + ত
১৮. ক্স = ক + স
১৯. ত্থ = ত + থ (উদাহরন: উত্থান, উত্থাপন)
২০. ত্ত = ত + ত (উদাহরন: উত্তম, উত্তর, সত্তর)
২১. ত্ম = ত + ম (উদাহরন: মাহাত্ম্য)

নিচের যুক্তবর্ণের তালিকাটি বাংলা সঠিকভাবে লিখতে সহায়ক হতে পারে।
এখানে বাংলায় ব্যবহৃত ২৮৫টি যুক্তবর্ণ দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে কোন যুক্তবর্ণ সম্ভবত বাংলায়
প্রচলিত নয়।
ক্ক = ক + ক; যেমন- আক্কেল, টেক্কা
ক্ট = ক + ট; যেমন- ডক্টর (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
ক্ট্র = ক + ট + র; যেমন- অক্ট্রয়
ক্ত = ক + ত; যেমন- রক্ত
ক্ত্র = ক + ত + র; যেমন- বক্ত্র
ক্ব = ক + ব; যেমন- পক্ব, ক্বণ
ক্ম = ক + ম; যেমন- রুক্মিণী
ক্য = ক + য; যেমন- বাক্য
ক্র = ক + র; যেমন- চক্র
ক্ল = ক + ল; যেমন- ক্লান্তি
ক্ষ = ক + ষ; যেমন- পক্ষ
ক্ষ্ণ = ক + ষ + ণ; যেমন- তীক্ষ্ণ
ক্ষ্ব = ক + ষ + ব; যেমন- ইক্ষ্বাকু
ক্ষ্ম = ক + ষ + ম; যেমন- লক্ষ্মী
ক্ষ্ম্য = ক + ষ + ম + য; যেমন- সৌক্ষ্ম্য
ক্ষ্য = ক + ষ + য; যেমন- লক্ষ্য
ক্স = ক + স; যেমন- বাক্স
খ্য = খ + য; যেমন- সখ্য
খ্র = খ+ র যেমন; যেমন- খ্রিস্টান
গ্ণ = গ + ণ; যেমন - রুগ্ণ
গ্ধ = গ + ধ; যেমন- মুগ্ধ
গ্ধ্য = গ + ধ + য; যেমন- বৈদগ্ধ্য
গ্ধ্র = গ + ধ + র; যেমন- দোগ্ধ্রী
গ্ন = গ + ন; যেমন- ভগ্ন
গ্ন্য = গ + ন + য; যেমন- অগ্ন্যাস্ত্র,
অগ্ন্যুৎপাত, অগ্ন্যাশয়
গ্ব = গ + ব; যেমন- দিগ্বিজয়ী
গ্ম = গ + ম; যেমন- যুগ্ম
গ্য = গ + য; যেমন- ভাগ্য
গ্র = গ + র; যেমন- গ্রাম
গ্র্য = গ + র + য; যেমন- ঐকাগ্র্য, সামগ্র্য, গ্র্যাজুয়েট
গ্ল = গ + ল; যেমন- গ্লানি
ঘ্ন = ঘ + ন; যেমন- কৃতঘ্ন
ঘ্য = ঘ + য; যেমন- অশ্লাঘ্য
ঘ্র = ঘ + র; যেমন- ঘ্রাণ
ঙ্ক = ঙ + ক; যেমন- অঙ্ক
ঙ্ক্ত = ঙ + ক + ত; যেমন- পঙ্ক্তি
ঙ্ক্য = ঙ + ক + য; যেমন- অঙ্ক্য
ঙ্ক্ষ = ঙ + ক + ষ; যেমন- আকাঙ্ক্ষা
ঙ্খ = ঙ + খ; যেমন- শঙ্খ
ঙ্গ = ঙ + গ; যেমন- অঙ্গ
ঙ্গ্য = ঙ + গ + য; যেমন- ব্যঙ্গ্যার্থ, ব্যঙ্গ্যোক্তি
ঙ্ঘ = ঙ + ঘ; যেমন- সঙ্ঘ
ঙ্ঘ্য = ঙ + ঘ + য; যেমন- দুর্লঙ্ঘ্য
ঙ্ঘ্র = ঙ + ঘ + র; যেমন- অঙ্ঘ্রি
ঙ্ম = ঙ + ম; যেমন- বাঙ্ময়
চ্চ = চ + চ; যেমন- বাচ্চা
চ্ছ = চ + ছ; যেমন- ইচ্ছা
চ্ছ্ব = চ + ছ + ব; যেমন- জলোচ্ছ্বাস
চ্ছ্র = চ + ছ + র; যেমন- উচ্ছ্রায়
চ্ঞ = চ + ঞ; যেমন- যাচ্ঞা
চ্ব = চ + ব; যেমন- চ্বী
চ্য = চ + য; যেমন- প্রাচ্য
জ্জ = জ + জ; যেমন- বিপজ্জনক
জ্জ্ব = জ + জ + ব; যেমন- উজ্জ্বল
জ্ঝ = জ + ঝ; যেমন- কুজ্ঝটিকা
জ্ঞ = জ + ঞ; যেমন- জ্ঞান
জ্ব = জ + ব; যেমন- জ্বর
জ্য = জ + য; যেমন- রাজ্য
জ্র = জ + র; যেমন- বজ্র
ঞ্চ = ঞ + চ; যেমন- অঞ্চল
ঞ্ছ = ঞ + ছ; যেমন- লাঞ্ছনা
ঞ্জ = ঞ + জ; যেমন- কুঞ্জ
ঞ্ঝ = ঞ + ঝ; যেমন- ঝঞ্ঝা
ট্ট = ট + ট; যেমন- চট্টগ্রাম
ট্ব = ট + ব; যেমন- খট্বা
ট্ম = ট + ম; যেমন- কুট্মল
ট্য = ট + য; যেমন- নাট্য
ট্র = ট + র; যেমন- ট্রেন (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
ড্ড = ড + ড; যেমন- আড্ডা
ড্ব = ড + ব; যেমন- অন্ড্বান
ড্য = ড + য; যেমন- জাড্য
ড্র = ড + র; যেমন- ড্রাইভার, ড্রাম(মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
ড়্গ = ড় + গ; যেমন- খড়্গ
ঢ্য = ঢ + য; যেমন- ধনাঢ্য
ঢ্র = ঢ + র; যেমন- মেঢ্র (ত্বক) (মন্তব্য: অত্যন্ত বিরল)
ণ্ট = ণ + ট; যেমন- ঘণ্টা
ণ্ঠ = ণ + ঠ; যেমন- কণ্ঠ
ণ্ঠ্য = ণ + ঠ + য; যেমন- কণ্ঠ্য
ণ্ড = ণ + ড; যেমন- গণ্ডগোল
ণ্ড্য = ণ + ড + য; যেমন- পাণ্ড্য
ণ্ড্র = ণ + ড + র; যেমন- পুণ্ড্র
ণ্ঢ = ণ + ঢ; যেমন- ষণ্ঢ
ণ্ণ = ণ + ণ; যেমন- বিষণ্ণ
ণ্ব = ণ + ব; যেমন- স্হাণ্বীশ্বর
ণ্ম = ণ + ম; যেমন- চিণ্ময়
ণ্য = ণ + য; যেমন- পূণ্য
ৎক = ত + ক; যেমন- উৎকট
ত্ত = ত + ত; যেমন- উত্তর
ত্ত্ব = ত + ত + ব; যেমন- সত্ত্ব
ত্ত্য = ত + ত + য; যেমন- উত্ত্যক্ত
ত্থ = ত + থ; যেমন- অশ্বত্থ
ত্ন = ত + ন; যেমন- যত্ন
ত্ব = ত + ব; যেমন- রাজত্ব
ত্ম = ত + ম; যেমন- আত্মা
ত্ম্য = ত + ম + য; যেমন- দৌরাত্ম্য
ত্য = ত + য; যেমন- সত্য
ত্র = ত + র যেমন- ত্রিশ, ত্রাণ
ত্র্য = ত + র + য; যেমন- বৈচিত্র্য
ৎল = ত + ল; যেমন- কাৎলা
ৎস = ত + স; যেমন- বৎসর, উৎসব
থ্ব = থ + ব; যেমন- পৃথ্বী
থ্য = থ + য; যেমন- পথ্য
থ্র = থ + র; যেমন- থ্রি (three) (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
দ্গ = দ + গ; যেমন- উদ্গম
দ্ঘ = দ + ঘ; যেমন- উদ্ঘাটন
দ্দ = দ + দ; যেমন- উদ্দেশ্য
দ্দ্ব = দ + দ + ব; যেমন- তদ্দ্বারা
দ্ধ = দ + ধ; যেমন- রুদ্ধ
দ্ব = দ + ব; যেমন- বিদ্বান
দ্ভ = দ + ভ; যেমন- অদ্ভুত
দ্ভ্র = দ + ভ + র; যেমন- উদ্ভ্রান্ত
দ্ম = দ + ম; যেমন- ছদ্ম
দ্য = দ + য; যেমন- বাদ্য
দ্র = দ + র; যেমন- রুদ্র
দ্র্য = দ + র + য; যেমন- দারিদ্র্য
ধ্ন = ধ + ন; যেমন- অর্থগৃধ্নু
ধ্ব = ধ + ব; যেমন- ধ্বনি
ধ্ম = ধ + ম; যেমন- উদরাধ্মান
ধ্য = ধ + য; যেমন- আরাধ্য
ধ্র = ধ + র; যেমন- ধ্রুব
ন্ট = ন + ট; যেমন- প্যান্ট (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
ন্ট্র = ন + ট + র; যেমন- কন্ট্রোল (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
ন্ঠ = ন + ঠ; যেমন- লন্ঠন
ন্ড = ন + ড; যেমন- গন্ডার, পাউন্ড
ন্ড্র = ন + ড + র; যেমন- হান্ড্রেড
ন্ত = ন + ত; যেমন- জীবন্ত
ন্ত্ব = ন + ত + ব; যেমন- সান্ত্বনা
ন্ত্য = ন + ত + য; যেমন- অন্ত্য
ন্ত্র = ন + ত + র; যেমন- মন্ত্র
ন্ত্র্য = ন + ত + র + য; যেমন- স্বাতন্ত্র্য
ন্থ = ন + থ; যেমন- গ্রন্থ
ন্থ্র = ন + থ + র; যেমন- অ্যান্থ্রাক্স
(মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
ন্দ = ন + দ; যেমন- ছন্দ
ন্দ্য = ন + দ + য; যেমন- অনিন্দ্য
ন্দ্ব = ন + দ + ব; যেমন- দ্বন্দ্ব
ন্দ্র = ন + দ + র; যেমন- কেন্দ্র
ন্ধ = ন + ধ; যেমন- অন্ধ
ন্ধ্য = ন + ধ + য; যেমন- বিন্ধ্য
ন্ধ্র = ন + ধ + র; যেমন- রন্ধ্র
ন্ন = ন + ন; যেমন- নবান্ন
ন্ব = ন + ব; যেমন- ধন্বন্তরি
ন্ম = ন + ম; যেমন- চিন্ময়
ন্য = ন + য; যেমন- ধন্য
প্ট = প + ট; যেমন- পাটি-সাপ্টা, ক্যাপ্টেন (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
প্ত = প + ত; যেমন- সুপ্ত
প্ন = প + ন; যেমন- স্বপ্ন
