হাতে হাতে রাখ,আর ধর্ষণ কর।
মেয়েরা আমার বাপের সম্পত্তি, আর
আমার বাপের সম্পত্তি আমি যা ইচ্ছা
করব।আমার বাপের সম্পত্তি আমার পূরা
অধিকার আছে।আর আমার বাপের
সম্পত্তি আমি যেভাবে ইচ্ছা ব্যবহার করব
আপনি বলার কে??
কিছু বলতে আসবেন তো,আমার বাপের
টাকাকে কাজে লাগাবো।
আমার বাপের সম্পত্তি যদি কাজে না
লাগে তাহলে, মামা,খালু,চাচা এদের
সম্পত্তি কাজে লাগাব।
তবুও আমার বাপের সম্পত্তি সব মেয়ে আর
ধর্ষণ করব যখন যা ইচ্ছা হবে করবই।চিন্তা
কিসের ধর্ষণ করব আর পরে কিছু হলে তো
আমার বড় লোক বাপ আছেই।
এই গুলা হল একটা বড় লোক বাপের
লুচ্চামি তে নম্বর ১ ছেলেদের কথা।
যারা মেয়েদের বাপের সম্পত্তি মনে
করে।যে মেয়েকেই এরা দেখবে
বাপের সম্পত্তি মনে হয়।
কিছু দিন পরে ওই মেয়ের লাশ পরে
থাকে কোন অজানা লোক শূন্য জায়গায়।
মেয়েরা তো বাপের সম্পত্তি,তাদের
খুন ও করা যায়।চিন্তার কোন কারণ নেই।
এটা বাংলাদেশ যেখানে দিন দিন
ধর্ষণ নামক জঘন্যতম এই অপরাধ টা দিন দিন
বেড়েই চলেছে।
একদম হিংস্র পশুদের হিংস্র থাবা
থেকে রক্ষা পাচ্ছেনা ৪ বছরের বাচ্চা
থেকে শুরু করে ৫০ বছর এর মহিলা পর্যন্ত।
এখানে কিছু কিছু মানুষ মেয়েদের
পোশাক এর কথা বলে,ভাই আপনার কথা
ঠিক,এই মেয়ে গুলা অভার স্মার্ট,এদের
যদি এই রকম কোন পরিস্থিতি হয় বলার
কিছুই নেই।
কিন্তু আপনি দেখিয়েন এই অভার স্মার্ট
মেয়ে গুলো কমই এই ধর্ষণের শিকার
হচ্ছে,
হয় ওই সাধারণ মেয়ে গুলো।
এখানে আপনি কি বলবেন?
যেখানে বাড়িতে কাজ করার সময়
ধর্ষণের শিকার হতে হয়,এখানে আপনি
কি বলবেন? নাকি এখানেও এই বেপর্দা
দ্বায়ী??
যেখানে ৮ বছরের মেয়েকে চকলেট
দেওয়ার নাম করে নিয়ে গিয়ে এই মানুষ
মানের পশু গুলো নিজের চাহিদা
মিটাই সেখানে আপনি কি বলবেন??
যেখানে ক্লাস ফাইভ এর মেয়ে স্কুল এ
গিয়ে স্কুল এর পিয়নের দ্বারা ধর্ষতীত হয়
সেখানে ও কি আপনার পোশাক এরর
কথা বলবেন??
যেখানে শিক্ষক এর কাছে কোন
নিরাপত্তা নেই,৪৮ বছর বয়সের শিক্ষক ১৮
বছর বয়সের ছাত্রী কে ইভটেজিং করে
সেখানে আপনি পোশাক কে দ্বায়ী
করবেন??
যেখানে চাকুরি দেওয়ার নাম এ প্রতি
নিয়ত মেয়েদের সাথে প্রতারণা করে
ধর্ষণ করার চেষ্টা করা হয় সেখানেও কি
আপনি এইই ধর্মের দোহাই দিবেন????
ইসলাম শান্তির ধর্ম,দোয়া করে এটার
দোহাই দিয়ে অন্যায় করবেন না,আরর
অন্যায় কে সমর্থন ও করবেন না।
একবার ভেবে দেখুন এখানে কি শুধূ
নারীরাই দ্বায়ী দ্বায়ী নাকি নিচ
মানুষিকতা ও দ্বায়ী?
নাকি দৃষ্টিভঙ্গি ও দ্বায়ী?
আমাদের দেশের আইন ব্যবস্থা এতোই
ভাল যে সব কিছুই টাকার উপরে চলে।
যার টাকা আছে সে যতই অন্যায় করুক
যেটা অন্যায় না।
এটা নিয়ে কি আর বলার।
নারীদের সন্মান করতে শিখুন।
মনে রাখবেন এই নারীর পেট থেকেই
আপনার এই পৃথিবীতে আসা।
কিভাবে সেই নারীকেই এতোটা নিচ
চোঁখে দেখতে পারেন??
কিভাবে এতো নিচ কাজ করতে
পারেন।।
নারীদের বলব আপনারা ভাল ভাবে চলা
ফেরা করুন,সাবধাণে থাকুন কারণ এই
হিংস্র পশুদের থাবা সব খানে পড়তে
পারে।
আর ছেলেদের বলব আপনার চোঁখকে
হেফাজত করে রাখুন।
নারীদের সন্মান করতে শিখুন, ইসলামের
পথে চলুন।
আপনার দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করুন।
দেখবেন এই জঘন্যতম অপরাধ অনেক কমে
যাবে।।
____Written by__নিশ্চুপ মেয়ে (Îñç0nSøñâbLÊ
Dev & Jeet Fans Club -Bangladesh •
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dev & Jeet Fans Club -Bangladesh •, Education, Alfadanga, Fridpur, Dhaka, Gazipur.
