পরিবারকে নিরাপদ রাখার ১১টি পরামর্শ।
বাদল সৈয়দ
‘তিনি কাল রাতে বাসার সবার সঙ্গে খাওয়া-দাওয়া করে হাসিমুখে ঘুমাতে গিয়েছিলেন। আজ তাঁর ঘুম ভাঙেনি—কখনো ভাঙবেও না!’
অনেক সময় মৃত্যু কোনো ওয়ার্নিং ছাড়াই পেছন থেকে আঘাত করে। আমরা মৃতদের জন্য আফসোস করি, প্রার্থনা করি; কিন্তু একবারও ভাবি না—এরকম নিঃশব্দ মৃত্যু আমারও হতে পারে।
আমি আপনার শতায়ু কামনা করি—একই সঙ্গে চাই, আপনি মৃত্যু নিয়ে ভাবুন। আপনার অবর্তমানে পরিবার যেন সুরক্ষিত থাকে, তা নিয়ে চিন্তা করুন।
আমরা মৃত্যুকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না—তবে আমি না থাকলেও পরিবার কীভাবে স্বস্তিতে থাকতে পারে, তা নিয়ে ভাবতে পারি।
বিষয়টি অপ্রিয়—কিন্তু বাস্তব খুব কঠিন। তাই এ ব্যাপারে কিছু ভাবনা লিখলাম।
১) শরীর: বন্ধু থেকে শত্রু
শরীরের দিকে খেয়াল রাখুন। প্রায়ই শুনি—অকস্মাৎ দুর্ঘটনা ঘটে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, তারা শারীরিক সমস্যাগুলোকে পাত্তা দেননি, যা বড় হয়ে মরণধাক্কা দিয়েছে। বুকব্যথা গ্যাসের কারণে হচ্ছে ভেবে কতজন অকালে জীবন হারিয়েছেন! তাই যেকোনো শারীরিক সমস্যায় ডাক্তারের কাছে যান। শুধু সমস্যা হলে নয়, সম্ভব হলে মাঝে মাঝে হেলথ চেকআপ করান। নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করুন, হালকা ব্যায়াম করুন।
শরীর আপনার বন্ধু—কিন্তু মুহূর্তেই শত্রু হয়ে উঠতে পারে। তাই সাবধান!
২) সঞ্চয়: বর্ষার ছাতা
অবশ্যই সঞ্চয় করুন। আপনি না থাকলে পরিবারের সবচেয়ে বড় বিপদ হবে আর্থিক সংকট। তাই ছোট ছোট করে হলেও সঞ্চয় করুন। পিপিলিকা যদি শীতের বিপদ বুঝতে পারে—আপনি পারবেন না কেন?
৩) ঋণ: শত্রু ভয়ংকর
ঋণ করবেন না। দুর্ভাগ্যবশত আপনি না থাকলে এই ঋণ আপনার পরিবারের জীবন দুর্বিষহ করে তুলবে। বিশেষ করে হ্যান্ড লোন করবেন না। অনেক সময় দেখা যায়, কারও মৃত্যুর পর কেউ কেউ অস্বাভাবিক হ্যান্ড লোন পরিশোধের দাবি করেন—যা অবিশ্বাস্য। আর ঋণ করে ঘি কখনো খাবেন না—ওটা বিষ খাওয়ার সমতুল্য।
৪) বিমা: অবহেলিত সুরক্ষা
আমাদের দেশে জীবনবিমাকে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয় না। কিন্তু আমি মনে করি, অল্প খরচে পরিবারকে নিরাপদ রাখার জন্য এটি একটি চমৎকার উপায়। তবে বিমা করতে হবে খুব বাছাই করে। স্বাস্থ্যবিমা যুক্ত থাকলে চিকিৎসার সময়ও কাজে লাগে।