প্প = প + প; যেমন- ধাপ্পা
প্য = প + য; যেমন- প্রাপ্য
প্র = প + র; যেমন- ক্ষিপ্র
প্র্য = প + র + য; যেমন- প্র্যাকটিস (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
প্ল = প + ল; যেমন-আপ্লুত
প্স = প + স; যেমন- লিপ্সা
ফ্র = ফ + র; যেমন- ফ্রক, ফ্রিজ, আফ্রিকা, রেফ্রিজারেটর (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
ফ্ল = ফ + ল; যেমন- ফ্লেভার (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
ব্জ = ব + জ; যেমন- ন্যুব্জ
ব্দ = ব + দ; যেমন- জব্দ
ব্ধ = ব + ধ; যেমন- লব্ধ
ব্ব = ব + ব; যেমন- ডাব্বা
ব্য = ব + য; যেমন- দাতব্য
ব্র = ব + র; যেমন- ব্রাহ্মণ
ব্ল = ব + ল; যেমন- ব্লাউজ
ভ্ব =ভ + ব; যেমন- ভ্বা
ভ্য = ভ + য; যেমন- সভ্য
ভ্র = ভ + র; যেমন- শুভ্র
ম্ন = ম + ন; যেমন- নিম্ন
ম্প = ম + প; যেমন- কম্প
ম্প্র = ম + প + র; যেমন- সম্প্রতি
ম্ফ = ম + ফ; যেমন- লম্ফ
ম্ব = ম + ব; যেমন- প্রতিবিম্ব
ম্ব্র = ম + ব + র; যেমন- মেম্ব্রেন (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
ম্ভ = ম + ভ; যেমন- দম্ভ
ম্ভ্র = ম + ভ + র; যেমন- সম্ভ্রম
ম্ম = ম + ম; যেমন- সম্মান
ম্য = ম + য; যেমন- গ্রাম্য
ম্র = ম + র; যেমন- নম্র
ম্ল = ম + ল; যেমন- অম্ল
য্য = য + য; যেমন- ন্যায্য
র্ক = র + ক; যেমন - তর্ক
র্ক্য = র + ক + য; যেমন- অতর্ক্য (তর্ক দিয়ে যার সমাধান হয় না)
র্গ্য = র + গ + য; যেমন - বর্গ্য (বর্গসম্বন্ধীয়)
র্ঘ্য = র + ঘ + য; যেমন- দৈর্ঘ্য
র্চ্য = র + চ + য; যেমন- অর্চ্য (পূজনীয়)
র্জ্য = র + জ + য; যেমন- বর্জ্য
র্ণ্য = র + ণ + য; যেমন- বৈবর্ণ্য (বিবর্ণতা)
র্ত্য = র + ত + য; যেমন- মর্ত্য
র্থ্য = র + থ + য; যেমন- সামর্থ্য
র্ব্য = র + ব + য; যেমন- নৈর্ব্যক্তিক
র্ম্য = র + ম + য; যেমন- নৈষ্কর্ম্য
র্শ্য = র + শ + য; যেমন- অস্পর্শ্য
র্ষ্য = র + ষ + য; যেমন- ঔৎকর্ষ্য
র্হ্য = র + হ + য; যেমন- গর্হ্য
র্খ = র + খ; যেমন- মূর্খ
র্গ = র + গ; যেমন- দুর্গ
র্গ্র = র + গ + র; যেমন- দুর্গ্রহ, নির্গ্রন্হ
র্ঘ = র + ঘ; যেমন- দীর্ঘ
র্চ = র + চ; যেমন- অর্চনা
র্ছ = র + ছ; যেমন- মূর্ছনা
র্জ = র + জ; যেমন- অর্জন
র্ঝ = র + ঝ; যেমন- নির্ঝর
র্ট = র + ট; যেমন- আর্ট, কোর্ট, কম্ফর্টার, শার্ট, কার্টিজ, আর্টিস্ট, পোর্টম্যানটো, সার্টিফিকেট, কনসার্ট, কার্টুন, কোয়ার্টার (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
র্ড = র + ড; যেমন- অর্ডার, লর্ড, বর্ডার, কার্ড (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
র্ণ = র + ণ; যেমন- বর্ণ
র্ত = র + ত; যেমন- ক্ষুধার্ত
র্ত্র = র + ত + র; যেমন- কর্ত্রী
র্থ = র + থ; যেমন- অর্থ
র্দ = র + দ; যেমন- নির্দয়
র্দ্ব = র + দ + ব; যেমন- নির্দ্বিধা
র্দ্র = র + দ + র; যেমন- আর্দ্র
র্ধ = র + ধ; যেমন- গোলার্ধ
র্ধ্ব = র + ধ + ব; যেমন- ঊর্ধ্ব
র্ন = র + ন; যেমন- দুর্নাম
র্প = র + প; যেমন- দর্প
র্ফ = র + ফ; যেমন- স্কার্ফ (মন্তব্য: মূলত ইংরেজি ও আরবী-ফার্সি কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
র্ভ = র + ভ; যেমন- গর্ভ
র্ম = র + ম; যেমন- ধর্ম
র্য = র + য; যেমন- আর্য
র্ল = র + ল; যেমন- দুর্লভ
র্শ = র + শ; যেমন- স্পর্শ
র্শ্ব = র+ শ + ব; যেমন- পার্শ্ব
র্ষ = র + ষ; যেমন- ঘর্ষণ
র্স = র + স; যেমন- জার্সি, নার্স,
পার্সেল, কুর্সি (মন্তব্য: মূলত ইংরেজি ও আরবী-ফার্সি কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
র্হ = র + হ; যেমন- গার্হস্থ্য
র্ঢ্য = র + ঢ + য; যেমন- দার্ঢ্য (অর্থাৎ দৃঢ়তা)
ল্ক = ল + ক; যেমন- শুল্ক
ল্ক্য = ল + ক + য; যেমন- যাজ্ঞবল্ক্য
ল্গ = ল + গ; যেমন- বল্গা
ল্ট = ল + ট; যেমন- উল্টো
ল্ড = ল + ড; যেমন- ফিল্ডিং (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
ল্প = ল + প; যেমন- বিকল্প
ল্ফ = ল + ফ; যেমন- গল্ফ (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
ল্ব = ল + ব; যেমন- বিল্ব, বাল্ব
ল্ভ = ল + ভ; যেমন- প্রগল্ভ
ল্ম = ল + ম; যেমন- গুল্ম
ল্য = ল + য; যেমন- তারল্য
ল্ল = ল + ল; যেমন- উল্লাস
শ্চ = শ + চ; যেমন- পুনশ্চ
শ্ছ = শ + ছ; যেমন- শিরশ্ছেদ
শ্ন = শ + ন; যেমন- প্রশ্ন
শ্ব = শ + ব; যেমন- বিশ্ব
শ্ম = শ + ম; যেমন- জীবাশ্ম
শ্য = শ + য; যেমন- অবশ্য
শ্র = শ + র; যেমন- মিশ্র
শ্ল = শ + ল; যেমন- অশ্লীল
ষ্ক = ষ + ক; যেমন- শুষ্ক
ষ্ক্র = ষ + ক + র; যেমন- নিষ্ক্রিয়
ষ্ট = ষ + ট; যেমন- কষ্ট
ষ্ট্য = ষ + ট + য; যেমন- বৈশিষ্ট্য
ষ্ট্র = ষ + ট + র; যেমন- রাষ্ট্র
ষ্ঠ = ষ + ঠ; যেমন- শ্রেষ্ঠ
ষ্ঠ্য = ষ + ঠ + য; যেমন- নিষ্ঠ্যূত
ষ্ণ = ষ + ণ; যেমন- কৃষ্ণ
ষ্প = ষ + প; যেমন- নিষ্পাপ
ষ্প্র = ষ + প + র; যেমন- নিষ্প্রয়োজন
ষ্ফ = ষ + ফ; যেমন- নিষ্ফল
ষ্ব = ষ + ব; যেমন- মাতৃষ্বসা
ষ্ম = ষ + ম; যেমন- উষ্ম
ষ্য = ষ + য; যেমন- শিষ্য
স্ক = স + ক; যেমন- মনোস্কামনা
স্ক্র = স + ক্র; যেমন- ইস্ক্রু (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
স্খ = স + খ; যেমন- স্খলন
স্ট = স + ট; যেমন- স্টেশন (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
স্ট্র = স + ট্র; যেমন- স্ট্রাইক (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
স্ত = স + ত; যেমন- ব্যস্ত
স্ত্ব = স + ত + ব; যেমন- বহিস্ত্বক
স্ত্য = স + ত + য; যেমন-অস্ত্যর্থ
স্ত্র = স + ত + র; যেমন- স্ত্রী
স্থ = স + থ; যেমন- দুঃস্থ
স্থ্য = স + থ + য; যেমন- স্বাস্থ্য
স্ন = স + ন; যেমন- স্নান
স্প = স + প; যেমন- আস্পর্ধা
স্প্র = স + প +র; যেমন- স্প্রিং (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
স্প্ল = স + প + ল; যেমন- স্প্লিন (মন্তব্য: এই যুক্তাক্ষরটি মূলত ইংরেজি/ বিদেশী কৃতঋণ শব্দে ব্যবহৃত)
স্ফ = স + ফ; যেমন- আস্ফালন
স্ব = স + ব; যেমন- স্বর
স্ম = স + ম; যেমন- স্মরণ
স্য = স + য; যেমন- শস্য
স্র = স + র; যেমন- অজস্র
স্ল = স + ল; যেমন- স্লোগান
হ্ণ = হ + ণ; যেমন- অপরাহ্ণ
হ্ন = হ + ন; যেমন- চিহ্ন
হ্ব = হ + ব; যেমন- আহ্বান
হ্ম = হ + ম; যেমন- ব্রাহ্মণ
হ্য = হ + য; যেমন- বাহ্য
হ্র = হ + র; যেমন- হ্রদ
হ্ল = হ + ল; যেমন- আহ্লাদ

