Gohala T.C.A.L High School, Muksudpur, Gopalgonj

Gohala T.C.A.L High School, Muksudpur, Gopalgonj

Share

It's one of the oldest school in Bangladesh. Gohala T.C.A.L. High School was established in 1937 at Golhala of Muksudpur Upozila under the Gopalganj District.

It is one of the oldest school in Bangladesh. This school is renowned for it's outrageous performance in education & extracurricular activities and thus selected for many times as the best school in Bangladesh. Famous persons of different fields had studied from this school. Students of this school are showing their excellency in their personal lives & thereby uplifting the name & fame of this school.

30/06/2023

May Allah cure the ill from this ummah, remove our difficulties, improve our states, have mercy upon our elderly, and bless our young.---Ameen

Finally the main jobs of Hajj has been completed alhmadulillah.

07/12/2019
30/09/2019

অত্র বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক জনাব আবুল খায়ের মিয়া(কালাম স্যার) গত ২৪-০৯-২০১৯ইং রাতে আনুমানিক ৭.০০ ঘটিকায় ইন্তেকাল করিয়াছেন ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন ।
আমরা সকলে গভীবভাবে শোকাহত
আমরা সকলে তাহার আত্মার মাগফেরাত কামনা করি ।

28/07/2019

Thanks all of our ex, new and current students for giving like react in this page. Keep in touch. We are now 700 members in a row. We will try to update our most valuable and educative things here.

Thanks a lot.

21/10/2018

★★★ শোক বার্তা ★★★
গোহালা টি. সি. এ. এল উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক শ্রদ্ধেয় আলমগীর হোসেন মোল্লা স্যার গতরাত ২০-১০-১৮ ইং রোজ শনিবার রাত ৮ ঘটিকায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না-লিল্লাহি ওয়া-ইন্না ইলাহি রাজীউন।

আজ সকাল ১১ ঘটিকায় মরহুমের ১ম জানাযার নামাজ গোহালা টি. সি. এ. এল উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। ও
২য় জানাযার নামাজ যোহর বাদ শ্রিজিতপুর মরহুমের নিজ বাসভবনে অনুষ্ঠিত হবে।

আপনাদের সবাইকে জানাযায় থাকার জন্য বিনীতভাবে অনুরোধ করছি।
সবাই স্যারের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করুন
আমিন।

03/02/2018

বিজ্ঞানই বলেছে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ্য পুরুষ একবার সহবাসে যে পরিমান বির্য নির্গত করে তাতে ২০-৩০ কোটি
স্পার্ম নির্গত হয়,( স্থান পেলে ২০-৩০ কোটি বাচ্ছা তৈরি হতো) এই ২০-৩০ কোটি স্পার্ম, মায়ের ওভামের দিকে পাগলের মত ছুটতে ছুটতে পৌঁছায় ৩০০-৫০০ মাত্র, আর বাকিরা এই "ছুটে চলার" দৌড়ে ক্লান্ত, শ্রান্ত অথবা পরাজিত হয়ে মারা যায়,
বিলীন হয়ে যায়।

এই ৩০০-৫০০ স্পার্ম,
যেগুলো ডিম্বানুর কাছে যেতে পেরেছে
তাদের মধ্যে মাত্র একটি,মহা শক্তিশালী স্পার্ম ডিম্বানুকে ফার্টিলাইজ করে অথবা ডিম্বানুতে আসন গ্রহন করে,
সেই ভাগ্যবান স্পার্মটি হচ্ছেন আপনি কিংবা আমি-অথবা আমরা সবাই
কখনও কি এই মহাযুদ্ধের কথা মাথায় এনেছেন?

আপনি তখন দৌড়েছিলেন,
যখন আপনার চোখ,হাত পা মাথা ছিল না! তবু আপনি জিতেছিলেন। ♥

আপনি তখন দৌড়েছিলেন, যখন আপনার কোন সার্টিফিকেট ছিল না! মস্তিষ্ক ছিল না, তবুও আপনি জিতেছিলেন।

আপনি তখন দৌড়েছিলেন, যখন আপনার কোন শিক্ষা ছিল না, দৌড়েছিলেন কারও সাহায্য ছাড়া, শুধু ছিলেন মহান আল্লাহতালা এবং আপনি জিতেছিলেন।

আপনি তখন দৌড়ছিলেন,যখন আপনার একটি গন্তব্য ছিল এবং সেই গন্তব্যের দিকে উদ্দেশ্য ঠিক রেখে একা একাগ্র চিত্তে দৌড়িয়ে ছিলেন এবং
শেষ অবধি আপনি জিতেছিলেন। ♥


আর আজ!

