Department of Pharmacy,BSMRSTU

Department of Pharmacy,BSMRSTU

Share

This is the official page of Department of Pharmacy of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman Sc

This is the official page of Department of Pharmacy of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman Science And Technology University. The Department of Pharmacy began its journey in Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman Science And Technology University(BSMRSTU) in 2013.The Department offers 4-years Bachelor of Pharmacy (Hons) program. To be graduate in this field one has to complete 160 credit hours. Department of Pharmacy under the Faculty of LIFE SCIENCE in BSMRSTU.

07/05/2026

"শোক বার্তা"
অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, ফার্মেসি বিভাগের সভাপতি ডঃ মোঃ তরিকুল ইসলাম, স্যারের "মমতাময়ী মা" আজ ০৭ ই মে সকাল ০৪.০০ ঘটিকায় (আনুমানিক) অসুস্থ জনিত কারণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন, ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন।
ফার্মা পরিবারের আমরা সবাই গভীরভাবে শোকাহত। দোয়া করি মহান আল্লাহতালার নিকট তিনি যেন স্যারের মায়ের জীবনের যাবতীয় ছোট বড় গুনাহ ক্ষমা করে দেন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন। আমিন! শোকাহত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

Photos from Department of Pharmacy,BSMRSTU's post 11/10/2025

আন্তবিভাগ ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ফার্মেসি বিভাগের জার্সির ডিজাইন করেছে আমাদের নওরোজ। সবাই মতামত দিন আপনার পছন্দ কোন্টি?

24/09/2025

"বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস ২০২৫ উপলক্ষে বাংলাদেশি ফার্মাসিস্টদের অধিকার, করণীয় ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা"

#ভূমিকা

প্রতি বছর ২৫ সেপ্টেম্বর বিশ্বব্যাপী “World Pharmacists Day” উদযাপিত হয়। আন্তর্জাতিক ফার্মাসিউটিক্যাল ফেডারেশন (FIP) ২০০৯ সালে এই দিবসের সূচনা করে। এ দিবসের উদ্দেশ্য হলো স্বাস্থ্যসেবায় ফার্মাসিস্টদের অপরিহার্য অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং বিশ্বজুড়ে ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস ২০২৫ একটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে, কারণ দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা এখনও নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যে রয়েছে এবং ফার্মাসিস্টদের যথাযথ স্বীকৃতি ও অধিকার নিশ্চিত হয়নি।

#ফার্মাসিস্টদের বর্তমান অবস্থা

বাংলাদেশে বর্তমানে ১৩টি সরকারি এবং প্রায় ৩০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসি শিক্ষা প্রদান করা হয়। প্রতিবছর প্রায় ১,৫০০ নতুন গ্র্যাজুয়েট ফার্মাসিস্ট বের হলেও কর্মসংস্থান সীমিত হওয়ায় এদের অনেকেই বেকার থাকেন।
ফার্মেসি কাউন্সিল অব বাংলাদেশ (PCB) ২০২৫ সালের শুরুতে প্রায় ২ লাখ নিবন্ধিত ফার্মাসিস্ট এর তথ্য প্রকাশ করেছে। তবে এদের মধ্যে অধিকাংশই ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফার্মেসি-তে সীমাবদ্ধ। হাসপাতাল ও ক্লিনিক্যাল ফার্মেসিতে ফার্মাসিস্টদের অংশগ্রহণ এখনো অপ্রতুল।

#স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ফার্মাসিস্টদের অনুপস্থিতি

বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে ফার্মাসিস্ট নিয়োগ নেই বললেই চলে। এর ফলে রোগীরা সঠিক ড্রাগ কাউন্সেলিং, ডোজ ম্যানেজমেন্ট এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পর্যবেক্ষণ থেকে বঞ্চিত হন। চিকিৎসক ও নার্সদের পাশাপাশি ফার্মাসিস্টদের অন্তর্ভুক্তি হলে ওষুধ ব্যবস্থাপনার মান উন্নত হতো।
অন্যদিকে, উন্নত দেশগুলোতে হাসপাতাল ফার্মেসি একটি স্বাভাবিক কাঠামোর অংশ, যেখানে ফার্মাসিস্টরা চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন যাচাই করেন, রোগীদের ওষুধ সম্পর্কে শিক্ষা দেন এবং নিরাপদ চিকিৎসা নিশ্চিত করেন।

#বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্পে ফার্মাসিস্টদের অবদান

বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্প বর্তমানে ৩.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের বাজারে পরিণত হয়েছে। দেশের অভ্যন্তরীণ ওষুধ চাহিদার ৯৮% এখন স্থানীয়ভাবে পূরণ হয় এবং ১৮০+ দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
এখানে ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—

১.ওষুধ গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D)
২.মান নিয়ন্ত্রণ ও নিশ্চয়তা (QC & QA)
৩.উৎপাদন পরিকল্পনা ও সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট
৪.রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স ও আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন
৫.নতুন ফার্মাসিউটিক্যাল প্রযুক্তি প্রয়োগ

#জনস্বাস্থ্য সচেতনতায় ফার্মাসিস্টদের ভূমিকা

বাংলাদেশে ওষুধের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার একটি বড় সমস্যা। অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ফার্মাসিস্টরা যদি জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন, কমিউনিটি ফার্মেসি কাউন্সেলিং এবং টিকাদান কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন, তবে জনস্বাস্থ্য অনেকাংশে সুরক্ষিত হবে।

#চ্যালেঞ্জ ও বাস্তবতা

১. দেশে সরকারি হাসপাতালগুলোতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ফার্মাসিস্ট নেই।
২. অধিকাংশ ফার্মাসিস্ট শিল্প খাতে সীমাবদ্ধ, ফলে রোগীরা সরাসরি সেবা থেকে বঞ্চিত।
৩. ফার্মাসিস্টদের জন্য কোনো স্বতন্ত্র ক্যাডার সেবা নেই।
৪. PCB-এর নিবন্ধন সত্ত্বেও চাকরির সুযোগ সীমিত।
৫. নকল ও নিম্নমানের ওষুধ বাজারে সহজলভ্য, তবুও ফার্মাসিস্টদের নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা সীমিত।
৬. ফার্মাসি গ্র্যাজুয়েটদের প্রায় ৩০-৪০% উপযুক্ত কর্মসংস্থানের অভাবে পেশার বাইরের কাজে যুক্ত হতে বাধ্য হন।

#করণীয়

১. হাসপাতাল ফার্মেসি চালু করা – প্রতিটি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে অন্তত একজন ফার্মাসিস্ট নিয়োগ নিশ্চিত করা।
২. ক্যাডার সেবা চালু করা – সরকারি চাকরিতে ফার্মাসিস্টদের জন্য একটি আলাদা ক্যাডার চালুর দাবি জোরদার করা।
৩. কমিউনিটি ফার্মেসি উন্নয়ন – প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রশিক্ষিত ফার্মাসিস্ট দ্বারা পরিচালিত ফার্মেসি স্থাপন।
৪. গবেষণা ও উদ্ভাবনে বিনিয়োগ – বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের যৌথ উদ্যোগে নতুন ওষুধ উদ্ভাবন ও গবেষণা বৃদ্ধি।
৫. ডিজিটাল হেলথ প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণ – ই-প্রেসক্রিপশন, টেলিমেডিসিন ও AI-ভিত্তিক ওষুধ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থায় ফার্মাসিস্টদের অন্তর্ভুক্তি।

#ভবিষ্যৎ দৃষ্টিভঙ্গি

বাংলাদেশে ফার্মাসিস্টদের মর্যাদা ও কার্যক্রম যদি বিশ্বমানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা যায়, তবে স্বাস্থ্যব্যবস্থা আরও উন্নত হবে। ফার্মাসিস্টরা কেবল শিল্পে সীমাবদ্ধ না থেকে সরাসরি রোগীসেবা, স্বাস্থ্যনীতি ও জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় ভূমিকা রাখবেন।
ভবিষ্যতে ফার্মাসিস্টদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি সফলভাবে বাস্তবায়িত হবে না।

