W3classroom

W3classroom

Share

জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ,বুদ্ধি যেখানে ?

09/08/2024
04/06/2021

#যেভাবে_শূন্য_থেকে_শুরু_করবেন_প্রাথমিক_শিক্ষক_নিয়োগ_পরীক্ষার_প্রস্তুতি

প্রস্তুতি যদি #গোছানো হয় ,স্টাডি #পরিকল্পনা যদি ঠিক থাকে তাহলে হাজার হাজার প্রার্থীর মধ্যেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নিজেকে এগিয়ে রাখা সম্ভব।সময় আপনার কম থাকলে ও যদি তার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারেন তাহলে আপনার দ্বারা ও প্রাথমিক শিক্ষক হওয়া সম্ভব।তবে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য পরিশ্রমের পাশাপাশি কিছু টেকনিক অবলম্বন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।শুধু পরিশ্রম করলেই যদি সবকিছু হত তাহলে #গাধাকেই বলা হত বনের রাজা।কাজেই পরিশ্রমের সাথে কৌশলের সমন্বয়েই যে কোন কাজে সাফল্য পাওয়া সম্ভব।আজকের পোস্টে আমি সেই নির্দেশনাটিই দেওয়ার চেষ্টা করব।তবে যারা পরিশ্রম করতে পারবেন না বা কোন শর্টকাট ওয়ে খুজেন সফল হওয়ার জন্য তাদেরকে বলি এ পোস্ট আপনার কোন কাজে আসবে না।আপনি এখনি স্কিপ করতে পারেন এবং এখান থেকেই।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় ২ ধরনের পরীক্ষার্থী থাকেন, তাহলে দুই ধরনের পরীক্ষার্থীর প্রস্তুতি দুই ধরনের হওয়া উচিত। যেমন সব রোগের জন্য কেবল নাপা খেলে কাজ হবে না; ঠিক একইভাবে সবার প্রস্তুতির স্টাইল একই রকম হলে কাজ না-ও হতে পারে।

১. #প্রাথমিকে এ ধরনের পরীক্ষার্থীর একটি হলো- একেবারে নতুন কিংবা আগে পরীক্ষা দিয়েছেন ঠিকই কিন্তু বইয়ে হাত দেন নি।
২. আরেক ধরনের পরীক্ষার্থী আছেন, যারা এর আগেও পরীক্ষা দিয়েছেন। মানে, অভিজ্ঞ বা কিছুটা অভিজ্ঞ।

এখন প্রথমে আসি যারা একেবারে নতুন অথবা যারা নতুন করে সবকিছু শুরু করতে চাচ্ছেন।তারা কিভাবে প্রস্তুতি শুরু করবেন। যারা এবার প্রথম পরীক্ষা দেবেন, তারা হয়তো বুঝে উঠতে পারছেন না- ঠিক কোথা থেকে কীভাবে #প্রস্তুতি শুরু করবেন? হয়তো ভাবছেন, আগে তো তেমন কিছু পড়িনি, এখন কি ভালো করা সম্ভব?
#প্রকৃতপক্ষে, হাতে এখনো যে পরিমাণ সময় আছে, পরিকল্পনামাফিক পড়লে, এখনো ভালো করা সম্ভব। তো আসুন জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে শূন্য থেকে প্রস্তুতি শুরু করবেন—

#ধাপ-১: প্রথমে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার বিগত সালের প্রশ্নগুলো ভালোভাবে দেখুন এবং পড়ুন। প্রাথমিকে কী ধরনের প্রশ্ন হয় ধারণা পেয়ে যাবেন এবং বিগত সালের প্রশ্ন থেকে অনেক কমনও পাবেন। বিগত সালের প্রশ্নগুলো ব্যাখ্যাসহ পড়ুন। হাতে বেশি সময় না থাকলে অত্যন্ত ২০১৮ এবং ২০১৯ সালের প্রশ্নসমুহ ব্যাখ্যাসহ পড়ুন। কারণ এগুলো আগের প্রশ্নগুলোর চেয়ে একটু ভিন্ন। ভিন্ন এ কারণে বলছি আগে সাধারণত প্রত্যেকটি বিষয়েরই নির্দিষ্ট কিছু টপিক থেকে #জোড়ায় জোড়ায় প্রশ্ন হত।কিন্তু এখন সেই ধারা অব্যাহত নেই।এখন গড়পড়তা সব টপিকেই আপনাকে হাত দিতে হবে।তবে বিগত সালের প্রশ্ন পড়লে আপনি বুঝতে পারবেন কোন টপিকগুলোর একেবারেই গভীরে যেতে হবে আর কোন টপিকগুলোর উপর মৌলিক ধারণা রাখলেই চলবে। এর জন্য প্রাইমারি নিয়োগ গাইড থেকে বিগত সালের প্রশ্ন পড়তে পারেন।তাছাড়া আপনার বেসিক যদি ভাল হয় আমি বলব যে কোন একটা জব সলিউশন আগাগোড়া পড়ে নিতে।এতে করে চাকরির পরীক্ষায় কি ধরনের #ব্যতিক্রমী প্রশ্ন হয় তার সুস্পষ্ট ধারণা পেয়ে যাবেন।তবে এতে বেশী সময়ক্ষেপণ করা যাবে না।জাস্ট শুধু ধারণা নেওয়ার জন্য পড়বেন।পরবর্তীতে এগুলো নখদর্পণে নেওয়ার চেষ্টা করবেন।

#ধাপ-২: এ পর্যায়ে আপনি আপনার দূর্বলতা চিহ্নিত করবেন।প্রয়োজনে একটি নোট করে নিবেন যে কোন টপিকগুলোতে আপনি বেশি দূর্বল ।দূর্বলতা চিহ্নিত করে এবার আসবে সেগুলোতে সক্ষমতা অর্জন করার পালা।এজন্য বিষয়ভিত্তিক বই হাতে নিবেন।যেমন
বাংলা,গণিত,ইংরেজি।এ তিনটি বই থেকে আপনি আপনার #বেসিক মজবুত করবেন।এজন্য অধিক দূর্বল টপিকগুলোর জন্য বাজারে প্রচলিত গাইড বইয়ের পাশাপাশি বাংলার জন্য নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ এবং ভাল উচ্চতর বাংলা ব্যাকরণ ,ইংরেজির জন্য Advanced grammer ,গণিতের জন্য ৫ম শ্রেণি থেকে নবম শ্রেণির বোর্ড বই থেকে ডিটেইলস ধারণা নিয়ে টপিকগুলো সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা নিবেন।