নিজের মুল্য বুজতে শিখ । যদি তা না
পারো তবে তোমাকে সবাই ব্যবহার
করবে । তারপর ফেলে দেবে আস্তকুড়ে ।
তখন কেদেও লাভ হবে না । নিজেকে
এতটা বিলিয়ে দিওনা যাতে কেউ
তোমাকে কষ্ট দিতে পারে । একটু হলেও
স্বার্থপর হও । নয়ত তোমাকেই সারা
জীবন কষ্ট পেতে হবে ।
তার মানে এই নয় যে শুধু নিজের কথাই
ভাববে । নিজের স্বার্থের কথাই
চিন্তা করবে । নিজের সামর্থ্যের
বাইরে যেয়ে কিছু করা উচিত নয় ।
কিন্তু আমরা অনেকেই এই কথাটা মাথায়
রাখি না । তাই যখন কেউ আমাদের
আবেগ নিয়ে খেলা করে তখন বুঝতে
পারি না । যদিও বা পারি কিন্তু
ততদিনে আর সময় থাকে না । সময় থাকে
না বলতে আসলে সব কিছু শেষ হওয়ার পর
আমাদের হুশ হয় যে এটা কি করলাম । এতে
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় আবেগী
মানুষেরা । তারা তাদের আবেগ
নিয়ন্ত্রন করতে পারে না বলেই
ধোকাটা তারাই বেশি খায় ।
আসলে আবেগী মানুষের প্রথম সমস্যা হল
তারা অতি দ্রুত মানুষকে বিশ্বাস করে ।
কিন্তু যাকে বিশ্বাস করে সে মানুষটা
তার মর্যাদা রাখতে পারবে কিনা তা
নিয়ে ভাবে না । তারা মনে করে সে
যেমন তার বিপরীত দিকের মানুষটাও
তাই । সেজন্য সে অনেক সময় তারা একাই
কষ্ট পায় ।
দ্বিতীয়ত তারা ক্ষমা করে দেয়ার
অপরিসীম ক্ষমতা রাখে । তাদের কেউ
খারাপ করতেছে বা করে ফেলছে তাও
তারা চুপ থাকে । মনে হয় যেন ষ্ট্যাচু অব
লিবার্ট হয়ে যায় । তাদের কাছে কেউ
সেই মানুষটার যতই খারাপ বলুক তাকে
তখন কানের ডাক্তার ও কিছু শুনাতে
পারে না । তার কাছে সব কিছুই ফেইক
মনে হয় । সে ধরে নেয় আসলে তারা
যেই মানুষটিকে খারাপ বলছে তারা
তাকে পছন্দ করে না বলেই বলছে । সে
এগুলো নিয়ে চিন্তাও করে না ।
তৃতীয়ত সব কিছু দেখেও চুপ করে থাকা ।
এই বিষয়টি সবচেয়ে ভয়ংকর । সে
তোমার সাথে যে আচরন করছে তাতে
তুমি যদি চুপ করে থাক তবে বোকাদের
রাজ্যে বাস কর তুমি । তোমার অবশ্যই
মাথায় রাখা উচিত যে তুমিও কম কিছু নও
। তোমার মুল্য কিন্তু কম নয় । তুমি ফেলনা
না ।
অনেক সময় সম্পর্ক ধরে রাখার জন্য ছেলে
মেয়ে উভয়ই অনেক উল্টা পাল্টা কাজ
করে । কিন্তু তা মোটেও ঠিক না ।
তোমার নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস আর
ভরসা রাখা উচিত যে না আমি পারব ।
সবাই যখন ভাবতে পারে নিজের কথা
তুমিও পারবে । বলুক লোকে স্বার্থপর ।
নিজের একটু হাসি মুখে থাকার জন্য না
হয় একটু স্বার্থপর হলেই । এতে দোষের
কিছুই নাই ।
নিজেকে জানো । নিজের মুল্য বোঝ ।
লেখা : আরিফ রায়হান
নড়লেই কিল সাড়ে সাতটা !!
লেখা: Md Abdullah Chowdhury.
ছোটবেলায় নিজেদের মধ্যে স্ট্যাচু/স্টপ
পাতাতাম। রাস্তাঘাটে দেখা হলে
স্টপ দিতাম। যাকে দিতাম সে ধুপ করে
দাঁড়িয়ে যেত। হেসে দিলে বা নড়ে
উঠলে পিঠে সাড়ে সাতটা কিল
মারতাম। প্রথম ৫টা আস্তে মারতাম।
শেষের দুটো জোড়ে দিতাম। তারপর
সাড়ে সাতটার 'সাড়ে'টা আস্তে দিয়ে
বিভিন্ন মেয়াদে ছুটিতে পাঠাতাম।
কখনো ৫মিনিট ছুটি দিতাম, কখনো
কখনো ৫০ দিনও।
'হারিকেন টিপটিপ' বলে একটা কথা
ছিল। যাকে স্টপ দেওয়া হতো তাকে
হারিকেন টিপটিপ করতে বলা হত। স্ট্যাচু
হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় তখন
তাকে চোখ দুটো টিপটিপ করতে হতো।
আবার, জয়েন্ট স্টপও ছিল। অনেকটা
ফেসবুকের মিউচুয়াল ফ্রেন্ডের মত।
অর্থাৎ ফ্রেন্ডলিস্টে নাই, কিন্তু
মিউচুয়াল ফ্রেন্ড - এমন মানুষের সাথে
স্বয়ংক্রিয়ভাবে জয়েন্ট স্টপ সম্পর্ক
থাকতো।
হাফপ্যান্ট পড়ে যখন স্কুলে যেতাম তখন
একটু পালিয়ে যেতে হতো। কারণ,
একইসাথে অনেকজনের সাথে স্টপ
পাতানো ছিল। হুট করে যেদিন দু'জন স্টপ
দিয়ে দিত সেদিন স্কুলে পৌঁছাতে
দেরী হয়ে যেত। বাধ্য হয়ে অনেকসময়
মাফও চাইতে হতো, 'দেখ ভাই, স্যার
