MR Khairul Islam

MR Khairul Islam জীবনে কিছু করতে হলে, নিজেই করতে হয়
অন্যের দিকে নজর দিয়ে লাভ নাই 👍

আহহহ😭😭😭 কি দেখলাম😭😭😭 আমার বাংলাদেশ 😭😭😭
15/07/2026

আহহহ😭😭😭 কি দেখলাম😭😭😭
আমার বাংলাদেশ 😭😭😭

23/06/2026
প্রসেসিং চলমান 💝😋
11/06/2026

প্রসেসিং চলমান 💝😋

সেই স্বাদ 😋😋😋
11/06/2026

সেই স্বাদ 😋😋😋

দুষ্টুমি আর শয়তানি এক নয়।আমার মতে - দুষ্টুমি "বুদ্ধিমান বাচ্চাদের কাজ"আর শয়তানি শয়তানের কাজ!👉 একটা গল্প শুনেন! দু’জন মাদ...
01/05/2026

দুষ্টুমি আর শয়তানি এক নয়।

আমার মতে -
দুষ্টুমি "বুদ্ধিমান বাচ্চাদের কাজ"
আর শয়তানি শয়তানের কাজ!

👉 একটা গল্প শুনেন!
দু’জন মাদ্রাসার ছাত্র রাস্তা দিয়ে হাঁটছে আর কথা বলছে...
🧑‍🎓 ১ম ছাত্র: দোস্ত, আমার কাছে ৫ টাকা আছে। চল কিছু খাই!
🧑‍🎓 ২য় ছাত্র: আমার কাছে ৪ টাকা আছে ভাই!
🧑‍🎓 ১ম ছাত্র: তাহলে দুইজনের টাকা মিলাই! ভালো কিছু খাওয়া যাবে!
🧑‍🎓 ২য় ছাত্র: হুম... কিন্তু ৫ + ৪ = ৯ টাকা হয়!
🧑‍🎓 ১ম ছাত্র: আহারে! ১০ টাকা হলে মুড়ি-চানাচুর জমতো! এখন ১ টাকা কোথায় পাই?

😈 এই সবকিছু দূর থেকে পর্যবেক্ষণ করছিল শয়তান!
ভাবলো, “আজকে এদের একটু ধোঁকা দিই!”
মানুষ সেজে সামনে এসে বললো-
😈 শয়তান: আমার কাছে ১ টাকা আছে! আমাকেও তোমাদের সাথে নাও। চল, একসাথে মুড়ি-চানাচুর খাই!
ছাত্র ২জন রাজি হয়ে গেল!

তিনজন মিলে মুড়ি-চানাচুর কিনে বসলো খেতে।
😈 শয়তান মনে মনে হাসতেছে...
“হাহাহা! ১ টাকা দিয়ে ভাগ বসিয়ে দিলাম! এখন আরামে খাবো!”

কিন্তু সে জানতো না...
🎓 মাদ্রাসার ছাত্রদের মাথায় শুধু টুপি না, বুদ্ধিও থাকে!

খেতে বসে দুই ছাত্র কানে কানে কিছু বললো...
তারপর মুচকি হাসি

🧑‍🎓 ১ম ছাত্র: আই হ্যাভ এ প্ল্যান!
থুক্কু... আই হ্যাভ এ কন্ডিশন!
খাবার আগে আমার একটা শর্ত আছে
😈 শয়তান: আবার কী শর্ত?
🧑‍🎓 ১ম ছাত্র: খুব সোজা!
👉 যে ৫ টাকা দিয়েছে, সে ৫ আঙুল দিয়ে খাবে
👉 যে ৪ টাকা দিয়েছে, সে ৪ আঙুল দিয়ে খাবে
👉 আর যে ১ টাকা দিয়েছে...
সে ১ আঙুল দিয়ে খাবে!

শয়তান : Faaaaa....