আপনি কিছু একটা হলেই ঘাবড়ে যান, নিরাশ হয়ে পড়েন, কিন্তু কেন? কেন আপনি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন।

এখন আপনার
বন্ধু বান্ধব, ভাই বোন , সার্টিফিকেট
সবকিছু আছে। হাত-পা আছে, শিক্ষা আছে, প্ল্যান করার মস্তিষ্ক আছে, সাহায্য করার মানুষ আছে, তবুও আপনি আশা হারিয়ে আশা ছেড়ে নিরাশায় দুলছেন।


♠♠♠ যখন আপনি জীবনের প্রথম দিনে হার মানেন নি, ৩০ কোটি স্পার্মের সাথে মরণপণ যুদ্ধ করে ক্রমাগত দৌড় প্রতিযোগিতায় কোন কিছুর অবলম্বন ছাড়া শুধু একা একাই জিতেছেন।


সেখানে আজ!
আপনি কেন হারবেন?

কেন হার মানবেন? ♥
আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন
আপনি শুরুতে জিতেছেন,
শেষে জিতেছেন, মাঝপথেও আপনি জিতবেন।ইনশাল্লাহ

সবচাইতে বেশী কি চান? ♠
মূল্য দিন, বিরামহীন লেগে থাকুন- আপনি জিতবেন।।।
কারন, ( #আপনার_জন্ম_সৃষ্টির_লক্ষেই)।
এগিয়ে চলুন!

17/08/2017

ইবনে সিনা নামটি শোনেননি, এমন কাউকে বুঝি পাওয়াই যাবে না। ছোটবেলা থেকেই আমরা এই সব্যসাচী ব্যক্তির নাম জেনে এসেছি একজন খ্যাতিমান মুসলিম বিজ্ঞানী হিসেবে। ইতিহাসের অত্যন্ত গুণী ব্যক্তিদের মাঝে একজন হলেন এই ইবনে সিনা। আমরা এ লেখায় জানতে পারব ইবনে সিনার জীবন নিয়ে- কী ছিল তাঁর কীর্তি, কীভাবেই বা তিনি হলেন এত বিখ্যাত?

‘ইবনে সিনা’ শব্দের অর্থ হলো ‘সিনার পুত্র’। কিন্তু আসলে কিন্তু তাঁর পিতার নাম ‘সিনা’ ছিল না! তাঁর পুরো নাম ছিল আবু আলী আল-হুসাইন ইবনে আব্দুল্লাহ ইবনে আল হাসান ইবনে আলী ইবনে সিনা। অর্থাৎ তাঁর অনেক ঊর্ধ্বতন পুরুষ ছিলেন সিনা নামের একজন। কিন্তু এই বিশাল নামকে মানুষ ছোট করতে করতে কেবল শেষের ‘ইবনে সিনা’ (ابن سینا) নামেই ডাকা শুরু করে। আর লাতিনে সেই নামের আরো বিকৃতি সাধিত হয়, নামটা হয়ে যায় Avicenna! তবে ইতিহাসের পাতায় তিনি ইবনে সিনা নামেই পরিচিত হয়ে আছেন অনন্তকালের জন্য।

সে যা-ই হোক, ইবনে সিনার জন্ম ৯৮০ খ্রিস্টাব্দে; বুখারার কাছের এক গ্রামে, এখন সেটা উজবেকিস্তানে, এক ইসমাইলি শিয়া পরিবারে। তার বাবার নাম ছিল আব্দুল্লাহ, তিনি নিজে শিয়া হলেও কাজ করতেন সুন্নি সামানিদ সরকারের শাসনাধীনে। পাঁচ বছর পর ইবনে সিনার ছোট ভাই মাহমুদের জন্ম হয়।

১০ বছর বয়স হবার আগেই ইবনে সিনা কুরআনে হাফেজ হয়ে গেলেন। এক ভারতীয় সবজি-ফল বিক্রেতা থেকে তিনি ভারতীয় পাটিগণিত শিখেছিলেন। এর মাঝেই তিনি দেখা পেয়ে যান এক যাযাবর বিদ্বান লোকের, তাঁর কাছ থেকে আরো জ্ঞান নিতে লাগলেন তিনি। ইসমাইল আল জাহিদ নামের একজন সুন্নি হানাফি শিক্ষকের কাছ থেকে তিনি ইসলামি ফিকহ শাস্ত্র অধ্যয়ন করেন। পড়ে ফেলেন ইউক্লিড আর টলেমির লেখাও!