পেইজটি থেকে কিছু শিখতে পারলে অবশ্যই পেইজটিতে Like দিয়ে See First করে দিবেন।
ধন্যবাদ।

15/03/2021

Congratulations Zannat fardusy Rimmpi.
Hpi er civil Department এর গর্ব
Cgpa 4.00 out of 4

29/07/2020

📛পলিটেকনিকে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহারে ছাত্র-শিক্ষকদের আল্টিমেটাম📛

আগামী ৬ আগস্টের মধ্যে পলিটেকনিকের বিতর্কিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার-ছাত্র ও শিক্ষকরা। মঙ্গলবার রাজধানীতে আয়োজিত প্রতিবাদ কর্মসূচীতে তারা বলেছেন, যে কোন বয়সের শিক্ষার্থীদের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ভর্তির সুযোগ রেখে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে, তা পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের শামিল।

আগারগাঁওয়ে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও অধিদফতর সংলগ্ন সড়কে বাংলাদেশ কারিগরি ছাত্র পরিষদ (বাকাছাপ), বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদ, বাংলাদেশ পলিটেকনিক শিক্ষক সমিতি ও বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স সার্ভিস এ্যাসোসিয়েশন সমন্বয় পরিষদ আয়োজিত মানববন্ধন থেকে নতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন আইডিইবি’র সভাপতি এ কে এম এ হামিদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামসুর রহমান, বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদের সভাপতি মোঃ খবির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক একেএম আব্দুল মোতালেব, বাংলাদেশ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স সার্ভিস এ্যাসোসিয়েশন সমন্বয় পরিষদের আহ্বায়ক মোঃ ফজলুর রহমান খান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ পলিটেকনিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি হাফিজ আহমেদ সিদ্দিক, সাধারণ সম্পাদক এ এম জহিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ কারিগরি ছাত্র পরিষদের আহবায়ক মোঃ মেহেদী হাসান, সদস্য সচিব মোঃ সাইফুল ইসলাম মোল্লা প্রমুখ।

