25/05/2025
কালিনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মনিমোহন মন্ডলের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান
Kalinagar High School is situated in Muksudpur upazila under the district of Gopalganj. It is established in 1907 & the oldest school in Muksudpur upazila.
25/05/2025
কালিনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মনিমোহন মন্ডলের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান
14/04/2025
13/04/2025
এসএসসি পরীক্ষা শুরু কাল, যেসব নির্দেশনা মানতে হবে আগামীকাল থেকে শুরু হচ্ছে এ বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। এবার সারাদেশে ১৯ লাখ ২৮ হ....
10/04/2025
09/04/2025
এস.এস.সি. পরীক্ষা ২০২৫ এর সময়সূচি।
17/08/2023
অনেকেই মাকড়শা, তেলাপোকা, টিকটিকি দেখলে প্রচন্ড ভয় পায় কেন!
এখনো অনেকেই মাকড়শা, তেলাপোকা কিংবা টিকটিকি দেখলে আঁতকে ওঠেন, কিন্তু রাস্তায় যানবাহন বা বিদ্যুতের খোলা তার দেখে সেরকম ভয় পাননা! কিন্তু প্রতি বছর সরাসরি তেলাপোকা-টিকটিকির আক্রমণে কোন মানুষ মারা যায়না, তার চেয়ে ঢের বেশি মানুষ মারা যায় পথদুর্ঘটনায়, যানবাহনের তলায় পড়ে, বিদ্যুতের খোলা তার স্পর্শ করে। অথচ যানবাহন বা বিদ্যুতের খোলা তারকে ভয় না পেয়ে মানুষেরা ভয় পায় নিরীহ তেলাপোকা, টিকটিকিকে! যারা সরাসরি বিষাক্ত নয় বা বিষধর নয়, সরাসরি মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়না।
এটা মানুষের বিবর্তনীয় ইতিহাসের কারণেই ঘটে বলে মনে করেন বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞানীরা। অতীতে মানুষের পূর্বপুরুষগণ বনে-জঙ্গলে দীর্ঘদিন কাটানোর কারণে বিষধর কীটপতঙ্গকে ভয় পাবার স্মৃতি আমরা নিজেদের অজান্তেই বহন করি। সেই হিসেবে, মোটরগাড়ি-বিদ্যুত-যন্ত্রপাতির ব্যাপারগুলো আমাদের জন্য অনেক নূতন, তাই এগুলোকে ভয় পাবার কোন স্মৃতি আমরা এখনো (আমাদের জিনে ?) তৈরি করতে পারিনি। সেজন্যই লিডা কসমিডস এবং জন টুবি আধুনিক মানুষকে সংজ্ঞায়িত করতে গিয়ে বলেন - আমাদের আধুনিক করোটির ভিতরে বাস করে আদিম প্রস্তরযুগের মস্তিষ্ক!
(Our modern skull house a stone age of mind)
তথ্যসূত্র: https://nautil.us/how-evolution-designed-your-fear-236858
04/01/2021
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=4266691980014035&id=288243444525595
ভালো ছাত্র, জিনিয়াস - এসমস্ত মন গড়া ভুয়া কথা এখনো ক্যানো যে প্রচলিত আছে আমি জানি না।
আমি ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের ক্লাসে সেকেন্ড লাস্ট বয় ছিলাম। ক্লাস এইট থেকে নাইন ওঠার সময় অংকে ১০০ তে ১২, বিজ্ঞান এ ১৭/১০০ আর ইংরেজিতে ২৩/১০০ পাইছিলাম। আমার পরে যে ছেলেটা ছিলো সে অসুস্থতার জন্য পরীক্ষাই দিতে পারে নাই। নইলে আমি লাস্ট বয় ই হইতাম।
ক্যাডেট কলেজে খারাপ রেজাল্ট করার যে কি অপমান তা ভুক্তভোগীই জানে। আমার একার জন্য পুরো হাউজ এর overall result খারাপ হইলো। আমার সিনিয়ররা আমাকে অনেক মারামারি করলো, বন্ধুরা টিটকারি দিলো। আর কলেজ কর্তৃপক্ষ বাইর না কইরা দিলেও তার চেয়েও বেশী অপমান করলো। আমারে Science Group না দিয়া জোর কইরা Arts Group এ দিয়া দিলো! আমার বাবা অইদিকে বলছেন Science নিয়া পড়তে। আমারো নিজের ইচ্ছা তাই।
অপমানিত, rejected, dejected, isolated শাব্বির গেলো Vice Principal এর অফিস এ। কান্নাকাটি করলাম, হাতে পায়ে ধরলাম। কিন্তু আমারে Science দিবেই না। আমি Science এর যোগ্য ই না। কয়েকদিন এর কান্নাকাটি তে একটু মন গললো উনাদের। লিখিত মুচলেকা দিলাম আমারে Science দিলে SSC HSC তে অন্তত 1st Division পাবো!
লিখিত মুচলেকা!
এর পরের আবারো অপমান, টিটকারী। কত্তদিন যে বাথরুম এ, ছাদে, অন্ধকার এ রুমে কাঁদছি। ১৪ বছর বয়সের এক বাচ্চা ছেলের অপমান সহ্য করার কি ই বা ক্ষমতা?
