Gopalgonj City Polytechnic Institute

Gopalgonj City Polytechnic Institute It is Diploma in Engineering college

ক. অবস্থান ও কাজ অনুসারে সড়ক কত প্রকারও কী কী?খ. ম্যাকাডাম সড়ক বলতে কী বুঝায়?গ. ম্যাকাডাম সড়কের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর।...
05/06/2022

ক. অবস্থান ও কাজ অনুসারে সড়ক কত প্রকার
ও কী কী?

খ. ম্যাকাডাম সড়ক বলতে কী বুঝায়?

গ. ম্যাকাডাম সড়কের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ কর।

ঘ.বিটুমিন কাকে বলে?

ঙ. বিটুমেন টেস্টের নাম লেখ ।

চ. বিটুমিনের গ্রেড কি কি??

ছ. নিম্নে ১-১৫ পর্যন্ত অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন।

ক. অবস্থান অনুসারে সড়কের প্রকারভেদ
উত্তরঃ - অবস্থান অনুসারে সড়ক তিন প্রকার। যথা: -
১।জাতীয় হাইওয়ে (National Highway)
২।জেলা হাইওয়ে (District Highway)
৩।গ্রাম্য সড়ক (Village Road)

১.জাতীয় হাইওয়ে :-দেশের রাজধানী হতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহর, বন্দর শহর, সীমান্ত এলাকা ইত্যাদির সাথে যুক্ত করে দেশের দৈর্ঘ্য বরাবর এবং প্রস্হ বরাবর নির্মিত প্রধান সড়কই জাতীয় হাইওয়ে। জাতীয় হাইওয়ের পেভমেন্টের প্রস্হ সাধারণত ১১.৫ মিটার হয়ে থাকে। তবে নূন্যতম ৮ মিটারের কম হবে না।

২.জেলা হাইওয়ে :-জাতীয় হাইওয়ের সাথে সংযোগ রেখে গুরুত্বপূর্ণ স্হান উৎপাদন এলাকা, বাজার, রেলওয়ে স্টেশন এবং অন্য জেলার সাথে সংযোগ সাধন করে যে সড়ক নির্মিত হয় তাকে জেলা সড়ক বলে। জেলা সড়কের পেভমেন্টের প্রস্হ সাধারণত ৭.২ মিটার হয়ে থাকে।

৩.গ্রাম্য সড়ক :-গ্রামের জনগণের বিশেষ প্রয়োজনের তাগিদে এক গ্রাম হতে অন্য গ্রামে এবং নিকটবর্তী রেলওয়ে স্টেশন, স্টিমার স্টেশন ও বাজারের সাথে সংযোগ সাধন করে যে রাস্তা তৈরি করা হয় তাকে গ্রাম্য সড়ক বলে ।গ্রাম্য সড়কের রাস্তার চওড়া সাধারণত ৪.২ মিটার হয়ে থাকে।

খ. ম্যাকাডাম সড়ক বলতে
উত্তরঃ -স্কটল্যান্ডের অধিবাসী, ইংল্যান্ডের সড়ক ব্যবস্থাপনার সার্ভেয়ার জেনারেল বিশিষ্ট সড়ক প্রকৌশলী কর্তৃক উদ্ভাবিত সড়কই ম্যাকাডাম সড়ক নামে পরিচিত। তিনি ১৮২৫ সালে সড়ক ব্যবস্থাপনার এই পদ্ধতির ব্যাখ্যা দেন।এবং পানি নিষ্কাশন, দৃঢ়তা ইত্যাদির উপর ভিত্তি করে আড়াআড়ি ঢাল বিশিষ্ট সাবগ্রেড নির্মাণে গুরুত্ব আরোপ করেন।অর্থাৎ পানি সহযোগে রোলার দিয়ে চাপ প্রয়োগ করে কোণাকৃতি পাথরের বা ইটের টুকরা গুলো পরস্পর আবদ্ধ করে যে সড়ক তৈরি করা হয় তাকে ওয়াটার বাউন্ড ম্যাকাডাম সড়ক বলে ।

গ. ম্যাকাডাম সড়কের বৈশিষ্ট্য
উত্তরঃ -
১।সাবগ্রেড ও সড়ক পৃষ্ঠে ১:৩৬ হারে ঢাল প্রদান করা হয়।
২।সাবগ্রেড দৃঢ়করণ ও নিষ্কাশনের জন্য সাবগ্রেডে ঢাল প্রদান করা হয়।
৩।এই সড়কের পুরত্ব ৭.৫ সেমি হতে ৩০ সেমি পর্যন্ত হয়ে থাকে।

ঘ.বিটুমিন কাকে বলে
উত্তরঃ খনিজ তেল পেট্রোলিয়াম থেকে বিভিন্ন তাপমাত্রায় natural gas, gasoline, kerosene, diesel oil পাওয়া যায় । 400 ডিগ্রী সেলসিয়াসের উপরে পাওয়া কালো বর্ণের অনুদ্বায়ী তেলের মত পদার্থকেই বিটুমিন বলে। বিটুমিনের সর্বনিম্ন তাপগ্রহণের ক্ষমতা ১৬৩ ডিগ্রী সেলসিয়াসে। সর্বোচ্চ তাপগ্রহণের ক্ষমতা ৩০০ থেকে ৩৫০ ডিগ্রী সেলসিয়াসে।

ঙ. বিটুমেনের পরীক্ষা গুলো
উত্তরঃ -
১।পেনিট্রেশন পরীক্ষা (Pe*******on test)
২।ডাকটিলিটি পরীক্ষা (Ductility test)
৩।সফটেনিং পয়েন্ট পরীক্ষা (Softening point test)
৪।আপেক্ষিক গুরুত্ব পরীক্ষা (Specific gravity test)
৫।ফ্লাশ পয়েন্ট এন্ড ফায়ার

14/01/2022
ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এ ভর্তির জন্য নিচের লিঙ্ক এ ক্লিক করে নিম্নের ধাপ সমূহ অনুসরণ করুন।http://180.211.164.133/remed...
04/01/2022

ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং এ ভর্তির জন্য নিচের লিঙ্ক এ ক্লিক করে নিম্নের ধাপ সমূহ অনুসরণ করুন।
http://180.211.164.133/remedial/

ইলেকট্রিক্যাল শর্ট নোট/টীকা সকল EEE সবার জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।PGCB, DPDC, DESCO, REB সহ সকল সরকারী/বেসরকারী জবের লিখিত পর...
23/11/2021

ইলেকট্রিক্যাল শর্ট নোট/টীকা সকল EEE সবার জন্য খুবই প্রয়োজনীয়।

PGCB, DPDC, DESCO, REB সহ সকল সরকারী/বেসরকারী জবের লিখিত পরীক্ষার জন্য। বিশেষ করে SAE (Electrical) জব প্রিপারেশন।

১। কারেন্ট কাকে বলে?
পরিবাহী পদার্থের মধ্যকার মুক্ত ইলেকট্রন সমূহ একটি নিদ্রিষ্ট দিকে প্রবাহিত হওয়ার হারকেই কারেন্ট বলে। ইহাকে I বা i দ্বারা প্রকাশ করা হয়, এর একক অ্যাম্পিয়ার (A বা Amp.) অথবা কুলম্ব/সেকেন্ড ।

২। ভোল্টেজ কাকে বলে?
পরিবাহী পদার্থের পরমাণুগুলির মুক্ত ইলেকট্রন সমূহকে স্থানচ্যুত করতে যে বল বা চাপের প্রয়োজন সেই বল বা চাপকেই বিদ্যুৎ চালক বল বা ভোল্টেজ বলে। একে V দ্বারা প্রকাশ করা হয় এর একক Volts.

৩। রেজিষ্ট্যান্স কাকে বলে?
পরিবাহী পদার্থের মধ্য দিয়ে কারেন্ট প্রবাহিত হওয়ার সময় পরিবাহী পদার্থের যে বৈশিষ্ট্য বা ধর্মের কারণে উহা বাধাগ্রস্ত হয় উক্ত বৈশিষ্ট্য বা ধর্মকেই রোধ বা রেজিষ্ট্যান্স বলে। এর প্রতীক R অথবা r, আর একক ওহম (Ω)।

৪। ট্রান্সফরমার
ট্রান্সফরমার একটি ইলেক্ট্রিক্যাল মেশিন যা পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎকে (Alternating current) এক ভোল্টেজ থেকে অন্য ভোল্টেজে রূপান্তরিত করে। ট্রান্সফরমার স্টেপ আপ অথবা স্টেপ ডাউন দুই ধরনের হয়ে থাকে এবং এটি ম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন (Magnetic induction) নীতি অনুসারে কাজ করে। ট্রান্সফরমারে কোন চলমান/ঘূর্ণায়মান অংশ থাকে না, এটি সম্পূর্ণ স্থির ডিভাইস। ট্রান্সফরমারে দুটি উইন্ডিং থাকে, প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি উইন্ডিং । প্রাইমারি ওয়াইন্ডিয়ে ভোল্টেজ প্রদান করলে ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি হয় এবং ম্যাগনেটিক ফ্লাক্স আয়রন কোরের মধ্য দিয়ে সেকেন্ডারি ওয়াইন্ডিয়ে যায় এবং সেখানে ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি হয়। যার ফলশ্রুতিতে সেকেন্ডারি কয়েলে ভোল্টেজ পাওয়া যায়। ট্রান্সফরমারের ভোল্টেজ পরিবর্তনের হার প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচ সংখ্যার হারের উপর নির্ভর করে। তবে মনে রাখবেন, ট্রান্সফরমার শুধু ভোল্টেজের পরিবর্তন ঘটায় কিন্তু পাওয়ার ও ফ্রিকুয়েন্সি অপরিবর্তিত থাকে। পাওয়ার ঠিক থাকে তাই ভোল্টেজ পরিবর্তনের জন্য কারেন্টেরও পরিবর্তন হয়।

৫। ট্রান্সফরমেশন রেশিও
উত্তরঃ ট্রান্সফরমারের উভয় দিকের ইন্ডিউসড ভোল্টেজ এবং কারেন্ট ও কয়েলের প্যাচের সংখার সাথে একটি নিদ্রিস্ট অনুপাত মেনে চলে, ইহাই ট্রান্সফরমেশন রেশিও বা টার্ন রেশিও। ইহাকে সাধারণত a দ্বারা প্রকাশ করা হয়,
অর্থাৎ a = Ep/Es = Np/Ns = Is/Ip

৬। ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার
CT (Current Transformer) এটি সাধারণত কম রেঞ্জের মিটার দিয়ে সার্কিটের বেশি পরিমান কারেন্ট পরিমাপ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। PT (Potential Transformer) এটি সাধারণত কম রেঞ্জের মিটার দিয়ে সার্কিটের বেশি পরিমান ভোল্টেজ পরিমাপ করার জন্য ব্যবহার করা হয়। CT ও PT এভাবে ব্যবহার করা হলে এগুলোকে ইন্সট্রুমেন্ট ট্রান্সফরমার বলে।

৭। সার্কিট ব্রেকার
সার্কিট ব্রেকার হলো একটি বৈদ্যুতিক সুইচিং ডিভাইস যা দ্বারা ইলেকট্রিক্যাল সার্কিটকে সাপ্লাই হতে সংযুক্ত ও বিচ্ছিন্ন করা হয়। তবে এটি ইলেকট্রিক্যাল সার্কিটে নিয়ন্ত্রণ ও রক্ষন যন্ত্র হিসাবে কাজ করে। ওভার লোড বা শর্ট সাকিট দেখা দিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঐ ইলেকট্রিকাল সার্কিটকে সরবরাহ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তবে সার্কিট ব্রেকার স্বয়ংক্রিয়ভাবে সার্কিটে সংযোগ করেনা ।

