06/08/2020
আগামি ০৭/০৮/২০২০ খ্রিঃ থেকে এই রুটিন কার্যকর হবে।আদেশক্রমে কতৃপক্ষ।
হাজী লালমিয়া সিটি কলেজ
১৯৯৪ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত। গোপালগঞ্জ জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্রে এক মনোরম পরিবেশে কলেজটি অবস্থিত। কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন গোপালগঞ্জের কৃতি সন্তান স্বনামধন্য ব্যক্তিত্ব ও বিশিষ্ট বিদ্যানুরাগী ড. সাইফুর রহমান নান্টু। এ কাজে তাঁকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন তাঁরই জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও দাতা সদস্য মরহুম শেখ লুৎফর রহমান লুথু মিয়া এবং তাঁরই আরেক সহোদর বিশিষ্ট সমাজসেবক ও গোপালগঞ্জ পৌরসভার সাবেক
06/08/2020
আগামি ০৭/০৮/২০২০ খ্রিঃ থেকে এই রুটিন কার্যকর হবে।আদেশক্রমে কতৃপক্ষ।
14/06/2016
13/08/2015
গোপালগঞ্জে এবারও হাজী লাল মিয়া সিটি কলেজ তাদের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রেখেছে। এ কলেজের পাশের হার শতকরা ৯৪.৪৪ ভাগ।
জিপিএ-৫ পেয়েছে ২১ জন এবং এ পেয়েছে ৩৯০ জন। এর মধ্যে মানবিক বিভাগ থেকে ১৩ জন, ব্যবসায় শিক্ষায় ৭ জন ও বিজ্ঞান বিভাগ বিভাগে ১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এ কলেজ থেকে ৭০১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষার্থীয় অংশ নেন। এর মধ্যে ৩৮ জন অকৃতকার্য ও ৫ জন অনুপস্থিত ছিল।
এ ছাড়া গোপালগঞ্জ সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজ থেকে ১৫৬২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৬০১ জন কৃতকার্য হয়েছে। শতকরা পাশের হার ৩৮.৪০ ভাগ। এ কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে ৩৫ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। শহরের শেখ ফজিলাতুন্নেছা সরকারি কলেজ থেকে শতকরা ৩৪.৪৯ ভাগ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে।
শহরের অন্যতম বিদ্যাপিঠ হাজী লাল মিয়া সিটি কলেজের অধ্যক্ষ পলাশ কুমার বিশ্বাস ফলাফলে কলেজটি ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পেরেছে মন্তব্য করে বলেন, এ কলেজটি বরাবর জেলার মধ্যে প্রথম হয়ে আসছে। সারাদেশে ফলাফল বিপর্যয় ঘটলেও তাদের শিক্ষার্থীরা ভাল করেছেন। আগামীতে ফলাফল যাতে আরো ভাল করা যায় সে চেষ্টা তাদের অব্যাহত থাকবে।
উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য নির্দেশিকা
০১। নিয়মিতভাবে কলেজের নির্ধারিত ইউনিফর্ম পরিধান করে এবং পরিচয়পত্র সঙ্গে নিয়ে কলেজে প্রবেশ করতে হবে। ইউনিফর্মের বিবরণঃ ছাত্রদের জন্য হালকা আকাশী শার্ট ও কালো প্যাণ্ট (জিন্স বা মোটা কাপড় প্রযোজ্য নয়), মেয়েদের জন্য হালকা আকাশী কামিজ, সাদা সূতী ওড়না, হালকা আকাশী সূতী বেল্ট এবং সাদা সেলোয়ার এবং কেহ বোরকা পরিধান করলে কলেজ ইউনিফর্মের উপরে কালো বোরকা ও সাদা সূতী ওড়না ব্যবহার করতে হবে।
০২। রাজনীতি ও ধূমপানমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখতে হবে।
০৩। প্রতিদিন সকাল ১০.০০ ঘটিকার মধ্যে কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে হবে এবং দুপুর ১.২০ এর পূর্বে ক্যাম্পাস থেকে বাইরে বের হওয়া যাবে না। এই সময়ের পূর্বেই কারো ক্লাশ শেষ হয়ে গেলে সে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত কলেজ গ্রন্থাগারে লেখাপড়া করবে।