#উপসংহার

বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস ২০২৫ কেবল উদযাপনের দিন নয়; এটি একটি আন্দোলনের দিন। এ দিন ফার্মাসিস্টরা প্রতিজ্ঞা করবেন—

১.পেশার মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার।
২.রোগীদের নিরাপদ চিকিৎসা নিশ্চিত করার।
৩.গবেষণা, উদ্ভাবন ও জনস্বাস্থ্য সচেতনতায় সক্রিয় ভূমিকা রাখার।

বাংলাদেশে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে ফার্মাসিস্টদের অংশগ্রহণ অপরিহার্য। যদি সরকার, নীতিনির্ধারক এবং ফার্মাসিস্টরা একসাথে কাজ করেন, তবে “Think Health, Think Pharmacist” প্রতিপাদ্য বাস্তবে রূপ নেবে এবং বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাত আরও টেকসই ও বিশ্বমানের হয়ে উঠবে।

আবুল বাশার রিপন খলিফা
সহযোগী অধ্যাপক
ফার্মেসি বিভাগ
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

29/08/2025

To whom it may concern...

21/06/2025

টাকা একটি কানেক্টিভ টিসুর মতো। এটি যেমন মানুষের শরীরে চলাচলকারী রক্তের মতো জীবন প্রবাহ বজায় রাখে, তেমনি অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় টাকার প্রবাহ যতক্ষণ সক্রিয় থাকে, ততক্ষণ সবকিছু সজীব ও কার্যকর থাকে। আমাদের শরীরের প্রত্যেকটি কোষ যেমন রক্তের মাধ্যমে শক্তি পায়, ঠিক তেমনই একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগ সচল থাকে অর্থনৈতিক সহায়তা ও প্রযুক্তিগত হালনাগাদের মাধ্যমে। গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগ একটি সম্ভাবনাময় শিক্ষাকেন্দ্র, যেখানে দক্ষ জনশক্তি তৈরি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এ বিভাগের যন্ত্রপাতিগুলোর অধিকাংশই বহু বছর ধরে অব্যবহৃত পড়ে আছে, অনেক সময় ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে গেছে। অর্থাভাবে যন্ত্রপাতির রক্ষণাবেক্ষণ বা আধুনিকায়ন হয়নি। ফলে গবেষণা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা গড়ে উঠছে না।

একবিংশ শতাব্দীতে ফার্মেসির জগতে প্রযুক্তির যে বিপ্লব ঘটেছে, সেখানে ইন-সিলিকো ড্রাগ ডিজাইন, মলিকুলার ডকিং, হাই থ্রুপুট স্ক্রিনিং প্রভৃতি অত্যাধুনিক পদ্ধতিগুলো ব্যবহারের জন্য নির্ভরযোগ্য কম্পিউটার, সফটওয়্যার এবং গবেষণাগার থাকা আবশ্যক। অথচ আমাদের বিভাগের অবস্থা এমন যে, আজও অনেক গবেষণাকাজ হাতে কলমে বা থিসিস নির্ভরভাবে কেবল নোট আকারে সীমাবদ্ধ। শিক্ষকদের আন্তরিকতা আর ছাত্রদের মেধা থাকা সত্ত্বেও অবকাঠামোগত দুর্বলতা এবং টেকনিক্যাল সাপোর্টের অভাবে আমরা একপ্রকার বাধ্য হচ্ছি পিছিয়ে পড়তে। বিভাগের গবেষণার জন্য নেই আলাদা বাজেট, নেই যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতা। এমনকি পরীক্ষাগারে ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিক পদার্থ কিংবা গ্লাসওয়্যার পর্যন্ত স্বল্প পরিসরে পাওয়া যায়।

