Habibullah Aiub

Habibullah Aiub

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Habibullah Aiub, Education, Gopalganj.

19/07/2025

শুভ সকাল

17/07/2025

এখন থেকে আমি পেজেই বেশি সময় থাকি সবাই আমার পেজটাকে ফলো করেন বিশেষ করে আমার পরিচিত যারা আছেন

29/06/2025

স্ত্রীর মন—যে জায়গাটাতে যত্ন নয়, সবচেয়ে বেশি অবহেলা হয়:

একজন পুরুষ জীবনের অনেক কিছু গুছিয়ে রাখে। সংসার চালায়, দায়িত্ব নেয়, কাজ করে, বিল মেটায়—সবই ঠিকঠাক থাকে। কিন্তু যে জায়গাটাতে তার সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দেওয়া উচিত, সবচেয়ে বেশি যত্ন দেখানো দরকার, সেটা অনেক সময় অবহেলার ছায়ায় ঢেকে যায়।
সেই জায়গাটা হলো—তার স্ত্রীর মন।

একটা মেয়ে যখন কাউকে ভালোবেসে নিজের জীবন সঁপে দেয়, সে শুধু একটা ছাদ চায় না। সে চায় ভালোবাসার ছায়া, বোঝার কোমলতা, অনুভবের সঙ্গ।
সে চায়, কেউ তাকে মন দিয়ে শুনুক। তার না বলা কথাগুলো পড়তে শিখুক। ক্লান্ত দুপুরগুলোতে কেউ বলুক, "তুমি কেমন আছো?" — এটুকু স্নেহই অনেক মেয়ের কাছে বিশ্রামের মতো।

কিন্তু বাস্তবতা বড় কঠিন।
কিছু না বললেই বুঝে নেওয়ার কথা বলা হয়, অথচ কেউ বোঝে না।
দুঃখের কথা বললে বলা হয়, “তুমি অতিরিক্ত ভাবো”, “সবসময় অভিযোগ করো”।
আর এইরকম দিনে দিনে স্ত্রী নিঃশব্দ হয়ে যায়।
সে আর প্রশ্ন করে না, অভিযোগ তো দূরের কথা—দেখে না, বলে না, শুধু চুপ থাকে। কারণ সে জানে, তার অনুভূতির দাম নেই এখানে।

এই নীরবতা থেকেই জন্ম নেয় ভিতরগত এক ভাঙন, যা অনেক সংসারে টেরও পাওয়া যায় না—তবু প্রতিদিন একটু একটু করে মরে যায় সম্পর্ক।
একটা সংসার টিকে থাকে শুধু খরচ চালিয়ে নয়, টিকে থাকে ভালোবাসা দিয়ে, বোঝাপড়া দিয়ে, একে অপরের অনুভবকে গুরুত্ব দিয়ে।

একজন স্ত্রী কি চায়?
সে চায়, তার কষ্টগুলো কেউ নিজের মতো করে বুঝে নিক।
সে চায়, তার হাসিমুখের পেছনের ক্লান্তিটা কেউ খেয়াল করুক।
সে চায়, যখন সে ভেঙে পড়ে তখন কেউ তাকে বলে, "আমি আছি।"

একটা মেয়ে যখন সংসার করে, সে রান্না বা কাপড় ধোয়ার জন্য করে না—সে করে ভালোবাসা দিয়ে। কিন্তু যদি সেই ভালোবাসার কোনো প্রতিধ্বনি না থাকে, তাহলে একটা সময় সে শূন্য হয়ে পড়ে।
তখন সে শুধু কাজ করে যায়—ভিতরে কিছুই থাকে না।
এই অবস্থাটাই সবচেয়ে ভয়ংকর, কারণ তখন সে আর কিছু আশা করে না।

তাহলে কী করণীয়?