#ধাপ-৩: এরপর বাজার থেকে যেকোনো ভালো সিরিজের (যেমন এমপিথ্রি/প্রফেসর’স/অ্যাসিওরেন্স/ওরাকল) আলাদা বিষয়ভিত্তিক বই পড়তে হবে। সিলেবাসের সাথে মিল রেখে টপিকগুলো পড়ে ফেলুন। গুরুত্বপূর্ণ টপিক বা অধ্যায়ের ওপর বেশি জোর দিন। বিশেষত যে টপিক বা অধ্যায় থেকে প্রায় প্রতিবার প্রশ্ন আছে, সেই টপিক বা অধ্যায়গুলো।
এখানে বাংলার জন্য আমার কাছে এমপিথ্রি /অগ্রদূত টাই বেস্ট মনে হয়।গণিতের জন্য ”সোহাগ”স ম্যাথ এনালাইসিস” বইটি পড়ুন।কারণ প্রাইমারির উপযোগী করে এখন পর্যন্ত কোন বিষয়ভিত্তিক বই বাজারে নাই।তাই প্রাইমারির জন্য হলে এ গণিত বইটি পড়ুন।অধিক উপকৃত হবেন।ইংরেজির জন্য ও এমপিথ্রি/প্রফেসর;স কমপিটিটিভ এক্সাম বইটি বেস্ট।

#ধাপ-৪: এরপর বিগত সালের বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষা থেকে যেহেতু অনেক প্রশ্ন রিপিট হয়, সেজন্য জব সলিউশন পড়ুন। এখানে বিগত সালের বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার ব্যাখ্যাসহ সমাধান পাবেন। এ ক্ষেত্রে #প্রফেসর’স জব সলিউশন বা #ওরাকল জব সলিউশন যেকোনো একটি ফলো করতে পারেন।জব সলিউশন থেকে প্রাইমারি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায় ৭০ থেকে ৮০ ভাগ প্রশ্ন কমন পাবেন।জব সলিউশন শতভাগ কমপ্লিট করার জন্য আমার জব সলিউশন স্টাডি সংক্রান্ত পোস্টটি দেখতে পারেন অথবা আপনার নিজস্ব পদ্ধতি অবলম্বন করুন যেভাবে আপনি বইটি শতভাগ নিয়ন্ত্রণে নিতে পারবেন বলে মনে করেন।মোদ্দাকথা হল নিজস্ব পদ্ধতিই সবচেয়ে বেশি কার্যকরী।কারণ ব্রেইন এতে অনেক বেশী স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে।

#ধাপ-৫: তারপর বাজার থেকে প্রাইমারির জন্য ভালো মানের একটি বা দুটি মডেল টেস্ট নিয়ে রিয়েল পরীক্ষার মত পরিবেশ তৈরি করে সময় ধরে পরীক্ষা দিন। তারপর দেখুন কোন বিষয়ে কত পান। যে বিষয়ে কম পাবেন, সেই বিষয় ভালোভাবে শেষ করুন, বিষয়টিতে জোর দিন।মডেল টেস্ট দিতে দিতে নিজের দূর্বলতাগুলো আবার ও চিহ্নিত করুন এবং সেগুলোতে আবার নজর দিন যাতে আর কখনো ভুল না হয়।প্রয়োজনে কোন মডেল টেস্ট প্রোগ্রামের সাথে জড়িত থাকতে পারেন।আমার নেওয়া মডেল টেস্টে অংশগ্রহণ করে ও নিজের প্রস্তুতি যাচাই করতে পারেন।

ামর্শ:
১. কোন টপিক না বুঝে #এড়িয়ে যাবেন না।টপিকটি আগে ভালভাবে বুঝে তারপর ঐ টপিকের উপর আসা বিগত সালের প্রশ্নসমুহ পড়ুন।
২.যেগুলো বারবার পড়ার পরে ও মনে রাখতে পারছেন না সেগুলোর আশা ছেড়ে দিন ।কারণ একটি ভুলে যাওয়া টপিক মনে রাখার চেষ্টা আরো দশটি ভুলতে সহায়তা করে।
৩. সবাই ঐ একটা টপিক ভাল পারে আমাকে ও পারতে হবে এমন মানসিকতা পরিহার করুন।
৪. আপনি যা ভাল বুঝেন তা কিভাবে শতভাগ কাজে লাগানো যায় তা নিয়ে ভাবুন।
৫. পড়ার অভ্যাস আস্তে আস্তে তৈরি করুন।যেমন প্রথম দিন ২ ঘন্টা পড়লে পরের দিন ২ ঘন্টা ৫ মিনিট পড়ুন।এতে করে আপনার শরীর এবং মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে সয়ে যাবে।
৬. পড়ার সময় আনন্দ এবং তৃপ্তি নিয়ে পড়ুন।এতে করে ভুলে যাওয়ার প্রবণতা থাকবে না।
৭. কোন জিনিস কনফিউশন করে শিখবেন না।কনফিউশন দুর করার জন্য বিভিন্ন বই দেখুন অথবা নেটে সার্চ দিয়ে কয়েকটা উৎসের তথ্য দেখে কনফিউশন দুর করুন।
৮.যে প্রশ্নগুলো মনে থাকছে না সেগুলোকে মার্কিং করুন এবং শুধু সে প্রশ্নগুলোই একাধারে পড়ুন ভালভাবে না শিখার আগ পর্যন্ত।
৯. জটিল টপিকসমুহ নিয়ে অধিকতর রিসার্চ করার অভ্যাস তৈরি করুন।
১০. অপশনের দিকে না তাকিয়ে শুধু প্রশ্ন দেখে উত্তর করার চেষ্টা করুন।এতে পরীক্ষার হলে কনফিউশন তৈরি হবে না।

এবার আসি #অভিজ্ঞদের প্রস্তুতির বিষয়ে। আপনারা যেহেতু এ পর্যন্ত এক বা একাধিক পরীক্ষা দিয়েছেন, আপনাদের বলার তেমন বেশি কিছু নেই। যেহেতু আপনারা অনেক কিছু জানেন বলে ধরে নিলাম। তারপরও কিছু কথা না বললেই নয়—

আপনাদেরকে প্রথমেই ভাবতে হবে ” #সেফ_জোন” নিয়ে।অর্থাৎ রিটেনে কত নম্বর পেলে আপনার চাকরি হাতের মুঠোয় আসবে।সেটা এলাকাভেদে ভিন্ন হয় তা আপনারা জেনে বুঝে প্রস্তুতি নিবেন। ভালো মানের মডেল টেস্টগুলোয় কেবল গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো থাকে, যেখান থেকে পরীক্ষায় অনেক কমন পাওয়া যায়। সে জন্য আপনি ‘ ভালো মানের #মডেল টেস্ট থেকে মডেল টেস্ট দিন এবং দূর্বলতা চিহ্নিত করে পড়ুন।বারবার রিভিশন দিন। তারপর দেখুন কোন বিষয়ে কত পান। যে বিষয়ে কম পাবেন, সে বিষয় ভালোভাবে শেষ করুন, বিষয়টিতে জোর দিন। যেকোনো ভালো সিরিজের বইগুলো পড়ুন এবং বিগত সালের প্রশ্ন মানেই সবাই পারবে এমন মনে করে আপনি ও বিগত সালের প্রশ্নে কোন ছাড় দিবেন না শতভাগ নিয়ন্ত্রণে নিন। #সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান নিয়ে এত টেনশন করবেন না।আমি মনে করি পড়ারই প্রয়োজন নাই কারণ এতে করে মূল পড়া থেকে অনেকেই বিচ্যুত হন।পড়লে ও এখন পড়ার প্রয়োজন নাই পরীক্ষার কিছুদিন আগে পড়ে নিবেন।