একটি বিভাগের প্রাণশক্তি হলো তার গবেষণা ও উদ্ভাবনক্ষমতা। আমাদের বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত নিত্যনতুন আইডিয়া উপস্থাপন করে, কিন্তু প্ল্যাটফর্ম ও প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থনের অভাবে তা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়। যদি টেকসই অর্থনৈতিক সহায়তা পাওয়া যেত, তাহলে গবেষণার মাধ্যমে আমরা ওষুধ শিল্পে বড় পরিবর্তন আনতে পারতাম। টাকার সঠিক ব্যবহার ও বাজেট বরাদ্দের মাধ্যমে যন্ত্রপাতি হালনাগাদ, ল্যাবরেটরি আধুনিকায়ন, সফটওয়্যার লাইসেন্স সংগ্রহ, এবং আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার মতো উদ্যোগ গ্রহণ সম্ভব হতো। শুধু ইন্ডাস্ট্রিয়াল লিংকের অভাবেই আমাদের শিক্ষার্থীরা বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, যা পরবর্তীতে চাকরির বাজারে তাদের প্রতিযোগিতা ক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে।

বর্তমান বিশ্বে ফার্মেসি কেবলমাত্র ওষুধ প্রস্তুতিই নয়, বরং রোগ নির্ণয়, ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল, ফার্মাকোভিজিল্যান্স, পেশেন্ট কেয়ার ইত্যাদির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এইসব আধুনিক শাখাগুলোর সাথে তাল মেলাতে হলে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগকে উন্নয়ন করতে হবে। অধ্যয়ন ও গবেষণার পরিবেশ তৈরিতে চাই সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং প্রাইভেট সেক্টরের যৌথ অংশগ্রহণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের উচিত এই বিভাগকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে গ্রহণ করে গবেষণায় ফান্ড বরাদ্দ দেওয়া, যাতে ভবিষ্যতে এটি একটি সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে পরিণত হয়।

উল্লেখ্য, দেশের যেসব আন্তর্জাতিকমানের ওষুধ কোম্পানি রয়েছে, যেমন স্কয়ার, বেক্সিমকো, ইবনেসিনা, ইনসেপ্টা— তারা চাইলে একাডেমিক-ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্টনারশিপের মাধ্যমে এই বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ ও ইন্টার্নশিপের সুযোগ করে দিতে পারে। এই ধরনের যৌথ উদ্যোগে নতুন প্রযুক্তি ও গবেষণার প্রবাহ শুরু হবে, এবং বিভাগটির মান বৃদ্ধি পাবে। এ ছাড়া বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে MoU স্বাক্ষরের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক এক্সচেঞ্জ, গবেষণাপত্র প্রকাশ ও স্কলারশিপ পাওয়ার সুযোগ তৈরি করা যেতে পারে।

একটি কথাই সত্য— টাকা যন্ত্র নয়, কিন্তু টাকার অনুপস্থিতি যন্ত্রকে অকেজো করে দেয়। একবিংশ শতাব্দীর ফার্মেসি বিভাগ মানে কেবল বই-পুস্তক নির্ভর শিক্ষা নয়; বরং এটি একটি গবেষণাগার, একটি হাসপাতালের বর্ধিত অংশ, একটি উৎপাদনশীল গবেষণা কেন্দ্র। অতএব এ বিভাগে বিনিয়োগ মানে জাতির স্বাস্থ্যখাতে বিনিয়োগ। স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন মানে জাতির উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, এমনকি মানবসম্পদ রপ্তানির ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করা।

অতএব, বিভাগীয় পরিকল্পনায় টাকা যেন রক্তের মতোই অবিরাম প্রবাহিত হয়। যেমন রক্ত বন্ধ হলে হৃদযন্ত্র থেমে যায়, তেমনি অর্থ না থাকলে বিভাগটিও স্থবির হয়ে পড়ে। আমাদের উচিত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক পর্যায় থেকে শুরু করে জাতীয় বাজেট প্রণয়ন পর্যায় পর্যন্ত ফার্মেসি শিক্ষার গুরুত্ব বোঝানো। শুধুমাত্র কাগজে-কলমে নয়, বরং বাস্তবায়নে বরাদ্দ দিতে হবে প্রকৃত অর্থ ও নীতিগত সমর্থন।