(নীতিগত কারণে আমি কোনো বিমা কোম্পানির নাম সাজেস্ট করব না—সেটি আপনাকেই খুঁজে বের করতে হবে।)
৫) সংযত জীবন: লিমিট দ্যা বর্ডার
জীবনযাপনে সংযত হোন। সেই লাইফস্টাইল মেনে চলুন—যা আপনি না থাকলেও আপনার পরিবার বহন করতে পারবে। আপনার অবর্তমানে অতিরিক্ত বিলাসী অভ্যাস তাদের চরম হতাশায় ঠেলে দিতে পারে।
৬) স্বাবলম্বী স্ত্রী: যুদ্ধক্ষেত্রের সৈনিক
স্ত্রীকে স্বাবলম্বী হতে সাহায্য করুন। চাকরি করা সম্ভব না হলে তিনি অন্য কিছু করতে পারেন। আজকাল অনেক ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তা গড়ে উঠেছেন—অনলাইনে ব্যবসা করছেন। অল্প পুঁজিতেই এটা সম্ভব। তিনি স্বাবলম্বী হলে আপনার অবর্তমানে সংসার চালাতে পারবেন।
মনে রাখবেন—পরের ওপর নির্ভরশীল হলে তিনি শুধু আর্থিক নয়, আরও অনেক বিপদে পড়তে পারেন।
৭) ইনফরমেশন ইজ পাওয়ার
আপনার কোথায় কী আছে, তা পরিবারকে জানিয়ে রাখুন।
ব্যাংক ডিটেইল, সঞ্চয়, বিনিয়োগের বিবরণ, দেনাদার-পাওনাদারদের তালিকা—
সংক্রান্ত কাগজপত্র একটি ফাইলে গুছিয়ে রাখুন। তা পরিবারকে দেখিয়ে রাখুন—যাতে প্রয়োজনের সময় তারা সহজেই খুঁজে পায়। কোনো সংযোজন বা পরিবর্তন হলে সঙ্গে সঙ্গে তথ্যগুলো আপডেট করুন।
এটি একটি অমূল্য দলিল হিসেবে কাজ করবে।
৮) নমিনি: নেভার ফরগেট ইট
ব্যাংক হিসাব, প্রভিডেন্ট ফান্ডের নমিনি ঠিক করে রাখুন। ফ্ল্যাট বুক করলে আপনার অবর্তমানে কাকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে, সে ব্যাপারে ডেভেলপার কোম্পানিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়ে রাখুন।
৯) মাসিক মুনাফা: স্মার্ট মুভ
যদি বিনিয়োগ করা সম্ভব হয়, তবে মাসিক লাভ দেয়—এমন বিনিয়োগ করুন। এটি স্বামী-স্ত্রীর যৌথ নামে করতে পারেন, যাতে একজনের অবর্তমানে অন্যজন সহজে লাভ তুলতে পারেন।
১০) ফ্যামিলি অ্যাডভাইজার: দুঃসময়ের অভিভাবক
আপনার দৃষ্টিতে খুবই বিশ্বস্ত কাউকে ফ্যামিলি অ্যাডভাইজার ঠিক করুন—যিনি আপনার অবর্তমানে পরিবারকে পরামর্শ দিতে পারবেন। এ ধরনের পরিস্থিতিতে অযাচিত উপদেশের ভারে পরিবার দিশেহারা হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে আপনার দৃষ্টিতে কারা ক্ষতিকর, তাও বলে রাখুন।
১১) চিঠি: আপনার কণ্ঠস্বর
একটি চিঠি লিখে রাখুন। তাতে আপনার অবর্তমানে পরিবারের সদস্যরা কীভাবে চলবে, তা লিখুন। এটি হবে আপনার কণ্ঠস্বর—তাদের পথ নির্দেশনা।
“We plan for tomorrow, while death arrives today.”