৮। আইসোলেটর
বৈদ্যুতিক সাবস্টেশনের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি বিশেষ করে ট্রান্সফরমারকে নো-লোড অবস্থায় বা সামান্য লোড অবস্থায় লাইন হতে বিচ্ছিন্ন করার জন্য আইসোলেটর ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ আইসোলেটর এক ধরনের সুইস, যা অফলাইনে অপারেটিং করা হয়।

৯। সাব-স্টেশন কাকে বলে?
পাওয়ার সিস্টেম ব্যবস্থায় সাব-স্টেশন এমন এক কেন্দ্র যেখানে এমন সব সরঞ্জামাদির ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকার বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্য যেমন- ভোল্টেজ, এসি/ডিসি কনভার্সন, ফ্রিকুয়েন্সি, পাওয়ার ফ্যাক্টর ইত্যাদির পরিবর্তনে সাহায্য করে, এ ধরনের কেন্দ্রকে সাব-স্টেশন বা বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র বলে।ইলেকট্রিক্যাল ভাইভা টিপস★★★

Part-A (জেনারেল)
১। আপনার নিজের সম্পর্কে ৫ মিনিট বলুন।
২। ইংরেজিতে আপনার নিজের সম্পর্কে বলুন।
৩। আপনার নিজের সম্পর্কে কিছু সমালোচনা করুন।
৪। আপনার নিজ জেলার নাম কি? নিজের জেলা সম্পর্কে ১মিনিট বলুন।
৫। আপনার জেলার বিখ্যাত কয়েকজন লোকের নাম বলুন। তারা কেন বিখ্যাত?
৬। বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে যা জানেন বলেন।
৭। আপনার পরিবার সম্পর্কে বলুন।
৮। বলুন আমরা আপনাকে কেন এই চাকরিটা দিব?
৯। আপনি বিয়ে করেছেন কিনা? কেন করেননি/কেন করেছেন?
১০। বিবাহ সম্পর্কে আপনার চিন্তাভাবনা কি?
১১। আপনার আরো পড়াশুনা করার কোন ইচ্ছা আছে কি না?
১২। কেন আর পড়াশুনার ইচ্ছা নেই?
১৩। এর আগে কোথায় জব করেছেন সেখানে কি ধরনের কাজ করতেন?
১৪। আপনি বর্তমানে যেখানে কাজ করছেন সেখানকার কাজের পরিবেশ ও আপনার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে কিছু বলুন। সেখান থেকে চলে যেতে চাচ্ছেন কেন?
১৫। আপনার সিভি দেখে মনে হচ্ছে আপনি এর আগে অনেকগুলি জব করে ছেড়ে দিয়েছেন! কি ব্যাপার বলুনতো? জবের মাঝখানে গ্যাপ কেন?
১৬। আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী কত Salary আশা করেন?
১৭। —- এর থেকে কম Salary দেয়া হলে এখানে যোগদান করবেন?
১৮। আপনি কোন ইউনিভার্সিটি/কলেজ থেকে পাশ করেছেন? সাবজেক্ট কি ছিল? থিসিস কি ছিল?
১৯। আপনার কোন পাবলিকেশন আছে? কেন কোন পাবলিকেশনে অংশ নেননি?
২০। কম্পিউটারে আপনি দক্ষ কেমন? কি কি পারেন?
২১। আজ বাংলা কত তারিখ?
২২। এখানে যখন যেখানে প্রয়োজন সেখানে কাজ করতে হবে আপনি কি তাতে রাজি?
২৩। এই —টা কার? এটা টেবিলের উপরে রেখেছেন কেন?
২৪। এক্সেলের একটি ওয়ার্কশীট তৈরি করে তার এভারেজ, মিনিমাম, ম্যাক্সিমাম ভ্যালু বের করে দেখান। একটি নতুন সারি/কলাম ঢুকাতে কি করবেন?
২৫। বাংলা টাইপ পারেন? ইংরেজি ও বাংলায় আপনার টাইপিং স্পিড কত?
২৬। আপনি কি ফেসবুক ব্যবহার করেন? কেন?
২৭। আমাদের এই প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে কি জানেন?
২৮। আপনার নামের অর্থ কি জানেন?
২৯। আপনার প্রিয় শখ কি?
৩০। এই পোস্টের জন্য আপনাকে কেন আমাদের পছন্দ করা উচিত?