🍽️ খাওয়া শুরু!
🧑‍🎓 ১ম জন মুঠ ভরে ভরে খাচ্ছে!
🧑‍🎓 ২য় জন ৪ আঙুল দিয়ে চামুচ বানিয়ে চালাচ্ছে!
😈 আর বেচারা শয়তান...
☝️ এক আঙুল দিয়ে মুড়ি তোলার ব্যর্থ চেষ্টা করছে

📌 মোরাল অব দ্য স্টোরি:
মাদ্রাসার ছাত্রদের শুধু কিতাবি জ্ঞানই না, উপস্থিত বুদ্ধি আর মেধাও অসাধারণ!

এডভাইস:
আপনার বাচ্চার দুষ্টুমিকে শয়তানী বলে বাঁধা দিবেন না। মেধাবী বাচ্চারাই দুষ্টুমি বেশি করে থাকে।

ছাত্র জীবনে কোনো এক উস্তাদের মুখ থেকে গল্পটি শুনেছিলাম।

#সংগৃহীত

(উস্তাদদের সাথে বেয়াদবি ও সমালোচনার পরিণতি) بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِশিক্ষক হলেন আলোকিত প্রদীপ, যিনি নিজের ...
29/04/2026

(উস্তাদদের সাথে বেয়াদবি ও সমালোচনার পরিণতি)

بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ

শিক্ষক হলেন আলোকিত প্রদীপ, যিনি নিজের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিলিয়ে দিয়ে অন্যের অন্তরে আলোর সঞ্চার করেন।
যে ছাত্র তার উস্তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা হারিয়ে ফেলে, সে মূলত নিজের ভাগ্য ও ঈমানের আলো নিভিয়ে ফেলে।

হযরত আলী (রাঃ) বলেছেন—

من علّمني حرفاً فهو مولاي، إن شاء باع وإن شاء أعتق
অর্থ: “যে আমাকে একটি অক্ষরও শিক্ষা দিয়েছে, সে আমার উপর অধিকার রাখে—
সে চাইলে আমাকে বিক্রি করবে, চাইলে মুক্ত করবে।”
(ইমাম জারীর তাবারী, বায়হাকী প্রমুখের বর্ণনায় উল্লিখিত)

এই মহান উক্তি থেকেই বোঝা যায়— শিক্ষক শুধু শ্রদ্ধার নয়, বরং এক প্রকার আধ্যাত্মিক পিতা।

শেখ সাদী (রহঃ) বলেছেন—

> “যে ছাত্র উস্তাদদের সমালোচনা করবে, তারা চারটি বিপদে পড়বে—
(১) যা শিখছে সব ভুলে যাবে,
(২) দুনিয়ার রিজিক কমে যাবে,
(৩) যৌবনে মৃত্যু আসবে,
(৪) বেইমান অবস্থায় মৃত্যু হবে।”
(গুলিস্তান / বুস্তান – শেখ সাদী)

হযরত আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত—
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَمْ يُوَقِّرْ كَبِيرَنَا، وَيَرْحَمْ صَغِيرَنَا، وَيَعْرِفْ لِعَالِمِنَا حَقَّهُ
অর্থ: “সে আমাদের দলভুক্ত নয়, যে বয়োজ্যেষ্ঠকে সম্মান করে না, কনিষ্ঠকে দয়া করে না এবং আলেমের অধিকার চিনে না।”
(সুনান আবু দাউদ: ৪৯৪৩, মুসনাদে আহমদ)

ইমাম গাযযালী (রহঃ) বলেন—

যে ছাত্র তার উস্তাদের সাথে বেয়াদবি করে, সে কখনোই বিদ্যার নূর পায় না।
(ইহইয়াউ উলুমুদ্দীন)

তাই, প্রিয় ছাত্রসমূহ!
উস্তাদের প্রতি কটুক্তি, সমালোচনা বা বেয়াদবি করা কোনো সামান্য বিষয় নয়।
এতে জ্ঞানের বরকত চলে যায়, অন্তরে কালিমা পড়ে, এবং দুনিয়া-আখেরাতে ক্ষতির দরজা খুলে যায়।

উপদেশ:
তোমার উস্তাদ তোমার জন্য দোয়ার হাত তোলে,
আর যদি তুমি তার বিপরীতে জিহ্বা তোলো—তবে বুঝে নাও, তুমি নিজের কপাল পোড়াচ্ছো!