একটু বড় হবার পর ইবনে সিনা পড়তে শুরু করলেন অ্যারিস্টটলের ‘মেটাফিজিক্স’; কিন্তু অনেক কিছুই বুঝতে পারছিলেন না। ৪০ বার তিনি সেই বইটি পড়েন বলে কথিত আছে, মুখস্তই হয়ে যায় তাঁর, কিন্তু অর্থ তো তিনি আর বুঝতে পারছেন না! পরে তিন দিরহাম দিয়ে তিনি একদিন আল-ফারাবির লেখা ব্যাখ্যা গ্রন্থ কিনলেন, সেটা পড়বার পর বিষয়গুলো পরিস্কার হয় তাঁর কাছে। খুশিতে তিনি শুকরানা আদায়ের উদ্দেশ্যে গরিব-দুঃখীদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন।

এরপর দর্শনের পোকা ঢুকে যায় তার মাথায়। পরের দেড় বছর অনেক কিছুই পড়লেন তিনি, কিন্তু অনেক বাধার সম্মুখীন হলেন বুঝতে গিয়ে। কোনো কিছু বুঝতে অসুবিধা হলে তিনি উঠে পড়তেন, ওজু করে মসজিদে নামাজ পড়তেন, যতক্ষণ না মাথা খোলে। গভীর রাত পর্যন্ত পড়তেন তিনি, অনেক সময় রাতে ঘুমের মাঝে স্বপ্নে তাঁকে হানা দিত নানা কঠিন সমস্যা। স্বপ্নেই সেগুলো সমাধানের চেষ্টা করতেন তিনি।

১৬ বছর বয়স থেকে ডাক্তারির নেশা জাগে তাঁর। পড়তে শুরু করেন আর আবিস্কার করতে থাকেন নতুন নতুন চিকিৎসার উপায়। ১৮ বছর বয়সেই পুরোদমে ডাক্তার হয়ে গেলেন তিনি! তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ল দূর-দূরান্তে, বিনা পয়সাতেও চিকিৎসা করতেন ইবনে সিনা।

১২৭১ সালে আঁকা ইবনে সিনার একটি ছবি; source: উইকিমিডিয়া কমন্স।

৯৯৭ সালে আমির নূহ ব্যক্তিগত ডাক্তার পদে নিয়োগ দেন ইবনে সিনাকে, কারণ তিনি নূহের মরণ রোগের চিকিৎসা করেছিলেন এবং তিনি সেরে উঠেছিলেন। তাঁর পুরস্কার হলো সামানিদদের রাজকীয় লাইব্রেরি ব্যবহারের সুযোগ। পরে সেই লাইব্রেরি আগুনে পুড়ে যায়; ইবনে সিনার শত্রুরা দাবি করে যে, আগুন ইবনে সিনাই লাগিয়েছিলেন, যেন কেউ তাঁর জ্ঞানের উৎস জানতে না পারে।

কাজের পাশাপাশি বাবাকে সাহায্য করতেন ইবনে সিনা, আর বই লিখতেন। তাঁর বাবা মারা যান অকালে, এদিকে সামানিদ সাম্রাজ্যের আয়ুও শেষ হয়ে আসে। গজনির সুলতান মাহমুদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তিনি উত্তর দিকে রওনা দেন। খোরাসান এলাকায় যাযাবরের মতো ঘুরতে ঘুরতে তিনি তাঁর মেধা কাজে লাগাবার চেষ্টা করতে লাগলেন। নানা বাধা-বিপত্তির পর কাস্পিয়ান সাগরের কাছে গোর্গান এলাকায় এক বন্ধুর কাছে আশ্রয় পেলেন তিনি। সেখানে জ্যোতির্বিদ্যা আর যুক্তিবিদ্যার উপর লেকচার দিয়েই তাঁর উপার্জন হতো। এখানেই তিনি তাঁর মাস্টারপিস ‘আল কানুন ফি আত-তিব’ (The Canon of Medicine) রচনা শুরু করেন বলে ধারণা করা হয়।