পুরুষের কাছে সব সমাধান টাকা নয়, সিদ্ধান্ত নয়।
একটু সময় দিন, একটু মনোযোগ দিন।
চোখে চোখ রেখে জিজ্ঞেস করুন, "তুমি সত্যিই ভালো আছো তো?"
তার ছোট ছোট কাজগুলোকে কৃতজ্ঞতা দিয়ে মূল্য দিন।
আর যেকোনো তুলনা এড়িয়ে চলুন—স্ত্রী আপনার সঙ্গী, প্রতিযোগী নয়।

অনেক সময় পুরুষরা ভাবে, “আমি তো সব দায়িত্ব পালন করছি!”
হ্যাঁ, দিচ্ছেন। কিন্তু দায়িত্ব পালন আর হৃদয় বোঝা এক জিনিস নয়।
স্ত্রীর মনটা নিছক দায়িত্বের জায়গা নয়—ওটা যত্নের, মমতার জায়গা।

একজন স্ত্রী যখন অনুভব করে যে, তার মনটাকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়—সে নিজের সমস্তটা দিয়ে পরিবারকে আঁকড়ে ধরে রাখে।
আর যদি সেই মনটাই ভেঙে পড়ে, তবে সংসারের ভিতরে ভিতরে এক অদৃশ্য অন্ধকার জন্ম নেয়।

শেষ কথায় শুধু এটুকু বলা যায়:
একজন পুরুষ যদি একটিবার স্ত্রীর চোখে গভীরভাবে তাকায়, তাহলে সে বুঝবে—সেই চোখে লুকিয়ে আছে অনেক প্রশ্ন, অনেক আশা, আর ভীষণরকম এক ভালোবাসা।
যেটা শুধু একটু যত্ন, একটু বোঝার অপেক্ষায় থাকে… প্রতিদিন💔💔

29/06/2025

পুরুষরা যেই জায়গাটাতে সবচেয়ে বেশি যত্নে থাকে, সেই জায়গাটাকেই আগে ধ্বংস করে। আর সেটা হচ্ছে তার নিজের স্ত্রীর মন।
একটা তীব্র, তীক্ষ্ণ সত্য। যে সত্যটা অজস্র সংসারের গোপন কান্না। সমাজ যেটা দেখে না, শুনে না, কিন্তু প্রতিদিন একটা একটা করে ভেঙে যায় অগণিত নারীর ভেতরটা।

সংসার চালানো আর মন বোঝা এক জিনিস না।

সংসার চালানো মানে শুধু বাজার করা, বিল দেয়া নয়।
একটা মেয়ের ভেতরের ক্লান্তি, অব্যক্ত কথা, মনের খাঁজে জমে থাকা হতাশাগুলো বুঝে ফেলা — সেটাই প্রকৃত যত্ন।

যুগ বদলেছে, মানুষ বদলেছে, চাওয়া-পাওয়াগুলোও বদলেছে।

একটা স্ত্রীকে শুধুই দায়িত্ব পালনের মেশিন মনে করলে, তার মন একদিন ধ্বংস হবেই।
শুধু বেঁচে থাকলেই তো বেঁচে থাকা হয় না।

স্ত্রীর মনটা হচ্ছে শিশুর মতো
একটা মেয়ে যখন কাউকে ভালোবেসে জীবন দেয়, তখন সে শুধু সংসার করতে চায় না — সে চায় পাশে থেকে বোঝা হোক, তার দুর্বলতাগুলো আলিঙ্গন করা হোক, আর তার কষ্টগুলো ভাগ করে নেওয়া হোক।

কিন্তু কষ্টের কথা বললেই যদি তাকে বলা হয় “তুমি ড্রামা করো”, “তুমি অতিসেন্সিটিভ”, “তুমি বোঝো না”— তখন ধীরে ধীরে সে নিঃশব্দ হয়ে যায়।