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে উস্তাদ, আলেম, মুরব্বী ও অভিভাবকদের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও আনুগত্যের মাধ্যমে দ্বীনী বরকত অর্জনের তাওফীক দান করুন।
আমীন।

শিক্ষকদেরও স্ত্রী আছে তাদেরও দায়িত্ব আছে স্ত্রীর উপর। স্ত্রীর হক্ব আদায় নিজেরও রিফ্রশের প্রয়োজন।জি আমি মাদ্রাসার একজন খা...
28/04/2026

শিক্ষকদেরও স্ত্রী আছে তাদেরও দায়িত্ব আছে স্ত্রীর উপর। স্ত্রীর হক্ব আদায় নিজেরও রিফ্রশের প্রয়োজন।
জি আমি মাদ্রাসার একজন খাদেম (মুহতামিম) বেশ কিছুদিন আগের ঘটনা। হাফেজ সাহেব ছুটি কাটিয়ে এসেছেন ১৫ দিন হলো। একদিন যোহরের পর বলতেছেন হুজুর ২ দিনের জন্য বাড়ীতে যাওয়া প্রয়োজন। বললাম আসলেন কতদিন হলো। লজ্জামাখা চেহারায় বললেন হুজুর ৪ দিনের ছুটি ছিলো তখন স্ত্রী অসুস্থ ছিলো। এখন না গেলে জুলুম হয়ে যাবে আবার বিয়ে করেছি খুব বেশী মাস হয়নি। তখন আমি আর কিছু বলিনি। বললাম হিফজ ছাত্রদের সবক শুনার দায়িত্ব নাজেরার হাফেজ সাহেব ও আরেকজন হাফেজ সাহেবকে দেখতে বইলেন। আল্লাহ ভরসা যান সাবধানে যাবেন পৌঁছে ফোন দিয়েন। আমি খেয়াল রাখবো হিফজখানার দিকে ইনশাআল্লাহ। আবার জিজ্ঞেস করলাম বেতন নিয়েছেন বললো হ্যাঁ। আবার বললাম যদি আরো টাকা লাগে করজ নিয়ে যান আমি অফিসে বলে দেই। হেসে বললেন হুজুর লাগবেনা দোয়া চাই।

আবাসিক শিক্ষক যারা থাকেন এদেরও স্ত্রী আছে। তাদেরও শারিরিক চাহিদা আছে। প্রত্যেক দায়িত্বশীলকে বুঝতে হবে। নিজের যেমন চাহিদা থাকে তদ্রুফ সবার চাহিদা আছে। শিক্ষকেরাও মানুষ তাদেরও স্ত্রীর প্রয়োজন হয় একান্তে সময় কাটানোর জন্য। আবার স্ত্রীরও অধিকার আছে স্বামীকে একান্তে মাঝে মাঝে হলেও পাওয়ার। সব মুহতামিম জালেম নয় সব জালেম মুহতামিম নয়। আমাদের এক উস্তাদ নিলক্ষীর হুজুর ছুল্লামের ঘন্টায় বলতেন হুজুর মানুষ মাদ্রাসায় ৩ দিনের ছুটি পেয়ে বাড়ীতে গেছে। গিয়ে দেখে বউয়ের চলে হরতাল এদিক দিয়ে ছুটিও শেষ বাকি চাহিদাও সব শেষ.....। আজ হুজুরের কথাটি মনে পড়লো মনে মনে হাসলাম আর ছুটি দিয়ে দিলাম।

কয়েকদিন আগে মাদরাসার এক বিভাগের হুজুর এসে বললেন, হুজুর কয়েক সপ্তাহ আমাকে সপ্তাহে সপ্তাহে ছুটি দিলে উপকার হবে। বললাম কেনো? বললেন আমার স্ত্রী কন্সেভ করেছিলো কিন্তু নষ্ট হয়ে গেছে। আমাদের সন্তান নেই, তাই এখন বার বার গেলে রব চাইলে আবার কন্সিভ হইতে পারে। বললাম ঠিক আছে। সোজা কথা হল আমরা দায়িত্বশীল যারা আছি সবার সুখ দুখ বুঝতে হবে। আলহামদুলিল্লাহ এমন আন্তরিকতার শত শত কারগুজারী আছে আমার।

