এইচএসসি - ২৪ এর জন্য বিশেষ প্রস্তুতি মূলক মডেল টেস্ট ও টিপস এর জন্য পেজটির সাথে থাকুন
দেব স্যার - আইসিটি গুরু
Online Coaching, Solution, Tips, tricks, suggestion, model questions, ebooks, apps & softwares
ICT based solutions for quality learning and sustainable practice.
01/01/2024
হ্যালো
31/12/2022
হ্যালো, আমাকে এইচএসসি আইসিটির যেকোনো টপিক্স সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করুন।
শুধু মাত্র বিষয় সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন করবেন। আপনার কি কোন সমস্যা আছে?
মৌচাক/জুম অনলাইন ক্লাসে আগ্রহী ছাত্র -ছাত্রীরা ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।
সংখ্যা পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য পেইজটি ভালো করে ভিজিট করুন
12/09/2022
উচ্চ মাধ্যমিক (HSC) পরীক্ষার রুটিন - ২০২২
29/08/2022
🎤সংখ্যা পদ্ধতি
মূলত নির্দিষ্ট প্রতীক বা চিহ্ন দ্বারা কোনো সংখ্যা প্রকাশ করার পদ্ধতিকেই সংখ্যাপদ্ধতি বলে।
অর্থাৎ, বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন বা অঙ্ক (ডিজিট) ব্যবহার করে সংখ্যা লিখা ও প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে। এর সাহায্যে সহজেই সংখ্যা গণনা ও প্রকাশ করা যায়। এক কথায়, সংখ্যাকে প্রকাশ করার ও গণনা করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়।
উপস্থাপন বা প্রকশের পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে সংখ্যা পদ্ধতি ২ প্রকার। যথাঃ
১. পজিশনাল বা অবস্থানগত সংখ্যা পদ্ধতি
নন পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
1. পজিশনাল বা অবস্থানগত সংখ্যা পদ্ধতি:
যে সকল সংখ্যা গুলোর স্থানীয় মান আছে এবং স্থান পরিবর্তন করলে মান পরিবর্তন হয় তাদেরকে পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
যেমন ৯৭৫ দ্বারা শতক পর্যন্ত মান বোঝায় এবং ৫ এর একক স্থানীয় , মান পরিবর্তন করে দশক স্থানে নিলে পুরা সংখ্যার মান পরিবর্তন হয়ে ৯৫৭ হয়ে যায়।
পজিশনাল পদ্ধতিতে একটি সংখ্যা যে প্রতীকগুলো দিয়ে প্রকাশ করা হয় সেই প্রতীকগুলোর সংখ্যার অবস্থানের উপর ভিত্তি করে সংখ্যার মান কম বেশি হতে পারে।
পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি আবার ৪ প্রকার – যথাঃ-
বাইনারি
অক্টাল
ডেসিমেল
হেক্সাডেসিমেল
💻বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে শুধুমাত্র দুটি সংখ্যা ব্যবহার করা হয়: 0 এবং 1। এই পদ্ধতিতে সংখ্যার ভিত্তি 2। 0 এবং 1 সংখ্যাকে বিট (Bit) বলা হয় এবং 8 বিট(Bit) একসাথে একটি বাইট (byte) তৈরি করে।
কম্পিউটারে ডেটা বিট এবং বাইটের পরিপ্রেক্ষিতে সংরক্ষণ করা হয়। বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি অন্যান্য সংখ্যা যেমন 2,3,4,5 ব্যবহার করা হয়না। উদাহরণস্বরূপ: 110101 2 , 11010101 2 , 101010101 2 বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে সংখ্যার কিছু উদাহরণ।
বাইনারি সংখ্যার উদাহরণ:
111011 = 1 × 2 5 + 1 × 2 4 + 1 × 2 3 + 0 × 2 2 + 1 × 2 1 + 1 × 2 0
11001.101 = 1 × 2 4 + 1 × 2 3 + 0 × 2 2 + 0 × 2 1 + 1 × 2 0 + 1 × 2 -1 + 0 × 2 -2 + 1 × 2 -3
অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি
অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি সংখ্যা ব্যবহার করা হয়: 0,1,2,3,4,5,6 এবং 7 যার ভিত্তি 8। অর্থাৎ অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ থেকে ৭ পর্যন্ত সংখ্যা ব্যবহার করা হয়। মোট ৮ টি সংখ্যা হয়।
এই সিস্টেমের সুবিধা হল যে এটিতে অন্যান্য অনেক সিস্টেমের তুলনায় কম সংখ্যা রয়েছে, তাই, সেখানে কম কম্পিউটেশনাল ত্রুটি হবে। উদাহরণস্বরূপ: 78 8 , 45 8 , 1451 8 অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে সংখ্যার কিছু উদাহরণ।
অক্টাল সংখ্যার উদাহরণ:
