মা কুকুর ডাকাডাকি করত।
এই অপরাধে এক বিসিএস ক্যাডারের বৌ সেই মা কুকুরের ৮ টা বাচ্চা পুকুরে ডুবিয়ে মেরে ফেলেছে।
মনে আছে, একদিন আমাদের এক কুকুর এসে আম্মুর কাপড় ধরে টানাটানি শুরু করলো। আমরা সবাই অবাক। চোখ টলমল।
আম্মু ওদের খাইতে দেয়, এটা ঠিক। বাট এমন টানাটানির কারণ কী?
গিয়ে দেখা গেল, ওর একটা নাদুস নুদুস বাচ্চা ড্রেনে পড়ে গেছে। আম্মু তুইলা দিল। মা বেটা মহা আনন্দে লাফাতে লাফাতে চলে গেল।
একটু আগের চোখ টলমলটা আর নাই।
বাচ্চা ফেরত পেয়ে কী যে আনন্দ!!
এরপর থেকে দিনে দুই বার তিনবার করে বাচ্চা ড্রেনে পড়ে।
আর সে আমাদের ডেকে নিয়ে যায়।
খাবার খাইতে দিলে প্রথম প্রথম খাইত না। খাবার মুখে নিয়ে চলে যাইত বাচ্চাদের কাছে।
একবারে তো পারত না সব নিতে। দুই তিনবার আসত। এসে নিয়ে যাইত।
নিজে না খাইয়া বাচ্চাদের খাওয়াইতো।
আমাদের একটা বিড়াল, টুকটুকি মারা গেছিল ডিপ্রেশনে।
অনেকেই হাসবেন শুনে বাট কাহিনীটা ট্রু।
ওর চারটা বাচ্চাই মারা যাওয়ার পর ও আর কখনোই ভালো করে খায়নি।
বাসায় থাকত না ঠিকঠাক।
ভেট বলল, পসিবল না। বাচ্চাদের হারানোর পর ওর আর বেঁচে থাকার ইচ্ছা নাই। ও এখন মরে যেতে চায়।
আমাদের চোখের সামনে টুকটুকি মারা গেল, আম্মুর কোলের উপর শুয়ে।
ডাকলে উত্তর নেয়, সবাইকে চিন্তে পারে, কিন্তু খায় না। একেবারে তেল চকচকে নাদুস নুদুস একটা বিড়াল মারা যাওয়ার সময় হাড় জিড়জিড়ে শরীর নিয়ে মারা গেছে।
এই কুকুরটাও খুব সম্ভবত মারা যাবে।
আটটা বাচ্চা একসাথে মেরে ফেলার ধাক্কা ও সামলাতে পারবে বলে মনে হয় না।
সমস্যা হলো, এই ৯ টা খুন করার পরেও এই মহিলার কোন শাস্তি হবে না।
কারণ, বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ কুকুর বিড়াল মারাকে নিজেদের রাইট বলে মনে করে।
নামাজ পড়ে, রোজা করে আবার বিড়াল কুকুর মারে।
মহিলাটা যে কুকুর খুন করেছে, এটা একটা দিক। বাট এই কাজটাকে সাপোর্ট করবে এই দেশের কমপক্ষে ৮০% মানুষ। এটাই সবচেয়ে ভয়ের।
কুকুরের বাচ্চার মত এত সুন্দর প্রাণীকে যারা বিরক্ত হয়ে খুন করতে পারে, এদের মানসিক অসুস্থতা কতদূর পর্যন্ত গেছে, বুঝতেছেন?
আল্লাহ বলেছেন, মানুষকে তিনি সর্ব উত্তম রূপে সৃষ্টি করেছেন। তারপর তাকে নামিয়ে দিয়েছেন সর্ব নিম্ন স্তরে।
অবাক লাগত। সর্ব নিম্ন স্তরে মানে? মানুষ কি তবে জানোয়ারেরও নিচে?
কোন বিড়াল বা কুকুরকে খাইতে দিতে দেখলে আমার আয়াতের প্রথম অংশটা ফিল হয়। আসলেই তো মানুষ আশরাফুল মাখলুকাত।
কিন্তু এই বিসিএস ক্যাডারের বৌ আর এদের মত লোকজন দেখে বুঝি, মানুষ এতটাই নিচে নামতে পারে, যত নিচে নামা পৃথিবীর সবচেয়ে নির্মম জানোয়ারটার পক্ষেও পসিবল না।
একটা মা কুকুরের ৮ টা বাচ্চাকে একবারে মেরে ফেলার মত জানোয়ার শুধু বাংলাদেশ কেন, আমাজন ঘুরেও আপনি আর একটা পাবেন?
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় National University
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের আপডেট খবর পেতে পেজে লাইক দিন
📢 নাগরিক হিসেবে আমার প্রশ্ন — আমি কি অপরাধ করেছি জানতে চেয়ে?
প্রায় দুই মাস আগে আমার খালাতো ভাইয়ের সার্টিফিকেটে নাম সংশোধনের জন্য আমরা আবেদন করি। কিন্তু এতদিনেও কোনো মেসেজ বা আপডেট না আসায় আজ আমরা ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে (Dhaka Education Board) যাই খোঁজ নিতে, কারণ আমার ছোট ভাই বিদেশে পড়াশোনার জন্য আবেদন করবে — অথচ সার্টিফিকেটের নাম ভুল থাকলে তার ভবিষ্যৎ থেমে যাবে।
আমি যখন ➡️৩০৪ নাম্বার রুমে যাই এবং আবেদনের কপি দেখিয়ে জানতে চাই আমাদের আবেদনটির অবস্থান কী, তখন ওই রুমে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি আমাদের বলেন,
“ফেব্রুয়ারিরগুলা এখনো হয় নাই, আপনাদেরটা তো মাত্র দুই মাস আগে হয়েছে, এক বছর লাগবে।”
আমি শুধু জানতে চাইলাম — “এক বছর লাগবে কেন?”