কর্মসূচীতে নেতৃবৃন্দ বলেন, অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক ভর্তি নীতিমালা বাস্তবায়িত হলে পুরো ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা ব্যবস্থায় চরম অস্থিরতা সৃষ্টি হবে, যা কারিগরি শিক্ষায় সরকারের অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনকে বাধাগ্রস্ত করবে। ১৫/২০ বছর পূর্বে এসএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীর পক্ষে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিষয়গুলো অনুধাবন করা কোনভাবেই সম্ভব হবে না। এদের অধিকাংশই ১/২ বছরের মধ্যে ঝরে যাবে। সিটগুলো শূন্য হবে, ড্রপ আউট আরও বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি বয়সের ব্যাপক পার্থক্যের কারণে শ্রেণীকক্ষের ভারসাম্য নষ্ট হবে, খুন-চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মের কারণে সামাজিক ও প্রশাসনিক সমস্যা দেখা দেবে।

তারা আরও বলেন, সরকারী পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে বিদ্যমান আসন সংখ্যার চেয়ে ২/৩ গুণ বেশি ভর্তি আবেদন জমা পড়ে, সেখানে অনিয়মিত বয়োবৃদ্ধদের ভর্তির সুযোগ দিয়ে শিক্ষার পরিবেশকে বিপদসঙ্কুল করা যুক্তিযুক্ত হতে পারে না। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড আইন-২০১৮ এর ৮(ঙ) ধারায় দেয়া ক্ষমতা ব্যবহার করে বোর্ডের চেয়ারম্যান ভর্তি সংক্রান্ত জটিলতা এড়াতে পারলেও কোন অদৃশ্য অপশক্তির কারণে সেটি করেন নি, তার জবাব তাকে দিতে হবে।

নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারি দেন, করোনার মহাদুর্যোগে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন এখন নানানভাবে বিপর্যস্ত। পলিটেকনিকে দীর্ঘদিন শিক্ষক সঙ্কট, শ্রেণীকক্ষ, ল্যাব, ওয়ার্কসপের সমস্যার সমাধান না করে বিতর্কিত ভর্তি নীতিমালা গ্রহণের ফলে ব্যাপক ছাত্র অসন্তোষ দেখা দেবে, যা শিক্ষার্থীদের আরও অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে ধাবিত করবে। এর দায় কারিগরি শিক্ষা অধিদফতর ও বোর্ড এড়াতে পারবে না। বিতর্কিত ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার না করলে রাজপথে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। যার দায় কারিগরি শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যানকে নিতে হবে।

05/07/2020

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার ও চলমান সংকট নিরসনে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদ পরিষদ এর প্রস্তাবিত ৮ দফা দাবি:

প্রিয় বন্ধুগণ, গত ০১ জুলাই দেশের পত্রপত্রিকা এবং টেলিভিশন মিডিয়ায় মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনির উদ্ধৃতি দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে যে, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তির ক্ষেত্রে বয়সের সীমাবদ্ধতা থাকবে না। এছাড়াও ভর্তির আবেদনের নূন্যতম যোগ্যতা ছেলেদের ক্ষেত্রে ৩.৫ থেকে কমিয়ে ২.৫ এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ৩.০০ থেকে কমিয়ে ২.২৫ করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়েছে। কারণ হিসেবে আমরা জানতে পেরেছি কারিগরি শিক্ষার হার বৃদ্ধি এবং বিদেশ ফেরত দক্ষ কর্মীদের একাডেমিক স্বীকৃতির জন্য এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এমন সিদ্ধান্ত ৪র্থ শিল্প বিপ্লব মোকাবেলায় যে দক্ষ জনশক্তি প্রয়োজন তার সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। এমনকি দক্ষ জনশক্তি তৈরীতে কারিগরি শিক্ষার যে বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা দরকার সেখানে রয়েছে চরম ঘাটতি। যেমন গত এক যুগের বেশি সময় পলিটেকনিকে কোন শিক্ষক নিয়োগ হয়নি। ২০১৬ সাল থেকে TSC গুলোতে ডিপ্লোমা চালু করা হলেও তার জন্য নতুন শিক্ষক নেওয়া হয়নি। ২য় শিফটের বেতন ভাতা নিয়ে শিক্ষকদের আন্দোলন চলছে বিগত কয়েক বছর যাবৎ, যা এখন অবধি অমিমাংসিত রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে নাই উপযুক্ত ল্যাব এবং পর্যাপ্ত যন্ত্রাংশ। এছাড়া আরো অগণিত সমস্যায় জর্জরিত কারিগরি তথা পলিটেকনিক শিক্ষা ব্যবস্থা। এতদ সত্তেও যেখানে মেধাবীদের অগ্রাধিকার পাওয়ার কথা সেখানে নিম্ন শ্রেনীর মেধাবীদের ভর্তি করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। সেই সাথে বয়স্কদেরও এখানে পড়ার সুযোগ সৃষ্টি করার উদ্যোগ পলিটেকনিক শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত করা এবং শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত হবে বলে মনে করছি।
৪র্থ শিল্প বিপ্লব মোকাবেলায় আমরা সংখ্যায় কারিগরি শিক্ষার হার বৃদ্ধির পূর্বে গুনগত মান নিশ্চিত করাটা অধিক গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি। সেই লক্ষ্যে ডিপ্লোমা শিক্ষায় বর্তমান সকল সংকট নিরসনে আমরা নিম্নোক্ত দাবিসমূহ পেশ করছি।
আমাদের দাবি সমূহ:
১. গত ০১ জুলাই মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি ঘোষিত ভর্তির নীতিমালায় ভর্তির আবেদনের নূন্যতম যোগ্যতা ছেলেদের ক্ষেত্রে ৩.৫ থেকে কমিয়ে ২.৫ এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ৩.০০ থেকে কমিয়ে ২.২৫ করা, এবং ভর্তির বয়সসীমা শিথিলের সিদ্ধান্ত অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে এবং পুর্বের নুন্যতম গ্রেড পয়েন্ট ও বয়স সীমার শর্ত বহাল রাখতে হবে।
২. ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের সিলেবাস যুগোপযোগী সংশোধন পূর্বক কোর্সের মেয়াদকাল ৪ বছর থেকে কমিয়ে ৩ বছর করতে হবে অথবা ১৯৯৯ সালের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ডিপ্লোমা ৪ বছর মেয়াদী কোর্স কে ডিগ্রী সমমান ঘোষণা করতে হবে।
৩. SSC গ্রেড পয়েন্ট এর উপর ভিত্তি করে প্রচলিত বর্তমান ভর্তির নীতিমালা পরিবর্তন করে পুনরায় ২০১০ প্রবিধানের ন্যায় ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করতে হবে।
৪. সকল পলিটেকনিক ও TSC গুলোর শিক্ষক সংকট নিরসনে অনতিবিলম্বে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।
৫. সকল ইন্সটিটিউটের ল্যাব সংস্কার, দক্ষ ল্যাব সহকারি নিয়োগ এবং পর্যাপ্ত যন্ত্রাংশ সরবরাহ করতে হবে।
৬. শিক্ষামন্ত্রীর পূর্ববর্তী ঘোষণা অনুযায়ী সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার জন্য ভর্তির সুযোগ অবিলম্বে কার্যকর করতে হবে।
৭. দক্ষ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে সহজ শর্তে ঋণ প্রদান ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে।
৮. সকল ডিপার্টমেন্টের জন্য সরকারি চাকরিতে আবেদনের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে, অন্যথায় পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকা ডিপার্টমেন্ট গুলো অনতিবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

আমাদের এই যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সারা দেশের সকল ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার্থী এবং কারিগরি শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে। আমরা এই দাবি আদায়ের লক্ষ্যে গঠনমূলকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহন করবো। আপনাদের সকলের সক্রিয় সমর্থন আমাদের একান্ত কাম্য।

Photos from Habiganj polytechnic inistitute's post 05/07/2020

আজকের দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা হতে...