‘আমরা পরিকল্পনা করি আগামীকালের, অথচ মাঝে মাঝে মৃত্যু কড়া নাড়ে আজ।’
অতএব, নিজ পরিবারের সুরক্ষা-কৌশল নিয়ে ভাবুন।
আপনি শতায়ু হোন—নাতির ঘরের পুঁতি দেখা অবধি বেঁচে থাকুন, এই প্রার্থনা করি।
আমার জন্যও দোয়া করবেন।
#আসুনমায়াছড়াই
SYED AKLAK AHMED
এই পেইজটা আমার নিজস্ব মতামত ও ভাবধারা প্রকাশ করবে।
আরিফ আজাদ লিখেছেন তীব্র ব্যাক পেইন থেকে ডাক্তার দেখিয়ে অনেক ঔষধ খান কিন্তু কোন কাজে দিল না।
তারপর অনেক টাকা খরচ করে ডিয়াগ্নসিস করে আবিষ্কার করলেন যে মেরুদণ্ডে ডিস্কে সমস্যা। বিশাল করবার।
একই কারবার আসিফ মাহাতাব উৎস ভাই এর ছিল বলে আজেবাজে অপারেশন করে যৌবন কালে পঙ্গু হয়ে গেছেন।
তবে আরিফ আজাদ করলেন ব্যায়াম। ব্যাস শরীর ঠিক হয়ে গেল আলহামদুলিল্লাহ।
আসলে আমরা যে কারণে অকারণে ডাক্তারের কাছে দৌড়ে সমাধান চাই তার চাইতে বড় সমাধান আছে হেলদি লাইফস্টাইলে।
অনেকেই হেলদি লাইফস্টাইল বলতে বুঝায় ভালো খাওয়া দাওয়া করা।
কিন্তু ব্যাপারটা মোটেও এত সামান্য না।
আপনাকে ঘোড়ার মত পরিশ্রম করতে হবে।
পকেটে টাকা আছে তাই কোন কাজ করবেন না। মাল টানবেন না, হাঁটবেন না, সিড়িতে পায়ে উঠানামা করবেন না এগুলো আপনার উপর আরো বড় সমস্যা আকারে ফেরত আসবে যতই খান না কেন।
আমার নিজের জীবন থেকে এবার কিছু বলি।
লাইব্রেরীতে পড়াশোনার সময় আমার একদা ব্যাক পেইন শুরু হয়।
বয়স তখন মাত্র ২৫ । কিন্তু সেই বয়সে বুড়িয়ে যাই। হাঁটাচলা উঠাবসা সব শ্লথ গতি। নিজের উপর আত্মবিশ্বাস ক্ষীণ।
এমতাবস্থায় একদিন খান একাডেমির একটি ভিডিও দেখি একটি ছোট মেয়ে জিমন্যাস্টিকস করছে। অনেক বার পড়তে পড়তে শিখে গেলো হাতের উপর দাড়ানো।
খুব সুন্দর লাগে বিষয়টি। জীবনকে অনুপ্রাণিত করে। তাই ২৬ বছর বয়ঃসে জিমন্যাস্টিকস এ ভর্তি হয়ে যাই।
সেইটা যে কি কঠিন কাজ বলে বুঝাতে পারবো না কোনদিন।
বলা যায় জিমন্যাস্টিকসের জন্য protin, nutrients বুঝে খাওয়া দাওয়া থেকে শুরু করে ঘুম রুটিন সব কাটায় কাটায় সেট করতে হয়।
আর back pain?
কবে যে চলে যায়।
এর পরে কোমর এত শক্তিশালী হয় যে আমার পেটের উপর মানুষ তুলে ছবি দিতাম।
সবাই অবাক হতো।
রোলার স্কেটিং করলাম এর পরে। কোমরে আছাড় খেয়ে সিরামিকের রাস্তার উপর পড়তাম। কিছু হতো না আলহামদুলিল্লাহ।
এর পরে বিদেশে যাওয়ার পর একটু ভাটা পড়ে। আবার হালকা ব্যাক পেইন শুরু হয়। আমি তখন পাহাড়ে হাইকিং করা শুরু করি। আলহামদুলিল্লাহ চলে গেলো।
ঔষধ অপারেশন কিছু করতে পারবে না যদি অল্প বয়সে স্থবিরতার মাধ্যমে শরীর শেষ করে ফেলেন।
বেশি বেশি হাঁটলে, সিড়ি বেয়ে উঠলে, মাল টানলে, মাঝে মাঝে ভ্রমণ ও সাঁতার এই দৈনন্দিন জীবনের মাঝেই শরীর তুলনামূলক ভালো রাখে। আর যদি স্বাস্থ্য ভালো রাখতে চান, খাবারের পুষ্টি উপাদান বুঝে হিসাব করে করে খাবেন। কঠোর পরিশ্রম করবেন মাঝে মাঝে। পারলে একটু ভ্রমণ করবেন গরীবের মত করে।
বিনিময়ে যেই উপকার পাবেন তার জন্য
ধন্যবাদ ও দোয়া মনে মনে করলেই হবে।
পোস্ট ক্রেডিট : মোহাইমিন পাটোয়ারী ভাই
আচ্ছা জাপানিরা কেন এত সফল? কেন Toyota, Sony, কিংবা Nintendo-র মতো কোম্পানিগুলো বিশ্বজয় করেছে? এর পেছনে আছে কাইজেন (Kaizen)।
কাইজেন কী?
