05/05/2026
মাল্টা ভূমধ্যসাগরের একটি ছোট, সুন্দর দ্বীপরাষ্ট্র যা সমৃদ্ধ ইতিহাস, স্থাপত্য এবং সমুদ্রসৈকতের জন্য পরিচিত। মাল্টার প্রধান শহরগুলো এবং তাদের বিখ্যাত হওয়ার কারণ নিচে দেওয়া হলো:
১. ভ্যালেটা (Valletta) - রাজধানীর শহরকেন বিখ্যাত: এটি মাল্টার রাজধানী এবং ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট। এটি ১৬শ শতাব্দীতে নাইট অফ সেন্ট জন দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। এখানে চমৎকার বারোক স্থাপত্য, সেন্ট জন'স কো-ক্যাথেড্রাল এবং আপার বারাক্কা গার্ডেন রয়েছে, যেখান থেকে গ্র্যান্ড হারবারের দৃশ্য দেখা যায়।
২. মদিনা (Mdina) - নীরব শহর (The Silent City)কেন বিখ্যাত: এটি মাল্টার প্রাচীন রাজধানী। উঁচু পাহাড়ের ওপর অবস্থিত এই সুরক্ষিত শহরটি তার শান্ত পরিবেশ, সরু রাস্তা, এবং মধ্যযুগীয় ও বারোক স্থাপত্যের জন্য বিখ্যাত। এখান থেকে পুরো দ্বীপের প্যানোরামিক দৃশ্য দেখা যায়।
৩. স্লিমা (Sliema) - আধুনিক শহরকেন বিখ্যাত: স্লিমা হলো কেনাকাটা, রেস্তোরাঁ, কফিশপ এবং আধুনিক অ্যাপার্টমেন্টের জন্য পরিচিত একটি জনপ্রিয় পর্যটন এলাকা। এটি সমুদ্রের পাড়ে ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রমনেড (হাঁটার রাস্তা) এবং নাইটলাইফের জন্য বিখ্যাত।
৪. সেন্ট জুলিয়ানস (St. Julian's) - নাইটলাইফ ও এন্টারটেইনমেন্টকেন বিখ্যাত: এটি মাল্টার উৎসব ও নাইটলাইফের প্রধান কেন্দ্র। এখানে প্রচুর ক্লাব, বার এবং ক্যাসিনো রয়েছে। এছাড়া এখানে বিলাসবহুল হোটেল এবং সমুদ্রের ধারের রেস্তোরাঁ রয়েছে।
৫. ত্রিনিটি শহর (Three Cities) - ঐতিহাসিক বন্দর এলাকাকেন বিখ্যাত: গ্র্যান্ড হারবারের অপর পাশে অবস্থিত তিনটি প্রাচীন সুরক্ষিত শহর—বিরগু (Vittoriosa), সেংলেয়া (Senglea), এবং কস্পিকুয়া (Cospicua)। এগুলো মাল্টার ইতিহাসের কেন্দ্রবিন্দু, বিশেষ করে ১৫৬৫ সালের গ্রেট সিজের (Great Siege) সময়, এবং এখানকার প্রাচীন স্থাপত্য ও সমুদ্রবন্দর দেখার মতো।
৬. মার্সাসোক্লক (Marsaxlokk) - ঐতিহ্যবাহী মাছ ধরার গ্রামকেন বিখ্যাত: এটি মাল্টার দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত একটি মাছ ধরার গ্রাম। এখানকার রঙিন ঐতিহ্যবাহী নৌকা (যাকে 'লুজু' বা Luzzu বলা হয়) এবং প্রতি রবিবারের মাছের বাজার খুব বিখ্যাত।
৭. ভিক্টোরিয়া (Victoria/Rabat) - গোজো দ্বীপের রাজধানীকেন বিখ্যাত: মাল্টার মূল দ্বীপের পাশের দ্বীপ 'গোজো' (Gozo)-এর প্রধান শহর হলো ভিক্টোরিয়া। এটি তার প্রাচীন সুরক্ষিত দুর্গ (Citadel) এবং স্থানীয় সংস্কৃতির জন্য পরিচিত