04/07/2020

শিক্ষামন্ত্রণালয়ের এমন অযৌক্তিক সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। প্রতিবছর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট গুলো থেকে হাজার হাজার ডিপ্লোমাধারী শিক্ষার্থী বের হয়ে কর্মহীনতায় বেকারত্বের অভিশাপ নিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছে, যে দেশে পলিটেকনিক পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের নিম্নচোখে দেখা হয় সেখানে ভর্তির ক্ষেএে নূন্যতম যোগ্যতা ২.৫০ তে নামিয়ে আনা হলে আমাদের আরো কত ছোট চোখে মূল্যায়ন করা হবে ভেবে দেখেছেন??? ডিপ্লোমাধারীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ, কর্মসংস্থানের সুযোগ না সৃষ্টি করে এমন অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে। যা আমাদের ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য মোটেও কাম্য নয়।

তাই আন্দোলনের মাধ্যমে এমন অযৌক্তিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাতে হবে৷

03/07/2020

#পলিটেকনিক_শিক্ষা_ব্যবস্থা

পলিটেকনিক শিক্ষা ব্যবস্থা কোন ছেলে খেলা শিক্ষা ব্যবস্থা নয়, এটা কোন শর্ট কোর্স নয়, এটা কোন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নয়। এটা সেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখান হতে ডিগ্রি অর্জন করে একজন ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সরকারের দশম গ্রেডে নন-ক্যাডার অফিসার হিসাবে নিয়োগ পান।

"ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং" শিক্ষাক্রমে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীদের বয়স শিথিল করা ও ভর্তির জন্য নূন্যতম পয়েন্ট কমিয়ে আনা, বিষয় গুলো অত্যন্ত ক্ষতিকর হবে এই শিক্ষাব্যবস্থার জন্য। সরকারের উচিত হবে পলিটেকনিক শিক্ষা ব্যবস্থাটাকে উন্নত করার লক্ষ্যে আরোও কিছু ভাল পদক্ষেপ নেওয়া। যেন আরোও দক্ষ জনশক্তি বাংলাদেশে তৈরি হয়, পলিটেকনিক শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে। মিড লেভেলের এই শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি নজরটা উন্নত হলেই দেশকে আরোও এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছি। সেই সাথে ব্যক্তিগত ভাবে কিছু পদক্ষেপ এর কথা বলছি, যেটা সরকারের পক্ষ হতে পদক্ষেপ নিলে হয়তো ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রমের মান আরোও বৃদ্ধি পাবেঃ-

১) এস, এস, সি পাশের সন হতে পরবর্তী আরোও এক বছর অর্থাৎ পরপর দুইটি বছর পলিটেকনিক এ আবেদন করার সুযোগ রাখতে হবে।

২) পলিটেকনিক শিক্ষা ব্যবস্থাটায় ভর্তির জন্য এস,এস,সি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের আবেদন করার সুযোগ থাকবে শুধু।

৩) দেশের আনাচে কানাচে গড়ে ওঠা ব্যাঙের ছাতার মত বেসরকারী পলিটেকনিক এর নিবন্ধন বাতিল করতে হবে। যারা শিক্ষার মান ধরে রাখতে পারেনি, এমন পলিটেকনিক বন্ধ করে দিতে হবে।

৪) বাংলাদেশে যে সকল টেকনোলজির উপর কোন সরকারী বা বেসরকারী কর্ম নাই, সেগুলো বন্ধ করতে হবে।

৫) ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাক্রম হতে হবে ১০০% ইংরেজি ভার্সন এ।

৬) ইন্ডাস্ট্রিয়াল এটাসমেন্ট সপ্তম পর্বে দিতে হবে। আর অষ্টম পর্বে থাকতে হবে অফিস ম্যানেজমেন্ট এর উপর যাবতীয় বিষয়ে পড়াশুনা।

৭) সারাদেশের সরকারী ও বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা চালু করতে হবে। যেন সেখান থেকে ডিপ্লোমা লেভেলের পড়াশুনা শেষ করে একই প্রতিষ্ঠান থেকে বিএসসি লেভেল শেষ করা যায়।

৮) দেশে ভরি ভরি যেন তেন বিষয়ের উপর গড়ে তোলা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে কারিগরী বিষয়ে পড়াশুনা করার সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

৯) আইডিইবি এর কেন্দ্রীয় নেতাদের সর্বদা এই শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য আলোচনা, সভা, সেমিনার করতে হবে। ও সরকারের কাছে দাবি জানাতে হবে।

১০) ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের বেতন, প্রমোশন, প্রশিক্ষণ এর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা করতে হবে ইত্যাদি।

আশা করি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের সিদ্ধান্ত গ্রহনকারীরা এই সকল বিষয়ে সদয় সিদ্ধান্ত নিলে পলিটেকনিক শিক্ষা ব্যবস্থাটাকে উন্নত করা যেতে পারে।
Copy from: Morshed Haydar ভাই...

Photos from Habiganj polytechnic inistitute's post 02/07/2020

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এর ভর্তি কমিটির সুপারিশ এবং অংশীজনদের মতামতকে সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করে টিএমইডি কর্তৃক সরকারি পলিটেকনিক এর ২০২০-২০২১ শিক্ষা বর্ষের ভর্তি নীতিমালার আত্মঘাতি সিদ্ধান্তের পরিবর্তে ভর্তি কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ভর্তি নীতিমালা প্রণয়ন ও ভর্তি কার্যক্রম শুরু করার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রনালয়কে আইডিইবি'র পক্ষে পত্র প্রেরণ করা হয়

21/06/2020

ভুল এই শহরের মধ্যবিত্তদেরও ছিল!

এলাকায় একসাথে এত টু-লেট কখনো দেখিনি। প্রায় সব বাড়িতেই ভাড়ার নোটিশ। অজস্র মানুষ ঢাকা ছাড়ছে। কিন্ত সব দোষ কি করোনার? আমাদের মধ্যবিত্তের বদলে যাওয়া লাইফস্টাইল কি দায়ী নয় এজন্যে?

একটা অপ্রিয় কথা বলি, কিছু মনে করবেন না। আমাদের এই শহরে লাইফস্টাইলে প্রব্লেম ছিলো। শো অফ বেশি ছিলো। নইলে অন্তত ছয় মাস বসে খাওয়ার মতো টাকা সব পরিবারেই জমে থাকার কথা। যতটুকু ইনকাম, কালের স্রোতে গা ভাসাতে যেয়ে খরচ তারচেয়ে বেশি হয়েছে। যতটুকু স্ট্যাটাস, যতটুকু সামর্থ্য, মানুষ নগদে তার চেয়ে উঁচু তলায় বাস করেছে।

আমি আমার এলাকায় একসাথে এত টু-লেট কখনো দেখিনি। প্রায় সব বাড়িতেই টু-লেটের নোটিশ। অজস্র মানুষ ঢাকা ছাড়ছে। দুঃখজনক।

৯০ দশকে মানুষের আর্থিক অবস্থা এখনকার চেয়ে অনেক খারাপ ছিল। কিন্তু এই গরীব মানুষদেরই আজীবন যথেস্ট সেভিংস ছিলো, খেয়ে না খেয়ে শহরের কোনায় এক টুকরো জমি ছিলো। গ্রামে একটা স্থায়ী ঠিকানা ছিলো। পরিবার গরীবি হালে চললেও মায়ের আঁচলের গিঁট আর ডানোর খালি ডিব্বাতেও কয়েক গাছি টাকা থাকতো।

আর এখনকার মানুষদের কার্ড ভর্তি লোন, ইন্সটলমেন্ট, ব্যাংক লোন। জমি জিরাতের খবর নেই অথচ শহরের প্রাণকেন্দ্রে টাইলসওয়ালা ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতে পারলেই খুশি। সঞ্চয়ের খবর নেই অথচ ঘোরাঘুরি আর রেস্টুরেন্টে খেতে পারলেই খুশি। পকেটে টাকা নেই তাই মন মানসিকতা মলিন, অথচ পার্লারে/সেলুনে হাজার টাকা খরচে ফেসিয়াল করে চামড়া চকচকে করতে পারলেই হলো। এটা কোনো লাইফ?

