27/01/2024
আসসালামু আলাইকুম ২৬/০১/ ২০২৪ তারিখ রোজ শুক্রবার টঙ্গীর বিভিন্ন মসজিদে জুম্মার খুতবায় এবংবিতরণকৃত লিফলেটে আশরাফ টেক্সটাইল মিলস হাই স্কুল এর নিজস্ব জমিতে অবস্থিত আশরাফ জমজম জামে মসজিদকে কেন্দ্র করে আশরাফ টেক্সটাইল মিলস হাই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে যে জঘন্য মিথ্যাচার প্রচার করা হয়েছে তার বিপক্ষে তীব্র প্রতিবাদ।
প্রকৃত সত্য তথ্য হলঃ
বিগত ০৭/০৯/১৯৮৩ইং তারিখে তৎকালীন ম্যানেজিং ডিরেক্টর জনাব আতাউল্লাহ সাহেব আশরাফ টেক্সটাইল মিলস হাই স্কুলের নামে এক একর জমি রেজিস্ট্রি করে দেন। এবং পরবর্তীতে, বর্তমান আশরাফ জমজম জামে মসজিদের সভাপতি জনাব মোঃ ইব্রাহিম রহমতউল্লাহ দলিল নং ২৭০৩, ০৬/০৭/২০০৫ইং তারিখে ভ্রমও সংশোধন দলিলের মাধ্যমে মসজিদসহ ১০০ শতাংশ জমি যা ময়মনসিংহ রোড থেকে দক্ষিনে সেনা কল্যাণ ভবনের বাউন্ডারি, উত্তরে আশরাফ টেক্সটাইল মিলের গেটের অর্ধাংশ পর্যন্ত এবং পশ্চিমে আশরাফ টেক্সটাইল মিলস হাই স্কুলের শেষ সীমানা পর্যন্ত মোট ১০০ শতাংশ জমি আশরাফ টেক্সটাইল মিলস হাই স্কুলের নামে রেজিস্ট্রি করে দেন।ফলশ্রুতিতে আশরাফ জমজম জামে মসজিদসহ সকল সম্পত্তি আশরাফ টেক্সটাইল মিলস হাই স্কুলের নামে চলে আসে। ০৮/০৩/২০০৯ ইং তারিখে উপরে উল্লেখিত ১০০ শতাংশ জমি খারিজ করা হয়। অদ্যাবধি আশরাফ টেক্সটাইল মিলস হাই স্কুল এই জমির খাজনা পরিশোধ করে আসছে।আশরাফ টেক্সটাইল মিলস হাই স্কুল এবং আশরাফ জমজম জামে মসজিদের দেখভালের দায়িত্ব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশক্রমে আশরাফ টেক্সটাইল মিলস হাই স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির ওপরে বর্তায়। কিন্তু অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ অমান্য করে অন্য একটি কমিটি গঠন করে, যার সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করে ইমাম সাহেব নিজেই। বাংলাদেশের কোন মসজিদে এমন নজির নাই এবং মসজিদের আয় ব্যয় ইমাম সাহেব নিজেই দেখভাল করেন। মসজিদের অবকাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারি বরাদ্দের জন্য বারবার তাগাদা দিলে তারা কোন আগ্রহ দেখায় না। পক্ষান্তরে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি কে অবহিত না করে বিদ্যালয়ের জমিতে জোরপূর্বক চারটি দোকান গড়ে তোলে। উল্লেখ থাকে যে, এই চারটি দোকান বাবদ মোটা অংকের টাকা অ্যাডভান্স নেন তারা এবং এই টাকার কোন হিসাব নাই। আরো উল্লেখ থাকে যে উক্ত ১০০ শতাংশ জমির ওপর কোন স্থাপনা গড়ার ক্ষেত্রে মহামান্য হাইকোর্টের injunction জারি রয়েছে। তাই শিক্ষা অফিসারের নির্দেশক্রমে উক্ত এলাকার ওয়ার্ড কাউন্সিলর এবং অত্র প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সম্মানিত সদস্য জনাব আলহাজ্ব গিয়াসউদ্দিন সরকারের মাধ্যমে দোকানের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয় এবং একটি সতর্কতা নোটিশ ঝুলিয়ে দেয়া হয়। উপরোক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে ইমাম এবং মুয়াজ্জেম বিভিন্ন মসজিদে সম্মানিত ইমামদের ও ধর্ম প্রাণ মুসল্লিদের মাঝে মিথ্যা তথ্য দিয়ে নিজের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য মুসল্লিদের মাঝে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি ছড়ান। যেহেতু মসজিদ এবং বিদ্যালয় ২ টি আশরাফ মিলস হাই স্কুলের নামে এবং দুটি প্রতিষ্ঠানই জনসেবায় নিয়োজিত সুতরাং ব্যক্তিস্বার্থ এখানে বড় হতে পারে না। এই দুটি প্রতিষ্ঠানের সম্মান, উন্নয়ন এবং স্বার্থ রক্ষায় সকল সাবেক এবং বর্তমান শিক্ষার্থীবৃন্দ, অভিভাবকবৃন্দ, শিক্ষকমন্ডলী, ম্যানেজিং কমিটি এবং এলাকাবাসী সকলের নৈতিক দায়িত্ব।
আসুন ধর্মীয় ইসুকে কেন্দ্র করে মিথ্যাচারে লিপ্ত ব্যক্তিদের বিপক্ষে সত্যের উন্মোচন করে প্রতিবাদ জানাই। মসজিদ ও বিদ্যালয়ের উন্নয়নে নিজেদের কে সম্পৃক্ত করি। বিদ্যালয়ের জমি রক্ষার স্বার্থে যেকোনো কর্মসূচিতে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।
বিদ্যালয়ের জমির কাগজপত্র নিচে দেওয়া হলঃ