০৪। নিয়মিত ক্লাশ করতে হবে এবং কমপক্ষে ৯০% উপস্থিতি থাকতে হবে; অন্যথায় সে ননকলেজিয়েট/ডিসকলেজিয়েট হিসেবে গণ্য হবে। উলে¬খ্য, কারো ৮০% এর নীচে হাজিরা থাকলে অর্ধ-বার্ষিক, বর্ষ-সমাপনী ও প্রাক্নির্বাচনী পরীক্ষার পূর্বে সে অভিভাবকসহ উপস্থিত হয়ে জরিমানা প্রদান পূর্বক প্রবেশপত্র গ্রহণ করবে; কিন্তু নির্বাচনী পরীক্ষার ক্ষেত্রে সে কোনক্রমেই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
০৫। মাসিক বেতন প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে অন্যথায় প্রতি মাসের জন্য জরিমানা প্রদান করতে হবে।
০৬। বর্ষসমাপনী পরীক্ষায় কৃতকার্য না হলে দ্বাদশ শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হতে পারবে না এবং নির্বাচনী পরীক্ষায় কোন বিষয়ে অকৃতকার্য হলে কোন অবস্থাতেই চূড়ান্ত পরীক্ষায় (বোর্ড পরীক্ষা) অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
০৭। প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রী ক্লাশ শুরুর প্রারম্ভেই একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর বই একসঙ্গে কিনবে।
০৮। এস,এস,সি-পরীক্ষায় ইংরেজীতে ‘ডি’ প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদের উস ও উহ শাখায় অতিরিক্ত ইংরেজী ক্লাশ করতে হবে।
০৯। কলেজ নির্দেশিত মডেল খাতা অনুসরণ করে প্রতিটি অভ্যন্তরীণ ও বোর্ড পরীক্ষায় লিখতে হবে।
১০। এইচ,এস,সি প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষে প্রতিটি বিষয়ের প্রতি পত্রে চারটি করে টিউটোরিয়াল পরীক্ষা দিতে হবে এবং বিষয় ও বর্ষভিত্তিক মোট ২৫ নম্বরের মধ্যে টিউটোরিয়াল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে-যার ফলাফল যথাক্রমে বর্ষসমাপনী ও নির্বাচনী পরীক্ষায় যোগ হবে (৭৫+২৫=১০০)।
১১। ছাত্রীরা কমপক্ষে ৮০% ক্লাশে উপস্থিত ও প্রতিটি বিষয়ে ৪৫% নম্বর না পেলে এবং বিবাহিত হলে উপবৃত্তির আওতায় আসবে না।
১২। প্রথম বর্ষে ভর্তির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে ছাত্র-ছাত্রীদের ডায়েরী সরবরাহ করা হবে-যা স্ব-স্ব অভিভাবক শিক্ষকের নিকট থেকে গ্রহণ করতে হবে এবং প্রতি বৃহস্পতিবার ১.২০ থেকে ১.৪৫ টা পর্যন্ত ডায়েরী ক্লাশ হবে-যেখানে প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীর উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক।
১৩। কোন ছাত্র-ছাত্রী কোন অবস্থাতেই কলেজে মোবাইল ফোন আনতে পারবে না। যদি কারো কাছে মোবাইল ফোন পাওয়া যায় তবে তার বিরুদ্ধে কলেজের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং সে কলেজের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে।
১৪। অত্র কলেজে রোভার স্কাউটস ও বি,এন,সি,সি সক্রিয় রয়েছে এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে সেখানে ভর্তি সুযোগ পাবে।
১৫। বিনা বেতন ও অর্ধ-বেতন ঃ অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার পরে ছাত্ররা বিনা বেতন ও অর্ধ-বেতনের জন্য আবেদন করবে, সেক্ষেত্রে অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল ও এস,এস,সির ফলাফলের উপর ভিত্তি করে গরিব ও মেধাবী ছাত্রদেরকে এ সুযোগের আওতায় আনা হবে।