47216 = 4 × 8 4 + 7 × 8 3 + 2 × 8 2 + 1 × 8 1 + 6 × 8 0
673.024 = 6 × 8 2 + 7 × 8 1 + 3 × 8 0 + 0 × 8 -1 + 2 × 8 -2 + 4 × 8 -2
💻দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি দশটি সংখ্যা ব্যবহার করে: 0,1,2,3,4,5,6,7,8 এবং 9 যার ভিত্তি সংখ্যা 10। অর্থাৎ অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যা ব্যবহার করা হয়। মোট ১০ টি সংখ্যা হয়।
দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি হল একটি পদ্ধতি যা আমরা সাধারণত সংখ্যাকে বাস্তবে উপস্থাপন করতে ব্যবহার করি। উদাহরণস্বরূপ: 84 10 , 345 10 , 43457 10 দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে সংখ্যার কিছু উদাহরণ।
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যা এবং A থেকে F পর্যন্ত মোট ১৬ টি সংখ্যা এবং বর্ণমালা ব্যবহার করা হয়েছে। 0,1,2,3,4,5,6,7,8,9 এবং A,B,C,D,E,F যার ভিত্তি সংখ্যা 16।
এই সংখ্যা পদ্ধতির মাধ্যমে কম্পিউটারে বাইনারি সিস্টেমের বড় আকারের স্ট্রিংগুলি কমাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ: 8C3 16 , 4F 16 , 6D5B 16 হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে সংখ্যার কিছু উদাহরণ।
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার উদাহরণ:
90A5C = 9 × 16 4 + 0 × 16 3 + A × 16 2 + 5 × 16 1 + C × 16 0 = 9 × 16 4 + 0 × 16 3 + 10 × 16 2 + 5 × 16 1 + 12 × 16 0
২. নন-পজিশনাল বা অস্থানিক সংখ্যা পদ্ধতি
যে সংখ্যা পদ্ধতিতে সংখ্যার কোন স্থানীয় মান নেই। এবং অবস্থানের ভিক্তিতে ঐ সংখ্যার মানের কোন পরিবর্তন হয়না তাকে নন-পজিশনাল সংখ্যা বলে।
উদাহরণ হিসাবে,নন-পজিশনাল সংখ্যা যেমন i=5 ধরা হলে, এখানে i হচ্ছে নন পজিশনাল সংখ্যা। অর্থাৎ i এর মান সব জায়গায় একই থাকবে যেখানেই ব্যবহার করা হোক না কেন।
ধরুন x = ৪৫৫ অর্থাৎ আপনি x কে যেখানেই ব্যবহার করুন সমস্ত জায়গায় একই থাকবে।
নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি আবার ৪ প্রকার, যা হলো :
i.Roman numbers
ii.Excess-3
iii.Cyclic Code
iv.Gray Code
23/08/2022
🎤ক্লাউড কম্পিউটিং
ক্লাউড কম্পিউটিং হল একটি ইন্টারনেট সেবা, যা কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের কম্পিউটিং এর চাহিদাকে পূরণ করে। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা কম সময়ে অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন অনলাইন কম্পিউটিং সেবা প্রদান করে থাকে।
ক্লাউড কম্পিউটিং হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন সেবা প্রদান করা। এই সেবাসমূহের মধ্যে ডেটা স্টোরেজ, সার্ভার, ডাটাবেস, নেটওয়ার্কিং এবং সফ্টওয়্যারের মতো সরঞ্জাম এবং অ্যাপ্লিকেশন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ক্লাউড কম্পিউটিং কী? এর প্রকার ও ব্যবহার, azhar bd academy
অর্থাৎ, কম্পিউটার ও ডেটা স্টোরেজ সহজে ক্রেতার সুবিধামত, চাহিবামাত্র এবং ব্যবহার অনুযায়ী ভাড়া দেওয়ার সিস্টেমই হলাে ক্লাউড কম্পিউটিং।
ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার মাধ্যমে ব্যবহারকারী দূর থেকে ক্লাউড বা ভার্চুয়াল স্পেসে তথ্য অ্যাক্সেস করতে পারে। ক্লাউড পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলো ব্যবহারকারীদের ফাইল এবং অ্যাপ্লিকেশনগুলো রিমোট সার্ভারে সংরক্ষণ করে। এর মানে ব্যবহারকারীকে এটিতে অ্যাক্সেস পাওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট জায়গায় থাকার প্রয়োজন নেই, ব্যবহারকারী ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূর থেকে বা যেকোন স্থানে বসে তার ডেটা এক্সেস করার অনুমতি পায়।
যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) এর মতে, ক্লাউড কম্পিউটিং হলাে ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসাের্স করার এমন একটি মডেল, যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে।