কেউ এখন আর ঘরের ড্রইংরুমে আড্ডা দেয়না। পাঁচ দশ টাকার বাদাম কিনে ছাদে গোল হয়ে বসে গল্পগুজব করেনা। সবার ফাস্টফুডের দোকানে যেতে হবে। মাল্টিপ্লেক্সেই মুভি দেখতে হবে। শখের সব খেলনাই কিনতে হবে। এফেয়ার করতেই হবে, ভ্যালেন্টাইন ডে থেকে শুরু করে চকলেট ডে কিস ডে সব সেলিব্রেট করতে হবে। অথচ বিশ বছর আগেও রেস্পন্সিবল লাইফ কাটাতে হবে দেখে অনেক ছেলে চাকরী পাবার আগে মেয়েদের ধারে কাছেও যেতোনা। এখন সবাই হিরো, পাপাস প্রিন্স, মাম্মাস প্রিন্সেস।

এসব করে মাসে মাসে যে পাঁচ সাত হাজার টাকা বেশি খরচ করেছে, সেটা জমালে বছরে ৬০-৭০ হাজার টাকা অতিরিক্ত জমতো। দশ বছরে ৬-৭ লাখ টাকা। যেটি দিয়ে এখন ঘরে বসে ছয় সাত মাস বড়লোকের মতোই পরিবারগুলো কাটাতে পারতো। অথচ সেটা না করে বরং গর্ব ভরে মিম শেয়ার করেছে যে মানিব্যাগে পাঁচশো নিয়ে বের হলে এক ঘন্টা পরে ভাংতি বিশ ত্রিশ টাকার বেশি থাকেনা।

একটু রোজগার করতে পারলেই একান্নবর্তী পরিবার থেকে সবাই আলাদা হয়ে গেছে। ইউনাইটি কি জিনিস ভুলে গেছে। গ্রামের শেকড় ভুলে গেছে গর্বের সাথে, অথচ গ্রাম থেকে বছরে দু চার আসা বস্তা ভর্তি আম কাঠাল বা চাল/মুড়ির কি বরকত সেটা বুঝতে চায়নি। ছুটিতে কক্সবাজারের ফাইভ স্টার হোটেলে খরচ না করে গ্রামের বাড়িতেও যে বেড়ানো যায় সেটা বুঝেনি। আগে মানুষ কয়েক বছরে এক আধবার লাক্সারি ট্যুর দিতো। আর এখন প্রতি বছর লাখ টাকা খরচ করে ইন্সটলমেন্টে হলেও দেশ-বিদেশে ঘুরতে যাচ্ছে দুইটা ফটো তোলার জন্য।

আমি গত পাঁচ সাত বছরে এই শহরে মধ্যবিত্ত বলে কিছু দেখিনি। সবার ঠাঁঠবাট প্রায় একরকম। তবে এখন দেখছি, গত কয়েক মাস ধরে। এত খরুচে আর ভোগপণ্যের দাস হয়ে আজীবন বর্তমানে বেঁচে থাকতে গিয়ে দুই-তিন মাসের ভবিষ্যত নিরাপত্তাটা নিয়েও ভাবার ক্ষমতা হারানো এই শহরবাসীদের এখনকার বাস্তবতা খুব দুঃখজনক।
(সংগৃহীত)

19/06/2020

করোনা শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও এর প্রভাব থাকবে প্রায় ১০ বছর! এই প্রভাব মূলত অর্থনৈতিক। ঢাকায় বাড়িভাড়া দিতে না পেরে বা কর্মসংস্থানের অপ্রতুলতায় অনেকেই ঢাকা ছাড়ছেন। এটা জাস্ট টিপ অব দ্য আইসবার্গ! ক্রাইসিস আরও বাড়বে। করোনা শেষ হয়ে যাবে কিন্তু করুণার পাত্র হিসেবে রেখে যাবে বৃহৎ একটা জনগোষ্ঠীকে। কেন এরকম হচ্ছে?

বাংলাদেশের উৎপাদন নির্ভরশীলতা মূলত তৈরি পোশাককে কেন্দ্র করে। এ ছাড়া খুব কম পরিমাণে রপ্তানিমুখী ঔষধ শিল্প রয়েছে। এ দুটো ছাড়া বলার মতো আছে রেমিটেন্স যেটা স্বভাবতই করোনা মহামারির কারণে অনেকাংশে হ্রাসের দিকে। তারমানে স্বাধীনতার পর থেকে আমরা মূলত নির্ভর করে আছি এই দুটোর উপরঃ তৈরি পোশাক এবং বৈদেশিক রেমিট্যান্স। তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রে করোনা ছাড়াও অশনি সংকেত হলো আগামী ১০-১৫ বছরে বেশিরভাগ কারখানা অটোমেশনে চলে যাবে। কারখানাগুলোতে শ্রমিকের চাহিদা কমে যাবে বিপুলভাবে। যেই সস্তা শ্রমের কারণে ইয়োরোপ আমেরিকা আমাদের পোশাক নিচ্ছে সেটা অটোমেশন চলে আসলে আর থাকবেনা। হুট করে একদিন দেখবো ইয়োরোপ আমেরিকা পোশাক আমদানি করছেনা আমাদের থেকে কারণ ওদের অটোমেটেড কারখানা এখন আরও ভালো ও সুন্দর কাপড় বানাচ্ছে। সেই একই অটোমেশনের কারণে বিদেশে শ্রমিক রপ্তানিও কমে যাবে। শ্রমিক বলতে এখানে কায়িক পরিশ্রম করা লোকবলকে বুঝিয়েছি।

আচ্ছা তাহলে উপায় কি? আমি মনে করি আমাদের প্রোডাক্ট ডাইভারসিটি খুবই কম। আমরা গত ৪০ বছর ধরে এক কাপড়ই বানিয়ে যাচ্ছি। উদাহারণ দিলেই বুঝবেন। ১৯৬২ সালে ঘানা ও থাইল্যান্ডের প্রোডাক্ট ডাইভার্সিটি ছিলো প্রায় এক। ঘানার মূল উৎপাদন ছিলো কোকো বিন আর থাইল্যান্ডের ছিলো চাল। কিন্তু ২০১০ এ এসে থাইল্যান্ডের আমূল পরিবর্তন হলো। ঘানা কোকো থেকে তেমন বের হতে না পারলেও থাইল্যান্ড চালের পাশাপাশি ইলেক্ট্রনিক্স, গাড়ির পার্টস, সফটওয়্যার, কেমিক্যালস সহ আরও অনেক কিছু রপ্তানিতে নিয়ে আসলো। একই কথা সাউথ কোরিয়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। ব্যাটারি দিয়ে তাদের রপ্তানি শুরু আর এখন কী নেই সাউথ কোরিয়ার?! ইউ জাস্ট নেম ইট এন্ড সাউথ কোরিয়া ইজ দেয়ার! চীনের ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার।