মাথায় রাখতে হবে, এখন #প্রাথমিক পরীক্ষায় #প্রতিযোগী ও #প্রতিযোগিতা অনেক বেশি। তাই আগের মতো গতানুগতিক বই পড়ে কিংবা গতানুগতিক টেকনিক অবলম্বন করে সাফল্য আশা করা যায় না। প্রতিযোগী ও প্রতিযোগিতা দুটিই যেহেতু বেশি, তাই সাফল্য পেতে হলে পড়াশোনা করতে হবে ব্যতিক্রমভাবে ও কার্যকর টেকনিক অবলম্বন করে। এভাবে পড়লে ভালো কিছু হবে। আশাহত হবেন না মনে রাখবেন #একগুচ্ছ চাবির শেষ #চাবিটা দিয়ে ও তালা খুলতে পারে।

সময়টুকু ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারলে আপনার ও আপনার পরিবারের ভাগ্যে অনেক পরিবর্তন আসতে পারে। তাই সময় নষ্ট না করে বেশি বেশি পড়ুন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বেশি জোর দিন; যেন পরীক্ষার হলে গেলে বিভ্রান্ত না হন।

আরেকটি কথা মনে রাখবেন, #পৃথিবীতে কেউ কাউকে সুযোগ করে দেয় না, সুযোগ নিজেকে তৈরি করে নিতে হয় যোগ্যতা ও পরিশ্রম দিয়ে। আপনি ১ ঘণ্টা বেশি পড়া মানে ১ ঘণ্টার পথ এগিয়ে গেলেন সাফল্যের পথে।

বিঃদ্রঃ এছাড়া ও অনেকের ভিন্ন পরামর্শ থাকতে পারে।আমি আমার মত করে পরামর্শ দিলাম ।আপনি আপনার মত করে কাজে লাগাবেন।মোদ্দাকথা হল গন্তব্যস্থলে পৌছানো তা যেভাবেই হোক।

অশেষ ধন্যবাদ সবাইকে

নিরন্তর শুভ কামনা ও ভালবাসা রইল সবার জন্য

Suhag Talukdar
সহকারী শিক্ষক
ভরপূর্ণি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
লাখাই,হবিগঞ্জ।

23/05/2021

োস্টটি_তাদের_জন্য_যাদের_আত্নবিশ্বাস_তলানিতে

সোহাগ তালুকদার

যদি আপনার সামনে ফনা তুলা একটি বিষধর সাপ দাড়িয়ে থাকে, তখন আপনি কী করবেন? নিশ্চয়ই দাঁড়িয়ে থাকবেন না, যদিও আপনি খুব ভাল করেই জানেন, ওই সময়টাতে দৌড় দিলেও সাপের ছোবল থেকে বাঁচার সম্ভাবনা নিতান্তই কম বা নেই বললেই চলে।তখন কি আপনি বাঁচার চেষ্টাটা করবেন না?অবশ্যই আপনি আপনার সবটুকু দিয়ে বাঁচার শেষ চেষ্টাটা করে দেখবেন এই আশায়, যদি সৃষ্টিকর্তার দয়ায় বা কোনো এক মিরাকলে বেঁচে যান! মানুষ এভাবেই বাঁচে---বেঁচে থাকার সুযোগ সামান্য তারপর ও ১০০% over চেষ্টা করে বেঁচে যায়! একেবারে ছেড়ে দেয়ার চাইতে মিরাকলে বিশ্বাস করে লেগে থাকা ভাল।
ধরেই নিলাম, আপনি চাকরি পাবেন, এর সম্ভাবনা মাত্র ১%। চাকরির পরীক্ষা তো দেবেনই, নাকি? পরীক্ষা যদি দিতেই হয়, তবে পড়াশোনা না করে দিয়ে কী লাভ? দায়িত্ব নিয়ে বলছি, অভিজ্ঞতা থেকে বলছি,মাত্র ১% সম্ভাবনায় ৫০% লোক চাকরি পায়। ওরা যদি পায়, তবে আপনি কেন পাবেন না? ১০০% over চেষ্টা দিয়ে পড়াশোনা শুরু করে দিন---এই মুহূর্ত থেকেই!শুরু করব, শুরু করব বলে কালক্ষেপণ করবেন না।

আমার নিজের মতো করে কিছু পরামর্শ দিচ্ছি। এগুলিকে আপনার মতো করে কাজে লাগাবেন।আশা করি উপকার পাবেন।আত্নবিশ্বাস চাঙ্গা হবে দিন দিন।

১. নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া বাসা থেকে বের হওয়া একেবারেই বন্ধ করে দিন।

২. প্রতিদিন পড়াশোনা করুন অন্তত ১৬ ঘণ্টা; ১৬ ঘন্টা সম্ভব না হলে অন্তত ৭/৮ ঘণ্টা। এ সময়টাতে ৬ ঘণ্টার চাইতে বেশি ঘুম একধরণের বিলাসিতা। বিশ্বাস করে নিন, আপনি আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীর চাইতে যত মিনিট কম ঘুমাবেন, উনার তুলনায় আপনার চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা তত % বেশি।

৩. একটা বিষয় পড়তে পড়তে ক্লান্ত হয়ে পড়লে আপনার পছন্দের সহজ বিষয়টি পড়া শুরু করুন।
৪. ফোন রিসিভ করা, ফেসবুকিং, সামাজিকতা কমিয়ে দিন। পড়ার টেবিল থেকে মোবাইল ফোনটি দূরে রাখুন।

৫.অংক, ব্যাকরণ, সহজে বশে আসে না এমন টপিকগুলো প্রতিদিনই চর্চা করুন।

৬. অমুক তারিখের মধ্যে অমুক সাবজেক্ট/ টপিক, যত কষ্টই হোক, শেষ করে ফেলবো, এই টার্গেট নিয়ে পড়ুন।

৭. পড়ার সময় লিখে পড়ার তেমন প্রয়োজন নেই, বরং বারবার পড়ুন।

৮. মার্কস এবং প্রশ্নের গুরুত্ব অনুসারে কোন টপিকে কত সময় দেবেন, এটা অবশ্যই ঠিক করে নেবেন।

৯. সব সাজেশন্সই দেখবেন, কিন্তু কোনটাই ফলো করবেন না। সবচেয়ে সেরা সাজেশন্স বিগত সালে যে কোনো চাকরির পরীক্ষায় আসা সকল প্রশ্নের উত্তর নখদর্পণে রাখুন।