১৬। অর্ধ-বার্ষিক, বার্ষিক, প্রাক্-নির্বাচনী ও নির্বাচনী পরীক্ষায় প্রতিটি বিষয়ের পাস নম্বর ৪০।
১৭। ক্লাশে কোন বিশেষ কারণে পরপর ০২-০৭ দিন অনুপস্থিত থাকলে অনুপস্থিতির কারণ উলে¬খ পূর্বক অধ্যক্ষ বরাবর স্বহস্তে লিখিত আবেদনপত্র অভিভাবক (পিতা/মাতা) দ্বারা স্বাক্ষর করিয়ে জমা দিয়ে পুনরায় ক্লাশ করার অনুমতি গ্রহণ করতে হবে; এ ক্ষেত্রে ক্লাশে প্রবেশ করার পূর্বে অবশ্যই অনুমতি গ্রহণ করতে হবে। বিশেষভাবে উলে¬খ্য যে, সাত দিনের অধিক ক্লাশে অনুপস্থিত থাকলে অভিভাবক (পিতা/মাতা)সহ অধ্যক্ষের সঙ্গে সাক্ষাৎ সাপেক্ষে ক্লাশ করার অনুমতি গ্রহণ করতে হবে।
১৮। কলেজের নির্দেশিত সকল আইন-কানুন ও নিয়ম-শৃঙ্খলা যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে এবং এর বাত্যয় ঘটলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১৯। অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় মেধা তালিকার ভিত্তিতে এবং বোর্ড পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রীদেরকে কলেজ থেকে পুরস্কৃত (প্রাইজমানি) করা হয়।
লালমিয়া সিটি কলেজ এর কোন শিক্ষক/শিক্ষিকা তোমার সবচেয়ে প্রিয় ছিলেন ??
23/03/2014
'লাখো কণ্ঠে সোনার বাংলা' কর্মসূচি 'লাখো কণ্ঠে সোনার বাংলা' কর্মসূচি সংক্রান্ত জরুরি তথ্যাদি "লাখো কণ্ঠে সোনার বাংলা" সকাল ৬:৩০ মিনিট হতে ভেন্যুতে প্রবেশ শুরু হবে। সর্বোচ্চ ৩ লক্ষ লোক ভেন্যুত...
http://www.facebook.com/plugins/follow?href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Fsapnochura&layout=stand
Tell every students, who is studying with you our college about our page.....and also upload some college pictures taken by you guys. Thanks.
এতদ্বারা হাজী লালমিয়া সিটি কলেজ থেকে পাশকৃত সকল ছাত্র-ছাত্রীর অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, কলেজে প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে একটি অ্যালামনাই এসোশিয়েশন গঠনের লক্ষ্যে একটি আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। উক্ত অ্যালামনাই এসোশিয়েশনে নিবন্ধিত হওয়ার জন্য সকলের প্রতি উদাত্ত আহবান জানানো যাচ্ছে। কলেজের প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীরা আজ বাংলাদেশের অনেক উচ্চ পদে আসীন এবং বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে সুপ্রতিষ্টিত। তাই প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে দেশ ও জাতির কল্যানে সংঘবদ্ধভাবে কাজ করাই এই অ্যালামনাই এসোশিয়েশন গঠনের লক্ষ্য। উল্লেখ্য অ্যালামনাই এসোশিয়েশনে নিবন্ধিত হওয়ার ফরম কলেজের ওয়েব সাইট/কলেজ থেকে থেকে সংগ্রহ করতে হবে এবং ফরম পূরণ করে ২কপি পাসপোর্ট সাইযের ছবি ও নিবন্ধন ফি ২০০/= (দুইশত) টাকাসহ নিম্নের ঠিকানায় প্রেরণ করতে হবে।
বিঃদ্রঃ- আগামী ২০১৪ সালে অত্র কলেজের ২০ (বিশ) বৎসর পূর্ণ হবে এবং সে লক্ষ্যে সকল ছাত্র-শিক্ষকের সমন্বয়ে বিশ বৎসর পূর্তি উৎসবের ব্যাপক আয়োজন চলছে। উক্ত উৎসবের তারিখ ও সময় পরবর্তীতে জানিয়ে দেওয়া হবে।