কি করা উচিত?
• শুনুন, বোঝার চেষ্টা করুন: স্ত্রী কাঁদছে মানে সে শুধু কাঁদছে না, তার একটা মন আছে যা হয়তো বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছে।
• তুলনা বন্ধ করুন: নিজের মা, বোন, বা অন্য কারো সাথে স্ত্রীকে তুলনা করা মানে তাকে অপমান করা।
• সময় দিন: ফোনের স্ক্রিনে চোখ রেখে নয়, তার চোখের ভাষা পড়ার চেষ্টা করুন।
• স্বীকৃতি দিন: ছোট ছোট কৃতজ্ঞতাগুলো বলুন — “তুমি যা করো, তা আমি দেখি”, “তোমার জন্যই আমার দিনটা সহজ হয়”।

সবচেয়ে মজবুত সম্পর্কগুলো ধ্বংস হয় ‘নিরব অবহেলা’ দিয়ে।
পুরুষেরা সত্যিই যত্ন করে, কিন্তু সেই যত্ন যদি বোঝার অভাবে আঘাত হয়ে যায়, তবে স্ত্রী নামের নারীর মনটা সবচেয়ে বড় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।

জানি না সবাই বুঝবে কিনা, কিন্তু একজন স্বামী যদি একটিবার স্ত্রীর চোখে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে — সে বুঝবে, কতটা মনোযোগ আর মমতা চেয়েছিল সেই মনটা, যেটাকে সে নিজের ভাবত।

আপনাদের জীবনের এমন কোন ঘটনা কি আছে? আপনি কি সেই স্ত্রীর জায়গায় ছিলেন? নাকি স্বামী হিসেবে এখন কিছুটা অনুশোচনায় ভুগছেন?

কমেন্টে জানাতে পারেন। কথা বললে বোঝা ভাগ হয়।
মনটাই তো শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে প্রিয় থাকার জায়গা হওয়া উচিত।👍👍💞

28/06/2025

👉দুনিয়াতে এমন অনেক মানুষের সাথে আপনার দেখা হবে যাদের সাথে জীবনে আর দ্বিতীয়বার সাক্ষাৎ হবে না।
সুতরাং চেষ্টা করবেন প্রতিটা সাক্ষাতে মুগ্ধতা রেখে আসার।

28/06/2025

নারী হচ্ছে মায়াবতী! মায়ের আরেক রুপ। তাঁদের সাথে রাগান্বিত গলায় না কোমল ভাবে কথা বলতে হয়।নারী যদি একশোটা ভুল করে নিরানব্বই টা ভুল ক্ষমা করে একটা ভুলের বিচার করতে হয়।নারীদের সাথে কোমল আচরণ করতে হয়।নারী হচ্ছে কাঁচের গ্লাসের মতো একটু জোরে ফেললে ভেঙে যায় আর আস্তে সাবধানে রাখলে পরিপূর্ণ রয়ে যায়।নারীদের সাথে এমন আচরণ করতে হবে যাতে তারা কথা বলতে গেলে ভয় না পাই, যে ভুল বললেই কষ্ট ভুল করলেই শাস্তি পেতে হবে। নারীদের সবসময় শাসন না করে আদরের সঙ্গে বোঝাবেন, এতে তারা আপনাকে কিছু বলার আগে ভাববে না ভুল হলেই শাস্তি পেতে হবে। নারীদের সাথে এমন আচরণ করবেন তারা জানি আপনার কাছে কথা বলতে পারে স্বাধীন ভাবে এটা জানি ভাবে আপনি তাঁর নিজেরই লোক খুব আপন কাছের মানুষ"🖤🙂

28/06/2025

সম্পর্কের অবনতির কারণ হচ্ছে, পরস্পর পরস্পরের থেকে দূরে সরে যাওয়া যাওয়া। আর এই দূরত্ব তৈরিই হয় মূলত সময় না দেয়ার কারণে।