১০. রেফারেন্স বই কম পড়ে গাইডবই বেশি পড়ুন। যেমন mp3, professor job solution.৫টি রেফারেন্স বই পড়ার চেয়ে ১টি লেটেস্ট গাইডবই উল্টেপাল্টে দেখাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।কারন এতে আপনার সময় বাঁচবে এবং কমন পাবেন বেশি।

১১. প্রতিদিনই প্রার্থনা করুন, সবার সাথে বিনীত আচরণ করুন। এটা আপনাকে ভাল প্রস্তুতি নিতে সাহায্য করবে।

১২. যে জিনিসগুলি কিছুতেই মনে থাকে না, আপনার কাছে খুবই কঠিন।সে জিনিসগুলি মনে রাখার অতিচেষ্টা বাদ দিন। অন্যকেউ ওটা পারে মানেই আপনাকেও ওটা পারতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। আপনি যা পারেন, তা যেন ভালোভাবে পারেন, সেদিকে খেয়াল রাখুন।

১৩. সবকিছু পড়ার সহজাত লোভ সামলান। বেশি পড়া নয়, প্রয়োজনীয় টপিক বেশি পড়াই বড় কথা।কারণ জ্ঞানী হওয়ার জন্য পড়ছেন না।পড়ছেন একটা চাকরি পাবার জন্য।তাই সাধু সাবধান।

১৪. কারোর পড়ার স্টাইলকেই অন্ধভাবে ফলো করবেন না। রেজাল্টই বলে দেবে, কে ঠিক ছিল, কে ভুল ছিল। রেজাল্ট বের হওয়ার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত আপনি কারোর চাইতেই কোনো অংশে কম নন। ‘বেস্ট অ্যাচিভার’ হয়, কিন্তু ‘বেস্ট ক্যান্ডিডেট’ বলে কিছু হয় না।

১৫. পড়ার সময় গোলমেলে আর দরকারি অংশগুলি দাগিয়ে রাখুন যাতে রিভিশন দেয়ার সময় শুধু দাগানো অংশগুলি পড়লেই চলে।

১৬. দিনের বিভিন্ন সময়ে ব্রেক নিয়ে ১০-১৫ মিনিট করে অল্প সময়ের জন্য ঘুমিয়ে নিলে দুটো লাভ হয়। এক। রাতে কম ঘুমালে চলে। দুই। যতক্ষণ জেগে আছেন, সে সময়টার সর্বোত্তম ব্যবহারটুকু করতে পারবেন। ওরকম অল্প সময়ের কার্যকরী ঘুমকে ‘পাওয়ার ন্যাপ’ বলে।

১৭. জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়টাতে পরীক্ষায় দুর্নীতি, ভাইভাতে স্বজনপ্রিয়তা,,কর্তৃপক্ষের নানান নেতিবাচক দিকসহ দুনিয়ার যাবতীয় ফালতু বিষয় নিয়ে শোনা, ভাবা, গবেষণা করা থেকে নিজেকে বিরত রাখুন।কারণ সঠিক প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষা দিলে কেউ আপনাকে ঠেকাতে পারবে না। চাকরি আপনার কপালে জুটবেই।

এই সময়টাতে আপনার প্রচণ্ড মানসিক ও শারীরিক কষ্টের মধ্য দিয়ে যাওয়ার কথা। ওরকমই হলে, আমি বলবো, আপনি ঠিক পথে আছেন।বেশি পরিশ্রমে কেউ মরে না। যদি তা-ই হতো, তবে আমরা দেখতে পেতাম, পৃথিবীর সকল সফল মানুষই মৃত।

আবার ও শুভকামনা।ধন্যবাদ সবাইকে।

Suhag Talukdar

02/05/2021

প্রিয় প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার্থীবৃন্দ।ছোট্র সোনামণিদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে আপনাদের আত্নপ্রত্যয়ের প্রতি রইল আমার গভীর শ্রদ্ধা ও ভালবাসা।

আপনাদের পড়াশোনার বিষয়ে আমার একটি বিশেষ পরামর্শ ছিল যে বিগত বছরের প্রশ্নগুলো শতভাগ নিয়ন্ত্রণে নেয়া।কারণ আমার ধারণা অনুযায়ী বিগত বছরের প্রশ্নগুলো শতভাগ নিয়ন্ত্রণে নিতে পারলে আপনি ৭০+ নম্বর উঠাতে সক্ষম হবেন।তবে একই সাথে সব বিষয়ের প্রশ্নগুলো পড়তে যেহেতু বিভিন্ন অসুবিধার সম্মখীন হতে হয় তাই বলেছিলাম প্রাইমারি প্রশ্ন এবং জব সলিউশন পড়ার সময় গণিত এবং ইংরেজি বাদ দিয়ে বাকি প্রশ্নগুলো দ্রুত পড়ে নেওয়া এবং গণিত ও ইংরেজির জন্য আগে বিষয় ভিত্তিক বইপড়া।সেই পোস্টে বিস্তারিত বলেছি এখন আর বিস্তারিত উল্লেখ করছি না।এখন গণিত এবং ইংরেজি ছাড়া অন্য বিষয়ের বিগত বছরের প্রশ্নগুলো শতভাগ নিয়ন্ত্রণে আনতে আপনারা যেসব সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন তার সমাধান আজকের পোস্টে।

★এমন কিছু টপিক আছে যেগুলোর থিওরিক্যাল জ্ঞান যথেষ্ট না থাকার কারণে ঐ টপিকের উপর আসা প্রশ্নগুলো বারবার পড়া সত্ত্বে ও আয়ত্বে বা বশে আনতে পারছেন না।তাই এগুলো নিয়ে টেনশন ফিল করছেন। কিভাবে আয়ত্বে আনবেন তা বুঝে উঠতে পারছেন না।আমার আজকের পোস্ট এই সমস্যার সমাধান নিয়েই।তাই টপিকগুলো কি হতে পারে তার একটা সম্ভাব্য তালিকা এবং সাথে সাথে তার সমাধান ও দিচ্ছি।

১.বাংলার ক্ষেত্রে----

সন্ধি,সমাস,কারক ও বিভক্তি,ধ্বনির পরিবর্তন আর বাকিগুলো মুখস্থ করার টপিক।

সন্ধি যদি ও রুলস আছে।আর ঐ রুলস অনুযায়ী যদি আপনি শিখতে চান তবে এই সংক্ষিপ্ত সময়ে আপনার মাথা নষ্টের যোগাড় হবে। সব তাল গোল পাকিয়ে ফেলবেন।তাই আমার পরামর্শ বিগত বছরের প্রশ্ন পড়তে পড়তে একই সন্ধি যখন অন্য কোন প্রশ্নে দেখলে ভুলে যাচ্ছেন বা সন্ধিগুলো সহজে আয়ত্বে আসছে না।তখন আপনি চাকরি প্রস্তুতির জন্য রচিত বিষয়ভিত্তিক বাংলা বই থেকে সন্ধির অধ্যায়ের সবগুলো সন্ধি বিচ্ছেদ এককসময়ে মুখস্থ করুন।যাতে কোন কনফিউশন না থাকে।এতে করে বিগত প্রশ্ন পড়তে সন্ধির জন্য আর বিরক্তি আসবে না।সহজেই আয়ত্ত্বে আনতে পারবেন সন্ধিবিচ্ছেদগুলো।