এমনিতেই আমার ওপর রাগ করে আছে।
আজকে দয়া করে স্টপ দিস না। সাড়ে
সাতটা কিল মারবিতো? - আচ্ছা মারিস।
তার আগে আমাকে একটু স্কুলে যেতে
দে।'
এখনও আমার সাথে এক পাড়াতো আপার
স্টপ আছে ।যার দুটো স্কুলপড়ুয়া ছেলে
আছে। ওনার সাথে আমার সরাসরি কোন
স্টপ ছিলনা। ছিল জয়েন্ট স্টপ। সেটাও ১৫
বছর আগের কথা। তখন আমি প্লে গ্রুপে
পড়তাম। এখনও রাস্তাঘাটে দেখা হলে
ওনাকে বিনানোটিশে স্টপ দিয়ে
দেই। যেন ঐতিহ্য রক্ষার দায় আমাদের
দুজনের..........।
মুত্তাকী অালেমের সংস্পর্শে বদলে
গেল জীবনের বাক।
অামি অাজ থেকে ৩ বছর অাগে
চিটাং কলেজের রসায়ন বিভাগের
অনার্সের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ
ফয়সালের নিকট গণিত প্রাইভেট পড়তাম।
স্যারের কথা বলার ধরন মেদহীন বডি
ফিগার এবং চেহারার উজ্জ্বলতা
যেকোন মানুষকে সহজে অাকর্ষণ করত।
অামার জানা মতে স্যারকে অনেক
মেয়ে প্রেমের অফার দিয়েছিল।কারণ
বর্তমান যুগের অাধুনিকা মেয়ের ড্রিম
বয় ছিলেন তিনি।
প্রতি সপ্তাহে স্যার শপিং করত,নতুন
কোন ব্র্যান্ডের পোষাক মার্কেটে
অাসলে সবার অাগে কিনে নিত।অবশ্যয়
স্যারের বাবা ছিলেন কক্সবাজারের
চকরিয়া এলাকার বিত্তশালী ব্যক্তির
একমাত্র অাদরের সন্তান।পড়াশুনায় ও
বেশ পোক্ত ছিলেন।কিন্তু স্যার প্রায়
অামাকে বলতেন এতকিছু অামার মাঝে
অাছে তবুও মনে হয় কি জানি নেয়।
স্যারের কথাগুলো শুনে মনে হত স্যার
মানসিক কোন সমস্যায় অাছে।স্যার
একসময় ফ্রেন্ডলি অামাকে জিজ্ঞেস
করে অাচ্ছা কোন ছেলেকে অনেক
মেয়ে প্রপোজ করে তাহলে তখন
ছেলেটার কি করা উচিৎ ঐ মুহূর্তে।তখন
অামি স্যারের প্রশ্নোত্তরে নির্বিকার
হয়ে যায়।তবে বললাম যে মেয়ে
বেহায়ার মত বডি ফিগার দেখে
প্রপোজ করে তাদের ভালবাসাতে
যথেষ্ট ফরমালিন অাছে।
সময়ের তালে তালে অনেক চড়া উৎরা
পেরিয়ে স্যারের ভিতরের অজানা
কষ্টগুলো পাহাড়সম হতে লাগল।হঠাৎ
একদিন স্যারের নিকট সংবাদ এল দারুল
মা'অারিফ নামের একটি কওমী
মাদরাসায় গণিত এবং ইংরেজির জন্য
একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক দরকার।স্যার
চিন্তা করলেন অলসে সময় কাটানোর
চেয়ে শিক্ষকতা করলে মন্দ হয়না।অবশ্যয়
চাকরি করার সময় স্যারের শর্ত ছিল
তাকে পাঞ্জাবী টুপি পড়তে বাধ্য করা
যাবেনা এবং দাড়ি রাখতে
পারবেনা।
স্যারের জীবনে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের
বাতাস বয়তে শুরু করল।স্যার কয়েকমাস
অতিক্রম হওয়ার পর মাদরাসার সমস্ত
শিক্ষকের সাথে ফ্রি হয়ে গেলেন।এবং
মণের কোণে জমে থাকা প্রশ্নগুলো এক
এক করে ছাত্র শিক্ষককে করতে লাগলেন।
জেনে রাখা ভাল ঐ মাদরাসার
অধিকাংশ শিক্ষক মদীনা
ভার্সিটি,সওদীর উম্মুলকুরা ভার্সিটি
অার মিশরের অাল অাজহার
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ও
পিএইচডি করা।তাই স্যারের প্রশ্নগুলোর
উত্তর তাঁরা সন্তুষ্টনুযায়ী দিতে সক্ষম হল।
একদিন সকালে গণিত পড়তে গেলে
দেখি স্যারে ছোট বাচ্চাদের একটি
নূরানী কায়দা নিয়ে অাসে।অামি
বললাম স্যার অাজ গণিত করাবেন না???
বলল অাজ অামি তোমার ছাত্র তুমি
অামাকে নূরানী কায়দার অালিফ বা
তা ইত্তাদী পড়াও।তখন কি বলব নিজেই
বুঝে উঠতে পারিনি।চোখের কোণায়
সাদা পানির মত কি জানি অজান্তে
চলে অাসল।মনে হয় এ বুঝি অানন্দের
নিরব বহিঃপ্রকাশ।শুরু হল স্যারের একান্ত
প্রচেষ্টা অালহামদুলিল্লাহ একসপ্তাহে
স্যার কোনরকম কোরানী ভাষার
প্রাথমিক স্তর অায়ত্ত করে ফেললেন।
অাল্লাহর একান্ত রহমত যার প্রতি অাছে
তাকে ঠেকায় কে!অবশ্যয় এক্ষেত্রে
নিজের জানার অাগ্রহ থাকা অত্যন্ত
জরুরী।লক্ষ্য করলাম স্যার অার দাড়ি স্যাভ
করেনা।স্যারকে বললাম স্যার অাপনি
স্যাভ করবেন না???তখন স্যার একবুক কষ্ট
নিয়ে বলল,মিসবাহ!