সম্পর্কে পরস্পরকে পর্যাপ্ত সময় দিলে, উভয়ের কেউ কখনো নিজেকে একা মনে করে না। আপনি যখন সম্পর্কে থাকা মানুষটাকে সময় দিবেন, কথা বলবেন, তবে তার বিষন্নতা, মন খারাপ আর একাকিত্ব এমনিতেই দূর হয়ে যাবে।

মানুষ তখনই নিজেকে একা মনে করে, যখন সম্পর্কে থাকা মানুষটা তাকে সময় দেয় না। মানুষ সম্পর্কে জড়ায় নিজেকে ভালো রাখতে। আর সেই সম্পর্কই যখন তার খারাপ থাকার কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তখন সে হতাশায় ভুগতে থাকে!

সম্পর্কের মানুষটাকে সময় দিলে আপনার সময় নষ্ট হয় না। বরং সম্পর্ক আরও গভীর হয়। আপনি নিজেই যদি উদাসীন থাকেন, সম্পর্কের মানুষটার অসহায়ত্ব বোঝার চেষ্টা না করেন, তবে সে আপনার সাথে কেন সম্পর্ক রাখতে চাইবে? স্রেফ ভালোবাসে বলে? অবহেলায় অনুভূতি নষ্ট হয়ে গেলে মানুষ আর তখন ভালোবাসা বোঝে না, মুক্তি খোঁজে।

কাউকে বুঝতে হলে, তাকে সময় দিতে হয়। তার সাথে কথা বলতে হয়, তাকে কখনো একা লাগতে দিতে হয় না। সম্পর্কে আপনি যতই যত্নবান হোন না কেন, যদি সামান্য সময়টুকু সম্পর্কের মানুষটাকে দিতে না পারেন, তবে আপনার সমস্ত প্রচেষ্টাই একটা সময় পর বৃথা যাবে। মানুষ যত্ন চায়, সম্পর্কের মানুষটার কাছ থেকে সময় চায়।

আর যদি সম্পর্কে থেকেও সে দুটোর একটাও না পায়, ঠিক তখনই সে তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। সেখানে যতই ভালোবাসা, মায়া কিংবা পিছুটান থাকুক না কেন, মানুষ সেই সম্পর্ক থেকে মুক্তি চাইবেই।
জীবন সুন্দর যদি মানুষ টা সঠিক হয় 🖤

28/06/2025

"আমি নিকৃষ্ট মস্তিষ্কের ভয়ংকর খুনি—
স্বপ্ন হত্যা করি, আশা ধ্বংস করি!"

নারী, তুমি সাবধান—
ভালোবাসা বলতে কিছুই নেই,
যা আছে, তা শুধু মিথ্যে প্রতারণা,
আর শারীরিক চাহিদার অস্তিত্ব!

যে প্রেম কবিতায় অমর হয়,
বাস্তবে তার রং ফিকে হয়ে যায়,
যে প্রতিশ্রুতি আকাশের চাঁদ ছুঁয়েছিল,
তা সময়ের বাতাসে মিলিয়ে যায়!

তুমি যদি ভেবেছো—
কারও হৃদয়ে তোমার জন্য জায়গা আছে,
জেনে রেখো, সেই হৃদয়েই
আরও অনেকের জন্য দরজা খোলা!

ভালোবাসার নামে শুধু ছলনা,
বিশ্বাসের আড়ালে প্রতারণা,
স্বপ্ন দেখিয়ে ঘুম কেড়ে নেওয়া,
তারপর একদিন ফেলে দেওয়া!

নারী, তুমি সাবধান—
ভালোবাসা শুধু কল্পনা,
বাস্তবে যা আছে, তা নিছক অভিনয়!