সমাসের জন্য এর প্রতিটা প্রকারভেদ ভাল করে বুঝতে হবে।এর জন্য যে কোন বিষয়ভিত্তিক বাংলা বই পড়তে পারেন।তবে সমাসের জন্য গ্রুপে এবং আমার টাইমলাইনে একটি স্পেশাল পোস্ট দেওয়া আছে।এখানে সহজ ভাষায় ভাল ভাবে উপস্থাপন ও বোঝানোর চেষ্টা করেছি।বইয়ে সাধারনত এরকম লেকচার পাবেন না।তাই আমি বলব এ পোস্টটি ভাল করে বুঝে পড়তে।পোস্টটি গ্রুপে আমার আইডি নাম দিয়ে সার্চ করলে ও পাবেন/আমার টাইমলাইনে ও পাবেন অথবা এ লেকচারটির pdf ফাইল গ্রুপের File অপশনে দেওয়া আছে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।ভালভাবে বুঝার পর আমি মনে করি সমাসের ব্যাসবাক্য যত বেশি আয়ত্বে আনতে পারবেন তত বেশি সুবিধা পাবেন সমস্যা নির্ণয়ে।

কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ের জন্যও এর প্রতিটা প্রকারভেদ ভাল করে বুঝতে হবে।এর জন্য যে কোন বিষয়ভিত্তিক বাংলা বই পড়তে পারেন।তবে কারক ও বিভক্তির জন্যও গ্রুপে এবং আমার টাইমলাইনে একটি স্পেশাল পোস্ট দেওয়া আছে।এখানে ভাল করে বুঝানোর চেষ্টা করেছি।বইয়ে সাধারনত এরকম লেকচার পাবেন না।তাই আমি বলব এ পোস্টটি ভাল করে বুঝে পড়তে।পোস্টটি গ্রুপে আমার আইডি নাম দিয়ে সার্চ করলে ও পাবেন/আমার টাইমলাইনে ও পাবেন অথবা এ লেকচারটির pdf ফাইল গ্রুপের File অপশনে দেওয়া আছে ডাউনলোড করে নিতে পারেন।ভালভাবে বুঝার পর আমি মনে করি যত বেশি উদাহরণ চর্চা করবেন তত বেশি সুবিধা পাবেন কারক ও বিভক্তি নির্ণয়ে।

ধ্বনির পরিবর্তনের জন্য ও বিষয়ভিত্তিক বাংলা বই পড়তে পারেন।তবে সবচেয়ে বেশি ভাল হবে ভাল একটি বাংলা ব্যকরণ বই থেকে ধ্বনির পরিবর্তন অধ্যায়টি পড়ে নিলে।কারণ এতে বিস্তারিত আলোচনা পাবেন।আপনার বুঝতে সুবিধা হবে।

২.ইংরেজির ক্ষেত্রে.......

Voice,Narration আর বাকিগুলো মুখস্থ করার মত টপিক।তবে এটির সবকটি টপিকের জন্যই আমি বিষয়ভিত্তিক বই আগে পড়ার পরামর্শ দিয়েছিলাম। বিষয়ভিত্তিক বই ভাল করে শেষ করার পর জব সলিউশন পড়তে পারেন।আর এটাই সবচেয়ে ভাল এবং বুদ্ধিমানের কাজ হবে আমার মনে হয়।তবে বিষয়ভিত্তিক বইয়ের প্রদত্ত mcq অংশগুলো ও জোর দিয়ে পড়তে হবে যাতে কোন কনফিউশন না থাকে।

৩.গণিতের ক্ষেত্রে...
গণিতের সবকটি টপিকের জন্যও আমি বিষয়ভিত্তিক বই আগে পড়ার পরামর্শ দিয়েছিলাম। বিষয়ভিত্তিক বই ভাল করে শেষ করার পর জব সলিউশন পড়তে পারেন।আর এটাই সবচেয়ে ভাল এবং বুদ্ধিমানের কাজ হবে আমার মনে হয়।তবে বিষয়ভিত্তিক বইয়ের প্রদত্ত mcq অংশগুলো ও জোর দিয়ে পড়তে হবে যাতে কোন কনফিউশন না থাকে।

৪.দৈনন্দিন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে........
এটির ক্ষেত্রে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।তবে কোন প্রশ্ন না বুঝলে উক্ত প্রশ্নের ব্যাখ্যাসহ পড়তে পারেন।এরপর ও যদি বুঝে না আসে উক্ত প্রশ্নটি গুগলে সার্চ দিয়ে উইকিপিডিয়া থেকে পড়ে নিতে পারেন।তবে বিষয় ভিত্তিক বই থেকে ও উক্ত প্রশ্নের সম্পূর্ণ অধ্যায়টি পড়ে নিতে পারেন।তবে মনে রাখবেন এক্ষেত্রে বিগত বছরের প্রশ্নই যথেষ্ট।এটির জন্য বিষয়ভিত্তিক বই পড়ার কোন দরকারই মনে করি না আমি।

৪.সাধারণ জ্ঞানের ক্ষেত্রে....
এটির ক্ষেত্রে আমি একটি জব সলিউশনের সকল সাধারন জ্ঞান প্রশ্ন এবং প্রাইমারিতে আসা সকল সাধারন জ্ঞানের প্রশ্নই যথেষ্ট মনে করি।কোন বিরক্তিবোধ বা অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।এটির জন্য বিষয়ভিত্তিক বই পড়ার কোন দরকারই মনে করি না আমি।আর সাম্প্রতিক সাধারন জ্ঞান নিয়ে এত টেনশন করার দরকার নেই।

পরিশেষে সবার জন্য রইল আমার দোয়া ও ভালবাসা।

লেখকঃ Suhag Talukdar

19/12/2020

আজ রাত আটটায় রকমারী.কম এর সাথে লাইভে আসছি।
আলোচ্য বিষয়ঃ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক দিক নির্দেশনা।
লাইভ অনুষ্ঠান দেখতে আমার আইডি ফলো করুন।

05/11/2020

খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু রুলস যা জানলে আপনার ইংরেজি উচ্চারণ জট খুলে যাবে পড়ুন✍✍✍