আল কানুন আল ফিত-তিব বইয়ের প্রথম পাতা; source: উইকিমিডিয়া কমন্স।

পরে বর্তমান তেহরান যে এলাকায়, সেখানে চলে আসেন ইবনে সিনা, এখানে তিনি তাঁর ৩০টির মতো ছোট ছোট বই লিখেন। এরপর তিনি হামাদানে চলে যান, সেখানে এক উচ্চবংশীয় নারীর সেবায় নিযুক্ত হন। কিন্তু সেখানকার আমির তাঁকে সেই পদ থেকে সরিয়ে উপহারসামগ্রী সহ বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। তিনি উজির পদও পান, কিন্তু এই পদ থেকে আমির তাঁকে বরখাস্ত করেন এবং এলাকা থেকে নির্বাসিত হবার আদেশ দেন। ইবনে সিনা ৪০ দিন লুকিয়ে ছিলেন শেখ আহমেদ ফাজলের বাড়িতে। কিন্তু আমির নিজেই অনেক অসুস্থ হয়ে পড়লে ইবনে সিনা নিজের ‘উজির’ পদ ফিরে পান, তিনি ডাক্তার পদেও নিযুক্ত হন। প্রতি সন্ধ্যায় তাঁর বই ছাত্রদের পড়ানো হত। আমিরের মৃত্যুর পর ইবনে সিনা উজির পদ ছেড়ে দিয়ে আরো লেখালিখিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন, থাকতেন এক গোপন জায়গায়।

নতুন আমির তাঁর গোপন জায়গার খোঁজ পাবার পর তাঁকে কারাবন্দী করেন এক দুর্গে। এদিকে ইস্পাহান আর হামাদানের মাঝে যুদ্ধ লেগে যায়। ১০২৪ সালে ইস্পাহানের দখলে আসে হামাদান। ইবনে সিনে তাঁর লেখার কাজ সম্পন্ন করেন, তবে এই অশান্তির শহর থেকে তিনি পালাবেন বলে স্থির করেন। তাঁর ভাই, প্রিয় ছাত্র ও দুজন দাসের সাথে তিনি সুফি দরবেশের বেশ ধরে পালিয়ে ইস্পাহানে চলে যান। সেখানে তাঁকে রাজকীয়ভাবে বরণ করা হয়।

বাকি ১০-১২ বছরের জীবন তাঁর কাটে কাকুয়িদ শাসক মুহাম্মাদ ইবনে রুস্তমের ডাক্তার ও উপদেষ্টা হিসেবে। তিনি যুদ্ধ অভিযানেও যেতেন। হামাদানের বিরুদ্ধে এক যুদ্ধের সময় তাঁকে তলপেটের ব্যথা কাবু করে ফেলে, দাঁড়াতেই পারছিলেন না তিনি। পরে আরেক অভিযানে আবারও এই একই ব্যথা তাঁকে ধরাশায়ী করে ফেলে।

এই রোগই তাঁর জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। মৃত্যুশয্যায় শায়িত অবস্থায় তাঁকে অনুতাপ আঁকড়ে ধরে। তিনি দরিদ্রদের মাঝে সম্পদ বিলি করে দেন, তাঁর দাসদের মুক্ত করে দেন। প্রতি তিন দিন পর পর তিনি কুরআন তিলাওয়াত করতে লাগলেন। ৫৮ বছর বয়সে, ১০৩৭ সালের জুন মাসে তিনি মারা যান, সময়টা ছিল রমজান। তাঁকে সমাহিত করা হয় ইরানের হামাদানেই।