তুমিও যদি অামাকে এ কথা বল তাহলে
কোথায় হবে অামার ঠিকানা,অাপন
অাশ্রয়স্থল।অার কতদিন অামাকে
অন্ধকার পথে রাখবে,একটু অালোর সন্ধান
পেয়েছি বহু প্রতিক্ষার পরে। সে
অালোতে অামাকে একটু পরিশুদ্ধ করার
সুযোগ দাও।স্যারের জবাব শুনে মনে হল
পায়ের নিচে মাটি নেয়।নিজেকে খুব
ছোট মনে হল।তখন স্যারের কাছে ক্ষমা
চাইলাম।
এরপর স্যারের সাথে অামার অার দেখা
সাক্ষ্যাৎ নেয় দীর্ঘ একবছর।বাট স্যার
ঠিকই অামাকে মনে রেখেছেন।
স্যারকে কয়েকদিন অাগে কলেজে
দেখলাম একজন সত্যিকারের অাল্লাহর
অলির বেশে।মাথায় টুপি,গায়ে
পাঞ্জাবী অার মুখে সুন্নতী দাড়ি।
জিজ্ঞাস করলাম অনার্সের ফাইনাল
রেজাল্ট কেমন হল,তখন স্যার মিষ্টি
হেসে বললেন অালহামদুলিল্লাহ অামি
অাল্লাহর জন্য নিজেকে পরিবর্তন
করেছি অার অাল্লাহ তার প্রেমিককে
পরিবর্তন করে দিলেন।ফার্স্টক্লাস্ট
রেজাল্ট করলেন তিনি।
স্যারে কিছু কথা বললেন যা শুনে
নিজের অনেক খারাপ লাগলেও অত্যন্ত
উপকারী।দেখ মিসবাহ!জীবনটা হচ্ছে
একটা সাদা কাপড়,তুমি এ কাপড়ে যে রঙ
মিশ্রিত করবে কাপড়টি সে রঙে রঞ্জিত
হবে।অামি জানি কলেজে হুজুরী
মার্কা চলাফেরাতে অনেক সময় অনেক
বন্ধু বান্ধবী টিটকিরি মারবে,ব্যাঙ্গ
করবে।এমনকি এমন কিছু শিক্ষকও দেখবে
যে তোমার পথের বাধা হয়ে দাঁড়াবে।
কিন্তু তুমি বিচলিত এবং ধৈর্য্যহারা
হয়োনা।তোমাকে সবকিছু বিচকক্ষণতার
সহিত মোকাবিলা করতে হবে।অারও
বললেন এখানে এমনকিছু দীন পিপাসু
অাছে যাদের জন্য তোমাকে খুব দরকার।
যদি তুমি নিজেই তাদের মত হয়ে যাও
তাহলে তুমি নিজেও দীনহারা হলে
এবং অন্যজনের দীনের পীপাসাকেও
মেরে ফেললে।সবসময় তুমি নিজের
চেয়ে তোমার অাশেপাশের
ভাইবোনদের কথা বেশি চিন্তা করবে।
স্যারের সে অমীয়বাণি হয়ত অক্ষরে
অক্ষরে পালন করতে পারিনি,বাট
চেষ্টা করছি।অালহামদুলিল্লাহ
অনেকটা সফলও হয়েছি।অাজ স্যার
অামাকে ফোন করল, বাট নাম্বার না
থাকায় চিনতে পারিনি।জিজ্ঞেস
করলেন ফাইনাল পরীক্ষা কেমন দিলাম।
এরপরে বললেন যেহেতু পরীক্ষা শেষ
হয়েছে কিছুদিন অাল্লাহর রাস্তায় সময়
দিতে বের হয়ে যাও।যে স্যারকে
একদিন অামি নামাজের জন্য
ড়াকতাম,সে স্যার অাজ অামায় দীনের
দাওয়াতে ড়াকে।
সত্যি স্যার তুমি অসাধারণ,তোমার
মাঝে অাছে অামার পথচলার শক্তি।
অামার উৎসাহ এবং এক সম্ভাবনাময়
ভবিষ্যৎ।ইনশা অাল্লাহ অাজ লাভলিন
মসজিদে কিছু সময় দেয়ার জন্য বিকালে
রওনা দিব।
এক অারব্য মুজাহিদের একটি বাক্য খুব
মনে পড়ছে।
মানুষের অসন্তুষ্টিতে অামার কিছু
অাসে যায়না,কিন্তু অাল্লাহর
অসন্তুষ্টিতে অামার অনেক কিছুই যায়
অাসে।
সবাই স্যারের জন্য দোয়া করবেন,কারণ
স্যারের ফ্যামিলীতে তার এমন
পরিবর্তনকে মেনে নিতে পারছেনা।
অাসলে সব অাল্লাহর পরীক্ষা।
জীবনটাকে কখন যে বুঝতে শিখেছি
এখনো
মনে পড়ছে না। বড় হতে হতে কবে যে
বুঝতে
শিখেছি আমারো আত্মমর্যাদাবোধ
আছে,
তা বলতে পারি না। শৈশবে যখন
ন্যেংটু
হয়ে পুকুরে ঝাপ মারি তখনো
আত্মমর্যাদাবোধ নামক জিনিসটা
বেড়ে
উঠে নি।
বাবার পকেটে টাকা না থাকার
কষ্টগুলো
এই তো সেদিনই বুঝতে পারলাম মনে
হচ্ছে।
ঈদে নতুন জামা কিনে না দেওয়ায়
সেবার
যে কি কান্নাটাই না করেছিলাম, ওসব
স্মৃতি মনে পড়লে এখনো হাসি পায়।
এখনো মনে হয়, এই তো সেদিন.... মায়ের
আঁচল থেকে কচকচে দশটাকার নোটটা
চুরি
করলাম। কিন্তু এখন.... বিবেকে বাধে। .
আগে হয়তো লিচু চুরি করে খেয়েছি,
কাঁঠাল
পেঁকেছে, অমনি তিন-চারজন অন্যের
কাঁঠাল নিজেদের মত করে
খেয়েছি,ঝড়ে
আম কুড়াতে যায়ে গাছ থেকে আম
পেড়েছি....
কিন্তু এখন....
এখন আর ওসব করা হয় না। ঝড় হচ্ছে... আম
পড়ল... আমি নিশ্চুপ হয়ে দাঁড়িয়ে
দেখছি
আম কুড়ানো দলটির। ওরাও গাছ থেকে
আম
পাড়ল। আমি হয়তো একটু হেসেই দিলাম।।
আজ আমরা নেই, ওরা আছে। কাল ওরা
থাকবে না, অন্য কেউ আসবে। ওরাও
একদিন
আমার মতো চুপ করে আম কুড়ানো দেখবে।
তখন হঠাৎ করে নিজের সম্মানের কথাটা
সর্বদাই মাথায় চলে আসে। তাই আর আম
চুরি করা হয়ে ওঠে না।
দেখতে দেখতে নিজের মধ্যে কখন যে
একটা
দায়িত্ব এসে পড়েছে, তা আজো ঠাহর
করতে পারলাম না।
এখন যদি চলাচলের জন্যে সাঁকো না
থাকে,
হয়তো নিজের মধ্যে একটা দায়িত্ব চলে
আসে। কিন্তু এই দায়িত্ববোধটা কবে
থেকে
যে কাধে এসেছে বলতে পারি না।
রাস্তাঘাটে যদি কোনো মেয়েকে
কেউ
টিজ করে, তাহলে প্রতিবাদ করতে না
পারলে নিজের ভেতরে লজ্জাবোধটা
আপনাআপনিই তৈরী হয়, আগেও এটা
কখনো
ছিল না।
হঠাৎ করে কেন জানি নিজেকে বুঝতে
শিখেছি। নিজের বেঁচে থাকার
জিনিসগুলাকে চিনতে শিখেছি।
মনুষ্যত্ব
নামক বস্তুটা আপনা থেকেই নিজের
কাছে
চলে এসেছে। এটাকে আকড়ে ধরেই
বাকীপথটা পেরোতে হবে।
লেখা ।। রঙিন চশমা
শোন, আমার কথা একবার শুন।
কাকে চাইছিস তুই! তোকে আজীবন
পাশে রাখবে কে??