কোন শব্দের মাঝে "T" এর পর U হলে "T" এর উচ্চারণ "চ" হবে। যেমন:- Future (ফিউচার), Century (সেনচুরী), Mixture, Fixture.
-
⭕ কোন শব্দে "D" এর পর G হলে "D" এর উচ্চারণ হয় না। যেমন:- Knowledge (নলেজ), Judge(জাজ), Bridge, Coleridge.
-
⭕ K এর পর n হলে K এর উচ্চারণ হয় না। যেমন:- Know (নো), Knee (নী), Knife (নাইফ), Knowledge (নলেজ)।
-
⭕ G এর পর Vowel থাকলে G এর উচ্চারণ "গ" হয়। যেমন:- Garden (গার্ডেন), Good (গুড), Guide (গাইড), Give, Get, Gift।
-
⭕ S এর পর H হলে S এর সর্বদা "শ" হয়। যেমন:- Bangladesh (বাংলাদেশ), Bush, Cash.(সাধারণত word এর শেষে)
-
⭕ W এর পর h/r হলে W এর উচ্চারণ হয় না। যেমন:- Write (রাইট), Wrong (রং), Who (হু), Wh-question এর সব।
-
⭕ T এর পর io হলে "T" এর উচ্চারণ "শ" হয়। যেমন National (ন্যাশনাল)।
-
⭕ i/u এর পর gh হলে gh এর উচ্চারণ হয় না, যদি হয় "ফ" এর মত হবে। যেমন:- Eight (এইট), Right (রাইট), High (হাই), Enough (এনাফ), Cough (কফ)।
-
⭕ ng একত্রে হলে ং"এর উচ্চারণ হয়। যেমন:- Bangladesh (বাংলাদেশ)।
-
⭕ শব্দের শেষে e থাকলে "e" এর উচ্চারণ হয় না। যেমন:- Name (নেইম), Come (কাম), Take (টেক)।
-

কখন 'দি' আর কখন 'দ্যা' উচ্চারণ হবে?
-
সূত্র: দাদির CV
শব্দটি consonant দ্বারা শুরু হলে হলে উচ্চারণ 'দ্যা' হয়।
শব্দটি vowel দ্বারা শুরু হলে উচ্চারণ 'দি' হয়।

⭕ যখন কোন শব্দে gm বা gn থাকলে G এর উচ্চারণ Silent হয়। অর্থাৎ, G এর পরেই যদি "n"/ 'm' থাকে তবে G silent থাকে। Example:
1.Sign (সাইন) - চিহ্ন।
2.Campaign (ক্যামপেন) - প্রচার।
3.Reign (রেইন) - শাসন।
4.Design (ডিজাইন) - নকশা।
5.Resign (রিজাইন) - পদত্যাগ।
-
⭕ C-এর উচ্চারণ কখন 'ক' আর কখন 'স' হবে ?

Rule (1): C-এর পরে যদি A, L, O, R, U হয় তাহলে তার উচ্চারণ 'ক' হয়। কিছু সহজ উদাহরণ পড়ে মিলিয়ে দেখুন:-
Can (v, ক্যান্) - পারা।
Class (n, ক্লাস্) - শ্রেণি।
Colour (n, কালার্) - রং।
Cup (n, কাপ্) - পেয়ালা।
Crime (n, ক্রাইম্) - দুর্নীতি।
(i & e ব্যাতিত যেকোন vowel যদি C পরে বসে তবে উচ্চারণ 'ক' হবে।)

Rule (2): C-এর পরে যদি I, E, Y থাকে তাহলে তার উচ্চারণ 'স' হবে। দেখে নিই কিছু সহজ উদাহরণ:-
Center (n, সেন্টার্) - কেন্দ্র।

24/10/2020

প্রাথমিক শিক্ষক হতে যে বইগুলো অবশ্যই প্রয়োজন।

সবার আগে যা বলতে পারি যে প্রাথমিক শিক্ষক হতে হলে শুধু গৎবাধা প্রাইমারির মোটা গাইড পড়লে কিছুই হবে না ,যদি প্রাথমিক শিক্ষক হতে চান তাহলে প্রাইমারির গাইড এর সাথে অন্যান্য বই সমন্বয় করে পড়বেন। প্রাইমারির জন্য যে সব বই ফলো করা উচিত বলে আমার মনে হয়ঃ
১) একটি জব সলিউশন।শুধু প্রশ্নসমুহ পড়বেন।ব্যাখ্যা পড়ার কোন দরকার নাই।এখানে আপনাকে মনে রাখতে হবে জ্ঞানী হওয়ার জন্য বইগুলো পড়ছেন না।বইগুলো পড়ছেন একটি চাকরি পাওয়ার জন্য।তাই চাকরির জন্য যতটুকু জ্ঞানী হওয়ার দরকার ততটুকু হলে ই যথেষ্ট। আর জ্ঞানী হতে হলে ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করুন চাকরির বই পড়ে অধিক জ্ঞানী হওয়ার চেষ্টা করবেন না।এতে হিতে বিপরীতই হবে কারণ সময় আপনাকে ক্ষমা করবে না।

প্রফেসরস জব সলিউশন সংগ্রহ করতে পারেন (সর্বশেষ সংস্করণ)