১. রিসাের্স স্কেলেবিলিটি: ছােট বা বড় যাই হােক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানাে হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবাদাতা ততােই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।
২. অন-ডিমান্ড: ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা নিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।
৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গাে: এটি একটি পেমেন্ট মডেল পদ্ধতি। এর মানে হচ্ছে ক্রেতাকে আগে থেকে কোনাে সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।
ক্লাউড কম্পিউটিং কত প্রকার
ক্লাউড কমপিউটিং বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যেমন,
পাবলিক ক্লাউড
প্রাইভেট ক্লাউড
কমুনিটি ক্লাউড
হাইব্রিড ক্লাউড
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সার্ভিস কয়টি
সেবার ধরণ (Service Model) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর সার্ভিস ৩ প্রকার। যথা-
১. অবকাঠামােগত সেবা (Infrastructure as a Service-laaS)
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (Platform as a Services-PaaS)
৩. সফটওয়্যার সেবা (Software application as a Service-SaaS)
১. অবকাঠামােগত সেবা
ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক
কম্পিউটিং রিসাের্স ভাড়া দেয়, যেখানে ব্যবহারকারী তার প্রয়ােজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও
সফটওয়্যার চালাতে পারেন।
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা
ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়ােজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম,
ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রােগ্রাম এক্সিকিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। অ্যাপ্লিকেশন
ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফটওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
৩. সফটওয়্যার সেবা
ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারে।
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধা
যে কোনাে স্থান থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আপলােড এবং ডাউনলােড করা যায়।
স্বয়ংক্রিয়ভাবে সফটওয়্যার আপডেট করা হয়।
অপারেটিং খরচ তুলনামূলকভাবে কম।
নিজস্ব কোন হার্ডওয়্যারের প্রয়ােজন হয় না।
যে কোনাে ছােট বড় হার্ডওয়্যারের মধ্য দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে।
তথ্য কীভাবে সংরক্ষিত হবে বা প্রসেস হবে তা জানার প্রয়ােজন হয় না।
সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা যায়Moo
ক্লাউড কম্পিউটিং এর অসুবিধা
ক্লাউডে তথ্যের গােপনীয়তা ভঙ্গের সম্ভাবনা থাকে।
তথ্য পাল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
ডেটা, তথ্য, প্রােগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশনের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকে না।
একবার ক্লাউডে তথ্য পাঠিয়ে দেওয়ার পর তা কোথায় সংরক্ষণ হচ্ছে বা কিভাবে প্রসেস হচ্ছে তা ব্যবহারকারীদের জানার উপায় থাকে না।
ক্লাউড কম্পিউটিং এর জনপ্রিয় কিছু অ্যাপ্লিকেশন ও সার্ভিস
Dropbox
One Drive
mozy
Dropbox
Outright
Quickbooks
Google Drive
Evernote
Moo
22/08/2022
শুক্র-শনিবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ - দৈনিকশিক্ষা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে শুক্রবার ও শনিবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ...
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Telephone
Address
College Road
Gopalganj
8101