Part-B (ডিপার্টমেন্ট)
1. পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
2. পাওয়ার ফ্যাক্টর বেশী হলে ভাল না কম হলে ভাল?
3. পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রুভমেন্টে কেন করি?
4. ভোল্টেজ এবং কারেন্টের মধ্যে পার্থক্য কি?
5. পিএলসি কি? কেন পিএলসি ব্যাবহার করি?
6. সার্ভো ড্রাইভ মোটর কি?
7. সার্কিট ব্রেকারে আগুন লাগলে কিভাবে নিভাবেন?
8. একটি কক্ষে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগলে আপনি প্রথমে কি করবেন?
9. সাধারণত পিটির সেকেন্ডারি ভোল্টেজ কত হয়?
10. একটি সিটির রেশিও বলুন।
11. আমরা সিটি/পিটি কেন ব্যবহার করি?
12. রিলে কি? কেন ব্যবহার করি? একটি ব্যবহার খেত্র বলেন।
13. বাংলাদেশে সর্বোচ্চ জেনারেশন ভোল্টেজ কত?
14. বাংলাদেশে পাওয়ার সিস্টেমে কোথায় কত ভোল্টেজ?
15. পিজিসিবি, ইজিসিবি, ডিপিডিসি এর কাজ কি?
16. ইন্ডাকশন মোটরে স্টার/ডেল্টা চালু পদ্ধতি কেন ব্যবহার করা হয়?
17. কোন সিম্বল ছাড়া একটি অ্যামমিটার, একটি ভোল্টমিটার দেয়া হল কোনটি অ্যামমিটার/ভোল্টমিটার বাহির করতে পারবেন? কিভাবে?
18. আর্থিং ও নিউট্রাল কি?
19. কতগুলি রেজিস্টর হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলতে পারে মাল্টিমিটার ছাড়া এগুলির মান বের করে দেখান। কি পারবেন না?
20. মাইক্রোকন্ট্রোলার ও মাইক্রোপ্রসেসর এর মধ্যে পার্থক্য কি?
21. AVR কি? এটি কিভাবে কাজ করে সংক্ষেপে বলেন?
22. ৪ টি ১২ ভোল্ট এর ব্যাটারি দিয়ে ২৪ ভোল্ট করতে চাইলে, ডায়াগ্রাম একে দেখান।
23. ফুল চার্জে ব্যাটারির ইলেক্ট্রোলাইট এর স্পেসিফিক গ্রাভিটি কত থাকে?
24. ১ হর্স পাওয়ার সমান কত ওয়াট?
25. সিঙ্গেল ফেজ ভোল্টেজ ২৩০ ভোল্ট হলে কেন লাইন ভোল্টেজ ৪০০ ভোল্ট হয়?
26. ট্রান্সমিশন লাইনে স্যাগের কি প্রভাব?
27. কখন একটি সার্কিটে ইম্পিড্যান্স রেজিস্ট্যান্সের সমান হবে?
28. পোলারিটি আর নন পোলারিটি ক্যাপাসিটরের মধ্যে পার্থক্য কি?
29. একটি ৩-ফেজ মোটরকে রিভার্স ঘুরাবেন কিভাবে?
30. বুখলজ রিলে কেন ব্যবহার করা হয়?
31. ডিফারেন্সিয়াল প্রটেকশন কেন ব্যবহার করা হয়? কোথায় ব্যবহার করা হয়?
32. ট্রান্সফরমার শর্ট সার্কিট প্রটেকশনের জন্য কি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়?
33. কেন নিউট্রাল লাইনে শক লাগেনা?
34. তিন ফেজ মোটর স্টার্ট দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্টার্ট নেয় না গোঁ গোঁ শব্দ করে, সম্ভাব্য তিনটি কারন বলেন।
35. IEEE কি?
36. সেন্সর ও ট্রান্সডিউসারের মধ্যে পার্থক্য কি?
37. CFL এর পূর্ন নাম কি?
38. AWG/SWG কি?
39. সিঙ্গেল ফেজ মেটর বা ফ্যান চালু করতে ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয় কেন?
40. ট্রান্সফরমার এর তেলের নাম কী?
41. একটি ডেল্টা -স্টার সংযুক্ত ট্রান্সফরমারের সেকেন্ডারিতে পাওয়ার, প্রাইমারি থেকে কত গুন কম বা বেশি হবে?
42. ফেজ সিকুয়েন্স কি?
43. ইনভার্টার দ্বারা কি করা হয়?!Magnetic contactor কি?

Magnetic contactor একটি ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক চালিত সুইচ, এটার ফাংশন অনেকটা রিলের মতই । তবে রিলে সাধারনত লো পাওয়ার ও ভোল্টেজে ব্যবহৃত হয় অন্য দিকে হাই পাওয়ারের ক্ষেত্রে Magnetic contactor ব্যবহার হয়। এটাতে একটি এনারজাইজড কয়েল, আয়রন কোর, কয়েকটি অক্সিলারি কন্ট্যাক্ট (NC, NO points), মেইন কন্ট্যাক্ট টার্মিনাল (3 contacts points) ও একটি ওভারলোড রিলে সংযুক্ত থাকে। এটির সাথে সাধারণত একটি নিয়ন্ত্রণ সার্কিট ব্যবহার করে বৃহৎ বৈদ্যুতিক লোড (বৈদ্যুতিক মোটর) স্টার্ট/স্টপ বা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। কলকারখানায় মোটর কন্ট্রোল অটোমেশনে এটি ব্যবহার হয়ে থাকে।

কেন Magnetic contactor ব্যবহার করা হয়?

১। এটির মাধ্যমে একটি ছোট পুশ সুইস দিয়ে একটি বৃহৎ মোটর বা বড় বৈদ্যুতিক লোড নিয়ন্ত্রণ করা সহজ ও নিরাপদ।

২। এটির সাথে কয়েকটি অক্সিলারি কন্ট্যাক্ট (NC, NO points) থাকে, এগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন সিগনাল বা স্টাটাস জানা যায়।

৩। এটির সাথে ওভারলোড রিলে সংযুক্ত থাকায় লোডে কারেন্ট সরবরাহ কোন কারনে ওভার হয়ে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এটি লোডে কারেন্ট সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।

৪। ৩ ফেজ মোটরের ক্ষেত্রে ৩-ফেজ সাপ্লাই দিতে হয়, এক্ষেত্রে Magnetic contactor ব্যবহার করে সহজে মোটরে ৩-ফেজ সাপ্লাই দেয়া যায়।

৫। স্টার/ডেল্টা এর ক্ষেত্রে ৩টি Magnetic contactor ব্যবহার করে সহজেই কন্ট্রোল করা যায়।

৬। চালু অবস্থায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে লোডে কারেন্ট সরবরাহ বন্ধ হবে আবার এ অবস্থায় কারেন্ট সরবরাহ আসলেও নতুন করে স্টার্ট বাটন না প্রেস করলে লোডে কারেন্ট সরবরাহ হবেনা। এতে সার্জ ভোল্টেজ থেকে ডিভাইস রক্ষা পায়।

NC ও NO contact কি?

এগুলো অক্সিলারি কন্টাক্ট। এগুলোকে ব্যবহার করে লোড কে অটোমেশন মুডে বা প্রোটেকশন এর সার্কিট তৈরি করা হয়।

NC= Normally Close নরমাল অবস্থায় অর্থাৎ যখন এর কয়েল এনারজাইজড থাকেনা এটার অক্সিলারি কন্ট্যাক্ট বন্ধ (Close) অবস্থায় থাকে।

NO= Normally Open নরমাল অবস্থায় অর্থাৎ যখন এর কয়েল এনারজাইজড থাকেনা এটার অক্সিলারি কন্ট্যাক্ট খোলা (Open) অবস্থায় থাকে।

যখন এর কয়েল এনারজাইজড হবে (বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকবে) তখন NC পয়েন্ট NO হবে এবং NO পয়েন্ট NC হয়ে যাবে।

অক্সিলারি কে সংযুক্ত করতে এতে অক্সিলারি ব্লোক থাকে।

Magnetic contactor এর কয়েলে কত পাওয়ার দেয়া হয়?