Kaizen মানে "Continuous Improvement"।
ছোট ছোট পরিবর্তন এনে প্রতিদিন একটু একটু করে উন্নতি করা।
জাপানের এই কনসেপ্ট শুধু কোম্পানি নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও সফলতা এনে দেয়।
কাইজেনের ৩টি main rules:
Small Steps, Big Impact:
প্রতিদিন ছোট ছোট উন্নতি করুন। আজ এক পৃষ্ঠা পড়া, কাল দুই পৃষ্ঠা। এক সময় আপনি পুরো বই শেষ করবেন।
Mistakes = Growth:
ভুল করলেই নিজেকে দোষারোপ করবেন না। বরং শেখার সুযোগ হিসেবে নিন।
Never Stop Improving:
উন্নতির কোনো শেষ নেই। আজ যা ভালো, কাল সেটা আরও ভালো হতে পারে।
কাইজেন কীভাবে শুরু করবেন?
১% নিয়ম ফলো করুন।
প্রতিদিন নিজের জীবনের যেকোনো একটা দিক ১% উন্নত করুন।
Daily Routine Analyze করুন।
কী কী সময় নষ্ট করছেন? সেই সময়গুলো ছোট ছোট কাজে ব্যয় করুন।
5-Minute Rule:
কোনো কাজ শুরু করতে ইচ্ছা না হলে বলুন, "শুধু ৫ মিনিট করব।" দেখা যাবে, কাজ শেষ করে ফেলেছেন।
Track করুন।
প্রতিদিন আপনার উন্নতি কোথায় হচ্ছে, সেটা লিখে রাখুন। এটা আপনাকে মোটিভেট করবে।
কাইজেনের impact কী?
Stress কমাবে।
Discipline বাড়াবে।
Self-Confidence বাড়াবে।
Life-এ Progress আনবে।
15/12/2023
আমার শুক্রবার, বাংলাদেশ টেলিভিশনে।
18/11/2021
The day that is going, in fact that day is not going
Submitting for future.
প্রিয় সরকারি চাকুরি প্রত্যাশীগন,
আশা করছি ভালো আছেন সবাই।
বিপিএসসি কর্তৃক প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির আলোকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এর কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর এর অধীন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট এবং টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর ( টেকনিক্যাল ) পদে
তোমাদের প্রস্তুতি গ্রহণের সুবিধার্থে আজ আমি লিখিত ও প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রস্তুতি ও অন্যান্য বিষয়ে নিয়ে আলোচনা করব।
বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন ৩ ধরনের পরীক্ষা নিয়ে থাকে।
প্রিলিমিনারি পরীক্ষা :
১০০০ এর বেশি প্রার্থী হলে এমসিকিউ টাইপের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হবে।
এমসিকিউ হবে ১০০ মার্কস এর।
মান বণ্টন : বাংলা- ২০
ইংরেজি-২০
সাধারণ জ্ঞান-২০
সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্ট -৪০
সময়- ১ ঘন্টা।
প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় আলাদা পাশ করতে হবে না, সামগ্রিকভাবে ৫০+ মার্কস পেলেই উত্তির্ন হওয়া যায়।
বি.দ্র: প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মার্কস পরবর্তিতে যোগ হবে না, এটা বাছাই এর জন্য।
মেধা তালিকা তৈরী হয় লিখিত পরীক্ষার মার্কস এবং মৌখিক পরীক্ষার মার্কস এর ভিত্তিতে।
লিখিত পরীক্ষা:
২০০ মার্কসের পরীক্ষার সময় মোট ৪ ঘন্টা ।
যার মধ্যে নন-ডিপার্টমেন্ট ১২০ নাম্বার।
বাংলা-৪০
ইংলিশ-৪০
সাধারণ জ্ঞান-৪০
সংশ্লিষ্ট নিজ ডিপার্টমেন্ট -৮০