🖤🖤🖤

28/06/2025

পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি রঙ বদলাতে পারে মানুষ, সবচেয়ে সূক্ষ্ম অভিনয় করতে পারে মানুষ, নিজেকে সবচেয়ে ভালো লুকাতেও পারে ঐ মানুষ।

বছরের পর বছর একসাথে এক ছাদের নিচে থেকেও একটা মানুষ আরেকটা মানুষকে চিনতে পারে না। ফেরেশতার মতো মানুষটাও একদিন ঘেন্না করার মতো কাজ করে ফেলে। আমাদের বিশ্বাসের ভাঙ্গা টুকরো মেঝেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকে। আমরা শুধু অবাক দৃষ্টিতে ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে রই।

স্রষ্টা আমাদের অবাক হওয়ার ক্ষমতা দিয়েছেন, কিন্তু মানুষ চেনার ক্ষমতা দেন নি। আমরা তাই প্রতিনিয়ত শুধু অবাক হই। একবার, দুইবার, অনেকবার। অবাক হতে হতে একদিন আমরা মেনে নিই, দিনশেষে আমরা কেউ কাউকে চিনি না, কখনো চিনতামও না।

এই ছোট্ট জীবনটাতে যে মানুষটাকে চিনি, জানি, শ্রদ্ধা করি, ভালোবাসি, মায়া করি, সে আসলে সত্যি সত্যি অমন না - এই নিষ্ঠুর সত্যিটা জেনে যাওয়ার পর থেকে আমি মানুষকে ভয় পাই, ভীষণ ভয় পাই।

28/06/2025

এমন কিছু মানুষের স্মৃতি আমাদের জীবনে থাকে যা আমরা কখনো ভুলতে পারি না ' মানুষ নেই কিন্তু স্মৃতি প্রতিনিয়ত কষ্ট দেয় ' এইযে নিয়ম করে আমরা তাদের অনুভব করি তারাও কি আমাদের মনে করে..!!

ক্ষনিকের পরিচয়ে ভবিষ্যতটাই এলোমেলো হয়ে যায়। এতো আপন মানার পর ও কিভাবে মানুষ মানুষকে কষ্ট দেয় ❤️‍🩹 ছোট জীবনে সুখের থেকে বোধ হয় কষ্টের সীমারেখা অধীক -আজ মনে হয় কি ছিলো জীবন আর কোথায় দাড়িয়ে আছি..!! না একজন ভালো সন্তান না একজন ভালো শিক্ষার্থী না একজন ভালো সদস্য পরিবারে। একজনের জন্য আজ সবখানে অপমানিত,
ভাগ্যে যারা থাকে না তাদের সাথে পরিচয় না হওয়াই বোধ করি ভালো।

এতো এতো খারাপের মাঝেও ভালো থাকতে হয় ' কারন সমাজের সাথে মানিয়ে চলতে হবে দেখাতে হবে আমি ভালো আছি ব্যস এটুকুই ❤️‍🩹

28/06/2025

কোনো মানুষের উপকার করলে, এটি আর মনে রাখবেন না। একদম ভুলে যান, না হয় ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করুন। বরং এই ভেবে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করুন যে, আল্লাহ তাঁর কোনো বান্দা/বান্দীকে সাহায্য করার জন্য আপনাকে বাছাই করেছেন। মানুষকে সাহায্য-সহযোগিতা করে, এটি যতদিন মনে রাখবেন, ততদিন আপনি তার কাছ থেকে সমীহ আচরণ প্রত্যাশা করবেন। এটা ভালো বিষয় নয়। এর ফলে নিজের উপর অব্যাহত মানসিক চাপ অনুভব করবেন। বিশেষত উপকারের বদলা না পাওয়া পর্যন্ত ওই ব্যক্তিকে একটু ছোটভাবে দেখতে মন চাইবে এবং নিজের মধ্যে এক অদ্ভুত সুপ্রিমেসি (প্রভুত্ব-আধিপত্য) কাজ করবে। এক্ষেত্রে আমরা কুরআনের একটি আয়াতকে মূলনীতি হিসেবে নির্ধারণ করতে পারি—