না না এমন আশা করিস না।
শোন তুই ট্রেনে আছিস।প্রথমে তো তুইও
ছিলিনা ।হঠাৎ এসে উঠেছিলি
কামরায়।
তোর তো ভাগ্য ভাল একটা সিটে বসতে
পেরেছিস।আরাম করে বসে ভ্রমন
করতেছিস।
অনেকে তো দাঁড়িয়ে আছে ।তবুও চলছে।
নেমে যাবি কেন অকালে।
তোকে তো বলতেছি একটু শোন।
ওরাতো ওদের প্রয়োজনে এসেছিল।
ওদেরও নেমে পড়তে হয়েছে।টিকেট যে
কাটাই আছে ।সীমানার বাইরেতো আর
যেতে পারবেনা।
শোন পাগলামি করিস না।তুইওতো
নেমে পড়বি ।তর টিকেটেও সীমানা
নির্ধারিত।
আর হ্যা প্রত্যেকটা মুহুর্ত এক একটা ষ্টেশন
।অনেকে নামবে অনেকে উঠবে।
একা হবার ভয় করিসনা ।তার চেয়ে ওতো
কিছু না চেয়ে বাহির দেখ ।
আরে বলতেইতো ভুলে গেছি যার জন্য এ
যাত্রা তার কাছে যাবার জন্য প্রস্তুত হ।
লাভ তো তরি হবে।
আরে শোন যা দেখছিস সব মায়া।এটা
চিরদিন থাকবেনা।
দেখছিসতো পেয়েছিস আবার
হারিয়েছিস।একদিন তুইও হারিয়ে
যাবি।
তোর কিছুই ছিলনা আর থাকবেও না
সময় যত যাচ্ছে তোর নামার সময় ততই
ঘনিয়ে আসছে।
ভেবে চিন্তে চল।আর কত বুঝাবো
তোকে।
এমন কাউকে ভালোবেসো না, যার কাছে
প্রয়োজন ব্যতীত তোমার আর কোনো মূল্য
নেই। তাকেই ভালোবাসো, যে প্রয়োজনে -
অপ্রয়োজনে সর্বদাই তোমার প্রয়োজন
অনুভব করবে।
..::ছেলেবেলা::..
লেখাঃঅভ্রনীল(অর্বাচীন ব্লগার)
ছোটবেলার কিছু কিছু কথা এখনও মনে
আছে।বেশিরভাই হারিয়ে গেছে সময়ের
গতিতে।
ছোটবেলার প্রথম যে কথাটা মনে করতে
পারি তা হল পাশের বাসার একটা আন্টির
বিয়ে হচ্ছে, আমি আর আপু ফিতা দিয়ে
খেলছি।
তারপর মনে পরে গ্রামের বাড়ির কথা।।
টিনের ঘর।মাটির মেঝে।একটা ৪-৫ বছরের
বাচ্ছা দেখে একনজরে বাইরে থাকিয়ে
আছে।দূরের মাঠের দুইটা গাছের মাঝখান
দিয়ে সূর্য উঠছে।ছোটবেলার এই কথাটি
আমার পরিষ্কার মনে আছে।।কারন এমন
সুন্দর জিনিস আমি তখন আগে দেখি নাই।
আমার দাদা গরু পালতেন।তো গরুর বাছুর
গুলার সাথে আমি খেলতাম।গ্রামে গেলেই
ওদের নিয়ে মেতে থাকতাম।সারা বাড়ি
খুজে আমাকে পাওয়া গেল না।।শেষে
পাওয়া গেল খড়ের গাদায়,আমি বাছুরটার
সাথে ঘুমাচ্ছি।।
ওই সময়ের আর কোন কথা আমার মনে নেই।
যখন হালকা পাতলা বুঝতে শিখলাম
তখনকার কিছু কথা মনে পড়ে।।
তখন আমরা বি-বাড়িয়া থাকি।স্কুলে তখনও
ভর্তি হই নাই। তখনকার দিনে চিংড়িমাছ
খুব পাওয়া যেত।আব্বু ২ দিন পর পরই নিয়ে
আসতেন।।মজার কথা ছিল বেশিরভাগই সময়
জ্যান্ত থাকত মাছ গুলো।
আমাদের বাসাটা ছিল আধাপাকা।।উপরে
টিন নিচে ইটের।বর্ষার দিনে খুব মজা হত।
বৃষ্টির দিনে চিংড়িগুলার পায়ে সুতা বেঁধে
ছেড়ে দিতাম।।আর মজার খেলা হত।
তখনকার দিনে এত বেশী জুস ছিল না।7up
আর কোলাকোলা ছিল।আর ছোটদের জন্য
চিকন প্লাস্টিকের বোতলে প্রান জুস
পাওয়া যেত।বাঁশের লাঠির মত শক্ত
প্লাস্টিকের স্ট্র দিয়ে খেতে হত তা।।
এর মাঝে অনেক সময় পেরিয়ে গেছে।
সেদিনের ছোট্ট ছেলে আজ অনেক বড়।
কিছুদিন পর সে ভর্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়বে।
কেউ মেডিকেল কোচিং কেওবা
ইঞ্জিনিয়ারিং এর জন্য।সে হয়ত বাবা-
মায়ের ইচ্ছে পূরন করতে পারবে। হয়ত না।।
তার মত অনেকেই হয়ত চেষ্টা করেছিল
বাবা মায়ের ইচ্ছে পূরন করতে।সবাই তা
পারেনি।।শেষে নিজেরাই কষ্ট পেয়েছে।।
যদিও কষ্টরা সব সময় এক জায়গায় থাকেনা।
নতুন কেও এইবার বাবা মায়ের ইচ্ছে পূরন
করতে না পারার কষ্ট পাবে।আর পুরোনো
কেউ হয়ত ভুলে যাবে।
নিজের ইচ্ছে পূরনের জন্য এ কোথায়
হারালাম আমরা?একসময় আমাদের সময়
কাটত বাবার পিঠে।।আজ নিজের পিঠে
বইয়ের বোঝা নিয়ে ছোটাছুটি করি
স্যারেদের বাসায়।ছোটবেলায় স্বপ্নগুলা
ছিল মজার।।আর আজকের স্বপ্নগুলার পথ
কাঁটাময়।
সবারই কি ফিরে যেতে ইচ্ছে করে
ছোটবেলার ১ টাকার স্যাকারিনের
আইসক্রিম খাওয়ায় দিনে ফিরে যেতে
নাকি সবাই চায় নামী ব্যান্ডের ৩০০ টাকা
লিটারের আইসক্রিম খেতে?
আমি ফিরে যেতে চাই।।সেই ছোটবেলায়।।
চিন্তামুক্ত ছোট্ট পৃথিবীতে।।ফিরে যেতে
পারব কি????