মোট-২০০ মার্কস
বাংলা, ইংলিশ এবং সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে কমপক্ষে ২৫% নম্বর, সংশ্লিষ্ট নিজ ডিপার্টমেন্ট এ ৩০% পেয়ে ২০০ মার্কসের কমপক্ষে ৪৫% নাম্বার পেতে হবে।
মৌখিক পরীক্ষা:
লিখিত পরীক্ষায় উত্তির্ন হলে সর্বশেষ এ মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়
১০ম গ্রেডের পরীক্ষায় ৫০ মার্কসের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবং ৯ম গ্রেডের পরীক্ষায় ১০০ মার্কসের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
প্রয়োজনীয় বইপত্র:
১. অ্যাস্যুরেন্স ডাইজেস্ট ৩৪ তম বিসিএস (নীলখেতে পাওয়া যাবে ৭০/৮০ টাকায়), তবে এই বই না পেলে নতুন প্রফেসর প্রকাশনীর বিসিএস ডাইজেস্ট নিতে পারো নতুন ডাইজেস্ট এর সব পড়া লাগবে না, যেমন নীতিশাস্ত্র, সহ আরো অনকেকিছু বেশি দেয়া আছে তোমরা সিলেবাস টা দেখে পড়বা।
বি.দ্র:টেকনিকাল পদের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো প্রিলিমিনারি এ লিখিত পরীক্ষায় কোন সাধারন গনিত থাকবে না।
২. প্রফেসর প্রকাশনীর প্রফেসর'স নন ক্যাডার জব গাইড ২০২০/২০২১ এর এডিশন, তবে পুরাতন এডিশন হলে ও সমস্যা হবে না, সিলেবাস সব বইয়েই প্রায় একই।
৩. কারেন্ট জব সলুশন, ইহসান পাবলিকেশন।
৪. ডুয়েট এডমিশন গাইড, শুধু ডিপার্টমেন্ট এর জন্য।
৫. প্রতি মাসের কারেন্ট এফেয়ার্স/ওয়ার্ল্ড /প্রথমা প্রকাশনীর।
৬. প্রতিদিনের পত্রিকা পড়ার অভ্যস করতে হবে।
৭. নিজ নিজ ডিপার্টমেন্ট মেইন বইগুলো পড়তে হবে টেকনিকাল বিষয়ের জন্য।
মার্কস বন্টন:
নন-ডিপার্টমেন্ট :
বাংলা-৪০
ইংরেজি: ৪০
সাধারন জ্ঞান(আন্তর্জাতিক ও বাংলাদেশ): ৪০
সংশ্লিষ্ট নিজ ডিপার্টমেন্ট :
এই অংশে মোট ৮০ নম্বর থাকবে।
এই প্রশংগুলো বেশিরভাগ সংক্ষিপ্ত, অতি-সংক্ষিপ্ত টাইপের, খুব বড় রচনামূলক প্রশ্ন বেশি থাকবেনা।
আর ২০০ মার্কসের মধ্যে পাশ নাম্বার ৪৫%
, তবে শর্ত থাকে যে নিজ সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্ট এ সর্বনিম্ন ৩০% মার্কস এবং নন-ডিপার্টমেন্ট এ সর্বনিম্ন ২৫% মার্কস পেতে হবে।
হিসেব করলে দেখা যায় মুটামুটি ৯০+ মার্কস পেলেই লিখিত পরীক্ষায় উত্তির্ন হওয়া যায়।
সকল সরকারি চাকুরি প্রত্যাশীদের শুভ কামনায়:
সৈয়দ আখলাক আহমেদ,
উপ-সহকারী প্রকৌশলী (শীতাতপ ), বাংলাদেশ টেলিভিশন, ঢাকা কেন্দ্র, রামপুরা, ঢাকা। (২০২০- বর্তমান)
সাবেক জুনিয়র ইন্সট্রাক্টর/টেক ( আরএসি),
বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, পটাকাখালি,বরগুনা ।(২০১৫-২০২০)
৩ বার বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন এর লিখিত পরীক্ষায় উত্তির্ন।
আমার ফেইসবুক পেজ: https://www.facebook.com/motiveaksir/
আইডি: https://www.facebook.com/syed.akhlak
SYED AKLAK AHMED এই পেইজটা আমার নিজস্ব মতামত ও ভাবধারা প্রকাশ করবে।
02/11/2021
জগতে হায়, সে বেশি চায় আছে যার ভূরি ভুরি/রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি।
কোনটা পায়েশ আর কোনটা সুজি ?