আমরা কিন্তু আমাদের প্রোডাক্ট ডাইভারসিফাই করতে পারিনি। তাই করোনা শেষ হওয়ার পরে আসলে আমাদের মূল যুদ্ধটা শুরু হবে। থাইল্যান্ড, সাউথ কোরিয়া কী করে করেছে? সংক্ষেপে বলতে গেলে যেটা সেটা হলো তারা জ্ঞানের পরিসর বৃদ্ধি করেছে। তাদের দেশের ইঞ্জিনিয়ার সহ যারা টেকনিক্যাল পড়ালেখা করেছে তাদেরকে কাজে লাগিয়েছে। আমরা পারছিনা। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা ১০০ জনকে জিজ্ঞেস করেন তারা কী চায় আমি বাজি ধরবো ৮০ জন বলবে জিআরই দিয়ে বাইরে যাবো আর ১৫জন বলবে বিসিএস দিবো। কেন? কারণ আমরা পারছিনা ওদের মেধার স্ফূরণ ঘটাতে। এটা অশনি সংকেত আমাদের জন্য। ভারত ব্যাঙালুরুতে সিলিকন ভ্যালি তৈরি করেছে। ১৯৯৫ সাল থেকে ভারত সফটওয়্যার রপ্তানি করছে। আমরা কী করতে পারছি? আমাদের জাহাজ শিল্প আছে, আশাও দেখাচ্ছিলো কিন্তু ওটার কি অবস্থা এখন? প্রচুর ফ্রিল্যান্সার আছে আমাদের। কিন্তু ওদের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোনো ভিত আমরা এখনো দিতে পারছিনা। ২০৩০ সালে জনসংখ্যা হবে মিনিমাম ২৫ কোটি। আমাদের জায়গা-জমি কম। কিন্তু এই লোকবল, মানবসম্পদই আমাদের ভরসা। পুরো দুনিয়াকে আমাদের ইনভেন্টরি বানাতে চাইলে ঠিক এই মুহূর্ত থেকে কাজ শুরু করতে হবে।

আমাদের সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে অনেক অনেক জ্ঞানী পলিসিমেকাররা আছেন। আশা করছি সকল অশনি সংকেত কে আমরা দূর করতে পারবো। তবুও মনে ভয় থেকে যায়।

~ Arafat Mohammad Noman

01/06/2020

বতর্মান Habiganj polytechnic inistitute কে কে কোন সেমিস্টার? কমেন্ট এ জানাও। এবং পেইজ এর এডমিন হতে চাও এমন কেও আছো?

27/04/2020

প্রিয় ক্যাম্পাস...

25/04/2020

বিশ্বের শীর্ষ ১০জন ধনী ব্যক্তির ৭ জনই ইঞ্জিনিয়ার..

Photos from Habiganj polytechnic inistitute's post 23/04/2020

সেনাবা‌হিনীর তত্বাবধা‌নে হ‌বিগঞ্জ প‌লি‌টেক‌নিক ইন‌ষ্টি‌টিউ‌টে ‌জেলার প্রবাসী‌দের জন্য ২৫০ শয্যার কোয়া‌রে‌ন্টিন সেন্টার চালু হ‌বে অাগামী সপ্তা‌হে। অাধু‌নিক সু‌বিধাসম্ব‌লিত এ সেন্টার‌টি অাজ প‌রিদর্শ‌নে অা‌সেন ১৭ পদা‌তিক ডি‌ভিশ‌নের জিও‌সি ও সি‌লেট এ‌রিয়া কমান্ডার মেজর জেনা‌রেল জোবা‌য়ের সা‌লে‌হীন।
২৩,০৪,২০২০

Photos from Habiganj polytechnic inistitute's post 18/02/2020
Photos from Habiganj polytechnic inistitute's post 05/02/2020

১০ হাজার বই দিয়ে টরোন্টোর রাস্তায় ইন্সটলেশন আর্ট📖📚

Luzinterruptus নামে একটা গ্রুপ আছে যারা এরকম আর্ট দিয়ে সারা পৃথিবীতে বিভিন্ন রকমের মেসেজ দিয়ে থাকে।
এই প্রজেক্টের নাম ছিল “Literature vs. Traffic” যা ২০১৬ সালে আর দুটো শহরে করা হয়।
আর এই বই গুলো ডোনেট করা।

04/02/2020

জীবনের চরম বাস্তবতা!
---------------------------------------------------
১. বয়স যখন ৪০ পার হয় তখন উচ্চ শিক্ষিত আর নিম্ন শিক্ষিত সবাই সমান এমনও হয় কম শিক্ষিতরা বেশি আয় করছে।
২. বয়স যখন ৫০ পার হয় তখন কালো ফর্সা সবই সমান, কার চেহারা সুন্দর, দেখতে কে স্মার্ট এটা নিয়ে আর কেউ ভাবেনা।
৩. বয়স যখন ৬০ পার হয় তখন উচ্চ পজিশনে চাকুরী আর নিম্ন পজিশনে চাকুরী এটা আর কোন ব্যাপার নয়। এমনকি একজন পিয়নও অবসরে যাওয়া বসের দিকে তাকায়না।
৪. বয়স যখন ৭০ তখন আপনার বড় ফ্ল্যাট, বড় বাসা কোন গর্বের বিষয় নয় বরং বাসা বড় হলে সেটা মেইনটেইন করাই কঠিন। ছোট একটি রুম হলেই আপনার চলে।
৫. বয়স যখন ৮০ তখন আপনার টাকা থাকলে যা না থাকলেও তা। আপনার টাকা খরচ করার ইচ্ছা হলে সেটা খরচ করার জায়গাও খুঁজে পাবেননা।
৬. বয়স যখন ৯০ আপনার ঘুমানো আর জেগে থাকা একই। আপনি জেগে ওঠার পর কি করবেন আপনি নিজেও জানেননা।
৭. বয়স যখন ১০০ তখন আপনার বেঁচে থাকা আর বেঁচে না থাকা এতে কিছুই যায় আসে না। পৃথিবীবাসী আপনাকে নিয়ে আর ভাবেনা।

এবার বুঝেন জীবনের মানে কি! দুর্নীতি আর মানুষ ঠকিয়ে কয়দিন খাবেন?

23/01/2020

বিশ্বের সর্ববৃহৎ সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান "ইনটেল করপোরেশন" এর চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশের "ড. ওমর ইশরাক"।

ড. ওমর স্যারের বেড়ে উঠা বাংলাদেশেই। বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন যুক্তরাষ্ট্রের মেডিকেল টেকনোলোজি কোম্পানি মেট্রনিকের সিইও হিসেবে।

"

17/01/2020

Introducing RAJSHAHI ROYALS, the new CHAMPION of BPL.

11/12/2019

এশিয়া মহাদেশেরই একটি দেশের। দেশটির নাম জাপান । সে দেশে রোডের পাশের ড্রেনে মাছ চাষ হয়। আন্তর্জাতিক খেলায় নিজ দেশ বাজেভাবে হারলেও লাথি মেরে কেউ স্টেডিয়ামের চেয়ার ভাঙ্গে না। সে দেশের প্রাইমারী লেভেলের ছাত্র-ছাত্রীদের হোমওয়ার্ক থাকে রোবট বানানো।

আমাদের দেশে রোডের পাশের ড্রেনে মাছ চাষ তো দূরের কথা, ঢাকার ঐতিহ্য বুড়িগঙ্গা নদীই মাছ চাষের জন্য অনুপযোগী। আমাদের গায়ে বীরের রক্ত টগবগ করে; সুতরাং দেশ হারলে স্টেডিয়ামের দু-চারটা চেয়ার আমরা ভাঙতেই পারি। সম্ভব হলে সাকিব তামিমকে স্টেডিয়ামে বসেই খেলা শিখিয়ে আসি আমরা।

প্রাইমারী লেভেলে আমরা হোমওয়ার্ক হিসেবে পেয়েছি হাতের লেখা সুন্দর করার দায়িত্ব। এস.এস.সি, এইস.এস.সিতে ভাগ্য খুব ভাল হলে বাড়ির কাজ হিসেবে পেয়েছি বোতলের দৈর্ঘ্য, প্রস্ত বের করার দায়িত্ব। বোতলের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ মাপতে মাপতে হয়ত একদিন আমাদের মধ্যেই কেউ বোতলের আয়তন বের করা শিখবে। কিন্তু বিল গেটস, স্টিভ জবস, মার্ক জাকারবার্গের মতো কাউকে তৈরী করতে হলে
তো সেই মানের ভিত্তি চাই।