.::অভ্রনীল(অর্বাচীন ব্লগার)::..
পরাজিত রিদিমার জয়।।
by রিদিমা
আজ রিদিমার চোখে জল নেই এবং মুখে
হাসি ও নেই। ইচ্ছে না থাকার পরও আজ
বিয়ে করতে হচ্ছে রিদিমাকে কারন
এছাড়া আর
কোন পথ খোলা নেই।
শেষবার যেদিন কথা হয়েছিল জয় এর
সাথে সেদিনই রিদিমা বলেছিল,আমি
যদি কোন
দিন বিয়ে করি তবে সেদিন তুমি আসবে
আমার
বিয়েতে।শূধু এই না আরো বলেছিল
যে,কোন দিন
তোমার কাছে কিছু চাইনী,এমন কি
ভালবাসাও
না কিন্তু আমার বিয়েতে তোমার
উপত্থিতি তোমার
কাছে আমার প্রথম এবং শেষ চাওয়া।
নীল শার্ট পরে এসো করন নীল শার্ট
পরা দেখেছিলাম তোমাকে প্রথম বার।
-জয় বলল কেন আসবো আমি???কী করবে
তুমি???
-কিছু না শূধু তোমাকে দেখবো দুচোখ
ভরে।এই দিনটার পর ওদের আর কথা হয়নি
কারন জয় সবসময় রিদিমাকে নিজের
থেকে দূরে রাখতে চেয়েছে আর
দূরে থাকতে বলেছে। জয়কে অনেক
বেশি ভালবাসে বলে ওর সব কথাই
মেনে নিয়েছে রিদিমা।
রিদিমার বিয়ে আজ তাই জয় এসেছে
রিদিমার
বাড়িতে।জয় এসে দেখলো রিদিমা বউ
সেজে বসে আছে।রিদিমাকে দেখে
জয় এর মনে হল
সবচেয়ে সুন্দর মেয়ে ওর সামনে বসে
আছে।
রিদিমার পরনে ছিল লাল বেনারশি
শাড়ি আর
হাতে চুড়ি।।কিন্তু চোখে কাজল নেই।জয়
এর
বুঝতে বাকি রইল না যে রিদিমা অনেক
কেঁদেছে তাই কাজল ধুয়ে গেছে
চোখের জলের
সাথে।
হঠাত্ নীল শার্ট পরা জয়কে দেখতে
পেল
রিদিমা,দেখে বুকের ভেতর ব্যাথা
অনুভব করল।
রিদিমার আজ নিজেকে পরাজিত মনে
হচ্ছে।
রিদিমার অসহায় এর মত জয় এর
দিকে তাকিয়ে থাকে।রিদিমারখুব
ইচ্ছে করছে জয়কে ভালবাসি বলতে আর
ওকে ছুয়ে নিজের অস্তিত্ব অনুভব করতে।
বেশিক্ষণ
চোখে পানি ধরে রাখতে পারলোনা
রিদিমা,ওর
চোখে পানি দেখে জয় বের হয়ে
আসলো বিয়ের
আসর থেকে।
রাস্তাদিয়ে জয় হাটছে আর ওর মাথার
ভিতর
উত্তাল
ঝড়ে গুড়িয়ে যাচ্ছে নিত্যদিনের সকল
চিন্তা। জয় এখন বুঝতে পারছে যে ও
রিদিমাকে ভালবেসে ফেলেছে।
কিন্তু আজ
তো রিদিমার বিয়ে আমি কী করব
কি করা উচিত আজ এই
প্রশ্নগুলো জয়কে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে।
ওর ইচ্ছে করছে সমস্ত দায় ছিড়ে ফেলে
রিদিমার
কাছে ছুটে যেতে।রিদিমার
কথা,হাসি আর
কান্না জয় এর কানে বাঁজছে।
রিদিমা বিয়ে না করেই নেমে আসে
রাস্তায়
জয়কে খুজতে।রিদিমা রাস্তার
এদিকে ওদিকে খুজেও জয়কে দেখতে
পায় না।
রিদিমা ভাবে যেখানে ওদের
প্রথম দেখা হয়েছিল হয়ত ওর
কাঁঠবিড়ালী এখন
সেখানে আছে।এই ভেবে ও দৌড়ে যায়
কলেজের
সামনে যেয়ে দেখে জয় চলে যাচ্ছে।
পেছন থেকে জয়কে কাঁঠবিড়ালী,কাঁঠ
বিড়ালী বলে ডাকতে লাগলো
রিদিমা।
ভালবেসে জয়কে কাঁঠবিড়ালী বলে
ডাকে রিদিমা।
রিদিমার কন্ঠ শুনে জয় ভাবলো ওর কান
বাঁজছে।
হঠাত্ একটা চিত্কার শুনতে পায় জয়।
ফিরে তাকিয়ে দেখে রিদিমা পড়ে
আছে রাস্তার
মাঝে।কেবলই
একটা গাড়ি ধাক্কা দিয়েছে
রিদিমাকে।জয়
দোড়ে এসে দেখে রিদিমার
নিঃশ্বাস
উঠা নামা করছে।রাস্তার মাঝেই বসে
পড়ে জয় ওর
চোখ থেকে অঝরে পানি পড়ছে।
জয়কে কাঁদতে দেখে রিদিমা জয়কে
বলল
-কাঁঠবিড়ালী তুমি কাঁদছো কেন?
আমিতো তোমার লজ্জামাখা হাসিটা
দেখার জন্য
ছুটে এলাম।
-আমি কাঁদছি না চল রিদিমা ডাক্তার
এর
কাছে যাই।
-না আমি যাব না আমার কিছু হয়নি,এই
কাঁঠবিড়ালী কাঁদছো কেন?