এটা বিভিন্ন রেঞ্জের হয়ে থাকে যেমনঃ 24VDC,24 VAC,110 VAC,240 VAC,415 VAC

Magnetic contactor এর গায়ে এটা সাধারণত উল্লেখ করা থাকে। সাধারনত কয়েলের টার্মিনাল দুটো কে A1 এবং A2 দ্বারা চিহ্নিত করা থাকে।

১। প্রঃ টিউব লাইট কত ফুট লম্বা ও কত ওয়াটের হয় ?
উ : ৪ ফুট ৪০ ওয়াট এবং ২ ফুট ২০ ওয়াট সাধারনত।
২। প্রঃ স্টার্টার ছারা টিউব লাইট জ্বালানো যায় কি ?
উঃ হ্যা যায়, পুশ বাটন সুইচ ব্যবহার করে অথবা তারে তারে সংযোগ করেই বিচ্ছিন্ন করে দিতে হয়।
৩। প্রঃ টিউব লাইট এক বার জ্বলে আবার পর মুহুর্ত্তেই নিভে এরূপ করতেছে – দোষ কোথয়?
উঃ স্টার্টার খারাপ কাজ করতেছে না।
৪। প্রঃ টিউব লাইটের দুই দিক জ্বলে থাকে পূর্ন ভাবে জ্বলে না – কারন কি ?
উঃ টিউবের ভিতর প্রয়োজনীয় গ্যাস নাই, অথবা প্রয়োজনীয় ভোল্টেজ পাচ্ছেনা, অথবা স্টার্টার সার্কিট ব্রেক করতেছে না অথবা চোক কয়েল দুর্বল হয়েপরেছে।
৫। সুইচ অফ করা সত্বেও হোল্ডারে সাপ্লাই পাত্তয়া যায়।
উ :সুইচ লাইনে ব্যবহার না করে নিউট্রালে ব্যবহার করা হয়েছে।
৬। কলিং বেলের আওয়াজ খুব বেশী কি ভাবে কমাবে ?
উ : কম পাওয়ারের বাতি কলিং বেলের সাথে সিরেজে ব্যবহার করে।
৭। একটি ডিসি জেনারেটর পূর্ণ স্পিডে ঘুরতেছে কিন্তু ভোল্টেজ উৎপন্ন হইতেছে না- কারন কি?
উ: (১) ফিল্ডে রেসিডিয়্যাল মেগনেটিজম নেই
(২) জেনারেটর উল্টা ঘুরতেছে
(৩) ফিল্ডের কয়েল ওপেন
(৪) আর্মেচার কয়েল ওপেন
(৫) কার্বন ব্রাসের কম্যুটেটরে সংযোগ নেই।