আমরা তো দেখলে বুঝি,
যে যায় লংকায় ,সেই তো রাবণ
সবাই এক নৌকার মাঝি।
ক্রেডিট : PRITOM AHMED
‘যে জীবনযাপন করছো, তা ভালোবাসো, যেভাবে জীবনযাপন করতে ভালোবাসো, সেভাবে বাঁচো।
Credit: Ahmed Raiyan
যে কারণে মধ্যবিত্তরা সর্বস্বান্ত হন।
১. ভুল জমি বা ফ্লাট কেনা।
দেশে অসংখ্য রিয়েল এস্টেট কোম্পানি আছে, এরা বরশি ফেলে বসে আছে টোপ গেলার জন্য এবং এ টোপ হচ্ছে মধ্যবিত্ত। কেনার সময় আপনাকে যে জমি দেখানো হয়েছে আসলে তা হয়তো কেনাই হয়নি। জমির মালিককে মাসে দুহাজার টাকা ভাড়া দিয়ে জমির উপর কোম্পানিটি সাইনবোর্ড লাগিয়েছে মাত্র।
এ জমি কিনলেন তো বুড়িগঙ্গায় কষ্টের টাকা বিসর্জন দিলেন। সর্বস্ব হারানো মানুষটির এসব মাফিয়াদের বিরুদ্ধে কিছুই করার থাকে না। আশেপাশে তাকালেই এদের হাতে পথের ফকির হওয়া অনেককেই দেখবেন।
উল্টাপাল্টা ডেভেলপার থেকে ফ্লাট কিনলেও একই দশা অপেক্ষা করছে।
একটি ভুল জমি বা ফ্লাট ইকুয়াল টু বাকি জীবনের কান্না।
২. অস্বাভাবিক ডিসকাউন্ট দেওয়া কোম্পানি।
এরা পঞ্চাশ হাজার টাকার জিনিস দশ হাজার টাকায় অফার করবে। কমদাম দেখে মধ্যবিত্তরা ঝাঁপ দেবেন। এর মধ্যে সামান্য কয়েকজনকে পণ্য সরবরাহ করা হবে, বাকি অসংখ্য অর্ডারকারিকে দেবে না, সোজা কথায় তাঁদের টাকা মেরে দেওয়া হবে। বঞ্চিতরা এ কোম্পানির মালিককে জীবনেও ধরতে পারবেন না। কারণ তাঁদের টাকায় সে টাউট ইতোমধ্যে শত কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছে, গড়ে তুলেছে মাস্তান বাহিনী, চড়ে বুলেট প্রুফ গাড়িতে, বাস করে দূর্গে। ক্ষমতাহীন মধ্যবিত্তের সাধ্য নেই তাকে ধরার।
৩. ক্রেডিট কার্ড।
নগদ টাকা বের হয়ে যাওয়ার সময় যেমন মন খচখচ করে করে ক্রেডিট কার্ড দিয়ে কেনার সময় তা করে না। তাই সব কিছু কিনে ফেলতে ইচ্ছে করে। এভাবে অনেক বেদরকারি জিনিস কেনা হয়। একবারও মনে আসে না যে, ক্রেডিট কার্ড কোম্পানি প্রায় ত্রিশ পার্সেন্ট সুদ আরোপ করবে। মানে ১০০ টাকার জিনিস আসলে আপনি কিনছেন ১৩০ টাকায়। এটি এমন একটি গর্ত, যেখানে ঢুকা যায়, কিন্তু বের হতে জান বেরিয়ে যায়। মিনিমাম পেমেন্টের গাড্ডায় পড়লে তো জান যাবে কিন্তু ওই গর্ত থেকে বেরুতে পারবেন না।
৪. শেয়ার বাজার।
এটি এমন একটি সুড়ঙ্গ যার ওপর পারে অপেক্ষা করছে অভিজ্ঞ খেলোয়ারেরা। ভালোভাবে এ বাজার না বুঝে সে সুড়ঙ্গে টাকা ঢুকালেন তো অপর প্রান্তে অপেক্ষামান ফিল্ডাররা ক্রিকেট বলের মতো তা খপ করে লুফে নেবে। তার মানে আপনি আউট! পারমানেন্ট আউট। জীবনেও আর খেলার সুযোগ পাবেন না। এরকম আউট হওয়া হতভাগ্য খেলোয়ার আশেপাশেই দেখতে পাবেন। (এ বাজার শুধু অভিজ্ঞদের জন্য, না বুঝে এখানে ঢুকা খুবই রিস্কি।)