২)চাকরির জন্য রচিত বিষয় ভিত্তিক বই, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য
MP3 বইটি সংগ্রহ করতে পারেন (সর্বশেষ সংস্করণ)
৩)চাকরির জন্য রচিত বিষয় ভিত্তিক বই, গণিত
MP3 Math Review বইটি সংগ্রহ করতে পারেন (সর্বশেষ সংস্করণ)
৪)চাকরির জন্য রচিত বিষয় ভিত্তিক বই, ইংরেজি
MP3 English Review বইটি সংগ্রহ করতে পারেন (সর্বশেষ সংস্করণ)
অথবা
professor‘s competitive exam বইটি সংগ্রহ করতে পারেন (সর্বশেষ সংস্করণ)
৫)একটি প্রাইমারি নিয়োগ গাইড।এটি যে কোন কোম্পানির হলেই চলবে।কারণ এটি থেকে শুধু প্রাইমারিতে আসা প্রশ্নগুলো অধিক গুরুত্ব দিয়ে পড়বেন এবং জ্যামিতি অংশটুকুর বিগত বছরের প্রশ্নসমুহ।
কিছু অপশনাল বই
আর ও কিছু অপশনাল বইয়ের তালিকা।যেগুলো শুধু রেফারেন্স বা অধিক বুঝতে বা সমৃদ্ধ হওয়ার জন্য রাখলে ও রাখতে পারেন।উপকার বৈ ক্ষতি হবে না।তবে না থাকলে ও তেমন অসুবিধা হবে না।
১)সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ অংশ। MP3 বইটি সংগ্রহ করতে পারেন।সর্বশেষ সংস্করণ বাধ্যতামুলক।২)সাধারণ জ্ঞান আন্তর্জাতিক অংশ। MP3 বইটি সংগ্রহ করতে পারেন।সর্বশেষ সংস্করণ বাধ্যতামুলক।৩)দৈনন্দিন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি MP3 বইটি সংগ্রহ করতে পারেন।সর্বশেষ সংস্করণ বাধ্যতামুলক।
৪)প্রফেসর’ স এর গনিত স্পেশাল/ওরাকল বিসিএস ম্যাথ প্রিলি [বইটা খুবই ভালো … ডিটেইল সূত্র দিয়ে ক্যালকুলেশন এবং সাথে শর্ট টেকনিক]৫)৫ম থেকে ৯ম পর্যন্ত সকল গণিত বোর্ড বই।এগুলোর pdf ডাউনলোড করে নিতে পারেন।পয়সা লাগবে না।৬)নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ বই।৭) ইংরেজির ভাল ব্যাকরণ বই আপনার রুচি অনুযায়ী।তবে জাকির হোসেনের বইটা কাছে রাখতে পারেন অথবা Advanced।
পড়ার কোনও শেষ নাই … জানার কোনও শেষ নাই। উপরের বইগুলো প্রাথমিক শিক্ষক হওয়ার জন্য শতভাগ নির্ভরযোগ্য।এর কম চাইবেন তো নিজেকে গর্তে ঠেলে দিলেন।মনে রাখবেন
পরিশ্রমে ধন আনে পূণ্যে আনে সুখ
আলস্যে দারিদ্রতা আনে পাপে আনে দুখ।
কিছু টেকটিকস
১.কি কি বাদ দিতে হবে তা খুঁজে বের করা(বিগত সালের প্রশ্ন পড়লেই বুঝতে পারবেন)
২.সব কিছু জিনিসের কিছু কিছু আর কিছু কিছু বিষয়ের সব কিছু জানতে হবে।অর্থা্ৎ গুরুত্তপূর্ণ বিষয় গুলোর গভীরে যেতে হবে।এটাও বুঝতে পারবেন বিগত প্রশ্ন থেকেই।
৩. যা শিখবেন স্পষ্ট করে শিখবেন কোন কনফিউসন রাখবেন না, কনফিউসন হলেই নেটে বেশি বেশি সার্চ দিন।
৪.গ্রুপ স্টাডি করবেন আর বেশি বেশি এক্সাম দিন/ প্রশ্ন সলভ করুন।নিয়মিত এক্সাম দিতে আমাকে ফলো করুন।
৫.যে কোন বিষয় বিশ্লেষন করার ক্ষমতা বাড়ান।
৬.ইংরেজীতে ও গণিতে দক্ষতা বাড়ান।
৭.প্রতিদিন কিছু শব্দভান্ডার বাড়ান।
৮. প্রতিদিনের নতুন নতুন জানা জ্ঞানকে নোট করুন( প্রত্যেক বিষয়ের জন্য আলাদা আলাদা)
৯.অযথা কোন কিছুর ছন্দ মুখস্ত করতে যাবেন না, তবে খুব ছোট হলে ভিন্ন কথা। কঠিন বিষয় গুলোকে নিজের পরিচিত কোন কিছু/ কারো সাথে মিল রাখার চেষ্টা করুন।
আজ আর নয় আর একদিন কথা হবে। সবার সফলতা ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।আল্লাহ হাফেজ।বি.দ্র: এটা সম্পূর্ন আমার মতামত এর বাইরেও আপনাদের মতামত থাকতে পারে সেটা ভিন্ন কথা।সবশেষে আবার ও সবাইকে ধন্যবাদ।
ধন্যবাদান্তে।

Suhag Talukdar

14/09/2020

#আসন্ন নিয়োগ পরীক্ষার সময়সূচী (১৩টি)
#একইদিনে পরীক্ষা ৪টি
#আপডেটঃ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০

#মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচিঃ
আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তর।
পদসমূহঃ উচ্চমান সহকারী ও অফিস সহঃ কাম কম্পিউটার অপাঃ।
মৌখিক পরীক্ষা শুরুঃ১৫/০৯/২০২০।

#পরীক্ষার নোটিশ
হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয় (CGA) এর বিভিন্ন পদের নিয়োগ পরীক্ষার সময়সূচী প্রকাশ…
পরীক্ষার তারিখঃ ১৮ ও ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০


কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট ভ্যাট কমিশনারেট (ঢাকা দক্ষিণ)
পদসমূহঃ সিপাই ও গাড়িচালক
পরীক্ষার তারিখঃ ২৫-০৯-২০২০
সময়ঃ সকাল ৮.০০ টা

পরীক্ষার নোটিশঃ
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)।
পদ সমূহঃ সহকারী ব্যবস্হাপক।
পরীক্ষার তারিখঃ ২৫/০৯/২০২০।
সময়ঃ সকাল ১০.০০-১১.০০টা।

পরীক্ষা নোটিশঃ
সমন্বিত ৪ ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠান।
পদঃ সহকারী প্রোগ্রামার।
পরীক্ষার তারিখঃ ২৫/০৯/২০২০।
সময়ঃ ১০.০০-১১.০০টা।

পরীক্ষার নোটিশঃ
জনতা ব্যাংক লিমিটেড।
পদঃ সিনিয়র অফিসার (প্রকৌশল)-লেদার টেকনোলজি।
পরীক্ষার তারিখঃ ১৮/০৯/২০২০।
সময়ঃ সকাল ১০.০০ ১২.০০ টা

পরীক্ষার সময়সূচি
বাংলাদেশ টেলিভিশনের
১ম শ্রেণির(৯ম গ্রেড)চিত্রগ্রাহক পদের লিখিত পরীক্ষার সময়সূচি:
পরীক্ষার তারিখ :১৯/০৯/২০২০।

২ টি পদের মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচীঃ
(i) জনতা ব্যাংক লিমিটেডের Assistant Executive Officer (Tellor) - 536 পদঃ
20-09-2020 হতে 11-11-2020.
(ii) জনতা ব্যাংক লিমিটেডের স্থগিত হওয়া Assistant Executive Officer - 464 পদঃ
20-09-2020 হতে 29-09-2020.

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচিঃ
পদঃ সহকারী শিক্ষক/শিক্ষিকা
বিষয়ঃ বাংলা
মৌখিক পরীক্ষা শুরুঃ ২৭-০৯-২০২০ ইং ।

মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচীঃ
বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন (২০ থেকে ২৭ সেপ্টম্বর,২০২০)

পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি
কৃষি মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদের স্থগিতকৃত ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা আগামী ০২ ও ০৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।

মৌখিক পরীক্ষা নোটিশঃ
রূপালী ও জনতা ব্যাংক লিমিটেড।
পদঃ অফিসার (জেনারেল)
পদ সংখ্যাঃ ৮৮৯ টি।
মৌখিক পরীক্ষা শুরুঃ ৩০/০৯/২০২০ ইং।

৩৩ ক্যাটাগরি পদের মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচী বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিমিটেডঃ
03-10-2020 হতে 19-10-2020.
--- ----------- --------- --------- --------