আর পিঠ যখন দেয়ালে তখন আয়নার সামনে দাঁড়াইয়া একদিন ঠিক করলাম,না- আর না। এই অসম্ভব অপমানের জবাবটা দেয়ার সময় আসছে!
শুরু করলাম। সব কিছু ছাড়লাম। বন্ধু বান্ধব, টিভি সিনেমা, আত্নিয় স্বজন। সব কিছু। খালি বইয়ের পাতায়। কি আছে শালা এর মধ্যে? পাগল হইলাম শুধু অপমান টার উচিৎ শিক্ষা দেবার জন্য। বাংলার প্রশ্ন উত্তর তৈরী করলাম বিশ্বভারতী র বই ঘাটাঘাটি কইরা। অংকের পারমুটেশন/ কম্বিনেশন / ইন্টিগ্রেশন রিয়েল লাইফে কিভাবে কাজ করে তা জানার জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা লাইব্রেরির রেফারেন্স ঘাটলাম। ইংরেজি কবিতার কবির জীবনী আর লিখার criticism পরলাম শুধুমাত্র একটা উত্তর তৈরী করবার জন্য। ৪ বছর প্রতিদিনে ১৪-১৬ ঘন্টা খালি বই, রেফারেন্স, খাতা, - শুধুমাত্র অপমান এর জবাব দেবার জন্য। আমার খেয়াল আছে ঈদের দিন ছুটিতে শুধু নামাজ পড়তে বাইরে গেছি। সবার বাবা মা পড়তে বলে- আমার বাবা মা বলে "বাবা এইবার থাম"। আমার বন্ধুরা বলে "তুই তো কবরে"!
আমি মনে মনে বলি "একটু দাঁড়া বাপ"!
৪ বছর।
শুধু HSC Syllabus ই শেষ করেছি ৭ বার! বিশ্বাস করার কোন প্রয়োজনই নাই। অবিশ্বাস করতে থাকেন। ১৯৮৬ সালের HSC পরীক্ষার ফল বের হইলো। ক্লাশের সেকেন্ড লাস্ট বয়, অংকে ১২ পাওয়া, অপমানিত হওয়া, Science না পাওয়া ছেলে! পুরো বোর্ডে সম্মিলিত মেধা তালিকায় 1st Stand করলাম প্রায় ১৫০,০০০ ছাত্র ছাত্রীর মধ্যে! President ডাকলো, টিভি ডাকলো, পত্রিকায় ছবি ছাপাইলো!
Sweet revenge!
এর পর আর পিছন ফিরে তাকাই নাই। আসো কে আসবা সামনে?!
এই সব কিছুর মধ্যে একটা জিনিশ ই শিখলাম। খুবই important lesson learnt. ভালো ছাত্র/ জিনিয়াস এ সব ভুং চুং মাত্র। Only frigging Hard Work is real. আসল কথা আমি কিছু সত্যিই পাইতে চাই কিনা। আমি অইটা পাইতে চাইসি, অইটা হইতে চাইছি আর পাই নাই বা হই নাই - এইটা এখন অসম্ভব! আমি যখন কোন কিছু চাইবো অইটা পাইতেই হবে আর পাবোই। না পাওয়া মানে আমি মন থেকেই চাই নাই।
বি সি এস এ ফার্স্ট হন নাই? - আপনি আসলে চান ই নাই।
ভালো ইউনিভারসিটি তে হন নাই? - আপনি আসলে চান ই নাই।
মিলিওন ডলার ব্যবসা নাই? - আপনি আসলে চান ই নাই।
আমরা শুধু success এর চেহারটা দেখেই অভ্যস্ত! এর পেছনে যে কান্না,যে ত্যাগ, সে শ্রম, যে কস্ট সেইটা দেখি না।
একটা কিছু পাইতে/ হইতে/ করতে চাইতেছেন? না পাইলে/ হইলে/ করলে সম্পূর্ণ আপনার চাওয়ার ই অনুপস্থিতিতা। ব্যাস।
রুটিন ফুটিন বাদ দ্যান। জীবনের মাইলস্টোন প্ল্যান করেন। তারপর go for it like friggin crazy. No option B. Failure is NOT accepted. Be successful or die trying.
সৃস্টিকর্তা আমাকে সৃস্টির শ্রেষ্ঠ জীব বানাইছেন। আমার চেয়ে ভালো জিনিষ বিশ্ব ব্রক্ষ্মান্ডে নাই। আমি তো হারতে পারি না।
সৃস্টির শ্রেষ্ঠ জীব হারতে পারেই না।
এই পোস্টের উদ্দেশ্য অহংকার করা নয় অবশ্যই। উদ্দেশ্য আপনারা যারা নিজের ওপর এখোনো সন্দেহ প্রকাশ করছেন তাদের আংগুল তুলে ভুল ভেংগে দেয়া।
©Sabbir Ahsan
জাপানের স্কুলগুলোর পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা শিক্ষা যা তাদের পরবর্তী জীবনে প্রভাব ফেলে।
কালীনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের জেএসসি / ২০১৮ ফলাফলঃ
মোট পরীক্ষার্থী ১৫০, উত্তীর্ণ ১২২, পাসের হার ৮১.৩৩%