এই যুক্তিসঙ্গত প্রশ্ন করতেই উনি আমার ওপর রেগে গেলেন, খারাপ ব্যবহার করলেন,,এমনকি রুম থেকে বের করে দিতে চাইলেন।
ছোট ভাইকে অপমান করে বললেন — “তোমরা পাঁচ বছর আগে আসতে পারতে না নাম ঠিক করতে?”
আর আমাকে বললেন, “আমি এখানে জবাব দিতে বসিনি।”
সাথে এটাও বললেন চেয়ারম্যান সাহেবকে গিয়ে উনার নাম বলতাম,,সিকান্দার ভাই আমাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছে এটাও চেয়ারম্যান স্যারকে বলতাম,,সে নিজেকে কতটা পাওয়ারফুল মনে করে যে চেয়ারম্যান সাহেবকে গিয়ে কমপ্লেন দিলে ওনার কিছু যায় আসে না উনি এটাই বুঝাইলেন,,
প্রশ্ন হচ্ছে —
👉 একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমি কি প্রশ্ন করতে পারি না?
👉 সরকারি অফিসে কাজের আপডেট জানতে চাওয়া কি অপরাধ? কেনো দেরী হবে এটার কারন জিজ্ঞেস করা কি অপরাধ??
👉 যদি একটি নাম সংশোধন করতে এক বছর লাগে, তাহলে এসব কর্মকর্তা আসলে অফিসে বসে কী কাজ করেন?
বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১ ও ৩৯ নম্বর অনুচ্ছেদে নাগরিকের ন্যায্য আচরণ পাওয়ার অধিকার ও মত প্রকাশের অধিকার সুরক্ষিত আছে।
সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব নাগরিককে সেবা দেওয়া, অপমান করা নয়।
কিছু অসচেতন,,উদ্ধত আচরণকারী কর্মচারী কারণেই সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি মানুষের আস্থা হারিয়ে যাচ্ছে।
আমরা যখন সমস্যার সমাধান চেয়ে যাই, তখন অপমান পাই — এটা কি আমাদের প্রাপ্য?
আজ আমি ভিডিওসহ এই ঘটনার প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
(ভিডিওটা কথার মাঝামাঝি সময়কার,, উনি শুরু থেকেই আমাদের সাথে রাগান্বিত ব্যবহার করতেছেন )
(আর উনি রাগান্বিত খারাপ আচরণের কারণে আমিও রাগান্বিত হই
)
18/07/2025
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বর্ষের আপডেট নিউজ।
13/05/2025
একটা জেনারেশনকে বোঝানো হয়েছিল -
"বিকেলে মাঠে খেলতে যাওয়ার চাইতে টিউটরের কাছে পড়াটা বেশি Important."
এরা বিকেলে মাঠ ছেড়ে পড়ার টেবিলে চলে গেল । আর মুরুব্বিরা দেখলেন, মাঠ ফাঁকা ফেলে রাখার চাইতে উঁচু ইমারত নির্মাণ করাটা more beneficial, more practical !!
অথচ বেঁচে থাকতে হলে লাইফে Entertainment দরকার । সুস্থ এন্টারটেইনমেন্টের মাধ্যমগুলো একে একে বন্ধ করে দেয়া হলো । জেনারেশন সেটাকে রিপ্লেস করলো মোবাইল, পিসি আর প্লে-স্টেশন দিয়ে । কেউ অপরিণত বয়সে রিলেশনে জড়িয়ে গেল । কোথাও মা-দ-ক এবং কি-শো-র গ্যাং তৈরী হলো ।
তারপর হঠাৎ মুরুব্বিদের বোধোদয় হলো-
'আরে, এই জেনারেশনটা এমন হয়ে যাচ্ছে কেন !'
02/01/2025
উৎসবের উপহার।
02/01/2025
সব ছাত্রসংগঠনের সমন্বয়ে ‘জাতীয় ছাত্র সং'হতি সপ্তাহ’ পালনের ঘোষণা
বিএনপি ও জামাতের নেতৃবৃন্দের প্রতি অনুরোধ: আপনারা চট্টগ্রামে প্রতিশোধের আগুন বন্ধ করুন - যেভাবেই হোক। সরকারকে সহায়তা করুন ও হিন্দু ভাইদের ওপর যেন কোনো আক্রমণ না হয় - সেই নির্দেশ দেন। আপনাদের কর্মীদের মোবিলাইজ করেন।
যারা হত্যার সাথে জড়িত তাদের বিচার আমরা অবশ্যই করতে পারবো কিন্তু এই মুহূর্তে দরকার আইন-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা।
- ফাহাম আব্দুস সালাম
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ শহীদ পরিবারকে ৮ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী যাদের দৈনিক আয় ১৪৮ টাকার কম তারা হতদরিদ্র!
আপনার দৈনিক আয় কত টাকা? 😑
"ভেঙ্গে পড়োনা, নিরাশ হয়োনা, সাহায্য আসবেই,
এটা আল্লাহর ওয়াদা। জেনে রেখো আল্লাহর সাহায্য অতি নিকটে!"
[সূরা বাকারা, আয়াত : ২১৪]
Click here to claim your Sponsored Listing.
Location
Category
Contact the school
Address
Board Bazaar, Dhaka Division
Gazipur