#সংগৃহীত

এক মাদরাসার মুহতামিম সাহেব সহকারি এক শিক্ষককে জিজ্ঞেস করলেন, বহু চেষ্টা করেও মাদরাসার পড়ালেখার মানোন্নয়ন করা যাচ্ছে না...
27/04/2026

এক মাদরাসার মুহতামিম সাহেব সহকারি এক শিক্ষককে জিজ্ঞেস করলেন, বহু চেষ্টা করেও মাদরাসার পড়ালেখার মানোন্নয়ন করা যাচ্ছে না কেন? উত্তরে তিনি বললেন, আদবের অভাবে।
তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কীভাবে?
বললেন, আদব অর্থ হল, وضع الشئ فى محله
অর্থাৎ বিষয়কে স্ব স্ব স্থানে ফিট করা, প্রত্যেককে স্ব স্ব মর্যাদা দান করা।
অর্থাৎ ক) এখন যদি অযোগ্য উস্তাদদের কে বেশি সম্মান দেওয়া হয় বা তাদের সাথে বেশি মাখামাখি করা হয় তাহলে وضع الشي في غير محله হলো।
খ ) আপনার মাদরাসায় যদি মেধাবী, মুয়াদ্দাব ও পরিশ্রমী ছাত্রদের মর্যাদা অপদার্থ ছাত্রদের সমান হয়, তাহলে এটা وضع الشئ فى غير محله হল!
বললেন, পরিত্রাণের উপায় কি? উত্তর তিনি বললেন, দুটি কাজ করুন:
১- ক) যোগ্য উস্তাদদের কে সম্মান করুন।
খ) তাদের কে যথাযথ স্থানে ফিট করুন।
২-ক) মাদরাসার ভবঘুরে ও দুশ্চরিত্র ছাত্রদেরকে নির্দিষ্ট মেয়াদে ভালো না হলে বহিস্কার করুন।
খ) মেধাবী, মুয়াদ্দাব ও পরিশ্রমী ছাত্রদের জন্য মাসিক বৃত্তির ব্যবস্থা করুন।

মাশওয়ারা গ্রহণ করেছিলেন, তিন মাসের মধ্যেই পরিবর্তন এসেছিল আলহামদুলিল্লাহ।

বিষয়টি এ জন্যই বললাম, দেখেছি অনেক উস্তাদ নিজেদের দূর্বলতা থাকার কারণে তারা মুহতামিম সাহেবের সাথে বেশি মাখামাখি করে। আবার বহু ছাত্র দেখছি, মা-বাবার কাছ থেকে প্রয়োজনের চেয়েও বহু সুবিধা পায় কিন্তু পড়ালেখা ও শৃঙ্খলার ধারেকাছেও থাকেনা।
বরং এদের দ্বারা অন্য ছাত্ররাও নষ্ট হয়ে যায়।
পক্ষান্তরে এমন অনেক তালেবে ইলম আছে, ইলম, আদব ও পরিশ্রমে যারা অতুলনীয়; কিন্তু ঠিকমতো পড়ালেখার খরচ বহন করতে পারে না।
এমনকি খবর নিয়ে দেখেছি, সপ্তাহের পর সপ্তাহ নাস্তা করতে পারেনি; কেবল পান্তাভাত খেয়ে কাটিয়েছে।
পরীক্ষা বা কোন বড় খরচ আসলে পেরেশানীতে দগ্ধ হয়ে পড়ে কিন্তু মুখে কৃত্রিম হাসি ফুটিয়ে রাখে।
يحسبهم الجاهل أغنياء من التعفف
এমন ছাত্রদের দ্বারাই তো মাদরাসা টিকে থাকে-
তাদের সন্ধান নিয়ে মাসিক বৃত্তির ব্যবস্থা করলে সমস্যা কী?
বিষয়টি খেয়াল রাখা খুব জরুরী।

Address

Miyapara Gopalgonj
Gopalganj
8100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MR Khairul Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category