ইবনে সিনার বেশিরভাগ লেখাই আরবিতে। তবে কিছু লেখা আছে ফার্সিতে। আলবার্টাস ম্যাগনাস, থমাস অ্যাকিনাস প্রমুখ ইবনে সিনার মতবাদে প্রভাবিত ছিলেন। তাঁর পাঁচ খণ্ডের আল কানুন আল ফিত-তিবকে বলা হয় মেডিক্যাল শাস্ত্রের বাইবেল। বইগুলো সব লেখা শেষ হয় ১০২৫ সালে। এই বই এতই বহুমুখী ছিল যে, মধ্যযুগীয় ইউরোপে একে আদর্শ হিসেবে বিবেচনা করা হতো এবং অষ্টাদশ শতকে পাঠ্যবই হিসেবে পড়ানো হতো। গ্যালেনের মতবাদকে প্রবলভাবে প্রভাবিত করে ইবনে সিনার এ বই। তাছাড়াও একশ’রও বেশি বই ইবনে সিনা লিখে গিয়েছিলেন।

মুসলিম চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিত ইবনে সিনার নামে এ দেশে হাসপাতাল রয়েছে। কিন্তু মজার বিষয়, সৌদি আরবে এরকম ফতোয়াও দেয়া হয়েছে যে, স্কুল-কলেজ কিংবা হাসপাতাল ইত্যাদির নামকরণ ইবনে সিনার নামে করা যাবে না! কারণ তিনি নাকি মুসলিম ছিলেন না। এর আগে ইবনে তাইমিয়াও তাঁকে অমুসলিম বলে অভিহিত করেছিলেন; ইবনুল কায়্যুম ইবনে সিনা কীভাবে একে একে ইসলামের পাঁচ স্তম্ভ ত্যাগ করেছিলেন, সে বিষয়ে প্রবন্ধ রচনা করেন। তাদের মতে, ইবনে সিনা বিশ্বাস করতেন না যে, মহাবিশ্বের শুরু বা শেষ আছে কিংবা মৃত্যুর পর জীবন আছে। ইমাম গাজ্জালিও ইবনে সিনাকে ‘কাফির’ উপাধি দেন পুনরুত্থান অস্বীকারের কারণে! ইবনে সিনার ধর্ম কী ছিল, তিনি নাস্তিক ছিলেন কিনা- সে নিয়ে রয়েছে অনেক বিতর্কের আগুন!

তবে ইবনে সিনার নিজের উক্তিটিই যেন সেই আগুনে জ্বালানি

“The world is divided into men who have wit and no religion and men who have religion and no wit.” অর্থাৎ “এ দুনিয়ার লোকেরা দুই দলে বিভক্ত- এক দলের ধর্ম নেই কিন্তু বুদ্ধি আছে, আরেক দলের বুদ্ধি নেই কিন্তু ধর্ম আছে।“

তবে এ বিষয়ে সন্দেহ নেই যে, ইবনে সিনা ছোট বেলাতেই কুরআনে হাফিজ হন, তবে পরে গিয়ে ‘হয়তো’ দূরে সরে যান ধর্ম থেকে। বলা হয়ে থাকে, তিনি শেষ বয়সে আবার ধর্মে ফিরে আসেন। তিনি কুরআনের সুরার ব্যাখ্যা নিয়ে ৫টি পুস্তিকা লিখেন, এর মাঝে একটি ছিল ‘নবীত্বের প্রমাণ’ শিরোনামে। তিনি যুক্তিবিদ্যা দিয়ে কুরআনের ব্যখ্যাও দিয়েছিলেন। ‘আল বুরহান আল সিদ্দিকিন’ নামে একটি যুক্তির সাহায্যে তিনি ঈশ্বরের অস্তিত্ব প্রমাণ করেন বলে জানা যায়।

তবে ইবনে সিনার বিশ্বাস নিয়ে যত বিতর্কই থাকুক না কেন, ইতিহাসের পাতায় যে তিনি সর্বকালের শ্রেষ্ঠ চিন্তাবিদদের একজন হিসেবে চিরস্মরণীয় থাকবেন, সে বিষয়ে নেই কোনো সন্দেহ।

17/08/2017

একনজরে দেখে নিন প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) থেকে আমাদের আদি পিতা হজরত আদম (আ.) পর্যন্ত পূর্বপুরুষগণের নামের তালিকা