-তোমাকে ভালবাসি তাই।
-কাঁঠবিড়ালী,আরাধনা গানটা
শোনাও।
-এখন না রিদিমা,পরে গান শোনাব।
-কাঁঠবিড়ালী আমি না আল্লাহ এর
কাছে তোমাকে চেয়ে রেখেছি
অফুরন্ত
জীবনের জন্য।আমি মরে গেলেও আমার
অস্তিত্ব আজীবন জিবিত থাকবে তোমার
মাঝে।
রিদিমা জয়কে ভালবাসি বলে আবার ও
গান
শোনাতে বলল।
জয় গান গাওয়া শুরু করলো:
হৃদয় উজার করে একটা জীবন
করে যাবো তোমারই প্রার্থনা,যতক্ষ ন
থাকবে দেহে প্রান তোমায়
ছেড়ে কখনো দূরে যাব না. . . . . . .।
গান গাওয়া শেষ করে জয়
রিদিমাকে বুকে জড়িয়ে ধরে জানতে
চাইলো গান
কেমন হয়েছে???রিদিমা উত্তর দিল না।
জয়
আবার ও জানতে চাইলো গান
কেমন হয়েছে??রিদিমা এবারও কোন
উত্তর দিল
না এবং দিবেও না কারন
রিদিমা হাড়িয়ে গেছে জয়ের জীবন
থেকে।
চোখে জল নিয়ে জয় বসে থাকলো
নির্বাক হয়ে।
এই দিনটির পর জয় আর কোনদিন গান
গায়নী এবং নীলশার্ট পড়েনি,শুধু
তাইনা রিদিমার সাথে জয়ের মুখের
লজ্জামাখা হাসিটাও হাড়িয়ে গেছে
আজীবনের জন্য।
যে পুরুষ কখনো দুঃখকষ্ট ভোগ করেনি
এবং পোড় খাওয়া মানুষ নয় মেয়েদের
কাছে সে তেমন বাঞ্ছনীয় না । কারণ
দুঃখকষ্ট পুরুষকে দরদি ও সহনশীল করে
তোলে। -ডেনিস রবিনস
ফলাফল।
লেখাঃ একাকী একটি ছেলে।
একজন কয়েদীর জন্য অপেক্ষা করছি
জেলার সাহেবের রুমে আমি
ও রাতুল।সাধারণত সাধারন কয়েদীদের
সাথে আলাদা ভাবে
দেখা করা যায় না কিন্তু রাতুল
ম্যাজিস্ট্রেট হওয়ায় আলাদা এই
ব্যাবস্থা করা হেয়ছে।
আমি, রাতুল ও হিমু একই সাথে একটি রুম
ভারা করে থাকতাম
আমাদের ভার্সিটি লাইফে। আমারা
তিনজনই ছিলাম মধ্যবিত্ত
পরিবারের সন্তান এবং একই সাথে
ভাল ফ্রেন্ড। তবে রাতুল একটু
গরিব ফ্যামিলির ছেলে ছিল কিন্তু অর
মনটা ছিল অনেক বড়।
রাতুল খুব সাধারন ভাবে চলাচল করত
কোন ধরণের বিলাসিতা বা
নষ্টামি ওর মাঝে ছিল না। এদিকে
হিমু ছিল খুব স্মার্ট দেখতে
যেমন সুন্দর তেমন লম্বা। আর কথা বলত খুব
সুদ্ধ করে বাংলা
ইংলিশ মিশিয়ে।
সত্যি বলতে কি আমি হিমুকে মনে মনে
হিংসে করতাম ওর মত
স্মার্ট হতে পারতাম না বলে। হিমু
আমাকে কখন ও কিছু বলত না
তবে রাতুল কে প্রাই খ্যাত আনস্মার্ট
বলে খোঁচা দিত। রাতুল
কখন বিষয়টা গায় মাখত না হেসে
উরিয়ে দিত। তাবে আর যাই
হোক রাতুল ছিল আমাদের মাঝে
পড়ালেখায় সেরা ছাত্র। সব
সময় ফাস্ট ক্লাস বয়। আর আমি? আমি
ছিলাম সময়ের স্রোতে গা
ভাসিয়ে দেওয়া ছেলে সে
হিসেবে আমি হিমুকে কপি করতাম
রাতুল কে না।
মাস কয়েক পরে পরেই হিমু তার স্মার্ট
মোবাইল ফোনে তার নতুন
নতুন গার্ল ফ্রেন্ডের ছবি দেখাত। আর
আমি হিংসায় মরে
যেতাম কিভাবে পারে হিমু এত সুন্দর
সুন্দর মেয়ে গুলোকে
পটাতে। মাঝে মাঝে হিমু আমাকে
টিপস দিত মেয়ে পটানোর
বিষয় আর আমিও সে গুলো অক্ষরে
অক্ষরে মেনে চলতাম কিন্তু
কাজের কাজ কিছু হত না মেয়েদের
সামনে কথাই বলতে
পারতাম না। এদিকে রাতুলের একটা
গার্ল ফ্রেন্ড ছিল সেই
ইন্টার লেভেলে থাকতে। তবে সে
কখন ও এইসব নিয়ে আমাদের
সাথে আলোচনা করত না।
বলত এসব বিষয় হল পার্সোনাল এগুলো
ঢাক-ঢোল পিটানর কোন
মানে নেই। আমি আর হিমু মনে মনে
হাসতাম আর আড়ালে
বলতাম শালা আসলেই একটা খ্যাত।
তবে আমার অনেক
জোরাজুরিতে রাতুল একদিন ওর গার্ল
ফ্রেন্ডের একটা ছবি
আমাদের দেখিয়েছে। হিমু ছবিটা
দেখে মুখ ভ্যাংচি দিয়ে বলল
ও এইটা তোর গার্ল ফ্রেন্ডের রাতুল
কিছু না বলে হালকা করে
হাসল। মেয়েটাকে আমার তেমন ভাল
লাগে নি আবার খারাপও
লাগেনি তেমন ফর্সা না আবার
কালোও না। অনেকটা হৈমন্তী
গল্পের হৈমন্তী টাইপ চেহারায় এক
ধরণের মায়া আছে।
হিমুর একটা বদ অভ্যাস হল আমার কেউ
নতুন কোন ড্রেস কিনলে
সেটা ও না বলে পরে চলে যাবে
মেয়দের সাথে ডেটিঙে।
একদিন রাতুল একটা ড্রেস লন্ড্রি করে
রেখেছে কোথায় জানি
একটা দাওয়াত আছে সেখানে যাবে
অথচ যাওয়ার সময় দেখে ওর
সেই ড্রেস হিমু নিয়ে গেছে। পরে
আমি অনেক কষ্টে ওকে আমার
একটা ড্রেস দিয়ে পাঠাই। ও একটা
কথা বার বার বলত সেটা হল
কার পার্সোনাল জিনিষ অন্য জনের
ইউস করা ঠিক না। এই যেমন
, জামা কাপড় , ব্রাশ, গামছা তাওয়াল
ইত্যাদি। কিন্তু কে
শোনে কার কথা হিমু ঐ সবের ধার