৮। স্টার্টার মোটরর্স্টাট দেয়া ছারা আর কি কি কাজ করে?
উ: ইহা ওভার লোডে এবং সাপ্লাই চলে গেলে মোটরকে সোর্স হতে আপনা আপনি বিচ্ছিন্ন করে।
৯। একটি ১০ হর্স পাওয়ারের মোটর দ্বারা ১০ হর্স পাওয়ারের জেনারেটর ঘুরিয়ে তাহা হতে ১০ হর্স পাওয়ার জেনারেশন পাওয়া যাবে কি?
উ: না, কারন কখনও ইনপুট আউটপুট সমান হয় না।
১০। ডায়নামো কি ?
উ: ডিসি জেনারেটরকে ডায়নামো বলে।
১১। কোন প্রকার ওয়্যাইন্ডিং কখন ব্যবহ্নত হয় ?
উ: ল্যাপ ওয়্যাইন্ডিং বেশী কারেন্টের জন্য এবং ওয়েভ ওয়্যাইন্ডিং বেশী ভোল্টেজের জন্য ব্যবহ্নত হয়।
১২। তিন ফেজ হতে এক ফেজ নেয়া যায় কি ?
উ: হ্যাঁ, যদি স্টার কানেকশন থাকে, তবে একটি লাইন ও নিউট্রালে এক ফেজ সাপ্লাই পাওয়া যায়।
১৩। সিলিং ফ্যানের স্পিড কমে যাওয়ার কারন কি?
উ: পূর্ণ ভোল্টেজ পাচ্ছে না, না হয় ক্যাপাসিটর দুর্বল না হয় বল বিয়ারিং জ্যাম, না হয় কয়েলের ইন্সুলেশন দূর্বল।
১৪। পাখা পূর্ণ বেগে ঘুরা সত্বেও বাতাস পাওয়া যায় না কেন ?
উ: পাখার ব্লেডের বাক কম না হয় পাখার পিছনে প্রয়োজনীয় ফাকা জায়গা নেই।
১৫। পাখা উল্টা ঘুরে গেলে কি ভাবে ঠিক করবে ?
উ: ক্যাপাসিটরের কয়েল কানেকশন বদল করে, আথবা হয় রানিং না হয় র্স্টাটিং কয়েল বদল করে ঠিক করা যায়।
১৬। সিলিং ফ্যানের কোন দিকের বল বিয়ারিং সাধারনতঃ আগে খারাপ হয় ?
উ: উপরের বিয়ারিং খারাপ হয়।
১৭। সিলিং ফ্যান স্টার্ট দেওয়ার সংঙ্গে সংঙ্গে ইহার কানেকটিং রডে খট খট আওয়াজ হয়ে পরে আওয়াজ বন্ধ হয়ে যায় কারন কি ?
উ: ইহার রডে রাবার বুশ নেই।
১৮। কোন মোটর এসি এবং ডিসি উভয় সাপ্লাই এ চলে ?
উ: ইউনিভার্সাল মোটর (ডিসি সিরিজ মোটর) ।
১৯। তিন ফেজ মোটর উল্টা ঘুরতেছে, কিভাবে ঠিক করবে ?
উ: ইহার যে কোন দুই ফেজের জায়গা বদল করে দিতে হবে।
২০। চলন্ত অবস্থায় তিন ফেজ মোটরেরএক ফেজ চলে গেলেকি হবে ?
উ : যদি লোড বিহীন অবস্থায় থাকে তবে মোটর ঘুরতে থাকবে কিন্তু গরম হয়েযাবে এবং ভিন্ন রকম আওয়াজ করবে। আর যদি লোডেড অবস্থায় থাকে , তবে মোটরসঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে যাবে। যদি মেইন সুইচ অফ করে দেওয়া না হয়, তবে মোটরজ্বলে যাবে
২১। তিন ফেজ ২০ ঘোড়া মোটরের জন্য ক্রয়কৃত স্টার ডেল্টা স্টার্টার ১০ ঘোড়া তিন ফেজ মোটরের ব্যবহার করা যাবে কি ?
উ : হ্যাঁ, যাবে তবে কারেন্ট সেটিং এর মান কমিয়ে দিতে হবে।
২২। স্টার ডেল্টা স্টার্টারের ম্যাগনেটিক কয়েল কত ভোল্টেজ সাপ্লাই পায় ?
উ : সরাসরি ৪০০ ভোল্টসাপ্লাই পায়। (লাইন টু লাইন)
২৩। ইন্সুলেশন রেজিস্ট্যান্স কি মিটার দ্বারা মাপা হয় ?
উ : মেগার দ্বারা।
২৪। আর্থ রেজিস্ট্যান্স কি ভাবে মাপা হয় ?
উ : মেগার আর্থ টেস্টারের সাহায্যে অথবা মোটামুটি ভাবে একটি ১০০ওয়াটের বাতি আর্থ তার লাইনের মধ্যে সংযোগ করার পর যদি উজ্জ্বল ভাবে জ্বলে , তাহলে আর্থিং ভাল আছে।
২৫। আর্থিং রেজিস্ট্যান্স কত হওয়া বান্ছনীয় ?
উ : বাসাবাড়ীর জন্য বেশীর পক্ষে ৫ ওহম এবং সাব স্টেশন ও পাওয়ার লাইনের জন্য বেশীর পক্ষে ১ ওহম হওয়া দরকার।
২৬। কোন ট্রান্সফরমারের কেবল মাত্র একটি কয়েল থাকে ?
উ : অটো ট্রান্সফরমার।
২৭। ট্রান্সফরমার হামিং কি ?
উ : ট্রান্সফরমারের কোর এবং কয়েল কানেকশন যদি মজবুত ভাবে না করাথাকে, লুজ কানেকশন থাকে তাহলে ফুল লোড অবস্থায় কাঁপতে থাকে এবং এক প্রকারআওয়াজ হয়, তাহাই হামিং।
২৮। ট্রান্সফরমার গরম হওয়ার কারন কি ?
উ : (১) ওভার লোড হওয়ার জন্য হতে পারে
(২) ইন্সুলেশন দুর্বল হয়ে গেলে
(৩) কোথাও আর্থ হয়ে গেলে
(৪) ওভার ভোল্টেজ সাপ্লাইয়ের জন্য।
২৯। সিলিকা জেলের স্বাভাবিক রং কি রূপ থাকে ?
উ : ভাল অবস্থায় ধব ধবে সাদা, কিন্তু জলীয় বাস্প গ্রহন করলে কিছুটা বাদামী রং এর হয়ে যায়,আবার উত্তাপ দিলে ইহা সাদা হয়ে যায়।
৩০। ট্রান্সফরমার তৈলের কাজ কি ?
উ : ইহার প্রধান কাজ দুটি- প্রথমত ইহা ইন্সুলেশনের কাজ করে, দ্বিতীয়ত ট্রান্সফরমারকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্যে করে।
৩১। ব্রিদার কি ?
উ : ইহা ট্রান্সফরমারের কনজার্ভেটরের সহিত লাগানো থাকে, যার মাধ্যমেবাহির হতে ঠান্ডা বাতাস ফিল্টার হয়ে ট্যাংকে ঢুকে এবং গরম বাতাস ট্যাংক হতেবাহির হয়ে যায়।
৩২। বুকল্স রিলে কি ?
উ : ইহা এক প্রকার রিলে যাহা ট্রান্সফরমারের ট্যাংক ও কনজার্ভেটরেরসংযোগকারী পাইপের মধ্যে বসানো থাকে এবং ট্রান্সফরমারের ভিতরেত্রুটি দেখাদিলে সর্তক ঘন্টা বাজিয়ে থাকে।
৩৩। গার্ড ওয়্যার কি ?
উ : ট্রান্সমিশন লাইনের নীচে ব্যবহ্নত তার, যাহা আর্থের সহিত সংযোগ থাকে।
৩৪। ব্যাটারীর সলিউশন তৈরির সময় এসিড পানিতে না পানি এসিডে মিশাতে হয় ?
উ : এসিড পানিতে মিশাতে হয়।
৩৫। জাম্পার কি ?
উ : মেইন লাইন হতে বাসা বাড়ীতে সাপ্লাই লাইনের সংযোগ রক্ষাকারী তার।
৩৬। ডেম্পার ওয়্যাইন্ডিং কি ?
উ : সিনক্রোনাস মোটরকে র্স্টাট দেওয়ার জন্য ইহার পোলের উপর মোটাতারের ওয়্যাইন্ডিং দেওয়া হয় এবং ইহা অল্টারনেটরে ও ব্যবহ্নত হয় হান্টিং দোষ কমানোর জন্য।
৩৭। CB কি ?
উ : সার্কিট ব্রেকার যাহা ক্রটি পূর্ণলাইনকে আপনা আপনি র্সোস হতে বিচ্ছিন্ন করে।
৩৮। A.C কে D.C এবং D.C কে A.C কিভাবে করা হয় ?
উ : A.C কে D.C করা হয় রেকটিফায়ার অথবা রোটারী কনভার্টার দ্বারা এবং D.C কে A.C করা হয় ইনভার্টার দ্বারা।