لَا نُرِيْدُ مِنْكُمْ جَزَاءاً وَّلَا شُكُوْرَا

আমরা তোমাদের থেকে না কোনো বিনিময় চাই আর না কোনো কৃতজ্ঞতা চাই। [সুরা ইনসান/দাহর, আয়াত: ০৯]

আমাদের প্রতিটি ভালো কাজ, প্রতিটি সহযোগিতার পূর্ণ বিনিময় আল্লাহ দেবেন। এ ব্যাপারে সন্দেহের অবকাশ নেই। আল্লাহ তাআলার বলেন—

اِنَّ اللّٰهَ لَا یُضِیۡعُ اَجۡرَ الۡمُحۡسِنِیۡنَ

নিশ্চয়ই আল্লাহ ইহসানকারীদের প্রতিদান বিনষ্ট করেন না। [সুরা হুদ, আয়াত: ১১৫]

27/06/2025

সব মানুষের মতন যারা নিজেকে শক্ত মনের অধিকারী ভাবে ! তারাও দুঃখ পায় , তারাও নীরবে কাঁদে , তারাও কাউকে খোঁজে নরম রোমালের মতন তার চোখের জল মুছতে । তারাও আশ্রয় খোঁজে । মানুষ আজন্মের পিপাসায় মায়া খুঁজে ।কিন্তু নিজেকে সব মানুষের মতন শক্ত মনের মানুষ গুলো কারো কাছে জমা দেয় না।কেউ কষ্ট দিলে ইগ্নোর করে । নিজেকে গুটিয়ে নেয় ।

কিন্তু এই যে এখন কিছু মানুষ দেখছেন না যারা কাউকে বিশ্বাস করে না, কাউকে পাত্তা দেয় না । কিংবা নিজে একা থাকতে ভালোবাসে এই মানুষ গুলোও এক সময় খুব অল্পতে কেঁদে ফেলতো। এরাও কাউকে ছ‍্যাচরার মতন ভালোবাসতো।তারা ও কাউকে বন্ধু ভেবে গলা জড়িয়ে কাঁধ খুঁজতো । কিন্তু আফসোস এই মানুষ গুলো ভয়ংকর ভাবে প্রতারিত হইছে ।

তাদের সাথে কথা বলার সুযোগ হলে , জেনে দেখবেন , জীবন তাকে কিভাবে ঠকিয়ে গেছে। বিশ্বাসের মূল‍্যে দিতে হয়েছে ভয়ংকর ঠকেঁ। একদিনে কেউ পরিবর্তন হয় না । তার নিজেকে অলিক সে বন্দী করে নিয়েছে বায়ান্ন দরজায় সেগুন কাঠের সিন্দুকে। তারা ও হাসে কথা বলে নিজের বাঁচার জন‍্য শ্বাস নেয়। কিন্তু রূমাল খুঁজে না।

প্রচন্ড মন খারাপে নিজেকে গালি দিয়ে বলে এই মন খারাপের কারন তোমার সরলতা।
এই পৃথিবীতে তাই কাউকে জাজমেন্ট করতে হলে তার অতীত ইতিহাস সহ জাজমেন্ট করা উচিত । তাহলে বুঝতে পারবেন , কেন মানুষ অন‍্য কারো সাথে এ‍্যাটার্চমেন্টে যেতে চায় না। কেন মানুষ কাউকে বিশ্বাস করতে পারে না। কেন মানুষ কারো মিষ্টি কথায় নিজেকে আর প্রতারিত করে না। কারন এ মানুষ গুলোর সাথে পরিচয় হয়ে ছিলো দুনিয়ার সবচেয়ে খারাপ অমানুষ গুলোর সাথে , তাই তারা মানুষের সঙ্গের চাইতেও একা থাকা পছন্দ করে।

Want your school to be the top-listed School/college in Gopalganj?

Click here to claim your Sponsored Listing.

Location

Category

Telephone

Website

Address


Gopalganj
8130