আমাদের প্রজন্মের সবচেয়ে বড় অপ্রাপ্তি ঠিক এই জায়গাতে। আমাদের ভাল কোন ভিত্তি নেই, দিকনির্দেশনা নেই। আমরা বুয়েটে পড়ে হচ্ছি পুলিশ অফিসার, মানবিকে পড়ে হচ্ছি ব্যাংক অফিসার। পাঠ্য বিষয় এবং জবের মধ্যে যেখানে থাকসে বিস্তর ফারাক।

আমরা ঠিক জানি না কিসের জন্য আমরা হাসিমুখে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে প্রস্তুত। আমরা জানি না রাতের পর রাত, আমরা কেন পড়ার টেবিলে কাটাই।
গ্রাফ থেকে মান বের করি বা এ্যাসাইনমেন্ট তৈরী করি। আমরা ঠিক জানিনা কেন আমরা বৈমানিক হতে চাই, ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই, ডাক্তার হতে চাই।
আমরা জানিনা এই বিশাল পৃথিবীতে আমাদের অবস্থানটা ঠিক কোথায়???
জানি না ঠিক কিসের জন্য আগামীদিন আমরা ঘুম থেকে উঠব!.......

আমরা চাকুরীর পরিক্ষার জন্য মুখস্ত করি জাপানের মুদ্রার নাম কি?
অথচ জানার দরকার ছিল জাপান কেন আজ পৃথিবী সেরা।
আমরা মুখস্থ করি বাঘের ডাককে কি বলে? যেখানে জানার দরকার ছিল সুন্দরবনের বাঘ রক্ষায় আমাদের করনীয় কী?

ইংরেজী সাহিত্যে পড়াশুনা শেষ করেও আমরা বাংলা সাহিত্যের সন্ধি মুখস্ত করতে গিয়ে মুখস্ত করি পাগল+আমি=পাগলামী।
বাংলা সাহিত্যের নিগূঢ়তম রহস্য গুলো নখদর্পণে থাকার পরেও মাস্টার্স শেষ করে আমরা মুখস্ত করি ইংলিশের পার্টস অফ স্পিস।

আমরা মুখস্ত করি কোন রাজার শালার নাম কি? ঘোড়ার ডাকের প্রবর্তক কে? চাঁদ কোন দেশের উপনিবেশ ছিল?
এজাতীয় অতিপ্রয়োজনীয় জ্ঞান! একটা চাকরীর আশায় আমরা কত কিছুই না মুখস্ত করি।

সত্যিকারের জ্ঞানচর্চা এবং অধিকাংশ অফিসাররা যদি সৎ থাকত দেশ তাহলে আরো ভাল অবস্থানে থাকত।

উন্নত জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার আমাদের অনেক কিছুই ছিল। আমাদের পাট ছিল, ধান ছিল, ইলিশ ছিল, চিংড়ি ছিল, গার্মেন্টস ছিল, রেমিট্যান্স ছিল, পদ্মা-যমুনা ছিল, চিটাগাং পোর্ট ছিল, সুজলা-সুফলা উর্বর জমি ছিল, সুন্দরবন ছিল, কক্সবাজার ছিল।

#অভাব শুধু সৎ মানুষের। আমরা পড়ে আছি সেই মান্ধাতার আমলে। যার কারনেই আমাদের অর্থনীতির চাকা সোজা হয়ে দাড়াতে পারছে না।

আজ আমাদের দরকার ছিল সুন্দর একটি দেশ গড়ার স্পিরিট। যেই স্পিরিটটা দেশ গড়তে আমাদেরকে সামনে বাড়াতো। আমরা হতাম পৃথিবীর অন্যতম একটি সেরা জাতি। আমাদের দেশ হতো পৃথিবীর অন্যতম অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির দেশ।

তখন আমরা শুধু রাস্তার পাশের ড্রেনেই না, বুড়িগঙ্গায় আবার মাছকে ফিরিয়ে আনতাম। বাংলাদেশ হারলেও স্টেডিয়াম পরিস্কার করে বাসায় ফিরে পোস্ট দিতাম মাশরাফি ভাই ব্যাপার না, "সামনের ম্যাচে ধরে দিবানে।"

সেই স্পিরিটা প্রাইমারী হাইস্কুলের বাচ্চাদের মাঝেও ছড়িয়ে যেত। তখন তাদের হোমওয়ার্ক থাকত বাসা থেকে নতুন কিছু সৃষ্টি করে আনার।

দেশের উন্নয়নে সেই স্পিরিটের দরকার ছিল, যেই স্পিরিট নিয়ে ভুজেসিক নিক হাত পা বিহীন মানব হয়েও পৃথিবী সেরা। যেই স্পিরিট নিয়ে নেলসন মেন্ডেলা নিজেকে নিয়ে স্বপ্ন দেখত বিশ্বসেরা হওয়ার। আমাদের দরকার ছিল সেই স্পিরিটটা।

ঠিক জানি না মরার আগে বড় কিছুর অংশ হয়ে মরতে পারব কিনা, তবে সকলের কাছে দাবী করতেই পারি আমরা সবাই যেন বড় কিছুর অংশ হয়েই পৃথিবী ত্যাগ করার স্বপ্ন দেখি। সেই স্পিরিটটা তখন অবশ্যই দেশের মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে।

Want your school to be the top-listed School/college in Habiganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address

Habiganj
Other Education in Habiganj (show all)
ধর্মঘর ডিগ্রি কলেজ ধর্মঘর ডিগ্রি কলেজ
Dhargamar, Madhabpur
Habiganj

ধর্মঘর ডিগ্রি কলেজ সম্পর্কিত সব ধরনে?

Mr.English Grammar Mr.English Grammar
Habiganj, 280503

হযরত ফাতেমাতুয যোহরা মহিলা মাদরাসা হযরত ফাতেমাতুয যোহরা মহিলা মাদরাসা
Habiganj

ভাটি এলাকায় একমাত্র মহিলা মাদ্রাসা

Shiekh Jahid Uddin R: Alia Madrasah,Baniyasong Shiekh Jahid Uddin R: Alia Madrasah,Baniyasong
Gunoi, , Baniyasong
Habiganj

Shiekh Jahid Uddin (R:) Gunoi Alia madrasah

Darul Hikmah Alumni Association-DHAA Darul Hikmah Alumni Association-DHAA
Nabiganj
Habiganj

Hello dear Darul Hikmah Alumni, A cordial welcome to "Darul Hikmah Alumni Association-DHAA"Non Prof

Spanish niyaz ahmed Spanish niyaz ahmed
Habiganj

"Allah" says that whoever sheds 1 drop of tears for fear of me, Allah will forbid him the fire of He

Connecting Class Room 2019, Habiganj Connecting Class Room 2019, Habiganj
Sylhet
Habiganj, 3300

Core skills connecting classroom & CTPS

Akram's English Learning Akram's English Learning
Harashpur
Habiganj

Learn English BD Learn English BD
Habiganj

english is a international language

ICON PLUS Habiganj ICON PLUS Habiganj
Kalibari Road
Habiganj

সময়ের সেরা কোচিং মেধাবীদের প্রথম পছন্দ। আইকন প্লাস হবিগঞ্জ শাখা।

Bamai Govt. High School Bamai Govt. High School
High School Street, Bamai, Lakhai
Habiganj, 3340

Welcome to the official page of "Bamai Govt. High School "

Shahjalal Polytechnic Institute, Habiganj Shahjalal Polytechnic Institute, Habiganj
Ramkrishna Mission Road( Ghatiya Bazar)
Habiganj

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধিভূক্ত