ধারে না। আমি ধারণা
করছিলাম সেদিন হয়ত রাতুল খুব করে
ঝারবে হিমু কে কিন্তু না
সত্যি রাতুল ঠাণ্ডা স্বভাবের ছেলে।
তবে একদিন রাতুলের রাগ
দেখেছিলাম। সেদিন আমি আর হিমু
ভার্সিটিতে যাইনি। রাতুল চলে
গেলে হিমু আমাকে কিছু
ইঙ্গিত করে আমিও বুঝে যাই কারণ এর
আগেও হিমু এসব করেছে।
তাই আমিও কিছু সময়ের জন্য হাওয়া
হয়ে যাই কারণ ওর গার্ল
ফ্রেন্ড আসবে। সে দিন ভার্সিটিতে
কোন কারনে ক্লাস হয়নি।
তাই নিদৃস্ট সময়ের আগেই ভার্সিটি
থেকে ফিরে রুমের দরজা নক
করে রাতুল।প্রায় আধা ঘণ্টা পরে হিমু
দরজা খুলে দেয় আর তখনি
একটি মেয়ে রুম থেকে বের হয়ে যায়।
রাতুলের বুঝতে বাকি
থাকে না কি ঘটছে।
আমি রুমের আসার পরে রাতুল আমাকে
জিজ্ঞেস করে তুই কি
বিষয়টা জানতি? আমি ঐ দিন ওর রক্ত
চক্ষু দেখে ভয় পেয়ে যাই
কোন রকমে মাথা নেরে বলি হ্যাঁ
সাথে সাথে রাতুল আমার
গালে ঠাস করে একটা চড় লাগিয়ে
দেয়। আমার মাথা ঘুরে উঠে।
তার পরে আমাকে ছেড়ে হিমুর গলা
চেপে ধরে দেওয়ালের
সাথে। কোন রকমে সেদিন রাতুল কে
সরিয়ে আনি।সেদিন ও
চিৎকার করে বলতে থাকে এইটা কোন
বেশ্যার রুম না এখানে
আমার থাকি, খাই, নামাজ পরি,
নষ্টামি করতে মনে চাইলে
আবাসিক হোটেলে যা। আর আমাকে
শুধু এই টুকু বলে তুই জেনে
শুনে কেন রুম ছেড়ে বাইরে গেলি?
আমি কোন জবাব দিতে পারি
নি সেদিন।
সেদিন আমি অনেক ভয় পেয়ে যাই
কারন আমি রাতুল সমবয়সী
হওয়ার পরও আমার বাবা আমার দায়িত্ব
রাতুলের হাতে দিয়ে
যায়। যদি রাতুল বাবা কে কিছু বলে
তাহলে আমি লজ্জায় মুখ
দেখাতে পারব না। পরে অবশ্য রাতুল
বাবাকে কিছু বলে নাই আর
হিমু ও নতুন করে আর কোন মেয়েকে রুমে
আনেনি। তবে রাতুলের
সাথে কথা বলা বন্ধ।
হটাৎ করে একদিন সব কিছু পরিবর্তন হয়ে
যায়। হিমু রুমে এসে
হাঁপাতে হাঁপাতে আমাকে বলে
দোস্ত আমাকে বাঁচা। আমি
অবাক হয়ে জানতে চাই কি হয়েছে। ও
যা বল তার সারমর্ম হল এই
যে, কিছু দিন আগে ফেসবুকে এক মেয়ে
পটায় সব বারের মত। কিছু
দিন পরে রুম ডেটে যায় তার পরে অন্য
বারের মত মেয়েটাকে
পাশ কাটাতে চাইলে মেয়েটা
বেকে বসে ওকে বিয়ে করতে চায়
নয়ত আত্মহত্যা করবে বলে হুমকি দেয়।
হিমু বিষয়টা তেমন আমলে
নেয়নি কারণ এই ধরণের কথা মেয়েরা
বলেই থাকে রিলেশন
ব্রেকাপের পরে আর হিমুর তো
অতীতের অনেক অভিজ্ঞতা
আছে।
কিন্তু এবার হিমুর ভাগ্য খারাপ
মেয়েটা বিষ খেয়ে ফেলে আর
এখন হাসপাতালে আছে। আর বিষ
খাওয়ার আগে হিমুর নামে
চিঠি ও রেকর্ড করা কথা রেখে যায়।
এদিকে মেয়ের এক মামা
ঢাকার এক থানার ওসি সে হিমুর
নামে ধর্ষণের মামলা করে
দেয়। এখন হিমু পালানোর যায়গা
খুঁজছে।
পরবর্তী কাহিনী হল মেয়েটা বিষয়
খাওয়ার তিন দিন পরে হিমু
কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বিচারক
ধর্ষণের দায়ে ৫ বছরের সাজা
প্রদান করে। সেদিন আমি আদালতে
যাইনি তবে রাতুল ঠিকি
গিয়েছিল। সেদিন রাতুল, হিমুর
বাবাকে জড়িয়ে ধরে অনেক
কান্না করে বলে আঙ্কেল আপনার কোন
ছেলে জেলে নাই এইযে
দেখেন আমি আপনার সামনে দাড়িয়ে
আছি আমি আপনার
ছেলে। তার পরে রাতুল মাঝে মাঝেই
যেত জেলে দেখা করতে
আমি শুধু একবার গিয়েছিলাম রাতুলের
সাথে।এর পরে দিন যায়
মাস যায় বছর যায় রাতুল বিসিএস দিয়ে
ম্যাজিস্ট্রেট হয়। আর
আমি একটা ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে
জব করি। রাতুল গ্রেমের
সেই সাধারণ মেয়েটাকেই বিয়ে করে
সুখে আছে।
হিমুর সাজার মেয়াদ ৪ বছর হয়েছে আর
এক বছর বাকি তবে রাতুল
কি ভাবে জানি এক বছর কম করে
ফেলেছে সাজা।
হ্যাঁ ঐ তো আসছে হিমু আগের মতই লম্বা
আছে তবে একটু কুঁজো
দিয়ে হাঁটছে তবে আগের মত ফর্সা
নেই কালো হয়ে গেছে। হিমু
হয়ত জানে না আজকে সে তার
ফ্যামিলির সাথে দেখা করতে
পারবে। দেখি ওর সাজা এক বছর কম
হয়েছে শুনে কি আচরণ
করে...........
একাকী একটি ছেলে (তিতুমীর কলেজ)
মৃত্যুকে পরিহার করা বোধহয় কটিন নয়
পাপকে পরিহার করাই অধিকতর কঠিন।
কারণ পাপ মৃত্যু অপেক্ষা দ্রুতগামী। -
সক্রেটিস
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Telephone
Website
Address
Alfadanga, Fridpur, Dhaka
Gazipur