১. হযরত মুহম্মদ মুস্তাফা (স)
২. তাঁহার পিতা আব্দুল্লাহ
৩. তাঁহার পিতা আব্দুল মোত্তালিব
৪. তাঁহার পিতা হাসিম
৫. তাঁহার পিতা আব্দ মানাফ
৬. তাঁহার পিতা কুছাই
৭. তাঁহার পিতা কিলাব
৮. তাঁহার পিতা মুরাহ
৯. তাঁহার পিতা কা’ব
১০. তাঁহার পিতা লুই
১১. তাঁহার পিতা গালিব
১২. তাঁহার পিতা ফাহর
১৩. তাঁহার পিতা মালিক
১৪. তাঁহার পিতা আননাদর
১৫. তাঁহার পিতা কিনান
১৬. তাঁহার পিতা খুজাইমা
১৭. তাঁহার পিতা মুদরাইকা
১৮. তাঁহার পিতা ইলাস
১৯. তাঁহার পিতা মুদার
২০. তাঁহার পিতা নিজার
২১. তাঁহার পিতা মা’দ
২২. তাঁহার পিতা আদনান
২৩. তাঁহার পিতা আওয়াদ
২৪. তাঁহার পিতা হুমাইসা
২৫. তাঁহার পিতা সালামান
২৬. তাঁহার পিতা আওয
২৭. তাঁহার পিতা বুয
২৮. তাঁহার পিতা কামওয়াল
২৯. তাঁহার পিতা ওবাই
৩০. তাঁহার পিতা আওয়ান
৩১. তাঁহার পিতা নাসিদ
৩২. তাঁহার পিতা হিযা
৩৩. তাঁহার পিতা বালদাস
৩৪ . তাঁহার পিতা ইয়াদলাফ
৩৫. তাঁহার পিতা তাবিখ
৩৬. তাঁহার পিতা জাহিম
৩৭. তাঁহার পিতা নাহিস
৩৮. তাঁহার পিতা মাখি
৩৯. তাঁহার পিতা আ”য়েফ
৪০. তাঁহার পিতা আবকার
৪১. তাঁহার পিতা উবাইদ
৪২. তাঁহার পিতা আদ দাহা
৪৩. তাঁহার পিতা হামদান
৪৪. তাঁহার পিতা সানবার
৪৫. তাঁহার পিতা ইয়াসরিবি
৪৬. তাঁহার পিতা ইয়াহজিন
৪৭. তাঁহার পিতা ইয়ালহান
৪৮. তাঁহার পিতা ইরাওয়া
৪৯. তাঁহার পিতা আইযি
৫০. তাঁহার পিতা যিশান
৫১. তাঁহার পিতা আইছার
৫২. তাঁহার পিতা আফনাদ
৫৩. তাঁহার পিতা আইহাম
৫৪. তাঁহার পিতা মুকাসির
৫৫. তাঁহার পিতা নাহিস
৫৬. তাঁহার পিতা যারিহ
৫৭. তাঁহার পিতা সামি
৫৮. তাঁহার পিতা মায্যি
৫৯. তাঁহার পিতা ইওয়াদ
৬০. তাঁহার পিতা ইরাম
৬১. তাঁহার পিতা হিদার
৬২. তাঁহার পিতা হযরত ইসমাইল (আঃ)
৬৩. তাঁহার পিতা হযরত ইবরাহিম (আঃ)
৬৪. তাঁহার পিতা তারক
৬৫. তাঁহার পিতা নাহুর
৬৬. তাঁহার পিতা সারুয
৬৭. তাঁহার পিতা রা’উ
৬৮. তাঁহার পিতা ফাহিয
৬৯. তাঁহার পিতা আবীর
৭০. তাঁহার পিতা আফরাহশাদ
৭১. তাঁহার পিতা সা’ম
৭২. তাঁহার পিতা হযরত নূহ (আঃ)
৭৩. তাঁহার পিতা লামিক
৭৪. তাঁহার পিতা মাতু সালিখ
৭৫. তাঁহার পিতা হযরত ঈদ্রীস (আঃ)
৭৬. তাঁহার পিতা ইয়ারিদ
৭৭. তাঁহার পিতা মালহালিল
৭৮. তাঁহার পিতা কিনান
৭৯. তাঁহার পিতা আনস
৮০. তাঁহার পিতা হযরত শীস (আঃ)
৮১. তাঁহার পিতা হযরত আদম (আঃ)

Want your school to be the top-listed School/college in Gopalganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Gohala, Muksudpur
Gopalganj
7911

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 14:30
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00