৫. অতিরিক্ত মুনাফার লোভ।
যখন কোনো প্রতিষ্ঠান বাজারে প্রচলিত বা সরকার নির্ধারিত সর্বোচ্চ মুনাফা বা সুদের চাইতে বেশি অফার করে তখনই সে প্রতিষ্ঠানে লাল পতাকা কল্পনা করবেন। মানে হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি লালবাতি জ্বালিয়ে ভাগবে, তার টিকিটার খোঁজও আপনি পাবেন না। এরা তো জ্বীন-ভূত না যে বাজারের প্রতিষ্ঠিত অতি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের চাইতে বেশি মুনাফা দেবে! এটা কি সম্ভব? এদের হাতে কি আলাদীনের চেরাগ আছে? না নেই। তবে আপনার আমানতের টাকায় এ চেরাগ তারা নিজেদের জন্য তৈরি করছে। যেদিন চেরাগটি পুরোপরি জ্বলবে সেদিন আপনার টাকা বস্তায় ভরে ম্যাজিক কার্পেটে চড়ে এরা গায়েব হয়ে যাবে।
কার্পেট রেডি, কেবল উড়াল দেওয়ার অপেক্ষা।
৬. ব্যাবসা করার জন্য অন্যকে টাকা দেওয়া।
আমি এমন মানুষ খুব কম দেখেছি যারা অন্যকে ব্যাবসা করার জন্য টাকা দিয়ে সব হারাননি। দুটো কারণে এটা হয়। প্রথমত যিনি ব্যবসার জন্য টাকা নিয়েছেন তিনি নিজেই মার খেয়েছেন, ফেরত কোত্থেকে দেবেন? দুই নম্বর হলো টাকা মেরে দেওয়া। কয়েকমাস লাভ দিয়ে তারপর অস্বীকার! লাভ তো দূরের কথা আসলই ফেরত পাওয়া যায় না। তাই ব্যাবসা যদি নিজে বুঝেন তাহলে করবেন, না বুঝে লাভের আশায় অন্যকে টাকা দিলেন মানে ব্যাংকের চেক কাটলেন না, নিজের ভাগ্যকেই নিজে কেটে দিলেন। দুনিয়ার কোনো সার্জনের সাধ্য নেই তা জোড়া লাগানোর।
৭. অন্ধ প্রতিযোগিতা।
আমাদের একটা বাজে অভ্যাস হলো অন্যদের সাথে অন্ধ প্রতিযোগিতা। পাশের বাসায় ৪২ ইঞ্চি টিভি কেনা হয়েছে! আমারও কিনতে হবে। কেউ গাড়ি কিনেছে! ধারকর্জ করে আমাকেও কিনতে হবে। ফলাফল হচ্ছে, পায়ের নিচের মাটি সরে যাওয়া। এ ইঁদুর দৌড়ের কারণে যখন জীবনে ঘোর বর্ষা নামবে তখন হাতে ছাতা থাকবে না। ফালতু প্রতিযোগিতার কারণে সে ছাতা তো কবেই বিক্রি করে দিয়েছি!
তাহলে কী করবেন?
উত্তর: উপরের কোনোটিই করবেন না। টাকাও নিরাপদ থাকবে, আপনিও নিরাপদ থাকবেন। হাতের ছাতা হাতেই থাকুক, বর্ষাকালের জন্য।
সবার জন্য শ্রদ্ধা, শুভকামনা।
#আসুনমায়াছড়াই।
(লেখাটি শেয়ার করা যাবে, করলেই বরং খুশি হবো)
©বাদল সৈয়দ।
.....
...দিন কে বলি রাত
রাত কে বলি দিন
এভাবেই আমি আজ
তোমাতে বিলীন........
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Website
Address
Habiganj Sadar
3300