পরিশেষে বলা যায়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগ যদি সময়োপযোগীভাবে আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা পায়, তাহলে এটি ইনশাল্লাহ দেশের অন্যতম ফার্মাসিউটিক্যাল গবেষণা কেন্দ্র হয়ে উঠবে। এই বিভাগের সাফল্য শুধু একটি ইউনিটের উন্নয়ন নয়, বরং গোটা জাতির স্বাস্থ্য-স্বপ্নের বাস্তব রূপায়ন। আর এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের একমাত্র চাবিকাঠি হলো সঠিক সময়ে টাকার প্রবাহ নিশ্চিত করা।

30/05/2025
দেবি শেঠির হাসপাতালে গিয়ে কিভাবে চিকিৎসা করাবেন | খরচ কেমন, কোথায় থাকবেন, কী খাবেন Narayana Hospital 19/06/2024

দেবি শেঠির হাসপাতালে গিয়ে কিভাবে চিকিৎসা করাবেন | খরচ কেমন, কোথায় থাকবেন, কী খাবেন Narayana Hospital আজকের এই ভিডিওতে আমি আপনাদের দেখিয়েছি- ভারতের বেঙ্গালুরে অবস্থিত-দেশটির প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবি শেঠির ...

01/06/2024

প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ, আপনারা সবাই অবগত আছেন যে ফার্মেসী বিভাগের উপর বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল কর্তৃক আরপকৃত যে নিষেধাজ্ঞা ছিল তার সমাধানের জন্য আন্দোলনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদেরকে জমি দেয়া হয়েছিল। উল্লেখ্য থাকে যে, উক্ত জমিতে ডিজাইন এবং অর্থায়নের বিষয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অনেকগুলো মিটিং করেছিলেন। কিন্তু অনেকদিন হয়ে গেলেও কোন প্রকার পদক্ষেপ দেখতে নেওয়া যায়নি। উল্লেখ থাকে যে আমি আমার আপন ভাইয়ের (যিনি পদ্মা ব্রিজের একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এবং কানলা ব্রিজ প্রকল্পের কনস্ট্রাকশন ম্যানেজার ছিলেন) তার মাধ্যমে ডিজাইন টা ফ্রি করে দিয়েছিলাম। সে ডিজাইনের উপর কিছুটা কাটছাঁট করে আমাদের মোট আটটি রুম করে দেওয়ার কথা ছিল। যাহোক বহুদিন অপেক্ষার পর আপনার শুনে খুশি হবেন যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উক্ত ডিজাইনের উপর টেন্ডার ছেড়েছেন এবং টেন্ডার গৃহীত হয়েছে। টাকা বরাদ্দ হয়েছে । ইতিমধ্যে উক্ত কাজের টেন্ডার যারা পেয়েছেন তারা ইট, বালু, সিমেন্ট আনা শুরু করেছেন। অর্থাৎ কাজ শুরু হয়েছে। মনে রাখবেন কোন সম্মিলিত উদ্যোগ কখনো বিফলে যায় না। আর যদি সম্মিলিত উদ্যোগের ভিতরে খন্ড-বিখন্ড হয়ে যায় তাহলে কখনোই কোন কাজ উদ্ধার করা সম্ভব হয় না।

31/03/2024

আসসালামু আলাইকুম,
নিচের নাম এবং আইডিগুলো কি ফার্মেসি বিভাগের। কমেন্ট বক্সে জানালে ভালো হয়।

১। মাহবুবা আক্তার, রোল ২০১৪০১০৯০১১, সেশন ২০১৪-১৫, পাসের সন- ২০১৮।
২। দেবাশিস মন্ডল, রোল ২০১৫১১০৯০১৯, সেশন ২০১৫-১৬, পাসের সন- ২০১৯।

৩। মোঃ নুরুল হক, রোল ২০১২১১০৯০০৪, সেশন ২০১৫-১৬, পাসের সন- ২০১৯।

Want your school to be the top-listed School/college in Gopalganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Website

Address


Gopalganj
8100