ভাল লাগলে শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন ।

বিষয় কলাম১.কলাম কি? কত প্রকার ও কি কি?উঃ কোন আর.সি সি কাঠামোতে খাড়া ও উলম্ব লোড বহন করার জন্য নির্মান করা হয় তাকে কলাম ...
11/11/2021

বিষয় কলাম

১.কলাম কি? কত প্রকার ও কি কি?
উঃ কোন আর.সি সি কাঠামোতে খাড়া ও উলম্ব লোড বহন করার জন্য নির্মান করা হয় তাকে কলাম বলে।
কলাম ২ প্রকার।যথা-
I). শর্ট কলামI
ii).লং কলাম
রিইনফোর্সমেন্টের উপর ভিত্তি কলাম ৪ প্রকার।যথা-
I).টাইড কলামI
ii).স্পাইরাল কলাম
iii).কম্পোজিট কলাম
iv).কম্বিনেশন কলাম...
২. কলাম কি ধরনের ফোর্স ফেল করে?
উঃকম্প্রেশন ফোর্স।.....
৩.বৃত্তাকার ও টাইড কলামে সর্বনিম্ন কত মি.মি রড ব্যবহার করা হয় এবং রডের ন্যূনতম সংখ্যা কয়টি?
উঃ উভয় ক্ষেত্রে ১৬ মিলিমিটার ব্যাসের রড এবং বৃত্তাকার কলামে সর্বনিম্ন রডের সংখ্যা ৬ টি ও টাইড কলামে ৪ টি।...
৪.ACI কোড অনুযায়ী আয়তকার কলামের ন্যূনতম পার্শ্ব মাপ ও বৃত্তাকার কলামের ন্যূনতম ব্যাস কত ইঞ্চির কম হবে না?
উ: আয়কার কলাম পার্শ্ব মাপ ৮" ও বৃত্তাকার কলাম ১০" ব্যাসের কম হবে না।...
৫.স্পাইরাল কলামের ভারবহন ক্ষমতা টাইড কলামের চেয়ে কত % বেশি?
উ: ১৫%।....
৬.কলামের আর সি সি কাজে কী হারে রড ব্যবহার করা হয়?
উ: ১% থেকে ৫%।...
৭.কলামের ক্লিয়ার কভার সাধারনত কত ধরা হয়?
উ: ১.৫" (গ্রেড বীমের উপরের ক্ষেত্রে)।
২.৫" গ্রেড বীমের নিচে)।...
৮.কলামে সাধারণত কত অনুপাত ধরা হয়?
উ: ১:১.৫:৩ বা ১:২:৪....
৯.কলামে টাইরড কেন ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: কলামে খাড়া রড গুলোকে যথাস্থানে ধরে রাখার জন্য এবং রডগুলোকে বাকা হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য।...
১০.কলাম ঢালাই করা হলে কতদিন পর্যন্ত কিউরিং করা হয়?
উ: ২১-২৮ দিন।...
১১.কলামের কিকার বলতে কি বুঝায়?
উ: কলামের প্লেসমেন্ট বা এলাইমেন্ট ঠিক রাখার জন্য (৩"-৬")/(৬"-৯") ছোট কলাম ঢালাই কে কিকার বলে।...
১২. কলাম ঢালাই এর কার্যপ্রণালী ও আপনার করণীয় গুলো কি কি?
উ: I). কলামের ক্ষেত্রে প্রথম আসে কলাম কিকার। গ্রীড লাইনের সুতার সাথে কলামের প্লেসমেন্ট ঠিক করে কিকার ঢালাই দিয়ে নিবেন। কিকারের ঢালাই অবশ্যই নিচ্ছিদ্র ও টাইট হতে হবে। পারলে কিকারের অংশের ভিতরে কলামে একটি রিং পরিয়ে ঢালাই দিবেন। কিকারের সাইজ মূল কলামের সাইজ হতে উভয় দিকে 6 মিঃমিঃ কম হবে।
I). পরের দিন কিকারের সাটার খুলে ফেলতে পারেন। তবে কিউরিংটা মিস করবেন না।
iii). এইবার রড মিস্ত্রিকে ডেকে কলামের মেইন রড ও রিং গুলো বাধতে নির্দেশ দিন। তাকে ড্রইং মোতাবেক রড বাধতে সহায়তা করুন
iv). সাটার সেট করার আগে কিকারের ঢালাইয়ের আউট বরাবর চারপার্শ্বে ফোম লাগিয়ে নিন ডাকু গাম দিয়ে।
v). সাটার সেট করার আগেই আপনি কলামের রড, রিং, ল্যাপিং প্রভৃতি চেক করে নিবেন।
vi). মিস্ত্রিরা সাটার সেট করার পর আপনাকে ডাকবে কলামের উল্লম্বতা চেক করার জন্য। আপনি ওলন কিংবা ইটের আধলা কিংবা ব্লক ঝুলিয়ে দিয়ে উল্লম্বতা চেক করবেন। সর্বোচ্চ দুই মিঃমিঃ পর্যন্ত ছাড় দিতে পারেন
vii) এরপর কলামের টানা ও ঠেলা গুলো মজবুত আছে কিনা দেখে নিবেন। সাথে কলামের সাটার লিকেজ মুক্ত আছে কিনা দেখবেন। কলামের কভারিং ঠিক করে নিবেন।
viii). ঢালাই দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিবেন। আগে থেকেই হিসাব করে নিবেন কতটুকু ঢালাই লাগবে।
ix)ঢালাই টানার লেবারেরর গতির সাথে সম্পর্ক রেখে ঢালাই তৈরি করতে হবে। ঢালাই ঢালার আগে কলামের ভিতরে পানি স্প্রে করতে হবে। এবং কিছুক্ষন পরেই সিমেন্ট গ্রাউটিং ঢেলে দিতে হবে।
xi). ঢালাই ঢালতে থাকবে আর পর্যায়ক্রমে ভাইব্রেটর করতে থাকবে। তবে শুধুমাত্র ঢালাই সমান হওয়া ও বাতাসের বুদবুদ বের হয়ে আসা পর্যন্তই ভাইব্রেটর করা উচিৎ। বেশিক্ষন ধরে রাখলে খোয়া নীচে চলে যাবে আর বালি, সিমেন্ট উপরে চলে আসবে।
xii). একই ভাবে সমস্ত কলাম ঢালাই করবেন। ঢালাইয়ের সাথে সাথেই কলাম সোজা আছে কিনা চোখের নজরে ও ওলন দিয়ে দেখে নিবেন। ঢালাইয়ের পর কভারিং আবার দেখবেন।
xiii). 85 লোড তৈরি করার পর অবশিষ্ট কলামের পরিমাপ নিয়ে, আর কতলোড মসলা দরকার সেইটা আবার বলে দিবেন। তাহলে দেখবেন কোন অপচয় হবেনা।
xiv). পরের দিন সাটার খুলবেন না। 1 দিন সময় দিন শক্ত হতে। তবে সকালেই কলামের মাথার উপর পানির পাইপ দিয়ে পানি দিবেন।
xv). তৃতীয় দিন সাটার খোলার পরে যদি দেখেন পরিস্কার একটা সারফেস হয়েছে। তখন আপনার নিজের কাছেই ভালো লাগবে। আমারোও ভালো লাগতো।
xvi). এরপর কলামের গায়ে চট পেচিয়ে কিউরিং করুন।...
১৩.ঢালাই এর আগে কি কি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে?....
উ: ১. কংক্রিট স্থাপনার পূর্বে ফর্মওয়ার্ক শক্ত এবং সঠিক অবস্থানে আছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখতে হবে।....
২. কংক্রিট স্থাপন করার পূর্বে ফর্মওয়ার্ক ভালোভাবে তৈলাক্ত করতে হবে।.....
৩. কংক্রিট স্থাপনার সময় ফর্মওয়ার্ক নড়াচড়া করা চলবে না।....
৪. অবিরামভাবে কংক্রিট স্থাপন করতে হবে।অর্থাৎ অনিয়মিতভাবে কংক্রিট স্থাপন করা যাবে না।....
৫. ১.৫ মিটারের বেশি উচু স্থান থেকে কংক্রিট ফেলা উচিত নয়।এতে কংক্রিটের উপাদানসমূহের সেগ্রিগেশন ঘটে।....
৬. কংক্রিট খাড়াভাবে ফেলা যাবে না।....
৭. প্রতিস্তরে ১৫ সে.মি হতে ৩০ সে.মি পুরুত্বের কংক্রিট স্থাপন করতে হবে।....
৮. বৃষ্টির মধ্যে কংক্রিট স্থাপন করা উচিত নয়।....
৯. হাটা অবস্থায় বা দাঁড়িয়ে কংক্রিট ঢালতে নেই।....
১০. যতদূর সম্ভব খুব নিকট থেকে কংক্রিট ফেলতে হবে।....
১১. প্রাথমিক জমাট বাধা সময় আরম্ভ হওয়ার পূর্বেই কংক্রিট স্থাপন এবং কম্পাকশন করা উচিত।....
১২. কম্পাকশন করার সময় যাতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত কংক্রিটকে পুনঃস্থাপন করতে না হয়,সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
১৩.রডের স্প্যাসিং,রড সঠিক অবস্থানে থাকা অর্থাৎ ড্রইং অনুযায়ী হয়েছে কিনা দেখতে হবে।
সর্বোপরি,ঢালাই শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরে পড়বেন না। ...
১৪. কলামে ল্যাপিং কি হারে দিতে হবে?
উ: কলামের উপরে ও নিচে অর্থাৎ L/4 অংশে ২৫%, মাঝখানে অর্থৎ L/2 অংশে ৫০% হারে ল্যাপিং দিতে হবে।...
১৫.কলামের ফুটিং ও কলাম এই দুটির অবস্থান কি রকম হবে?
উ: কলামের ফুটিং এর সেন্টার লাইন ও কলামের সেন্টার লাইন একই মধ্যবিন্দু বা সেন্টারে লাইনে অবস্থান করবে।..
১৬.২য় তলার জন্য কলাম দেওয়ার ক্ষেত্রে কলাম রড কত টুকু রাখতে হবে?
উ: ল্যাপিং দেওয়ার জন্য যতটুকু রড লাগবে ততটুকু দিতে হবে অর্থাৎ ৩'-৪' রাখতে হবে।