03/09/2020

প্রাথমিক শিক্ষক হতে যে বইগুলো অবশ্যই প্রয়োজন।

সবার আগে যা বলতে পারি যে প্রাথমিক শিক্ষক হতে হলে শুধু গৎবাধা প্রাইমারির মোটা গাইড পড়লে কিছুই হবে না ,যদি প্রাথমিক শিক্ষক হতে চান তাইলে প্রাইমারির গাইড এর সাথে অন্যান্য বই সমন্বয় করে পড়বেন। প্রাইমারির জন্য যে সব বই ফলো করা উচিত বলে আমার মনে হয়ঃ
১) একটি জব সলিউশন।শুধু প্রশ্নসমুহ পড়বেন।ব্যাখ্যা পড়ার কোন দরকার নাই।এখানে আপনাকে মনে রাখতে হবে জ্ঞানী হওয়ার জন্য বইগুলো পড়ছেন না।বইগুলো পড়ছেন একটি চাকরি পাওয়ার জন্য।তাই চাকরির জন্য যতটুকু জ্ঞানী হওয়ার দরকার ততটুকু হলে ই যথেষ্ট। আর জ্ঞানী হতে হলে ভিন্ন পন্থা অবলম্বন করুন চাকরির বই পড়ে অধিক জ্ঞানী হওয়ার চেষ্টা করবেন না।এতে হিতে বিপরীতই হবে কারণ সময় আপনাকে ক্ষমা করবে না।

প্রফেসরস জব সলিউশন সংগ্রহ করতে পারেন (সর্বশেষ সংস্করণ)

২)চাকরির জন্য রচিত বিষয় ভিত্তিক বই, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য
MP3 বইটি সংগ্রহ করতে পারেন (সর্বশেষ সংস্করণ)
৩)চাকরির জন্য রচিত বিষয় ভিত্তিক বই, গণিত
MP3 Math Review বইটি সংগ্রহ করতে পারেন (সর্বশেষ সংস্করণ)
৪)চাকরির জন্য রচিত বিষয় ভিত্তিক বই, ইংরেজি
MP3 English Review বইটি সংগ্রহ করতে পারেন (সর্বশেষ সংস্করণ)
অথবা
professor‘s competitive exam বইটি সংগ্রহ করতে পারেন (সর্বশেষ সংস্করণ)
৫)একটি প্রাইমারি নিয়োগ গাইড।এটি যে কোন কোম্পানির হলেই চলবে।কারণ এটি থেকে শুধু প্রাইমারিতে আসা প্রশ্নগুলো অধিক গুরুত্ব দিয়ে পড়বেন এবং জ্যামিতি অংশটুকুর বিগত বছরের প্রশ্নসমুহ।
কিছু অপশনাল বই
আর ও কিছু অপশনাল বইয়ের তালিকা।যেগুলো শুধু রেফারেন্স বা অধিক বুঝতে বা সমৃদ্ধ হওয়ার জন্য রাখলে ও রাখতে পারেন।উপকার বৈ ক্ষতি হবে না।তবে না থাকলে ও তেমন অসুবিধা হবে না।
১)সাধারণ জ্ঞান বাংলাদেশ অংশ। MP3 বইটি সংগ্রহ করতে পারেন।সর্বশেষ সংস্করণ বাধ্যতামুলক।২)সাধারণ জ্ঞান আন্তর্জাতিক অংশ। MP3 বইটি সংগ্রহ করতে পারেন।সর্বশেষ সংস্করণ বাধ্যতামুলক।৩)দৈনন্দিন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি MP3 বইটি সংগ্রহ করতে পারেন।সর্বশেষ সংস্করণ বাধ্যতামুলক।
৪)প্রফেসর’ স এর গনিত স্পেশাল/ওরাকল বিসিএস ম্যাথ প্রিলি [বইটা খুবই ভালো … ডিটেইল সূত্র দিয়ে ক্যালকুলেশন এবং সাথে শর্ট টেকনিক]৫)৫ম থেকে ৯ম পর্যন্ত সকল গণিত বোর্ড বই।এগুলোর pdf ডাউনলোড করে নিতে পারেন।পয়সা লাগবে না।৬)নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ বই।৭) ইংরেজির ভাল ব্যাকরণ বই আপনার রুচি অনুযায়ী।তবে জাকির হোসেনের বইটা কাছে রাখতে পারেন অথবা Advanced।
পড়ার কোনও শেষ নাই … জানার কোনও শেষ নাই। উপরের বইগুলো প্রাথমিক শিক্ষক হওয়ার জন্য শতভাগ নির্ভরযোগ্য।এর কম চাইবেন তো নিজেকে গর্তে ঠেলে দিলেন।মনে রাখবেন
পরিশ্রমে ধন আনে পূণ্যে আনে সুখ
আলস্যে দারিদ্রতা আনে পাপে আনে দুখ।
কিছু টেকটিকস
১.কি কি বাদ দিতে হবে তা খুঁজে বের করা(বিগত সালের প্রশ্ন পড়লেই বুঝতে পারবেন)
২.সব কিছু জিনিসের কিছু কিছু আর কিছু কিছু বিষয়ের সব কিছু জানতে হবে।অর্থা্ৎ গুরুত্তপূর্ণ বিষয় গুলোর গভীরে যেতে হবে।এটাও বুঝতে পারবেন বিগত প্রশ্ন থেকেই।
৩. যা শিখবেন স্পষ্ট করে শিখবেন কোন কনফিউসন রাখবেন না, কনফিউসন হলেই নেটে বেশি বেশি সার্চ দিন।
৪.গ্রুপ স্টাডি করবেন আর বেশি বেশি এক্সাম দিন/ প্রশ্ন সলভ করুন।নিয়মিত এক্সাম দিতে আমাকে ফলো করুন।
৫.যে কোন বিষয় বিশ্লেষন করার ক্ষমতা বাড়ান।
৬.ইংরেজীতে ও গণিতে দক্ষতা বাড়ান।
৭.প্রতিদিন কিছু শব্দভান্ডার বাড়ান।
৮. প্রতিদিনের নতুন নতুন জানা জ্ঞানকে নোট করুন( প্রত্যেক বিষয়ের জন্য আলাদা আলাদা)
৯.অযথা কোন কিছুর ছন্দ মুখস্ত করতে যাবেন না, তবে খুব ছোট হলে ভিন্ন কথা। কঠিন বিষয় গুলোকে নিজের পরিচিত কোন কিছু/ কারো সাথে মিল রাখার চেষ্টা করুন।
আজ আর নয় আর একদিন কথা হবে। সবার সফলতা ও সুস্বাস্থ্য কামনা করছি।আল্লাহ হাফেজ।বি.দ্র: এটা সম্পূর্ন আমার মতামত এর বাইরেও আপনাদের মতামত থাকতে পারে সেটা ভিন্ন কথা।সবশেষে আবার ও সবাইকে ধন্যবাদ।
ধন্যবাদান্তে।

Suhag Talukdar

Want your school to be the top-listed School/college in Habiganj Sadar?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Address


Rajnogor R/A
Habiganj Sadar
3300