এই শীতে লেপ এবং কম্বলের বিকল্প আধুনিক কম্ফোরটার। এইবার শীতকে আরো উষ্ণ দায়ক করে তুলতে আমরা নিয়ে এসেছি দুই সাইজের কমফোর্টা...
04/11/2021

এই শীতে লেপ এবং কম্বলের বিকল্প আধুনিক কম্ফোরটার। এইবার শীতকে আরো উষ্ণ দায়ক করে তুলতে আমরা নিয়ে এসেছি দুই সাইজের কমফোর্টার।
কালার, সাইজ এবং দাম জানতে Banni Bazar এ Inbox করুন।
সরাসরি কল করুনঃ 01311060001, 01311060002
♦ সিঙ্গেল কমফোর্টার সাইজ-৬০"x৮৪'' ইঞ্চি।
♦ ডাবল কমফোর্টার সাইজ- ৮৪"x৯৬'' ইঞ্চি।
♦ 100% কটন কাপড়
♦ ওয়াশেবল
♦ আরাম দায়ক ও স্বাস্থ্যসম্মত

Shop Now :- www.bannibazar.com.bd

#বান্নি #কম্ফোর্টার

Address

319/1, New Police Line Road
Gopalgonj
8100

Opening Hours

Monday 09:00 - 23:00
Tuesday 09:00 - 23:00
Wednesday 09:00 - 23:00
Thursday 09:00 - 23:00
Friday 09:00 - 23:00
Saturday 09:00 - 23:00
Sunday 09:00 - 23:00

Telephone

+8801687121314

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gopalgonj City Polytechnic Institute posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The School

Send a message to Gopalgonj City Polytechnic Institute:

Shortcuts

Share

Category